নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সাহসী সত্য।এই নষ্ট দেশ-জাতি-সমাজ পরিবর্তনের প্রচেষ্টাকারী একজন যোদ্ধা।বাংলাদেশে পর্বত আরোহণের পথিকৃত।

অনল চৌধুরী

লেখক,সাংবাদিক,গবেষক,অনুবাদক,দার্শনিক,তাত্ত্বিক,সমাজ সংস্কারক,শিক্ষক ও সব অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী যোদ্ধা

অনল চৌধুরী › বিস্তারিত পোস্টঃ

চোরের দশদিন .....

১৫ ই জুন, ২০২০ রাত ৩:০৫


কাজী আনোয়ার হোসেন নন, মাসুদ রানার লেখক শেখ আবদুল হাকিম

গত বছরের ২৯ জুলাই শেখ আব্দুল হাকিম ‘মাসুদ রানা’ সিরিজের ২৬০টি এবং ‘কুয়াশা’ সিরিজের ৫০টি বইয়ের লেখক হিসেবে স্বত্ব বা মালিকানা দাবি করে সেবা প্রকাশনীর স্বত্বাধিকারী কাজী আনোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ কপিরাইট আইনের ৭১ ও ৮৯ ধারা লঙ্ঘনের অভিযোগ বাংলাদেশ কপিরাইট অফিসে দাখিল করেন।

এক বছরেরও বেশি সময় ধরে আইনি লড়াই শেষে রোববার (১৪ জুন) বাংলাদেশ কপিরাইট অফিস শেখ আবদুল হাকিমের পক্ষে রায় দিয়েছেন। ফলে দাবি করা মাসুদ রানা সিরিজের ২৬০টি এবং কুয়াশা সিরিজের ৫০টি বইয়ের লেখক হিসেবে স্বত্ব পেতে যাচ্ছেন শেখ আবদুল হাকিম।


ইয়ান ফ্লেমিং-এর জেমস বন্ড চরিত্র হুবহু চুরি করে নিজেকে মাসুদ রানা চরিত্রের স্রষ্টা বলে দাবী করায় এ পর্যন্ত বহুবার আমি কাজী আনোয়ারের বিরুদ্ধে বইয়ে এবং অনলাইনে লিখেছি। এই ব্লগেও মাসুদ রানা প্রসঙ্গে একথাগুলি বলেছি।

তিনি ফ্লেমিংসহ পৃথিবী বিখ্যাত বিভিন্ন লেখকের অনুমতি ছাড়া তাদের লেখা বই অনুবাদ করে নিজে লিখেছেন বলতেন।

উন্নত দেশে এভাবে কারো বুদ্ধিবৃত্ত্বিক সম্পত্তি বিনা অনুমতিতে নিজের নামে ব্যবহার করা বড় ধরণের অপরাধ বলে বিবেচিত।
ওয়েষ্টার্ণ ছবির বিখ্যাত পরিচালক সার্জিও লিওন ক্লিন্ট ইস্টউডকে নায়ক করে ফর এ ফিষ্টফুল অফ ডলার মোর(১৯৬৪) ছবিটা নির্মাণ করেন।

ছবিটা দেখে বিশ্ববিখ্যাত জাপানী পরিচালক আকিরা কুরাসওয়া ছবিটাকে নিজের রচিত ও পরিচালিত ইওজাম্বি (১৯৬১) ছবির নকল বলে ক্ষতিপূরণের দাবী করেন। ফলে পরিচালক লিওনকে বিশ্বব্যাপী লাভের ১৫% এবং নগদ ১ লাখ ডলার কুরাসাওয়াকে দিতে হয়।

অথচ বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর সরকারের উপর চাপ সৃষ্টি করে প্রেক্ষাগৃহে হিন্দি ছবির প্রদর্শন বন্ধ করে বাংলাদেশের নকলবাজ পরিচালক-প্রযোজক ও অভিনেতেরা রাজ সিপ্পির শোলের( ১৭৯৫) হুবহু নকল দোস্ত-দুশমন( ১৯৭৭) সহ এপর্যন্ত হিন্দি ছবির নকল করে হাজারের উপর ছবি বানিয়েছে।কিন্ত কারো কোনো শাস্তি হয়নি,বরং এদের নকলবাজির কারণেই প্রায় ১৮ কোটি জনগণের এই দেশের জমজমাট চলচ্চিত্র সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছে।

২০১৪ সালেও ডমিনিক রিপাবলিকের এক গীতিকার কলম্বিয়ান গায়িকা শাকিরার বিরুদ্ধে তার অনুমতি ছাড়া লোকা গানটি চুরির অভিযোগে আদালতে ক্ষতিপূরণের মামলা করে। বাংলাদেশের ব্যান্ড মাইলস মার্ডার ( ২০০৪) ছবিতে নিজেদের গান নকল করার জন্য সুরকার অনু মালিকের বিরুদ্ধে ভারতের আদালতে মামলা করেছিলো।

