নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মানব মঙ্গল আমার একান্ত কাম্য

মহাজাগতিক চিন্তা

একদা সনেট কবি ছিলাম, ফরিদ আহমদ চৌধুরী ছিলাম, এখন সব হারিয়ে মহাচিন্তায় মহাজাগতিক চিন্তা হয়েছি। ভালবাসা চাই ব্লগারদের, দোয়া চাই মডুর।

মহাজাগতিক চিন্তা › বিস্তারিত পোস্টঃ

আল্লাহকে শুধুমাত্র আরশে সীমাবদ্ধ করা কুফুরী

২২ শে মে, ২০২৬ ভোর ৫:৪০



সূরাঃ ২০ তা-হা, ৫ নং আয়াতের অনুবাদ-
৫। দয়াময় আরশের উপরে সমাসীন আছেন।

সূরাঃ ৩৯ যুমার, ৭৫ নং আয়াতের অনুবাদ-
৭৫। আর তুমি ফিরিশতাদেরকে দেখবে আরশের চার দিকে ঘিরে তাদের প্রতিপালকের প্রশংসাসহ তাসবিহ পাঠ করছে। আর তাদের বিচার করা হবে ন্যায়ের সাথে। বলা হবে সকল প্রশংসা জগৎসমূহের রব আল্লাহর।

সূরাঃ ৭ আ’রাফ, ৫৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
৫৪। নিশ্চয়ই তোমাদের মহান প্রতিপালক হচ্ছেন সেই আল্লাহ! যিনি আশমান ও জমিনকে ছয় দিনে সৃষ্টি করেছেন।এরপর তিনি স্বীয় আরশের উপর সমাসীন হন। তিনি দিবসকে রাত্রি দ্বারা আচ্ছাদিত করেন- যাতে ওরা একে অন্যকে অনুসরন করে চলে ত্বরিত গতিতে; সূর্য চন্দ্র ও নক্ষত্ররাজী সবই তাঁর হুকুমের অনুগত। জেনে রেখ সৃষ্টির একমাত্র কর্তা তিনিই, মালিক তিনিই। সারা বিশ্বের প্রতিপালক আল্লাহ হলেন বরকতময়।

সূরাঃ ৫০ কাফ, ১৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৬। আমিই মানুষকে সৃষ্টি করেছি এবং তার প্রবৃত্তি তাকে যে কুমন্ত্রণা দেয় আমি তা’ জানি। আমি তার ঘাড়ের শিরার থেকেও নিকটতর।

সূরাঃ ৫৮ মুজাদালা, ৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
৭। তুমি কি লক্ষ্য কর না, আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীতে যা কিছু আছে আল্লাহ তা’ জানেন? তিন ব্যক্তির মধ্যে এমন কোন গোপন পরামর্শ হয় না যাতে চতুর্থ জন হিসেবে তিনি উপস্থিত থাকেন না এবং পাঁচ ব্যক্তির মধ্যেও হয় না যাতে ষষ্ঠ জন হিসেবে তিনি উপস্থিত থাকেন না। তারা এরচেয়ে কম হউক বা বেশী হোক তিনিতো তাদের সঙ্গেই আছেন উহারা যেখানেই থাকুক না কেন। অতঃপর তারা যা করে; তিনি কিয়ামতের দিন তা’ জানিয়ে দিবেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ সকল বিষয় জানেন।

সূরাঃ ২৪ নূর, ৩৫ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩৫। আল্লাহ আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর নূর। তাঁর নূরের দৃষ্টন্ত যেন একটি দীপদানি, যার মধ্যে আছে একটি প্রদীপ।প্রদীপটি একটি কাঁচের আবরণের মধ্যে স্থাপিত। কাঁচের আবরণ উজ্জ্বল নক্ষত্রের মত। এটা প্রজ্জ্বলিত হয পবিত্র যয়তুন বৃক্ষের তৈল দ্বারা।যা প্রাচ্যের নয় প্রতিচ্যেরও নয়। আগুন স্পর্শ না করলেও যেন এর তৈল আলো দেয়। নূরের উপর নূর।আল্লাহর যাকে ইচ্ছা তাঁর নূরের দিকে হেদায়াত প্রদান করেন। আল্লাহ মানুষের (বুঝার) জন্য দৃষ্টান্ত দিয়ে থাকেন। আর আল্লাহ সব কিছু জানেন।

সূরাঃ ৩৯ যুমার, ৬৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৭। তারা আল্লাহর যথাযথ সম্মান করে না। কিয়ামতের দিন সমস্ত পৃথিবী থাকবে তাঁর হাতের মুঠোয় এবং আকাশ মন্ডলী থাকবে ভাঁজ করা অবস্থায় তাঁর ডান হাতে। পবিত্র ও মহান তিনি, তারা যাকে শরীক করে তিনি তার উর্ধ্বে।

