নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সাহসী সত্য।এই নষ্ট দেশ-জাতি-সমাজ পরিবর্তনের প্রচেষ্টাকারী একজন যোদ্ধা।বাংলাদেশে পর্বত আরোহণের পথিকৃত।

অনল চৌধুরী

লেখক,সাংবাদিক,গবেষক,অনুবাদক,দার্শনিক,তাত্ত্বিক,সমাজ সংস্কারক,শিক্ষক ও সব অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী যোদ্ধা

অনল চৌধুরী › বিস্তারিত পোস্টঃ

বাংলাদেশের মানুষের খাবার অভ্যাস ও ধরণ পরিবর্তন করা দরকার

২১ শে মে, ২০২০ রাত ৩:০৫







করোনার কারণে চাকরী চ্যুতি,ব্যবসায়িক লোকসান,যোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধসহ বিভিন্ন কারণে পৃথিবীর ৩০ থেকে ৫০ কোাটি লোক চরম দারিদ্রে পড়তে পারে বলে জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থা বারবারই ঘোষণা দিচ্ছে।
বাংলাদেশের মতো দেশগুলির জন্য বিষয়সটা আরো বেশী বিপদজনক।
মানুষের প্রথম ও প্রধান মৌলিক চাহিদা খাবার।

চেষ্টা করলে খাদ্যসংকট প্রতিরোধ করা যেতে পারে।

কিন্ত বাংলাদেশের মানুষের খাবার অভ্যাসের যদি পরিবর্তন না হয়, তাহলে এই সংকট কমার পরিবের্ত আরো বেশী সৃষ্টি হবে।

বেশীরভাগ বাঙ্গালী তিনবেলাই রাক্ষসের মতো চামচ ছাড়া হাত দিয়ে নোংরাভাবে ভাত খাওয়ার হাভাতে স্বভাব ছাড়তে পারলে দেশের অনেক উন্নয়ন হতো।

আলু,রুটি,শাক-সব্জি-এসব বেশী খেলে ধানের উপর চাপ কমতো।

এদেশের মানুষের অতিরিক্ত ভাত খাওয়ার স্বভাবের কারণ ধান উৎপাদনে জমির উপর অতিরিক্ত চাপ পড়ার ফলে দেশের উন্নতি বিঘ্নিত হচ্ছে। ধানের পরিবর্তে অন্যান্য অর্থকরী ফসল চাষ করা হলে জমির উপযুক্ত ব্যবহার হতো।

১ কেজি ভালো চালের দাম ৮০-১০০ টাকা কিন্ত ১ কেজি কুল,কমলার দাম ১২০-১৫০ টাকা।ক্যাপসিক্যামে, ষ্ট্রবেরি,ড্রাগণ ফলের দাম দাম কেজি ৩০০-৭০০ টাকা।
ভাত কম খেলে জমিতে ধানের পরিবর্তে এসব চাষ করলে কৃষক বেশী লাভবান হতো আর রপ্তানী করা হলে দেশও অনেক বৈদেশিক মুদ্রা আয় করতে পারতো।

কিন্ত এরা উন্নত দেশ থেকে মদ, জুয়া,ব্যাভিচার শিখবে,কিন্ত খাবার ক্ষেত্রে সেসব দেশকে অনুসরণ করবে না।
এই ব্লগেই অনেকে বিদেশে আছেন এবং প্রবাসের কর্মব্যাস্ত জীবনে তারা কিভাবে নিজেদের খাবারের অভ্যাস পরিবর্তন করেছেন,সেটা তাদের লেখাগুলি পড়লেই বোঝা যায়।

উপরের ছবিগুলিতে দেখেন,এক ভদ্রলোক সিদ্ধ চাল না দেয়াতে কর্তৃপক্ষের উপর কিরকম ক্ষুদ্ধ হয়েছেন।তার কথার প্রেক্ষিতে আমার উত্তরগুলিও দেখেন। দেশের এতোবড় সংকটে তাদের জন্য যে খাবার সরবরাহ করা সম্ভব হয়েছে,সেটার প্রশংসা না করে সে এবং তার সঙ্গী-সাথীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছে আতপ চাল দেয়াতে !!!!!

