| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
শ্রাবণধারা
" আমাদের মতো প্রতিভাহীন লোক ঘরে বসিয়া নানারূপ কল্পনা করে, অবশেষে কার্যক্ষেত্রে নামিয়া ঘাড়ে লাঙল বহিয়া পশ্চাৎ হইতে ল্যাজমলা খাইয়া নতশিরে সহিষ্ণুভাবে প্রাত্যহিক মাটি-ভাঙার কাজ করিয়া সন্ধ্যাবেলায় এক-পেট জাবনা খাইতে পাইলেই সন্তুষ্ট থাকে......."

নব্বইয়ের দশকে বিটিভিতে প্রচারিত হুমায়ূন আহমেদের জনপ্রিয় একটি নাটকে একজন ভাড়াটে খুনীর চরিত্র ছিল। খুনীর নাম ইউনুস - নান্দাইলের ইউনুস। গ্রামের চেয়ারম্যান তার প্রতিদ্বন্দ্বী একজন ভালো মানুষ স্কুল শিক্ষককে হত্যার জন্য ইউনুসকে ভাড়া করেন। খুনের আগে ইউনুস চেয়ারম্যানের বাড়িতে অতিথি হিসেবে আসেন। বাড়িতে থাকে চেয়ারম্যানের স্ত্রী এবং দুঃসম্পর্কের এক তরুণী আত্মীয়া - কুসুম। ইউনুসকে খাবার পরিবেশনের ভার পড়ে কুসুমের ওপরে।
চেয়ারম্যানের স্ত্রীর কাছে কুসুম বানিয়ে বানিয়ে গল্প করে যে, নতুন অতিথি বিয়ের জন্য মেয়ে খুঁজছে এবং তাকে খুবই পছন্দ করেছে। কুসুম ইউনুসকে চিনতে না পারলেও, চেয়ারম্যানের স্ত্রী বুঝতে পারেন যে, তার স্বামী মাস্টারকে খুন করার জন্য তাকে ভাড়া করে এনেছে। কুসুম যখন আবারও বানিয়ে বানিয়ে ইউনুসের কথা বলে, তখন চেয়ারম্যানের স্ত্রী তাকে একটা চড় দিয়ে বলেন, আর গাধা, তোর মাথায় শুধু বিয়া আর বিয়া; চেয়ারম্যান একে ভাড়া করেছে মাস্টারকে খুন করাতে; ইউনুস কোনো মানুষ নয়, সে পিচাশ! কুসুমও তখন কেঁদে কেঁদে বলে, সে সারাক্ষণ বিয়ের কথা বলে, কারণ চেয়ারম্যান রাত-বিরাতে তার ঘরের দরজায় কড়া নাড়ে এবং তাকে ধর্ষণের সুযোগ খোঁজে।
ড. ইউনূস বিগত ১৮ মাসে কাদের স্বার্থরক্ষার জন্য কাজ করেছেন, সেটা এখন স্পষ্ট হয়ে গেছে। আমেরিকার সাথে তার সরকার যে বাণিজ্য চুক্তি করেছে, সেখানে আগামী ১৫ বছরে ১৫ বিলিয়ন ডলারের তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস আমেরিকা থেকে কিনতে হবে। বাংলাদেশে বর্তমানে যে বিমানগুলো আছে, সেগুলোই ধারণক্ষমতার নিচে ব্যবহৃত হচ্ছে; সেখানে আবার ১৪টি বিমান বোয়িং থেকে কিনতে হবে। এরপর আছে কৃষিপণ্য কেনার বিষয়টি। বাংলাদেশকে ৩.৫ বিলিয়ন ডলার মূল্যের কৃষিপণ্য আমেরিকা থেকে কিনতে হবে। চুক্তিটি শুধু দেশবিরোধী নয়, দেশের সার্বভৌমত্ববিরোধীও। এই চুক্তি দীর্ঘমেয়াদে দেশকে অর্থনৈতিকভাবে ধ্বংস করার জন্য যথেষ্ট হতে পারে।
চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর নিয়ে দুবাইভিত্তিক ডিপি ওয়ার্ল্ডের সাথে সম্ভাব্য চুক্তি নিয়ে ইউনূসের গভীর আগ্রহ আমরা দেখেছি। ডিপি ওয়ার্ল্ডের লোকগুলো ইউনূসের বন্ধু। এদেরকে চিনলে ইউনূসকে অনেকটা চেনা যায়। ডিপি ওয়ার্ল্ডের দীর্ঘদিনের চেয়ারম্যান ও সিইও ছিলেন সুলতান আহমেদ বিন সুলাইয়েম, যিনি এবছর ১৩ ফেব্রুয়ারি এপস্টেইন নথি প্রকাশিত হলে, চাপের মুখে পদত্যাগ করেন।
