| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আজও সমুদ্রের পারে ছেলেটাকে দেখলো রুদ্রাণী |
একসপ্তাহ হতে চলেছে ও ঘুরতে এসেছে কক্সবাজারে | ঠিক ঘুরার জন্য বললে ভুল হবে রুদ্রাণী একজনের খোজে এসেছিলো এখানে |
একমাস আগে যখন ওর দাদী মারা যান তখন রুদ্রাণী এক অবাক করা ঘটনা জানতে পারে সেটার সত্যতা জানতেই ওর এখানে আসা |
কিন্তু এখানে আসার পর রুদ্রাণী আর কোন আগ্রহ নেই ঐ বিষয়ের উপর | কারণ ওর মন হঠাৎ নিজ থেকে বলে উঠলো এই সাগরের পারে দাড়িয়ে থাকার পর " থাক না রুদ্রাণী মৃতমানুষের গোপণ রহস্য না হয় গোপণ থাক এই সাগরের গভীরের রহস্যর মতো |
তাই রুদ্রাণী ঠিক করেছে এই এখানে সে কয়েকদিন একায় থাকবে জীবনের সকল বাস্তবতাকে এই কয়েকদিন সে মনে করবে না |
কিন্তু এখানে প্রথম যেদিন সে এসেছিলো সেদিন থেকেই এই ছেলেটাকে সে রোজ দেখে ....
ছেলেটা সবসময়ই আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকে আকাশে কি যেন খুজে সবসময়ই |
রুদ্রাণী রোজ ভাবে জিগাস করবে ছেলেটাকে এতো মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে আকাশে কি দেখে | কিন্তু ঠিক কেনজানি সাহস হয়ে ওঠে না বলার |
আজ শেষ বারের মতো সাগরপারে এসেছে রুদ্রাণী রাতে সে বাড়ি ফিরে যাবে | আজও ছেলেটা একই জায়গায় দাড়িয়ে আকাশ দেখছে |
- এই যে শুনতে পাচ্ছেন?
আচ্ছা রোজ আকাশে কি খোজের আপনি ??
- কিছু না তুমি কি আজ চলে যাবে?
রুদ্রাণী প্রচন্ড অবাক হলো সে চলে যাবে সেটা এই ছেলেটা জানে কিভাবে |
রুদ্রাণী তবু নিজেকে শান্ত রেখে জবাব দিয়ে হ্যা......
- কি অবাক হচ্ছো ???
- হু কিছুটা |
-আমি অরন্য | কি মনে পরে আমার কথা |
- ভুলে কি গিয়েছিলাম কখনো যে নতুন করে মনে করতে হবে |
- তাইতো .......
রুদ্রাণী আমাদের ফেরার সময় হয়েছে তুমি হইতো জানো কোথায় |
অরন্যের কথা শুনে রুদ্রাণীর কি যেন হলো ও নিজের ইচ্ছা মতো আর কিছু করতে পারছে না |
তার পুরো ব্রেন কারও অর্ডার শুনছে |
অরন্য রুদ্রাণীর চোখের দিকে তাকাতেই রুদ্রানীর মনে হচ্ছিলো তার ভিতরের সমস্ত অস্তিত্বকে কেউ শুষে নিচ্ছে |
চোখ খুলে রুদ্রানী নিজেকে সাগর পানিতে আবিষ্কার করলো | হাজার হাজার ঢেউ এর মাঝে রুদ্রাণী দাড়িয়ে আছে পানির উপরে | চারদিকে অথই পানি |
-ভয় করছে তোমার রুদ্রাণী ?
- না অরন্য ......
-রুদ্রাণী তুমি কি জানো কষ্টের রং কি ?
- না অরন্য ...
- কষ্টের রং নীল ....তুমি হলে সেই নীল |
- আমি কষ্ট?
- হ্যাঁ তুমি কষ্ট ....তোমার এই কষ্টের নীলে এই মেঘাচ্ছন্ন কালো আকাশ নীলে পরিপূর্ণ করবো আমি |
রুদ্রাণীর ভীষণ ভয় করছিলো ও কিছুই বুঝতে পারছিলো না অরন্যর কথা |
কিছুকাল পর আকাশের কালো মেঘ সরে যেতে শুরু করলো আর আকাশে স্বচ্ছ নীল আভা আসতে শুরু করলো |
রুদ্রাণী অরন্যার চোখের দিকে তাকিয়ে আছে হঠাৎ করে অরন্যের চোখের মনি আসমানী নীল হতে শুরু করলো |
রুদ্রাণীর জীবনের প্রতিটিক্ষন পূনরাবৃত্তি হতে শুরু করলো |
আজ অবধি ও কখনো হাসেনি | পুরো জীবনটা রুদ্রাণীর কষ্টের নীলে ঢাকা |
পুরো আকাশ নীলে পূর্ণ হলো রুদ্রানীর মারা গেলো | ওর জীবনের সমস্ত নীল আকাশ নিয়ে নিয়েছে |
অরন্য আবার দাড়িয়ে আছে সাগরপাড়ে ....
আবার কোন কষ্টকন্যার খোজে |
স্বতন্দ্রা রোজ ছেলেটাকে দেখে আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকতে! !!!!!
২|
১৮ ই অক্টোবর, ২০১৫ দুপুর ১২:৫৬
চন্দ্রাহত মৃন্ময়ী বলেছেন: প্রকৃতির কিছু কিছু বিষয় রহস্যে ঘেরা .....
অরন্য ..রুদ্রাণী ...স্বতন্দ্রা এবার সবাই প্রকৃতির অংশ ...আর প্রকৃতির উপর কখনো কোন প্রশ্ন হয় না শুধু দেখতে হয় কারণ সময় এলে প্রকৃতি ঠিক তার রহস্য নিজেই উম্মোচন করে.....
৩|
১৯ শে অক্টোবর, ২০১৫ রাত ১:০০
সুমন কর বলেছেন: আপনি যখন অন্য কারো'র মন্তব্যের প্রতি উত্তর দিবেন। তখন নিচের ছবির মতো সর্ববাম পাশের এ্যারোতে ক্লিক করে জবাবটির উত্তর দিবেন। তাহলে উনি জানতে পারবেন।

১৯ শে অক্টোবর, ২০১৫ দুপুর ১:২০
চন্দ্রাহত মৃন্ময়ী বলেছেন: ধন্যবাদ ভাইয়া শিখানোর জন্য ....
৪|
১৯ শে অক্টোবর, ২০১৫ দুপুর ১:৪৯
আমিনুর রহমান বলেছেন:
বুঝি নাই। আপনার গল্পে কিছু বানান সম্ভবত টাইপিং মিস্টেক হয়েছে। আর এক জায়গায় ২টি শব্দ একত্রে হয়ে গেছে।
রহস্যময় গল্পে ভালো লাগা।
১৯ শে অক্টোবর, ২০১৫ বিকাল ৪:৩৭
চন্দ্রাহত মৃন্ময়ী বলেছেন: ধন্যবাদ ....ভুল ধরিয়ে দেবার জন্য
©somewhere in net ltd.
১|
১৮ ই অক্টোবর, ২০১৫ সকাল ১১:২৫
গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: ''শেষ হইয়াও হইলনা শেষ'' চমৎকার !
অরন্য'র পরবর্তী 'কষ্টকন্যা' স্বতন্দ্রা , অরণ্যটা কে ?
রুদ্রাণী অরণ্যর কথায় সন্মোহিত হল কেন ? স্বতন্দ্রা'ও কেন হবে ?
গল্প ভাল হয়েছে ।