একমাত্র দরিদ্ররা ছাড়া বেশীরভাগ বাঙ্গালী তার শরীরে প্রয়োজনের তুলনায় অনেক বেশী পরিমাণে শর্করা খায়।এর মূল কারণ শরীরের ক্ষুধার চেয়ে মনের ক্ষুধা। অন্তত দুই প্লেট ভাত না খেলে বেশীরভাগ, লোকের মনের শান্তি হয়না।

বাঙ্গালীরা প্রতিবেলায় যে পরিমাণ ভাত খায়,চীন জাপান বা কোরয়িার মতো উন্নত দেশের লোকজন ৩ বেলাতেও এতোটা খায় না।তারা স্যুপের ১ বাটি পরিমাণ ভাত কিছুট শাক-সব্জি ও আমিষ সহ খায়।এবং তারা অবশ্যই হাত ব্যবহার করে খায় না,সবসময়ই চামচ বা চপষ্টিক দিয়ে খায়।

বাংলাদেশের লোকজনও বিদেশের গেলে চামচ দিয়ে খায় কিন্ত নিজের দেশের মধ্যে এই চর্চা করে খুব বেশী হলে ১২/১৫ লাখে ১ জন।

সেনানিবাসে অবস্থিত সেনামালঞ্চে বিয়ের দাওয়াতে গেলে যারা জীবনেও চামচ দিয়ে খাননি, তাদের কষ্ট করে হলেও সেটা খেতে হয়।

হাত দিয়ে খাওয়া শুধূ দৃষ্টিকটুই না,এটা অস্বাস্থ্যকরও।কারণ হাত ধুলেও সম্পূর্ণ জীবাণূমুক্ত হয় না।

সারাদেশেই এই প্রথা চালু করা উচিত।কারণ কোনো উন্নত দেশের লোকজন হাত দিয়ে খাবার খায় না। আর চামচ বা কাটাচামচও ইউরোপ-এ্যামেরিকার আবিস্কার না,এর আবিস্কারও এশিয়া ও আফ্রিকায়


একই সাথে আসন্ন খাদ্যসংকট নিরসনে দেশের প্রতিটা এলাকার সব জমিতে চাষাবাদ করার জন্য গতো দুই মাস ধরেই পত্রিকা ও ব্লগে লিখে বলে আসছি। দেশের কয়েক হাজার কিলোমিটার দীর্ঘ মহাসড়কগুলির পাশের সরকারী জমিতেও যদি শাক-সব্জি ও ফল চাষ করা যায়,তাহলেও প্রচুর পরিমাণ লোকের খাদ্যসংকটের সমাধান হবে।

ঢাকা থেকে যেসব বস্তিবাসী ও ভবঘুরে লোকে গ্রামে চলে গেছে,তাদের আর ঢাকায় ফেরত এনে শহরকে অতিরিক্ত ঘনবসতি পূর্ণ না করে সরকারী জমিগুলিতে কৃষিকাজে নিয়োজিত করা যায়।

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সম্পদ এদেশের উবর্ব মাটি,যার লোভে সারা পৃথিবী থেকে খাদ্যের সন্ধানে মানুষ এসে এদেশে বসবাস বা লুটপাট করতে এসছিলো।

এখন এই মাটির উপযুক্ত ব্যবহারের মাধ্যমেই দেশকে খাদ্যসংকট থেকে মুক্ত করা সম্ভব।

মন্তব্য ২৭ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (২৭) মন্তব্য লিখুন

১| ২১ শে মে, ২০২০ ভোর ৫:৪১

নেওয়াজ আলি বলেছেন: বেশী করে আলু খান । ভাতের উপর চাপ কমান

২১ শে মে, ২০২০ ভোর ৫:৫৭

অনল চৌধুরী বলেছেন: শুনবে না,ভাত ছাড়া কিছু খাবে না।

২| ২১ শে মে, ২০২০ দুপুর ১২:৫৬

ঋণাত্মক শূণ্য বলেছেন: Cool bro! সবাই যদি একই রকম হইতো; তাইলে দুনিয়ার সবাই খালি খিচুড়িই খাইতো!

বুঝতে পারছি আপনি ঐ লোক বা ঐ রকম লোকদের দ্বারা disgusted, কিন্তু আসলেই কিছু করার নাই। সবাই এক রকম না। সবাই এক রকম হবে এটা চিন্তা করাটা একটা চরম মাত্রায় গাধামি!

আপনি পুরা জাতীকে যেমন চাউল খাওয়ার অপরাধে অপরাধী বানায় ফেলছেন, বিশ্বের যে দেশে প্রবাসীরা যায়, আর তাদের মত খাওয়া শুরু করে, ঐ দেশের মানুষও প্রবাসীদের তাদের মত খাওয়ার দোষে দোষী করে। কারণ প্রায় প্রতি দেশের সরকারই সে দেশের প্রধান খাদ্যের উপরে ভর্তুকি দেয়, আর প্রবাসীরা সেখানে গিয়ে ভর্তুকির খাবার খাইলে তাদের জ্বলে!

