নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সাহসী সত্য।এই নষ্ট দেশ-জাতি-সমাজ পরিবর্তনের প্রচেষ্টাকারী একজন যোদ্ধা।বাংলাদেশে পর্বত আরোহণের পথিকৃত।

অনল চৌধুরী

লেখক,সাংবাদিক,গবেষক,অনুবাদক,দার্শনিক,তাত্ত্বিক,সমাজ সংস্কারক,শিক্ষক ও সব অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী যোদ্ধা

অনল চৌধুরী › বিস্তারিত পোস্টঃ

দুর্নীতিবাজ ও অপরাধী দমনে সারাদেশে স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ করা হোক

১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ রাত ১:২০






১৮ এবং ১৯ শতকে এ্যামেরিকার অনেক রাজ্যে আইন-শৃংখলা বলে কিছু ছিলোনা। বৃটিশদের বিরুদ্ধে স্বাধীনতাযুদ্ধের পর অস্ত্রধারী অপরাধীরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছিলো।হত্যা,নারী নির্যাতন,ব্যাংক,বাসস্থান,ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও ট্রেনে ডাকাতি ছিলো প্রতিদিনের ঘটনা।সেইসময় এ্যামেরিকার পশ্চিম অঞ্চলকে বলা হতো বুনো পশ্চিম (Wild West)।

১৭৮৯ সালের ২৪শে সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রপতি জর্জ ওয়াশিংটন জুডিশিয়ারী বিল স্বাক্ষর করে মার্শাল পদ সৃষ্টি করেন এবং তাদের উপর আইন-বহির্ভূতদের (Out law) নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব দেয়া হয়।এইসব মার্শালরা তাদের কয়েকজন সহকারীকে সাথে নিয়ে অপরাধীদের সরাসরি বন্দুকযুদ্ধে বা গ্রেফতার করে আইনের মাধ্যমে শাস্তি দিয়ে সেখানকার আইন-শৃংখলা পরিস্থিতির উন্নয়ন ঘটান তারই ফলশ্রুতিতে এ্যামেরিকার উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি অর্জন সম্ভব হয়।

বাংলাদেশে দুর্নীতি-সন্ত্রাস-মাদক-নারীও শিশু নির্যাতনসহ সব ধরণের অপরাধ যে ভয়াবহ পর্যায়ে পৌচেছে,জনগণের সৎ,নীতিবান এবং দেশপ্রেমিকদের প্রচেষ্টা এবং সরাসরি অংশগ্রহণ ছাড়া এই অবস্থা থেকে মুক্তি লাভ করা অসম্ভব।



সম্প্রতি পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে জানা যায় যে, অপরাধ জগতের গডফাদারদের ধরতে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সমন্বিত ২২ জেলায় ২২ জন গোয়েন্দা নিয়োগ দেওয়া হবে বলে কমিশনের ২২তম সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এসব গোয়েন্দা কর্মকর্তা প্রতিটি জেলায় যারা মাদক ব্যবসা, সন্ত্রাস, খাস জমি দখল, ঘুষ-দুর্নীতিসহ বিভিন্ন অপরাধ জগতের গডফাদার হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন, তাদের জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদের তথ্য সংগ্রহ করে কমিশনের প্রধান কার্যালয়ে রিপোর্ট করবেন।


কিন্ত শুধু ২২ টা জেলায় না,গ্রাম এলাকায় প্রতিটা ইউনিয়ন পরিষদে এবং শহরগুলিতে প্রতিটা থানা এলাকায় এভাবে দুদকের এক বা একাধিক স্বেচ্ছাসেবক প্রতিনিধি নিয়োগ দিতে হবে যারা দুর্নীতি সন্ত্রাস,মাদকসহ সব অন্যায়ের বিরুদ্ধে দুদকসহ বিভিন্ন সংস্থায় প্রতিবেদন দিতে পারবে এবং জনগণের পক্ষ থেকে তারা কোনো অন্যায় অত্যাচারের স্বীকার হলে থানা এবং আদালতে তাদের পক্ষে মামলা করতে পারবে।