বিন সুলাইয়েম কুখ্যাত শিশুধর্ষক এবং ক্ষমতাধরদের ব্ল্যাকমেইল করার জন্য ইসরায়েলের গুপ্ত কৌশল জেফ্রি এপস্টেইনের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন। আমেরিকার বিচার বিভাগের মতে, বিন সুলাইয়েম ও এপস্টেইনের মধ্যে এক দশকেরও বেশি সময় ধরে সম্পর্ক ছিল। ২০০৮ সালে শিশুধর্ষণের অপরাধে এপস্টেইন দণ্ডিত হওয়ার পরও তাদের সম্পর্ক বজায় ছিল।
শেষ খবর অনুযায়ী, বিএনপি সরকার এখনও এই চুক্তির বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি। এটি নিয়ে বিস্তারিত মূল্যায়ন চলছে এবং দেশের স্বার্থ, জনগণ ও অর্থনীতির সুরক্ষার বিষয়টি বিবেচনা করে সিন্ধান্ত নেয়া হবে, এমনটি বলা হচ্ছে।
ইউনূসের সময়ে বাংলাদেশ ব্যাংক এনসিপিকে প্রচারণার জন্য এক কোটি টাকা চাঁদা দিয়েছিল। একটা দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক যে কোন রাজনৈতিক দলকে চাঁদা দিতে পারে এটা পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল একটি ঘটনা।
মার্চের মাঝামাঝি সময় থেকে দেশে প্রবল হাম সংক্রমণ শুরু হয় এবং ২৫০-এর বেশি শিশুর মৃত্যু হয়। বহু বছর ধরে ইউনিসেফের যে টিকাদান কর্মসূচি বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত ছিল, ১৮ মাসের জন্য ক্ষমতায় এসে ইউনূস সরকার সেটা পাল্টে দিয়েছিল, বোধহয় এখান থেকে কোনো একটা লুটপাটের উপায় খোঁজার জন্যই। ইউনিসেফ-পরিচালিত এই কর্মসূচি থেকে সরে আসার ফলে টিকার সরবরাহ কমে যায়; ফলাফল হিসেবে আমরা পেলাম ২৫০ জন শিশুর মৃত্যু।
ইউনূসের সময়ে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে যে প্রবল সহিংসতার বৃদ্ধি হয়েছিল, দিনের পর দিন ইউনূসের প্রেস সচিব সেটাকে ভারতীয় অপপ্রচার বলে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেছে। এর সর্বশেষ ভয়ঙ্কর দৃষ্টান্ত ছিল গার্মেন্টস কর্মী দিপু চন্দ্র দাসকে মেরে ফেলে গাছে ঝুলিয়ে পুড়িয়ে মারার ঘটনা। তারই ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি কুষ্টিয়ার পীরকে পিটিয়ে মেরে ফেলা হল। ইসলামপন্থী জঙ্গিরা মাজার ধ্বংস করেছে, নারী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে পিটিয়েছে, ভয়ভীতি দেখিয়েছে, এমনকি নারী ক্রীড়া দলের ওপর হামলা করেছে।
ইউনূসের ক্ষমতা গ্রহণের পরপরই সক্রিয় জঙ্গিদের বড় একটি অংশকে জেল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। তাদের একজন ছিলেন কুখ্যাত হারুন ইজহার। এই ব্যক্তি প্রকাশ্যেই জঙ্গি রাজনীতিতে যুক্ত। তার মাধ্যমে আল-কায়েদা ও টিটিপির নেটওয়ার্ক বাংলাদেশে সক্রিয় হয়েছে। গত বছর মে মাসে যখন শিবির ও এনসিপি মিলে আওয়ামী লীগের ওপর নিষেধাজ্ঞার দাবি জানায়, তখন আল-কায়েদা মতাদর্শী জসিমউদ্দিন রহমানি সেখানে নামাজে ইমামতি করেন।