তর্ক করলেই তর্ক বাড়ে। আপনি যেভাবে একবাটি ভাতের উদাহরণ দিলেন, সেই সব দেশেই আটার রুটি (বার্গার) কিংবা আলু ভাজি (ফ্রেঞ্চ ফ্রাই) খেয়েই কিন্তু ইয়া মোটা মোটা হয়।

ফেসবুকে ঐ লোকদের দ্বারা গণ ধোলাই খাওয়ার পরে ব্লগে সেই রাগ ঝাড়তে আসার খুব একটা দরকার ছিলো না। যাই হোক, আবারও বলবো, Cool bro! সবাই যদি একই রকম হইতো; তাইলে দুনিয়ার সবাই খালি খিচুড়িই খাইতো!

২১ শে মে, ২০২০ বিকাল ৪:০১

অনল চৌধুরী বলেছেন: আমি পুরো জাতিকে অপরাধী বানাইনি,তাদের মধ্যে যেসব খারাপ অভ্যাস,সেটা পরিবর্তন করতে বলেছি।
এশিয়ার বেশীরভাগ মানুষের মূল খাবার ভাত।তাদের যদি দুপুরে রুটি খেতে বলা হয়,তাহলে উত্তর ভারতীয়,পকিস্তানী আর আফগানরা ছাড়া ছাড়া কেইউ সেটা পারবে না।আর আমিও সেটা বলিনি
বলেছি,খাবার পরিমাণ কমাতে,যেটা করে চীনা,জাপানী আর কোরিয়ানরা।
ফেসবুকে ঐ লোকদের দ্বারা গণ ধোলাই কোথায় পেলেন? সে আমার ছোটো ভাই। তার সাথে আমার বিতর্ক হয়েছে,ঝগড়া হয়নি।
বাংলাদেশের লোকজন যে প্রয়োজনের অতিরিক্ত ভাত খায়,সেটা তো সত্য নাকি?

৩| ২১ শে মে, ২০২০ দুপুর ১:১৭

নতুন বলেছেন: বেশীরভাগ বাঙ্গালী তিনবেলাই রাক্ষসের মতো চামচ ছাড়া হাত দিয়ে নোংরাভাবে ভাত খাওয়ার হাভাতে স্বভাব ছাড়তে পারলে দেশের অনেক উন্নয়ন হতো।

আমি সহ ব্লগের ৯৯% ( আপনি বাদে ) সবাই মনে হয় ৩ বেলাই রাক্ষসের মতন চামচ ছাড়া হাত দিয়ে ভাত খায়।

আজীবন হাত দিয়ে ৩ বেলা ভাত খেয়ে বড় হয়ে এখন যদি হাতদিয়ে খাওয়া নোংরা লাগে তবে তো বিরাট সমস্যা।

আপনি কতদিন হইলো নিজে রাক্ষসের মতন নোংরা ভাবে হাতদিয়ে ভাত খাওয়া ত্যাগ করেছেন?

পুরা জাতিকে অপমান করা অনেক বড় গিয়ানি ব্যক্তির দ্বারাই সম্ভব।

২১ শে মে, ২০২০ বিকাল ৪:৪৭

অনল চৌধুরী বলেছেন: সমাজ পরিবর্তনের জন্য প্রয়োজনীয় চিন্তাভাবনাকে যদি এভাবে ব্যাক্তিগত বা জাতীয়ভাবে নিয়ে প্রগতির পথ রুদ্ধ করা হয়,তাহলে দেশ জাতি সমাজ চিরকাল কূয়াতেই পড়ে থাকে,মহাসাগর আর দেখতে পাবে না।
একটা জাতিকে পরিবর্তন করতে হলে তাদের নীতি আদর্শ,সততা,নৈতিকতার উন্নয়নের সাথে সাথে তাদের ক্ষতিকর আচরণ,সংস্কৃতি,খাবারের অভ্যাস-সবকিছুই পাল্টাতে হবে ,যে চেষ্টা আমি করছি।
রেষ্টুরেন্ট এ গেলে কি সবাই হাত দিয়ে খায় না চামচ দিয়েই চাইনিজ-থাই খায়?
বাংলাদেশের জনগণ যখন অবাধে মদ খায়,ফেন্সিডিল-উয়াবার নেশা করে, শিশা বারে যায় যায়,ক্যাসিনোতে জুয়া খেলে,বিয়ে বহির্ভূত সম্পর্কের মতো বিদেশেী ক্ষতিকর জিনিসগুলি চর্চা করে তখন কিন্ত কারো এতো বাঙ্গালী সাজার কথা মনে থাকে না।যে জিনিসগুলি খারাপ এবং ক্ষতিকর,সেগুলি পাল্টাতে গেলেই তখন বাঙ্গালী চেতনা উথলে উঠে !!!!
***আজীবন হাত দিয়ে ৩ বেলা ভাত খেয়ে বড় হয়ে হয়েছি-সেটা কে বললো? আমি সবসময়ই চামচ দিয়ে সব খাবার খাই। নিজে পরিবর্তিত না হলে অন্যকে বলবো কিভাবে?
****আমি সহ ব্লগের ৯৯% ( আপনি বাদে ) সবাই মনে হয় ৩ বেলাই রাক্ষসের মতন চামচ ছাড়া হাত দিয়ে ভাত খায়- একথা কোথায় বলা হয়েছে??????

