নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সাহসী সত্য।এই নষ্ট দেশ-জাতি-সমাজ পরিবর্তনের প্রচেষ্টাকারী একজন যোদ্ধা।বাংলাদেশে পর্বত আরোহণের পথিকৃত।

অনল চৌধুরী

লেখক,সাংবাদিক,গবেষক,অনুবাদক,দার্শনিক,তাত্ত্বিক,সমাজ সংস্কারক,শিক্ষক ও সব অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী যোদ্ধা

অনল চৌধুরী › বিস্তারিত পোস্টঃ

উপকারীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশই মানুষকে বড় করে

০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২০ রাত ৩:২৬


লোভ,হিংসা,স্বার্থপরতা,পরশ্রীকাতরতার মতো বাংলাদেশের মানুষের আরেকটা খারাপ বৈশিষ্ট হলো অকৃতজ্ঞতা।উপকারীর উপকার স্বীকারের পরিবর্তে তাকে প্রতিদানে সাধ্যমতো ক্ষতিগ্রস্ত করা বা তার কাছ থেকে পাওয়া উপকারের কথা সম্পূর্ণ অস্বীকার করা।

সরাসরি জীবনে যে কতো মানুষের উপকার করেছি,সেটা রিখতে গেলে মহাকাব্য লিখতে হবে।

রাস্তা থেকে অনেককে তুলে এনে নিজের পরিবারের সদস্যের মর্যাদা দিয়েছিলাম,যাদের সবাই সাধ্যমতো বিশ্বাসঘাতকতা এবং ক্ষতি করেছে।

জীবনে সরাসরি লড়াই করে কতো মেয়ের সন্মান যে রক্ষা করেছি,তার তালিকা আমারও মনে নাই।

দীর্ঘ ২৮ বছর লেখালেখি এবং আরো অনেক বিষয়ের সাথে জড়িত থাকায় অভিজ্ঞতাসমৃদ্ধ হওয়ার কারণে অনেককেই জীবনে সফল হওয়ার জন্য বিভিন্ন উপদেশ দিয়েছি।

আবার অনেকেই আমার ধারণা চুরি করে সেটা নিজের কাজে ব্যবহার করেছে।

আমি বাংলাদেশে পাহাড়ে উঠার প্রচলনকারী।

১৯৯৮ সালে লেখা এবং ১৯৯৯ সালে প্রকাশিত আমার লেখা ‘‘এভারেষ্ট বিজয়’’ প্রকাশের আগে বাংলাদেশের কেউ এভারেষ্ট শৃঙ্গ জয় করার পরিকল্পনা করেছে-এমন প্রমাণ কেউই দিতে পারবে না।

কিন্ত আমি বই লেখার আরো কয়েকবছর পর ঈসা-মুসা নামধারী অনেক প্রতারক পর্বত আরোহণ সংঘ গঠন করে এবং আরো অনেক পরে এভারেষ্ট শৃঙ্গ জয়ের মিথ্যা-সত্য দাবী করে তাদের্ কেউই আমার নামটা একবারের জন্যও নেয় না।

২০০৪ সালে থিয়েটারের এক সহপাঠীকে বলেছিলাম,আমার প্রকাশনা সংস্থার বইয়ের জন্য একটা প্রদর্শণী কেন্দ্র খূজতে।
সে সেটা না করে ভিখারুন-নিসার পাশে নিজের ফোন-ফ্যাক্স-এর দোকানকে বইয়ের প্রদর্শণী কেন্দ্রে পরিণত করে প্রচুর অর্থ-খ্যাতি দুই-ই করেছে।

ষ্ট্যামফোর্ড-এ পড়ার সময় এক চরম অভদ্র মহিলা কর্মচারীকে বলেছিলাম,আমি বিভাগের শিক্ষক হতে চাই,কারণ অন্যান্য বিষয়ের মতো চলচ্চিত্র নিয়েও আমার যথেষ্ট পড়াশোনা আছে।

কিন্ত সেই মহিলা এই ধারণা চুরি করে উচ্চ পর্যায়ে লবিং করে কোনো যোগ্যতা না থাকার পরও সেখানকার শিক্ষক হয় বসে।

১৯৯২ সালে লেখক জীবনের শুরু থেকেই চলচ্চিত্র-শিল্প-সাহিত্য নিয়ে লেখালেখি করি। চলচ্চিত্র নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় শিক্ষকরা বিষয়ে আমার জ্ঞানের পরিচয় পেয়েছেন এবং যেকোনো দেশের চলচ্চিত্র সম্পর্কে তথ্যের দরকার হলে আমাকেই প্রশ্ন করতেন,যেটা আবার আমার সাথে যারা পড়তো ,তাদের জন্য ছিলো চরম ঈর্ষার বিষয়।কারণ তারা অন্যান্য বিষয়ের মতো চলচ্চিত্র বিষয়েও ছিলো একেকটা গন্ডমূর্খ।

