নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

...যুদ্ধ নয়, শান্তি চাই...

স্বপ্ন নিয়ে বেঁচে আছি...

অ্যাডলফ হিটলার

নিজে আড়ালে থেকেও আলোতে আনতে চাই সত্যটাকেই...

অ্যাডলফ হিটলার › বিস্তারিত পোস্টঃ

আরিফ জেবতিক - আপনিও আসিফ নজরুল হবেন না তো?

১৫ ই মে, ২০১৩ বিকাল ৪:০৮

আরিফ জেবতিক ওরফে ফেসবুক কিংবদন্তি – গত বেশ কয়েকদিন ধরেই আপনাকে বেশ সক্রিয় দেখছি শাহবাগ আর গণজাগরণ মঞ্চের হোমরা-চোমরাদের সাথে। আন্দোলনের শুরুর দিকে আপনার ‘ধরি মাছ না ছুঁই পানি’ টাইপ ভূমিকার সাথে বেশ বেমানান না এই সাম্প্রতিক সক্রিয়তা? এককালের ছাত্রদল ক্যাডার, ইলিয়াস আলীর ক্লোজহ্যাণ্ড গণজাগরণ মঞ্চ দাপিয়ে বেড়াচ্ছে, যেখানে তার ম্যাডাম স্বয়ং এর বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন!



আসিফ নজরুল – এক পতিত বুদ্ধিজীবীর নাম। বিতর্কিত ভূমিকার জন্য ঢাবির এই শিক্ষকের নামে শাহবাগ থেকে ‘তুই রাজাকার’ স্লোগান উঠেছিল একসময়। সেই স্লোগানে কিছুদিন দমে যাবার পর ইদানীং আবার টকশোতে মুখ চালাতে শুরু করেছেন। এই আসিফ নজরুল এককালে ডাকসাইটে ছাত্রদল নেতা ছিলেন। তারপর মাথায় চাপল সুশীলতার ভূত। যোগ দিলেন সাপ্তাহিক বিচিত্রায়। ব্যক্তিগত সংযোগ কাজে লাগিয়ে অল্প কয়েকদিনের মধ্যে মিশে গেলেন সুশীল সমাজের ভীড়ে। বিএনপি তখনো এতটা নির্লজ্জভাবে জামাতের কোলে চড়ে বসে নি। ছাত্রদলের জামাত-বিরোধীতা ছিল সুস্পষ্ট। তাই কোন প্রশ্ন উঠে নি যখন সেই নব্য সুশীল আসিফ নজরুল যোগ দিলেন শহীদ জননী জাহানারা ইমামের গণ আদালতে। তরুণ উদ্যমী এই সুশীলকে বিশ্বাস করে কাছে টেনে নিয়েছিলেন সবাই। তারপর গোলাম আযমের মামলায় কেউ যখন বিবাদীপক্ষে দাঁড়াতে চাইছিল না, তখন আসিফ নজরুল সেইস্থানে নিযুক্ত হল। কিন্তু গণ আদালত নিযুক্ত ‘ডিফেণ্ডার’ থেকে আসিফ নজরুল যে মনে প্রাণে গোলাম আযমের ‘ডিফেণ্ডার’ এ পরিণত হবেন, সে কথা তখন কে বা ভাবতে পেরেছিল?



আরিফ জেবতিক নব্বই দশকে ছাত্রদল করতেন, পকেটে পিস্তল নিয়ে ঘুরে বেড়াতেন সে কথা বাংলাব্লগ সংশ্লিষ্টদের কাছে খুব একটা নতুন কোন তথ্য নয়। তার পরবর্তী জীবনে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষে ভূমিকা, এ-টিমে অবস্থান বিবেচনায় অতীত ভুলে বর্তমানকে স্বাগত জানিয়েছেন সকলে। কিন্তু ইলিয়াস আলীর প্রেম তিনি ভুলতে পারেন নি। সন্ত্রাসের হোলিখেলার মধ্য দিয়ে যে ইলিয়াস আলীর উত্থান তাকে নিয়ে এখনো তিনি আবেগপ্রবণ নোট প্রসব করেন। তিনি ব্লগে, ফেসবুকে যতটা লেখেন মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে বিচারের পক্ষে, তার চেয়ে বেশি কপচান সুশীলতার বুলি। ছাগু আর্জেল, আরিফার হোসেন কাউকে নিয়ে তার কোন চুলকানি নেই। আবার ইমরান, পিয়ালদের সাথে তার সখ্য। আইজূর ব্যাপারে মধ্যপন্থী। আন্দোলনের অনেক পরে এসে গণজাগরণ মঞ্চের জাতীয় প্রতিনিধি সম্মেলনে সঞ্চালনা করেন তিনি। আবার ফেসবুকে নানা সিদ্ধান্তের সমালোচনাও করেন। পুরোদস্তুর সুশীল আমাদের এই ফেসবুক কিংবদন্তি।



সুশীলতাকে বড় ভয়। ঘর পোড়া গরু সিঁদুরে মেঘ দেখে ভয় পায়। আরিফ জেবতিক – আপনিও আসিফ নজরুল হবেন না তো?

মন্তব্য ৫ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৫) মন্তব্য লিখুন

১| ১৫ ই মে, ২০১৩ বিকাল ৪:২৬

একাকী_পথিক বলেছেন: bhai direct kotha bolen na ken?? arif jebotik..apni awami company r pa chata bondho kore diben na to?? ei deshe abar awami pa na chatle shushil hoya jay na.... shocchotar dabi tulle chagu tag khaite hoy!! direct kotha kon...pechan keno?

২| ১৫ ই মে, ২০১৩ বিকাল ৪:২৯

বাংলামায়ের ছেলে বলেছেন: কিয়ের মইধ্যে কি? যত্তসব

৩| ১৫ ই মে, ২০১৩ বিকাল ৪:৫৭

নষ্ট ছেলে বলেছেন: আওয়ামী লীগের পা চাটা ছাড়া বাংলাদেশে কুনু দেশপ্রেমিক নাই!

৪| ১৫ ই মে, ২০১৩ বিকাল ৫:১০

কাঙ্গাল মুরশিদ বলেছেন: নষ্ট ছেলে বলেছেন: আওয়ামী লীগের পা চাটা ছাড়া বাংলাদেশে কুনু দেশপ্রেমিক নাই!

৫| ১৫ ই মে, ২০১৩ রাত ১০:৪৮

হাসির মানুষ বলেছেন: গনজাগরনই এদেশের সবচেয়ে ভয়াবহ সফল এবং বৃহত্তম আন্দোলন। ৫০-৬০ জন সরকারী তেলে ঝোলে থাকা লোকের আন্দোলন বলে কথা। তাদের আবার নেতা ইমরান সরকার। পানজাবীওয়ালা। মডেল। সারাদিন শাহবাগে পড়ে থেকে প্রতিদিন নতুন নতুন পানজাবী গায়ে চড়ায়। এ যুগের চে গুয়েভারা।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.