৪| ২১ শে মে, ২০২০ দুপুর ১:৪৭

রাজীব নুর বলেছেন: সত্য কথা বলি ভাত পোলাঊ আমি চামুচ দিয়ে খেয়ে আরাম পাই না।
লোক দেখানো কাজ আমার মোটেও পছন্দ না।

২১ শে মে, ২০২০ বিকাল ৪:০৩

অনল চৌধুরী বলেছেন: ধন্যবাধ।
আপনার মন্তব্যই সত্য এবং যুক্তিসঙ্গত।
হঠাৎ করে কোনোকিছু শুরু করলে অভ্যস্ত হতে সময় লাগে।
কয়েকদিন খওয়ার পর দেখবেন,হাত দিয়ে খেতেই আর ভালো লাগছে না।
সবার উচিত বাইরে লোক না দেখিয়ে নিজের বাড়িতেও চামচ দিয়ে খাবার অভ্যাস করা যেটা স্বাস্থ্যসম্মত।কারণ হাত ধুলেও সম্পূর্ণ জীবানূমুক্ত হয় না।
রেষ্টুরেন্ট এ গেলে তো সবাই চামচ দিয়েই চাইনিজ-থাই-মেক্সিকান খাই,ঠিক কিনা?

৫| ২১ শে মে, ২০২০ বিকাল ৫:০৩

নতুন বলেছেন: একটা জাতিকে পরিবর্তন করতে হলে তাদের নীতি আদর্শ,সততা,নৈতিকতার উন্নয়নের সাথে সাথে তাদের ক্ষতিকর আচরণ,সংস্কৃতি,খাবারের অভ্যাস-সবকিছুই পাল্টাতে হবে ,যে চেষ্টা আমি করছি।
রেষ্টুরেন্ট এ গেলে কি সবাই হাত দিয়ে খায় না চামচ দিয়েই চাইনিজ-থাই খায়?
বাংলাদেশের জনগণ যখন অবাধে মদ খায়,ফেন্সিডিল-উয়াবার নেশা করে, শিশা বারে যায় যায়,ক্যাসিনোতে জুয়া খেলে,বিয়ে বহির্ভূত সম্পর্কের মতো বিদেশেী ক্ষতিকর জিনিসগুলি চর্চা করে তখন কিন্ত কারো এতো বাঙ্গালী সাজার কথা মনে থাকে না।যে জিনিসগুলি খারাপ এবং ক্ষতিকর,সেগুলি পাল্টাতে গেলেই তখন বাঙ্গালী চেতনা উথলে উঠে !!!!


কতজন বাঙ্গালী মদ খায়? ফেন্সি-ইয়াবা খায়? কতজন ক্যাসিনোতে জুয়া খেলে?

আর বাঙ্গালী মদ, জুয়া খেলার প্রচলন অনেক আগেথেকেই প্রচলিত ইহা বিদেশীদের অনুকরনে না। মদ জুয়া মনে হয় বিশ্বের সকল সমাজেই প্রচলিত। আর এটা সমাজে খারাপ হিসেবেই দেখে, তাই ইহা দ্বারা উদাহরন দেবার কোন দরকার নাই।

রেস্টুরেন্টের একটা চামচ হাজারো মানুষ মুখে দিচ্ছে। আর আপনার ডান হাত ধুয়ে নিলেই পরিস্কার হইলো এবং যদি সাবানে হাত ধুলেও জিবানু মুক্ত না হয় তবে চামচ গুলি অবশ্যই অনেক পরিস্কার হবে কারন ঊহা রেস্টুরেন্টের।

