নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মানুষের জীবন প্রতিদিন তার বেঁচে থাকার লাইসেন্স নবায়ন করে ।প্রকৃতি এটা নিয়ন্ত্রন করে,যেদিন নবায়ন হবেনা,সেদিন মৃত্যু অনিবার্য ।

স্বপ্নের শঙ্খচিল

আমার মনের মাঝে শঙ্খচিল ডানা মেলে প্রতিদিন,ভুলতে পারিনি সেই অভিমান আবার ফিরে আসা তোমার কাছে !

স্বপ্নের শঙ্খচিল › বিস্তারিত পোস্টঃ

মিথ্যাচার : একটি শক্তিশালী অস্ত্র

৩১ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১১:৪২

মিথ্যাচার : একটি শক্তিশালী অস্ত্র



আমরা ছোট বেলায় পড়েছি,
মিথ্যা বলা মহাপাপ, তা করলে কঠিন শাস্তি পেতে হয় ।

আর এখন জেনেছি , মিথ্যা বলা একটি অন্যতম কৌশল
যা দিয়ে প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করা যায় এবং হিরো হওয়া কোন ব্যাপারই না ।
তাহলে আমরা দেখি , বর্তমান প্রযুক্তি ব্যবহার করে কিভাবে আমাদের কাছে পরিবেশন করা হচ্ছে !

এইতো কিছুদিন পূর্বে দাভোসে এক ঘণ্টার বেশি সময় ধরে ট্রাম্প যে ভাষণ দিয়েছেন,
তাতে
১) ট্রাম্প বারবার দাবি করেছেন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মার্কিন সেনা গ্রিনল্যান্ডে ছিল, তারপর অ্যামেরিকা
আবার গ্রিনল্যান্ড ডেনমার্ককে ফিরিয়ে দেয়। ট্রাম্পের দাবি: ''আমরা ডেনমার্কের জন্য লড়েছি,আমরা তাদের বাঁচাবার জন্য লড়েছি ;
যুক্তরাষ্ট্র যা চাইছে তা হলো গ্রিনল্যান্ড নামে একটা জায়গা, কিন্তু যা আমরা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জার্মানি, ইটালি ও জাপানকে
হারাবার পর সবিনয়ে ডেনমার্কের কাছে ফেরত দিই।
ওটা আমাদের ছিল, আমরা আবার তা ওদের দিয়েছি।''
** ফ্যাক্ট চেক বলছে : তার একাধিক দাবি মিথ্যা বা বিভ্রান্তিকর,
অ্যামেরিকা কখনো ডেনমার্ককে বাঁচাবার জন্য কোনো সামরিক অভিযান করেনি।
১৯৪০ সালের ফেব্রুয়ারিতে নাৎসি জার্মানি ডেনমার্ক অধিকার করে, তখন ডেনমার্কের সরকারের
সঙ্গে গ্রিনল্যান্ডের সংযোগ ছিন্ন হয়। জার্মানি যাতে গ্রিনল্যান্ডের কৌশলগত অবস্থান ও তার খনিজ ব্যবহার না করতে পারে,
সেজন্য অ্যামেরিকা হস্তক্ষেপ করে এবং ওয়াশিংটনে ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূতের অনুমোদন নিয়ে তারা এই হস্তক্ষেপ করে।
অ্যামেরিকা সেখানে সামরিক ঘাঁটি তৈরি করে, এয়ারফিল্ড বানায়, আবহাওয়া কেন্দ্র গড়ে তোলে।
ঐসময় গ্রিনল্যান্ডে ডেনমার্কের নেতৃত্বাধীন আইল্যান্ড পেট্রোলের সঙ্গে নাৎসি বাহিনীর বিচ্ছিন্ন সংঘর্ষ চলছিল।
তবে নাৎসিরা কখনোই ডেনমার্ককে পুরোপুরি অধিকার করতে পারেনি।
অ্যামেরিকা এয়ার বেইস দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় গ্রিনল্যান্ডকে রক্ষা করেছিল,
কিন্তু তারা কখনোই এই এলাকা অধিকার করেনি। দ্বিতায় বিশ্বযুদ্ধের পর গ্রিনল্যান্ড আবার ডেনমার্কের অংশ হয়। ঠান্ডা যুদ্ধের সময় ডেনমার্কে মার্কিন কার্যকলাপ অব্যাহত থাকে। তারা সামরিক চুক্তি করে সেখানে একটি স্পেস বেস বানায়। কোনো সময়ই গ্রিনল্যান্ড নাৎসি জার্মানি পুরোপুরি অধিকার করতে পারেনি এবং যুক্তরাষ্ট্র তা পূণ:উদ্ধার করে ডেনমার্কের কাছে হস্তান্তর করেনি।

২) মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের দাবী : নিয়ন্ত্রণ না পেলে অ্যামেরিকা গ্রিনল্যান্ডকে রক্ষা করতে পারবে না?
"আমরা গ্রিনল্যান্ড চাইছি. যার মধ্যে আছে আইনগত মালিকানা ও অধিকার। আমরা ওদের রক্ষা করতে চাই,
তাই এটা দরকার। লিজের ভিত্তিতে রক্ষা করা সম্ভব নয়। তাই আইনি সন্পূর্ণ অধিকার দরকার।

**ফ্যাক্ট চেক বলছে : বক্তব্য বিভ্রান্তিকর ও সত্য এটা নয়
ডেনমার্কের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রর দ্বিপাক্ষিক চুক্তি আছে। তার ফলে ডেনমার্কের সম্মতিতে মার্কিন সেনা গ্রিনল্যান্ডে অপারেট করতে পারে। সামরিক সহযোগিতা থাকলে কোনো দেশকে রক্ষা করার জন্য মালিকানা বা অধিকারের দরকার হয়না।
ডেনমার্ক ও অ্যামেরিকার মধ্যে প্রতিরক্ষাচুক্তি আছে, তাছাড়া তাদের কাছে ন্যাটোর দায়বদ্ধতা আছে।
গ্রিনল্যান্ড হলো ডেনমার্কের অংশ। ন্যাটোর পাঁচ নম্বর অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, ন্যাটোর সদস্য কোনো একটা দেশ
আক্রান্ত হলে সেটাকে ন্যাটোর সব সদস্য দেশের উপর আক্রমণ বলে গণ্য করা হবে।

৩) মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলছেন : অ্যামেরিকা ন্যাটোর প্রায় সব খরচ দেয়।''আমি আসার আগে পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র ন্যাটোর
কার্যত পুরো খরচ দিতো। আমার মত হলো, আমরা ন্যাটোর একশ শতাংশ খরচ দিই।''

**ফ্যাক্ট চেক বলছে : বক্তব্য মিথ্যা ,বিভ্রান্তিকর ও সত্য এটা নয়
ন্যাটোর হিসাব হলো, ২০১৬ সালে ট্রাম্প মার্কিন প্রেসিডেন্ট হওয়ার আগে ন্যাটোর প্রতিরক্ষা খরচের ৭০ শতাংশ
আমেরিকা বহন করেছে । নিঃসন্দেহে এটা গুরুত্বপূর্ণ, তবে তা মোটেও একশ শতাংশ নয়।
ন্যাটোর সদরদপ্তর, প্রশাসনিক খরচের ২২ শতাংশ আমেরিকা বহন করে । বাকিটা অন্য সদস্য দেশগুলি দেয়।

৪) ন্যাটো নিয়ে ট্রাম্প আরো দাবি করেছেন, তার মধ্যে হলো :
"যুক্তরাষ্ট্র কখনোই ন্যাটো থেকে কিছু পায়নি, তারা শুধু খরচই করে গেছে"


**ফ্যাক্ট চেক বলছে : পরীক্ষা করে দেখা গেলো ঐতিহাসিক রেকর্ড ও বর্তমান তথ্যের সঙ্গে বক্তব্য মিথ্যা ,বিভ্রান্তিকর
ন্যাটোর ইতিহাসে প্রথমবার ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর অ্যামেরিকায় সন্ত্রাসবাদী হামলার পর ন্যাটো চুক্তির
প্রতিরক্ষা সম্পর্কিত পঞ্চম অনুচ্ছেদটি কার্যকর হয়। ফলে , জার্মানিসহ ন্যাটোর অন্য দেশগুলি অ্যামেরিকার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সামরিক মিশনে যোগ দেয়। এর মধ্যে ছিল, ইন্টারন্যাশনাল সিকিউরিটি অ্যাসিসটেন্স ফোর্স, অপারেশন এনডিওরিং ফ্রিডম এবং রেসোলিউট সাপোর্ট মিশন ইন আফগানিস্তান।
আফগানিস্তানে ২০ বছর জার্মান বাহিনী ছিল। জার্মান সরকারের হিসাব হলো, এর জন্য ২০২১ সালের অগাস্ট পর্যন্ত
১২ দশমিক তিন বিলিয়ন ইউরো খরচ হয়েছে। মিশনে অংশ নেয়া ৬০ জন জার্মান সেনা প্রাণ হারিয়েছেন।

