নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমার নাম- রাজীব নূর খান। ভালো লাগে পড়তে- লিখতে আর বুদ্ধিমান লোকদের সাথে আড্ডা দিতে। কোনো কুসংস্কারে আমার বিশ্বাস নেই। নিজের দেশটাকে অত্যাধিক ভালোবাসি। সৎ ও পরিশ্রমী মানুষদের শ্রদ্ধা করি।

রাজীব নুর

আমি একজন ভাল মানুষ বলেই নিজেকে দাবী করি। কারো দ্বিমত থাকলে সেটা তার সমস্যা।

রাজীব নুর › বিস্তারিত পোস্টঃ

আপনি ধার্মিক না মানুষ?

২৬ শে এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৩:০৮



ধার্মিক হওয়া কোনো কাজের কথা নয়।
ধার্মিক হওয়া সহজ। বিজ্ঞানী হওয়া সহজ কথা নয়। পিএইচডি করা সহজ কথা নয়। সেই তুলনায় কোরআন মূখস্ত করা সহজ। জন্মগত ভাবে আমি বাপ মায়ের কাছ থেকে একটা ফ্রি ধর্ম পেয়েছি। মানুষের বড় পরিচয় ধর্ম নয়। আমি ধার্মিকুদের চেয়ে বেশি গুরুত্ব দেই একজন মানুষকে। আসলে আমি 'মানুষ'। ধর্ম দিয়ে মানুষকে ভাগ করা ঠিক না। মুসলিম, হিন্দু, খ্রিস্টান বা বৌদ্ধ এগুলো তো জাস্ট একটা ধর্ম। ধর্ম তো মানুষ ঠিক করে নিয়েছে। একজন হিন্দু ডাক্তার কি মুসলমানের চিকিৎসা করেন না? অথবা একজন মুসলমান ডাক্তার কি হিন্দুর চিকিৎসা করেন না? একজন হিন্দু উকিল কি, মুসলমানের মামলা নেন না? অথবা একজন মুসলমান কি হিন্দুর মামলা নেন না? টাকার যেমন কোনো ধর্ম নেই, ঠিক তেমনি মানুষেরও কোনো ধর্ম থাকা উচিৎ নয়। মহৎ কাজ করে মানুষ খাটি মানুষ হবে। নামাজ রোজা করে খাটি মানুষ হওয়া যায় না।

মানুষকে দেখতে হবে 'মানুষ' হিসেবে।
মানুষের পরিচয়, সে মানুষ। ধর্মের পরিচয় আসল পরিচয় নয়। এক সময় তো পৃথিবীতে কোনো ধর্ম ছিলো না। তখন সবাই মানুষ ছিলো। যখন মানুষ মিলেমিশে থাকতে পারলো না, তখন তারা নিজেদের গোত্রে গোত্রে ভাগ করে নিলো। তৈরি হলো নতুন নতুন সব ধর্ম! তাও একজন আরেক জনের ধর্ম কপি করলো। কেউ কেউ মূর্তি বানিয়ে পূজা শুরু করলো। কেউ বলল, ওদের মতো পূজা করলে আমাদের হবে না। আমাদের ধর্ম হবে অন্য স্টাইলে। আমাদের ঈশ্বর হবে সব থেকে আলাদা। সেই ঈশ্বরের নাম থাকবে ৯৯ টা। এদিকে খ্রিস্টানরা বলল, ওরা হিন্দু মুসলিম ওদের মতো থাকুক। আমরা যীশুকে ঈশ্বর মেনে নিয়ে আমাদের মতো থাকি। ধর্মের হিসেবে সবচেয়ে সুন্দর ধর্ম হলো বৌদ্ধ ধর্ম। ঝামেলাহীন ধর্ম। মারামারি কাটাকাটি নেই। লোভ দেখানো হয় না, ভয় দেখানো হয় না। বাচ্চাদের ঠাকুরমার ঝুলি এবং ধর্মীয় গল্প গুলো একই রকম। বিনোদন আছে। মাঝে মাঝে লজিকহীন গল্প আমাদের আনন্দ দেয়।

