নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সাহসী সত্য।এই নষ্ট দেশ-জাতি-সমাজ পরিবর্তনের প্রচেষ্টাকারী একজন নিস:ঙ্গ যোদ্ধা।বাংলাদেশে পর্বত আরোহণের পথিকৃত।

অনল চৌধুরী

লেখক,সাংবাদিক,গবেষক,অনুবাদক,দার্শনিক,তাত্ত্বিক,সমাজ সংস্কারক,শিক্ষক ও সব অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী যোদ্ধা

অনল চৌধুরী › বিস্তারিত পোস্টঃ

বাংলাদেশের মিডিয়া জগতের লম্পটদেরও এই অবস্থাই হবে

১৩ ই মার্চ, ২০২০ রাত ১২:৫৩

Click This Link




হলিউডে #মিটু আন্দোলনের জন্মদাতা এবং ধর্ষক প্রযোজক হার্ভে ওয়েনস্টেইনকে ২৩ বছরের কারাবাসের সাজা দিয়েছে আমেরিকার নিউ ইয়র্কের আদালত। ১১ মার্চ তার সাজা শোনানো হবে বলে আগেই জানিয়েছিল আদালত। সেই মতো বুধবার ঘোষণা হয় হার্ভের সাজা। এদিন হুইলচেয়ারে বসে হাতকড়া পড়া অবস্থায় আদালতে উপস্থিত হয়েছিলেন একাধিক ধর্ষণ ও যৌন হেনস্তা মামলার আসামি হার্ভে।

গত ২৫ ফেব্রুয়ারি হলিউডের একসময়ের এই প্রভাবশালী প্রযোজককে ধর্ষণ ও যৌন হেনস্তার দায়ে দোষী সাব্যস্ত করেছিল নিউ ইয়র্কের আদালত। এর পরই তাকে আটক করে নিজেদের হেফাজতে নেয় কর্তৃপক্ষ। সেদিনই জানানো হয়েছিল, কমপক্ষে পাঁচ বছর থেকে সর্বোচ্চ ২৫ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে হার্ভের। হয়েছেও তাই। হার্ভেকে দেয়া হয়েছে ২৩ বছরের কারাদণ্ড। এর ফলে দীর্ঘ লড়াইয়ের পর বড় সাফল্যের মুখ দেখল #মিটু আন্দোলন।

বিশ্বজুড়ে তৈরি হওয়া #মিটু ঝড়ে প্রথম বিদ্ধ হলেন সম্ভবত হার্ভে ওয়েনস্টেইনই। প্রথমে এক মডেল-অভিনেত্রী সাহস করে তার বিরুদ্ধে মুখ খুলেছিলেন। সেটা সাহস জুগিয়েছিল বাকিদের। এরপর একে একে ৩০ জনের বেশি নারী হার্ভের কুকীর্তি প্রকাশ করেন। তাদের মধ্যে অ্যাশলে জুড, রোজ ম্যাকগোয়ানের মতো অভিনেত্রীরাও আছেন। যদিও প্রথম থেকে সব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছিলেন হার্ভে। কিন্তু বেলাশেষে সমস্ত তথ্য প্রমাণ তার বিরুদ্ধেই গেছে।

ক্ষমতার অপব্যবহার করে বহু নারীর সঙ্গে হার্ভে ওয়েনস্টেইন অশ্লীল আচরণ করেছেন বলে অভিযোগ ছিল। সিনেমায় কাজের সুযোগ পাইয়ে দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে নতুন অভিনেত্রীদের নাকি তিনি নিয়মিত হোটেল রুমে ডাকতেন। সেখানে তাদের নানাভাবে হেনস্তা করতেন হার্ভে। জোরপূর্বক কয়েকজনের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কও গড়েছিলেন দণ্ডপ্রাপ্ত এই প্রযোজক। হেনস্তা ও ধর্ষণের শিকার সেসব নারীরাই মুখ খুলেছেন হার্ভের বিরুদ্ধে।

গত ৬ জানুয়ারি হার্ভের বিরুদ্ধে ওঠা একাধিক অভিযোগের বিচার শুরু হয় নিউ ইয়র্কের আদালতে। বুধবার সেসব মামলার রায় ঘোষণা করেছে জুরি বোর্ড। এর মধ্যে ২০০৬ সালে মিমি হ্যালেইকে যৌন নির্যাতন এবং ২০১৩ সালে জেসিকা মানকে ধর্ষণের অভিযোগে হার্ভেকে দোষী সাব্যস্ত করে ২৩ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে মার্কিন আদালত। তবে নিষ্কৃতি পেয়েছে যৌন আঘাতের মতো গুরুতর অভিযোগ থেকে।
**************************************

