নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মাথা পাগলা

মাথা পাগলা › বিস্তারিত পোস্টঃ

আমন্ত্রন পত্র থাকলে ভিসার দরকার কী! আপনি জানেন আমি কে?

১৬ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৯:০০



ভারত বাংলাদেশের কোনো একজন গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ব্যক্তিকে আমন্ত্রণ জানাতে চাইলে সেই আমন্ত্রণপত্র ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বাংলাদেশ হাইকমিশনে পাঠাবে। সেখান থেকে আমন্ত্রণপত্র যাবে সেই রাজনৈতিক ব্যক্তির ডিপার্টমেন্টে, তারপর তার কাছে। এরপর ঐ ব্যক্তি যদি যেতে চান, তাহলে তিনি বাংলাদেশ হাইকমিশনের মাধ্যমে ভারতীয় হাইকমিশনকে জানাবেন, আর তারা ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রালয়ে কনফার্ম করবে। এটা একটা রাফ প্রোটোকল মাঝখানে আরও কিছু আছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষক হিসেবে পরিচিত ড. জাহেদ উর রহমান একই সঙ্গে একজন চিকিৎসক, মিডিয়া ব্যক্তিত্ব, কলামিস্ট। বর্তমানে তিনি প্রতিমন্ত্রীর পদে দায়িত্বে আছেন। এখন জাহেদ সাহেব মনে করেছেন বাংলাদেশে টক শো, ইউটিউবে যেভাবে বড় বড় হম্বিতম্বি দেখিয়েছেন এবং প্রোপাগান্ডা ছড়িয়েছেন, কেউ কিছু বলেনি, ভেবেছেন সেরকম হ্যাডম ভারতেও দেখাবেন। তিনি নিজের পাওয়ার দেখানোর জন্য কোন ভিসা অ্যাপ্লাই না করে আমন্ত্রন পত্র নিয়ে ভারতীয় ইমিগ্রেশন অফিসে ইন্সটেণ্ট ভিসা দাবি করে বসেন। তবে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ তাঁকে প্রবেশের অনুমতি দেয়নি এবং তাকে দেশে ফেরত পাঠান। দেশে ফিরে আবার সেই সত্য-মিথ্যা ভারত বিরোধী বক্তব্য বলা শুরু করেছেন, অথচ তিনি খুব সম্ভবত ভারতের আমন্ত্রন পত্র পেয়ে ভারতের পুশইন প্রসংগে ভারতের সাফাই গেয়েছিলেন।

সমালোচকদের একটা বড় অংশ যারা হাসিনা এবং ভারত বিরোধী এবং জাহেদ সাহেবের ফ্যান তাদের বক্তব্য হলো, তিনি দীর্ঘদিন ধরে ভারতবিরোধী অবস্থান তুলে ধরেছেন বলেই ভারত ইচ্ছাকৃতভাবে এই কাজ করেছে। অথচ প্রশ্ন তোলা উচিত ছিল, ড. জাহেদ উর রহমানের মতো একজন কট্টর ভারতবিরোধী ব্যক্তিত্ব ভারতের আমন্ত্রণপত্র গ্রহণ করলেন কেন?

যাই হোক, ড. জাহেদ উর রহমানের জন্য একদিকে ভালোই হলো। খুব সম্ভবত তিনি ভারতে লাইফ টাইম ব্যান খেয়েছেন। এখন তিনি আরও ভালোভাবে ভারতবিরোধিতা উসকে দিতে পারবেন, তার রাজনীতি দাঁড়িয়ে আছে - এই ভারতবিরোধি উস্কানির উপর ভিত্তি করে।

মজার ব্যাপার হলো, ১৯৯৬ সাল আওয়ামী লীগের প্রতিমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেনের মন্ত্রিত্ব চলে গিয়েছিল। একটি কারন ছিলো তিনি কূটনৈতিক পাসপোর্টের পরিবর্তে সাধারণ পাসপোর্ট ব্যবহার করে সিঙ্গাপুর সফরে গিয়েছিলেন।