সামন্ত যুগ থেকেই তৈরি হলো বিভিন্ন রকম ধর্ম এবং ধর্ম গ্রন্থ।
বাইবেল, ত্রিপিটক, রামায়ণ, কোরআন ইত্যাদি। মূলত সব ধর্ম গুলোতেই রুপকথা আছে। অদ্ভুত সব রুপকথা। যা লজিকহীন। আধুনিক বিশ্বে এসব রুপকথার দুই পয়সা মূল্য নেই। বিজ্ঞান যত এগিয়ে যাচ্ছে, ধর্ম তত কোনঠাসা হয়ে পড়ছে। ধর্ম বড় ক্যাচালে বিষয়। ধর্মে বুদ হয়ে আছে কোটি কোটি ধার্মিক। এরা রুপকথা বিশ্বাস করে কিন্তু বিজ্ঞানের আর্শীবাদ উপভোগ করে। এদের চিন্তা করার ক্ষমতা নেই। এরা লজিকহীন বলেই, রুপকথা নিয়ে মেতে থাকে। একটা মোরগ জিন দেখতে পায়। কিন্তু মানুষ সৃষ্টির সেরা জীব হয়েও জিনকে দেখতে পায় না। এদিকে কচ্ছপ একশ বছর বাচলেও মানুষ কচ্ছপের চেয়ে কম বছর বেচে থাকে। মসজিদের হুজুরদের মানুষ সওয়াব কামায়। কিন্তু রাস্তার ক্ষুধার্তকে খাবার দেয় না। মসজিদে টাকা দেয় কিন্তু একজন অভাবীকে টাকা দিয়ে সাহায্য করে না। মন্দিরে গিয়ে মূর্তির গায়ে দুধ ঢালে, ক্ষুধার্ত শিশুকে দুধ দেয় না। আসলে ধার্মিকেরা মগজহীন হয়। ধর্ম তাদের মগজহীন করে রাখে। মাদ্রাসা থেকে বের হয় মগজহীনরা।

আমি ভাই কোনো দিন ধার্মিক হতে চাইনি।
হতে চাইনি হিন্দু, মুসলিম, খ্রিস্টান বা বৌদ্ধ। আমি হতে চেয়েছি একজন মানুষ। মানবিক এবং হৃদয়বান মানুষ। আমি খুজি আলোকিত পথ। আমি করি সত্যের সন্ধান। আমি সমস্ত কুসংস্কার মাড়িয়ে সামনে যেতে চাই। জীবন হবে সহজ সরল সুন্দর। জীবনে ধর্ম প্রবেশ করিলেই জীবন হয়ে যায় জটিল ও কুটিল। বেচে থাকার জন্য একজন মানুষের আসলে ধর্মের কোনো প্রয়োজন নেই। ধর্ম আছে বলেই, আজও পৃথিবীতে দাঙ্গা হয়। মারামারি কাটাকাটি হয়। ভবিষ্যতে পৃথিবী হবে ধর্মহীন পৃথিবী। শান্তি ও আনন্দময় পৃথিবী। ধর্ম তো মূলত ব্যবসা। এই ব্যবসা বড়ই ব্যবসা। সৌদি আজ ধনী। এর কারন হজ্ব। হজ্ব থেকে এদের ইনকাম। হজ্ব না থাকলে শুধু তেল বিক্রি করে উন্নত হতে পারতো না। কিন্তু সকল মুসলিম দেশ গুলো ধনী নয়। সকল দেশে হজ্ব করা যায় না। বাংলাদেশে যদি হজ্বের সিস্টেম থাকতো, বাংলাদেশ সুন্দর একটা ধনী দেশ হতো। কেউ রাস্তায় ঘুমাতো না। চিকিৎসার জন্য হাসপাতালের ফ্লোরে শুয়ে থাকতে হতো না। চুরী, ডাকাতি, ছিনতাই হতো না। সবাই খেয়েপড়ে সুন্দর ভাবে বেচে থাকতে পারতো।

