নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সাহসী সত্য।এই নষ্ট দেশ-জাতি-সমাজ পরিবর্তনের প্রচেষ্টাকারী একজন নিস:ঙ্গ যোদ্ধা।বাংলাদেশে পর্বত অরোহণের পথিকৃত।

অনল চৌধুরী

লেখক,সাংবাদিক,গবেষক,অনুবাদক,দার্শনিক,তাত্ত্বিক,সমাজ সংস্কারক,শিক্ষক ও সব অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী যোদ্ধা

অনল চৌধুরী › বিস্তারিত পোস্টঃ

এক নষ্ট ও নীচের হীনমণ্যতার নিদর্শন

০৯ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ৩:৪০




নোংরা ও নীচ শ্রেনীর লোকরা কোনদিক দিয়েই যোগ্য বা সফল হতে পারে না।এই আক্রোশে তারা সবসময় সফল ব্যাক্তিদের ছোটো করে আনন্দ পায়।

এরকম বহু নীচদের ষ্ট্যামফার্ডে চলচ্চিত্র নিয়ে পড়ার সময় পেয়েছিলাম, এমএ ’র ছাত্র হওয়ার পরও যাদের আচরণ ছিলো রাস্তার টোকাইয়ের মতো।

এদের মধ্যে গ্রাম আর শহরের নীচ স্তর থেকে আসারা যেমন ছিলো,তেমনই ছিলো জীবনে চলচ্চিত্র বানানো দূরে থাক, কোনদিন ৫ সেকেন্ডের একটা ভিডিওচিত্রও না বানিয়ে ধীমান দাস গুপ্তের বই পড়ে নিজেকে চলচ্চিত্র বিষয়ে ‘‘ মহাপন্ডিত সমালোচক ’’ ভাবা এক চরম বেয়াদব, যে শিক্ষকদের সম্বোধন করতো অশিক্ষিত,বর্বর,আর ‘‘শালা’’ বলে।

কামালউদ্দিন নামে এরকম আরেক নীচকে দেখা যাচ্ছে ,যে ষ্ট্যালিনের পায়ের ধূলার যোগ্য হতে না পারলেও তাকে সবচেয়ে নিকৃষ্টভাবে হেয় করা জন্য মঞ্চনাটক বানিয়েছে। কোনো তথ্য-প্রমাণ ছাড়াই ষ্ট্যালিনকে লম্পট,চরিত্রহীন দেখিয়ে নিজেকে ইতর প্রমাণিত করে তার প্রভূদের খুশী করেছে।এমনকি পৃথিবীর সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বিপ্লবী, প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠাতা লেনিনকেও অপমাণ করা হয়েছে এই নাটকে।

ষ্ট্যালিন সেই ব্যাক্তি যিনি ক্ষমতা নেয়ার মাত্র বিশ বছরের মধ্যে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নকে শুধু পৃথিবীর সবচেয়ে বড় পরাশক্তিতে পরিণত করেন নি,দেশ থেকে দারিদ্র,বেকারত্ব,অশিক্ষা নির্মূল আর পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথমবারের মতো পুনর্বাসনের মাধ্যমে পতিতাবৃত্তি উচ্ছেদ করে নজীরবিহীন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন। বিজ্ঞান-প্রযুক্তির চূড়ান্ত উন্নয়ন আর মহাশূণ্যে প্রথমবারের মতো কুকুরও পাঠানো হয়েছিলো তারই আমলে। তাদের মহাকাশ কর্মসূচী এ্যামেরিকার চেয়ে অনেক এগিয়ে ছিলো। তারাই প্রথম মহাকাশে কৃত্রিম উপগ্রহ আর নারী-পুরুষ পাঠায়।

লেনিনের অকাল মৃত্যুর পর শক্তিশালী পূজিবাদী রাষ্ট্রগুলির বিরুদ্ধে একা লড়াই করে তিনিই সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবকে রক্ষা করেছিলেন।

১৯৪২ সালে অনাক্রমণ চুক্তি ভঙ্গ করে প্রাং সাড়ে তিন লাখ সৈন্য আর পৃথিবীর সর্বাধুনিক অস্ত্র নিয়ে জার্মানী সোভিয়েট ইউনিয়নকে পৃথিবীর মানচিত্র থেকে বিলুপ্ত করার উদ্দেশ্যে আক্রমণ করলে তার একক নেতৃত্বেই লাল ফৌজ হিটলারের ভয়ংকর নাৎসী বাহিনীকে পরাজিত করে মানবসভ্যতাকে রক্ষা করেছিলো। যেটা না করলে শুধু জার্মানরা ছাড়া ইউরোপ-এ্যামেরিকা,এশিয়া আর আফ্রিকার সবদেশের মানুষের অবস্থা হতো হিটলারের বন্দীশিবিরের গ্যাস-চেম্বারে নিহত ইহুদীদের মতো।

