| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মহাজাগতিক চিন্তা
একদা সনেট কবি ছিলাম, ফরিদ আহমদ চৌধুরী ছিলাম, এখন সব হারিয়ে মহাচিন্তায় মহাজাগতিক চিন্তা হয়েছি। ভালবাসা চাই ব্লগারদের, দোয়া চাই মডুর।

সূরাঃ ৩৫ ফাতির, ৪৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৪৩। পৃথিবীতে অহংকার প্রকাশ এবং কূট ষড়যন্ত্রের কারণে (অকল্যাণ)।কূট ষড়যন্ত্র এর আহলকে(এর সাথে সংযুক্ত সকল ব্যক্তি) পরিবেষ্ঠন করে। তবে কি এরা অপেক্ষা করছে পূর্ববর্তীদের সুন্নতের? কিন্তু তুমি আল্লাহর সুন্নাতে কখনও কোন পরিবর্তন পাবে না এবং আল্লাহর সুন্নতে কোন ব্যতিক্রমও দেখবে না।
সূরাঃ ৬ আনআম, ১৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৫৩। আর এপথই আমার সিরাতাম মুসতাকিম (সরল পথ)। সুতরাং তোমরা এর অনুসরন করবে, এবং বিভিন্ন পথ অনুসরন করবে না, করলে তা’ তোমাদেরকে তাঁর পথ হতে বিচ্ছিন্ন করবে। এভাবে আল্লাহ তোমাদেরকে নির্দেশ দিলেন যেন তোমরা সাবধান হও।
সূরা: ৯ তাওবা, ১২২ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২২। আর মু’মিনদের এটাও উচিৎ নয় যে (জিহাদের জন্য) সবাই একত্রে বের হয়ে পড়বে। সুতরাং এমন কেন করা হয় না যে, তাদের প্রত্যেক বড় দল হতে এক একটি ছোট দল (জিহাদে) বের হয় যাতে অবশিষ্ট লোক ফিকাহ (দীনের গভীর জ্ঞান) অর্জন করতে থাকে। আর যাতে তারা নিজ কওমকে ভয় প্রদর্শন করে, যাতে তারা সাবধান হয়।
সূরাঃ ২, বাকারা। ১০৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৬। আমরা কোন আয়াত মানসুখ বা রহিত করলে অথবা ভুলে যেতে দিলে তা’হতে উত্তম বা তার সমতুল্য কোন আয়াত আমরা প্রদান করে থাকি।তুমি কি জান না যে আল্লাহ সর্ব বিষয়ে সর্ব শক্তিমান।
সূরা: ৪৫ জাছিয়া, ৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬। এগুলি আল্লাহর আয়াত, যা আমি তোমার নিকট যথাযথভাবে তিলাওয়াত করছি। সুতরাং আল্লাহর এবং তাঁর আয়াতের পরিবর্তে তারা কোন হাদিসে বিশ্বাস করবে?
সূরাঃ ৯ তাওবা, ১১৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
১১৯। হে মুমিনগণ! আল্লাহকে ভয় কর এবং সাদেকীনদের (সত্যবাদী) সাথে থাক।
* বিদয়াত হয় আল্লাহর সুন্নাতের পরিপন্থী হলে। আল্লাহর সুন্নাত হলো অভিন্ন ফিকাহ। যার পরিবর্তে আয়াত মানসুখ ও হাদিস বাতিল হয়।যারা অতি বিদয়াত বিরোধী তারা বলছে রাসূল (সা.) ও সাহাবায়ে কেরামের (রা.) সুন্নাতের পরিপন্থী হলে বিদয়াত হবে। অথচ আল্লাহর সুন্নাতের পরিবর্তে রাসূল (সা.) ও সাহাবায়ে কেরামের (রা.) সুন্নাত বাতিল হয়। সুতরাং বিদয়াত বিষয়ক অতি বিদয়াত বিরোধীদের কথা মূলত মিথ্যা কথা। আল্লাহর আদেশ অনুযায়ী মুসলিমগল তাদের সঙ্গ ত্যাগ করবে।
সূরাঃ ৯ তাওবা, ১০১ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০১। মরুবাসীদের মধ্যে যারা তোমাদের আশেপাশে আছে তাদের কেউ কেউ মুনাফিক। মদীনাবাসীদের মধ্যেও কেউ কেউ মোনাফেকী রোগে আক্রান্ত। তুমি তাদের সম্পর্কে জান না। আমরা তাদের সম্পর্কে জানি।আমারা সিগ্র তাদেরকে দু’বার শাস্তি দেব। এরপর তারা মহা শাস্তির দিকে যাত্রা করবে।
সূরাঃ ৯ তাওবা, ১০৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৭। আর যারা মসজিদ নির্মাণ করেছে ক্ষতি সাধন, কুফুরী ও মুমিনদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে এবং ইতিপূর্বে আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের বিরুদ্ধে যে সংগ্রাম করেছে তার গোপন ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহারের জন্য, তারা শপথ করেই বলবে তারা ভাল কিছু করার জন্যই ওটা করেছে; আর আল্লাহ সাক্ষি দিচ্ছেন নিশ্চয়ই তারা মিথ্যাবাদী।
* ক্ষতি সাধন, কুফুরী ও মুমিনদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে মোনাফিক রাসূল (সা.) ও সাহাবায়ে কেরামের (রা.) নামে মিথ্যা হাদিস প্রচার করেছে।সেজন্য আল্লাহর সুন্নাতের পরিবর্তে রাসূল (সা.) ও সাহাবার (রা.) সুন্নাত সরাসরি বাতিল সাব্যস্ত হবে। তবে কোন সুন্নাতই আল্লাহর সুন্নাতের পরিবর্তে উপস্থাপিত না হলে বাতিল সাব্যস্ত হবে না। আল্লাহর সুন্নাত অভিন্ন ফিকাহ কি?