তবে এইসব প্রতিনিধিদের অবশ্যই শিক্ষিত,স্বাধীনতার আগে থেকে উত্তরাধিকারসূত্রে বাড়ি,জমি ও ধন-সম্পদের মালিক,কোনোরকম অপরাধে সংশ্লিষ্টতা বিহীন এবং নেশামুক্ত হতে হবে।

শহর এলাকায় তাদের অবশ্যই মাষ্টার্স (আইন বিষয়ের উপর ডিগ্রি থাকলে অগ্রাধিকার) এবং গ্রামের ক্ষেত্রে স্নাতক পাস হতে হবে।

প্রতিনিধি নিয়োগের জন্য কোনো বয়সসীমা থাকবে না।

তাদের কোন নিয়মিত বেতন-ভাতা দেয়া হবে না। কারণ বেতনভোগী সরকারী কর্মচারীদের বড় অংশের মধ্যেই দুর্নীতির প্রবণতা থাকে।তবে তাদের তদন্ত বা তথ্যের ফলে দুর্নীতির মাধ্যমে লুন্ঠিত অর্থ-সম্পদ উদ্ধার বা পুরস্কারঘোষিত অপরাধী গ্রেফতার হলে সেখান থেকে তাদের অর্থ দিতে হবে।

এক কথায় পেশা হিসেবে না ,যারা ‘‘ঘরের খেয়ে দেশের সেবা করতে চান‘‘ -এমন ব্যাক্তিই দুদকের স্বেচ্ছাসেবী প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ দিতে হবে। দেশের সব এলাকাতেই এরকম কিছু ব্যাক্তি আছেন। এধরণের নীতিবান ও দেশপ্রেমিক ব্যাক্তিদের কারণেই বাংলা রাষ্ট্রভাষা হয়েছে এবং হাজার বছরের পরাধীন বাঙ্গালী জাতি স্বাধীনতা পেয়েছে।

আমি নিজেও দীর্ঘদিন ধরে নিজের উদ্যোগে দেশে অপরাধ ও দুর্নীত দমন করে একটা উন্নত ও শান্তিপূর্ণ দেশ গড়ার জন্য পত্রিকায় ও বই লিখে এবং অন্যান্য কর্মকান্ডের মাধ্যমে প্রচেষ্টা চালাচ্ছি।

তবে তারা যদি ক্ষমতার অপব্যাবহার করে,তাহলে প্রচলিত আইনে তাদের বিচার করতে হবে।

কারণ দুর্নীতি ও অপরাধ দমনে নিয়োজিত ব্যাক্তিরাই যদি দুর্নীতিবাজদের ভয় দেখিয়ে টাকা নিয়ে অবাধে এসব অপকর্ম করতে দেয় তাহলে এই কার্যক্রমে কোনো সফলতা আসবে না। তাই সবার আগে এইসব প্রতিনিধিদের নৈতিকতা সম্পর্কে নিশ্চিত হতে হবে।

ফৌজদারী কার্যবিধির ২২ ধারাতে মফস্বল এলাকায় উপযুক্ত বাংলাদেশী নাগরিকদের মধ্যে থেকে ‘‘জাষ্টিস অফ পিস‘‘ নিয়োগ দেয়ার কথা বলা আছে। এর আওতা রাজধানীতেও বিস্তৃত করা যায়।


এভাবে দেশের প্রতিটা এলাকায় সৎ-নীতিবান ও দেশপ্রেমিকদের যদি দেশের উন্নয়ন ও অপরাধ দমনে নিয়োজিত করা যায়,শুধু তাহলেই বাংলাদেশ দুর্নীতি-সন্ত্রাস মদ ও মাদকসহ সব অপরাধ মুক্ত হতে পারবে।

মন্তব্য ৩২ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (৩২) মন্তব্য লিখুন

১| ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ রাত ১:৩১

শের শায়রী বলেছেন: ভালো লিখছেন ভাই, বুনো পশ্চিমের আইন এখানে এই সময়! অবশ্য কখনো কখনো মনে হয় সে সময়ের থেকেও খারাপ এই সময়।

