নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সাহসী সত্য।এই নষ্ট দেশ-জাতি-সমাজ পরিবর্তনের প্রচেষ্টাকারী একজন যোদ্ধা।বাংলাদেশে পর্বত আরোহণের পথিকৃত।

অনল চৌধুরী

লেখক,সাংবাদিক,গবেষক,অনুবাদক,দার্শনিক,তাত্ত্বিক,সমাজ সংস্কারক,শিক্ষক ও সব অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী যোদ্ধা

অনল চৌধুরী › বিস্তারিত পোস্টঃ

করোনার সাথে সমন্বয় করেই চলতে হবে

২৪ শে এপ্রিল, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৪৮

Click This Link

করোনায় সারা পৃথিবীতে প্রায় দুই লাখ মানুষ মারা গেছে।আর এ পর্যন্ত শুধু এ্যামেরিকায় মারা গেছে ৫০,২৮৩ জন। সেখানে প্রতি ঘন্টায় মরছে ৬০ থেকে সর্বোচ্চ ২৯১ জন।তাদের উন্নত প্রযুক্তি আর আধুনিক মারনাস্ত্র –কোনোকিছুই করোনায় মৃত্যু রোধ করতে পারছে না।

এ অবস্থায় আমাদের চিন্তা বাংলাদেশ নিয়ে।সবার আগে করোনা ছড়িয়ে পড়া রোধে বিদেশ থেকে বিশেষজ্ঞে এবং চিকিৎসক আনা প্রয়োজন। ভিয়েতনাম বা কিউবা থেকে আনা হলে বাংলাদেশের বেশী উপকার হতো।কারণ ভিয়েতনামে এপর্যন্ত করোনায় কেউ মারা যায়নি।আর কিউবাতে মরেছে মাত্র ৪২ জন।

মানুষের হাতে জমানো টাকা শেষ হয়ে যাচ্ছে।কাজ না করতে পারলে পারলে স্বাভাবিকভাবেই সৎ পথে জীবিকা নির্বাহ করা লোকদের আয় বন্ধ থাকবে।এব্যাপারে সবচেয়ে ভালো সিদ্ধান্ত হতে পারে দেশের সব দুর্নীতিবাজদের কাছে থেকে তাদের লুটপাট করা টাকা উদ্ধার করে সেটা দেশের জনগণের মধ্যে সমান ভাবে ভাগ করে দেয়া।এছাড়া যেসব দুর্নীতিবাজ দেশের লক্ষ-কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছে,তাদের টাকা ফেরত প্রদানের শর্তে বিশেষ বিমানযোগে দেশে ফিরিয়ে আনা যায়।কারণ এখনও ইউরোপ-এ্যামেরিকার চেয়ে বাংলাদেশে করোনায় মৃত্যুর ঝুকি অনেক কম।

এছাড়াও যারা ভাড়া থাকেন ,তাদের গ্যাস-পানি ও বিদ্যুৎ বিলও সবকিছু স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সরকারের মওকুফ করে দেয়া উচিত।।সব বাড়ির মালিকও ধনী না।অনেকেই ঋণের টাকায় বাড়ি করেছেন।তাদেরও টাকার দরকার আছে।সুতরাং এব্যাপারে একটা সিদ্ধান্ত নেয়া জরুরী।

যারা ভাড়া থাকেন তাদের অনেকেরই গ্রামে বাড়ি আছে। আবার অনেকেই বাড়ির নির্মাণকাজ চলার জন্য ভাড়া বাসায় থাকছেন।যাদের গ্রামে বাড়ি আছে কিন্ত এখন শহরে কোন কাজ নাই,তাদের পরিবহণের ব্যবস্থা করে সেখানে পাঠিয়ে দিতে হবে।

এছাড়াও খাদ্য উৎপাদন,কৃষকদের কাছে থেকে সেসব কিনে জনগণের কাছে পৌছানো সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার। কারণ মানুষের প্রধান মৌলিক চাহিদা খাদ্য।

জাতিসংঘের একটা সংস্থা বলেছে,করোনার কারণে পৃথিবীর ৩৬ টা দেশে দুর্ভিক্ষ হতে পারে।মহামারীর কারণে পৃথিবীর ১০টা দেশের ১৮ লাখ লোক এখনই না খেয়ে দিন কাটাচ্ছে।