সূরাঃ ৫ মায়িদা, ৬৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৭। হে রাসূল! তোমার রবের নিকট থেকে তোমার প্রতি যা নাযিল হয়েছে তা’ প্রচার কর। যদি না কর তবে তো তুমি তাঁর রেসালাত প্রচার করলে না। আল্লাহ তোমাকে মানুষ হতে রক্ষা করবেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ কাফির সম্প্রদায়কে সৎপথে পরিচালিত করেন না।
সূরাঃ ৯৬ আলাক, ১ নং থেকে ৫ নং আয়াতের অনুবাদ-
১। পড় তোমার রবের নামে যিনি সৃষ্টি করেছেন
২।সৃষ্টি করেছেন মানুষকে ‘আলাক’ হতে
৩। পড় তোমার রব মহামহিমাম্বিত
৪। যিনি কলমের সাহায্যে শিক্ষা দিয়েছেন।
৫। তিনি শিক্ষা দিয়েছেন মানুষকে, যা সে জানতো না।
সূরাঃ ৫৩ নাজম, ৩ নং ও ৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩। আর সে মনগড়া কথা বলে না।
৪। এটাতো ওহি যা তার প্রতি ওহি হিসেবেই পাঠানো হয়।
* রাসূলের (সা.) দায়িত্ব রেসালাহ বিধায় তাঁর অভিন্ন ফিকাহ ওহি অনুযায়ী অলিখিত ছিল। এরপর ওহি অনুযায়ী অভিন্ন ফিকাহ আল্লাহ মানুষকে কলমের সাহায্যে শিক্ষা দিয়েছেন। যাতে মানুষ অনেক অজানা বিষয় জানতে পেরেছে। এসব পূর্ব অজানা ও বর্তমানে জানা বিষয়কে অজ্ঞ লোকেরা বিদয়াত আখ্যা দিয়ে ব্যাপক ফিতনা সৃষ্টি করছে।
সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ১০৫ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৫। তোমরা তাদের মত হবে না যারা তাদের নিকট সুস্পষ্ট প্রমাণ আসার পর বিচ্ছিন্ন হয়েছে ও নিজেদের মাঝে মতভেদ সৃষ্টি করেছে। তাদের জন্য মহাশাস্তি রয়েছে।
সূরাঃ ২ বাকারা, ২৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৫৩। ঐসব রাসূলদের আমরা তাদের কোন জনের উপর কোন জনকে শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছি। তাদের মধ্যে কোন জনের সঙ্গে আল্লাহ কথা বলেছেন।আর কোন জনকে উচ্চ মর্যাদায় উন্নীত করেছেন। আর আমরা মরিয়ম পুত্র ঈসাকে প্রকাশ্য মুজেযা দান করেছি। আর তাকে পবিত্র আত্মা দ্বারা সাহায্য করেছি।আর আল্লাহ ইচ্ছা করলে নবিগণের পরবর্তী লোকেরা পরস্পরের সঙ্গে যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হতো না। কিন্তু তারা পরস্পর ইখতিলাফ (মতভেদ) করেছিল।তাতে তাদের কিছু লোক মুমিন এবং কিছু লোক কাফের হয়ে গেল। আল্লাহ ইচ্ছা করলে তারা পরস্পর যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হতো না। কিন্তু আল্লাহ যা ইচ্ছা তাই করে থাকেন।
সূরাঃ ৬ আনআম, আয়াত নং ১৫৯ এর অনুবাদ-
১৫৯। যারা দ্বীন সম্বন্ধে নানা মতের সৃষ্টি করেছে এবং বিভিন্ন শিয়ায় (দল) বিভক্ত হয়েছে তাদের কোন দায়িত্ব তোমার নয়। তাদের ব্যবস্থ্যা করার দায়িত্ব আল্লাহর।আল্লাহ তাদেরকে তাদের কাজ সম্পর্কে জানিয়ে দিবেন।
সূরাঃ ৬২ জুমুআ, ২ নং থেকে ৪ নং আয়াতের অনুবাদ।
২। তিনিই উম্মীদের মধ্যে একজন রাসুল পাঠিয়েছেন তাদের মধ্য হতে, যে তাদের নিকট আবৃত করে তাঁর আয়াত সমূহ; তাদেরকে পবিত্র করে এবং শিক্ষা দেয় কিতাব ও হিকমাত; এর আগে তো এরা ছিল ঘোর বিভ্রান্তিতে।
৩। আর তাদের আখারিনের (অন্যান্য) জন্যও যারা এখনো তাদের সহিত মিলিত হয়নি। আল্লাহ পরাক্রমশালী প্রজ্ঞাময়।