অথচ বাংলাদেশে রুনা,সাবিনা,এন্ড্রু,খুরশীদ,কনক-এইসব গায়ক-গায়িকারা যুগের পর যুগ হিন্দি ছবির নকল সুরে গান গেয়ে যাচ্ছে কিন্ত এসব অপরাধ তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না।

বিশ্বসাহিত্যের সেরা বইগুলি বাংলায় অনুবাদ করে এবং বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে বই পড়ার প্রবণতা সৃষ্টিতে সেবা প্রকাশনী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলো। এমনকি বঙ্কিমের দূর্গেশনন্দিনী এং কপালকুন্ডলা-কে ১৯ শতকের জটিল সাধুবাংলা থেকে মুক্ত করে ১৯৮৫ সালে চলিত ভাষায় রুপান্তর করে পাঠকদের উপকার করেছিলো।

কিন্ত বাঙ্গালীর চরিত্রের বৈশিষ্ট্য এটাই যে চুরি করবেই।

আমরা ১৯৮৫ এ প্রথম বের হওয়া পর থেকেই তিন গোয়েন্দা পড়ে নিজেদের একেকটা চরিত্রে পরিণত করতাম আর সেই সাথে গোয়েন্দাগিরিও চলতো, যেটা ছিলো বিভিন্ন বিদেশী বইয়ের নকল।

নিজের নামের পরিবর্তে মূল লেখকের নামটা দিলেই কেনো সমস্যা থাকতো না,যেটা তারা করেননি।

কাজীর বিরুদ্ধে অভিযোগে এতোবছর কেউ সেরকম গুরুত্ব দেয়নি বরং অপ্রিয় সত্য বলায় আমার উপরই অনেকে ক্ষুদ্ধ হয়েছে।

কিন্ত সত্য কখনো চাপা থাকেনা।

সাধারণ পাঠকরা এতো দিন না বুঝলেও আজ আরেকজন তার বিরুদ্ধে মামলা করে প্রমাণ করেছে যে সে ৫৬ বছর ধরে পাঠকদের সাথে কতোবড় প্রতারণা করে আসছিলো।

এরাই নাকি এদেশের লেখক-সাহিত্যিক !!!

এরাতো তো মাসুদ রানার মুখ দিয়ে বড় বড় নীতিকথা বলাতো !!!

কিন্ত এদের কাছ থেকে মানুষ চুরি-দুর্নীতি-জোচ্চুরী ছাড়া আর কি শিখবে?

এ ঘটনা থেকে আবারো প্রমাণ হলো যে এদেশে বড় বড় নীতিকথা বলা পরিচিত প্রতিটা লেখক-সাহিত্যিক একেকটা নষ্ট,লম্পট,বা টাকা লোভী প্রতারক।

লেখক-কবি-সাহিত্যিক যাদের দায়িত্ব নীতি-আদর্শবান জাতি গঠন করা,তাদের প্রায় প্রত্যেকেই একেকটা চরম নীতিহীন বলে প্রমাণিত হয়েছে।


কাজী এবং সেবা প্রকাশনী বাংলাদেশের প্রথম কপিরাইট ভঙ্গকারী প্রকাশনা সংস্থা।
গ্যারি কুর্জের স্টার ওয়ারস, মার্টিন কেইডিনের সিক্স মিলিয়ন ডলার ম্যানসহ আরো অনেব বই তারা কপিরাইট আইন লংঘন করে লেখকের অনুমতি ছাড়াই প্রকাশ করেছে, যা দেখে এরকম চুরিতে উৎসাহিত হয়েছে আরো অনেক প্রকাশক।

সেই ৬০-এর দশকেই মাসুদ রানার বইগুলিতে অবাধ শারীরিক সম্পর্ক এবং মদ-জুয়াতে কেনো তরুণ প্রজন্মকে উৎসাহিত করার চেষ্টা করা হয়েছিলো,এব্যাপারে তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।

তবে যে হাকিম নিজেকে মাসুদ রানার লেখক দাবী করছেন , তিনিও সাধু না। কারণ আইনের দৃষ্টিতে অপরাধে সহায়তাকারীও অপরাধী।

সে এতোদিন এই দাবী করেনি কেনো এবং নিজের অনুবাদ করা বই কাজীকে তার নামে ব্যাবহার করতে দিয়েছেন কেনো?

এটা আইনের দৃষ্টিতে অপরাধ কিনা এবং এজন্য ফৌজদারী আইনে তারও শাস্তি হতে পারে কিনা ?

মন্তব্য ৪২ টি রেটিং +৭/-০

মন্তব্য (৪২) মন্তব্য লিখুন

১| ১৫ ই জুন, ২০২০ রাত ৩:৩৫

ব্লগার_প্রান্ত বলেছেন: কোনো দিন মাসুদ রানা পড়ার আগ্রহ পাইনি, পড়বোও না মনে হয়। তবে তিন গোয়েন্দা পড়েছি ছোটবেলায়, পরে দেখলাম এটাও নাকি চুরি (ছায়া আরকি), কি আর বলবো বলেন!