এক্ষেত্রে ধান-গমের মতো সময়সাপেক্ষ ফসল বেশী চাষ না করে দ্রুত ফলনশীল শাক-সব্জি বেশী পরিমাণে উৎপাদনে করা হলে দেশের উপকার হবে।কারণ দুর্ভিক্ষ মানে ভাতের অভাব না,এর মানে খাবার অভাব।এজন্য বাংলাদেশের মানুষের খাদ্যাভাসের পরিবর্তনও জরুরী।পালং শাক,পুই শাক,মূলা,লেটুস পাতা,বিট-এসব সব্জি রোপণের ৭ থেকে ৩০ দিনে মধ্যে উত্তোলনের উপযোগী হয়। রোপণের ২ মাসের মধ্যে টমেটোর ফলনও পাওয়া যায়।

এছাড়াও নুডলস,চিড়া-শেমাই-এসব পণ্য উৎপাদনেরও ব্যবস্থা রাখতে হবে।কারণ এগুলি ভাতের বিকল্প হিসেবে খাওয়া যায়।

কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো বলেছেন, চলমান কোভিড-১৯ (করোনাভাইরাস) প্রাদুর্ভাবের কারণে তার সরকার কানাডিয়ানদের অর্থনৈতিক দৈন্য-দশায় পড়তে দেবে না। নিজের স্বাস্থ্য, পরিবারের স্বাস্থ্য, চাকরি, বাড়ি ভাড়া নিয়ে চিন্তিত হওয়ার দরকার নেই। সব সরকার দেখবে। ট্রুুডো ঘোষণা দিয়েছেন, করোনা মোকাবিলায় খুব শিগগিরই তার সরকার ‘সিগনিফিক্যান্ট ফিসক্যাল স্টিমুলাস’ নামে একটি বিশেষ প্যাকেজ চালু করতে যাচ্ছে। এই প্যাকেজটি গত সপ্তাহে ঘোষণা দেয়া ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের অতিরিক্ত।

শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো বলেন, ‘কোভিড-১৯-এর কারণে বাড়ি ভাড়া, মুদি কেনাকাটা বা শিশুদের অতিরিক্ত সেবায় অর্থ খরচ নিয়ে চিন্তিত হওয়ার কারণ নেই। আমরা কানাডিয়ানদের আর্থিকভাবে সহযোগিতা করব।’


বিশ্বের মানুষের দীর্ঘ সময় ধরে করোনা ভাইরাসের সঙ্গে লড়াই করতে হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান টেড্রোস অ্যাধনম ঘেব্রেইয়েসাস। সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কার্যালয়ে একটি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এমন আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান বলেন, অধিকাংশ দেশ এই মহামারির প্রাথমিক পর্যায়ে অবস্থান করছে। যেসব দেশ প্রথম দিকে আক্রান্ত হয়েছে তারা আবার এর উত্থান দেখছে। কোন ভুল করা যাবে না। আমাদের অনেক পথ যেতে হবে। আমাদের সঙ্গে এটি অনেক সময় থাকবে।

করোনাভাইরাসের প্রতিষেধক তৈরিতে যেখানে সারা বিশ্বের উন্নত দেশগুলো উঠে পড়ে লেগেছে সেখানে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (হু) এক রিপোর্ট কপালে ভাজ ফেলেছে সংশ্লিষ্টদের। আন্তর্জাতিক এই সংস্থাটির ওয়েবসাইটে কিছু সময়ের জন্য প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, করোনাভাইরাস ঠেকাতে জিলিয়াড সায়েন্সেসের তৈরি করা অ্যান্টিভাইরাল ড্রাগ ‘রেমডেসিভির’ ব্যর্থ হয়েছে। মানবদেহে এই প্রতিষেধকটির প্রয়োগ হলেও ভালো পাওয়া যায়নি। (ঢাকা টাইমস- ২৪/৪/২০২০)

কার্যকর প্রতিষেধক আবিস্কার না হওয়া পর্যন্ত পৃথিবী থেকে করোনা নির্মূল হবে না। এটা হতে কতো বছর লাগবে আর হলেও সারা পৃথিবীর ৮০০ কোটি মানুষের কাছে পৌছাতে কতো বছর সময় লাগে কে জানে? এতোদিন বাংলাদেশের মতো একটা গরীব দেশে সব কার্যক্রম স্থবির
হয়ে থাকতে পারে না।