৪। ওটা আল্লাহরই অনুগ্রহ, যাকে ইচ্ছা তিনি ওটা দান করেন। আর আল্লাহ তো মহা অনুগ্রহশীল।
সূরাঃ ৪২ শূরা, ৩৮ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩৮।যারা তাদের রবের ডাকে সাড়া দেয়। সালাত কায়েম করে। নিজেদের মধ্যে শুরার (পরামর্শের) মাধ্যমে নিজেদের কাজ সম্পাদন করে। আর আমরা তাদেরকে যে রিযিক দিয়েছি তা’ হতে ব্যয় করে।
সূরাঃ ৪ নিসা, ৫৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
৫৯। হে মুমিনগণ! যদি তোমরা আল্লাহ ও আখিরাতে বিশ্বাস কর তবে তোমরা (ইতায়াত) আনুগত্য কর আল্লাহর, আর (ইতায়াত) আনুগত্য কর রাসুলের, আর যারা তোমাদের মধ্যে আমির।কোন বিষয়ে তোমাদের মধ্যে বিরোধ দেখাদিলে উহা উপস্থাপিত কর আল্লাহ ও রাসুলের নিকট। ওটা উত্তম এবং পরিনামে ভাল।
সূরাঃ ৩৫ ফাতির, ১ নং আয়াতের অনুবাদ-
১।প্রশংসা আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর, যিনি বার্তাবাহক করেন মালাইকাকে (ফেরেশতা) যারা দুই-দুই, তিন-তিন অথবা চার-চার পাখা বিশিষ্ট। তিনি তাঁর সৃষ্টিতে যা ইচ্ছা সৃষ্টি করেন। আল্লাহ সর্ব বিষয়ে সর্ব শক্তিমান।
* রাসূলের (সা.) ইন্তেকালের পর সাহাবার (রা.) একশত বছরে অভিন্ন অলিখিত ফিকাহ লিখিত হয় নাই। অভিন্ন অলিখিত ফিকাহ লিখিত হয়ে তা’ সবার শিক্ষার ব্যবস্থা না হওয়ায় সাহাবায়ে কেরাম (রা.) পরস্পর মতভেদে লিপ্ত হয়ে পরস্পরের সঙ্গে যুদ্ধ-বিগ্রহে হাজারে হাজারে নিহত হন। এসব ঘটনায় কিছু লোক মুমিন থাকেলেও কিছু লো কাফের হয়ে যায়। আল্লাহ ইচ্ছা করলে তাঁরা পরস্পরের সঙ্গে যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হতেন না। কিন্তু তাঁরা অভিন্ন ফিকাহ সংকলন করে এর শিক্ষার ব্যবস্থা না করায় আল্লাহ তাঁদের পরস্পরের সঙ্গে যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত না হওয়ার ইচ্ছা করেননি। অভিন্ন ফিকাহ সংকলন ও শিক্ষার ব্যবস্থা না হওয়ায় মুসলিমদের কুফরী বেড়ে যায়। অবশেষে সাহাবায়ে কেরামের (রা.) শেষ ইমাম হযরত ইমাম হোসেন (রা.) কারবালায় তাঁর প্রতিপক্ষে কোন মুমিন খুঁজে পাননি। তারা ইমামের মাথাকেটে ইয়াজিদকে উপহার দেয়। তারা এপরিমাণ জাহেল হয়ে পড়ে।এরপর মুসলিমদের ইবাদতের নিয়ম বিভিন্ন রকম হয়ে পড়ে। কিন্তু মাওলা আলী (রা.) অভিন্ন ফিকাহ সংকলন করে আমিরুল মুমিনিন হযরত আবু বকর (রা.) কর্তৃক অনুমোদন করিয়ে সারা বিশ্বের ইমামগণের নিকট পাঠিয়ে দিলে হয়ত মুসলিমদের ইবাদতের নিয়ম বিভিন্ন রকম হত না। মাওলা তাঁর দায়িত্ব পালন না করায় তিনি ও তাঁর পরিবারের দায়িত্বশিলগণকে আল্লাহ মানুষ হতে রক্ষা করেননি। তাঁর বংশধর বিভিন্ন শিয়ায় বিভক্ত হওয়ায় আল্লাহ তাদেরকে মানুষ কর্তৃক বিপদগ্রস্থ্য করার ব্যবস্থা করছেন।ইদানিং তাঁর বংশের আলী খামেনী আমেরিকার হামলায় নিহত হন। তাঁর বংশের ইমামিয়া শাখাটি বেশী বিভ্রান্ত বিধায় তারা মানুষের বেশী হামলার শিকার হচ্ছে।তবে আখারিনের শুরায় ইমাম আবু হানিফার (র.) নেতৃত্বে অভিন্ন ফিকাহ সংকলিত হলে আমির হারুনুর রশিদ কর্তৃক এটি পরিশোধীত ও অনুমোদীত হয়ে দুই তৃতীয়াংশ মুসলিম কর্তৃক গৃহিত হয়। এ অভিন্ন ফিকাহের অনুসারীদেরকে হানাফী বলে। তাদেরকে হারাতে গিয়ে হিন্দুস্থানের হিন্দুরা নিজেরাই হেরে যাবে।