| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
.jpg)
বনগাঁদা
অন্যান্য ও আঞ্চলিক নাম : বনগেন্দা, সূর্যকন্যা, মরাতিতিগা, মারহাতিতিগা, একমেলা ইত্যাদি।
Common Name : Toothache Plant, Paracress, Eripacha ইত্যাদি।
Scientific Name : Acmella uliginosa
বনগাঁদা আমাদের চারপাশের ছড়িয়ে থাকে অসংখ্য পরিচিত অপরিচিত ছোট ছোট আগাছার মধ্যে মোটামুটি পরিচিত একটি ছোট উদ্ভিদ। তবে পরিচিত হলেও এর গুণাগুণ এবং বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে অনেকেই ধারনা রাখেন না।.jpg)
বনগাঁদা সূর্যমুখী পরিবারে একটি ফুল গাছ। ফুল গাছ না বলে বরং আগাছা বলাই ভালো।
বাংলাদেশ সহ ভারতীয় উপমহাদেশের বিভিন্ন দেশে এদের পাওয়া যায়। যদিও এরা বাংলাদেশ বা ভারতীয় উপমহাদেশের নিজস্ব উদ্ভিদ না। এটি সাধারণত ধানক্ষেতের আইল, পুকুর পাড়, স্যাঁতসেঁতে বাগান বা রাস্তার ধারের নিচু জমিতে জন্মে।
এই গাছগুলি সাধারণত আগাছার মধ্যেই জন্মায়। একসঙ্গে অনেকগুলো গাছ থাকে। এর পাতা ও ডালপালা ১০ থেকে ২০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে। অনেক সময় কান্ডটি মাটিতে শুয়ে থেকে ডালপালা বিস্তার করে। পাতা সবুজ, মসৃণ, ডিম্বাকৃতির ও অগ্রভাগ কিছুটা সুচালো। গাছের কাণ্ডের প্রত্যেক শীর্ষে একটি করে ফুল ফোটে। ফুলের রঙ হলুদ। এই বনগাঁদা ফুল দেখতে অবিকল মেয়েদের নাকফুলের মতো। তাই গ্রামের বাচ্চাদের খেলার সময় এটি নাকফুল হিসেবে ব্যবহৃত হয়।.jpg)
এটিকে কোথাও কোথাও ইলেক্ট্রিক ডেইজিও নামেও ডাকতে দেখা যায়। এই ফুল মুখে দিয়ে কামড়ালে হালকা বিদ্যুৎ শকের মতো ঝিরঝির অনুভূত হয় বলেই এই নাম। আর কিছুক্ষণের জন্য সেই যায়গাটি কিছুটা অনুভূতিহীন বা অবশ মতো হয়ে পরে।
বনগাঁদা একটি পরিচিত ভেষজ উদ্ভিদ। সাধারণ মানুষের কাছে এটি একটি আগাছা হিসেবে পরিচিত হলেও আয়ুর্বেদ এবং লোকজ চিকিৎসায় এর গুরুত্ব অপরিসীম।.jpg)
বনগাঁদা ফুল ও গাছ দাঁতব্যথা বা মাড়িব্যথায় খুব উপকারী।
এর ডাঁটা ছিঁড়ে জিহ্বায় দিলে পিপারমিন্টের মতো স্বাদ অনুভূত হয়। ঠান্ডায় ও গলাব্যথাতেও কার্যকরী।
বনগাঁদার পাতার রস ক্ষুধা মন্দা দূর করতে এবং হজম ক্ষমতা বাড়াতে ব্যবহার করা হয়।
বনগাঁদার পাতার রস নির্যাস অনেক সময় জৈব কীটনাশক হিসেবেও ব্যবহার করা হয়।.jpg)
