নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সাহসী সত্য।এই নষ্ট দেশ-জাতি-সমাজ পরিবর্তনের প্রচেষ্টাকারী একজন নিস:ঙ্গ যোদ্ধা।বাংলাদেশে পর্বত আরোহণের পথিকৃত।

অনল চৌধুরী

লেখক,সাংবাদিক,গবেষক,অনুবাদক,দার্শনিক,তাত্ত্বিক,সমাজ সংস্কারক,শিক্ষক ও সব অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী যোদ্ধা

অনল চৌধুরী › বিস্তারিত পোস্টঃ

করোনা সংকট মোকাবেলায় কৃচ্ছতাসাধন জরুরী

১৯ শে মার্চ, ২০২০ রাত ৩:২০

Click This Link

করোনা ভাইরাসের কারণে সারা পৃথিবীর ব্যবসা-বাণিজ্যের মতো বাংলাদেশেও ক্ষতিকর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে চীন থেকে আগের মতো কাচামাল আমদানী সম্ভব না হওয়ায় তৈরি পোশাকসহ রফতানিমুখী বিভিন্ন খাতের পণ্য উৎপাদন নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন ব্যবসায়ীরা।

এর সঙ্গে বাংলাদেশ থেকে পণ্য রফতানি হয় এমন দেশগুলোতেও করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়তে থাকায় অনেক দেশ ৭৯০ কোটি টাকার তৈরী পোষাকসহ বিভিন্ন পণ্যের রপ্তানী আদেশ বাতিল করেছে।এর ফলে বিপুল পরিমাণ আর্থিক ক্ষতিতে পড়েছেন বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা।তৈরী পোশাক খাত ক্ষতিগ্রস্থ হলে কয়েক লাখ লোক বেকারত্ব ও অর্থনৈতিক সংকটে পড়বে।

এছাড়াও ইউরোপের বিভিন্ন দেশ করোনায় আক্রান্ত হওয়ায় সেসব দেশ থেকে প্রবাসীদের প্রেরিত বৈদেশিক মুদ্রা প্রেরণ হ্রাস,বিমান চলাচল বন্ধ হওয়ার কারণে বিমান খাতও লোকসানের মুখে পড়বে।

অচিরেই করোনা ভাইরাসের কোনো প্রতিষেধক আবিস্কৃত না হলে গরীব দেশ হওয়ার কারণে বাংলাদেশে সামগ্রিক অর্থনৈতিক অবস্থা শোচনীয় হতে পারে।


এ থেকে পরিত্রাণের জন্য বিভিন্ন ক্ষেত্রে কৃচ্ছতা সাধন এবং কিছু ক্ষেত্রের প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ অপরিহার্য হয়ে পড়েছে।

অবস্থায় নীম্ন লিখিত সুপিারিশগুলি উপযোগী হতে পারে:


১। খাদ্য সংকট মোকাবেলায় দেশের প্রতিটা এলাকায় সরকারী–বেসরকারী প্রতি ইঞ্চি অনাবাদী জমিতে দ্রুত ধান,গম,আলু,ভূট্টা,ইত্যাদি কৃষি ফসল এবং শাক-সব্জি উৎপাদন শুরু করতে হবে।

২। গ্রীষ্মকালে দিনের আলো ব্যবহার এবং বিদ্যুতের অপচয় রোধের জন্য ইউরোপ,এ্যামেরিকা ও ক্যানাডার ঘড়ির কাটা ১ ঘন্টা পিছিয়ে মতো ডে-লাইট সেভিং পদ্ধতি চালু করতে হবে।

৩। সকল প্রতিষ্ঠান,বিপনী বিতান ও কারখানা সন্ধ্যা ৭ টার মধ্যে বন্ধ করতে হবে।

৪। বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহ্রত তেল ও গ্যাসের অপচয় রোধের জন্য সকল প্রকার আলোকসজ্জা নিষিদ্ধ এবং রেফ্রিজারেটর ও এসির ব্যবহার পরিমিত করতে হবে।