তারা ইহুদীর কাছে হেরে বসে থাকা মধ্যপ্রাচ্য ইহুদী মুক্ত করবে। এদের অভিন্ন ফিকাহ এদের আল্লাহর সাহায্যের কারণ হবে। উপমহাদেশে জামায়াতে ইসলামী নামে একটি দল গঠিত হয়েছে যারা অভিন্ন ফিকাহের শিক্ষা ও অনুসরনের ব্যবস্থা করেনি। তাদের নেতাদেরকেও আল্লাহ মানুষ হতে রক্ষা করছেন না।মানুষ হতে রক্ষা পেতে অভিন্ন ফিকাহের সাথে জড়িত থাকতেই হবে এবং অন্যদের সাথে অভিন্ন ফিকাহের মতভেদ নিরসন করে অভিন্ন ফিকাহের ব্যাপক শিক্ষার ব্যবস্থা করতে হবে। হাদিস ও তাফসির অভিন্ন ফিকাহের আওতায় পালন করতে হবে। কারণ অভিন্ন ফিকাহ আল্লাহর সুন্নাত এবং এর বিরোধীরা বিদয়াতী। অতি বিদয়াত বিরোধীরা অভিন্ন ফিকাহের সাথে মতভেদে লিপ্ত বিধায় মূলত তারাই অতি বিদয়াতী। তারা চটকদার কথায় মুমিনদেরকে বিদয়াত থেকে উদ্ধার করার নামে উলটা তাদেরকে বিদয়াতে নিমজ্জিত করে জাহান্নামী বানাচ্ছে।
০৪ ঠা এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৫:৪৮
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: আল্লাহর সুন্নাত পরিপন্থী হলে বিদয়াত হয়। রাসূল (সা) ও সাহাবায়ে কেরাম (রা) বা অন্যকারো সুন্নাত বিদয়াত নির্ণয়ের মাপকাঠি নয়।
২|
০৪ ঠা এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১০:৩১
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন:
মুমিনগণ আল্লাহর সাহায্য পেতে আল্লাহর সুন্নাত অভিন্ন ফিকাহ শিক্ষা এবং মতভেদ নিরসনের ব্যাপক ব্যবস্থা করুন
সূরাঃ ৬ আনআম, ১৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৫৩। আর এপথই আমার সিরাতাম মুসতাকিম (সরল পথ)। সুতরাং তোমরা এর অনুসরন করবে, এবং বিভিন্ন পথ অনুসরন করবে না, করলে তা’ তোমাদেরকে তাঁর পথ হতে বিচ্ছিন্ন করবে। এভাবে আল্লাহ তোমাদেরকে নির্দেশ দিলেন যেন তোমরা সাবধান হও।
সূরাঃ ৬ আনআম, ১৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৫৩। আর এপথই আমার সিরাতাম মুসতাকিম (সরল পথ)। সুতরাং তোমরা এর অনুসরন করবে, এবং বিভিন্ন পথ অনুসরন করবে না, করলে তা’ তোমাদেরকে তাঁর পথ হতে বিচ্ছিন্ন করবে। এভাবে আল্লাহ তোমাদেরকে নির্দেশ দিলেন যেন তোমরা সাবধান হও।
সূরা: ৯ তাওবা, ১২২ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২২। আর মু’মিনদের এটাও উচিৎ নয় যে (জিহাদের জন্য) সবাই একত্রে বের হয়ে পড়বে। সুতরাং এমন কেন করা হয় না যে, তাদের প্রত্যেক বড় দল হতে এক একটি ছোট দল (জিহাদে) বের হয় যাতে অবশিষ্ট লোক ফিকাহ (দীনের গভীর জ্ঞান) অর্জন করতে থাকে। আর যাতে তারা নিজ কওমকে ভয় প্রদর্শন করে, যাতে তারা সাবধান হয়।
* আল্লহর সুন্নাত অভিন্ন ফিকাহ শিক্ষার ব্যবস্থা করছে না মুমিন দেড় হাজার বছর ধরে।
সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ১০৫ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৫। তোমরা তাদের মত হবে না যারা তাদের নিকট সুস্পষ্ট প্রমাণ আসার পর বিচ্ছিন্ন হয়েছে ও নিজেদের মাঝে মতভেদ সৃষ্টি করেছে। তাদের জন্য মহাশাস্তি রয়েছে।
সূরাঃ ৪ নিসা, আয়াত নং ১১৫ এর অনুবাদ-
১১৫। কারো নিকট সৎপথ প্রকাশ হওয়ার পর সে যদি রাসুলের বিরুদ্ধাচরণ করে এবং মু’মিনদের পথ ব্যতিত অন্যপথ অনুসরন করে, তবে সে যে দিকে ফিরে যায় সে দিকেই তাকে ফিরিয়ে দেব এবং জাহান্নামে তাকে দগ্ধ করব, আর উহা কত মন্দ আবাস।