৪) ট্রাম্পের দাবি : প্রায় সব উইন্ড টারবাইন চীন তৈরি করে। তা সত্ত্বেও চীনে আমি একটাও উইন্ড ফার্ম দেখিনি।
" ট্রাম্প আরো বলেন, চীন খুবই স্মার্ট, কারণ তারা বোকাদের কাছে উইন্ড টারবাইন বিক্রি করে, নিজেরা তা ব্যবহার করে না।

**ফ্যাক্ট চেক বলছে : ঐতিহাসিক রেকর্ড ও বর্তমান তথ্যের সঙ্গে বক্তব্য মিথ্যা ,বিভ্রান্তিকর

বিশ্বের দেশগুলির মধ্যে চীন সবচেয়ে বেশি উইন্ড এনার্জি উৎপাদন করে। মার্কিন এনার্জি ইনফরমেশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন(ইআইএ) জানিয়েছে, চীন ২০২৪ সালে ৫২১ গিগাওয়াট উইন্ড পাওয়ার তৈরি করে, যা বিশ্বের উৎপাদিত উইন্ড এনার্জির ৪০ শতাংশ।
ইআইএ জানিয়েছে, চীন রেকর্ড গতিতে উইন্ড ও সোলার এনার্জির সম্প্রসারণ করছে।
তবে মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন ও উইন্ড এনার্জির ব্যবহারের নিরিখে চীন এখনো অন্য কয়েকটি দেশের পিছনে আছে।
রিপোর্ট বলছে, ২০২৫ সালের প্রথমার্ধে চীনের মোট বিদ্যুতের ১২ শতাংশ এসেছে উইন্ড এনার্জি থেকে।
সবমিলিয়ে নবীকরণযোগ্য বিদ্যুতের পরিমাণ ছিল ২৩ শতাংশ এবং কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয়েছে ৫৬ শতাংশ।
জার্মানিতে ৬৪ শতাংশ বিদ্যুৎ এসেছে নবীকরণযোগ্য এনার্জি থেকে। যার মধ্যে উইন্ড এনার্জির পরিমাণ হলো ২৭ শতাংশ।


দেশের অবস্হা দেখুন :
............................................................
সনদে সম্মতি আছে এবার সংসদ নির্বাচনে কমপক্ষে ৫% নারী প্রতিনিধি থাকতে হবে
যাহারা নির্বাচনে অংশগ্রহন করবে ।


১) জামাত দাবী করছে তাদের এবার ৪৩% নারী কর্মী ও ভোটার আছে . তাহলে কতজন প্রার্থী আছে ?
১% ও মনোনয়ন দেন নাই । তাহলে সনদে স্বাক্ষর মিথ্যাচার কিনা ???
২) বি এন পি তারাও সনদে স্বাক্ষর করেছেন , কতজন নারী প্রার্থী আছে ?
আমার জানা মতে ৩% হতে পারে । তাহলে তাহারাও কি অঙ্ঘীকার ভঙ্গ করে নাই ?
৩) এন সি পি বলছে : গণভোটে হ্যাঁ ভোট দিন অথচ নিজেরা সনদ স্বাক্ষর করেন নাই !
আবার বলছে নূতন বন্দোবস্হ চাই, অথচ জামাতের পক্ষে কি ভাবে ভোট চাইছেন ?