বাংলাদেশের মিডিয়া জগতের সব লম্পট,নারী ব্যবসায়ী,পতিতা সর্দারনীদেরও আর কিছুদিন পর এই পরিণতিই হবে।
কোনো বড় পুরস্কারের আড়ালে লুকিয়ে তারা রক্ষা পাবে না।
কারণ তাদের সব অপকর্মের প্রমাণ আছে।

মন্তব্য ৩০ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (৩০) মন্তব্য লিখুন

১| ১৩ ই মার্চ, ২০২০ রাত ১:২৫

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




মিডিয়ায় জড়িত সকল নারী পুরুষ লম্পট। কোনো সন্দেহ আছে?
জনৈক ভদ্রবেশী ছোটবাবু ও হাফপেন্ট মার্কা চেহারার অধিকারী অভিনেতা ও প্রকৌশলী ও তার স্ত্রী অভিনেত্রী ও আর্ট কলেজের মগ্গা ছাত্রী (বৃদ্ধ টাকলু অভিনেতার মেয়ে) সোয়েডেন প্রবাসী আপন বোন ও বোনের স্বামীর ৬ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে “তারার বাড়ি” নামক কটেজ হোটেল প্রজেক্ট করার নামে। তারার বাড়ি কটেজে চলছে লাম্পট্য দিনের পর দিন।

১৩ ই মার্চ, ২০২০ রাত ১:৩১

অনল চৌধুরী বলেছেন: এসব না করার কারণে আমি মিডিয়ায় অশ্পৃশ্য।!!!!
পূবাইলের অনেক শুু্যটিং বাড়িতেই পুলিশ অভিযান চালিয়েছে।
কিন্ত পাপিয়ার মতো ফাদে না পড়ায় চুনো-পুটিগুলি ধরা পেড়েছে আর রাঘব-বোয়ালরা মহা-আনন্দে আছে।
তবে কর্তৃপক্ষের স্বার্থে সবাইকে নাম উল্লেখ করে কোনো মন্তব্য না করার জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।

২| ১৩ ই মার্চ, ২০২০ রাত ২:৫২

ভুয়া মফিজ বলেছেন: বাংলাদেশের মিডিয়া জগতের লম্পটদেরও এই অবস্থাই হবে সম্ভাবনা কম।

আমেরিকায় একবার কুকীর্তি ফাস হয়ে গেলে সেখান থেকে বের হয়ে আসা যায় না, সেখানকার শক্ত আইনের শাসনের কারনে। দেশে কি সেই অবস্থা বিরাজমান? এখানে টাকা আর ক্ষমতা দিয়ে যে কোনও কিছুই বদলে দেয়া যায়......এমনকি বিচারকের রায়ও!!!

১৩ ই মার্চ, ২০২০ দুপুর ২:০৯

অনল চৌধুরী বলেছেন: এরশাদ-খালেদা-বাবর-কেউই কি বিচার ছাড়া রক্ষা পেয়েছে?
মিডিয়ার লম্পট,নারী ব্যবসায়ী,পতিতা সর্দারনীদের চেয়ে তারদন টাকা আর ক্ষমতা -সব কিছুই অনেক বেশী ছিলো।
ধর্মের কল বাতাসে নড়ে,সেটা জানেন তো!!!

৩| ১৩ ই মার্চ, ২০২০ ভোর ৫:০১

চাঁদগাজী বলেছেন:


বিচারের অবস্হা বুঝে সে হুইলচেয়ার ব্যবহার শুরু করেছে, ওর আসল অবস্হা অত খারাপ নয়।

১৩ ই মার্চ, ২০২০ দুপুর ২:১১

অনল চৌধুরী বলেছেন: হতে পারে,কিন্ত তাতে কি এ্যামেরকার কঠিন আইনের শাস্তি থেকে রক্ষা পাবে?
ওর বাকী জীবন কারাগারেই কাটবে।

৪| ১৩ ই মার্চ, ২০২০ ভোর ৫:৩৪

খায়রুল আহসান বলেছেন: পুরুষ নারী নির্বিশেষে সকল লম্পটদের মুখোশ উন্মোচিত হোক, সুষ্ঠু বিচারে তাদের উপযুক্ত শাস্তি হোক!