১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ রাত ১:৪৬

অনল চৌধুরী বলেছেন: এই নষ্ট দেশ নিয়ন্ত্রণে এছাড়া আর কোনো ভালো পদ্ধতি থাকলে জানান।
তবে আমি কিন্ত অস্ত্রধারী আর দ্রুত গুলি চালাতে পারদর্শী শেরিফ বা মার্শাল নিয়োগের কথা বলিনি।
বলেছি,জনগণকে রক্ষার জন্য তাদের পক্ষে আইনগত লড়াইয়ের অধিকার দেয়ার ক্ষমতা।
একইসাথে দেশের নীতিবান-দেশপ্রেমিকদের দেশ পরিচালনায় অংশ নেয়ার কথা।

২| ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ রাত ২:১৬

শের শায়রী বলেছেন: ভাই এইদেশে তো সরকারী চাকুরী হলেই সে থিওরিটিক্যালি নীতিবান এবং সত।

১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ রাত ২:২৫

অনল চৌধুরী বলেছেন: এজন্যই আমি নিজের খরচে দেশ সেবার কথা বলেছি,যেমন করছি আমি।

৩| ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ভোর ৫:১৭

নতুন বলেছেন: Now getting information is very easy then ever.

Encourage people to write about corruption from there city.

Ensure safety and never disclose identity of Informer.

If Duduk got few complaints about someone start investigating on him.

Everthing is there only need real comment from government.

১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ দুপুর ২:০৩

অনল চৌধুরী বলেছেন: In most cases,ACC neglects unofficial complains.
But if they get complain from the officially recognized persons as I proposed,they may take it seriously and go for action.

৪| ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সকাল ৮:৪৩

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




অনল ভাই,
আপনার লেখা নিয়ে আজকে কোনো দ্বিমত করবেন এমন কেউ আছেন বলে মনে হয় না। আপনার প্রস্তাব আসলেই যুক্তিযুক্ত। তবে আগাছা বড় থেকে কেটে ছোট’র দিকে যেতে হবে, এমন নয় ছোটদের ছেড়ে দেওয়া যাবে। তবে ফোন কল খেলোয়াড় ও গ্রুপ লিডার, গোপাল ভাড় সহ সাধু দরবেশদের পিন্জিরয়ার না নিয়ে তাদের ইতিহাস সহ মানুষটিকে মুছে দিলে সরকারের নাম বাংলাদেশে শুধু নয় সারা বিশ্বে মাহাথির মোহাম্মদের মতো জায়গা করে নেবে।

necessary needs a good job in the wrong way - এটি আমার পছন্দ।

আপনার আজকে লেখার মান ফাইভ আউট অব ফাইভ। এবং উক্ত লেখার জন্য আপনার উপহার গ্রহণ করুন।


১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ দুপুর ২:০৫

অনল চৌধুরী বলেছেন: ধন্যবাদ।
অপনার মতো মেধাবীরাই এই লেখার মান ও মর্ম বুঝতে পারবেন।
এছাড়া দেশকে রক্ষার আর কোনো উপায় দেখছি না।
ফোন কল খেলোয়াড় ও গ্রুপ লিডার, গোপাল ভাড় সহ সাধু দরবেশদের পিন্জিরয়ার না নিয়ে তাদের ইতিহাস সহ মানুষটিকে মুছে দিলে ,,,, কথাগুলির অর্থ বুঝতে পারলাম না।

৫| ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সকাল ৯:১৮

রাজীব নুর বলেছেন: তখন দেখা যাবে স্বেচ্ছাসেবক রাই দূর্নীতি করছে।

১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ দুপুর ১:৪৯

অনল চৌধুরী বলেছেন: সৎ,নীতিবান,দেশপ্রেমিক শিক্ষিত,স্বাধীনতার আগে থেকে উত্তরাধিকারসূত্রে বাড়ি,জমি ও ধন-সম্পদের মালিক এবং কোনোরকম অপরাধে সংশ্লিষ্টতা বিহীন এবং নেশামুক্ত ব্যক্তিরা কখনোই দুর্নীতি করেন না বা করবেন না।
ঘরের খেয়ে বনে মোষ তাড়ানো ব্যাক্তি অমি ছাড়াও আরো অনেক আছেন।

৬| ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সকাল ১০:৩৯

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: বাংলাদেশীদের রক্ত এত খারাপ হয়ে গিয়েছে যে, রাজীব নূরের মত আমারও মতামত, স্বেচ্ছাসেবকরাই দুর্নীতি শুরু করে দিবে। অনেক সাংবাদিক জেনে শুনে দুর্নীতিবাজদের পক্ষ নেয়, তাদের নিয়ে রিপোর্ট করা থেকে বিরত থাকে...