২১ শে মে, ২০২০ রাত ৯:২৬

অনল চৌধুরী বলেছেন: কতজন বাঙ্গালী মদ খায়? ফেন্সি-ইয়াবা খায়? কতজন ক্যাসিনোতে জুয়া খেলে?- দেশের ৮০% এর বেশী লোক কোনো না কোনো নেশার সাথে জড়িত,সেটা সিগারেট-দেশী-বিদেশী মদ-ফেন্সিডিল-ইয়াবা যেটাই হোক না কেনো।
মদ মিশা বার,ফু ওয়াং-ডিসকো,মিশা বার এগুলি সব পশ্চিমের ক্ষতিকর জিনিসের অন্ধ নকল,যেগুলি আগে এদেশে ছিলো না।
এখন অনেকের কাছে জাতে উঠার উপায়।
চামচের সাথে যদি হাতের তুলনা করেন,তাহলে আর তর্ক চলে না।
সাবান দিয়ে ধুলে চামচ ১০০% পরিস্কার হয় কিন্ত হাত হয়না।
লেখার গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি আলোচনা নাই,আলোচনা শুধু হাতের পরিবের্তে চামচ দিয়ে খেতে বললাম কেনো-এটা নিয়ে !!!
বিচিত্র এই জাতি !!!!

৬| ২১ শে মে, ২০২০ বিকাল ৫:২৩

কল্পদ্রুম বলেছেন: স্ক্রীনশটগুলো পড়লাম।লেখাও পড়লাম।ভাই পজিটিভলি চিন্তা করুন।উন্নত দেশের মানুষেরাই তুচ্ছ বিষয় নিয়ে উত্তেজিত হয়।আর তাছাড়া ভাতকে এত তুচ্ছ কেন ভাবছেন!
উনি যে আতপ আর সিদ্ধ নিয়ে আপত্তি করেছেন সেটা আমাদের উন্নতি হয়েছে বলেই করেছেন।
আপনার সব কথাই ঠিক।কেবল হাত দিয়ে ভাত খাওয়াকে নোংরা বলা ঠিক হয়নি। রবীন্দ্র,নজরুল,হুমায়ুন আহমেদ,ইউনুস,সাকিব আল হাসান সবাই হাত দিয়ে ভাত খেয়েছেন।আপনার হিসেবে তারা সবাই নোংরা।

২১ শে মে, ২০২০ রাত ৯:৩৫

অনল চৌধুরী বলেছেন: ভাতকে তুচ্ছ ভাবা হয়নি,বলা হয়েছো খাবার পরিমাণ কমাতে,যেটা কাজে লাগে না আর যেটার উপর অতিরিক্ত চাপ পড়ার ফলে দেশের উন্নতি বিঘ্নিত হচ্ছে।এদেশের মানুষের অতিরিক্ত ভাত খাওয়ার স্বভাবের কারণ ধান উৎপাদনে জমির উপর অতিরিক্ত চাপ পড়ার ফলে দেশের উন্নতি বিঘ্নিত হচ্ছে। ধানের পরিবর্তে অন্যান্য অর্থকরী ফসল চাষ করা হলে জমির উপযুক্ত ব্যবহার হতো।

১ কেজি ভালো চালের দাম ৮০-১০০ টাকা কিন্ত ১ কেজি কুল,কমলার দাম ১২০-১৫০ টাকা।ক্যাপসিক্যামে, ষ্ট্রবেরি,ড্রাগণ ফলের দাম দাম কেজি ৩০০-৭০০ টাকা।
ভাত কম খেলে জমিতে ধানের পরিবর্তে এসব চাষ করলে কৃষক বেশী লাভবান হতো আর রপ্তানী করা হলে দেশও অনেক বৈদেশিক মুদ্রা আয় করতে পারতো।
আতপ আর সিদ্ধ নিয়ে আপত্তি করেছেন সেটা আমাদের উন্নতি হয়েছে বলেই করেছেন- একমাত্র এই কারণেই বাঙ্গালীরা সারা পৃথিবীতে অলস ভেতো বাঙ্গাল হিসেবে পরিচিত্।
লেখার গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি আলোচনা নাই,আলোচনা শুধু হাতের পরিবের্তে চামচ দিয়ে খেতে বললাম কেনো-এটা নিয়ে !!!
বিচিত্র এই জাতি !!!!
রবীন্দ্র,নজরুল,হুমায়ুন আহমেদ,ইউনুস,সাকিব আল হাসান সবাই হাত দিয়ে ভাত খেয়েছেন- এরকম বিচিত্র যুক্তি দিলে আর তর্ক চলে না।তারা যেখানে পড়ে ছিলো বা আছে,সবাইকে কি সেখানেই পড়ে থাকতে হবে?এই চিন্তা করলে মানুষ এখনো পাথর যুগেই থাকতো।

১ ইঞ্চিও সামনে যেতে পারতো না।

রাশিয়া-এ্যামেরিকা সারাদিন সিদ্ধ-আতপ নিয়ে পড়ে থাকলে বাঙ্গালীদের মতো স্থুলবুদ্ধিসম্পন্নই হয়ে থাকতো। কোনোদিন চাদ-মঙ্গল-মহাশুণ্যে আর যান পাঠাতে বা বসবাসের চিন্তা করতে পারতো না।
করোনা যদি দীর্ঘদিন থাকে আর সব প্রবাসীরা যদি দেশে ফিরে আসে তাহলে সিদ্ধ-আতপ চাল তো দূরে থাক,ওল কচুও পাওয়া যাবে না।
লেখার গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি আলোচনা নাই,আলোচনা শুধু হাতের পরিবের্তে চামচ দিয়ে খেতে বললাম কেনো-এটা নিয়ে !!!
বিচিত্র এই জাতি !!!!