তবে এটা ঠিক,
সেবার অনুবাদগুলো দারুণ হয়।
বাংলাদেশের প্রথম আত্নউন্নয়নমূলক বই প্রকাশ করা সেবা শুরু করেছে (সম্ভবত)।

ধন্যবাদ।

১৫ ই জুন, ২০২০ রাত ৩:৪৭

অনল চৌধুরী বলেছেন: বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে বই পড়ার প্রবণতা সৃষ্টিতে এবং বিশ্বসাহিত্যের সেরা বইগুলি বাংলায় অনুবাদ করে সেবা প্রকাশনী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলো।
এমনকি বঙ্কিমের দূর্গেশনন্দিনী এং কপালকুন্ডলা-কে ১৯ শতকের জটিল সাধুবাংলা থেকে মুক্ত করে ১৯৮৫ সালে চলিত ভাষায় রুপান্তর করে পাঠকদের উপকার করেছিলো।
কিন্ত বাঙ্গালীর চরিত্রের বৈশিষ্ট্য এটাই যে চুরি করবেই।
আমরাও ১৯৮৫ এ প্রথম বের হওয়া পর থেকেই রকিব হাসানের তিন গোয়েন্দা পড়ে নিজেদের একেকটা চরিত্রে পরিণত করতাম আর সেই সাথে গোয়েন্দাগিরিও চলতো।
শুধু নিজের নামের পরিবর্তে মূল লেখকের নামটা লেই কেনো সমস্যা থাকতো না,যেটা তারা করেননি।

২| ১৫ ই জুন, ২০২০ ভোর ৪:৪৭

নেওয়াজ আলি বলেছেন: সব জায়গায় আছে বদমাশের বসবাস । ছোটকালে মাসুদ রানা পড়েছি।

১৫ ই জুন, ২০২০ ভোর ৫:০১

অনল চৌধুরী বলেছেন: কাকে নিয়ে দেশ-জাতি পাল্টাবো?
ঠগ বাছতে তো গা উজাড় !!!! !!!!
ছোটোবলায় তো এটা পড়লে বকা দিতো,পড়লেন কিভাবে?

৩| ১৫ ই জুন, ২০২০ ভোর ৫:৫৬

কল্পদ্রুম বলেছেন: আমরা আপনাদের অনেক পরের জেনারেশন।তবে আমাদেরও শৈশব কৈশোরের অনেক বড় অংশ কেটেছে মাসুদ রানা ও তিন গোয়েন্দা পড়ে।পরে জেমস বন্ড ফ্রাঞ্চাইজের প্রায় সবগুলো,আকিরা কুরাসাওয়ার মেজর কাজগুলো(ইয়োজিম্বো সহ),সার্জিও লিয়নির ডলার ট্রিলজি দেখা হয়েছে।একজন পাঠক ও দর্শক হিসেবে আমার বক্তব্য হচ্ছে কাজী আনোয়ার হোসেন এবং শেখ ইব্রাহীমের মত মানুষের বাংলাদেশে দরকার আছে।এখনকার বাংলাদেশে কপিরাইট নিয়ে অনেক কথা বলা যায়।মূল লেখকদের সাথে যোগাযোগ করাও সহজ।কিন্তু আপনাদের ঐ সময়ে যেভাবে দেদারছে এই বইগুলো বের হচ্ছিলো এবং একেবারে অল্প দামে।এত বইয়ের কপিরাইট জোগাড় করতে গেলে বইয়ের সংখ্যাও কমতো।দামও বাড়তো।আমাদের কল্পনার জগত তৈরি করার জন্য এই মানুষগুলোর কাছে আমরা ঋণী।এর মাধ্যমে অন্যায়কে সাপোর্ট করা হচ্ছে এটা স্বীকার করে নিচ্ছি।
আর একটি কথা।আমার ধারণা প্রতিষ্ঠিত সাহিত্যিকদের গল্পের ছায়া অবলম্বনে সাহিত্য রচনার ট্রাডিশন পৃথিবীর অন্য দেশেও ছিলো।আমেরিকান পাল্প ম্যাগাজিনের কথা আমি জানি।