১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ দুপুর ১:৫০

অনল চৌধুরী বলেছেন: তাহলে কি সবকিছু এভাবেই চলতে থাকবে?

৭| ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সকাল ১১:৪৪

খাঁজা বাবা বলেছেন: ভাই, আপনার মত থিওরিটিকালি ওকে
কিন্তু সমস্যা তো পায়ে না, মাথায়।
দেখা যাবে প্রভাবসালীদের লোকজনই নিয়োগ পেয়েছে আর তারা সাধারন মানুষকে হয়রানি করছে।
কমিশনের এখন যতটুকু লোকবল আর ক্ষমতা আছে তার কতটুকু কাজে লাগাচ্ছে?
এই দুদক সরকারের এজেন্ডা বাস্তবায়নে কাজ করছে মাত্র। দূর্নীতি কমাতে নয়।
আর সরকারের এজেন্ডা লুটপাট।

১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ দুপুর ১:৫১

অনল চৌধুরী বলেছেন: তাহলে সমাধান কি?
দেশটা তো পুরোই ধ্বংসের পথে।

৮| ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ দুপুর ২:০২

খাঁজা বাবা বলেছেন: লেখক বলেছেন: তাহলে সমাধান কি?

সমাধান? মাথার চিকিৎসা করা লাগবে।

১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ দুপুর ২:০৭

অনল চৌধুরী বলেছেন: কিভাবে সেটা হবে????

৯| ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ দুপুর ২:২৭

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




অনল ভাই,
এভাবে চলবে না। আপনি নোট লিখে রাখেন এভাবে বেশীদিন চলবে না। চোর চাট্টারা বিদেশে আশ্রয় নিবে। সাধারণ মানুষ দেশে থেকে যাবেন। দেশটা সাধারণ মানুষের। প্রকৃতির নিজস্ব কিছু বিচার আছে সে ভারসাম্য বজায় রাখে।

এক সময় কাঁচা গোল্লা সাবান ছিলো, পরে ডিটারজেন্ট এসে বাজার দখল করেছে সামনে লিকুইড শ্যাম্পু এসে বাজার নিয়ে নিবে। - কি বুঝলেন? দেশে আবার যখন জলপাইয়ের সিজন আসবে টকের চাপে মিষ্টি গোপাল ভাড়দের মহামারী লেগে যাবে।

১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ রাত ২:৩০

অনল চৌধুরী বলেছেন: বাকশাল,জিয়া-এরশাদ,ফক-মঈন সবশেষে গত সেপ্টেম্বরে জুয়া বিরোধী শুদ্ধি অভিযানের নামে বিরাট দুর্নীতি বিরোধী অভিযান দেখেছি।কিন্ত কোনোভাবেই এদেশকে ‍দুর্নীতিমুক্ত করা যায়নি।
এর একমাত্র কারণ এদেশের মানুষের চরম নীতিহীনতা।
কয়লার যেমন ময়লা যায় না,.। লেজ যেমন সোজা হয়না,তেমনই বাঙ্গালীরাও চুরি-ছিচকামী ছাড়া থাকতে পারেনা।
তাইতো স্বাধীনতার প্রায় ৫০ বছর পরও দেশের এই শোচনীয় অবস্থা।
এতো গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয় নিয়ে লিখলাম,তার কি পরিমাণ পাঠক হওয়া উচিত ছিলো,কিন্ত পড়লো কয়জন?
অথচ সস্তা জিনিস দেখলে মানুষ ব্লগসহ সবজায়গায় হুমড়ি খেয়ে পড়ে।

১০| ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৩:০১

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




ফোন কল খেলোয়াড় ও গ্রুপ লিডার, গোপাল ভাড় সহ সাধু দরবেশদের পিন্জিরয়ার না নিয়ে তাদের ইতিহাস সহ মানুষটিকে মুছে দিলে ,,,, কথাগুলির অর্থ বুঝতে পারলাম না।