কিভাবে করোনার সাথে সমন্বয় করে দেশে অর্থনৈতিক কার্যক্রম চালানো যায়,এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার জন্য সব পেশার গুরুত্বপূর্ণ ব্যাক্তিদের নিয়ে একটা জাতীয় সংস্থা (committee) গঠন করে দ্রুত তাদের সুপারিশের ভিত্তি এব্যাপারে দ্রুত প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেয়া দরকার

https://www.jugantor.com/international/300656/করোনার-কারণে-৩৬-দেশে-দুর্ভিক্ষ-দেখা-দেবে?fbclid=IwAR0HA8XR2FOLCGRgtXiZKPOP00hyF3HUvxc_Ts1--e_PqYmWMSLksCl8QDY

মন্তব্য ৩৪ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (৩৪) মন্তব্য লিখুন

১| ২৪ শে এপ্রিল, ২০২০ রাত ৮:৩৪

নেওয়াজ আলি বলেছেন: জনগণ এখন আর শুনছে না কিছু । পেটে ভাত চায়।

২৪ শে এপ্রিল, ২০২০ রাত ৮:৫২

অনল চৌধুরী বলেছেন: ভাত না দিয়ে অন্য জিনিস দিতে হবে।
নুডলস,আলু,ভেজিটেবল সু্ু্প খাওয়া শেখাতে হবে।
হাভাতে স্বভাব ছাড়তে হবে।

২| ২৪ শে এপ্রিল, ২০২০ রাত ৮:৩৭

রাজীব নুর বলেছেন: করোনা নিয়ে খুব বেশি আতং হবার কিছু নাই।
মানূষের হাতে টাকা শেষ হয়ে আসছে মানে কি? এই ২৫/৩০ দিনেই মানুষের হাতের টাকা শেষ??

২৪ শে এপ্রিল, ২০২০ রাত ৮:৫০

অনল চৌধুরী বলেছেন: আপনি শুধু নিজের কথা ভাবছেন।
কোটি কোটি গারমেন্টস শ্রমিক,দিনমজুরদের কথা ভাবছেন না।
তারা তো দুর্নীতি-লুটপাটকারী জমিদার না।
অনেকে ১ দিন কাজ করতে না পারলে না খেয়ে থাকে।
মনে রাখবেন ,এরা ছাড়াও বাংলাদেশের ৯ কোটি লোক ভূমিহীন আর ৫ কোটি বেকার।

৩| ২৪ শে এপ্রিল, ২০২০ রাত ৮:৫৫

এলিয়ানা সিম্পসন বলেছেন: আজব তো! পৃথিবীর সব অত্যাচারীদের করোনাভাইরাস মেরে ফেলছে। তাতে প্রবলেম কি?

২৪ শে এপ্রিল, ২০২০ রাত ৯:৪৫

অনল চৌধুরী বলেছেন: 50,836 American terrorists have been killed by great coronavirus.
All American terrorists will be eliminated from earth soon including their Bangladeshi slaves.
https://www.worldometers.info/coronavirus/country/us/

৪| ২৪ শে এপ্রিল, ২০২০ রাত ৮:৫৮

সাইন বোর্ড বলেছেন: এই দুঃসময়ে যেখানে ত্রাণের চাল চুরি করার মহা উৎসব শুরু হয়েছে, সেখানে কিভাবে আশা করেন দুর্নীতিবাজরা তাদের গোচ্ছিত টাকা জনগণের কল্যানে ব্যবহার করবে । মনে হচ্ছে সামনে আরো ভয়ংকর দিন আসছে ।

২৪ শে এপ্রিল, ২০২০ রাত ৯:১৮

অনল চৌধুরী বলেছেন: এদেশে থাকা দুর্নীতিবাজরা স্বেচ্ছায় কোনাদিনও চুরি করা টাকা ফেরত দেবে না। কিন্ত ইলেক্ট্রিক চেয়ারে বসালে সব বাপ বাপ করে টাকা ফেরত দেবে।
আর এ্যামেরিকা-ক্যানাডা ইউরোপে যেসব দুর্নীতিবাজ আছে,এখন তাদের জান নিয়ে টানাটানি।
টাকা ভোগ করতে না পারলে আর লুটপাট করে কি লাভ হলো?
সুতরাং সব সেকেন্ডহোম-বেগম পাড়ার বাড়ির মালিকদের টাকা ফেরত দিলে দেশে ফিরিয়ে আনা হবে-এ ই শর্তে দেয়া যায়।
কারণ ওখানে থাকলে মরার সম্ভবনা ৯০%, কিন্ত বাংলাদেশে অনেক কম।

