নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সাহসী সত্য।এই নষ্ট দেশ-জাতি-সমাজ পরিবর্তনের প্রচেষ্টাকারী একজন নিস:ঙ্গ যোদ্ধা।বাংলাদেশে পর্বত আরোহণের পথিকৃত।

অনল চৌধুরী

লেখক,সাংবাদিক,গবেষক,অনুবাদক,দার্শনিক,তাত্ত্বিক,সমাজ সংস্কারক,শিক্ষক ও সব অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী যোদ্ধা

অনল চৌধুরী › বিস্তারিত পোস্টঃ

দাস মানসিকতা থেকে মুক্তি আসবে কবে ?

১৪ ই মার্চ, ২০২০ রাত ২:৪৯



বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে যে ইংরেজদের গোলামীর যুগের রীতি-নীতি ধরে রাখার আগ্রহ কতোটা তার প্রমাণ পাওয়া যায় এদেশের ক্ষমতাবান কিছু নেতা, অনেক সরকারী কর্মচারীর সেবার পরিবর্তে জনগণের প্রতি প্রভূসুলভ আচরণ আর আইনজীবি এবং বিচারকদের পোষাক থেকে।

প্রচন্ড গরমের মধ্যেও তাদের শীতপ্রধান ইংল্যান্ডের লোকদের মতো শার্ট-কোট-গাউন পরে থাকতে হয়।

বিচারকদের পোষাক তো আরো বিচিত্র।

অথচ বাংলাদেশের মতোই ইংরেজদের উপনিবেশ হওয়ার পরও এ্যামেরিকানরা ইংরেজদের এইসব নিকৃষ্ট রীতি-নীতি ঘৃণার সাথে প্রত্যাখান করেছে।

সেখানে আইনজীবিরা তাদের ইচ্ছামতো যেকোনো পোষাক পরতে পারে।
তাদের জন্য নির্দিষ্ট কোনো পোষাক নির্ধারিত নাই।

সেখানে বাদী-বিবাদী সবাই কাঠগড়ায় বিচারকের সামনে চেয়ারে বসতে পারে। দাড়িয়ে থাকতে হয় না।

উচ্চ আদালতের অবস্থা দেথে মনে হয়,ওখানে কোনো বাংলা জানা লোক নাই।
প্রায় সব কার্যক্রম আর রায় লেখা-সবই হয় ইংরেজীতে। নীম্ন আদালতের বিচারকরা বাংলায় রায় লিখতে পারলে তারা পারেন না কেনো?

দেশের রাষ্ট্রভাষা তো বাংলাই,ইংরেজী না।

এ্যামেরিকানরা কোনো ক্ষেত্রেই ইংরেজদের অন্ধ অনুসরণ করেনি, যেমন করছে নকল সুপারিশ বা মুখস্থবিদ্য্যর মাধ্যমে উকিল আর বিচার কর্মচারী হওয়া বাংলাদেশের আইন-অঙ্গনের সংখ্যাগরিষ্ঠ মেধাহীন গন্ডমূর্খরা।

তবে পোষাকের মতো নিয়ম-শৃংখলা মেনে চলা,আদালত-অঙ্গনকে দুর্নীতিমুক্ত রাখার মতো ইংরেজদের ভালো জিনিসগুলি মানার কোনো আগ্রহ কারো মধ্যে দেখা যায় না।

মূলত পরাধীন যুগের দাস মানসিকতা থেকে মুক্ত হতে না পারাই বাংলাদেশের অনেক সমস্যার মূল কারন।

মন্তব্য ১৮ টি রেটিং +৩/-০

মন্তব্য (১৮) মন্তব্য লিখুন

১| ১৪ ই মার্চ, ২০২০ রাত ৩:০৫

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: এদেশের ক্ষমতাবান কিছু নেতা,সরকারী কর্মচারীর সেবার পরিবর্তে জনগণের
প্রতি প্রভূসুলভ আচরণ আর আইনজীবি এবং বিচারকদের পোষাক থেকে।

...............................................................................................................................
দেশে র প্রার্থিত পরিবর্তন আসবে শুশীল সমাজ থেকে , আমাদের কি সেরকম উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন
তেমন ফোরাম আছে ? যারা আছেন সবাই বাতাস/বৃষ্টি বুঝে ছাতা ধরেন ।