সূরাঃ ২ বাকারা, আয়াত নং ১১৫ এর অনুবাদ-
১১৫। পূর্ব ও পশ্চিম আল্লাহরই এবং যে দিকেই তোমরা মুখ ফিরাও না কেন সেদিকেই আল্লাহর মুখ। নিশ্চয়ই আল্লাহ ওয়াসি (সর্বব্যাপী), সর্বজ্ঞ।

সূরাঃ ৬৮ কালাম, ৪২ নং আয়াতের অনুবাদ-
৪২। যে দিন পায়ের গোছা উম্মুক্ত করা হবে, সেদিন তাদেরকে আহবান করা হবে সিজদা করার জন্য, কিন্তু তারা সক্ষম হবে না।

সূরাঃ ২ বাকারা, ২৫৫ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৫৫। আল্লাহ, তিনি ব্যতীত কোন ইলাহ নেই।তিনি চিরঞ্জীব চির বিদ্যমাণ।তাঁকে তন্দ্রা অথবা নিদ্রা স্পর্শ করে না।আকাশ ও পৃথিবীতে যা কিছু আছে সমস্তই তাঁর।কে সে যে তাঁর অনুমতি ছাড়া তাঁর নিকট সুপারিশ করবে? তাঁর সামনে পিছনে যা কিছু আছে তা’ তিনি জানেন।তাঁর ইচ্ছা ছাড়া তাঁর জ্ঞানের কিছুই কেউ আয়ত্ব করতে পারে না।তাঁর ‘কুরসী’ আকাশ ও পৃথিবী জুড়ে বিস্তৃত।এ দু’টির হেফাজত তাঁকে ক্লান্ত করে না।আর তিনি পরম উচ্চ-মহিয়ান।

সূরাঃ ৩১ লোকমান, ২৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৭। পৃথিবীর সমস্ত বৃক্ষ যদি কলম হয় আর সমূদ্র হয় কালি এবং এর সাথে আরো সাত সমূদ্র যুক্ত হয় তবু আল্লাহর কথা শেষ হবে না। আল্লাহ পরাক্রমশালী প্রজ্ঞাময়।

* দয়াময় আরশের উপরে আছেন। তিনি মানুষের ঘাড়ের নিকটতর। মানুষ আরশের উপরে থাকে না। সেজন্য দয়াময় আরশ ছাড়া অন্যত্রও সবার সাথে থাকেন। তিনি আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর নূর। কিয়ামতে সর্বত্র তাঁর হাতের মুঠায় থাকবে। সেজন্য তিনি সর্বত্র থেকেও বড়। যে দিকে মুখ ফিরাই না কেন সেদিকে আল্লাহর মুখ খাকায় তিনি সর্বত্র বিরাজমান থেকে এর বাইরেও থাকেন। তিনি সবচেয়ে বড় বিধায় তিনি তাঁর সৃষ্টি থেকে বড়।তিনি নিরাকার বিধায় কোন অপবিত্র তাঁকে স্পর্শ করে না। তবে তিনি আকার ধারণ করেন বিধায় সেদিন তাঁর পায়ের গোছা উম্মুক্ত করা হবে। আকার ধারণ করলেও আকার থেকে নূরের মাধ্যমে তিনি সর্বত্র এমনকি সর্বত্রের বাইরেও বিদ্যমাণ থাকেন।তিনি সময়ের সবটা জুড়ে থাকেন বিধায় তিনি চিরস্থায়ী। সকল স্থান কালে এবং এর বাইরেও থাকায় আল্লাহকে শুধুমাত্র আরশে সীমাবদ্ধ করা কুফুরী।এতে তাঁকে ছোট করা হয় এবং তাঁর বড়ত্বের কুফুরী করা হয়। আল্লাহ নিরাকার বিধায় সবার সাথে থাকার পরেও কেউ তাঁকে দেখে না। তবে জান্নাতিদের সাথে দেখা দিতে তিনি আবার ধারণ করবেন। তখনও তিনি আকারে সীমাবদ্ধ হবেন না, বরং আকার থেকে নূরের মাধ্যমে তিনি সর্বত্র এমনকি সর্বত্রের বাইরেও বিদ্যমাণ থাকবেন।পৃথিবীর সমস্ত বৃক্ষ যদি কলম হয় আর সমূদ্র হয় কালি এবং এর সাথে আরো সাত সমূদ্র যুক্ত হয় তবু আল্লাহর কথা শেষ হবে না।

মন্তব্য ১ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (১) মন্তব্য লিখুন

১| ২২ শে মে, ২০২৬ সকাল ১১:৫৮

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: পৃথিবীর সমস্ত বৃক্ষ যদি কলম হয় আর সমূদ্র হয় কালি এবং
এর সাথে আরো সাত সমূদ্র যুক্ত হয় তবু আল্লাহর কথা শেষ হবে না।

.............................................................................................
তাহলে আপনার মিশন কি ?
কোথা থেকে শুরু করে
কোথায় শেষ করবেন ???

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.