আমি শুধু বুকে ধারণ করতে চাই, আমি মানুষ।
সৃষ্টির সেরা জীব। তাই আমাকে দেশের জন্য, সমাজের জন্য ভালো কিছু করতে হবে। মানুষের কল্যানের জন্য আমাকে কাজ করতে হবে। আমি পাচ ওয়াক্ত নামাজ পড়লে সমাজের কি উপকার হবে? আমি পূজা করলে সমাজের কি উপকার হবে? দোয়া বা প্রার্থনায় কিছু হয় না। দোয়ায় কাজ হলে আজ আমি আমার বাপ মায়ের দোয়ায় একজন ডাক্তার জতাম। আমার মা আমার জন্য রাত জেগে দোয়া করেছেন, রোজা রেখেছেন আমি যেন ডাক্তার হই। বাপ মা তো ছেলেমেয়ের জন্য কম দোয়া করেন না। দোয়ায় কাজ হয় না। পড়লেই পরীক্ষায় পাশ করা যাবে। দোয়া দিয়ে পাশ করানো যায় না। অলৌকিকতা শুধু ধর্মীয় গ্রন্থে আছে। বাস্তব জীবন অন্য রকম। ধর্মীয় গ্রন্থ গুলোতে মৃত্যুর পর অনেক লোভ দেখানো হয়েছে। আরো দেখানো হয়েছে নানান রকম ভয়। অবশ্য এযুগের মানুষেরা ধর্মীয় গ্রন্থকে ভয় পায় না। তাই তারা ইচ্ছে মতো মন্দ কাজ করে বেড়াচ্ছে। আমরা যারা সমাজে বাস করি, তাদের অনেক রকম নিয়ম কানুন আছে। একটা ধর্ম থাকতে হয়। কিন্তু মৃত্যু মানেই সব শেষ। তখন পুড়িয়ে দেওয়া হোক, কবর দেওয়া হোক অথব পানিতে ভাসিয়ে দেওয়া সেসব গুরুত্বপূর্ণ নয়।

মন্তব্য ২২ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (২২) মন্তব্য লিখুন

১| ২৬ শে এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৩:৪৭

ঢাকার লোক বলেছেন: "আসলে ধার্মিকেরা মগজহীন হয়। ধর্ম তাদের মগজহীন করে রাখে। মাদ্রাসা থেকে বের হয় মগজহীনরা।"
এসব গার্বেজ না লেখলেই কি নয়? আপনি ধর্ম মানেন, বা না মানেন সে আপনার বিষয়, অন্য কারো কিছু যায় আসে না। যারা মানে তাদেরকে পাবলিকলি যাচ্ছে তাই বলা ঠিকনা, বিপদ ডেকে আনতে পারে, সেটুকু বুঝতে চেষ্টা করুন!

২৭ শে এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১১:৪৬

রাজীব নুর বলেছেন: কে বলল আমি ধর্ম মানি না?
আজও তো ফজরের নামাজ পড়লাম মসজিদে গিয়ে।

২| ২৬ শে এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৫:৫২

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: পুরাতন হাউকাউ ।

২৭ শে এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১১:৫৪

রাজীব নুর বলেছেন: একদম সঠিক বলেছেন।
ধর্ম তো নতুন কিছু না।

৩| ২৬ শে এপ্রিল, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৩৯

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:




ধার্মিক হওয়া জরুরী নয়। কোরআনের কোথাও ধার্মিক হওয়ার কথা লিখা নাই। আমি পাই নাই।

আমাদেরকে 'মুসলমান' হতে হবে। সেটাই যথেষ্ট।

২৭ শে এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ১২:০৩

রাজীব নুর বলেছেন: ''মুসলমান'' হওয়ার আগে ভালো 'মানুষ' হতে হবে। নইলে জীবনে কিছুই হওয়া যাবে না।

৪| ২৬ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ৮:১৩

নাহল তরকারি বলেছেন: আমরা কি মানুষ হতে পেরেছি?

২৭ শে এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ১২:০৪

রাজীব নুর বলেছেন: যারা সমাজে ক্যাচাল করে তারা মানুষ নয়। অমানুষ।
আমি আপনি যেহেতু ক্যাচাল করি না, তাই আমরা মানুষ।

৫| ২৬ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ৯:০১

আলামিন১০৪ বলেছেন: আপনার ধারনা ভুল

যে ভুল বিশ্বাস করে তাকে বুঝানো যায় না-

প্রতিটি প্রাণী শুধু না প্রতিপি বস্তু- প্রতিটি পদার্থ একপি নিয়ম মেনে চলে যাকে ধর্ম বলে
আপনার একটি মেয়ে আছে বোধ হয়-
আপনার পর্যবেক্ষণ ক্ষমতা যদি থাকত তাহলে আপনি বা আপনার স্ত্রী শেখানোর আগেই তার ভিতর সহজাত লজ্জা দেখতে পেতেন- একটি ছেলে শিশুর তুলনায় অনেক বেশিউ দেখতে পেতেন

আর ইসলাম ফিতরাতের উপর প্রতিষ্ঠিত-

যারা অজ্ঞ তারাই সহজে অবিশ্বাস করে

যারা বিজ্ঞানী তারা জানে কত স্বল্প, কত অসম্পূর্ণ আমাদের জ্ঞান-

আল্লাহ তাআলা অবিশ্বাসীদের সমস্ত আমল ধুলিকণায় পরিবর্তন করে দিবেন

২৭ শে এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ১২:১১

রাজীব নুর বলেছেন: ওকে। ধন্যবাদ।

৬| ২৬ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১১:০২

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:

