নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সাহসী সত্য।এই নষ্ট দেশ-জাতি-সমাজ পরিবর্তনের প্রচেষ্টাকারী একজন যোদ্ধা।বাংলাদেশে পর্বত আরোহণের পথিকৃত।

অনল চৌধুরী

লেখক,সাংবাদিক,গবেষক,অনুবাদক,দার্শনিক,তাত্ত্বিক,সমাজ সংস্কারক,শিক্ষক ও সব অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী যোদ্ধা

অনল চৌধুরী › বিস্তারিত পোস্টঃ

যোগ্যতা না থাকলে শুধু বড়দের মানহানি করলে বড় হওয়া যায় না

২৬ শে মে, ২০২০ রাত ৮:১৪


বাংলাদেশের দন্ডবিধি অনুযায়ী জীবিত বা মৃত ব্যাক্তির মানহানি একটা অপরাধ।বাংলাদেশের দন্ডবিধির ৪৯৯ ধারা অনুসারে যে ব্যক্তি মানহানির উদ্দেশ্যে বা মানহানিকর জেনে বা পাঠের জন্য উদ্দেশ্যমূলক শব্দাবলি বা চিহ্নাদি বা দৃশ্যমান কল্পস্মৃতির সাহায্যে কোনো ব্যক্তি সম্পর্কে এমনভাবে কোনো নিন্দাবাদ প্রণয়ন বা প্রকাশ করে যে, সেই নিন্দাবাদ উক্ত ব্যক্তির সুনাম নষ্ট করবে, সেই ব্যক্তি কিছু ব্যতিক্রম অবস্থা ছাড়া উক্ত ব্যক্তির মানহানি করেছে বলে ধরা হবে।

বাংলাদেশের দন্ডবিধির ৫০০ ধারায় মানহানির শাস্তি বর্ণনায় বলা হয়েছে, এই অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হলে দুই বছর বিনাশ্রম কারাদ- বা অর্থদন্ড বা উভয়বিধ দন্ড হতে পারে। ৫০১ ও ৫০২ ধারা অনুসারে, মানহানিকর বলে পরিচিত বিষয় মুদ্রণ বা খোদাইকরণ সম্পর্কে এবং এর শাস্তি বর্ণিত হয়েছে।

এখানে দেখা যাচ্ছে যে মত প্রকাশের স্বাধীনতার নামে অনেকেই অবাধে মানহানিকর অপরাধ করে যাচ্ছে। উদাসী স্বপ্ন নামে একজন বয়স, শিক্ষাগত যোগ্যতা বা সামাজিক অবস্থান বিবেচনা না করে যাকে তাকে তুমি সম্বোধন করছে।

বারবার বলার পরও তার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা না নিয়ে তাকে এসব অপকর্মে উৎসাহিত করা হচ্ছে।



শেরে বাংলার পায়ের ধূলার যোগ্য হতে না পারা এই উদাসী স্বপ্ন নামের এক নোংরা,নষ্ট জীব তাকে নিয়েও বাজে মন্তব্য করা ধৃষ্টতা দেখাচ্ছে।

শেরেবাংলা ছিলেন বৃটিশ শাসিত ভারতের অন্যতম বাঙ্গালী মুসলমান রাজনৈতিক নেতা,ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক। কলকাতার প্রথম মুসলিম মেয়র,অবিভক্ত যুক্ত-বাংলার প্রথম নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী, দীর্ঘ ৪০ বছর কলকাতা হাইকোর্ট-এর আইন ব্যবসা করা দক্ষ আইনজীবি এবং সর্বোপরি ১৯৪০ সালে লাহোর প্রস্তাব পেশকারী,যেটা ছিলো স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার প্রথম উদ্যোগ।

