নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সাহসী সত্য।এই নষ্ট দেশ-জাতি-সমাজ পরিবর্তনের প্রচেষ্টাকারী একজন যোদ্ধা।বাংলাদেশে পর্বত আরোহণের পথিকৃত।

অনল চৌধুরী

লেখক,সাংবাদিক,গবেষক,অনুবাদক,দার্শনিক,তাত্ত্বিক,সমাজ সংস্কারক,শিক্ষক ও সব অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী যোদ্ধা

অনল চৌধুরী › বিস্তারিত পোস্টঃ

মুক্তিযুদ্ধে ভারতের সহায়তা দাদাগিরির বৈধতা দেয় না

২৫ শে মার্চ, ২০২০ রাত ৮:৫৯


করোনার কারণে কলকাতাসহ ভারতে বাংলাদেশীদের যাওয়া বন্ধ।
বাংলাদেশী নির্ভর ব্যবসা-বাণিজ্য ,চিকিৎসা ও পর্যটন শিল্পের শোচনীয় অবস্থা।
এই আক্রোশ ও হতাশার কারণেই কলকাতার কিছু লোক এবং এদেশের কিছু সংখ্যালঘু হঠাৎ করেই যৌথভাবে বাংলাদেশীদের অকৃতজ্ঞসহ বিভিন্ন অশ্লীল গালিগালাজ করছে।

ওই এক যুক্তি,বাংলাদেশীরা নাকি মুক্তিযুদ্ধে ভারতীয় অবদানের কথা স্বীকার করে উপযুক্ত প্রতিদান দিচ্ছে না !!!!!!

এদের মধ্যে টিন্কু বিশ্বাস নামে একজন লিখেছে ,ভারত আছে বলেই ভাইরাস মুক্ত শ্বাস নিতে পারবা, তাদের বলে দিও যারা ভারত কে বিনা দোষে গালি গালাগালি করে, হিংসুটে বাংলাদেশ।

এরকম অগণিত বাংলাদেশ বিরোধী ব্যাক্তির মন্তব্য আছে অনলাইনে।

এসব বক্তব্য চরম মিথ্যাচার।

ভারত থেকে বাংলাদেশ যেমন উপকৃত হয়,ভারতও তার চেয়ে বেশী হয়।পেট্রাপোল-কলকাতার মুদ্রা ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে হোটেল,রেস্টুরেন্ট,ট্যাক্সি,নিউমার্কেট,বড়বাজার সব টিকে আছে বাংলাদেশীদের কারণে ।

এখন সেখানে হাহাকার কারণ বাংলাদেশীরা যায়না।
ভারত একহাতে যতো দেয়,দুইহাতে তার চেয়ে আরো অনেক বেশী নেয়।
আন্তর্জাতিক নদীর পানি আটকে রাখা ,নীরিহ বাংলাদেশীদের গুলি করে মারা কি ভালো প্রতিবেশীর পরিচয়?

পাকিস্তানী বা চীনাদের এভাবে গুলি করে মারার সাহস ভারতের কোনোদিনও হবে না।

বাংলাদেশও তো পাল্টা গুলি করে বিএসএফ মারতে পারে।

ভারত বাংলাদেশে সব পণ্য রপ্তানী করে কিন্ত ইলিশ ছাড়া কিছুই নিতে চায় না।

ভারতে সংখ্যালঘুদের দিনে-দুপুরে প্রকাশ্যে সড়কে পুলিশের সামনে পিটিয়ে হত্যা করা হয়,কিন্ত বাংলাদেশে জনগণই সংখ্যালঘুদের রক্ষা করে।

এরকম অসাম্প্রদায়িকতা ভারত কোনোদিনও দেখাতে পারবে না।
বাংলাদেশ স্বাধীন জন্যই ভারতের পূর্ব সীমান্ত নিরাপদ।

পাকিস্তান আর চীনের মতো আরেকটা শত্রু দেশে থাকলে ভারতের ১২টা বেজে যেতো।

১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধে ভারতের অবদান ইতিহাসে লেখা আছে এবং সেটা কেউই অস্বীকার করতে পারবে না।

কিন্ত এতোদূর যাওয়ারও দরকার হতো না, যদি ভারত ইংরেজ আমলেই মন্ত্রী মিশন প্রস্তাব বা সোহরাওয়ার্দী-শরৎ বসুর তত্ত্ব অনুযায়ী কলকাতাকে রাজধানী করে স্বাধীন যুক্ত বাংলা প্রতিষ্ঠার প্রস্তাবে রাজী হতো।
কিন্ত নেহেরু-প্যাটেলদের কারণেই সেটা সম্ভব হয়নি।