এখন খবর হলো, সামরিক বাহিনীর একটি অংশে টিটিপির নেটওয়ার্ক কার্যকর রয়েছে; যাদের কয়েকজনকে পাকিস্তানি জঙ্গিগোষ্ঠীর সাথে যোগাযোগের কারণে সম্প্রতি গ্রেফতার করা হয়েছে।
বিগত নির্বাচনে বিএনপি যদিও জয়ী হয়েছে এবং ৩০০ আসনের মধ্যে ২১২টি আসন পেয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে, কিন্তু জামাত জোট ৭৭টি আসন পেয়ে এখন সংসদে বিরোধী দলে রয়েছে। এটি বাংলাদেশের ইতিহাসে নজিরবিহীন ঘটনা। বাংলাদেশের সমাজ আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় এখন অনেক বেশি উগ্রপন্থি ও রক্ষণশীল, যেটার পিছনে ইউনূসের অবদান রয়েছে।
আওয়ামী লীগ যখন লুটপাট, নৈরাজ্য, গুম, ব্যাংক দখল, অর্থ পাচার, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, হাতুড়ি-হেলমেট বাহিনীর তাণ্ডব এবং রাতের অন্ধকারে ব্যালট বাক্স ভরে নির্বাচন করে গণতান্ত্রিক সব ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে স্বৈরতান্ত্রিক শাসন কায়েম করেছিল, তখন হাসিনার বিরুদ্ধে জনগণের আন্দোলন ছিল প্রগতিশীল। তখন মানুষ গণতন্ত্র, সুবিচার ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার দাবিতে লড়াই করেছিল।
সেই শূন্যতার মধ্যে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান হিসেবে যখন ড. ইউনূস দায়িত্ব নিলেন, তখন পুরো জাতি আওয়ামী লীগের ধর্ষণ প্রচেষ্টার হাত থেকে রক্ষা পেতে আশা করেছিল যে, তিনি মানুষের স্বার্থে ও দেশের কল্যাণে কাজ করবেন। পরবর্তীতে দেখা গেল, তিনি কাজ করলেন ডিপি ওয়ার্ল্ডের জন্য, আমেরিকার জন্য, জঙ্গিগোষ্ঠী ও জামাতের জন্য। মর্মবেদনায় আচ্ছন্ন হয়ে আমরা দেখলাম, নান্দাইলের ইউনুসের মতোই তিনি মানুষ নন, তিনি এপস্টেইনের এলিট!
০৩ রা মে, ২০২৬ রাত ১০:২৩
শ্রাবণধারা বলেছেন: ধন্যবাদ, স্বপ্নের শঙ্খচিল। এই লেখায় আমি যে ঘটনাগুলো উল্লেখ করেছি, সেগুলো সাম্প্রতিক ঘটনাই, তা নয় কি? এখন আপনাদের কেউ কেউ যদি এই ঘটনাগুলো ঘটার আগেই ড. ইউনূসকে চিনে থাকেন, সেটি আপনাদের দূরদর্শিতা বটে।
তবে সাধারণত এ ধরনের দূরদর্শিতা নির্দিষ্ট কোনো রাজনৈতিক দলের ঘনিষ্ঠদের মধ্যেই বেশি দেখা যায়। আমার মতো সাধারণ মানুষকে ঘটনাগুলো ঘটা এবং বিচার বিশ্লেষণ করা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়।
০৪ ঠা মে, ২০২৬ দুপুর ১২:০৬
শ্রাবণধারা বলেছেন: দয়া করে আমার পোস্টে অশ্লীল শব্দ ব্যবহার করবেন না। আমি এটা নিতে পারি না।
২|
০৩ রা মে, ২০২৬ বিকাল ৫:৫৩
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: কি মন্তব্য করবো ভেবে পেলুম না । ![]()