* মতভেদের জন্য মহাশাস্তির কথা আল্লাহ বলেছেন। আর সে মহাশাস্তি হলো জাহান্নাম। তথাপি মতভেদকে পাত্তাই দিচ্ছে না মুসলামান। তারা মতভেদে রাসূলের (সা.) অনুমোদনের কথা এবং সাহাবায়ে কেরামের (রা.) মতভেদে লিপ্ত হওয়ার কথা বলছে।
সূরাঃ ৪৮ ফাতহ, ২৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৯। মোহাম্মাদ আল্লাহর রাসুল; তাঁর সহচরগণ কাফিরদের প্রতি কঠোর এবং নিজেদের মধ্যে পরস্পরের প্রতি সহানুভূতিশীল; আল্লাহর অনুগ্রহ ও সন্তুষ্টি কামনায় তুমি তাদেরকে রুকু ও সিজদায় অবনত দেখবে।তাদের লক্ষণ তাদের মুখমন্ডলে সিজদার প্রভাব পরিস্ফুট থাকবে: তওরাতে তাদের বর্ণনা এরূপ এবং ইঞ্জিলেও তাদের বর্ণনা এরূপই। তাদের দৃষ্টান্ত একটি চারা গাছ, যা থেকে নির্গত হয় নতুন পাতা, অতঃপর ইহা শক্ত ও পুষ্ট হয় এবং পরে কান্ডের উপর দাঁড়ায় দৃঢ়ভাবে যা চাষীদের জন্য আনন্দ দায়ক। এভাবে মুমিনদের সমৃদ্ধি দ্বারা আল্লাহ কাফিরদের অন্তর্জালা সৃষ্টি করেন। যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে আল্লাহ তাদেরকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ক্ষমা ও মহাপুরস্কারের।
সূরাঃ ৮ আনফাল, ৬৭ থেকে ৬৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৭।দেশে ব্যাপকভাবে শত্রুকে পরাভূত না করা পর্যন্ত বন্দী রাখা কোন নবির উচিত নয়। তোমরা পার্থিব সম্পদ কামনা কর। আল্লাহ চান পরকালের কল্যাণ। আল্লাহ পরাক্রমশালী প্রজ্ঞাময়।
৬৮। আল্লাহর পূর্ব বিধান না থাকলে তোমরা যা গ্রহণ করেছ সেজন্য তোমরা মহাশাস্তিতে আক্রান্ত হতে।
৬৯। যুদ্ধে যা লাভ করেছ তা’ বৈধ ও উত্তম বলে ভোগ কর। আর আল্লাহকে ভয় কর, আল্লাহ ক্ষমাশীল, দয়ালু।
* রাসূল (সা.) ও সাহাবায়ে কেরামের (রা.)ক্ষমা ও মহাপুরস্কারের পূর্ব বিধানের কারণে রাসূলের (সা.) মতভেদে অনুমোদন ও সাহাবায়ে কেরামের (রা.) মতভেদে লিপ্ত হওয়ায় মহাশাস্তিতে আক্রান্ত হওয়া থেকে রক্ষা পেয়েছেন। মুমিনদের ক্ষেত্রে এ বিধান প্রযোজ্য নয় বিধায় মতভেদের কারণে মুমিন ইহকাল ও পরকাল উভয়কালে মহাশাস্তিতে আক্রান্ত হবেন। সঠিক মতের অনুসারী হয়েও মতভেদ নিরসনে যথেষ্ট প্রচেষ্টা না চালালে মতভেদের মহাশাস্তিতে আক্রান্ত হওয়ারই কথা।
সূরাঃ ৫ মায়িদা, ৬৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৭। হে রাসূল! তোমার রবের নিকট থেকে তোমার প্রতি যা নাযিল হয়েছে তা’ প্রচার কর। যদি না কর তবে তো তুমি তাঁর রেসালাত প্রচার করলে না। আল্লাহ তোমাকে মানুষ হতে রক্ষা করবেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ কাফির সম্প্রদায়কে সৎপথে পরিচালিত করেন না।
সূরাঃ ৪ নিসা, ৫৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
৫৯। হে মুমিনগণ! যদি তোমরা আল্লাহ ও আখিরাতে বিশ্বাস কর তবে তোমরা (ইতায়াত) আনুগত্য কর আল্লাহর, আর (ইতায়াত) আনুগত্য কর রাসুলের, আর যারা তোমাদের মধ্যে আমির।কোন বিষয়ে তোমাদের মধ্যে বিরোধ দেখাদিলে উহা উপস্থাপিত কর আল্লাহ ও রাসুলের নিকট। ওটা উত্তম এবং পরিনামে ভাল।