১৯৩৭ সালেই কয়েকটা কংগ্রেস প্রদেশে নির্বাচনে জিতে সরকার গঠন করে গো-রক্ষা সমিতি গঠন, হিন্দিকে জাতীয় ভাষা এবং বন্দেমাতরম-কে জাতীয় সঙ্গীত ঘোষণা করেছিলো।

এছাড়া তাদের মদদে হিন্দু-মুসলমান দাঙ্গাও ঘটে।

এই ২০২০ সালেও ভারতে সংখ্যালঘুদের উপর বর্বর জঙ্গী হিন্দুদের পৈশাচিক আক্রমণ দেখে বোঝা যায়, সেই সময় মুসলমানদের উপর তারা কি ধরণের বর্বর আচরণ করতো আর কেনো ১৯৪০ সালে মুসলমানরা লাহোর প্রস্তাব অনুযায়ী ভারতের উত্তর-পশ্চিম ও পূর্ব সীমান্তে আলাদা একাধিক স্বাধীন রাষ্ট্র চেয়েছিলো,যেটা জিন্নাহর ষড়যন্ত্রে আর বাঙ্গালী নেতাদের অপদার্থতায় এক রাষ্ট্র পাকিস্তানে পরিণত হয়েছিলো।

শুধু মুসলমান না,শিখ,খৃষ্টান,আদিবাসী এমনকি নীম্নবর্ণের হিন্দুরাও ভারতে নিয়মিত জঙ্গী হিন্দুদের হামলার স্বীকার হয়।

প্রতিবেশী ভেবে পৃথিবীতে বাংলাদেশের লোক সবচেয়ে বেশী ভারত যায়।

বড় দেশ হিসেবে ভারতেরও বাংলাদেশকে সন্মান করা উচিত,যেটা বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই তারা করে না।

মন্তব্য ৪৫ টি রেটিং +৪/-০

মন্তব্য (৪৫) মন্তব্য লিখুন

১| ২৫ শে মার্চ, ২০২০ রাত ৯:০৫

খাঁজা বাবা বলেছেন: ওরা আমাদের মনিব
যা খুশি করবে, বলবে

২৫ শে মার্চ, ২০২০ রাত ৯:১০

অনল চৌধুরী বলেছেন: ইংরেজ,পাকিস্তান,ভারত,এ্যামেরিকা চীন-কাউকেই না মানি না মানবো না।
বাংলাদেশ শুধু বাঙ্গালীদের।

২| ২৫ শে মার্চ, ২০২০ রাত ৯:০৯

নেওয়াজ আলি বলেছেন: আপনার সাথে একমত। কিন্তু দেশের চেয়ার দখল হতে সবকিছুতেই ভারত। তাহলে সে কেন আপনাকে সম্মান করবে।

২৫ শে মার্চ, ২০২০ রাত ৯:১৫

অনল চৌধুরী বলেছেন: এ্যামেরিকার কাছাকাছি থেকেও মাত্র ১ কোটি ২০ লাখ মানুষের দেশ কিউবা এই বিরাট সন্ত্রাসী দেশের বিরুদ্ধে লড়াই করে টিকে আছে জনগণের উন্নত নৈতিকতাবোধের কারণে।
আর এ্যামেরিকা থেকে হাজার হাজার মাইল দূরে থাকার পরও বাংলাদেশ ওদের ভয় পেয়ে চলে।
এটাই জাতিতে জাতিতে পার্থক্য।

৩| ২৫ শে মার্চ, ২০২০ রাত ৯:১৩

ঢাবিয়ান বলেছেন: মুক্তিযুদ্ধে ভারতের সহায়তা দাদাগিরির বৈধতা দেয় না , দারুন টাইটেল দিয়েছেন। পোস্টে যা লিখেছেন, তা এদেশের মানুষ সবাই জানে কিন্ত বলার সাহস রাখে না।

২৫ শে মার্চ, ২০২০ রাত ৯:১৮

অনল চৌধুরী বলেছেন: যা সত্য তাই বলবো।
কারো পক্ষে না,কারো বিরুদ্ধেও না।
আমাদের পূর্ব-পূরুষ বাংলাদেশকে স্বাধীন করেছেন।
এখন আমরা এই দেশকে ইংল্যান্ড,পাকিস্তান,ভারত,এ্যামেরিকা বা চীন-যেকোনো দেশের আধিপত্য থেকে রক্ষা করবো।