বিশ্বযুদ্ধের পর চার্চিল নাৎসীদের কোন বিচার ছাড়াই গুলি করে হত্যা করতে চেয়েছিলো।কিন্ত ষ্ট্যালিনের বাধার কারণেই তাদের প্রত্যেককে ন্যুরেমবার্গ আদালতে বিচার করা হয়,যে বিচার কোথাও নাৎসী অপরাধী পাওয়া গেলে এখনো চলছে।

হিটলার,মুসোলিনী,ফ্রংকো,মবুতু,মার্কোস,ইয়াহিয়া,এরশাদের মতো দুর্নীতিবাজ,খুনী,বিদেশে টাকা পাচারকারী স্বৈরশাসক বা পৃথিবীর দেশে দেশে হত্যা, ‍লুটপাট চালানো এ্যামেরিকার সন্ত্রাসী রাষ্ট্রপতিদের পরিবর্তে এই কামালউদ্দিন কি হীন উদ্দেশ্য এই নাটক বানিয়েছে, তা সচেতন কারোই অজানা না।

মঞ্চ আর টিভিতে অভিনয়-পরিচালনা-টিভি চ্যানেলের মালিকানার আড়ালে লুকিয়ে থাকা লম্পট,নারী ব্যাবসায়ী আর পতিতা সর্দারনীদের নিয়েও সে নাটক বানায় না। কারণ এরা প্রত্যেকেই তারই গোত্রের।

তাই সে পূজিবাদীদের পা চেটে উচ্ছিষ্ট লাভের বিনিময়ে ইতিহাসের অন্যতম শ্রেষ্ঠ একজন ব্যাক্তির চরিত্র হনন করছে, মধ্যযুগে জন্ম নিলে যে নিজেকে প্রেরিত পূরুষ বলে দাবী করতে পারতেন।

ষ্ট্যালিন একজন মানুষ ছিলেন এবং সেজন্যই অনেক ভুল করেছেন। আমি নিজেও তার ১৯৩৯ সালে জার্মানীর সাথে চুক্তির মাধ্যমে লিথুনিয়া-লাটভিয়া আর এস্তোনিয়ার স্বাধীনতা হরণ করে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন অন্তর্ভূক্ত করার এবং ১৯৪০-এ বিশাল ও শক্তিশালী দেশ হয়ে ক্ষুদ্র কিন্ত দেশ্রপ্রমিক সাহসীদের দেশ ফিনল্যান্ড আক্রমণের বিরোধী।

কিন্ত দেশ-বিদেশের স্বৈরশাসকদের মতো তিনি দুর্নীতি-লুটপাট-লাম্পট্য-বিদেশে টাকা পাচার আর সবরকম অপরাধীদের প্রশয় দেয়ার মাধ্যমে দেশকে ধ্বংস করেন নি।তাহলে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন বা তারই উত্তরসূরী রাশিয়া বিজ্ঞান-প্রযুক্তি এবং সামরিক দিক দিয়ে এখন পর্যন্ত পৃথিবীর শীর্ষে থাকতো না।

তার আমলে গণহত্যা বা মৃত্যুর সংখ্যা নিয়ে পশ্চিাদের ষড়যন্ত্রের কারণে বাস্তবের চেয়ে মিথ্যাচারই চালানো হয় বেশী।

তিনি যা কিছু করেছিলেন,দেশের স্বার্থ বিবেচনা করেছিলেন।

পৃথিবীর ইতিহাসে শেষ পর্যন্ত লেনিন-ষ্ট্যালিনদের নামটাই সোনার অক্ষরে লেখা থাকবে আর নর্দমাতেই পড়ে থাকবে এইসব কামালরা।

মন্তব্য ১০ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (১০) মন্তব্য লিখুন

১| ০৯ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ৮:০৫

জগতারন বলেছেন:
পোষ্টটি অতি সংক্ষিপ্তাকারে হইয়াছে।
আর একটু বিশ্লেষণ ও ব্যাখ্যা হইলে ভালো হইতো।
(ইহা আমার ব্যাক্তিগত মতামত; সর্বাজনিন ভাবে ইহার কোন মূল্য নাই।)

ব্লগার অনল চৌধুরী আমার প্রিয় লেখকদের একজন।
আজকের এই প্রবন্ধটি আমার ভালো লাগিয়াছে এবং লাইক দিলাম।

০৯ ই নভেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:০৬

অনল চৌধুরী বলেছেন: ধন্যবাদ।
লেনিনের পর ইতিহসের এই মহানায়ক সম্পর্কে আলোচনা করতে গেলে ৫ টা মহাকাব্যের আকৃতিতেও শেষ হবেনা।
তবে আপনি এবং জ্ঞান অর্জনে আগ্রহী অন্যান্যরা গ্রন্থাগার এবং ইন্টারনেটের মাধ্যমে তার সম্পর্কে আরো ধারণা অর্জন করতে পারেন।

২| ০৯ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:১০

রাজীব নুর বলেছেন: বাংলাদেশ! খুব গর্ব হয় দেশটাকে নিয়ে। আবার মনে হয়- কেন যে এই দেশে জন্ম নিলাম!