- আঞ্জুমান মফিদুল ইসলাম ও ঢাকা মেডিকেল মর্গ টিম সাথে রেখে কাজ করার সুযোগ থাকতে হবে। - দেশ ক্লিন করার সহজ হিসাব।

১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ রাত ২:৩৯

অনল চৌধুরী বলেছেন: ঠাকুর মাহমুদা ভাই,কঠিন কথা বুঝতে কষ্ট হয়।।
এদের সাথে নিয়ে দেশ পরিস্কার হবে কিভাবে??????

১১| ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৩:৪২

অজ্ঞ বালক বলেছেন: কোনো লাভ নাই। সর্বাঙ্গে ব্যাথা গো সই, ওষুধ দিমু কই কই!!!

১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ রাত ২:৪১

অনল চৌধুরী বলেছেন: প্রত্যেকে নিজে নিজেকে নীতি-আদর্শ-সততা মেনে চলার ওষুধ দিলে ব্যাথা ভালো হবে।

১২| ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৫:৫৭

রাজীব নুর বলেছেন: সৎ, নীতিবান, দেশপ্রেমিক মানুষ আমাদের দেশে একজনও নেই। বিশ্বাস করুন নেই।
যাদেরকে আমি সৎ, নীতিবান, দেশপ্রেমিক মনে করছেন- আসলে তারা একটা মূখোশ পড়ে আছে।

১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ রাত ২:৪৩

অনল চৌধুরী বলেছেন: আপনি কি ফেরেশতা চান?
তাহলে পাবেন না।
সৎ, নীতিবান, দেশপ্রেমিক মানুষ আমাদের দেশে একজনও নেই-একথা কিভাবে বলেন?
আমি নিজে এখনো ৯৫% সৎ,যে জীবনে কোনোদিন পরীক্ষায় নকল,চুরি,দুর্নীতি,প্রেমের নামে সুযোগ নেয়া-এসবের কোনোটাই করিনি।
নিজের জীবনের সব স্বার্থ ফেলে দেশের জন্য কাজ করছি।
যেখানেই অন্যায় দেখেছি,লেখা বা আইনগত ব্যবস্থা নিয়ে সাধ্যমতো অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই করেছি।
দেশের সংস্কৃতি জগতের নারী ব্যবসায়ী,নষ্ট-লম্পটদের মুখোশ খুলে দিতে গিয়ে ২০১৩ থেকে বইমেলায় নিষিদ্ধ হয়ে মানসিকভাবে চরম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি।
নিজের ক্ষমতার সবটা ব্যবহার করে মানুষকে সৎ-নীতিবান আর অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী করার চেষ্টা করেছি।
এর চেয়ে বেশী কি চান????
মানুষ তো ফেরেশতা না।
সবারই কিছু ভূল আছে।
কিন্ত এতোকিছু বাংলাদেশের ১৭ কোটি লোকের মধ্যে আর কে করেছে এরকম একটা নামে বলেন।

১৩| ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:১৭

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: কীভাবে হবে? খুবই সহজ। শুদ্ধ গণতন্ত্র। নেতা নির্বাচন হবে ভোটের মাধ্যমে। একদম তৃণমূল থেকে। শিক্ষক, ছাত্র, পেশাজীবি রাজনীতি বন্ধ করতে হবে। আইন সবার জন্য সমান হতে হবে। তারপর এই জাতি ধীরে ধীরে লাইনে আসবে...