১৪ ই মার্চ, ২০২০ রাত ৩:০৮

অনল চৌধুরী বলেছেন: হাতে গোণা যে কয়েকজন জন এখনো আছেন, কয়েক বছর পর তারাও হয়তো আর থাকবেন না।

২| ১৪ ই মার্চ, ২০২০ রাত ৩:২২

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




কোর্টের পোষাক আসলেই ক্লাউনের মতো। তবে ইংরেজি ভাষার সাথে তো আমাদের কোনো সমস্যা নেই। আমাদের সমস্যা হয়েছে উর্দু ভাষার সাথে।

১৪ ই মার্চ, ২০২০ রাত ৩:৪৯

অনল চৌধুরী বলেছেন: জ্ঞান অর্জন ছাড়া আদালতের কার্যক্রমে বা যেকোনো ক্ষেত্রে অপ্রয়োজনে ইংরেজী কি দরকার?

৩| ১৪ ই মার্চ, ২০২০ রাত ৩:৫৮

খায়রুল আহসান বলেছেন: নিজস্ব কৃষ্টি অনুযায়ী পোষাকে পরিবর্তন আনা যেতে পারে।
উচ্চ আদালতের রায়গুলো অনেক সময় বিশ্বের অন্যান্য দেশের আদালতগুলোর বিচারকগণও পর্যবেক্ষণ করে থাকেন। এজন্য সেগুলো ইংরেজীতে রাখা যেতে পারে বলে মনে করি। তবে বাদী/বিবাদী চাইলে রায়ের বাংলা অনুবাদ স্বল্প মূল্যে আদালত থেকে একটা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সরবরাহ কর উচিত।

১৪ ই মার্চ, ২০২০ ভোর ৪:০৪

অনল চৌধুরী বলেছেন: বাংলা রায় ইংরেজীতে অনুবাদ করলে সমস্যা কি?
বাংলাদেশ বা বিশ্বের সব ঘটনা তো অনুবাদের মাধ্যমেই সব দেশের গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়।

৪| ১৪ ই মার্চ, ২০২০ ভোর ৫:০১

সোহানী বলেছেন: গোলামী করার মানসিকতা ছাড়তে পারিনা :P । তবে তারচেয়েও বড় কথা কেউই উদ্যোগী হয়নি এখনো..........

১৫ ই মার্চ, ২০২০ রাত ১:৩০

অনল চৌধুরী বলেছেন: আপনার সম্ভবত মনে আছে,১৯৯০ এর দশকে অইন বিষয়ক হলিউডি টিভি ধারাবাহিক এলএ ল, ল এন্ড অর্ডার এবং ডার্ক জাষ্টিস ছবিতে নিয়মিত এ্যামেরিকার আদালতে বিচার সংক্রান্ত কার্যক্রম দেখানো হতো।

তখনই এদেশের সচেতন ব্যাক্তিরা আইনজীবিদের জন্য এদেশের আবহাওয়া উপযোগী পোষাক পরা নিয়ে পত্রিকায় লিখতে থাকেন।

কিন্ত এদেশের বিলাত ফেরত গোলামী মানসিকতার কর্তা ব্যাক্তিদের কারণে আইনজীবিদের পোষাক বা আদালতে বসার ব্যাপারে কোনো সিদ্ধান্ত না নিয়ে গোলামীর আমলের নিয়মগুলিই অব্যাহত রাখা হয়েছে।

৫| ১৪ ই মার্চ, ২০২০ সকাল ৯:১৮

রাজীব নুর বলেছেন: এটা কোনো সমস্যা না। উচ্চ আদালতে বাংলার বদলে ইংরেজি ভাষা ব্যবহার করে এটাও কোনো সমস্যা না।

১৫ ই মার্চ, ২০২০ রাত ১:৩৪

অনল চৌধুরী বলেছেন: সমস্যা না কেনো?
ইংরেজরা কি রোমান ভাষায় আাদালতের কার্যক্রম চালায় না জার্মান বা ফরাসীরা ইংরেজীতে?
বাংলাদেশের রাষ্ট্রভাষা কি?
ইংরেজী ভাষা এসছে গোলামীর সূত্রে।
শুধু খুব প্রয়োজন না হলে কেনো বিদেশী ভাষা ব্যবহার করাই গৌরবের না,চরম লজ্জার।
সংবিধানে সব ক্ষেত্রে বাংলা ব্যাবহারের নির্দেশ দেয়া আছে।