তার সাহসিকতার কারণে অবাঙ্গালীরাই তাকে শেরে বাংলা উপাধি দিয়েছিলো।

জওহরলার নেহেরু মতো ভারতের জাতীয় নেতা ও পরবর্তীকালে প্রধানমন্ত্রী পর্যন্ত ১ বছর বাঙ্গালী ফজলুল হকের রাজনৈতিক সচিবের দায়িত্ব পালন করেছিলেন। লাহোর প্রস্তাব পেশ করার দিন সম্মেলন কক্ষে প্রবেশের সময় তাকে দেখে পথ ঝেড়ে দিয়ে জিন্নাহও বলেছিলো,যখন বাঘ সামনে এসে দাড়ায়, ভেড়াকে তখন পথ ছেড়ে দিতে হয়। বাঙ্গালী নেতা হওয়ার পরও তার এরকমই দাপট ছিলো এইসব বিশাল অবাঙ্গালী ব্যাক্তিদের কাছে।

একজন ব্যাক্তির রাজনৈতিক মেধা ও দক্ষতা কতোটা থাকলে বৃটিশ আমলে কলকাতার বিলাত ফেরত ঝানু রাজনীবিদদের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করে নির্বাচনের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর পদ পেতে পারেন,বিন্দুমাত্র জ্ঞান-বুদ্ধি থাকলে সেটা যেকেউ বুঝবে। সেইসময় শেরে বাংলা না থাকলে আজ বাংলাদেশের জনগণের অবস্থাও হতো গুজরাট,কাশ্মির আর দিল্লিসহ ভারতের মুসলমানদের মতো ,যাদের দিনে দুপুর যেকোন অজুহাতে হত্যা,ধর্ষণ করা হয়.ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে বাংলাদেশী নাগরিক ঘোষণা করা হয়।

এই শেরেবাংলাই প্রথম ১৯৪০ সালে লাহোর প্রস্তাবে একাধিক স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার দাবী করে স্বাধীন বাংলা প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব করেছিলেন,যেটা পরে জিন্নাহ,নেহেরু আর প্যাটেলের ষড়যন্ত্রে পাকিস্তান প্রস্তাবে পরিণত হয় আর কলকাতাসহ পশ্চিম ও পূর্ববাংলা স্বাধীন না হয়ে পাকির উপনিবেশ হয়। তারপরও লাহোর প্রস্তাবের ফলেই বাংলা ভারত থেকে আলাদা হয়ে তারপর স্বাধীন হতে পেরেছে,যেটা ভারতের অংশ হলে কোনদিনও সম্ভব হতো না।

আজ শেরেবাংলাকে সে বলছে সাম্প্রদায়িক বলছে,অথচ বঙ্গভঙ্গকে কেন্দ্র করে জামালপুরে হিন্দু মুসলমানের মধ্যে রক্তক্ষয়ী দাঙ্গা হয়। ফজলুল হকের আন্তরিক প্রচেষ্টায় সেখানে দাঙ্গা বন্ধ হয়। সুভাস চন্দ্র বসুর বড় ভাই শরৎ বসু এবং হিন্দুমহাসভার শ্যামাপ্রসাদ মিত্র ছিলেন তার রাজনৈতিক মিত্র।

কৃষকদের দুর্দশা নির্মূলের জন্য ঋণ সালিশী বোর্ড গঠন,১৯৫৩ সালে যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনের পর মুসলিম লিগের রাজনীতি বিলোপ করে মূখ্যমন্ত্রী হয়ে বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার সুপারিশ, ২১ ফেব্রুয়ারিকে ‘শহীদ দিবস’ হিসেবে সরকারী ছুটির দিন ঘোষণা, ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মৃতিতে ‘শহীদ মিনার’ নির্মাণ,বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন পহেলা বৈশাখকে সরকারি ছুটির দিন ঘোষণা,ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় বর্ধমান হাউসকে বাংলা ভাষা গবেষণা কেন্দ্র বা বাংলা একাডেমি ঘোষণা করা, জমিদারি ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ভাবে উচ্ছেদের ব্যবস্থা নেয়া এবং বাংলা একাডেমী প্রতিষ্ঠা ছিলো তার অগণিত অবদানের মধ্যে কিছু।