০৩ রা মে, ২০২৬ রাত ১০:২৪
শ্রাবণধারা বলেছেন: হ্যাঁ, হ্যাঁ, ঠিক আছে, আপনি সময় নিয়ে ভেবে তারপরই না হয় বলুন।
৩|
০৩ রা মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩
মাথা পাগলা বলেছেন: বাঙালিদের বেকুব বানিয়ে দেশ বিক্রি করার জন্য আম্রিকার সহায়তায় মেটিকুলাস ডিজানের মাধ্যমে স্বৈরাচার সরকারকে উৎখাত করা হয়েছে।
শফিকুল আলমের সাথে খালেদ মুহিউদ্দীনের ইউটিউবে ইণ্টারভিউতে শফিকুল আলম বলেছেন চুক্তিগুলো সমস্ত রাজনৈতিক দলের সাথে কথা বলে করা হয়েছ এবং সবাই সায় দিয়েছে (আমি ভিডিও দেখি নাই ফেবুতে স্ট্যাটাস পড়ে জেনেছি)। যা আমার কাছে যুক্তিসংগত মনে হয়েছে, কারন কোন রাজনৈতিক দল এসবের বিরোধীতা করে নাই। ইন্টেরিম সরকারের এতো গুরুত্বপূর্ন চুক্তি করার কথা না। শুধু ইউনুসকে দোষ দিয়ে লাভ নাই।
ইউনুসের শেষে সাহেব বা স্যার যোগ না করলে কুতুব সাহেব রাগ করেন। উনাকে রাগাতে না চাইলে "স্যার বা সাহেব" অ্যাড করে দিন।
০৩ রা মে, ২০২৬ রাত ১০:৩০
শ্রাবণধারা বলেছেন: না, মানে আপনার মন্তব্যের শুরুতে আপনি যেটা ফলাফল, সেটাকেই কারণ বানিয়ে দিয়েছেন। দেশ বিক্রির জন্য কেউ স্বৈরাচার সরকারকে উৎখাত করেনি। কিন্তু পরবর্তীতে যা ঘটেছে, সেটা অনেকটা দেশ বিক্রির মতোই।
"আমেরিকার সহায়তা" বা "মেটিকুলাস ডিজাইন" কে হাসিনা উৎখাতের কারণ বানিয়ে দেওয়া আওয়ামী নির্বুদ্ধিতার লক্ষণ। হাসিনা উৎখাতের কারণ হলো, হাসিনার অপকর্ম এবং দুঃশাসন।
৪|
০৩ রা মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৩১
রানার ব্লগ বলেছেন: চোর পালাইলে বুদ্ধি বারে
০৩ রা মে, ২০২৬ রাত ১০:৩১
শ্রাবণধারা বলেছেন: অনেক সময় চোর পালানো পর্যন্ত আমাদের অপেক্ষা করতেই হয়।
৫|
০৩ রা মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:০৫
এইচ এন নার্গিস বলেছেন: এতক্ষণে অরিন্দম কহিলা বিষাদে !
০৩ রা মে, ২০২৬ রাত ১০:৩২
শ্রাবণধারা বলেছেন: নির্বোধেরা সবকিছু আগে ভাগেই বুঝে যায়, জানেন তো?
৬|
০৩ রা মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২৮
নিমো বলেছেন: তাই নাকি!
০৩ রা মে, ২০২৬ রাত ১০:৩৩
শ্রাবণধারা বলেছেন: বটে!!! ![]()
৭|
০৩ রা মে, ২০২৬ রাত ১০:২১
কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:
ইউনুস সাহেব আর কি দোষ?
বাদশা হুমায়ূন নাকি পারস্য আর আফগান সহায়তা পুনরায় ভারত দখল করার পর দুই সাম্রাজ্য ই হুমায়ূনের কাছে প্রাপ্য হিস্যা চেয়েছিলো।
০৩ রা মে, ২০২৬ রাত ১০:৩৭
শ্রাবণধারা বলেছেন: বিচিত্রার পোস্টারটা ইন্টারেস্টিং। দারিদ্র্যকে বিক্রি করার জন্য এটাকে যেভাবে ইউনূস আন্তর্জাতিক পণ্য হিসেবে পরিণত করেছেন, আমার ধারণা কার্ল মার্কস এটা দেখলে ক্যাপিটাল-এর চতুর্থ একটি খণ্ড লিখতেন!