১৫ ই জুন, ২০২০ দুপুর ১২:২৬

অনল চৌধুরী বলেছেন: বলেছেন: আপনার কথা মানতে পারলাম না।
চুরিকে কোনো যুক্তিতেই সমর্থন করা যায় না।
আর বিশ্বের সেরা সাহিত্যের বেশীরভাগই লেখা হয়েছিলো সেবা প্রকাশনী সৃষ্টিরও শতাধিক বছর আগে,যেগুলি নির্বিঘ্নে অনুবাদ করা যতো এবং করা হয়েছে।
কিন্ত অন্যের সৃষ্টি চরিত্র চুরির মাধ্যমে নিজের দৈন্যতা প্রকাশ করা হয়েছে।
নজরুল-জসীমউদ্দিন-সুকান্ত-জীবনানন্দ যদি এভাবে চুরি করতেন,তাহলে এতো সন্মানিত হতেন না।
কাজীর বিরুদ্ধে অভিযোগ ২টা।
প্রথমে অন্যের চরিত্র ও লেখা চুরি করা ,পরে আবার অন্যের অনুবাদ করা বই নিজের নামে চালানো।
বাঙ্গালীর বিচিত্র মানসিকতা!!
যে দোষে তারা চলচ্চিত্রের কাহিনীকার আবদুল্লাহ জহির বাবুর নিন্দা করে, সেই একই অপরাধে কাজীর প্রশংসা করে !!!

৪| ১৫ ই জুন, ২০২০ ভোর ৬:৪৮

মেটালক্সাইড বলেছেন:
8-| আই থিঙ্ক, এই সত্যর কারণে ব্লগাররা আপনার দশদিন শুরু করে দেবে।
মাসুদ রানাকে ছেড়ে দিলেও সেবাকে কেউ ছেড়ে দেবে না। সেবার হাওয়া লাগেনি এমন কাউকে পাওয়া দুষ্কর।
যে সত্য প্রকাশ করেছেন সহমত।
যাক, বিরাট একটা সত্য জেনে গেলাম সেবা প্রকাশনী পরের ধনে পোদ্দারি কএ বেড়ায়।

১৫ ই জুন, ২০২০ সকাল ১১:০৭

অনল চৌধুরী বলেছেন: আমি যা সত্য ,তাই লিখেছি।
আমাদের প্রজন্মাও সেবার বই পড়ে বড় হয়েছে।
তাছাড়া কাজীর অপরাধ তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে।

৫| ১৫ ই জুন, ২০২০ সকাল ৭:২২

নুরুলইসলা০৬০৪ বলেছেন: ছাত্র জীবনে বামপন্থী রাজনীতির সাথে জড়িয়ে পড়াতে এই সমস্ত বই পড়া হয় নাই।এই সকল বই কে আমরা মনে করতাম বট তলার বই। ষাটের দশকে কি এই সকল বই ছিঁল?ভারতিয় কিছু গোয়েন্দা বই ছিল,তাও পড়া হয় নাই।

১৫ ই জুন, ২০২০ সকাল ১১:০৮

অনল চৌধুরী বলেছেন: মাসুদ রানা প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৬৬ সালে,যে সময়টাতে বাংলাদেশে পাকি বিরোধী তীব্র গণ-আন্দোলন চলছিলো।

৬| ১৫ ই জুন, ২০২০ সকাল ১০:২৬

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: পেপারব্যাক বই প্রকাশ করে মধ্যবিত্তদেরও বই পড়াতে আগ্রহী করাতে ছিল সেবা'র বিরাট অবদান। যাই হোক, যতদূর জানি শেখ আবদুল হাকিম ছাড়াও মাসুদ রানা'র জন্য একটা লেখক প্যানেল ছিল। যেখানে কাজী আনোয়ার হোসেনের ছেলে মায়মুর হোসেন, মাহবুব হোসেনরাও গল্প লিখতেন। এখন কথা হচ্ছে, কাজী আনোয়ার হোসেন নাম ব্র্যান্ড হয়ে যাওয়াতে হয়তো লেখকের নাম আর পরিবর্তন হয়নি। তবে এতদিন পরে কেন শেখ আবদুল হাকিম মামলা করলেন কে জানে? তিন গোয়েন্দার রকিব হাসানও বের হয়ে গেলেন অনেক দিন আগে। কাজী আনোয়ার হোসেনের শেষ জীবনে এসব ঘটনা সুখকর হওয়ার কথা নয়...

১৫ ই জুন, ২০২০ দুপুর ১২:০৪

অনল চৌধুরী বলেছেন: কাজী যেটা করেছেন সেটা ক্ষমার অযোগ্য নৈতিকতাহীন অপরাধ।
একজন লেখকের দায়িত্ব সমাজে নীতি আদর্শের প্রচার করা। কিন্ত তার কাছ থেকে পাঠকরা শিখলো প্রতারণা-জোচ্চুরি।

৭| ১৫ ই জুন, ২০২০ সকাল ১০:৪৯

রাজীব নুর বলেছেন: কোনো চোর মরার পর ধরা পরে।

১৫ ই জুন, ২০২০ সকাল ১১:১১

অনল চৌধুরী বলেছেন: এটা কোন চোর?
তবে চোরকে ধরা পড়তেই হয় ,২ দিন আগে বা পরে।

৮| ১৫ ই জুন, ২০২০ দুপুর ১২:১৯

সাহাদাত উদরাজী বলেছেন: বিশ্বাসের জায়গা গুলো আর নাই!