১৩ ই মার্চ, ২০২০ দুপুর ২:১৬

অনল চৌধুরী বলেছেন: নষ্ট নারী-পুরুষ-কেউই রক্ষা পাবে না।
সবারই শাস্তি হবে।

৫| ১৩ ই মার্চ, ২০২০ সকাল ১১:০৮

নেওয়াজ আলি বলেছেন: দেশে টাকা যার ক্ষমতা তার। আইনও তার ।

১৩ ই মার্চ, ২০২০ দুপুর ২:১৯

অনল চৌধুরী বলেছেন: শক্তিশালী প্রতিবাদ হলে কোনো ধনী বা শক্তিশালীরাই রক্ষা পায় না।
এতো টাকা থাকার পরও আপন জুয়েলার্সের মালিক,তার ভাই আর ছেলেরা কি রক্ষা পেয়েছে?

৬| ১৩ ই মার্চ, ২০২০ দুপুর ১:১১

রাজীব নুর বলেছেন: মিডিয়া জীবন বড় জঘন্য।

১৩ ই মার্চ, ২০২০ দুপুর ২:০৮

অনল চৌধুরী বলেছেন: অবশেষে একথা বলছেন।
এজন্যই আপনার আর আমার মতো নীতিবান লোক সব যোগ্যতা থাকার পরও এই জগতে সফল হতে পারিনি।
কারণ আমরা মিডিয়ায় সফল হওয়ার জন্য মেয়ের দালালি করার মতো জঘণ্য কাজ করতে ঘৃণাবোধ করি।

৭| ১৩ ই মার্চ, ২০২০ দুপুর ২:৪৩

টারজান০০০০৭ বলেছেন: হার্ভের শাস্তি হইয়াছে ভালো খবর। আমাদের দেশেও এমন হার্ভে আছে সন্দেহ নাই। তবে যাহারা অভিযোগ করিতেছেন তাহাদেরও বোধ হওয়া উচিত, আগুনের মধ্যে যাইয়া গরমের অভিযোগ করা কতটুকু যুক্তিযুক্ত হইতে পারে ! উচিত তো ছিল না ই যাওয়া ! কাস্টিং কাউচের অভিযোগ আজকের নহে ! চার্লি চ্যাপলিনের মতন নামকরা অভিনেতার বিরুদ্ধেও আছে ! জগৎটাই আকামের , তাইতে আকাম তো হইবেই !!

১৩ ই মার্চ, ২০২০ বিকাল ৩:১৮

অনল চৌধুরী বলেছেন: জগৎ আকামের না।
জগৎ পৃথিবীর সেরা মেধাবী,শিক্ষিত,জ্ঞানী,গুণী,সমাজ পরিবের্তনে আগ্রহী মহান ব্যাক্তিদের।কিন্ত নষ্ট করছে এইসব নোংরা -নীচরা।
নারীরা অভিনয় করতে চাইলেই তাদের অসন্মান করতে হবে,এমন কথা কোথায় আছে?
শিক্ষক-চিকিৎসক-আইনজীবি কে সাধু?
নষ্টদের হাত থেকে পবিত্র স্থানের ভিতরে ছেলে শিশুরাও তো নিরাপদ না।
এসব দোষ কি মিডিয়ার?

২০১৬ সালের আগষ্টে আমি আর এক সাবান সুন্দরী কিছুক্ষণ এক কক্ষে একা ছিলাম।
ওই নাটকের শুটিং-এ পরিচলক আর এক প্রবীণ টিভি অভিনেতা সবার সামনে বারবার প্রকাশ্যে তার শরীরে হাত দিয়ে বিকৃত আনন্দ পাচ্ছিলো
কিন্ত এক কক্ষে থাকার পরও আমি তার দিকে তাকাইওনি।
এ ব্যাপারটা তার কাছে ছিলো অষ্টম আশ্চর্য।
পরদিন সকালে সে আমাকে প্রেমের প্রস্তাব দেয়।
আমি সাধু-সন্ন্যাসী না। কিন্ত কোনো নারীর অসন্মান করার কথা আমি চিন্তাও করতে পারিনা। তাই তাদের মর্যাদার জন্য লড়াই করি।

৮| ১৩ ই মার্চ, ২০২০ বিকাল ৪:৪৩

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
আমার জানামতে দুই নারী বাংলাদেশের দুই মিডিয়া ব্যক্তিৎত্বের বিরুদ্ধে
মুখ মিটু আন্দোলনে খুলেলেও তার ব্যাপক প্রচার পায়নি। ইতিমধ্যে একজন
প্রয়াত। তাকেএখনো দেবতাজ্ঞানে পূঁজা করা হয়। অন্যজন রয়েছেন ধরছোঁয়ার
বাইরে। উল্টো ভিক্টিম দেশ ছাড়া। আমাদের দেশে এমন বিচার হবার সম্ভবনা ক্ষীণ।