২০০৭ সালে টিভি প্রযোজনা বিষয়ে পড়ানোর সময় মেল গিবসনের অস্কার বিজয়ী চলচ্চিত্র ব্রেভহার্ট(১৯৯৫) ছবি নিয়ে ক্যামেরার সামনে গবেষণামূলক সমালোচনা উপস্থাপন করেছিলাম।

যেটা দেখে বর্তমানের এক চলচ্চিত্র মহাপন্ডিত অনুপ্রাণিত হয়ে চলচ্চিত্র নিয়ে লেখালেখি শুরু করে।অথচ তখন পর্যন্ত চলচিত্র নিয়ে তার জ্ঞান ছিলো শিশুশ্রেণীর। কিন্ত সেও কোনো দিন এই বিষয় নিয়ে লেখালেখির জন্য আমার কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেনি।

সবার ভাবটাই এমন যে ,কারো কাছে উপকার পাওয়ার পর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা মানে যেনো ছোটো হয়ে যাওয়া।

অথচ উপকারীর প্রতিদান দিলে বা কৃতজ্ঞতা স্বীকার করলে কেউ ছোটো হয়ে যায় না,বরং এতে তার মহত্বই প্রকাশ পায়।

হিন্দী ছবির জনপ্রিয় নায়ক অক্ষয়কুমার ২০১১ সালে বাংলাদেশে অনুষ্ঠান করতে এসে হাজার হাজার লোকের সামনে বলেছিলেন যে নায়ক হওয়া আগে তিনি ঢাকার পূর্বানী হোটেলে কাজ (বাবু্র্চির) করতেন।

এজন্য তাকে কেউ ছোটো বলেনি বরং সত্যবাদী এবং কৃতজ্ঞ হিসেবে সবাই তার প্রশংসা করেছে।

কারণ চুরি করা অপরাধের কিন্ত পরিশ্রম করা মর্যাদার্।

বাংলাদেশের অকৃজ্ঞদেরও তার দৃষ্টান্ত অনুসরণ করা উচিত।

মন্তব্য ১৭ টি রেটিং +৩/-০

মন্তব্য (১৭) মন্তব্য লিখুন

১| ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ভোর ৪:৪৪

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: এটি বাংলার আবহমান চিত্র গত ৩৫০ বছর ধরে। কিছু কি করার আছে?

০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২০ রাত ৩:২৭

অনল চৌধুরী বলেছেন: ৩৫০ না,আরো অনেক বেশী।প্রায় ১০০০ বছরের।
অন্যকে টেনে ধরে রাখার এই হাডু-ডু খেলার স্বভাবের কারণেই তাদের অবস্থা এতো শোচনীয়,যেখানে সারা পৃথিবী সামনে এগিয়ে যাচ্ছে।

২| ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ভোর ৫:১৫

চাঁদগাজী বলেছেন:



আপনার প্রতি যারা কৃতজ্ঞতা প্রকাশস করেনি, তাদের ছোটখাট একটা লিষ্ট পেলাম; আপনি যাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন, সেটার লিষ্ট পাওয়া যাবে?

০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২০ রাত ২:৪৫

অনল চৌধুরী বলেছেন: এই ব্লগে আমি সবসময় যার প্রতি কৃত্জ্ঞতা প্রকাশ করি তার মধ্যে প্রথম এবং প্রধান ব্যাক্তি হলেন আপনি।
যদিও মাঝে মাঝে আপনার বিতর্ক যুক্তি ছাড়িয়ে ঝগড়ায় পরিণত হয়।

এরপর আছেন ঠাকুর মাহমুদ ভাই এবং অন্য সবাই,যারা আমার লেখাগিুলি মনোযোগ দিয়ে পড়েন এবং মন্তব্য করেন।

৩| ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ভোর ৬:৫৩

কালো যাদুকর বলেছেন: এই না হলে বাঙ্গালী হওয়া যায়?

০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২০ রাত ২:৪৬

অনল চৌধুরী বলেছেন: বাঙ্গালীরা নিজেরে কূয়ার ব্যাঙ্গে পরিণত করে রেখেছে।
তারা সাগর-মহাসাগর দেখতে পারছে না্
একটা জাতির নিজেদের পরিবর্তন করতে কতোদিন লাগে??????