১৫ ই জুন, ২০২০ দুপুর ১২:২৪

অনল চৌধুরী বলেছেন: পরিচিত প্রত্যেকটা লোক বড় ধরণের অপরাধী।

৯| ১৫ ই জুন, ২০২০ দুপুর ১:৫৩

পদ্ম পুকুর বলেছেন: অবশ্য এই চুরিদারির দোষে বাংলা সাহিত্যের 'মহামহা' বৃন্দরাও দুষ্ট। এক মহাপণ্ডিত, যিনি বেঁচে থাকাকালীন এ দেশের লেখক সাহিত্যিক শিল্পী থেকে শুরু করে রাজনীতিবীদসহ সাধারণ মানুষকে বিভিন্ন দোষে সমালোচনা করে গেছেন, বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত স্বয়ং তাঁরই একটা বই অভিযোগের প্রেক্ষিতে বাজার থেকে উইথড্র করা হয়েছিলো।

নকলবাজি, চুরিচামারি আমাদের রক্তের সাথে মিশে গেছে।

১৫ ই জুন, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৫৫

অনল চৌধুরী বলেছেন: কার কথা বললেন,বুঝতে পারলাম না।
তিনি কি আ,ছ?
আরেক প্রয়াত দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় লেখক-নাট্যকারের বিরুদ্ধে কয়েকজনকে দিয়ে বই লেখানোর অভিযোগ আছে।
সে যেরকম টাকালোভী,মদখোর আর লম্পট ছিলো,তাতে সেটা বিশ্বাস করারও কারণ আছে ,যদিও এখনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
ঘটনা সত্য হলে সেটাও একদিন প্রকাশিত হবে।

১০| ১৫ ই জুন, ২০২০ দুপুর ২:০৯

বিজন রয় বলেছেন: খবরটি পড়েছি।

সত্য উন্মোচিত!

১৫ ই জুন, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৫০

অনল চৌধুরী বলেছেন: সত্য কখনো চাপা থাকেনা,একদিন না একদিন প্রকাশ হয়ই।

১১| ১৫ ই জুন, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৫৭

রাজীব নুর বলেছেন: লেখক বলেছেন: এটা কোন চোর?
তবে চোরকে ধরা পড়তেই হয় ,২ দিন আগে বা পরে।

চোরদের ক্ষমা করে দেওয়া উচিত। কেউ তো আর শখ করে চুরী করে না!

১৫ ই জুন, ২০২০ রাত ৮:০৮

অনল চৌধুরী বলেছেন:
চোরদের ক্ষমা করে দেওয়া উচিত। কেউ তো আর শখ করে চুরী করে না -এটা তো অভাবের কারনে চোরদের জ ন্য প্রযোজ্য।।
কিন্ত কাজী সাহেবের পিতা কাজী মোতাহের হোসেন দেশের অন্যতম একজন পরিসংখ্যানবিদ, বিজ্ঞানী, সাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদ ছিলেন। তার পরিবারে আরো অনেক খ্যাতিমান ব্যাক্তি আছেন।
আমরা সবাই বিদ্যালয় তার লেখা প্রবন্ধ পড়ে বড় হয়েছি।
এরকম একটা পরিবারের লোক যদি এভাব চুরি করে তাহলে সাধারণ পরিবারের লোকজনের তো ডাকাত হওয়া উচিত।
তিনি কোনো গরীব লোকও ছিলেন না।
তাই তার চুরি ক্ষমার অযোগ্য।।

১২| ১৫ ই জুন, ২০২০ রাত ১০:১১

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:

আমি কহিলাম, "শুধু দুটি আম ভিখ মাগি মহাশয়!'
বাবু কহে হেসে, "বেটা সাধুবেশে পাকা চোর অতিশয়।'
আমি শুনে হাসি আঁখিজলে ভাসি, এই ছিল মোর ঘটে--
তুমি মহারাজ সাধু হলে আজ, আমি আজ চোর বটে!

১৬ ই জুন, ২০২০ রাত ২:২০

অনল চৌধুরী বলেছেন: রবিবাবুও আইরিশ লোকসঙ্গীত আর লালন থেকে চুরি করেছেন।
কিন্ত সেটা তার প্রতিভাকে ছাড়িয়ে যেতে পারেনি।
আর এইকাজীর সারাজীবনই গেছে নকলবাজীতে।

১৩| ১৫ ই জুন, ২০২০ রাত ১০:৪৭

মাহিরাহি বলেছেন: ছোটবেলায় কুয়াশা পড়তাম। ডি কস্টা কি তার সহকারি ছিল!