===============================================================
এই নির্বাচনে সবাই অঙ্গীকার ভঙ্গ করে ভোট চাইছেন
নানান রকমের অঙ্গীকার করে
তাহারা দেশের জন্য সুখ,শান্তি, এনে দিবেন ।
------------------------------------------------------------------------------------------
অপেক্ষায় থাকলাম কবে এই মিথ্যাচার সমাপ্ত হবে
এবং
এই দেশ সত্যি কার অর্থে ঈমানদারের শ্পর্শে বরকতময় হয়ে উঠবে !!!

মন্তব্য ৮ টি রেটিং +৩/-০

মন্তব্য (৮) মন্তব্য লিখুন

১| ৩১ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১১:৪৫

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আপনি কি ভোট পর্যবেক্ষণ করেন নাকি ?

০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:০৭

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: ব্যক্তিগত পর্যায় থেকে দেখতে চেষ্টা করব,
যা অত্যন্ত কঠিন ও সবার বিরাগভাজন হবার সম্ভাবনা ৯৯%

..................................................................................
এই পরিবেশে সত্য কথা বলাও নিজের জন্য বিপদ ডেকে আনা
তাই গোপনীয়তা বজায় রেখে যতটা সম্ভব !
বি.এন.পি র অভিযোগ, জাল ভোটের জন্য ৪০ লক্ষ বোরখা বানানো হয়েছে
জাল ভোটের জন্য, এদের ঠেকাবেন কিভাবে ???

২| ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:১৯

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: জাল ভোট দেয়া এত সহজ না ; বিএনপি নামাজ পড়েই রেডি থাকবে । :)

০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:৩১

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: জাল ভোট দেয়া এত সহজ না
........................................................
আমি তো আশন্কা করছি এই জাল ভোট দেয়া নিয়ে
ঝামেলার সুত্রপাত হবে । যখন বলা হচ্ছিল জামাত ৪০/৫০ আসন পাবে,
এখন ১১ দলীয় জোট হবার পর তাদের খায়েশ ১৬০/১৭০ আসন দখল
করা , সেই লক্ষ্যে যখন যেমন দরকার , তেমন ব্যবস্হা নিবে ।
কোথাও মহিলা ভোট, কোথাও পোষ্টাল ভোট, কোথাও বিকাশে টাকা দিয়ে ভোট কেনা
কোনটা বাকী থাকবে ?
আর নারী ভোটারের বোরকায় থাকলে কি বুঝবেন ? নেকাবে হাত দিয়ে দেখিয়েন
তুলকালাম কান্ড ঘটে যাবে ।

৩| ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ভোর ৬:১৬

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



পোস্টটি পাঠে মনে পড়ে গেল ”বিচার মানি তাল গাছ আমার” এই প্রবাদটির কথা যা মূলত এমন এক
মানসিকতা ও আচরণকে নির্দেশ করে, যেখানে ব্যক্তি বা শক্তিধর পক্ষ বিচার, যুক্তি বা আলোচনার ভান
করলেও সিদ্ধান্ত আগেই নিজের স্বার্থে চূড়ান্ত করে রাখে।

এই প্রবাদটির সাথে ডোনাল্ড ট্রাম্পের গ্রীনল্যান্ডকে আমেরিকার নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার দাবির একটি স্পষ্ট সাদৃশ্য
লক্ষ্য করা যায়। গ্রীনল্যান্ড একটি স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল, যা ডেনমার্কের অধীনে থাকলেও তার নিজস্ব জনগণ,
সংস্কৃতি ও রাজনৈতিক পরিচয় রয়েছে। আন্তর্জাতিক আইন, জাতিসংঘ সনদ এবং রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্বের
নীতিমালা অনুযায়ী কোনো ভূখণ্ড “কেনা” বা একতরফাভাবে অধিগ্রহণ করার ধারণা আধুনিক বিশ্বব্যবস্থায়
প্রায় অগ্রহণযোগ্য। তবুও ট্রাম্পের বক্তব্যে গ্রীনল্যান্ডকে কৌশলগত ও অর্থনৈতিক সম্পদের দৃষ্টিকোণ থেকে
এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়, যেন স্থানীয় জনগণের মতামত বা আন্তর্জাতিক সম্মতির বিষয়টি গৌণ।