মূলত মহান ব্যাক্তিদের এভাবে ইতরের মতো গালিগালাজ করারা বড় মানসিক রোগী,যারা জীবনে কোনো ক্ষেত্রেই সফল হতে না পারার অক্রোশে বড়দের গালিগালাজ করে বিকৃত আনন্দ পায়।

এইসব উদাসী ফুদাসী,যাদের নিজের আসল নাম দেয়ার তো সাহসও নাই, এরা চিরদিনই নর্দমায় পড়ে থাকবে আর স্বাধীন বাংলাদেশ সৃষ্টির প্রথম পরিকল্পনাকারীদের একজন হিসেবে চিরদিন সন্মানিত হয়ে থাকবেন শেরে বাংলা ফজলুল হক-এর মতো মহান ব্যাক্তি।



মন্তব্য ২২ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (২২) মন্তব্য লিখুন

১| ২৬ শে মে, ২০২০ রাত ৯:৫৮

ডার্ক ম্যান বলেছেন: একসময় তারেক জিয়া বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে অনেক বাজে কথা বলেছে । আজ তারেকের অবস্থান কি ।

২৬ শে মে, ২০২০ রাত ১০:০৯

অনল চৌধুরী বলেছেন: তারেক বাংলাদেশের নষ্ট জনগণের নষ্ট মানসিকতার উপযুক্ত প্রতিনিধি।
কাল আপনার কোনো লেখা পড়া যায়নি কেনো? ব্লগ কি বন্ধ করেছিলেন?

২| ২৬ শে মে, ২০২০ রাত ১০:০১

ঢাবিয়ান বলেছেন: উদাসী স্বপ্নের নিকে এই ব্লগার যত আজেবাজে বক্তব্য দেয় সেগুলো কি করে ব্লগের নীতিমালার পরিপন্থী হয় না , সেটা বুঝে আসে না। আপনি স্ক্রীনশট দিয়ে ভাল করেছেন। দেখা যাক কতৃপক্ষ কি ব্যবস্থা নেয়।

২৬ শে মে, ২০২০ রাত ১০:৩৯

অনল চৌধুরী বলেছেন: দেখে মনে হচ্ছে, সেই এই ব্লগের বড় মাতব্বর। না হলে এভাবে একটা ব্লগের মর্যাদা নষ্ট করার পরও তার বিরদ্ধে কোনে ব্যবস্থা নেয়া হয় না কেনো?
যার কোনো ক্ষেত্রেই কোনো অবদান নাই, সে নবী,রসুল এবং দেশের সন্মানিত ব্যাক্তিদের প্রতি এভাবে ইতরসূলভ উক্তি করে নিজেকে মানসিক বিকৃত বলে প্রমাণ করছে।

৩| ২৬ শে মে, ২০২০ রাত ১০:০৮

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: ওয়েল শেরে বাংলা কাজী নজরুলের দুঃসময়ে কথা দিছিলো একটা সিনেমার গান বা সঙ্গিত করে দিলে তাকে ১৭০০০ টাকা পাইতে দেবে। তবে শর্ত হলো শেরে বাংলা তখন একটা পত্রিকার সম্পাদক হবার চেস্টা করছিলেন।

তো কাজী নজরুলের তখন দুঃসময় ছিলো। তিনি সেটা ভালোভাবেই করেন। কিন্তু সেই টাকাটা আর পাননি। এদিকে শেরে বাংলা সেই পত্রিকার সম্পাদক হয়েছিলেন এবং পরে মুখ্যমন্ত্রী না কি যেনো হয়েছিলেন। তখনও টাকার জন্য তিনি তার অফিসের সামনে পড়ে থাকতেন। তখন তার স্ত্রী অসুস্থ ছিলো এবং কিছু দিন পর বিনা চিকিত্সাতেই মারা যান। এরপর উনি বাকশক্তি হারান।

