নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

অপরিকল্পিতভাবে যেমন সুন্দর বাগান তৈরী সম্ভব নয়,তেমনি অপরিকল্পিত শিক্ষাব্যবস্থা দিয়ে একটা সুন্দর জাতি তৈরী সম্ভব নয়।আগামীর চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায়- কর্মমুখী,নৈতিকতা সমৃদ্ধ ও যুগোপযোগী শিক্ষাব্যবস্থা চাই,বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থায় জাতির বোঝা তৈরী হয়, সম্পদ নয়।

সামিউল ইসলাম বাবু

যেটুকু পাও ছোট্ট সময়/কাজ করে যাও রবের তরে/ক্ষনিক সময় বিস্রাম নিও/ঘুমিও না তুমি অলসতা ভরে//

সামিউল ইসলাম বাবু › বিস্তারিত পোস্টঃ

ডা. নাসিরের উপর হামলা কেনো?

১৭ ই মে, ২০২৬ রাত ১২:৫৭

শরিয়তপুর শহরের সুপরিচিত ব্যক্তিত্ব ডাক্তার নাসিরের ওপর সাম্প্রতিক হামলার ঘটনাটি কেবল একজন ব্যক্তির ওপর আক্রমণ নয়, বরং এটি মানবতার সেবায় নিয়োজিত পেশাজীবীদের নিরাপত্তার ওপর এক চরম আঘাত। সমাজ যখন রক্ষকদের ভক্ষক হয়ে ওঠে, তখন ন্যায়বিচারের দাবি তোলা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব হয়ে দাঁড়ায়।

মব কি বন্ধ হবে না?
মানুষের বিবেক ও ন্যয়বোধ কবে জাগ্রত হবে?

"ঘটনাস্থল:শরীয়তপুর সদর হাসপাতাল
রাত ১ :১০ টা

ইমার্জেন্সি ডিউটি ডক্টর ডা. নাসির (বিসিএস ৪৮ তম ব্যাচ এটাচমেন্টে সদরে কর্মরত ) ডিউটিরত অবস্থায়। ধারণ ক্ষমতার চেয়ে ৩/৪ গুণ বেশি রোগি ভর্তি ২৫০ শয্যার হাসপাতালটিতে।।

ইমার্জেন্সি ডিউটি ডক্টর নাসির যথানিয়মে এ রোগীকে দেখছেন ইমার্জেন্সি তে বসে।

হার্ট এ্যাটাকের রোগী, ব্লাড প্রেশার ৬০/৪০...
দুই দিনের পুরানো বুকে ব্যথা নিয়া ভর্তি হয়েছিল... রিস্ক বন্ড দিয়েছিল... ঢাকা নিতে অপারগ তারা!

রোগি কার্ডিওজেনিক শকে থাকায় অবস্থা খারাপ হতে থাকে।
৩ তলায় ওয়ার্ডে ভর্তি থাকায় রোগীর লোক ইমার্জেন্সি ডিউটি ডাক্তারের কাছে আসতে বিলম্ব হয় এবং ডিউটি ডাক্তার যেয়ে রোগীকে মৃত পায়।

অত:পর রোগির স্বজন ১৫০/২০০ মানুষ হাসপাতাল ইমার্জেন্সি তে জড়ো করে।

বেধড়ক পেটায় ডা. নাসির কে।

দরজা ভেংগে ভিতরে ঢুকে। পরিস্থিতি খারাপ দেখে ড. নাসির ওয়াশরুমে আশ্রয় নেয়। সেটা ভেংগে ডা. নাসিরকে মারতে মারতে বের করে।
ইট দিয়ে মাথা ফাটিয়ে দেয়। মেরে ফেলার চেষ্টা ছিল হয়ত।
৩ জন আনসার ও গুরুতর আহত হয়। পুলিশ আসতে আসতে ডা. নাসিরকে মেরে আধমরা করে ফেলে ডায়ারিয়া ওয়ার্ড থেকে টেনে হিচড়ে নিয়ে যায়।
একজন চিকিৎসকের এই বর্ণনা শুনেই বোঝা যাচ্ছে কতটা নির্মমভাবে মেরেছে এই ডাক্তারকে।
ডা. নাসিরকে আমি ব্যাক্তিগতভাবে চিনি। অত্যন্ত মেধাবী, মানবিক চিকিৎসক সে। বিয়ে করছেন মাসখানিক আগে।
অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে দ্রুত এয়ার এ্যাম্বুলেন্স এ ঢাকায় আনা হচ্ছে।" (১)


সোর্সঃ
(১)ডাঃ সাকলায়েন রাসেলের ফেসবুক ওয়াল ।

মন্তব্য ৭ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (৭) মন্তব্য লিখুন

১| ১৭ ই মে, ২০২৬ রাত ১:১৬

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: সঠিক বিচার চাই ।

২| ১৭ ই মে, ২০২৬ রাত ১:৪০

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: ইট দিয়ে মাথা ফাটিয়ে দেয়। মেরে ফেলার চেষ্টা ছিল হয়ত।
.......................................................................................
তাহলে আমরা পশুর মতো আচরন শুরু করেছি ।
যে কোন পেশার লোকের প্রতি আমাদের শ্রদ্ধা ও বিশ্বাস কমে যাচ্ছে,
আমাদের এই অবস্হার উন্নতি করা দরকার ।

৩| ১৭ ই মে, ২০২৬ রাত ২:০৮

এইচ এন নার্গিস বলেছেন: ভয়ংকর । এ কোন দেশে আছি আমরা ?

৪| ১৭ ই মে, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮

অপলক বলেছেন: আলহামদুল্লিাহ... ! এভাবে ধরে ধরে একটার পর একটা কুলাঙ্গার কে বেডে কিছু দিন শুয়ে রাখার ব্যবস্থা করা দরকার। রুগীর দুমিনিট ডাক্তারের ফেসবুকে একটা পোস্ট দেবার দুমিনিটের চেয়ে ইম্পর্টেন্ট।

৫| ১৭ ই মে, ২০২৬ দুপুর ১:৪১

মায়াস্পর্শ বলেছেন: বাংলাদেশ বর্তমানে নষ্ট অবস্থায় আছে।
কয়েকদিন পর বিকল হয়ে যাবে।
সারানোর মতো মিস্তরি আপাতত নাই।

৬| ১৭ ই মে, ২০২৬ দুপুর ১:৫৮

নতুন বলেছেন: ডাক্তারের উপরে হামলার যথাযত বিচার হতে হবে। মব কালচার দেশের আরো অনেক ক্ষতি করবে। আইন নিজের হাতে তুলে নেবার সংস্কৃতি বন্ধ করতে হবে।

হাসপাতালেও সেবা বাড়াতে হবে এবং ডাক্তার, নার্স এবং হাসপাতাল কর্তিপক্ষের জবাবদিহিতাও বাড়াতে হবে।

রাতে সরকারী হাসপাতালে ডাক্তার, নার্সরা কম থাকে, ঘুমে থাকে, অনেক সময় রোগির সথাযত সাহাজ্য পায় না। এটাও সত্যি।

৭| ১৭ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪০

ঢাকার লোক বলেছেন: একজন ডাক্তারই না শুধু, যে কাউকে এভাবে দল বেঁধে তার কর্মক্ষেত্রে মেরে ফেলার মত মারা কোন মতেই গ্রহযোগ্য নয়, সে যত কারণই থাকুক। যথাযথ বিচার হওয়া উচিত।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.