তথ্য সূত্র : অন্তর্জাল।
ছবি ও বর্ণনা : নিজ
ছবি তোলার স্থান : নাগরি, কালীগঞ্জ, গাজীপুর, বাংলাদেশ।
ছবি তোলার তারিখ : ২৬/০১/২০২৪ইং
২|
১৮ ই এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ২:৪২
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: ছোটবেলা থেকেই আমার বিভিন্ন ধরনের গাছ, ফুল ও উদ্ভিদ চেনার প্রতি প্রবল আগ্রহ ছিল। একেক গাছের পাতা কেন একেক রকম, এই ফুলটি দেখতে কেন এমন, কেন কোনোটির রঙ লাল আর কোনোটির হলুদ : এসব জানার চেষ্টা করতাম। এমনও হয়েছে যে, আমি বোটানিক্যাল গার্ডেনে গিয়ে উদ্ভিদের নাম এবং তাদের মধ্যকার পার্থক্য বোঝার চেষ্টা করেছি। সবাই যখন সেখানে যেত ঘুরতে, আমি যেতাম উদ্ভিদ চিনতে।
আপনার এই উদ্ভিদ পরিচিতি মূলক লেখাটি থেকে নতুন কিছু জানতে পারলাম। সেই সাথে ২০১২ সালের দিকের একটি ঘটনার কথা মনে পড়ে গেল। সেই সময় পাট নিয়ে কাজ করা একদল গবেষক ধইঞ্চা গাছ থেকে কাগজ তৈরির পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছিলেন। আমি খবরের কাগজে পড়েছিলাম । অনেককে জিজ্ঞাসা করেছিলাম যে, পাট নিয়ে গবেষণা করা লোকজন কেন ধইঞ্চা গাছ নিয়ে গবেষণা করবে? তখন আমাকে এটা বলার মতো কেউ ছিল না যে, পাট এবং ধইঞ্চা গাছ প্রায় একই ঘরানার ।
এর প্রায় ৩-৪ বছর পর যখন কলেজে পড়ি, তখন জীববিজ্ঞানের ম্যামকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করেছিলাম। তিনি বোটানি বিভাগের হওয়া সত্ত্বেও এর উত্তর দিতে পারেননি। আজকে গাঁদা ফুল এবং বনগাদার যে মিল আপনার লেখায় উঠে আসলো তা দেখে আমার সেই সময়ের কথা মনে পড়ে গেল।"
১৮ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ৮:৪৬
মরুভূমির জলদস্যু বলেছেন:
- অশেষ ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর মন্তব্যের জন্য।
- গাফ-পালা, ফুল নিয়ে আপনার আগ্রহের কথা জানতে পেরে ভালোলাগলো আমার খুব।
- একসময় আমিও ভাবতাম খাতা-কলম নিয়ে সারাদিন বোটানিক্যাল গার্ডেনে ঘুরে ঘুরে গাছেদের নাম লিখবো। শেষ পর্যন্ত তা আর কখনো হয়ে না উঠলেও অল্পবিস্তর গাছেদের পরিচয় আমার জানা হয়েই গেছে।
৩|
১৮ ই এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ২:৫৮
শায়মা বলেছেন: এটা কি ঘাসে থাকে?
ভাইয়া কেমন আছো?