ব্লগে এটা নিয়ে পোস্ট হয়েছিলো

সলিমুল্লাহর ব্যাপারটা নিয়ে ক্ষমাপ্রার্থী কারন সেখানে হবে সোহরাওয়ার্দি। সোহরাওয়ার্দি অটো কারেকসশনে সলিমুল্লাহ হয়ে গেছে কারন তার একটু আগে সলিমুল্লাহ থেকে পাশ করা এক ডাক্তারনীর সাথে চ্যাট করতেছিলাম এবং আমার আইফোনের নিউ ফিচারের অটো কারেকশন সেটাই পিক করে।

সোহরাওয়ার্দী প্রশ্নবিদ্ধ আচরন করেছিলেন ১৯৪৬ এ যখন নোয়াখালীতে দাঙ্গা বাধাত তৎকালীন এলাকার পীর সাহেব। সেসময় ব্যাবস্থা নিলে সা লক্ষ্মীপুর চাঁদপুর থেকে চট্টগ্রাম ছড়াতো উনি সিম্পলি সেটা হতে দেন। পরে যখন গান্ধী নেহরু জোর করে হেলিকপারে আসেন তখন তিনি বাধ্য হন ব্যাবস্থা নিতে। তার এই সাম্প্রদায়িক মনোভাব ইতিহাসের পাতায় লেখা আছে।

এজন্যই আমি তাদেরকে আজীবন শঠ বলবো কারন সেসব সংখ্যালঘুর রক্ত ও ইজ্জত তার হাতে লেগে আছে

ধন্যবাদ ব্যাপারটা ক্লিয়ার করতে দেয়ার জন্য

সলিমুল্লাহর নাম উচ্চারন করার জন্য ক্ষমাপ্রার্থি এটা সিম্পলি অটোকারেকশন মিসটেক তবে যাই হোউক এটা আমার অসতর্কতা

২৬ শে মে, ২০২০ রাত ১০:১৬

অনল চৌধুরী বলেছেন: নর্দমার কিট সিংহকে বলছে,হুজুর, আপনি আর কতো বড় ?
আমার মতো সারাদিন নর্দমায় থাকলে আর এখানেই খাওয়া-দাওয়া করতে পারলে বুঝতাম, আপনি আমার মতো বড় !!!!!

৪| ২৬ শে মে, ২০২০ রাত ১০:৫৫

রাজীব নুর বলেছেন: দিন শেষে যোগ্যরাই টীকে থাকবে।

২৬ শে মে, ২০২০ রাত ১০:৫৭

অনল চৌধুরী বলেছেন: আর নিজেদের ব্যার্থতার ঢাকার জন্য এই সব উদাসী-ফুদাসী যোগ্যদের অপমাণিত করে আনন্দ পাবে !!!!

৫| ২৬ শে মে, ২০২০ রাত ১১:০৫

নেওয়াজ আলি বলেছেন: উনি শেরে বাংলা । শ্রদ্ধা পাবে বাংলার নাম যেতদিন থাকবে। কে কি বলে ভুলে যান।

২৬ শে মে, ২০২০ রাত ১১:২০

অনল চৌধুরী বলেছেন: বেয়াদবিরও একটা সীমা থাকা উচিত।
তিনি কোন পর্যায়ের ব্যাক্তি ছিলেন,সেটা বোঝার মতো ক্ষমতাও যার নাই,সে তাদের সম্পর্কে যা ইচ্ছা তাই বলছে !!!!
ওই ব্যাটা,পারলে নিজে একটা শেরে বাংলা হয়ে দেখাক।

৬| ২৬ শে মে, ২০২০ রাত ১১:০৭

নুরুলইসলা০৬০৪ বলেছেন: সত্য প্রকাশ কোন মানহানি নয়।তথ্য প্রমান দিয়ে ব্যাপারটা যাচাই করতে।নবী মুহাম্মদ ৬বছরের এক বালিকাকে বিবাহ করেছিলেন,এতে কারো মানহানি হবার কথা না,কারন এটা সত্য।মিথ্যা বললে মানহানির মামলা হবে,সত্য বললে হয় না।