জুলভার্নের গল্প, রবিনহুড, ভিক্টর হুগোর উপন্যাস, রাসপুটিনের মত সেবার অনেক বই পড়া হয়েছে।

রহস্য পত্রিকা তা আছেই।

মাসুদ রানা ভাল লাগত না।

১৬ ই জুন, ২০২০ রাত ২:১৩

অনল চৌধুরী বলেছেন: রাসপুটিন অবসর প্রকাশনী থেকে বের হয়েছিলো।

১৪| ১৫ ই জুন, ২০২০ রাত ১১:১৭

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:

চোরদের কোন জাতি নেই! সে ইংরেজ-হিন্দী কি বাঙ্গালী।

১৬ ই জুন, ২০২০ রাত ২:১৫

অনল চৌধুরী বলেছেন: বাংলাদেশে নষ্টামির সূচনা করেছে এইসব নীতিহীন লোকরা,যাদের বিরুদ্ধে লিখতে গিয়ে আমাকে চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে হয়েছে।

১৫| ১৫ ই জুন, ২০২০ রাত ১১:৫৬

রাজীব নুর বলেছেন: হাইকোর্ট কি সব সময় সঠিক বলে?

এদেশের আইন তো আসলে তামাশা

১৬ ই জুন, ২০২০ রাত ২:২৩

অনল চৌধুরী বলেছেন: না।
কারণ সেখানেও দুর্নীতি আছে।
এজন্য অনেক বিচারক বরখাস্তও হয়েছে।

১৬| ১৬ ই জুন, ২০২০ রাত ১২:০০

মাহমুদ০০৭ বলেছেন: তাদের মধ্যে চুক্তি কি ছিল তা এখনো পরিস্কার নয়। দেখি,হয়ত খবরে আসতে পারে।
আপনার পোষ্টতা তথ্যমূলক।কিছু জিনিস জানা হল।
ভাল থাকবেন ভাই

১৬ ই জুন, ২০২০ রাত ২:২১

অনল চৌধুরী বলেছেন: ধন্যবাদ।
যেকোনো ব্যাপারে তথ্য জানতে চাইলেও জিজ্ঞেস করতে পারেন। উত্তর দেয়া চেষ্টা করবো।

১৭| ১৬ ই জুন, ২০২০ রাত ১২:২৬

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



অভিযোগটি পুরোনো। কপিরাইট আইনের মামলার রায় হওয়ায় বিষয়টি নতুন করে আলোচিত হয়েছে। মাসুদরানা এবং কুয়াশার পাঠকরা এ বিষয়টি অবগত। মাসুদ রানা হচ্ছে স্রেফ অনুবাদ। যিনি অনুবাদ করেছেন কিংবা কোন মৌলিক কাহিনীকে নকল করে, নাম বদল করে বই ছেপেছেন অথচ মূল লেখককে কোন কৃতিত্ব দেননি তিনি দন্ডনীয় অপরাধ করেছেন। এজন্য আনোয়ার হুসেন এবং আব্দুল হাকিম উভয়কে আইনের আওতায় আনা উচিত। এছাড়া, এরা পাঠকের সাথে প্রতারণা করেছেন বিধায় লেখাচুরির মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া উচিৎ। এই দুই নকলবাজ এদেশের প্রকৃত পরিশ্রমী লেখকদের অসম্মানিত করেছেন।

১৬ ই জুন, ২০২০ রাত ২:১৮

অনল চৌধুরী বলেছেন: এটা এখন বলতে পারছেন।কিন্ত এঘটনার আগে কাজী ভক্তেদের সামনে এসব বললে মহাবিপদ হতো।
কাজী একটা চরম নীতিহীন লোক। সে টাকার জন্য সব করতে পারে।
পুরানো বইয়ে ষ্টিকার লাগিয়ে দাম বাড়ানার মতো অপকর্মও দেশে চালু করেছে সে।

১৮| ১৬ ই জুন, ২০২০ রাত ২:২৪

মাহমুদ০০৭ বলেছেন: বাংলাদেশে পর্বত আরোহণের পথিকৃত।
- আপনার এই বিষয়ক অভিজ্ঞতা জানতে চাই।
যদি বলতে আপনার আপত্তি না হয়।
ধন্যবাদ।