১৪ ই মার্চ, ২০২০ রাত ২:২৪

অনল চৌধুরী বলেছেন: এখানকার বেশীরভাগ মেয়ের মধ্যে এ্যামেরিকার নির্যতিতদের মতো সততা নাই।
এরা স্বামী-সন্তানের সামনে প্রকাশ্যে পরকিয়া করে বেড়ায় কিন্ত নিজের উপর হওয়া নির্যাতনের বর্ণনা দিতে লজ্জা পায়।
এজন্যই ওইসব লম্পটরা রক্ষা পায়।আবার মিডিয়ার লম্পট-নারী ব্যবসায়ী চক্রের মধ্যেও আছে পরিচিত কিছু নষ্টা নারী।

এক বেসরকারী চ্যানেলের ব্যবস্থাপক আসলাম শিকদারে বিরুদ্ধে ২০১৮ সালে হাতির ঝিল থানায় এক নারী ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করলে তাকে আটক করে পুলিশ আদালতের নির্দেশে কারাগারে পাঠায়।
কিন্ত উচ্চ আদালতের নির্দেশ লংঘণ করে তাকে এক মহিলা বিচারক জামিন দেয়ায় সেই বিচারককে সশরীরে আদালতে তলব করা হয়েছে।
এভাবে সব ক্ষেত্রেই নারীরা নারীদের ক্ষতি করছে।
এই যে আমি যুগের পর যুগ নারীর সন্মান আর মর্যাদা রক্ষার জন্য লিখছি,কয়টা মেয়ে এজন্য আমাকে অভিনন্দন জানিয়েছে???
যদিও আমি এজন্য লিখি না,লিখি তাদের সমান অধিকারের জন্য।

৯| ১৩ ই মার্চ, ২০২০ রাত ১১:০২

রাজীব নুর বলেছেন: আমার মন্তব্যের সুন্দর উত্তর দেওয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। আন্তরিক ধন্যবাদ।

১৪ ই মার্চ, ২০২০ রাত ২:০৬

অনল চৌধুরী বলেছেন: ধন্যবাদ।
এখানে শ্রদ্ধেয় চাদগাজী,ঠাকুর মাহমুদ ভাই,আপনি,টারজান ০০৭-এই কয়েকজন দীর্ঘদিন ধরে আমার ঘনিষ্ট।
এখন আরো অনেকে এই তালিকায় যুক্ত হয়েছেন।
কিন্ত পুরানো সম্পর্ককে আমি সবসময় সম্মান করি।

১০| ১৪ ই মার্চ, ২০২০ রাত ২:৩৬

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




রুপালী পর্দা অর্থই হচ্ছে নোংরামী। এখানে ভালো কিছু আশা করা ভুল। আর এই পথে যিনি যাবেন তিনি জেনে শুনে বুঝেই পদক্ষেপ করেন - কারণ সহজ আয়!!!

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন: আমার জানামতে দুই নারী বাংলাদেশের দুই মিডিয়া ব্যক্তিৎত্বের বিরুদ্ধে মুখ মিটু আন্দোলনে খুলেলেও তার ব্যাপক প্রচার পায়নি। ইতিমধ্যে একজন প্রয়াত। তাকেএখনো দেবতাজ্ঞানে পূঁজা করা হয়। অন্যজন রয়েছেন ধরছোঁয়ার বাইরে। উল্টো ভিক্টিম দেশ ছাড়া। আমাদের দেশে এমন বিচার হবার সম্ভবনা ক্ষীণ। - কে? তসলিমা নাসরিন কি? তসলিমা নাসরিন কি আর #মিটু করবে? তসলিমা নাসরিনের অত্যাচারে সমগ্র ভারত দেশ একদিন #মিটু করবে !!!

১৪ ই মার্চ, ২০২০ ভোর ৪:১১

অনল চৌধুরী বলেছেন: তিনি তসলিমার কথা বলেন নি।

নাসরিন কি? তসলিমা নাসরিন কি আর #মিটু করবে? তসলিমা নাসরিনের অত্যাচারে সমগ্র ভারত দেশ একদিন #মিটু করবে !!! -কথাটা শুনে আনন্দ পেলাম !!!!!