এখানেই “বিচার মানি তাল গাছ আমার” প্রবাদটির প্রাসঙ্গিকতা গভীরভাবে প্রতিফলিত হয়। ট্রাম্প প্রশাসনের
যুক্তিতে নিরাপত্তা, ভূরাজনীতি ও অর্থনৈতিক স্বার্থের কথা বলা হলেও মূল সিদ্ধান্তটি ছিল শক্তিধর রাষ্ট্রের
সুবিধাকে সর্বাগ্রে রাখা। গ্রীনল্যান্ডের জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার, ডেনমার্কের সার্বভৌমত্ব কিংবা
আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক শিষ্টাচার এসব বিষয় কার্যত উপেক্ষিত ছিল। বিচার বা যুক্তির কাঠামো থাকলেও
ফলাফল যেন আগেই নির্ধারিত: শক্তির মালিকই শেষ কথা বলবে।

সার্বিকভাবে বলা যায়, এই প্রবাদ এবং গ্রীনল্যান্ড ইস্যু উভয়ই আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে ক্ষমতা যখন
নৈতিকতা ও আন্তর্জাতিক নিয়মের ঊর্ধ্বে নিজেকে স্থাপন করে, তখন বিচার প্রক্রিয়া প্রতীকী হয়ে পড়ে।
“বিচার মানি” বলা হলেও বাস্তবে সিদ্ধান্ত হয় “তাল গাছ আমার”এই বাস্তবতাই আধুনিক আন্তর্জাতিক
রাজনীতির এক নির্মম, কিন্তু শিক্ষণীয় দিক।

আমাদের দেশের দিকপালদের মিথ্যা কথার পশার নিয়ে লিখতে গেলে সামুর সীমাবদ্ধ পাতায় কুলাবেনা ।
যাহোক, মিথ্যার খেল দেখা ছাড়া উপায় নেই , সেই বিখ্যাত/কুক্ষাত কথাটাই মনে পড়ে যায় খেলা খেলা হবে।
এখন খেলা রাম খেলে যা, ছাড়া বলার আর কিছু নেই । দেখা যাক খেলায় কে কাকে গৌল দেয় !!!

শুভেচ্ছা রইল

০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:১৪

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন:

কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি দাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের এক অনুষ্ঠানে তার বক্তৃতার জন্য বিশ্বব্যাপী শিরোনামে এসেছিলেন, যেখানে তিনি পরোক্ষভাবে যুদ্ধ-পরবর্তী বিশ্ব ব্যবস্থায় "ভাঙনের" জন্য ট্রাম্পকে আহ্বান জানিয়েছিলেন।
......................................................................................................................................................
মার্ক কার্নি মাসের শেষের দিকে, চীন সফর করেন যেখানে তিনি বেইজিংয়ের সাথে
একটি "কৌশলগত অংশীদারিত্ব" ঘোষণা করেন এবং কিছু শুল্ক কমাতে সম্মত হন।

ফলে ট্রাম্প ক্ষিপ্ত হয়ে হুমকিতে বলেন যে ,
চীনের সাথে বাণিজ্য চুক্তি করলে কানাডিয়ান পণ্যের উপর ১০০% শুল্ক আরোপের ব্রবস্হা নিবেন।
মার্কিন সংস্থা গালফস্ট্রিমের তৈরি বেশ কয়েকটি বিমানকে প্রত্যয়িত করতে অস্বীকৃতি জানানোর প্রতিশোধ
হিসেবে কানাডিয়ান বিমানের উপর ৫০% শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছেন।
কানাডার বিরুদ্ধে ট্রাম্পের সর্বশেষ হুমকি এমন এক সময়ে এসেছে যখন প্রতিবেশী দেশগুলির মধ্যে উত্তেজনা তীব্র হচ্ছে।
বর্তমানে তিনি আবার কিউবাকে হুমকি দেয়া শুরু করেছেন ।
ট্রাম্প কিউবার বিরুদ্ধে তার প্রচারণা অব্যাহত রেখেছেন, ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জের দেশটিতে তেল সরবরাহকারী দেশগুলির উপর শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছেন।