বিশ্বের মানুষের দীর্ঘ সময় ধরে করোনা ভাইরাসের সঙ্গে লড়াই করতে হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান টেড্রোস অ্যাধনম ঘেব্রেইয়েসাস।..... আমাদের সঙ্গে এটি অনেক সময় থাকবে।

৫| ২৪ শে এপ্রিল, ২০২০ রাত ৯:৪৩

এলিয়ানা সিম্পসন বলেছেন: হ্যা। করোনাভাইরাস তো অনেক গ্রেইট। আমারও মৃত্যু শীঘ্রই।

২৪ শে এপ্রিল, ২০২০ রাত ১০:২৯

অনল চৌধুরী বলেছেন: You will not only receive a painful death soon, but this is waiting for you in hell for lying, supporting the Yankee terrorists blindly for money and disgracing the one who came to this world to let the sinners take to the light from the darkness and striving for that for decades.

Afraid you sinner, and repent for the crimes u have committed for all throughout your life for your own benefit, so that the Son of the holy Lord may recommend light punishment for you.

https://youtu.be/vO8tg1pD-3I

৬| ২৪ শে এপ্রিল, ২০২০ রাত ৯:৫৫

চাঁদগাজী বলেছেন:


লেখক বলেছেন:, "50,836 American terrorists have been killed by great coronavirus. "

-আপনি দার্শনিক মানুষ, সাধারণ আমেরিকানরা আপনার থেকে হাজার গুণে ভালো মানুষ; ওদের বেতনের টাকা থেকে আোনুদানে বিশ্বের ৪০/৫০ দেশের মানুষ সাহায্য পেয়ে থাকে; আপনার থেকে পাড়ার কুকুর একটা হাড্ডিও পায় না; আপনি রাস্তায় বের হলে, রাস্তায় কুকুর আপনাকে কামড়াবে। আসলে, আপনি বদ্ধ পাগল।

২৪ শে এপ্রিল, ২০২০ রাত ১১:১৭

অনল চৌধুরী বলেছেন: You will not only receive a painful death soon, but this is waiting for you in hell for lying, supporting the Yankee terrorists blindly for money and disgracing the one who came to this world to let the sinners take to the light from the darkness and striving for that for decades.

Afraid you sinner, and repent for the crimes u have committed for all throughout your life for your own benefit, so that the Son of the holy Lord may recommend light punishment for you.

https://youtu.be/vO8tg1pD-3I
ওদের বেতনের টাকা থেকে অনুদানে বিশ্বের ৪০/৫০ দেশের মানুষ সাহায্য পেয়ে থাকে- এ্যামেরিকার ভিক্ষুকরা নিজের পকেট থেকে কাউকে কোনোদিন ১ সেন্টও দেয়না,বরং দুইহাতে লুটপাট করে সারা পৃথিবী থেকে। এমনকি ঋণ আর সাহায্যের চেয়েও বাংলাদেশ থেকে বেশী টাকা নেয় রপ্তানী কর খেকে।
আপনার মতো মহা-মিথ্যাবাদী মহামূর্খকে এসব শেখানো যাবে না।
এদের জন্মই তো হয়েছিলো হাভাতে কলম্বাস-ফার্ডিন্যান্ড-্ইসাবেলা চক্রের গর্ভ থেকে।

আপনার থেকে পাড়ার কুকুর একটা হাড্ডিও পায় না- আমি আমার সব সম্পদ.মেধা-বুদ্ধি সব কিছু ব্যায় করেছি এবং করছি দেশের জন্য।
আপনার মতো ১ সেন্টের জন্য এ্যামেরিকার পদলেহন করিনা ।

৭| ২৫ শে এপ্রিল, ২০২০ রাত ১:০৩

চাঁদগাজী বলেছেন:



আপনি কি গার্বেজ বই লিখেছিলেন, উহা কি ছানাচুরের প্যাকেটে পরিণত হয়েছে?