সূরাঃ ২ বাকারা, ২৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৫৩। ঐসব রাসূলদের আমরা তাদের কোন জনের উপর কোন জনকে শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছি। তাদের মধ্যে কোন জনের সঙ্গে আল্লাহ কথা বলেছেন।আর কোন জনকে উচ্চ মর্যাদায় উন্নীত করেছেন। আর আমরা মরিয়ম পুত্র ঈসাকে প্রকাশ্য মুজেযা দান করেছি। আর তাকে পবিত্র আত্মা দ্বারা সাহায্য করেছি।আর আল্লাহ ইচ্ছা করলে নবিগণের পরবর্তী লোকেরা পরস্পরের সঙ্গে যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হতো না। কিন্তু তারা পরস্পর ইখতিলাফ (মতভেদ) করেছিল।তাতে তাদের কিছু লোক মুমিন এবং কিছু লোক কাফের হয়ে গেল। আল্লাহ ইচ্ছা করলে তারা পরস্পর যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হতো না। কিন্তু আল্লাহ যা ইচ্ছা তাই করে থাকেন।
সূরাঃ ৩৫ ফাতির, ১ নং আয়াতের অনুবাদ-
১।প্রশংসা আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর, যিনি বার্তাবাহক করেন মালাইকাকে (ফেরেশতা) যারা দুই-দুই, তিন-তিন অথবা চার-চার পাখা বিশিষ্ট। তিনি তাঁর সৃষ্টিতে যা ইচ্ছা সৃষ্টি করেন। আল্লাহ সর্ব বিষয়ে সর্ব শক্তিমান।
সূরাঃ ৩৩ আহযাব, ৩২ নং ও ৩৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩২। হে নবী পত্নিগণ! তোমরা অন্য নারীদের মত নও। যদি তোমরা আল্লাহকে ভয় কর তবে পর পুরুষের সহিত কোমল কন্ঠে এমনভাবে কথা বলবে না, যাতে অন্তরে যার ব্যাধী আছে, সে প্রলুব্ধ হয়। আর তোমরা ন্যায় সঙ্গত কথা বলবে।
৩৩। আর তোমরা নিজগৃহে অবস্থান করবে এবং প্রচীন যুগের মত নিজদিগকে প্রদর্শন করে বেড়াবে না।তোমরা সালাত কায়েম করবে ও যাকাত প্রদান করবে। আর আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের অনুগত থাকবে। হে আহলে বাইত (নবি পরিবার)! নিশ্চয়ই আল্লাহ চান তোমাদের থেকে অপবিত্রতা দূর করতে এবং তোমাদেরকে সম্পূর্ণরূপে পবিত্র করতে।
সূরাঃ ২১ আম্বিয়া, ৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
৭। তোমার পূর্বে আমি ওহীসহ পুরুষ পাঠিয়েছিলাম; তোমরা না জানলে আহলে যিকরকে (যিকর সমৃদ্ধ)জিজ্ঞাসা কর।
সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ২৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৬। বল হে সার্বভৈৗম শক্তির (রাজত্বের) মালিক আল্লাহ! তুমি যাকে ইচ্ছা ক্ষমতা (রাজত্ব) প্রদান কর এবং যার থেকে ইচ্ছা ক্ষমতা (রাজত্ব) কেড়ে নাও। তুমি যাকে ইচ্ছা ইজ্জত দান কর, আর যাকে ইচ্ছা বেইজ্জতি কর।তোমার হাতেই মঙ্গল।নিশ্চয়ই তুমি সকল বিষয়ে সর্বশক্তিমান।
* রাসূলের (সা.) পক্ষে রেসালাতের দায়িত্বের পর অভিন্ন ফিকাহ শিক্ষার যথাযথ ব্যবস্থা করা কঠিন ছিল। মাওলা আলী (রা.) অভিন্ন ফিকাহ সংকলন করে আমিরুল মুমিনিন হযরত আবু বকর (রা.) কর্তৃক অনুমোদন করিয়ে সারা বিশ্বের ইমামগণের নিকট এর কপি পাঠিয়ে সারা বিশ্বের সকল মসজিদে এটি শিক্ষার ব্যবস্থা করলে আল্লাহ তাঁকে মানুষ থেকে রক্ষা করতেন এবং ইবাদতের বিভিন্ন নিয়ম থেকে রক্ষা পেত সারা বিশ্বের মুসলিম। কিন্তু মাওলা আলী (রা.) রাসূলের (সা.) ইন্তেকালের পর ত্রিশ বছর বেঁচে থাকলেও তিনি তাঁর দায়িত্ব পালন করেননি। তাঁর খেলাফতে মুসলিম পরস্পরের সঙ্গে যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হয়ে