৪| ২৫ শে মার্চ, ২০২০ রাত ৯:১৯

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: ভালো লিখেছেন চৌধুরী ভাই। আবেগ প্রত্যেক মানুষের থাকা খুবই স্বাভাবিক। আপনার লেখার মধ্যে পরোতে পরোতে সেই আবেগ এবং দেশপ্রেম ফুটে উঠেছে। আমি আপনার আবেগ ও দেশপ্রেমকে সম্মান জানাই।
এবার আমার কথা বলি, একজন ব্যক্তি বা ক্ষুদ্র একটি গোষ্ঠীকে দিয়ে গোটা জাতির চরিত্র নিরুপন করা কখনই ঠিক নয়। প্রত্যেক মানুষের মধ্যে কিছু সংকীর্ণতা থাকে। যেমন নাথুরাম গডস গান্ধীজিকেকে গুলি করার জন্য নিশ্চয়ই কারণ খুঁজে পেয়েছিলেন। তখন ভারতবাসীর আপামর জনসাধারণের চোখে তিনি ভিলেন প্রমাণিত হলেও এখন সে নাথুরাম গডসের নামে বিভিন্ন স্থানে মন্দির তৈরি হচ্ছে। তাই বলে গডস বা তার অনুসারীরা কিন্তু গোটা ভারতের চিত্র নন।

দ্বিতীয়তঃ জানিনা আপনি এই টিংকু বিশ্বাসকে কোথায় পেলেন। ধরেই নিলাম টিংকু বিশ্বাস ভারতের একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি। তাতেই বা কি আসে যায়। গণতান্ত্রিক দেশ। টিংকুদের গদিও একসময় উল্টে যাবে। সে পর্যন্ত শুভবুদ্ধির অপেক্ষা করতেই হবে।

ভালো থাকবেন সবসময়।



২৫ শে মার্চ, ২০২০ রাত ৯:২৬

অনল চৌধুরী বলেছেন: ধন্যবাদ।
আপনি এবং আমি দীর্ঘদিন ধরেই এখনে যুক্ত আছি।
আপনি আমার আবেগ অনুভূতি বোঝেন,যেমন আমি বুঝি আপনারটা।
এখানে মাত্র একজনের কথা উল্লেখ করা হয়েছে,কিন্ত এরকম অগণিত বাংলাদেশ বিরোধী ব্যাক্তির মন্তব্য পাবেন অনলাইনে।
এরা ভারতের সব নাগরিকের প্রতিনিধিত্ব করে না,যেমন প্রতিনিধিত্ব করে না গোলাম আজম,নিযামী সাঈদী বা সালা কাদের বাংলাদেশের জনগণের।

৫| ২৫ শে মার্চ, ২০২০ রাত ৯:২৯

আহমেদ জী এস বলেছেন: অনল চৌধুরী,




ঠিকই বলেছেন সবটা।
চরম সত্যটি হলো- ভারত যা নেবার তা দু'হাতেই লুটে নিয়েছে; সতের কোটি লোকের বাজার, নদীর পানি, ট্রানজিট। আরো নেয়ার জন্যে মুখিয়ে আছে সারাক্ষন। কিন্তু গো-মূত্র খাওয়া পাবলিক এটা ভাবেনা যে, পূব দিকে পাকিস্তান নেই বলে ভারতের প্রতিরক্ষা বাজেটে বছরে কয় লক্ষ কোটি রূপি বেঁচে যাচ্ছে। পূবদিকে ভারতের বর্ডারে বিএসএফের বাড়ীতে প্রতিদিন যে কান্নার রোল উঠতে পারতো তা আর নেই। সে কারনে বাংলাদেশকে ভারতের সালাম দেয়া উচিৎ দিনে দশবার।

২৫ শে মার্চ, ২০২০ রাত ৯:৩৮

অনল চৌধুরী বলেছেন: প্রতিবেশীদের মধ্যে সুসম্পর্ক থাকলে সবাই উপকৃত হয়।
শক্তিতে পার্থক্য থাকার পরও ক্যানাডার প্রতি এ্যামেরিকার মনোভাব দাদাসুলভ না।

গো-মূত্র খাওয়া পাবলিক কথাটা অপত্তিকর।-ভারতের সবাই এরকম না।

৬| ২৫ শে মার্চ, ২০২০ রাত ৯:৩১

চাঁদগাজী বলেছেন:


আপনি মুক্তিযুদ্ধ করেছিলেন?