৭| ২১ শে মে, ২০২০ রাত ১০:৪৪

কল্পদ্রুম বলেছেন: আহা!আপনার সব কথার সাথে একমত স্বীকার করে নিয়েছি তো।একটু আধটু যা দ্বিমত ছিলো তা নিয়ে অন্যদের প্রতিউত্তরে বলে দিয়েছেন।
আমাদের মাননীয় হাসু আপা কিন্তু বলেছেন দেশে কোন খাদ্য সংকট নেই।যাই হোক।বাঙ্গালি যেমন অলস,ভেতো,বিচিত্র তেমনি সেন্টিমেন্টাল।সেন্টিমেন্টে আঘাত দিলে আমরা বাকী কথা শুনিও না।বুঝিও না।
মাসখানেক আগে জনৈক ফুড রিভিউয়ার বাংলাদেশে এসে দেদারছে হাত দিয়ে খেয়ে গেছেন। ;)

২১ শে মে, ২০২০ রাত ১১:০২

অনল চৌধুরী বলেছেন: সেন্টিমেন্টে আঘাত দেয়া হতো যদি বলতাম তিনবেলা রুটি খেতে ,যেমন বলেছিলো পাকিরা। তখন বাঙ্গালী স্বাভাবিকভাবেই ক্ষেপেছিলো।

আমি বলেছি ভাত কম খেয়ে সাথে শাবকসব্জি বেশী খেতে,যেটা শরীরের জন্য উপযোগী। আর একজন শ্রমিকও বিদেশে গিয়ে চামচ দিয়ে খাবার খায়।এতেও আঘাত পাওয়ার কিছু নাই।

আমি এখানে প্রতিদিন ঘন্টার পর ঘন্টা মূল্যবান অলাভজনক সময় ব্যায় করে গবেষণামূলক তথ্য ও তত্ত্ব দিচ্ছি দেশ জাতি সমাজ পরিবর্তনের জন্য।
যেগুলি উপযুক্ত সেসব ব্যাপারে সমর্থন এবং কোনো কিছু অপ্রয়োজনীয় মনে হলে যুক্তিসঙ্গত সমালোচনা প্রয়োজন।
আপনাদের সহায়তা ছাড়া সবই পন্ডশ্রম হবে।

৮| ২১ শে মে, ২০২০ রাত ১০:৪৮

নতুন বলেছেন: লেখার গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি আলোচনা নাই,আলোচনা শুধু হাতের পরিবের্তে চামচ দিয়ে খেতে বললাম কেনো-এটা নিয়ে !!!
বিচিত্র এই জাতি !!!!


যখন হাতদিয়ে ভাত খেলে সেটা নোংরা বিষয় হয়ে যায় তখন তার কাছে জাতীর অভ্যাস পরিবত`নের ছবক কেউই নেবেনা।

আমাদের নোংরা পূব`পরুষরা ভাত খেয়েই বড় হয়েছে। আর রবীন্দ্রনাথ, কবি নজরুল, বঙ্গবন্ধু সকলেই যখন তাদের নোংরা হাতে খেয়ে জাত যায়নাই তাই আমাদের ও হবেনা আশাকরি।

২১ শে মে, ২০২০ রাত ১০:৫৬

অনল চৌধুরী বলেছেন: পূর্ব-পূরুষ বাশ-পাতার ঘরে থেকেছে,পুকুরের পানিতে গোসল আবার সেই পানিই খেয়েছে ,খড়ির চুলায় রান্না করেছে,মুরগির ডাক শুনে ঘুম থেকে উঠেছে, এসবের কোনটা এখন মানেন? সব ব্যাপারে আধুনিক শুধু হাত দিয়ে ভাত খাওয়ার মতো দৃষ্টিকটু জিনিসটা পাল্টাতে বললেই প্রাচীনপন্থী সাজা !!!!
জাতের কথা বলা হয়নি,বলেছি নতুনভাবে চিন্তা করার কথা।

৯| ২১ শে মে, ২০২০ রাত ১১:০১

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: ইউরোপে ১২ বছর হয়ে গেলে বিভিন্ন দেশে। এখনো হাত দিয়ে কিছু না খেলে মনে হয় কি খাইলাম কেন খাইলাম।

এই পোস্ট পড়ে মনে হইলে যে থালে খাই সে থালে পানি ঢাইলা তাতে ডুইবা সুইসাইড খাই।

কিক্টাবস্থা!!!