হাজারে হাজারে নিহত হয়। এত কিছু লোক তো মুমিন থাকে এবং কিছু লোক কাফের হয়ে যায়। এ কুফরী বাড়তে থাকায় কারবালায় মাওলা আলীর (রা.) ছেলে হযরত ইমাম হোসেন (রা.) তাঁর প্রতিপক্ষে কোন মুমিন খুঁজে পাননি। তারা ইমামের মাথাকেটে ইয়াজিদকে উপহার দেয়। ইমামের পক্ষে ফেরেশতা যুদ্ধ করেনি, তাঁর পক্ষে যুদ্ধ করেছে ভারতীয় ব্রাহ্মণ। এরপর মাওলা আলীর (রা.) বংশে হত্যাকান্ড চলমাণ থাকে। সর্বশেষ হতাকান্ডের শিকার হন ইমাম আলী খামেনী।এদিকে ওহী বাহক আহলে বাইত পুরুষ সদস্য মনোনীত হন রাসূলের (সা.) চাচা হযরত আব্বাস (রা.)। তাঁর বংশে আল্লাহ প্রায় সাড়ে সতশত বছর রাজত্ব প্রদান করেন।মানুষ থেকে আল্লাহ তাঁদেরকে রক্ষা করেন। তাঁরা অভিন্ন হানাফী ফিকাহের পৃষ্ঠপোষক হিসাবে আল্লাহর পক্ষ থেকে ক্ষমতার পুরস্কার লাভ করেন। অভিন্ন হানাফী ফিকাহের পৃষ্ঠপোষক হিসাবে ক্ষমতার পুরস্কার লাভ করে তুর্কী, মধ্য এশিয়, মোগল ও আফগান শাসকগণ।
সূরাঃ ৯ তাওবা, ১০১ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০১। মরুবাসীদের মধ্যে যারা তোমাদের আশেপাশে আছে তাদের কেউ কেউ মুনাফিক। মদীনাবাসীদের মধ্যেও কেউ কেউ মোনাফেকী রোগে আক্রান্ত। তুমি তাদের সম্পর্কে জান না। আমরা তাদের সম্পর্কে জানি।আমারা সিগ্র তাদেরকে দু’বার শাস্তি দেব। এরপর তারা মহা শাস্তির দিকে যাত্রা করবে।
সূরাঃ ৯ তাওবা, ১০৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৭। আর যারা মসজিদ নির্মাণ করেছে ক্ষতি সাধন, কুফুরী ও মুমিনদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে এবং ইতিপূর্বে আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের বিরুদ্ধে যে সংগ্রাম করেছে তার গোপন ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহারের জন্য, তারা শপথ করেই বলবে তারা ভাল কিছু করার জন্যই ওটা করেছে; আর আল্লাহ সাক্ষি দিচ্ছেন নিশ্চয়ই তারা মিথ্যাবাদী।
* সাহাবায়ে কেরাম (রা.) অভিন্ন ফিকাহ শিক্ষার ব্যবস্থা না করায় মোনাফেক ক্ষতি সাধন, কুফুরী ও মুমিনদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে রাসূল (সা.) ও সাহাবায়ে কেরামের নামে মিথ্যা হাদিস প্রচার করে রাসূলের (সা.) অভিন্ন ফিকাহ নষ্ট করে ফেলে। এর শাস্তি হিসাবে সাহাবায়ে কেরাম (রা.) একশত বছর ফিতনায় জর্জরিত ছিলেন। ক্ষমা প্রাপ্ত হওয়ায় তাঁদের ঈমান অক্ষত ছিল। কিন্তু তখন যারা অসাহাবা ছিল তারা পাইকারী হারে কাফের হয়ে যায়। তাদের এক দল ইসলামের সর্বশ্রেষ্ঠ মোয়াল্লেফাতে কুলুব হযরত মুয়াবিয়ার (রা.) ঈমানের কুফুরী করে নিজেরা কাফের হয়ে যায়।
সূরাঃ ৬২ জুমুআ, ২ নং থেকে ৪ নং আয়াতের অনুবাদ।
২। তিনিই উম্মীদের মধ্যে একজন রাসুল পাঠিয়েছেন তাদের মধ্য হতে, যে তাদের নিকট আবৃত করে তাঁর আয়াত সমূহ; তাদেরকে পবিত্র করে এবং শিক্ষা দেয় কিতাব ও হিকমাত; এর আগে তো এরা ছিল ঘোর বিভ্রান্তিতে।
৩। আর তাদের আখারিনের (অন্যান্য) জন্যও যারা এখনো তাদের সহিত মিলিত হয়নি। আল্লাহ পরাক্রমশালী প্রজ্ঞাময়।
৪। ওটা আল্লাহরই অনুগ্রহ, যাকে ইচ্ছা তিনি ওটা দান করেন। আর আল্লাহ তো মহা অনুগ্রহশীল।