০৯ ই নভেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৩১

অনল চৌধুরী বলেছেন: বাংলাদেশ হতে পারতো পৃথিবীর সবচেয়ে উন্নত আর সমৃদ্ধ দেশ।
কিন্ত এইসব নষ্টদের কারণে হয়েছে সবচেয়ে জঘণ্য আর বসবাসের অযোগ্য দেশ।

৩| ০৯ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ১১:৩৫

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




বাংলাদেশে এমন রাশিয়া বিরোধী কর্মকান্ড শুরু হওয়ার কারণ কি? এই নাটক উপস্থাপণা কোথায় হয়েছে গাইড হাউজে/ শিল্পকলা একাডেমীতে না অন্য কোথাও - সেখানে কর্তব্যরত ব্যক্তিগণ নাটক দেখে কি করেছিলেন ? বাংলাদেশের নাটক চলচিত্র কোনো দেশের রাষ্ট্রনায়ক নিয়ে অভিনয় করার অধিকার রাখে না।


০৯ ই নভেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:২৮

অনল চৌধুরী বলেছেন: হলিউড এবং অন্যান্য সব দেশের চলচ্চিত্র ও নাটকে আলেকসান্ডার থেকে সাদ্দাম-সব নেতাদের নিয়েই চলচ্চিত্র ও নাটক হয়।
বাংলাদেশের মঞ্চ নাটকেও হচ্ছে গত ৪৭ বছর ধরে।
এতে কোনো সমস্যা নাই।কিন্ত আপত্তি সামান্য টাকার লোভে নীতি বিক্রি করে একজন মহান নেতাকে হেয় করাতে।
গত জুন থেকেই ঢাকার বিভিন্ন মঞ্চে হচ্ছে।
এই মাসের ১৩ আর ১৪ তারিখে মহিলা সমিতি মঞ্চে আবারও এই বিকৃতি দেখানো হবে।
মহিলা সমিতির মঞ্চে 'স্তালিন'-এর দুটি শো |
বিনোদন প্রতিদিন
https://www.ittefaq.com.bd › print-edition › entertainment

৪| ০৯ ই নভেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৩৭

জুন বলেছেন: কামালউদ্দিনটা কে ? সে স্ট্যালিনকে নিয়ে সেই নাটক না বানিয়ে আমেরিকার পা চাটা বরিস ইয়েলেতসিনকে নিয়ে বানালো না ক্যানো অনল চৌধুরী ?? মিখাইল গর্বাচভকেও একটা ছোটখাটো হাসমতের রোল দিতে পারতো । গর্বাচভেরতো পল্যিটবুরোর সদস্য হওয়ার কোন যোগ্যতাই রাখে নাই ।

০৯ ই নভেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৪২

অনল চৌধুরী বলেছেন: কামালউদ্দিন বাংলাদেশে একজন সেরা ভাড়।
ইউটিউব খূজলে তাকে দেখতে পাবেন।
জাপানে আণবিক বোমা মেরে মূহুর্তে কয়েক লাখ লোক হত্যাকারী ট্রুম্যান বা ক্লিনটন-ওবামা-ট্রাম্প-কাউকে নিয়েই বানায়নি,কারণ তাদের পা চেটেই একে চলতে হয়।
এইসব করে নওয়েতে স্হায়ী নাগরিক হতে চাচ্ছে,যেনো বিনা পয়সায় আমৃত্যু সূরা আর সাকি পাওয়া যায়।

৫| ১০ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ৮:১৪

জগতারন বলেছেন:
আমার মন্তব্যের উত্তর দেওয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করিতেছি।
এখানে সমাজতন্ত্র সমন্ধে আমার সংগ্রহে থাকা দুইটি কথা নীচে দেওয়া হইলোঃ