১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ রাত ২:৫০

অনল চৌধুরী বলেছেন: এরশাদ,খালেদা ,আব্বাস,ফালু,সাদেক-আমান,সাইফুর,মোশারফের মতো দেশ সেরা চোরারা কিন্ত নিরপেক্ষ নির্বাচনে জয়ী হয়েই ক্ষমতায় এসেছিলো।
এদের মতো নেতা আবার আসলে কি লাভ হবে?????
আমি যেভাবে বলেছি,সেভাবে দেশে সৎ-নীতিবান লোকদের ক্ষমতায় আসার একটা সুযোগ করে দিতে হবে।

১৪| ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ রাত ১১:১৪

সোহানী বলেছেন: আমি দ্বিমত পোষন করছি আপনার ভাবনার সাথে। কারন, যে দেশে আইনের শাসনই দূ:স্বপ্ন সেখানে এরকম বিচার বর্হিভূত কোন বাহিনী কতটা কার্যকর হবে তা সন্দেহের অবকাশ রাখে। কারন যে নিয়োগ প্রাপ্ত হবে সে কি সে এলাকার মন্ত্রী এমপির লোকজনকে ধরতে পারবে বা তাদের বিরুদ্ধে কোন বিচার ব্যবস্থা নিতে পারবে???? খুবই কঠিন হবে সব বাধা ডিঙ্গিয়ে এ ধরনের লোকজনকে ধরা। কারন এরা সবাই ই কম বেশী পলিটিকেল ছত্রছায়ায় থাকে।

শুধু দরকার বিচার ব্যবস্থার স্বাধীনতা, আইনের শাসন ও দূর্নীতি বন্ধ। আমলারা নিজের জায়গায় কাজ করবে, চুরি করবে না, অন্যায় করবে না............. দেখবেন দেশ মালয়শিয়া বা সিঙ্গাপুর হয়ে গেছে।

বরং এ ধরনের বাহিনী অতীতেও ছিল কিন্তু ভালো কিছু কিন্তু আনতে পারেনি।........... তাই নয় কি!!!!!!!!

১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ রাত ৩:২৪

অনল চৌধুরী বলেছেন: আপনি আমার লেখা সম্পূর্ণ ভুল অর্থ করেছেন।
আমি কোনো বিচার বহির্ভূত বাহিনীর কথা বলিনি।
যেসব কর্মকান্ডের কথা বলেছি,তা এখনো বাংলাদেশের যেকোনো ব্যাক্তি করতে পারে যেমন দীর্ঘদিন ধরে করছি আমি।
শুধু তাদের সরকারী স্বীকৃতির কথা বলেছি,যেনো তার আরো উৎসাহের সাথে আইনী কাঠামোর আওতায় দেশসেবামূলক কাজ করতে পারে।
আমলারা নিজের জায়গায় কাজ করবে, চুরি করবে না, অন্যায় করবে না....এটা কে নিশ্চিত করবে????? স্বাধীনতার তো ৫০ বছর হয়ে গেলো।
কেউ কি দুর্নীতিমুক্ত হয়েছে না মাসে প্রায় ১ লাখ টাকা বেতন,৩০ লাখ টাকা দামের গাড়ি আর গাড়ি পালার জন্য প্রতিমাসে ৫০ হাজার টাকা পাওয়ার পরও আরো বেশী হারে দুর্নীতি করছে???????
ধরনের বাহিনী অতীতেও ছিল কিন্তু ভালো কিছু কিন্তু আনতে পারেনি- কোন বাহিনীর কথা বলছেন???
আমি তো কোনো বাহিনীর কথা বলিনি,শুধু বেতন-ভাতাহীন দেশপ্রেমিক স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগের কথা বলেছি।

১৫| ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ রাত ১১:৫২

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




সোহানী আপা, অনল চৌধুরী ভাই মধ্যরাতে আসবেন তিনি মধ্যরাতের ব্লগার। তাই আমি প্রক্সি দিচ্ছি; তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় এমনটি সম্ভব হয়েছিলো। নির্বাচিত সরকার সব ভন্ডুল করে দিয়েছেন। সরকার চাইলেই সম্ভব, সমস্যা হচ্ছে সরকার চাইবেন কিনা?

অনল ভাই, বাংলাদেশ পুলিশের কাছে এতো ইনফর্মেশন আছে যে, পুলিশের হাতের হাতকড়া খুলে দিলে ১৫-২৫ দিন পর বাংলাদেশে খড়ের গাদায় সুই খোঁজার মতো দূর্নীতি খুঁজতে হবে। দূর্নীতি নামটি রুপকথায় বইয়ে দিয়ে দেওয়া সম্ভব। সমস্যা হচ্ছে এটি কে চাইবেন ? বিলটি পাশ করবেন কে?