২৫ শে মার্চ, ২০২০ রাত ৯:৩৪

অনল চৌধুরী বলেছেন: না।
তখন তো জন্মই হয়নি,যুদ্ধ করবো কি করে ????
কিন্ত ১৯৯২ সালে ১৮ বছর বয়স থেকে লেখালেখি আর প্রত্যক্ষ কার্যক্রমের মাধ্যমে যুদ্ধ করছি একটা উন্নত দেশ জাতি-সমাজ গঠনের জন্য,যে যুদ্ধে আপনি একজন প্রধান সহায়তাকারী।

৭| ২৫ শে মার্চ, ২০২০ রাত ৯:৩৬

চাঁদগাজী বলেছেন:


ভারতের ১৩০ কোটীর মাঝে কোন এক রাম, সাম কি বলেছে, সেটাকে কেন্দ্র করে, আপনি ১৯ কোটীর মুখপাত্র হয়ে গিয়ে দুনিয়ার উলট পালট বকবক জুড়ে দিয়েছেন?

২৫ শে মার্চ, ২০২০ রাত ৯:৪৩

অনল চৌধুরী বলেছেন: আপনি কি অবরোধে আছেন যে করোনার ভয়ে আতংকিত হয়ে মানসিক চাপে না বুঝে কথা বলছেন??
ওই এক ব্যাক্তি ভারতের ১৩৭ কোটি লোকের না কিন্ত সেখানে প্রতিদিন সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচার চালানো বড় অংশের প্রতিনিধি।
ঝগড়াটে কথা বলা বন্ধ করেন।

৮| ২৫ শে মার্চ, ২০২০ রাত ১০:০১

রাজীব নুর বলেছেন: ভারত দেশটা আমার ভালো লাগে।

২৫ শে মার্চ, ২০২০ রাত ১০:০৫

অনল চৌধুরী বলেছেন: দেশ ভালো, সাধারণ মানুষও ভালো।
কিন্ত বজরঙ্গী-শিবসেনা-গোরক্ষক জঙ্গীরা ভয়ংকর।

৯| ২৫ শে মার্চ, ২০২০ রাত ১০:২৪

নাসির ইয়ামান বলেছেন: ভারতীয় আগ্রাসনের প্রতি আমাদের আরো সোচ্চার হতে হবে!

২৫ শে মার্চ, ২০২০ রাত ১০:৩৬

অনল চৌধুরী বলেছেন: ইংল্যান্ড-ইউরোপ,পাকিস্তান,ভারত,এ্যামেরিকা,চীন,বার্মা -সবাই তো কোনো না কোনো ভাবে আগ্রাসন চালাচ্ছে।
জনগণের শিক্ষা আর মেরুদন্ড না থাকলে এরকমই হয়।

১০| ২৫ শে মার্চ, ২০২০ রাত ১০:৫৪

ঊণকৌটী বলেছেন: আমার মনে হয়,এই সময়ের সবচাইতে ফালতু পোস্ট।

২৬ শে মার্চ, ২০২০ রাত ১:৪৬

অনল চৌধুরী বলেছেন: জঙ্গীদের সন্ত্রাসী ফালতু কার্যক্রমের বিরুদ্ধে কথা বললে স্বজাতিদের তো জ্বলবেই।

১১| ২৫ শে মার্চ, ২০২০ রাত ১০:৫৮

জুন বলেছেন: চীনের আগেই তারা করোনা ভাইরাস এর সাথে যুদ্ধ করার জন্য কিসব সরঞ্জাম নিয়ে এসে পরেছে। তারা দাদাগিরি করবে না তো কে করবে অনল চৌধুরী!! চীন কাল প্লেনে আনবে কত হ্যাংগামা কত ঝক্কি আর উনারা আধাখ্যাঁচড়া জিনিস কোন রকমে পুটিলি করে দৌড়ে বর্ডার পার :P

@ প্রিয় ব্লগার চাদগাজী আমিতো নিউইয়র্কের মগজহীন লিলিপুটিয়ান গভর্নদের করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় প্রশ্নফাস জেনারেশনের সাথে মত আচরণ এই বিষয়ে আপনার সুলিখিত একটি পোষ্টের অপেক্ষা করছি।