মঙ্গলবার ট্রাম্প বলেন যে কিউবা "খুব শীঘ্রই পতন হবে", কারণ দীর্ঘদিনের মিত্র ভেনেজুয়েলা ৩ জানুয়ারী মার্কিন বাহিনী কর্তৃক রাষ্ট্রপতি নিকোলাস মাদুরোকে আটক করার পর থেকে আর দেশে তেল বা অর্থ পাঠায় না। পূর্বে, দক্ষিণ আমেরিকার এই দেশটি প্রতিদিন কিউবায় প্রায় ৩৫,০০০ ব্যারেল তেল পাঠায় বলে মনে করা হয়েছিল।বৃহস্পতিবার এক নির্বাহী আদেশে ট্রাম্প বলেন, "কিউবা সরকারের নীতি, অনুশীলন এবং কর্মকাণ্ড একটি অস্বাভাবিক এবং অসাধারণ হুমকি"।
তিনি হাভানাকে "মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিপজ্জনক প্রতিপক্ষদের" আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগও করেন।
ট্রাম্প এর আগে কিউবাকে "অনেক দেরি হওয়ার আগেই একটি চুক্তি করতে" নির্দেশ দিয়েছিলেন,
যদিও তিনি চুক্তির শর্তাবলী বা দ্বীপরাষ্ট্রটি কী পরিণতির মুখোমুখি হতে পারে তা নির্দিষ্ট করে বলেননি।

ঐ সময়, কিউবার রাষ্ট্রপতি মিগুয়েল দিয়াজ-ক্যানেল বলেছিলেন যে ওয়াশিংটনের তার দেশের উপর কোনও চুক্তি চাপিয়ে দেওয়ার কোনও নৈতিক অধিকার নেই।ট্রাম্প প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞাপ্রাপ্ত ভেনেজুয়েলার তেল ট্যাংকার বাজেয়াপ্ত করার কৌশল ইতিমধ্যেই কিউবায় জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকটকে আরও খারাপ করতে শুরু করেছে।
দেশটি ক্রমাগত বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সম্মুখীন হয়েছে, কিউবানরা নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ সরবরাহ ছাড়া
তা মোকাবেলা করতে হিমশিম খাচ্ছে।
কিউবার সরকার জানিয়েছে যে ভেনেজুয়েলার নেতা নিকোলাস মাদুরোকে আটক করার জন্য মার্কিন অভিযানের
সময় তাদের ৩২ জন নাগরিক নিহত হয়েছেন। উক্ত অভি যানে সর্বমোট ৮০জন মারা গিয়েছে এমন তথ্য জানা
যায়, অথচ ট্রাস্প বলছে কিছুই হয় নাই ।
তার নিজস্ব ট্রুথ সোস্যাল মি ডি য়া একটি "মিথ্যার যাদুর বাক্সে " পরিনত হয়েছে ।

কিউবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্রুনো রদ্রিগেজ সম্প্রতি বলেছেন যে ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জের "মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একতরফা বলপ্রয়োগমূলক পদক্ষেপের হস্তক্ষেপ বা অধীনতা ছাড়াই" যেকোনো ইচ্ছুক রপ্তানিকারক থেকে "জ্বালানি আমদানির সম্পূর্ণ অধিকার" রয়েছে।






৪| ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৭:১৩

ক্লোন রাফা বলেছেন: গোয়েবলসের মিথ‍্যা ব‍্যবহার করে জার্মানির হিটলারের নাৎসি বাহিনি। জর্জ জুনিয়র বুশ মিথ‍্যা ব্যবহার করে ইরাক ধ্বংস করে। সবশেষ জেলোনস্কির মিথ্যা ইউক্রেনের ধ্বংস ডেকে এনেছে।
তাহলে সারমর্ম কি দাঁড়ায়! মিথ্যা শুধু ধ্বংস ডেকে আনে। আখেরে সত্য প্রকাশিত হয়েই যায়।

০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:৩৭

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: জেলোনস্কির মিথ্যা ইউক্রেনের ধ্বংস ডেকে এনেছে।
...................................................................................
ইউরোপ এখন বুঝতে পারছে, ট্রাম্প তাদের কোন বিপদে নিয়ে
যাচ্ছে । ট্রাম্পের মিথ্যার কিছু কিছু প্রতিবাদ করা শুরু করেছে ।
যদি ও ইউরোপীও ইউনিয়ন বিভিন্নভাবে আমেরিকার কাছে
দ্বায়বদ্ধ, তথাপি চেষ্টা করছে ট্রাম্পের পাগলামী থামাতে ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.