১৬ ই জুন, ২০২০ রাত ৩:১৩

অনল চৌধুরী বলেছেন: বাংলাদেশের তরুণদের পর্বত অরোহণে উৎসাহিত করে আমি ১৯৯৮ সালে প্রথম একটা বই লিখি,যেটা ১৯৯৯ সালের ফ্রেব্রুয়ারীতে বইমেলায় প্রকাশ হয়।
তারপর অনেকে মেলায় আমার কাছে জানতে চায়, আমি কিভাবে এভারেষ্ট শৃঙ্গ জয় করলাম এবং তারাও এতে আগ্রহী। এব্যাপারে আমার পরামর্শ চাইতো।
আমি তাদের বলতাম,আমি এভারেষ্ট জয় করিনি।তবে দার্জিলিংএ অবস্থিত হিলারীর সাথে প্রথম এভারেষ্ট বিজয়ী তেনজিং নোরগে প্রতিষ্ঠিত হিমালিয়ান মাউন্টেনিয়ারিং ইন্সটিটিউট পরিদর্শণ করেছি ১৯৯৭ এর ডিসেম্বরে। সেইসময় সেখানে পর্বত অরোহন প্রশিক্ষণ কোর্সের ফি ছিলো ১ মাসের জন্য মাত্র মাত্র ১০০০ রুপি।
তবে ঠান্ডার রোগী হওয়ার কারণে আমার পক্ষে সেখানে এতোদিন অবস্থান করা সম্ভব হয়নি।
তবে বাস্তবে উঠতে না পারলেও দেশে ফিরে আমি নিজেই প্রশিক্ষণ নিয়ে এভারেষ্ট জয় করেছি, এরকম ঘটনা বইয়ে লিখি, যেটা আবার আরেকজন সত্যি বানিয়ে সারা পৃথিবীতে প্রচার করেছে!!!
নিজেকে এভারেষ্ট বিজয়ী দাবী করে বাংলাদেশে আমার আগে কেউ কল্প-কাহিনী লিখেছে, এটা কেউ দেখাতে পারবে না। এর আগে বাংলাদেশে কোন পর্বত অরোহণ প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ছিলোনা এবং এই বইটা প্রকাশের পরই এদেশের সব পর্বত অরোহণ প্রশিক্ষণ কেন্দ্র গঠিত হয়েছে।
যেটা তাদের প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাকাল দেখলেই প্রমাণ পাবেন।
কিন্ত দু:খজনক হচ্ছে এদের কেউই এখন আর আমার লেখা বই পড়ে তাদের এভারেষ্ট শৃঙ্গ বিজয়ে উৎসাহিত হওয়ার কথাটা স্বীকার করেনা।

১৯| ১৬ ই জুন, ২০২০ দুপুর ১২:০৫

মাহমুদ০০৭ বলেছেন: শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
কি আর বলব - প্রাপ্য স্বীকৃতি ও সম্মান না পাওয়াটাই এদেশের রীতি।
মনে কষ্ট রাখবেন না।
আমরা যারা জানলাম তাদের কাছে নিশ্চয়ই আপনি মূল্ল্যায়িত হবেন,ভালবাসা পাবেন।
আপনার সুন্দর- সুখী জীবন কামনা করছি।
ভালো থাকবেন।

১৭ ই জুন, ২০২০ রাত ২:১৭

অনল চৌধুরী বলেছেন: ধন্যবাদ
সত্য চিরদিনই প্রকাশ পায়,যেমন ৫৪ বছর পর পেয়েছে কাজীর লেখা নিয়ে প্রতারণার ঘটনাটা।

২০| ১৬ ই জুন, ২০২০ দুপুর ১২:১৪

অপু তানভীর বলেছেন: একটা সময়ে আমি নিজে মাসুদ রানার ভক্ত ছিলাম । আমার এখনও মনে আছে লাইন ধরে দুইশর উপরে টানা এই সিরিজের বই পড়েছিলাম । পাব্লিক লাইব্রেরী থেকে নিয়ে । সেই সময়ের অভিজ্ঞতাই ছিল অন্য রকম ! আমি তখনও জানতাম না যে এই সব বইয়ের প্রায় সব কটাই কাজী সাহেবের নিজের লেখা না !

ঢাকা আসার পরে একদিন উইলবার স্মিথের একটা বই পড়তে গিয়ে টের পেলাম যে এই বইটা আমার আগেই পড়া । একটু খোজ নিয়ে বের করে ফেললাম । প্রায় ফ্রেম বাই ফ্রেম, ডায়ালগ সব কপি করা ! কেবল নাম আর গুলো বদল করা !
কি অবিশ্বাষ্য ঠেকলো আমার কাছে । তারপর খোজ খবর নিয়ে জানতে পারলাম যে একটা দুইটা না বছরের পর বছর এই কাজ করে গেছেন তারা। আবার এই চুরির পেছনে কত চমৎকার যুক্তিও খাড়া করেছে !

এই দেশে অন্যের লেখা মেরে দিয়ে, বিন্দুমাত্র ক্রেডিট রয়্যালিটি না দিয়ে বই প্রকাশ করাটা শুরু হয়েছে এই কাজী সাহেবের হাত ধরেই । এখন অনেক প্রকাশই মূল লেখককে কোন প্রকার রয়্যালিটি দেন না । এই অন্যায়ের শুরুও এই কাজী সাহেবের হাত ধরেই । তিনি এটার পথিকৃৎ !

