| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
শাওন আহমাদ
এটা আমার ক্যানভাস। এখানে আমি আমার মনের কোণে উঁকি দেয়া রঙ-বেরঙের কথাগুলোর আঁকিবুঁকি করি।

এলাচের সাথে মানুষের নাকি দা-কুমড়া সম্পর্ক! খাবারের মাঝে হুট করে এলাচ মুখে পড়লে অনেকেরই মেজাজ বিগড়ে যায়, মনে হয় যেন পুরো খাবারের স্বাদটাই মাটি হয়ে গেল। এই অতি দামী মশলাটির ওপর রাজ্যের বিরক্তি নিয়ে মানুষ মুখ বাঁকায়।
অথচ এই ‘বিরক্তিকর’ মশলাটিই আমার কাছে অমৃত! আমি সুযোগ পেলেই গোটাকয়েক এলাচ মুখে পুরে দিয়ে চানাচুরের মতো কুড়মুড় করে চিবিয়ে খেয়ে ফেলি। যে এলাচের পেটে যত বেশি দানা, সেটি খেতে তত বেশি মজা। অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছে যে, আমার ভয়ে বাসার মানুষ এখন এলাচের বয়াম লুকিয়ে রাখে! বুঝুন ঠেলা!
আমার কলিগরা প্রথম প্রথম আমার এই এলাচ-বিলাস দেখে চরম বিস্ময় নিয়ে তাকিয়ে থাকত। এখন আর থাকে না। বরং দুপুরের খাবারের সময় তারা তাদের প্লেট থেকে এলাচগুলো বেছে পরম মমতায় আমার প্লেটে তুলে দেয়। আমিও পরম তৃপ্তি নিয়ে সেগুলো চিবিয়ে চিবিয়ে খাই।
সেদিন এক কলিগ সকালে অফিসে এসেই বললেন, "শাওন ভাই, আপনার জন্য একটা উপহার আছে।" বলেই একটি র্যাপ করা প্যাকেট আমার হাতে ধরিয়ে দিলেন। প্যাকেট খুলে তো আমি অবাক! টসটসে সবুজ রঙের ডাসা ডাসা সব এলাচ। লোভ সামলাতে না পেরে উনার সামনেই একটা মুখে দিয়ে চিবাতে চিবাতে বললাম— "শুকরিয়া ভাই!"
জিজ্ঞেস করলাম, "ভাই, এত ডাসা এলাচ কোথায় পেলেন?" তিনি জানালেন, উনার আত্মীয় নাকি দুবাই থেকে এগুলো নিয়ে এসেছেন। আহা! দুবাইয়ের এলাচ যে এত স্বাদের হতে পারে, না খেলে বুঝতাম না।
উপরওয়ালার কাছে লাখো-কোটি শুকরিয়া। তিনি আমাকে দুবাইয়ের এলাচও খাওয়ালেন! তিনি রিজিকের ব্যবস্থা না করলে আমার মতো হত-দরিদ্র মানুষের পক্ষে কি আর দুবাই গিয়ে এলাচ খাওয়া সম্ভব হতো?
এখন কথা হচ্ছে—যে বস্তু সবার কাছে ‘অখাদ্য’, তা আমার কাছে অমৃত। আচ্ছা, আমার কোনো রোগ হয়নি তো আবার?
©somewhere in net ltd.
১|
১৭ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:০৭
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: যে বস্তু সবার কাছে ‘অখাদ্য’, তা আমার কাছে অমৃত।
................................................................................
এলাচ আমার কাছেও অখাদ্য, কিন্ত
ডাক্তারের পরামর্শ আছে, এলাচের অনেক গুন
খেতে পারলে উপকার আছে ।
তাই মাঝে মাঝে আমি খেতে চেষ্টা করি ।