২৬ শে মে, ২০২০ রাত ১১:১৭

অনল চৌধুরী বলেছেন: আইন সম্পর্কে আপনার কোনো ধারণা নাই তাই জানেন না যে ধর্মীয় ব্যাক্তিদের মানহানির ক্ষেত্রে কোনো সত্য মিথ্যা নাই,মানহানি করলেই সেটা অপরাধ,যে আইন বৃটিশরা করে দিয়ে গেছে ।
১৯২৭ সালে এক সংশোধনীর মাধ্যমে এ ধারাটি যুক্ত করা হয়।
প্রমাণের বিষয়
এই ধারার অভিযোগ প্রমাণ করতে হলে:
ক. অভিযুক্ত ব্যক্তি কিছু বলেছিলেন বা কোনো শব্দ লিখেছিলেন বা কোন ভাবভঙ্গি করেছিলেন।
খ. অভিযুক্ত ব্যক্তি ওইরকম কাজ করে কোনো ধর্মকে বা ধর্মীয় বিশ্বাসকে অবমাননা করেছিলেন।
গ. অভিযুক্ত ব্যক্তি উক্ত শ্রেণির ধর্মীয় অনুভূতিতে কঠোর আঘাত আনার অভিপ্রায়ে ইচ্ছাকৃত এবং বিদ্বেষাত্মকভাবে করেছিলেন।
এ বিষয়ে উচ্চতর আদালতের সিদ্ধান্তসমূহ
(১) কোনো কাজ ইচ্ছাকৃত হতে পারে কিন্তু বিদ্বেষাত্মক নাও হতে পারে। ২৯৫ক ধারার অপরাধের জন্য এ দুই প্রকার অভিপ্রায়ই থাকা প্রয়োজন। অন্য কথায়, জেনে, শুনে, দেখে, বুঝে এবং বিদ্বেষাত্মকভাবে যে ব্যক্তি কোন ধর্মকে আঘাত করে, সেই ব্যক্তি এই ধারায় দোষী হয়

(২) বিদ্বেষ বলতে কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অকল্যাণ কামনা করা বোঝায়। এটাই এই শব্দের সাধারণ অর্থ। কিন্তু আইনে বিদ্বেষাত্মকভাবে বললে অন্যের ক্ষতিজনক কাজ ইচ্ছাকৃতভাবে করাকে বোঝায়। যখন কোনো ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে অন্যের ক্ষতিকর কোনো কাজ করেন, তখন তিনি বিদ্বেষাত্মকভাবে কাজ করেছিলেন বলে ধরা হয়। সাধারণভাবে বিদ্বেষ বলতে গেলে অন্যের সাথে শত্রুতা বা অন্যের বিরুদ্ধে অমঙ্গল কামনা স্পষ্ট হয়ে ওঠে। কিন্তু আইনের ভাষায় বিদ্বেষাত্মক বলতে অন্যের ক্ষতি হতে পারে ইচ্ছাকৃতভাবে এমন কাজ করা বোঝায় ।

(৩) অন্য দেশে একই প্রকার বই প্রকাশিত হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ আনা হয় নাই, একই কথা বলে বা এই অজুহাত তুলে কোনো ধর্মীয় অবমাননাকর বই রচনা বা প্রকাশের দায় হতে মুক্তি পাওয়া যায় না।

(৪) অন্য ব্যক্তি তার ধর্ম আক্রমণ করেছেন বলে তিনি ঐ ব্যক্তির ধর্মের বিরুদ্ধে অবমাননাকর কিছু লিখেছেন, এই অজুহাতও আইনে গ্রহণযোগ্য নয় ।

(৫) ধর্ম প্রবর্তক, প্রচারক এবং মুনী-ঋষীদের সম্পর্কে কটাক্ষ করা বা তাদের ব্যক্তিগত জীবনের কুৎসা কাহিনী বর্ণনা করা বা প্রচার করা এই ধারানুযায়ী অপরাধ (লাহোর বনাম সম্রাট)।