সোহানী আপা, আপনার বাসার সামনে দিয়ে অস্ত্রধারী দুজন পুলিশ টহল করে যাবে নাকি অস্ত্রধারী দুজন গুন্ডা বসে চা খাবে! - কোনটি আপনার চাওয়া। ব্লগার অনল চৌধুরীর প্রস্তাব right job by the wrong way. বাংলাদেশে বন্দুক যুদ্ধে নিহত গুন্ডাদের বিচারকার্যে নিয়ে প্রহসন হতো তারা বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছে এটি নাগরিক জীবনে স্বস্তি আর এটিই right job by the wrong way. এবং এটি বিশ্ব স্বীকৃত।


১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ রাত ৩:৩০

অনল চৌধুরী বলেছেন: ঠাকুর মাহমুদ ভাই,প্রশাসনের সব সংস্থার মধ্যে পুলিশবাহিনীই সবচেয়ে দ্রুত কার্যকরভাবে জনগণের সেবা করে।
কয়টা পুলিশ শিক্ষক,চিকিৎসক আর সংস্কৃতি জগতের লোকদের মতো নারী নির্যাতনে প্রতিযোগিতা করে????
অন্যান্য সব সংস্থায় কোনো অভিযোগ দিলে মাসের পর মাস ঘুরেও কোনো সমাধান পাওয়া যায় না।
কিন্ত একমাত্র রাজনৈতিক চাপ না থাকলে পুলিশ বেশীরভাগ সময়েই জনগণকে সাহায্য করে।

******এ্যামেরিকা নিয়ে রেখা কিন্ত আমাদের এ্যামেরিকা প্রবাসী মুরুব্বির মন্তব্য কই? ****

১৬| ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ রাত ৩:৪৩

সোহানী বলেছেন: সবই ঠিক আছে, " right job by the wrong way" বা গোয়েন্দা নিয়োগ অবশ্যই প্রয়োজনে স্বীকৃত পন্থা যার প্রয়োগ আমরা অতীতেও দেখেছি। কিন্তু আমার কাছে মনে হয় দেশে যা চলছে তার জন্য গোয়েন্দা বা কোন কিছুরই প্রয়োজন নেই। কারন কে কি করছে তার হিসেব নিকেশ সরকার পুলিশ বা সাধারন জনগন সবার কাছেই আছে। শুধু প্রয়োজন সরকারী সদিচ্ছা, সঠিক আইনী প্রয়োগ, আর কঠোর হস্তে দমন। .........

যে ঘুষ খায় তার কাছে ১ লাখ টাকা বেতন,৩০ লাখ টাকা দামের গাড়ি আর গাড়ি পালার জন্য প্রতিমাসে ৫০ হাজার টাকা সামান্য অর্থ মাত্র!!! এগুলো দিয়ে কি দূর্নীতি বন্ধ হয়েছে নাকি কমেছে????

আজ প্রকাশ্য দিবালোকে একটা রেপিস্টকে শাস্তি দেন, ঘুষখোরের কাজের ফিরিস্তি দেন আর নারী নির্যাতনকারীকে শাস্তি দেন.... দেখবেন কাল থেকে অপরাধ প্রায় শূণ্যের কোঠায় দাড়াবে বলেই বিশ্বাস করি।

১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ভোর ৪:৪০

অনল চৌধুরী বলেছেন: নারী নির্যাতনকারীকে শাস্তি দেন.... দেখবেন কাল থেকে অপরাধ প্রায় শূণ্যের কোঠায় দাড়াবে বলেই বিশ্বাস করি-কে দেবে??
কারো এতো সময় নাই।
নিউটনের গতিসূত্র পড়েছেন?????
প্রথম সূত্র: বাইরে থেকে কোন বস্তুর উপর প্রযুক্ত বল দ্বারা প্রয়োগ না করলে, স্থির বস্তু চিরকাল স্থির থাকবে এবং গতিশীল বস্তু চিরকাল সমবেগে সরলরেখায় বা সরল পথে চলতে থাকে।

দেশে ক্রসফায়ার না থাকলে কোন মেয়ে নিরাপদ থাকতো না।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.