আর এটাকে আবার ভক্তকুল কোন অপরাধ হিসাবেই দেখেন না । যেন বাংলার মধ্যবিত্ত ভাত পাচ্ছে না তাই গরীবের রাজা কাজী সাহেব বড়লোকের কাছ থেকে লুট করে নিয়ে এসে মধ্যবিত্তদের খাওয়াচ্ছে ।

ভক্তকুলের আরও একটা কথা হচ্ছে কপি করা হলেও আসলে এতে কাজী সাহেবের নিজেস্ব ছোঁয়া রয়েছে, নিজেস্ব মুন্সিয়ানা রয়েছে । এতোদিন এসে জানা গেল যে লেখা আর যে মুন্সিয়ানার কথা বলা হচ্ছে কাজী সাহেব সেসব লেখেন নাই । লিখেছে ঘোস্টরাইটারেরা !

আচ্ছা একটা প্রশ্ন । বাংলাদেশে কি এমন কোন কপিরাইট আইন নেই যেখানে বিদেশী কোন লেখকদের লেখা বিনা অনুমতিতে নিজের নামে প্রকাশ করা যাবে না? এমন আইন কি আছে ?

১৭ ই জুন, ২০২০ রাত ২:৪৯

অনল চৌধুরী বলেছেন:
নকলের পিছনে কাজীর যুক্তি,পৃথিবীতে একেবারে মৌলিক বলে কোনো জিনিস নাই,সব নকল।তাই সেও অন্যের জিনিস নকল করছে !!!!
কাজী একটা নিকৃষ্ট অপরাধী,যার অনেক আগেই শাস্তি হওয়া উচিত ছিলো।
বাংলাদেশের সাহিত্য-সংস্কৃতি জগতসহ সর্বস্তরে নীতিহীনতা,চুরি-ছিচকামির প্রচার এবং উৎসাহ দিয়ে নষ্ট জাতি গঠনের একজন অন্যতম ব্যাক্তি এই কাজী।
আইন অনুযায়ী এখনো যাতে শান্তি দেয়া যায়।
কিন্ত এদেশের লক্ষ লোক তাকে দেবতাজ্ঞানে পূজা করতো। তাই আমি তার চুরির বিরুদ্ধে কিছু বললে উল্টা আমার বিরুদ্ধেই ক্ষেপে যেতো।
পর্বত আরোহণে উৎসাহিত করার মতো আমি বহুবার তার বিরুদ্ধে জেমস বন্ড চরিত্র চুরি কথার কথা বইয়ে লিখেছি। ২০১২ সালে প্রকাশিত আমার লেখা সাংবাদিকতা বইয়েও এই বিষয়টা উল্লেখ আছে।
কিন্ত তার কোনো শাস্তি হয়নি।
সাধারণ কোনো সাহিত্যকর্মের উপর ৫০ বছর পর্যন্ত লেখকের স্বত্ব থাকে।।অর্থাৎ তার অনুমতি ছাড়া সেটা কেউ কোনোভাবে ব্যবহার করতে পারেনা।
লেখকদের লেখা বিনা অনুমতিতে নিজের নামে প্রকাশ করা যাবেনা- এমন শাস্তিযোগ্য আইন দেশে অবশ্যই আছে।
অনলাইনে দেয়া বাংলাদেশের কপিরাইট আইন পড়লেই বিষয়টা জানতে পারবেন।

২১| ০৭ ই আগস্ট, ২০২০ রাত ৮:৩৩

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: সেবার মাসুদ রানা বা অনুরুপ বইগুলিকে সাহিত্য কর্ম বলা যাবে না। স্রেফ বিনোদনের জন্য পড়া যেতে পারে। কিন্তু অনেক পাঠক বই পড়ার অনেক পড়ে জেনেছে যে এগুলি অন্য লেখা থেকে নকল করা। ফলে আরা প্রতারিত হয়েছে বলে মনে করেছে। এই ধরনের বই কিশোর বয়সের জন্য হয়ত ঠিক আছে কিন্তু দীর্ঘ দিন এই ধরনের বই পড়লে তার মূল সাহিত্য আর ভালো লাগবে না। নকল করা সহজ বলে সেবার এই ধরনের লেখকরা কোনও মৌলিক লেখা লিখতে পারে নি। আত্মসম্মান আছে এমন কোনও সাহিত্যিক কখনও এই ধরনের কাজে জড়াবে না। যারা সেবার বই লিখেছে তারা শুধু টাকার জন্য লিখেছে। কাজী আনোয়ার হোসেন এদের পৃষ্ঠপোষকের কাজ করেছেন।

০৮ ই আগস্ট, ২০২০ রাত ৩:১২

অনল চৌধুরী বলেছেন: কাজী চরম নীতিহীন একটা লোক। সে টাকা ছাড়া আর কিছু চেনে না।
সেবার কিশোর ক্ল্যাসিকে বিশ্বসেরা লেখকদের ৫০ বছরের আগে প্রকাশিত বই অনুবাদ করা নিয়ে কিছু বলার নাই।
কিন্ত অন্যের সৃষ্ট চরিত্র,অন্যের লেখা এবং অনুবাদ করা বই নিজের নামে চালিয়ে দেয়া শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.