| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবীতে প্রধানমন্ত্রীকে যে স্বারকলিপি দেওয়া হয়েছে তা জনসমক্ষে প্রকাশের দাবী জানাচ্ছি। আমরাও জানতে চাই সেখানে কি লেখা হয়েছে । এই আন্দোলন শুধু ব্লগারদরে নয়, এই আন্দোলন বাংলার জনগণরে। তাই সবার জানা দরকার সবার আশার প্রতিফলন হয়েছে কিনা।
২|
১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ১:৪৬
আহমেদ সাব্বির বলেছেন: ধন্যবাদ।
©somewhere in net ltd.
১|
১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ৯:৩৬
রনী মুরাদ বলেছেন: আজ বিকাল ৩টায় গণজাগরণ মঞ্চ হতে জাতীয় সংসদের মাননীয় স্পিকারের কাছে কাদের মোল্লাসহ সকল যুদ্ধাপরাধীর ফাঁসি, ট্রাইব্যুনালের আইন সংশোধন ও জামাত-শিবিরসহ ধর্মভিত্তিক সকল রাজনৈতিক দল আইন করে নিষিদ্ধ করার ৬ দফা দাবিতে স্মারকলিপি পেশ করা হয়। গণজাগরণ মঞ্চের সংগ্রামীদের পক্ষে এই স্মারকলিপি পেশ করেন ডা: ইমরান এইচ সরকার।
৬ দফা দাবিসমূহ নিম্নরূপ-
১. অবিলম্বে কাদের মোল্লাসহ একাত্তরের ঘাতক দালাল সকল যুদ্ধাপরাধীদের আইনের আওতায় সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড দিতে হবে।
২. কাদের মোল্লার বিচারের রায়ের প্রেক্ষিতে আমাদের দাবি আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে বিবাদীপক্ষের মত রাষ্ট্রপক্ষও যাতে সর্বোচ্চ শাস্তির জন্য আপিল করতে পারে। এ সুযোগ অবারিত করার লক্ষ্যে বিদ্যমান আইনের প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনার জন্য আপনার মাধ্যমে মহান জাতীয় সংসদের কাছে দাবি জানাচ্ছি। বাদী পক্ষের যথেষ্ট তথ্য প্রমাণ উপস্থাপন করা, আপীল বিভাগ সর্বোচ্চ তিন মাসের মামলার রায় নিশ্চিত করা এবং বিশেষ ট্রাইব্যুনালের ক্ষেত্রে রাষ্ট্র পক্ষের সাধারণ ক্ষমা ঘোষণার বিধান রহিত করার আবেদন জানাচ্ছি।
৩. বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মহাকাব্যিক মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতাকারী এবং যুদ্ধাপরাধের জন্য দায়ী পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সহযোগী জামাত- শিবিরসহ ধর্মের নামে রাজনীতি নিষিদ্ধ করতে হবে। দেশে গৃহযুদ্ধের হুমকি দিয়ে জামাত শিবির যে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অপরাধ করেছে, ভিডিও ফুটেজ ও সংবাদপত্রের ছবি দেখে তাদের চিহ্নিত করে অবিলম্বে গ্রেফতার ও কঠোরতম শাস্তি দিতে হবে।
৪. যেসব রাজনৈতিক দল, শক্তি, ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান যুদ্ধাপরাধীদের রক্ষার চেষ্টা করছে, যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের বিরোধিতা করছে এবং তাদের সাথে আঁতাত করছে, তাদেরও আইনের আওতায় এনে বিচার করতে হবে।
৫. পঁচাত্তরের পরে সাজাপ্রাপ্ত ও বিচারাধীন যে সমস্ত যুদ্ধাপরাধী রাজাকার আলবদরকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে তাদের সকলকে পুনরায় গ্রেফতার করতে হবে এবং আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালে বিচারের আওতায় আনতে হবে।
৬. যুদ্ধাপরাধীদের বিভিন্ন ব্যবসায়ী, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান, ইসলামী ব্যাংক, ইবনে সিনা, ফোকাস, রেটিনা কোচিং সেন্টারসহ সকল প্রতিষ্ঠান নিষিদ্ধ করতে হবে। জামাত- শিবিরের দেশি- বিদেশি সকল প্রকার আয়ের উৎস খুঁজে বের করে বন্ধ করতে হবে। যুদ্ধাপরাধীদের গণমাধ্যম যেমন- দিগন্ত টিভি, দৈনিক নয়া দিগন্ত, দৈনিক আমার দেশ, দৈনিক সংগ্রাম, সোনার বাংলা ব্লগ প্রভৃতি নিষিদ্ধ করতে হবে।