"আমাদের দেশ স্বাধীন হোল। স্বাধীনতার আগে বাংলাদেশে তিনটে উল্লেখযোগ্য ওষুধ উৎপাদক কোম্পানি ছিল। ফার্মাপাক, এড্রুক, অ্যালবার্ট ডেভিড, এছাড়া যেসব ওষুধ কোম্পানি ছিল তাদের ওষুধ পরিমানে এবং মানে উল্লেখ করার মতো ছিল না। এই কোম্পানি গুলো সাকুল্যে ২০% স্থানীয় ওষুধের চাহিদা মেটাত। অ্যালবার্ট ডেভিড এর মালিক ছিলেন অবাঙ্গালী। তিনি স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ থেকে চলে যান, আড্রুক পরে মূলধনের সংকটে। ফার্মাপাক নাম বদলে নাম নেয় ফার্মাদেশ। বাকী যে ৮০% ওষুধের প্রয়োজন হতো সেটা আসতো পশ্চিম পাকিস্তান থেকে। এর মধ্যে একটা পাকিস্তানী কোম্পানি ছিল নাম ফিরোজ অ্যান্ড সন্স, বাকী সব ওষুধ আসতো বহুজাতিক কোম্পানি থেকে যাদের অফিস ছিল পশ্চিম পাকিস্তানে। হঠাৎ করে দুটো স্থানীয় কোম্পানি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এবং পশ্চিম পাকিস্তান থেকে ওষুধ আসা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সদ্য স্বাধীন দেশ ওষুধের তীব্র সংকটে পড়ে। বৈদেশিক মুদ্রার সংকট থাকায় সেই বহুজাতিক কোম্পানি গুলো সদ্য স্বাধীন দেশে ওষুধ বিক্রিতে অনীহা দেখায়।

সেই সময় একটা কমিটি করা হয় যারা সরকারকে পরামর্শ দেয় তৎকালীন সমাজতান্ত্রিক দেশগুলোর কাছে থেকে ওষুধ কেনার। কমিটিতে ছিলেন প্রফেসর নুরুল ইসলাম, প্রফেসর আশরাফ আলী। সেই সময় সমাতান্ত্রিক দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে উন্নত ওষুধ উৎপাদন প্রযুক্তি ছিল হাঙ্গেরির। কমেকনের সদস্য হিসেবে সমাজতান্ত্রিক দেশগুলো হাঙ্গেরিকে ওষুধ শিল্পে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনের দায়িত্ব দিয়েছিলো।। এমনকি সোভিয়েত ইউনিয়ন তাদের চাহিদার ৬০% ওষুধ হাঙ্গেরি থেকে নিত। সমস্যা ছিল একটাই বাংলাদেশ ওষুধের দাম বৈদেশিক মুদ্রায় শোধ করতে সক্ষম ছিল না।

এই কঠিন মুহূর্তে এগিয়ে এলো হাঙ্গেরি। হাঙ্গেরির ইগিস, গেইডেন রিখটার, কাইরন, মেডিম্পেক্স। তাঁরা রাজী হোল বার্টার ট্রেডে। ওরা পাঠাবে ওষুধ আর আমরা বিনিময়ে পাঠাবো, পাট, কাঁচা পণ্য। ওষুধের মূল্য ধরা হোল এক্স-ফ্যাক্টরি প্রাইস। মানে মুল উৎপাদন খরচ।

সেই সংকটের দিনে কেউ আমাদের পাশে এসে দাড়ায়নি। মুনাফার চিন্তা না করে দাঁড়িয়েছিল সমাজতান্ত্রিক দেশগুলো। সমাজতন্ত্র শুধু ক্ষমতার রাজনীতিই নয়, এক মহান আদর্শ ও বটে। যেই আদর্শ পৃথিবীকে মানুষ আর মানবিক মূল্যবোধ কে উর্ধে তুলে ধরতে শিখিয়েছিল।"

১১ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ৩:৪৯

অনল চৌধুরী বলেছেন: মূল্যবান তথ্য দেয়ার জন্য ধন্যবাদ।
সমাজতন্ত্র একটা উন্নত নৈতিকতার উপর প্রতিষ্ঠিত পদ্ধতি।
সেটা না হলে কোনোভাবেই পতিতাবৃত্তির মতো বর্বর প্রথা নির্মূল করা সম্ভব ছিলো না।
যদিও চসেস্কুর মতো খিছূ লোক সমাজতন্ত্রের নামে স্বৈরতন্ত্র চালিয়ে গিয়েছিলো।
মুক্তিযুদ্ধের সময় সাবেক সোভিয়েট ইউনিয়ন সাহায্য না করলে,ভারত একা কিছুই করতে পারতো না।
পশ্চিমা এবং প্রায় সব আরব দেশ ছিলো পাকিদের পক্ষে।
স্বাধীনতার পরও সোভিয়েট ইউনিয়ন চট্রগ্রাম বন্দরে মাইন অপসারণ করতে সাহায্য করেছে।
এতে তাদের কয়েকজন মারাও গেছে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.