(৬) ২৯৫ক ধারার উপাদান তখনই পূর্ণ হয় যখন এটা প্রতিষ্ঠিত হয় যে পরিকল্পিতভাবে এবং বিদ্বেষত্মাকভাবে কোনো ধর্মকে অবমাননা করা হয়েছে। যখন কোনো ধর্মকে ধর্মীয় চেতনা অবমামনা করার জন্য আপত্তি করা হয় এবং এমন কোন নির্ভরযোগ্য বিষয় থাকে না যার উপর ভিত্তি করে তাকে সমর্থন করা যায় তখন আদালত এটা অনুমান করে নিতে পারে যে, এটা পরিকল্পিতভাবে এবং বিদ্বেষাত্মকভাবে করা হয়েছে।

৭| ২৭ শে মে, ২০২০ সকাল ৭:২৯

নুরুলইসলা০৬০৪ বলেছেন: আপনার ধারনা থেকে যে আইনের কথা লিখলেন,তার কোন আইন আমি ভঙ্গ করি নাই।এখানে কোথাও লেখা নাই সত্য বললে মানহানি হয়।৫, কটাক্ষ করা,ব্যক্তিগত জীবনে কুৎসা।এর কোনটাই আমি করি নাই।এটাকে যদি আপনি কুৎসা বলতেচান তবে,আপনিই ফেসে যাবেন।নবীর কাজকে কুৎসা।এটাযদি মিথ্যাহয় তবে অবশ্যই আমি অপরাধী ।

২৭ শে মে, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:০৫

অনল চৌধুরী বলেছেন: এখানে আপনাকে কিছু বলা হয়নি। উপযাজক হয়ে একটা নীচের পক্ষে ওকালতি করছেন কেনো?

৮| ২৮ শে মে, ২০২০ দুপুর ১:২৬

ডাকঘর সাহিত্য পত্রিকা বলেছেন:

যোগ্যতার বিকল্প নেই

২৯ শে মে, ২০২০ রাত ২:০৯

অনল চৌধুরী বলেছেন: নীচ স্তরের লোকদের ধারণা মহান ব্যাক্তিদের গালি দিলেই বােধহয় তার মতো হওয়া যায় !!!

৯| ৩১ শে মে, ২০২০ দুপুর ১:১৮

চেংকু প্যাঁক বলেছেন: উদাসী উল্লুক, কি কয় না কয়। ফাত্রা একটা।

৩১ শে মে, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:২৪

অনল চৌধুরী বলেছেন: এই টোকাই চিরদিনও এরকমই থাকবে।জীবনে কোনোদিক দিয়েই কিছু করতে পাবে না।
জীবনে এরকম অগণিত দেখেছি।

১০| ১০ ই জুন, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:১২

জাহিদুল ইসলাম ২৭ বলেছেন: অবশেষে উদাসী স্বপ্ন কে চিনতে পেরেছি।আমার একটি পোস্টে তার কোন দালাল বা সে নিজেই ভিন্ন নিক থেকে আমাকে উদাসী স্বপ্নের ব্লগ লিংক দিয়ে পড়তে বললো।দেখলাম সেখানে আতলামি মার্কা কিছু লেখা আছে।পন্ডিতি জাহির করার চেষ্টা করতেও দেখলাম।স্পষ্ট বোঝা যায় বয়সের দোষ।

১০ ই জুন, ২০২০ রাত ১০:২১

অনল চৌধুরী বলেছেন: বড় হতে হলে কিছু করে দেখাতে হয়,এই ইচড়ে-পাকা সেটা জানে না।
ধর্ম আর বড়দের বিরুদ্ধে লিখে মনে করছে বিরাট কিছূ হয়ে গেলো !!!!

১১| ১৮ ই জুন, ২০২০ সকাল ১০:২০

নিয়াজ সুমন বলেছেন: কে কি বললো তাতে কিছু আসে যায় না। । ইতিহাস যোগ্য ব্যাক্তিদেরকে সব সময় মনে রাখবে আর আবর্জনা গুলো কালের গর্ভে হারিয়ে যাবে। যতই ধরে রাখার চেষ্টা করা হোক না কেন!

১৮ ই জুন, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৩৮

অনল চৌধুরী বলেছেন: এটা বোঝার ক্ষমতা সবার নাই।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.