৪| ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সকাল ৯:১৯

রাজীব নুর বলেছেন: বাংলাদেশের মানুষ ভালো না। কেউ ভালো না।

০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২০ রাত ২:৪৭

অনল চৌধুরী বলেছেন: সত্যিই তাই।
ভালো হিসেবে পাস নম্বর পেতে পারেেএমন লোকের সংখ্যা খুব কম।

৫| ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২০ দুপুর ১২:১১

আহমেদ জী এস বলেছেন: অনল চৌধুরী,




কথাটি ঠিক যে, বাঙালীরা অকৃতজ্ঞ।
কিন্তু যে উদাহরণ দিলেন ( কোনও কিছুই স্পষ্ট নয় ) তাতে তো মনে হয়নি আপনি সরাসরি তাদের উপকার করেছেন আর তারা সে উপকার নিয়ে আপনাকে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেনি।
এমন দোষে তো আপনিও দুষ্ট।
এই যে লেখালেখির কথা বললেন, আপনিই কি সৃষ্টির শুরুতে লেখালেখির প্রচলন করেছিলেন ? লেখালেখির জন্যে কাদের কাদের কাছে আপনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
আপনার ধারনা চুরি করে অনেকেই নাকি লেখেন। তাহলে আপনার লেখা " এভারেষ্ট বিজয়" এর আগে কেউ কি এভারেষ্ট বিজয় নিয়ে লেখেননি ? আপনিই প্রথম ? যারা লিখেছেন তারা আপনার ধারনা চুরি করে লিখেছেন ? আর আপনার আগে যদি কেউ ( অবশ্যই আপনার আগে শতাধিক লেখা আছে এরকমের) লিখে থাকেন তাদের প্রতি কি আপনি " কৃতজ্ঞতা" জানিয়েছিলেন ?
আপনিই কি বিশ্বের প্রথম ব্যক্তি যিনি চলচ্চিত্র নিয়ে গবেষণা করেছেন ? তাই আর কেউ চলচ্চিত্র নিয়ে গবেষণা করতে পারবেন না ? করলে আপনার কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেই তা করতে হবে?

অদ্ভুত তো .....................

০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২০ রাত ৩:১০

অনল চৌধুরী বলেছেন: সরাসরি জীবনে যে কতো মানুষের উপকার করেছি,সেটা রিখতে গেলে মহাকাব্য লিখতে হবে।
শুধু জেনে রাখেন,রাস্তা থেকে অনেককে তুলে এনে নিজের পরিবারের সদস্যের মর্যাদা দিয়েছিলাম,যাদের সবাই সাধ্যমতো বিশ্বাসঘাতকতা এবং ক্ষতি করেছে।
জীবনে সরাসরি লড়াই করে কতো মেয়ের সন্মান যে রক্ষা করেছি,তার তালিকা আমারও মনে নাই।

আমার লেখা প্রতিটা বইয়ের শেষে তথ্যসূত্র গুরুত্বের সাথে উল্লেখ করা থাকে।
‘‘এভারেষ্ট বিজয়’’ এভারেষ্ট জয়ীদের ইতিহাস নিয়ে লেখা না,একজন বাংলাদেশী তরুণের এই শৃঙ্গ জয়ের গল্প নিয়ে লেখা-যা এর আগে এদেশের পরিকল্পনা করেছে-এমন কোনো লিখিত প্রমাণ নাই।এই বইটা প্রকাশতি হওয়ার পর অনেক তরুণ মেলায় গিয়ে আমার কাছে এভারেষ্টে উঠার পদ্ধতি সম্পর্কে জানতে চেয়েছে,কারণ তাদের ধারণা ছিলো আমিই বাংলাদেশে প্রথম এভারেষ্ট জয় করেছি,তার আবার ১৯৯৮ সালে।
এই বইটা লেখার আগে দেশে কোনো পর্বত আরোহণ প্রশিক্ষণ কেন্দ্র গঠিত হয়নি।
যেগুলি হয়েছে-সবই ১৯৯৯ সালে আমার লেখা বইটা প্রকাশের অনেক পরে।
এর কারণ কি?
আগে হয়নি কেনো???????
এ বিষয়ে আপনি যেকোনো বাজী লাগতে পারেন।
আপনিই কি বিশ্বের প্রথম ব্যক্তি যিনি চলচ্চিত্র নিয়ে গবেষণা করেছেন ? তাই আর কেউ চলচ্চিত্র নিয়ে গবেষণা করতে পারবেন না -আমি বিশ্বের সবার কথা বলিনি।সেই প্রতিষ্ঠানের মাত্র একজন ব্যাক্তির কথা বলেছি,যে অতীতে কোনোদিন চলচ্চিত্র নিয়ে লেখেনি।চলচ্চিত্র বিষয়ে আমার লেখা এবং গবেষণা দেখে উৎসাহিত হয়েছে।এর যথেষ্ট প্রমাণ আছে কারণ সে বয়স এবং লেখার বয়স-দুইদিকেই আমার চেয়ে অনেক অনুজ।
অগ্রজের কাছ থেকে ধারণা নিয়ে তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ না করা বড় ধরণের অভদ্রতা।
অবশ্য যে ব্যাক্তি মাত্র ২৫ বছর বয়সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের সন্মানিত শিক্ষকদের অসভ্য,বর্বর,শালা বলে আর অগ্রজদের পাগল-ছাগল বলে সম্বোধন করতো,তার কাছে ভদ্রতা বা শিষ্টাচার আশাও করা যায় না।
জেনে রাখেন,আমি তথ্য-প্রমাণ ছাড়া কিছু বলিনা।