৫। কম ব্যায়বহুল হওয়ায় বায়ুকল এবং সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদনে অধিক গুরুত্ব দিতে হবে এবং এভাবে উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রীডে যুক্ত করতে হবে।

৬। বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে অতিথির সংখ্যা সর্বোচ্চ ২০০ জনে সীমাবদ্ধ রাখতে হবে।

৭। করোনা সংকট থেকে মুক্ত না হওয়া পর্যন্ত সরকারী বিশেষ সুবিধাপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের গাড়ি কেনার জন্য ৩০ লাখ টাকা ঋণ এবং গাড়ির খরচের জন্য প্রতিমাসে ৫০ হাজার টাকা প্রদানের সিদ্ধান্ত ৫% সুদে গৃহনির্মাণ ঋণ প্রদানের সুবিধা স্থগিত রাখতে হবে।

৮। প্রতিদিন ব্যাক্তি ও প্রতিষ্ঠান প্রতি প্ট্রেল,অকটেন ও ডিজেলসহ সবধরণের জ্বালানী তেল বিক্রি পরিমাণ নির্দিষ্ট করে দিতে হবে।
৯। তৈরী পোষাকসহ বিভিন্ন রপ্তানী পণ্যের প্রয়োজনীয় কাচামাল দেশেই উৎপাদন শুরু করতে হবে।

১০। বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয়ের জন্য খাদ্যশস্য,জীবন রক্ষাকারী ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম এবং জরুরী পণ্য ছাড়া সবরকম অপ্রোজনীয় পণ্য প্রসাধনী ও বিলাস সামগ্রী আমদানী নিষিদ্ধ করতে হবে।


এছাড়াও সচেতন ব্যাক্তিদের মতামতের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় অন্যান্য সিদ্ধান্তও কৃচ্ছতার আওতায় আনতে হবে।

এ ব্যাপারে দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা প্রয়োজন।

মন্তব্য ৬ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৬) মন্তব্য লিখুন

১| ১৯ শে মার্চ, ২০২০ ভোর ৬:৫৯

আমিনভাই বলেছেন: সব এখনি ভাবতে হবে।

২০ শে মার্চ, ২০২০ রাত ১২:৪৮

অনল চৌধুরী বলেছেন: ধন্যবাদ।
বাংলাদেশে সব সময় দেরীতে সব সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

২| ১৯ শে মার্চ, ২০২০ সকাল ৯:১৮

রাজীব নুর বলেছেন: বাংলাদেশ কানাডা নয়, জানি। তবুও এ মানুষদের নিয়ে সরকারের পরিকল্পনা করা উচিৎ হবে।
অন্যথায় দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হওয়ারও আশংকা রয়েছে।

২০ শে মার্চ, ২০২০ রাত ১২:৪৯

অনল চৌধুরী বলেছেন: ক্ষতি হওয়ার আগেই সিদ্ধান্ত নেয়া জরুরী।

৩| ১৯ শে মার্চ, ২০২০ সকাল ৯:২১

খাঁজা বাবা বলেছেন: ভাল লিখেছেন, তবে সব করা সম্ভব হবে না, বা করাও ঠিক হবে না।
এতে অর্থনীতিতে বিরুপ প্রভাব পরতে পারে।
তবে সরকার বিভিন্ন উপায়ে অপ্রয়োজনীয় আমদানী নিরুৎসাহিত করতে পারে।
উৎপাদন বাড়াতে জোর দিতে পারে।

২০ শে মার্চ, ২০২০ রাত ১২:৫০

অনল চৌধুরী বলেছেন: যদি এ অবস্থা চলতে থাকে ,তাহলে সামনে মহাবিপদ।
তাই অনেক চিন্তা করে কিছু সিদ্ধান্ত দিয়েছি।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.