অনল রক্স!!

২২ শে মে, ২০২০ রাত ৩:০৬

অনল চৌধুরী বলেছেন: এইটারেই তো কয় আদর্শ ভেতো বাঙ্গাল।
মদ খাওয়া,নবী-রসুলকে গালি দিয়ে আরো নানারকম কূকর্ম করে বিরাট মুক্তমনা সাজবে কিন্ত ভাত আর হাত ছাড়তে বললেই বিরাচ বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদী চেতনা উপচে পড়বে !!!!!!
একটা ইউরোপীয়ান বা এ্যামেরিকান,এমনকি চীনা-জাপানী নারীর সামনেও হাত দিয়ে খেলে ওইদিনই রোমান্টিক চাকরীর শেষ! !!!

১০| ২২ শে মে, ২০২০ রাত ১:৩৮

নতুন বলেছেন: আমি এখানে প্রতিদিন ঘন্টার পর ঘন্টা মূল্যবান অলাভজনক সময় ব্যায় করে গবেষণামূলক তথ্য ও তত্ত্ব দিচ্ছি দেশ জাতি সমাজ পরিবর্তনের জন্য।

=p~ =p~ =p~ =p~ =p~ =p~ =p~ =p~ =p~ =p~ =p~ =p~ =p~ =p~ =p~ =p~ =p~ =p~ =p~ =p~ =p~

এই যদি হয় গবেষনার ফল ???


বেশীরভাগ বাঙ্গালী তিনবেলাই রাক্ষসের মতো চামচ ছাড়া হাত দিয়ে নোংরাভাবে ভাত খাওয়ার হাভাতে স্বভাব ছাড়তে পারলে দেশের অনেক উন্নয়ন হতো।

২২ শে মে, ২০২০ রাত ৩:০৫

অনল চৌধুরী বলেছেন: আপনি কোথায় থাকেন?
বাংলাদেশের ৭৫% এর বেশী লোক এখন পর্যন্ত গ্রামে থাকে।
নিজেই একটা গবেষণা করে দেখেন,তারা প্রতিদিন কোন খাবারটা সবচেয়ে বেশী খায়।

১১| ২২ শে মে, ২০২০ ভোর ৫:২৬

নতুন বলেছেন: বাঙ্গালী হলে ৩ বেলা ভাত খাবে এটা সে বিশ্বের যেই দেশেই থাকুক না কেন।

কিন্তু এই ভাত খাওয়ার বিষয়টা আপনি এতোটা কদয‌‌‌ ভাবে লিখেছেন যে আপনার হীন মনের প্রকাশ পায়।

ভালো থাকবেন। আশা করি মানুষের প্রতি এই নিচু দৃস্টিভঙ্গি কখনো বদলাতে পারবেন।

২৩ শে মে, ২০২০ রাত ২:৪৫

অনল চৌধুরী বলেছেন: আপনি এখানে আসেন শুধু নোংরা আর নীচদের মতো ঝগড়া করতে।
যুক্তিতে না পাারলে অশোভন আচরণ করতে শুরু করেন। আগের মন্তব্যে বলেছেন বাংলাদেশের বেশীরভাগ লোক তিনবেলা ভাত খায়, এটা ভুল।এখন আবার একথা স্বীকার করে নীচদের মতো ঝগড়া করছেন।

আপনার মতো লোকদের জন্যই এই দেশ জাতি সমাজের কোনো পরিবর্তন হয় না। নিজেরা ভালো কিছু করতে তো পারেনই না,কেউ করতে গেলেও পদে পদে পদে সমস্যা সৃষ্টি করেন।
জেনে রাখেন,বাংলাদেশের বেশীরভাগ লোক শুধূ ভেতোই না,এরা আপনার মতোই পরশ্রীকাতর,পরনিন্দা আর পরচর্চাকারী।
ষড়যন্ত্র ,ঈর্ষা আর দলাদলি না করে এরা এক মুহূর্তও থাকতে পারে না।
এজন্যই সারা পৃথিবী সামনে যায় আর বাঙ্গালী পড়ে থাকে ভাতের হাড়ি আর এসব নোংরামী নিয়ে।

১২| ২৩ শে মে, ২০২০ ভোর ৪:৩৭

নতুন বলেছেন: আপনি এখানে প্রতিদিন ঘন্টার পর ঘন্টা মূল্যবান অলাভজনক সময় ব্যায় করে গবেষণা করে

আব`জনা প্রসব করবেন সেটার প্রতিবাদ করলেই নোংরামী?