২৫ শে এপ্রিল, ২০২০ রাত ২:৩৮

অনল চৌধুরী বলেছেন: উহা নয়,উহাগণ - মানে একাধিক।
যাহা দেশের প্রায় সকল সরকারী এবং বেসরকারী গ্রন্থাগারে সন্মানের সহিত সংরক্ষিত রহিয়াছে।
আপনি কি নিজেকে সবার কাছে তুচ্ছ-অপমাণিত করিয়া আনন্দ পান? না হইলে সবাই আপনাকে এতো ভর্ৎসনা করিবার পরও নিজের কদাকার আচরণ পরিবর্তন করিতে পারিতেছেন না কেনো?
আপনি দ্রুত মানসিক রোগের অরোগ্যের জন্য NY Trauma Center - এ আসন সংরক্ষণ করুন।

৮| ২৫ শে এপ্রিল, ২০২০ রাত ১:৫৯

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
করোনা নিয়ে আতঙ্ক নয়
সচেতন হতে হবে। পরিস্থিতি
সামাল দিতে ক্যাচাল নয়
সবাই মিলে কাজ করতে হবে।

২৫ শে এপ্রিল, ২০২০ রাত ২:৪৩

অনল চৌধুরী বলেছেন: এখানে কারো খুব একটা সমস্যা নাই.কিন্ত সীমাহীন সমস্যা দিনমজুর-্শ্রমজীবি-কৃষকদের।

৯| ২৫ শে এপ্রিল, ২০২০ রাত ২:৩৭

রাজীব নুর বলেছেন: দেখুন আমাদে দেশে সমস্ত বাজার গুলোতে প্রতিদিন মানূষের ভির দেখা যায়। মানূষের হাতে টাকা না থাকলে মানূষ বাজার করছে কিভাবে??

২৫ শে এপ্রিল, ২০২০ রাত ২:৪১

অনল চৌধুরী বলেছেন: Click This Link
আপনি যারা বাজার করছে ,তাদের দেখছেন কিন্ত দেশের যে শ্রমজীবি শ্রেণী বাজার করতে পারছে না,তাদের দেখতে পারছেন না।
আপনি কি পত্রিকা পড়েন না বা টিভি দেখেন না?
¤à¦¦à¦°à¦¿à¦¦à§à¦°-দিনমজুররা-কঠিন-সমস্যায়

১০| ২৫ শে এপ্রিল, ২০২০ সকাল ৯:৩০

রাফা বলেছেন: করো্ছেনাকাল.......সময়টা যেহেতু দির্ঘায়ীত হোচ্ছে কিছু কিছু বিষয় সমন্বয় করে নেওয়া এখন সময়ের দাবী। যেমন

কৃষকের উৎপাদিত ফসল প্রয়োজনে সরকারী বা সন্মিলিত সমবায়ের মাধ্যমে ক্রয় করে পৌছানোর ব্যাবস্থা করতে হবে গ্রাহক ও দুস্থদের কাছে।খামারিদের প্রোডাক্ট অবশ্যই সমান্তরালভাবে পৌছানোর চেষ্টা থাকতে হবে কৃষি পণ্যের মতই। যে সকল পণ্য ষ্টোরেজ করে রাখা সম্ভব সেটা বৃহৎ আকারে করে রাখতে হবে। যেমন প্রচুর মিল্ক নষ্ট হোচ্ছে পর্যাপ্ত ফি্রজিং সিস্টেম নেই বলে।এই খাদ্যগুলো প্রসেসিং ডেভলপ না হওয়াতে প্রচুর ক্ষতি হোচ্ছে।অথচ পনির/মাখন করে রাখতে পারলে লাভবান হইতো এর উদ্দোক্তরা।

আর আপনি বাইরের যে মেডিকেল হেল্পের কথা বলছেন ।সেটা কোনই দরকার নেই করোনার বেলায়।কারন এটার কোন স্পেসালিস্ট নেই।কিংবা এমন কোন ঔষধই এখন পর্যন্ত আবিস্কার হয়নি যা আমদানি করা যেতে পারে।যে চিকিৎসা এখন পর্যন্ত ডেভলাপ করেছে তা আমাদের স্থানীয় চিকৎসক ও নার্সরাই যথেষ্ট।বরং সরকারিভাবে ডাক্তার নিয়োগ বাড়ানো দরকার।