২৭ শে মার্চ, ২০২০ রাত ২:৪৩

অনল চৌধুরী বলেছেন: এক সংখ্যালঘু নির্যাতন ছাড়া ভারত কোনো দিক দিয়েই চনের ধারে-কাছে যেতে পারেনি।
কলকাতা থেকে মুম্বাই ১৯৬৩ কিমি যেতে ৪০ বছর আগেও সময় লাগতো ৩৬ ঘন্টা,এখনো তাই লাগে।
কিন্ত ২০০১ সালে বুলেট ট্রেন চালু হওয়ার আগে গুয়াংজু থেকে সাংহাই যেতে সময় লাগতো ২২ ঘন্টা,কিন্ত এখন লাগে মাত্র ৬/৭ ঘন্টা।
পৃথিবীর সবচেয়ে বড়,লম্বা,দীর্ঘ প্রায় সবকিছুই চীনারা বানিয়েছে।
ভারতের আরেকটা কৃতিত্ব নীরিহ বাংলাদেশীদের গুলি করে মারা আর তাদের প্রাপ্য নদীর পানির অধিকার থেকে বঞ্চিত করা।
দেখেন,তারা কলকাতায় কিভাবে ইংরেজ আমলের মতো নিজের দেশের লোকদের বাইরে যাওয়ার কারণে লাঠিপেটা করছে।
কোনো সভ্য দেশে এটা অচিন্তনীয়।
আগে একটা ঘোষণা দিলে তো পারতো।
https://www.facebook.com/aeimuhurtee/videos/801757376983433/?t=0


মগজহীন লিলিপুটিয়ান প্রশ্নফাস জেনারেশনের সাথে মত আচরণ- এগুলি তার প্রতিদিনের অশোভন শব্দ।
সাথে আরো আছে পিগমি,লিলিপুটিয়ান-ই্ত্যাদি।
বাংলাদেশে পেলে বা এ্যামেরিকায় এসব বললে অনেকেই তার বিরুদ্ধে মানহানি মামলা করে ক্ষতিপূরণ আদায় করতো।

১২| ২৫ শে মার্চ, ২০২০ রাত ১১:৩৩

আলাপচারী প্রহর বলেছেন: ভালো লেখা। ওদের সাধারন মানুষের মনোভাব আমারও জানতে ই্চ্ছে হয়। কয়েকটা কৌতূহল উদ্দীপক লিংক দিবেন কি ?

২৭ শে মার্চ, ২০২০ রাত ২:১৯

অনল চৌধুরী বলেছেন: Click This Link

১৩| ২৬ শে মার্চ, ২০২০ রাত ১২:৩৭

চাঁদগাজী বলেছেন:


@জুন,

আপনি কমেন্টে বলেছেন, "প্রিয় ব্লগার চাঁদগাজী আমিতো নিউইয়র্কের মগজহীন লিলিপুটিয়ান গভর্নদের করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় প্রশ্নফাস জেনারেশনের সাথে মত আচরণ এই বিষয়ে আপনার সুলিখিত একটি পোষ্টের অপেক্ষা করছি। "

-আমাকে "জেনারেল" করে রেখেছে সামু; মুক্তু হলে লিখবো।

- নিউইর্কের গর্ভনর ও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ২ জনেই দেরীতে পদক্ষেপ নেয়ায় বেশী প্রাণহানী হচ্ছে, ও সম্পদ পানিতে ফেলেছে; ২ জনকেই জবাবদিহি করতে হবে।

১৪| ২৬ শে মার্চ, ২০২০ রাত ১:২০

আহা রুবন বলেছেন: বাংলাদেশে এমন বহু লোক আছে যারা শুধু হিন্দু বলে ভারতীয়দের ঘৃণা করে, এরা যেমন বাংলাদেশের সবটা নয়, তেমনি কিছু ভারতীয় আছে যারা বাংলাদেশকে অপমান করে আনন্দ পায়। সব দেশে সব সমাজে এমন দু-চারটা থাকবেই।

২৬ শে মার্চ, ২০২০ রাত ১:৪৯

অনল চৌধুরী বলেছেন: ধন্যবাদ।
আমার লেখার মূল জিনিসটাও এটা.যা আপনি ধরতে পেরেছেন।

১৫| ২৬ শে মার্চ, ২০২০ ভোর ৪:৩৫

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:





অনল ভাই,
আপনরা লেখার মুল বিষয় ধরতে পেরেছি কিন্তু ব্যাক গিয়ারে গাড়ি চালাচ্ছেন কারণ কি?
আপনাকে বড় ধরনের জরিমানা করতে চাচ্ছি যেমন পূর্বানী’তে লাঞ্চ ও ডিনার !