১১| ১৪ ই মার্চ, ২০২০ রাত ৩:০৭

সোহানী বলেছেন: মি টু আনন্দোলন নিয়ে প্রথম লিখেছিলাম #MeToo...মেয়ে তুমি একা নও, আমি ও আছি।

যাহোক, হার্ভের শাস্তি হয়েছে বলে আমাদের খুশির কোন সুযোগ নেই। কারন আমাদের আইন শৃংখলা ব্যবস্থা এমন পর্যায়ে পৈাছায় নাই যে লম্পটদের কোন শাস্তি হবে। তাকায়ে দেখেন ভারতে, মি টু নিয়ে আনন্দোলন যে নেমেছে তারই বিরুদ্ধে উল্টা ব্যবস্থা হয়েছে। আর নূর ভাই এর পোস্ট এ তো দেখলাম দেশেরই এ অবস্থা। আমাদের দেশে আলু পটলের মতো মেয়েদের দাম সেখানে বিচার পাওয়া খুব কঠিন।

তারপরও বলবো, এটি একটি বিশাল পাওয়া। যেটা আগে অলিখিত এ্যাক্সসেপ্টেড ছিল সেটা এখন আর নাই। হার্ভের মতো লম্পটরা একটু ভাববে কোন কুকাম করার আগে।

১৪ ই মার্চ, ২০২০ ভোর ৪:১৬

অনল চৌধুরী বলেছেন: বেশীরভাগ মেয়ের মধ্যে এ্যামেরিকার নির্যতিতদের মতো সততা নাই।
অনেকে প্রকাশ্যে পরকিয়া করে বেড়ায় কিন্ত নিজের উপর হওয়া নির্যাতনের বর্ণনা দিতে লজ্জা পায়।
এক বেসরকারী চ্যানেলের ব্যবস্থাপক আসলাম শিকদারে বিরুদ্ধে ২০১৮ সালে হাতিরঝিল থানায় এক নারী ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করলে তাকে আটক করে পুলিশ আদালতের নির্দেশে কারাগারে পাঠায়।
কিন্ত উচ্চ আদালতের নির্দেশ লংঘণ করে তাকে এক মহিলা বিচারক জামিন দেয়ায় সেই বিচারককে সশরীরে আদালতে তলব করা হয়েছে।
এভাবে সব ক্ষেত্রেই নারীরা নারীদের ক্ষতি করছে।
এই যে আমি যুগের পর যুগ নারীর সন্মান আর মর্যাদা রক্ষার জন্য লিখছি,কয়টা মেয়ে এজন্য আমাকে অভিনন্দন জানিয়েছে???

আপনি ২৮শে অক্টোবর লিখেছিলেন এজন্য ধন্যবাদ।
কিন্ত আমি লিখেছিলাম ১৮ই অক্টোবর,২০১৮ তে।
সেটাই ছিলো মি টু নিয়ে বাংলাদেশের প্রথম লেখা।https://www.somewhereinblog.net/blog/AnolChowdhury/30257628

১২| ১৪ ই মার্চ, ২০২০ ভোর ৪:৩৮

সোহানী বলেছেন: প্রথম লিখার জন্য ধন্যবাদ তবে আমি লিখেছিলাম ২৮শে অক্টোবর ২০১৭ ;) । আমি আপনার লিখা পড়তে যাচ্ছি।

১৩| ১৪ ই মার্চ, ২০২০ ভোর ৪:৪৬

সোহানী বলেছেন:

১৪| ১৪ ই মার্চ, ২০২০ ভোর ৪:৫৬

সোহানী বলেছেন: মি টু আন্দোলন নিয়ে আমার মনে হয় ২/৩ টা লেখা ড্রাফট্ এ পড়ে আছে শেষ করতে পারিনি। প্রথম থেকেই আমি এ আন্দোলনকে ফলো করে আসছি। বিশেষ করে কানাডায় এর মারাত্বক প্রভাব পরে এবং ছবি পাড়ায় তোলপাড় হয়। অনেকগুলো কেইস হয়। যদিও কানাডায় মেয়েদের আইন অনেক অনেক সুরক্ষিত যেটা আমেরিকা বা অন্যান্য দেশ থেকেও। তারপরও চলে নির্যাতন। তবে এর বিপরিতে সাহায্যের হাত কিন্তু অনেক বেশী।

আপনি লিখতে থাকুন প্লিজ, আপনাদের লিখা এ দেশে বড়ই দরকার। বিশেষ করে পুরুষদের থেকে এ ধরনের লিখা বিশাল কিছুতো বটেই।