৩ বেলা হাতদিয়ে ভাত খাবার জন্য কাউকে নোংরা বলা মানুষিক সমস্যা বলেই আমি মনে করি।

আর আমার সম্পকে যেহুতু জানেন না তাই আপনার মুল্যবান সময় নস্ট করে আমার সম্পকে না ভাবলেও চলবে। নিজের মানুষিক সমস্যার জন্য ডাক্তারের পরামশ` নিতে পারেন।

১৩| ২৪ শে মে, ২০২০ দুপুর ১:৫২

ডার্ক ম্যান বলেছেন: আপনার জন্ম ১৯৭৪ সালে। বেশ কিছু বই লিখেছেন । আপনার পুরাতন একটা ছবি আমার কাছে আছে ।

[email protected] মেইল করুন ।

২৫ শে মে, ২০২০ ভোর ৫:০৯

অনল চৌধুরী বলেছেন: ধন্যবাদ।
আমার ছবি শুধু আপনার কাছে না,বাংলাদেশের হাজার হাজার লোকের কাছে আছে আর লক্ষ লক্ষ লোক প্রতিদিন দেখেছে।
কিন্ত সেটা গুরুত্বপূর্ণ না,গুরুত্বপূর্ণ দেশের জন্য নি:স্বার্থভাবে কাজ করা।যেটা আমি এখানে বহু হেনস্থা হওয়ার পরও করছি।

দেশ-জাতি-সমাজ পরিবর্তনের উদ্দেশ্য নিয়ে ১৯৯২ সাল থেকে গভীরভাবে লেখালেখি শুরু করেছিলাম ।১৯৯৯ সালের বইমেলায় প্রথম একসাথে ৪ টা বই বের হয়। কিন্ত দেশে শুধু পর্বত আরোহন চালু করা ছাড়া দেশ জাতির আর কোনো পরিবর্তন করতে পারিনি,কারণ কেউ কথা শোনেনি।

শুনলে বাংলাদেশকে কিউবা,সিঙ্গাপুর বা মালয়শিয়া বানাতে পারতাম।দেশে অভাব,দারিদ্র,বেকারত্ব,দুর্নীতি,সন্ত্রাস আর মাদক বলে কিছু থাকতো না। ভারত,পাকিস্তান আর বার্মা তো কোন ছার, সন্ত্রাসী এ্যামেরিকাও ভয়ে কাপতো।

পরে আমার প্রকাশনীকে মেলা থেকে নিষিদ্ধও করা হয়েছে।

আমার ছবি দেখার জন্য আমাকে চিঠি দিতে হবে !!!! -দারুণ এই সংলাপটা হলিউডের চিত্রনাট্যকাররা পেলে কয়েক হাজার ডলারে কিনে নেবে !!!!
তবে বইটা যে এতোবছর পরও সংগ্রহে রেখেছেন ,এজন্য ধন্যবাদ।
এই ব্লগেও ইনবক্স চালু করা উচিত ব্যাক্তিগত তথ্য আদান-প্রদানের জন্য।
আপনার কাছে আমার লেখা কোন বইটা আছে

১৪| ২৬ শে মে, ২০২০ রাত ৯:৪৯

ডার্ক ম্যান বলেছেন: আপনার কাছ থেকে কিছু জানার ছিল । তাই মেইল আইডি দিয়েছি ।
সিরাজ শিকদারও নিজেকে অনেক কিছু মনে করতো

২৬ শে মে, ২০২০ রাত ১০:৩৩

অনল চৌধুরী বলেছেন: তখন বলেছেন,ছবি দেয়ার জন্য দরকার। কোনো কিছু জানার থাকলে এখানেই বলেন , আপনার সাথে সবাই জানতে পারবে।
তারপরও প্রশ্ন থাকলে করেন [email protected] এ। তবে প্রতিদিন পড়িনা,তাই চিঠি দিলে এখানে বলতে হবে।
সিরাজ শিকদারের সাথে আমার তুলনা কেনো?
যার যোগ্যতা যতোটুকু,সে সেখানেই থাকবে, একটু বেশীও না,একটু কমও না। যদিও ষড়যন্ত্রের কারণে অনেকের প্রতিভার মারাত্মক ক্ষতিসাধন করা হয়।
স্যাম রাইমি পরিচালিত ডার্কম্যান আমার প্রিয় ছবির মধ্যে একটা।
এই নামটা নিয়েছেন কেনো?

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.