সূরাঃ ৪২ শূরা, ৩৮ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩৮।যারা তাদের রবের ডাকে সাড়া দেয়। সালাত কায়েম করে। নিজেদের মধ্যে শুরার (পরামর্শের) মাধ্যমে নিজেদের কাজ সম্পাদন করে। আর আমরা তাদেরকে যে রিযিক দিয়েছি তা’ হতে ব্যয় করে।
সূরাঃ ২ বাকারা, ১২৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২৪। আর যখন তোমার প্রতিপালক ইব্রাহীমকে কয়েকটি বাক্য (কালিমাত) দ্বারা পরীক্ষা করেছিলেন, পরে সে তা পূর্ণ করেছিল; তিনি বললেন নিশ্চয়ই আমি তোমাকে মানব জাতির ইমাম বানাব; সে বলেছিল আমার বংশধরগণ হতেও; তিনি বলেছিলেন, আমার প্রতিশ্রুতি জালেমদের প্রতি প্রযোজ্য হবে না।
সূরাঃ ৮ আনফাল, ৬০ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬০। তোমরা তাদের মোকাবেলার জন্য যথাসাধ্য শক্তি ও অশ্ব-বাহিনী প্রস্তত রাখবে। এর দ্বারা তোমরা সন্ত্রস্ত রাখবে আল্লাহর শত্রুকে, তোমাদের শত্রুকে, এছাড়া অন্যদেরকে যাদের সম্পর্কে তোমরা জাননা, আল্লাহ জানেন।আল্লাহর পথে তোমরা যা ব্যয় করবে এর পূর্ণ প্রতিদান তোমাদেরকে দেওয়া হবে এবং তোমাদের প্রতি জুলুম করা হবে না।
* অবশেষে আখারিনের শুরায় ইমাম আবু হানিফার (র.) নেতৃত্বে অভিন্ন ফিকাহ সংকলিত হলে ইব্রাহীম (আ.) বংশিয় আমির আব্বাসীয় আহলে বাইত খলিফা হারুনুর রশিদের শুরায় আখারিনের অভিন্ন ফিকাহ পরিশোধীত হয়ে আমির কর্তৃক অনুমোদীত হলে দুই তৃতীয়াংশ মুসলিম কর্তৃক এটি অনুসারিত হয়। এরপর হানাফীদেরকে আল্লাহ প্রায় বারশত বছরের বিশ্ব নেতৃত্ব প্রদান করেন। আর নিজের শত্রুকে সন্ত্রস্ত করার পারমানবিক বোমা হানাফী পাকিস্তানের হাতে আছে। কিন্তু তারাও অভিন্ন ফিকাহ শিক্ষার ব্যাপক ব্যস্থা না করায় তাদের বিশ্বনেতৃত্ব চলে যায়।
সূরাঃ ২, বাকারা। ১০৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৬। আমরা কোন আয়াত মানসুখ বা রহিত করলে অথবা ভুলে যেতে দিলে তা’হতে উত্তম বা তার সমতুল্য কোন আয়াত আমরা প্রদান করে থাকি।তুমি কি জান না যে আল্লাহ সর্ব বিষয়ে সর্ব শক্তিমান।
সূরা: ৪৫ জাছিয়া, ৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬। এগুলি আল্লাহর আয়াত, যা আমি তোমার নিকট যথাযথভাবে তিলাওয়াত করছি। সুতরাং আল্লাহর এবং তাঁর আয়াতের পরিবর্তে তারা কোন হাদিসে বিশ্বাস করবে?
* আল্লাহর সুন্নাত অভিন্ন ফিকাহের পরিবর্তে আয়াত মানসুখ ও হাদিস বাতিল হয়। সুতরাং মানসুখ আয়াত ও বাতিল হাদিস দিয়ে অভিন্ন ফিকাহের বিরোধীরা করা অপরাধ। অভিন্ন হানাফী ফিকাহের বিরোধীরা এ অন্যা্য়টাই করছে। এখন অভিন্ন ফিকাহের অনুসারীদের দায়িত্ব হলে বিশ্বের সকল মসজিদে অভিন্ন ফিকাহের শিক্ষার যথাযথ ব্যবস্থা করা এবং অন্যদের সাথে তাদের মতভেদ নিরসনে কাজ করা। নতুবা অভিন্ন ফিকাহের অনুসারী হয়েও তারা আল্লাহর শাস্তি আওতায় পড়তে পারে। সেই শাস্তি থেকে আত্মরক্ষা এবং আল্লাহর সাহায্য পেতে মুমিনগণ আল্লাহর সুন্নাত অভিন্ন ফিকাহ শিক্ষা এবং মতভেদ নিরসনের ব্যাপক ব্যবস্থা করুন।
©somewhere in net ltd.
১|
০৪ ঠা এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৪:১০
ঋণাত্মক শূণ্য বলেছেন: নিশ্চয় প্রত্যেক বিদআত (নতুন আমল) হল ভ্রষ্টতা; প্রত্যেক বিদআত হল ভ্রষ্টতা। - এটা কিভাবে দেখেন?