১। বাংলাদেশের মানুষ আঙরে মাঙরে বিষয়ে ভারতকে যে ধরনের নোংরা গালাগাল করে ভারতীয়রা কি সে ধরনের গালাগাল করে?

২। বাংলাদেশের মানুষ এখন দেবী শেঠীকেও চিনে ! আমার প্রশ্ন দেবী শেঠী কেডা? নর্তকী শিল্পা শেঠীর জামাই?

বাংলাদেশের মানুষের তৈল বেশী কিছু হলেই ভারতে দৌড়। ভারতে না গেলেই পারে। কি চিকিৎসা আর কি পর্যটন?


২৭ শে মার্চ, ২০২০ ভোর ৪:০১

অনল চৌধুরী বলেছেন: ব্যাক গিয়ার না,অতীত ও বর্তমানের সত্য লিখেছি।
আমার প্রশ্ন দেবী শেঠী কেডা? নর্তকী শিল্পা শেঠীর জামাই?-শেঠি চৌধুরী আর ঠাকুরের মতোই একটা পদবী।
ঠাকুর মাহমুদ যেমন রবীন্দ্রনাথ ঠকুরের আত্মীয় না,অনল চৌধুরী যেমর মোতাহের হোসেন চৌধুরীর কেউ না,তেমনই।
বাংলাদেশের মানুষের তৈল বেশী কিছু হলেই ভারতে দৌড়। ভারতে না গেলেই পারে। কি চিকিৎসা আর কি পর্যটন?-পর্যটনে না গেলে পারে কিন্ত চিকিৎসার জন্য কষ্ট করে কলকাতা,চেন্নাই ব্যাঙ্গালোর যেতে বাধ্য হয় ।

বাংলাদেশে দাতের রোগীর চিকিৎসা করার পরিবর্তে রোগীদের শিক্ষানবীশদের গিনিপিগ বানিয়ে দাত ভেঙ্গে ফেলা,কিডনি চোর,অপ্রয়োজনে ওষুধ দেয়া আর কমিশনলোভী আর রোগী ধর্ষণকারী লম্পট চিকিৎসকদের কারণে প্রতিদিন বাংলাদেশ থেকে কয়েক হাজার রোগী চিকিৎসার জন্য ভারতে যায়,যদিও তাদের যোগ্যতা বাংলাদেশেরগুলির সমমানেরই।
কিন্ত টাকালোভী স্বভাবের কারণে এদেশেরগুলি টাকা নেয়ার পরও রোগীদের ক্ষতি করে আর ওরা চিকিৎসা করে।

১৬| ২৬ শে মার্চ, ২০২০ সকাল ৯:৫৬

বাকপ্রবাস বলেছেন: ভারত যতটা না দাদাগীরি করছে তার চাইতে বেশী আশা করে আমাদেরএকাংস, নিজের ঘর সামলানো জরু রী

২৭ শে মার্চ, ২০২০ রাত ২:৩৩

অনল চৌধুরী বলেছেন: সবচেয়ে বড় ভারত বিরোধী খালেদা ১৯৯২ সালে এদেশে ডিশ এ্যান্টেনা আমদানী করেছিলো।
বিএনপি-জামাতিরা হিন্দি ছবি না দেখলে আনন্দ পায় না।

১৭| ২৬ শে মার্চ, ২০২০ সকাল ১০:০৬

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: দাদা গিরি অসমর্থন যোগ্য। প্রত্যাখ্যান করলাম।

২৭ শে মার্চ, ২০২০ রাত ২:৩৫

অনল চৌধুরী বলেছেন: নেপাল ভূটান,মালদ্বীপ,শ্রীলংকা-সবদেশেই বিদেশী আগ্রাসনকারী আর্য রাম-লক্ষণরা আদিবাসী রাবণদের উপর দাদগিরি করছে।