অনেকদিন পর দেখলাম তোমাকে।
১৮ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ৮:৪৮
মরুভূমির জলদস্যু বলেছেন:
- সাধারণত ধানক্ষেতের আইল, পুকুর পাড়, স্যাঁতসেঁতে বাগান বা রাস্তার ধারের নিচু জমিতে জন্মে।
- আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি। আপনি ভালো আছেন নিশ্চয়ই।
- হে, অনেক দিন পরে আসা হলো।
৪|
১৮ ই এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৩:৩৩
আলামিন১০৪ বলেছেন: ধন্যবাদ পোস্টটির জন্য
বৃক্ষ নিয়ে আমার অনেক কৌতুহল। কুতুব ব্রাদার এর মতো আমিও রমনা ও বোটানিক্যাল গার্ডেনে গেলে গাছগুলো চিনতে চেষ্টা করি। তবে এখন পর্যন্ত রমনা পার্কের হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল সংলগ্ন ৩/৪ টি একই প্রকার বৃক্ষ সনাক্ত করা সম্ভব হয় নি। আমি সেখানে গেলে প্রায়ই গাছটির ফুল বা ফল খুঁজে ফিরি। বৃক্ষ তোমার নাম কী? ফলে পরিচয়।
আল্লাহতাআলা, ফেরেস্তাদের মনোভাব লক্ষ করে যে নামসমূহ জিজ্ঞাসা করেছিলেন তাতে বোধ হয় গাছও ছিল- আদম পাশ করলেও ফেরেস্তারা অকৃতকার্য হয়েছিল-
১৮ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ৮:৫৩
মরুভূমির জলদস্যু বলেছেন:
- তবে এখন পর্যন্ত রমনা পার্কের হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল সংলগ্ন ৩/৪ টি একই প্রকার বৃক্ষ সনাক্ত করা সম্ভব হয় নি।
গাছ গুলির ছবি দেখলে হয়তো চিনতে পারি কিনা তা জানা যেতো।
- আল্লাহতাআলা, ফেরেস্তাদের মনোভাব লক্ষ করে যে নামসমূহ জিজ্ঞাসা করেছিলেন তাতে বোধ হয় গাছও ছিল- আদম পাশ করলেও ফেরেস্তারা অকৃতকার্য হয়েছিল-
আল্লাহতো পরীক্ষা নেয়ার আগেই আদমের কাছে প্রশ্ন ফাস করে দিয়ে ছিলেন। শুধু প্রশ্ন ফাস করেন নাই, সাথে সাথে উত্তর শিখিয়ে দিয়েছিলেন। আর বেচারা ফেরেস্তারাতো আল্লাহর দেয়া জ্ঞানের বাইরে আর কিছুই জানে না।
©somewhere in net ltd.
১|
১৮ ই এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ২:১৮
মরুভূমির জলদস্যু বলেছেন: =================================================================
আজি যত কুসুম কলি ফুটিলো কাননে
অশোক, অক্টোপাস ফুল, অর্কিড, অলকানন্দা, অলকানন্দা (বেগুনী), অলকানন্দা (হলুদ), অ্যালামন্ডা (বেগুনী), অপরাজিতা, আকন্দ, আমরুল, আফ্রিকান টিউলিপ, আলোকনন্দা (হলুদ)
উগান্ডা শিখা, উর্বশী, উর্বসী, এরোমেটিক জুঁই, এ্যালামন্ডা (বেগুনী)
কলাবতী, কচুরিপানা ফুল, কসমস, কালো পঙ্গপাল, কালো বাসক, কালো বাদুড় ফুল, কর্ণফ্লাওয়ার, কন্টকলতা, ক্যালেনডুলা, ক্যাসিয়া রেনিজেরা, কামান গোলা, কাগজ ফুল, কাঠগোলাপ, কাঠচাঁপা, কাঁটামুকুট, কন্টকমুকুট, কাঞ্চনার, কাঞ্চনক, কুর্চি, কুরচি, কৃষ্ণচূড়া, খাড়া মুরালি