১৫ ই মার্চ, ২০২০ রাত ২:০২

অনল চৌধুরী বলেছেন: ক্যানাডার রাজনীতির খবর ছাড়া সংস্কৃতি জগতের খবর এদেশে খুব বেশী প্রকাশিত হয় না।
তাই সেখানকার আন্দোলন সম্পর্কে আপনি বলা আগে জানতে পারিনি।
মেয়েদের সন্মান,মর্যাদা আর অধিকার নিয়ে লেখার কারণে মিডিয়ার এই নারী ব্যবসায়ী লম্পট চক্র ২০১৩ থেকে বই মেলায় আমার অংশগ্রহণ নিষিদ্ধ করা মাধ্যমে আমার লেখক জীবন ধ্বংসের সব পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেছিলো ।
কিন্ত ফল হয়েছে উল্টো।
আগে একমাসে যতো মানুষ আমার লেখা পড়তো,এখন প্রায় প্রতিদিন তারচেয়ে বেশী মানুষ অনলাইনের বিভিন্ন মাধ্যমে পড়ে।
গত ২০ বছর ধরে মিডিয়ার সাথে যুক্ত আছি।
খুব ইচ্ছা ছিলো কিছু ভালো ছবি বানাবো।
কিন্ত চোখের সামনে মেয়েদের অসন্মান দেখে প্রতিবাদ করার কারণে বারবার এই জগতের নিয়ন্ত্রক লম্পট চক্রের সাথে দ্বন্দ্ব হয়েছে।
তাই আজ পর্যন্ত ছবি বানাতে পারলাম না।
কিন্ত আমার অভিনেতা বা পরিচালক হওয়ার চেয়ে একটা মেয়ের সন্মান আমার কাছে অনেক মূল্যবান

১৫| ১৪ ই মার্চ, ২০২০ সকাল ১০:৪০

নীল আকাশ বলেছেন: অপরাধীরা শাস্তি পাবে সেটাই নিয়ম। কিন্তু আসলে কী তাই হয়?
ভারতে নানা পাটেকার সহ বেশ কয়েকজন পরিচালকের বিরুদ্ধে একই নোংরামীর অভিযোগ উঠলেও কোন কিছুই হয় নি।
দেশে এক প্রবাসী মডেল দেশে একজন শিল্পপতির প্রায় ধর্ষনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করলে উল্টো তাকেই দেশ ছাড়া হতে হয়েছে।
তবে মিডিয়ার মেয়েদের সবাই কিন্তু ভালো নয়। কিছু কিছু মেয়ে এই লাইনে যায় শুধুমাত্র দেহ বিক্রি করে চান্স পাবার জন্য। এদের জন্যই বাকি মেয়েরা বিপদে পরে।

১৫ ই মার্চ, ২০২০ রাত ২:০৪

অনল চৌধুরী বলেছেন: খারাপ নারীদের জন্য মিটু না। এরকম মিডিয়ায় অনেক আছে।
যারা নিজেরা সন্মান নিয়ে মিডিয়ায় কাজ করতে চায়,শুধু তাদের জন্য।

১৬| ১৪ ই মার্চ, ২০২০ বিকাল ৩:৫৩

অজ্ঞ বালক বলেছেন: মি টু নিয়া আমার একটাই সমস্যা। হাউ ডু উই প্রুভ এ ক্রাইম কমিটেড ইয়ারস এগো উইথাউট কন্ট্রোভার্সি। নাকি ব্যাপারটা এমন, যে মেয়েরা যেহেতু বলছে তারা নির্যাতিত হইছে কাজেই নিশ্চয়ই সত্যি বলছে? শুরুর কেসগুলা এমন ছিলো না। কিন্তু, দিনশেষে আমেরিকায় বা পাশ্চাত্যে না হইলেও, পাশের দেশ ইণ্ডিয়াতেই জিনিসটার মিস-ইউজ হইতে দেখছি। ব্যাপারটা এমন, যে কথা তুলা যায় না। তুললেই পুরুষবাদী বইলা একটা দুর্নাম গায়ে লাইগা যাইতে পারে।

১৫ ই মার্চ, ২০২০ রাত ২:০৬

অনল চৌধুরী বলেছেন: বাংলাদেশে বিষয়টা কঠিন বা কিন্ত এ্যামেরিকায় যতো বছর আগেই হোক,অপরাধ প্রমাণের পদ্ধতি আছে।
না হলে ওই বড় লম্পটের এতোবছর পর কারাদন্ড হতো না।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.