যা বলি,সবকিছুরই প্রমাণ দিতে পারি।

সুতরাং অবশ্যই আমি কৃতিত্বের দাবীদার।
তবে কৃতিত্ত্ব না দিলেও কোনো অসুবিধা নাই
প্রত্যেকেই যোগ্যতা অনুযাযী তার অবস্থানে থাকবে।
কারো জায়গা কেউ নিতে পারবে না।

৬| ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২০ দুপুর ১:০২

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: চলমান জীবনে, চলতি পথে অনেকেই অনেক কিছু নিয়ে অনুপ্রাণিত হয়। বিষয়টা সেভাবে দেখাটা মনে হয় ঠিক হবে। আমি কীভাবে লেখালেখিতে এত ইন্টারেস্ট হলাম আমি এখন বলতে পারব না। কোনদিন বড় লেখক হলে তাই কারো প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হবে না। মুসা ইব্রাহিম নিয়ে অনেক অভিযোগ থাকলেও সে বা মুহিত হয়তো আপনার লেখা বইটি কখনো পড়েইনি! তাহলে কীভাবে আপনাকে কৃতজ্ঞতা জানাবে? ওদের কী আপনি কোন গাইডলাইন দিয়েছিলেন সরাসরি? ঠিক যেভাবে আপনার আইডিয়া নিয়ে ঐ শিক্ষিকা বা আপনার সহপাঠী কাজে লাগিয়েছে সেরকম?
ঠিক একইভাবে ঐ চলচ্চিত্র গবেষক কি আপনার কাছ থেকে কোন টিপস নিয়েছিলেন কখনো যেটাকে আপনার মনে হয়েছে কৃতজ্ঞতা স্বীকার করা উচিত?

০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২০ রাত ৩:২২

অনল চৌধুরী বলেছেন: এভারেষ্ট বিজয়’’ এভারেষ্ট জয়ীদের ইতিহাস নিয়ে লেখা না,একজন বাংলাদেশী তরুণের এই শৃঙ্গ জয়ের গল্প নিয়ে লেখা-যা এর আগে এদেশের পরিকল্পনা করেছে-এমন কোনো লিখিত প্রমাণ নাই।এই বইটা প্রকাশিত হওয়ার পর অনেক তরুণ মেলায় গিয়ে আমার কাছে এভারেষ্টে উঠার পদ্ধতি সম্পর্কে জানতে চেয়েছে,কারণ তাদের ধারণা ছিলো আমিই বাংলাদেশে প্রথম এভারেষ্ট জয় করেছি,তার আবার ১৯৯৮ সালে।
এই বইটা লেখার আগে দেশে কোনো পর্বত আরোহণ প্রশিক্ষণ কেন্দ্র গঠিত হয়নি।
যেগুলি হয়েছে-সবই ১৯৯৯ সালে আমার লেখা বইটা প্রকাশের অনেক পরে।
এর কারণ কি?
আগে হয়নি কেনো???????
এ বিষয়ে আপনি যেকোনো বাজী লাগতে পারেন।
জেনে রাখেন,আমি তথ্য-প্রমাণ ছাড়া কিছু বলিনা।

যা বলি,সবকিছুরই প্রমাণ দিতে পারি।

সুতরাং অবশ্যই আমি কৃতিত্বের দাবীদার।
তবে কৃতিত্ত্ব না দিলেও কোনো অসুবিধা নাই
প্রত্যেকেই যোগ্যতা অনুযাযী তার অবস্থানে থাকবে।
কারো জায়গা কেউ নিতে পারবে না।