গাঁদা, গেন্ধা, গন্ধা, রক্তগাঁদা, গামারি, গামার, গাম্বার, গোলাপ, গোলাপি আমরুল, গ্লুকাস ক্যাসিয়া, গৌরিচৌরি, গিরিপুষ্প, গুলেটু, গুলমোহর, ঘোড়া চক্কর
চন্দ্রপ্রভা, চন্দ্রমুখী চন্দ্রমল্লিকা (হালকা গোলাপি), চন্দ্রমুখী চন্দ্রমল্লিকা (সাদা), চন্দ্রমুখী চন্দ্রমল্লিকা (লালচে গোলাপি), চন্দ্রমুখী চন্দ্রমল্লিকা (কমলা), চন্দ্রমল্লিকা (হলুদ-সাদা), ছোটপানা
জবা, সাদা জবা, ঝুমকো জবা, ঝুমকা জবা, লঙ্কা জবা, পঞ্চমুখী জবা, বহুদল জবা, রক্ত জবা, হলুদ জবা, ক্রিম জবা, গোলাপী জবা, হাইব্রিড জবা, হাইব্রিড গোলাপী জবা, হাইব্রিড ক্রিম জবা
জারবেরা, জ্যাকারান্ডা, ঝুমকোলতা, ঝুমকো জবা
টগর, জংলি টগর, ডালিয়া, তমাল, তারাঝরা
দাঁতরাঙ্গা, দাদমর্দন, দদ্রুমর্দন, দাদমারী, দেবকাঞ্চন, দোলনচাঁপা, দুপুরমনি, ধুতুরা
নাগেশ্বর, নাগচম্পা, নাগেসর, নাগলিঙ্গম, নীল হুড়হুড়ে, নীল জ্যাকারান্ডা, নীলচূড়া, নীল বনলতা, নীল লতা, নীলাতা, নীল-পারুল, নীল-পারুল লতা, নয়নতারা,
পপী, পুন্নাগ, পারুল লতা, পঞ্চমুখী জবা, পুর্তলিকা, পুত্তলিকা, পটপটি
ফাল্গুনমঞ্জরী, ফুরুস (সাদা)
বরুণ, বড়নখা, বিড়াল নখা, বিলাই আঁচড়া, বাদুড় ফুল, বাগানবিলাস, বাসন্তীলতা, বোগেনভিলিয়া, বোতল ব্রাশ, ব্লিডিং হার্ট, বনগাঁদা, বন পালং, বন তেজপাতা, বার্মিজ গোলাপি সোনাইল, ভাট ফুল, ভ্রমরপ্রিয়া
মাধবীলতা, মাধবিকা, মধুমঞ্জরি, মিয়ানমার ফুল, মুচকুন্দ চাঁপা, মেক্সিকান সোর্ড লিলি
রঙ্গন, রুক্সিনী, রক্তক, রুদ্রপলাশ, রাজ অশোক, রাজ অশোক, রাধীকা নাচন, রাধাচূড়া, রত্নগণ্ডি, রাণীচূড়া, রসুন্ধি লতা, রুয়েলিয়া, রক্ত জবা, রক্তকাঞ্চন, রক্তপুষ্পক, রক্তপুষ্পিকা, রক্ত শিমুল, রক্ত কমল, রক্তচূড়া
লতা মাধবী, লতা পারুল, লাল আকন্দ, লাল কাঞ্চন, লাল শাপলা, লাল কমল, লাল শিমুল
শটি ফুল, শাপলা (সাদা), শাপলা (লাল), শিউলি, শেফালি, শেফালিকা, শিবজটা, শিবঝুল, শিমুল, শ্বেত অপরাজিতা, শ্বেত পুষ্পা, শ্বেত অকন্দ
সন্ধ্যামালতী, সন্ধ্যামনি, সুলতান চাঁপা, সুভদ্রা, সুখ মুরালি, সূর্যমুখী, সুরজমুখী, সোনাপাতি, সিদ্ধেশ্বর, সিদ্ধেশ্বরা, সোকরে, সোর্ড লিলি, সাদিমুদি, সোনালু, সাদা আকন্দ
হাতি জোলাপ, হাতিশুঁড়, হলুদ জবা
অশোক ফুলের ছবি, নাগেশ্বর ও ভমর, পলাশ ফুটেছে......, ডালিয়া, ধুতরা ফুল, একটি দাঁতরাঙ্গা ফুল
মিষ্টি জলপাইয়ের ফুল, ডালের ফুল, চুকাই ফুল, চুকুর ফুল, সরষে ফুল, সর্রিষা ফুল, তিল ফুল, বিষকাটালি, পাহাড়ি বিষকাটালি,
বাংলাদেশের সংরক্ষিত উদ্ভিদের সচিত্র তালিকা, অশোক সমগ্র, কৃষ্ণচূড়া, কৃষ্ণচূড়া, রাধাচূড়া ও কনকচূড়া বিতর্ক, পলাশ ও পারিজাত পরিচিতি, পারিজাতের পরিচয়, চাঁপা নিয়ে চাপাবাজি, আতা কাহিনী, বিলম্ব, মাছি ফাঁদ উদ্ভিদ, জল জমানি পাতা, শিউলি
=================================================================