আপাতত এটুকুই ,পরবর্তিতে সিচুয়েসন অনুযায়ী ব্যাবস্থা গ্রহণ করতে হবে।ধন্যবাদ ,অ.চৌধুরী।

২৫ শে এপ্রিল, ২০২০ রাত ৮:১১

অনল চৌধুরী বলেছেন: আপনি বাইরের যে মেডিকেল হেল্পের কথা বলছেন ।সেটা কোনই দরকার নেই করোনার বেলায়।কারন এটার কোন স্পেসালিস্ট নেই।কিংবা এমন কোন ঔষধই এখন পর্যন্ত আবিস্কার হয়নি যা আমদানি করা যেতে পারে- আপনি যদি ভিয়েতনাম- কিউবার বিশেষজ্ঞের সাথে বাংলাদেশের তুলনা করেন,তাহলে বলার কিছুই নাই।
শুধু মৃত্যুর সংখ্যাটা দেখেন।
ভিয়েতনাম পৃথিবীর একমাত্র দেশ ,যেদেশে করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পরও একজনের মৃত্যুও হয়নি।

১১| ২৫ শে এপ্রিল, ২০২০ দুপুর ১২:০৬

মোস্তফা সোহেল বলেছেন: মি রাজীব বাংলাদেশে না মনে হয় স্বর্গে বাস করছেন।

২৫ শে এপ্রিল, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৫৭

অনল চৌধুরী বলেছেন: তাই তো মনে হচ্ছে। এখানে কারো হয়তো সমস্যা নাই,কিন্ত দেশের কোটি কোটি মানুষ শোচনীয় অবস্থার মধ্যে আছে।

১২| ২৫ শে এপ্রিল, ২০২০ দুপুর ২:১২

পলাতক মুর্গ বলেছেন: ১। বাংলাদেশের শক্তি হল কৃষি, পৃথিবীর সরচেয়ে উর্বর দেশ এবং পর্যাপ্ত পানি সরবরাহের সুবিধা। এই সুবিধাকে সর্বোচ্চ কাজে লাগাইতে হবে। কোন পতিত জমি রাখা যাবে না, বাড়ির ছাদ, রাস্তার আইল্যান্ড, হাইওয়ের/রেইলওয়ের ঢাল, সরকারি প্রতিষ্ঠানের অব্যবহৃত জমি, সব যায়গা কাজে লাগাতে হবে। সরকারের পক্ষ থেকে পলিসি এবং প্ল্যান প্রণয়ন এবং মনিটরিং করতে হবে।
২। গুদাম এবং কোল্ড ষ্টোরের সংখ্যা বাড়াইতে হবে, দেশে এখন বিদ্যুতের অভাব নাই, কাজেই গন হারে কোল্ড ষ্টোরেজ বানাইতে হবে।
৩। প্রসেসড ফুড ইন্ড্রাস্টির বিপ্লব ঘটাতে হবে, এতে অনেক লোকের কর্মসংস্থান হবে।
৪। ঔষধ শিল্প বাংলাদেশের আরেকটা শক্তি, এটাকে সর্বোচ্চ কাজে লাগাতে হবে।
৫। খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন করা যেতে পারে, কিভাবে খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন করলে সবার সবচেয়ে উপকার হয় তা নিয়ে এখন থেকেই গবেষনা আরম্ভ করতে হবে।

জরুরি কাজে উঠতে হচ্ছে ............ পরের কমেন্টে আরও লিখবো ইনশাআল্লাহ

২৫ শে এপ্রিল, ২০২০ রাত ৮:১৩

অনল চৌধুরী বলেছেন: গবেষকদের পরামর্শ না নিলে দেশের ক্ষতি হবে।
আর আজকের ইত্তেফাকে যেমন লিখেছে,পঙ্গপাল যদি সত্যিই আক্রমণ করে,তাহলে সর্বনাশের ষোলোকলা পূর্ণ হবে।

১৩| ২৫ শে এপ্রিল, ২০২০ দুপুর ২:২৭

ঢাবিয়ান বলেছেন: আরে বাবা খাবারের অভাব দেখা দিলে জনগন কচুরিপানা খাবে, কত্ত ভিটামিন !! পরিকল্পনামন্ত্রী খাবারের এমন বিশুদ্ধ উৎস উদ্ভাবনের পরও এই দেশের জনগন আর কি চায়!