৭| ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২০ দুপুর ১:৫২

শের শায়রী বলেছেন: আপনার অকৃতজ্ঞতার সংজ্ঞা কিছুটা বিভ্রান্তিকর, বই লেখা আর বাস্তবে পর্বত আহোরন এক জিনিস না, বিভুতিভুষন চাদে অভিযান সেই কোন কালে লিখছেন, তাই বলে সে নীল আর্মষ্ট্রং এর কাছ থেকে কৃতজ্ঞতা আশা করতে পারেনা।

বাকী যেগুলো বললেন সে গুলো সরাসরি কোন উপকার না যে আপনার প্রতি কৃতজ্ঞ প্রকাশ করতে হবে, উপরন্ত আপ্নি যাদের নিয়ে লিখছেন তাদের প্রতি এক রকম ঈর্ষা প্রকাশ পেয়েছে, যা প্রকারান্তে পরশ্রীকাতরতা।

০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২০ রাত ৩:২৪

অনল চৌধুরী বলেছেন: জুল ভার্ণের নাম শুনেছেন?
তার চাদে আভিযান বইটা পড়েই যে মানুষ চাদে যাওয়ার পরিকল্পনা এবং সেটা বাস্তবায়ন করেছে,সেটা জানেন?
এ্যামেরিকানদের বিভূতিভূষণ পড়ার কোনো ইচ্ছা হয়নি,তবে তারা জুল ভার্ণ পড়েই তার সূত্র অনুযাযী চাদে রকেট পাঠিয়েছে।
ঠিক সেভাবে,আমার লেখা বইটা প্রকাশের পর এদেশের কেউ এভারেষ্ট জয়ের পরিকল্পনা করেছে।
তার আগে কেউ করেছে,পারলে এমন লিখিত প্রমান দেখান।

আর জেনে রাখেন,সবদিক দিয়ে অযোগ্যরাই যোগ্যদের প্রতি পরশ্রীকাতর হয়।
যোগ্যরা অযোগ্যদের পাত্তা দেয় না।
তবে বাকাপথে তাদের কিছু কিছ লাভের চেষ্টা দেখলে ক্ষুদ্ধ হওয়া স্বাভাবিক।
যাদের কথা বলেছি,তারা কোনোদিক দিয়েই আমার ধারে-কাছে আসার যোগ্য না।এটা তারাও জানে এবং নিজেদের মধ্যে আলোচনায় স্বীকারও করে।
আমার যোগ্যতার তালিকা কতোটা -সেটা ব্লগের যাদের জানার দরকার,তারা জানেন।
আর শিক্ষিত নামধারী হলেও এদেশের অনেকেই যে কতোটা পরশ্রীকাতর এখানে কিছু মন্তব্য থেকেও সেটা প্রকাশ পাচ্ছে।

৮| ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৩:১৪

করুণাধারা বলেছেন: আপনার বক্তব্য স্পষ্ট লাগলো না। সাত নং মন্তব্যে লাইক।

৯| ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সকাল ১০:৩২

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




অনল ভাই,
আমি ৩৫০ বছর বলেছি কারণ আমার ইতিহাস প্রায় ৪০০ বছরের উপরে হলেও শুরুটা আসলে ৩৫০ বছরেই, এর আগে যারা ছিলেন তারা আমার কেউ নন। অনল ভাই অকৃতজ্ঞতা তো আমাদের লক্তে (রক্তে) বয়।

সবচেয়ে ভালো পরোটা আর ঝোলা গুড়। - কি বুঝলেন।

০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ রাত ২:৫০

অনল চৌধুরী বলেছেন: ধন্যবাদ ঠাকুর মাহমুদ ভাই।
৪০০ আর ৩৫০- এর বিতর্ক নিয়ে একটা লেখা লেখেন।
সবাই উপকৃত হবে।
পাল রাজাদের বলা হতো বাঙ্গালী।তাদের পতনের পর ১০৯৭ সাল থেকে কর্ণাটকের বিদেশী সেন শাসনের শুরু।
তুর্কি ইখতিয়ার,শেরশাহ,মোগল,পাঠান,আলীবর্দী,ইংরেজ,পাকিস্তানী-সবাই ছিলো বিদেশী।
১৯৭১ এ হাজার বছরের বাঙ্গালী স্বাধীনতা পেলেও .... ঘি হজম না হওয়ার মতো মহামূল্যবান স্বাধীনতার মর্যাদা দিতে পারছে না।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.