ধার্মিক মানেই ভেড়া।
ভেড়ার কোনো বিবেক থাকে না।

২৭ শে এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ১২:১২

রাজীব নুর বলেছেন: সত্যিকারের মানুষ হতে হলে সব সময় বিবেকটাকে জাগ্রত রাখতে হয়।

৭| ২৭ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১:৪৪

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: পৃথিবীতে মানুষ এসেছে হাজার হাজার বৎসর পূর্বে
আর ধর্ম এসেছে , প্রয়োজনে এবং পাপীদের শায়েস্তা করা
ও মানব কল্যাণের জন্য ।

২৭ শে এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ১২:১৭

রাজীব নুর বলেছেন: ধর্ম আছে বলেই, লাখ লাখ লোক ধর্ম নিয়ে ব্যবসা করতে পারছে।

৮| ২৭ শে এপ্রিল, ২০২৬ ভোর ৬:৪০

শূন্য সারমর্ম বলেছেন:


আপনি কোনটা

২৭ শে এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ১২:১৭

রাজীব নুর বলেছেন: আমি কিছুই না। আমি শূন্য।

৯| ২৭ শে এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ১:৩৯

দপ্তরবিহীন মন্ত্রী বলেছেন: কয়দিন পর পর ভং ধরেন কেন?

২৮ শে এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৫:৪০

রাজীব নুর বলেছেন: ভং আমার মধ্যে নেই।

১০| ২৭ শে এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ২:৩২

শ্রাবণধারা বলেছেন: রবীন্দ্রনাথও তো ধার্মিক ছিলেন। আবার ধরেন বিভূতিভূষণ, বঙ্কিম এবং তলস্তয়। আমাদের মওলানা ভাসানী।

আমেরিকার রাজনীতিতেও খুব উচুমানের, জ্ঞানী একজন ধার্মিক রাজনীতিবিদ আছেন, তার নাম জেমস টালারিকো। তিনি টেক্সাসের ডেমোক্রাট প্রার্থি।

আপনাকে এসব বলা সময়ের অপচয় মাত্র, কেননা এসব বোঝার মত বুদ্ধি আপনার নেই!

২৮ শে এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৫:৪৩

রাজীব নুর বলেছেন: দেখেন যা ভালো মনে করেন।

১১| ২৭ শে এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৩:৩৭

কিরকুট বলেছেন: দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বড় সমস্যাগুলোর একটি হলো চরম অবস্থান নেওয়ার প্রবণতা। এখানে একদল মানুষ অতি মাত্রায় ধার্মিক হয়ে ওঠে, আর আরেকদল সমান মাত্রায় অধার্মিকতার চর্চা করে। এই দুই প্রান্তের মানুষের মধ্যে বিরোধ অনেক সময় এমন পর্যায়ে পৌঁছে যায়, যেখানে তারা পরস্পরের প্রতি সম্মান হারিয়ে ফেলে এবং আক্রমণাত্মক আচরণে লিপ্ত হয়।

এই সংঘাতের মাঝখানে পড়ে যায় সেইসব মানুষ, যারা নিজের বিশ্বাস ও জীবনযাপন নিয়ে শান্তিতে থাকতে চায়। তারা না কোনো পক্ষের চরমপন্থা চায়, না এই অকারণ দ্বন্দ্বে জড়াতে আগ্রহী। তবুও বাস্তবতা হলো, এই দ্বন্দ্বের প্রভাব থেকে তারা পুরোপুরি মুক্ত থাকতে পারে না। চারপাশের উত্তেজনা, বিভাজন এবং কাদা ছোড়াছুড়ি শেষ পর্যন্ত তাদের জীবনেও এসে লাগে, যদিও তারা তা একেবারেই চায় না।

সমস্যাটা শুধু মতভেদ নয়, বরং সহনশীলতার অভাব। যতদিন না ভিন্ন মতের মানুষকে মেনে নেওয়ার মানসিকতা তৈরি হবে, ততদিন এই অচলাবস্থা থেকেই যাবে।

১২| ২৮ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১:১৯

সোমহেপি বলেছেন: আমার মনেনহয় বিজ্ঞানীবহওয়া সহজ। ধার্মিক হওয়া আরো কঠিন। ধান্ধাবাজ হওয়া সহজতর।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.