২৫ শে এপ্রিল, ২০২০ রাত ৮:০৪

অনল চৌধুরী বলেছেন: শাপলা-শালুক খেতে পারলে পারলে চুরিপানা খেতে সমস্যা কি?

১৪| ২৫ শে এপ্রিল, ২০২০ দুপুর ২:৩৫

পলাতক মুর্গ বলেছেন: ৬। বাংলাদেশ থেকে উগ্র পূজিবাদের বিদায় দিতে হবে। অন্তত আংশিক ভাবে বাংলাদেশকে সোস্যাল ওয়েলফেয়ার স্টেটে পরিনত করতে হবে।
৭। সব ধরণের অপচয় বন্ধ করার জন্য অপচয় নিরোধি কাউন্সিল/ জাতীয় কমিটি বানাতে হবে।
৮। কুটনৈতিক ভাবে সমস্ত বন্ধু রাস্ট্রের সাথে সাহায্য সহযোগিতার সম্পর্ক বর্ধিত করতে হবে।
৯। বেকার ভাতা/ বয়স্ক/বিধবা ভাতার ইত্যাদির আওতা বৃদ্ধি করতে হবে।
১০। দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করতে হবে।
১১। মানুষে মানুষে সাহায্য সহযোগিতা, সম্প্রীতি বৃদ্ধির জন্য উৎসাহ দিতে হবে।
১২। দুঃসময়ে যারা দৃষ্টান্তমূলক কাজ করবেন তাদেরকে সরকারি ভাবে পদক দিতে হবে এবং জাতীয় বীর ঘোষনা করতে হবে (২য় বিশ্বযুদ্ধের সময় সোভিয়েত ইউনিয়ন এই নীতি গ্রহন করে যুদ্ধের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছিল)

২৬ শে এপ্রিল, ২০২০ রাত ২:০৫

অনল চৌধুরী বলেছেন: বেশীরভাগ পরামর্শ গুরুত্বপূর্ণ।
আমাদের নিয়ে এটা সংস্থা গঠন করা উচিত।
কারণ আমরা দুর্নীতিবাজ সরকারী কর্মচারীদের মতো নিজের স্বার্থে পরিকল্পনা দেবো না,দেবো নি:স্বার্থভাবে দেশের স্বার্থে।

১৫| ২৫ শে এপ্রিল, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:০৭

রাজীব নুর বলেছেন: দেখুন অল্প কিছু দরিদ্র লোক থাকবেই।
করোনা পরিস্থিতির আগে কি দরিদ্র লোক ছিলো না ? ছিলো।

২৫ শে এপ্রিল, ২০২০ রাত ৮:৫১

অনল চৌধুরী বলেছেন: অল্প না অনেক।
তখন কাজ ছিলো।। অন্তত মানুষ ভিক্ষাও দিতো।
কিন্ত এখন সেই সুযোগ নাই।

১৬| ২৫ শে এপ্রিল, ২০২০ রাত ৮:৫৭

রাজীব নুর বলেছেন: আমাদের আশাবাদী হতে হবে।
সরকার ছাড়া প্রচুর লোক ব্যাক্তিগত উদ্যোগে ত্রান দিচ্ছে।

২৬ শে এপ্রিল, ২০২০ রাত ২:০১

অনল চৌধুরী বলেছেন: পঙ্গপাল আসছে।

১৭| ২৫ শে এপ্রিল, ২০২০ রাত ৯:২৪

জুন বলেছেন: আমি ধীরে ধীরে কেন জানি হতাশ হয়ে পড়ছি অনল চৌধুরী। আপনার সুপারিশগুলো ভালোই।
আপনি কি নামে বই লিখেছেন জানাইয়েন। কেনার চেষ্টা করবো বেচে যদি থাকি।

২৬ শে এপ্রিল, ২০২০ রাত ২:০৬

অনল চৌধুরী বলেছেন: এই নামেই রকমারি.কম এ সব বই আছে।কিন্ত এখন তাদের কার্যক্রম বন্ধ।
আপনার ফেসবুক একাউন্ট থাকলে বলেন,ইনবক্সে বই পাঠাবো ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.