৬| ১৪ ই মার্চ, ২০২০ সকাল ১১:০৩

নেওয়াজ আলি বলেছেন: বাংলার সাথে সাথে সব ভাষা থাকা দরকার ।

১৫ ই মার্চ, ২০২০ রাত ১:৩৯

অনল চৌধুরী বলেছেন: কেনো?
বাংলাদেশ তো ভারত,মালয়শিয়া,সিঙ্গাপুর,ক্যানাডা বা সুইজারল্যান্ডের মতো বহুজাতিক দশ না যে ২/১০ টা সরকারী ভাষা থাকতে হবে।
এ্যামেরিকার মতো বহুজাতিক দেশের জাতীয় ভাষাও কিন্ত শুধু ইংরেজী।
এদেশে চীন,জাপান আর ব্রাজিলের পর সবচেয়ে বড় এক জাতি আর এক ভাষার দেশ।

৭| ১৪ ই মার্চ, ২০২০ বিকাল ৩:০৩

অজ্ঞ বালক বলেছেন: চমৎকার পোস্ট। এইটা নিয়া বিশাল আকারে আলোচনা করা যাইতে পারে। আমি আপনার মতের পক্ষে এবং কোট-প্যান্ট আর ঐ জবরজং পোষাকের বিপক্ষে। কিন্তু, দাপ্তরিক ভাষা এখন বাংলা না? নাকি বিচার বিভাগ এই নিয়মের আওতামুক্ত?

১৫ ই মার্চ, ২০২০ রাত ১:৪৭

অনল চৌধুরী বলেছেন: ধন্যবাদ।
১৯৭৫-এর পর থেকেই বাংলাদেশের সরকারী পর্যায়ে ইংরেজীর ব্যবহার বেশী।
আর বেসরকারী ক্ষেত্রে তো বাংলা অচ্ছুৎদের ভাষা !!!
অথচ এসব করছে বাংলাদেশের লোকরাই সেন বংশ,তুর্কি,মোগল,পাঠান,ইংরেজ বা পাকিস্তানীরা না।

৮| ১৪ ই মার্চ, ২০২০ বিকাল ৩:৩৮

ভুয়া মফিজ বলেছেন: মূলত পরাধীন যুগের দাস মানসিকতা থেকে মুক্ত হতে না পারাই বাংলাদেশের অনেক সমস্যার মূল কারন। কথা সত্যি। পরাধীনতার সময়গুলো থেকে আমাদের যা অর্জন তার লিস্ট অনেক লম্বা। এসব প্র্যাকটিস করতে করতে আমাদের দেশের তথাকথিত মাথারা এখন বোঝেই না.....কোনটা দাস মানসিকতার আচরণ, আর কোনটা স্বাধীন আত্মসচেতন মানুষের আচরণ!

১৬ ই মার্চ, ২০২০ রাত ৩:২৮

অনল চৌধুরী বলেছেন: একটা জাতি নিজেদের পরিবর্তন করতে না চাইলে কোনোকিছুরই পরিবর্তন হয়না।
বর্তমানে বাংলদেশের বেশীরভাগ মানুষের যে মানসিকতা,এই মানসিকতা ১৯৪৮-১৯৭১ এ থাকলে বাংলাও রাষ্ট্রভাষা হতো না বা বাংলাদেশও স্বাধীন হতো না।
এই যুগে মানুষ মুহূর্তের মধ্যে সারা পৃথিবী সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করতে পারে।
কিন্ত জ্ঞান অর্জনের পরিবের্ত বেশীরভাগ মানুষ ব্যাস্ত ফেসবুক-সানি লিওন নিয়ে।
দেশ পাল্টাবে কে????

৯| ১৫ ই মার্চ, ২০২০ রাত ১:৪০

সচেতনহ্যাপী বলেছেন: আমরা "প্রতিফলিত" ভিন্ন ভাষায়

১৫ ই মার্চ, ২০২০ রাত ১:৪৮

অনল চৌধুরী বলেছেন: হাজার বছরে গোলাম জাতি।
তাই স্বাধীনতা লাভের পরও মানসিকভাবে স্বাধীন হতে পারছে না।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.