১৮| ২৬ শে মার্চ, ২০২০ দুপুর ১:৩৭

রাজীব নুর বলেছেন: শয়তান একবার হযরত ঈসা (আঃ)-কে বললো--
"তুমি এই পাহাড় থেকে লাফ দাও, যদি তোমার আল্লাহ সত্য হয়ে থাকেন, তাহলে তিনি তোমাকে রক্ষা করবেন"।
তখন হযরর ঈসা (আঃ) শয়তানকে বললেন "আমার প্রভু সবার পরীক্ষা নেন, আমি কখনোই আমার প্রভুর পরীক্ষা নিতে যাবো না"।
"প্রভুর উপর ভরসা রাখলে বা প্রভুর নাম নিলে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত করতে পারবে না" এই ডায়লগ দিয়ে অসাবধানতা অবলম্বন করে ঈমানের নামে আপনি স্বয়ং আল্লাহকেই পরীক্ষা করছেন না তো?
সাবধান হোন। আল্লাহর পরীক্ষা নিতে যাবেন না। এটা আপনার ভিতরে থাকা শয়তানের প্ররোচনা বা গোমরাহি ।
হে আল্লাহ আপনি আমাদেরকে বিতাড়িত শয়তানের প্ররোচনা থেকে রক্ষা করুণ। আমিন।

২৭ শে মার্চ, ২০২০ ভোর ৪:০৩

অনল চৌধুরী বলেছেন: "প্রভুর উপর ভরসা রাখলে বা প্রভুর নাম নিলে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত করতে পারবে না" এই ডায়লগ দিয়ে -এসব অঅমার লেখায় নাই।
আপনি অন্য কোথাও মন্তব্য করতে গিয়ে ভুল করে এখানে করেছেন।

১৯| ২৬ শে মার্চ, ২০২০ দুপুর ১:৩৮

পুকু বলেছেন: আবার সেই বস্তাপচা ঘ্যানঘ্যানানি।পুরানো রেকর্ড আর ভাল লাগে না।নতুন কিছু শুনান।

২৭ শে মার্চ, ২০২০ রাত ২:৩৭

অনল চৌধুরী বলেছেন: ডায়রিয়া রোগীদের বারাবর ওরস্যালইন না দিণে ভালো হয় না।
বস্তাপচা ঘ্যানঘ্যানানি পুরানো রেকর্ড এতোবার বাজানোর পরও কি এদেশের মানুষের মানসিকতার কোনো পরিবর্তন হয়েছে না হচ্ছে?????

২০| ২৬ শে মার্চ, ২০২০ রাত ৮:৫১

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: জাতিগত চেতনার দৃঢ়তা, আত্মমর্যাদাবোধ, সার্বভৌমত্বের প্রকৃত অনুভব জাগ্রত করতে হবে।

তবেই নিজস্বতা প্রতিষ্ঠিত হবে। জাতিগত ব্রান্ডিংটাও খুব দরকারী।
সবার আগে সেজন্যে চাই ডেডিকেটেড রাজনৈতিক প্রজ্ঞাবান নেতৃত্ব।

যেমন কুকুর তেমন মুগুর শাস্ত্রেরই কথা। শক্তের ভক্ত নরমের যম। সবই হাজার বছরের অভিজ্ঞতার নির্যাস।
বিশ্বাস রাখতে হবে। কর্ম করতে হবে। দিন বদলাবেই।

২৭ শে মার্চ, ২০২০ ভোর ৪:০৪

অনল চৌধুরী বলেছেন: এক ১৯৭১ ছাড়া সংখ্যাগরিষ্ঠ বাঙ্গালী কোনোদিনও মেরুদন্ডসম্পন্ন জাতি ছিলো না।
বাংলার সুলতানরা ১৪ শতকেই দিল্লীর আধিপত্যের বিরুদ্ধে লড়ে স্বাধীনতা বজায় রেখেছিলেন,কিন্ত তারা ছিলেন অবাঙ্গালী।
ঈসা খা মোঘলদের বিরুদ্ধে লড়াই করে স্বাধীন ছিলেন,কিন্ত তিনিও রাজপূত বংশোদ্ভূদ ছিলেন।
কিউবা এই বিরাট সন্ত্রাসী এ্যামেরিকার বিরুদ্ধে লড়াই করে টিকে আছে জনগণের উন্নত নৈতিকতাবোধের কারণে।

বাংলাদেশের লোকদের মধ্যে এই নৈতিকতাবোধ কোথায়?

২১| ২৭ শে মার্চ, ২০২০ ভোর ৫:২২

অনেক কথা বলতে চাই বলেছেন: নৈতিকতার আশা করছেন?