৮|
০৪ ঠা মে, ২০২৬ ভোর ৪:৩৫
মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
ধর্ম ও ডায়াবেটিস মানুষ জন্মসূত্রে পায়।
০৪ ঠা মে, ২০২৬ ভোর ৫:০৪
শ্রাবণধারা বলেছেন: এর সাথে আমার লেখার কি সম্পর্ক?
৯|
০৪ ঠা মে, ২০২৬ সকাল ১০:৫৬
নূর আলম হিরণ বলেছেন: আপনি ইউনূসকে কখন চিনতে পেরেছেন, ৫ আগস্টের পরে নাকি ২০০৭ সালে? আমি ২০০৭ সাল থেকেই বলেছি ইউনুস মানুষ সুবিধের নয়। তার বিরুদ্ধে মামলা হওয়ার পর বলেছি এই মামলা গুলোর অবশ্যই মেরিট আছে সে অপরাধী হওয়ার সম্ভাবনা শতভাগ। ৫ আগষ্টের পর বলেছি সে টাউট ও দেশ পরিচালনায় অদক্ষ। আর যে চুক্তির কথা বলেছেন সেটা জানার পর যা বলেছি সেটা লিখা সম্ভব নয়।
০৪ ঠা মে, ২০২৬ সকাল ১১:৪৫
শ্রাবণধারা বলেছেন: এখানে ইউনূসের যে সমালোচনা, সেটা তত্ত্বাবধায়ক সরকার হিসেবে মানুষের প্রত্যাশার বিপরীতে তিনি কী কাজ করেছেন, তারই সমালোচনা।
২৪ এর আগস্টের এর আগের ইউনূস ব্যবসায়ী ইউনূস। ব্যবসায়ী হিসেবে তিনি নিজের ও ক্ষমতাবানদের স্বার্থ রক্ষা করবেন, এটা হয়তো স্বাভাবিক। কিন্তু তিনি সরকারপ্রধান হয়েও পাজী গোষ্ঠীর স্বার্থ রক্ষা করেছেন। আবার এটা করতে গিয়ে তিনি জামাত ও জঙ্গিদের ব্যবহার করেছেন বা সুবিধা দিয়েছেন, এটাই এ লেখার মূল পয়েন্ট।
এখন এসব যদি আপনি ২০০৭ সালেই আপনার আপার কাছে শুনে থাকেন যে আগস্ট '২৪-এর পরে এসব ঘটবে, তাহলে আমি লা-জওয়াব! আর ট্যাক্সের বিষয়টি অত্যন্ত জটিল; ইউনূস এখানে আইনের ভেতর থেকেই একটা খেলা খেলেছেন। এটা নিয়ে আপনি আজগুবি যা লিখেছেন, এগুলো আপনার শোনা কথা।
১০|
০৪ ঠা মে, ২০২৬ দুপুর ২:৫১
নূর আলম হিরণ বলেছেন: আইনের ভিতর থেকে আমি আমার বউকেও ডিভোর্স দিতে পারবো তাই বলে আমি নৈতিক কাজ করছি বলতে পারবেন না। আপনি এখনো ইউনুসের প্রেমে মশগুল তাই বুঝতে পারছেন না এই লোক বহু আগ থেকে টাউট প্রকৃতির। ক্ষমতায় আসার কারণে অনেকই স্পষ্ট দেখতে পেয়েছে তার আগে দেখার মত চিন্তা অনেকেরই বিকশিত হয়নি।
©somewhere in net ltd.
১|
০৩ রা মে, ২০২৬ বিকাল ৪:২৬
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: নান্দাইলের ইউনুসের মতই তিনি মানুষ নন, তিনি পিচাশ, তিনি এপস্টেইনের এলিট!
........................................................................................................................
এত দেরীতে বোধদয় হলে কি জীবন বাচঁবে ???
চাটগাইয়ারা নাকি পা** া মারতে ওস্তাদ
সুতরাং স্বভাব সুলভ কাজ করে ছে, আমাদে র
কি ছু বরার নাই ১৫ বৎসর গোলামী খাটার পর
আমাদের কথা শুনবে ।