আবুল হোসেন নিয়ে একটা প্রতিবেদন পেলামঃ
https://www.thedailystar.net/news/bangladesh/obituary/news/ex-minister-abul-hossain-no-more-3452851

*টাইটেল একটু এডিট করে দিলাম।

মন্তব্য ৮ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (৮) মন্তব্য লিখুন

১| ১৬ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:৩২

রাজীব নুর বলেছেন: ভারত কিছু অন্যায় করেনি।
আমাদের জাহেদ সাহেবই ভুল করেছেন।

১৬ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:২২

মাথা পাগলা বলেছেন: আমার মনে হয় তিনি ভাইরাল হতে চান।

২| ১৬ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৪৫

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: জাহেদ উর রহমানের ভারত না গেলে কিছুই হতো না ; একটা সরকারে নানা ধরণের লোক থাকে । সবাইকে দুতয়ালি কাজে পাঠাতে হয় না । যাওয়া দরকার ছিলো শামা ওবায়েদের । বিএনপি সরকারের মাঝে অনেকেই ছিলেন যারা ভারত নিয়ে বিগত বছরগুলোতে তেমন কোনো কথা বলেন নাই ।

১৬ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:২২

মাথা পাগলা বলেছেন: আমার মনে হয় জাহেদ সাহেব নিজেই ভারতের সাথে সম্পর্ক নষ্ট করার জন্য এই কাজটি করেছেন? এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশের পাকিস্তানপন্থী এবং ভারতবিদ্বেষী মহল মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। এই অবস্থায় গতকাল একটা ইণ্টারভিউতে ভারত সম্পর্কে আবার আজেবাজে কথা বলা শুরু করেছেন। তিনি ওবায়দুল কাদের মতোই বিপদজনক ব্যক্তি, ভাইরাল হতে চান। আজকে যদি তাকে ভারত ব্যান করে দেয় তাহলে বিএনপি সরকারের সাথে ভারতের সম্পর্ক নষ্ট হবে।

৩| ১৬ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮

শ্রাবণধারা বলেছেন: জামাত দেখলাম জাহেদ উর রহমানকে নিয়ে এআই দিয়ে একটা ভিডিও ক্লিপ বানিয়ে তাকে নিয়ে ট্রল করছে। জামাত তার নাম দিয়েছে কষা জাহেদ।

একই সাথে জামাত এবং হেলমেট লীগ যাকে নিয়ে ট্রল করে, সেই লোকের কথা-বার্তা সঠিক হবার সম্ভাবনা অনেকগুন বেড়ে যায়।

১৬ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৪৪

মাথা পাগলা বলেছেন: উহারা পিনাকী ভট্টাচার্যের অন্ধ অনুসারী। "কষা জাহেদ" শব্দটার প্রচলন খুব সম্ভবত পিনাকী ভট্টাচার্যই শুরু করেছেন।

জাহেদ উর রহমানরা দেশ-সমাজ গঠন নিয়ে বড় বড় বয়ান দেয়, কিন্তু বিদেশ ভ্রমনে বেসিক মিসটেক করেন।

৪| ১৬ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৩৮

অনিকেত বৈরাগী তূর্য্য বলেছেন: হেতে মেঘ না চাইতেই বৃষ্টি পেয়ে গেছে। কোনোদিন ভাবেনি প্রতিমন্ত্রী হবে; ভাবলে কূটনৈতিক শিষ্টাচার বজায় রেখে হম্বিতম্বি করত।

১৬ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৫৪

মাথা পাগলা বলেছেন: জাহেদকে উপদেষ্টা বানানো হয়েছে পাকিস্তান ও আমেরিকার ডিপ স্টেটের দালালীর জন্য। সে বলছে ভারত একটা ছ্যাচড়া দেশ, বাংলাদেশ কখনো কারো কাছে নতি স্বীকার করবে না। আম্রিকার সাথে গোলামী চুক্তি নিয়ে সে কোন শব্দ খরচ করেনি।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.