সারাদিন পণো আর পরকীয়া নি্য়ে ব্যস্ত থাকায় দেশের তরুনদের এখন weak মনোবল আর চোরা চোরা চাহনি। ৭১'র মতো যুদ্ধ করতে দিন না, দেখবেন মানুষ পাবেন না।

২৭ শে মার্চ, ২০২০ ভোর ৫:৪৮

অনল চৌধুরী বলেছেন: তখন সবকিছু বদলে যাবে।
বাঙ্গালী জাতে মাতাল তালে ঠিক।
নিজেদের অস্তিত্ত্ব বিপন্ন হলে তখন সবাই সাধু হয়ে যায় আর একসাথে লড়ে।
কিন্ত বিপদ কেটে গেলেই আবার আগের রূপে ফিরে যায়।

২২| ০৮ ই এপ্রিল, ২০২০ দুপুর ১২:০৪

দেশ প্রেমিক বাঙালী বলেছেন: @ আহমেদ জী এস ব্লগার সাহেবের সংগে সুর মিলিয়ে আমিও বলছি ---

ঠিকই বলেছেন সবটা।
চরম সত্যটি হলো- ভারত যা নেবার তা দু'হাতেই লুটে নিয়েছে; সতের কোটি লোকের বাজার, নদীর পানি, ট্রানজিট। আরো নেয়ার জন্যে মুখিয়ে আছে সারাক্ষন। কিন্তু গো-মূত্র খাওয়া পাবলিক এটা ভাবেনা যে, পূব দিকে পাকিস্তান নেই বলে ভারতের প্রতিরক্ষা বাজেটে বছরে কয় লক্ষ কোটি রূপি বেঁচে যাচ্ছে। পূবদিকে ভারতের বর্ডারে বিএসএফের বাড়ীতে প্রতিদিন যে কান্নার রোল উঠতে পারতো তা আর নেই। সে কারনে বাংলাদেশকে ভারতের সালাম দেয়া উচিৎ দিনে দশবার।

০৮ ই এপ্রিল, ২০২০ বিকাল ৫:১২

অনল চৌধুরী বলেছেন: কেউ নিজেকে ঘাস-পাতা বানালে তো ছাগলরা খাবেই
নিজের মর্যাদা অঅ ক্ষমতার প্রমাণ নিজেদেরই দিতে হয়।

২৩| ০৮ ই এপ্রিল, ২০২০ দুপুর ১:১৬

রাফা বলেছেন: আবেগ থেকে লিখলেও বেশিরভাগ কথাই যুক্তিযুক্ত বাস্তব সম্মত। এখানেই দেখুন আমাদের মধ্যে কত মতবিরোধ নিজের দেশ নিয়ে। ভারত এই সুযোগটাই নিচ্ছে।

যদু ,মদুরা বলেনা ভারতের বাঙালী বাবুরাই নাক সিটকিয়ে আমাদের'কে বাঙ্গাল বলে গালি দেয়।অথচ পশ্চিমবঙ্গের ২৫% পার্সেন্টের বেশি আয় হয় বাংলাদেশের বাঙালীদের কাছ থেকে। চিকিৎসার জন্য ভারত বাঙালীদের জন্য সুবিধাজনক বিদায় সেখানে পদার্পন হয়।শুধু এই কারনেই আমাদের'কে সালাম করা উচিত।আমরা ওদের খরিদ্দার (কাস্টমার) ওরা আমাদের কাস্টমার নয়।কাস্টমারের সাথে সন্মান দিয়ে কথা বলতে হয় ।এই ভদ্রতাটুকুও জানেনা ওরা।

০৮ ই এপ্রিল, ২০২০ বিকাল ৫:১০

অনল চৌধুরী বলেছেন: মারাঠিরা সংখ্যায় অনেক কম হওয়ার পরও পুরো ভারত আড়ালে থেকে নিয়ন্ত্রণ করছে।
ভারতের বাঙ্গালীরা কিন্ত তাদের সাখে প্রতিযোগীতায় পারছে না।
বাংলায়ও তারা একই কারণে বারবার আক্রমণ করেছিলো আলীবর্দীর আমলে।কিন্ত বাঙ্গালীরা তাদের সংগঠিত হয়ে প্রতিরোধ করতে পারেনি।
বিশৃংখল জাতির কোনো ক্ষমতা থাকে না।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.