নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সাহসী সত্য।এই নষ্ট দেশ-জাতি-সমাজ পরিবর্তনের প্রচেষ্টাকারী একজন যোদ্ধা।বাংলাদেশে পর্বত আরোহণের পথিকৃত।

অনল চৌধুরী

লেখক,সাংবাদিক,গবেষক,অনুবাদক,দার্শনিক,তাত্ত্বিক,সমাজ সংস্কারক,শিক্ষক ও সব অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী যোদ্ধা

অনল চৌধুরী › বিস্তারিত পোস্টঃ

দেশপ্রেম ও উন্নয়নই ক্ষমতা স্থায়ী করার শ্রেষ্ঠ উপায়

২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ বিকাল ৩:৫৬



সাধারণত পৃথিবীর যেকোন ব্যাক্তি বা দল একবার ক্ষমতায় গেলে আর ছাড়তে চায় না। কারণ ক্ষমতায় থাকলে সন্মান,প্রভাব,প্রতিপত্তি,পরিচিতি-সবই পাওয়া যায়।

এতে দোষের কিছু নাই। কারণ সৎ ও নীতিবান ব্যাক্তিরা রাষ্ট্রক্ষমতায় থেকে যেভাবে একটি দেশের জনগণের কল্যাণে কাজ করতে পারেন,অন্য কোনভাবে সেটা সম্ভব না।

এ্যামেরিকাতেও যদি কোন রাষ্ট্রপতির দুই মেয়াদের বেশী ক্ষমতায় থাকার পদ্ধতি না থাকত,তাহলে সেখানকার রাষ্ট্রপতিরাও দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকার চেষ্টা করতো। ট্রাম্প নিজেও চীনের জিং পিং-এর মতো আজীবন রাষ্ট্রপতি হওয়ার ইচ্ছা জানিয়েছিলো। এমনকি সে সন্ত্রাসী নেতার মতোই ইতিহাসে প্রথম এ্যামেরিকার সংসদ ভবনওে দলবল আর অস্ত্র নিয়ে হামলা করেছিলো।

কিউবার ফিডেল ক্যাষ্ট্রো,সিঙ্গাপুরের লি কুয়ান ইউ,লিবিয়ার গাদ্দাফি,মালয়শিয়ার ড: মহাথির মোহাম্মদ ক্ষমতায় গিয়েই সীমাহীন দারিদ্র ও দু:শাসন থেকে নিজেদের দেশকে মুক্ত করে পৃথিবীর উন্নত রাষ্ট্রগুলিতে পরিণত করেছিলেন। তারা প্রত্যেকেই ২০ থেকে ৫০ বছর ক্ষমতা ছিলেন। কিন্ত জনগণ কখনো তাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেনি,বরং চেয়েছে,তারা যেনো আরো বেশী সময় ক্ষমতায় থাকেন।কিন্ত মহাথির ও ক্যাষ্ট্রো জনগণের সন্মান নিয়ে নিজের ইচ্ছাতেই ক্ষমতা ছেড়ে দিয়েছেন। কারণ তাদের ক্ষমতায় থাকার মূল উদ্দেশ্য ছিলো জনকল্যাণ,চুরি-দুর্নীতি করা না।

কিন্ত দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকার পথ দুটি। একটা হচ্ছে নিজে সৎ,নীতিবান ও দেশপ্রেমিক হয়ে জনগণের সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য নিরলসভাবে কাজ করা।যা আর অন্যটা হচ্ছে ক্ষমতায় গিয়ে চুরি,ঘুষ, দুর্নীতি,স্বজনপ্রীতি,লাম্পট্য,বিদেশে অর্থপাচার,নিজ দল ও গোষ্ঠীর এধরণের অপরাধীদের নির্বিঘ্নে এসব অপরাধ করতে দেয়া আর জনগণ এসবের প্রতিবাদ করলে তাদের উপর নির্মম নীপিড়ণ ও নির্যাতন চালানো।


দক্ষিণ এশিয়া ও আফ্রিকার বেশীরভাগ শাসকই দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকার জন্য এই পদ্ধতিটা অনুসরণ করে। যেমনটা করেছে মার্কোস,সুহার্তো,মবুতু,ইয়াহিয়া,এরশাদ ও তারেক।এর ফলে তাদের প্রত্যেকেরই পরিণতি হয়েছে শোচনীয়।প্রত্যেকেই গণ-আন্দোলনে ক্ষমতা হারাতে হয়েছে। ক্ষমতাচ্যুত হয়ে জেল খাটতে হয়েছে। অথচ ক্যাষ্ট্রো,লি কুয়ান ইউ বা মহাথির মোহাম্মদের মতো নীতিবান শাসক হলে তাদের এই পরিণতি হতো না।

বাংলাদেশের দুর্নীতিবাজ-লম্পট স্বৈরশাসক এরশাদ আর মালয়শিয়ার ড: মহাথির মোহাম্মদ প্রায় কাছাকাছি সময়ে ক্ষমতা লাভ করেছিলেন। কিন্ত সামরিক শাসক,খুনী লম্পট,বিশ্ববেহায়া এরশাদ সারা দেশে চুরি-ঘুষ-দুর্নীতি,স্বজনপ্রীতি,লাম্পট্য,বিদেশে অর্থপাচারের সূচনা করে দেশের রাজনৈতিক ও জনগণকে নষ্ট করেছে। দেশ ধ্বংস করেছে।আর এর ফল হিসেবে সে গণ –আন্দোলনে ক্ষমতাচুত হয়ে দীর্ঘদিন জেল খেটেছে।

অন্যদিকে মালয়শিয়ার জনগণ ২২ বছর রাষ্ট্রক্ষমতা পরিচালনা করে ২০০৩ সালে অবসরে যাওয়া ড: মহাথির মোহাম্মদকে পুনরায় রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য নির্বাচনে দাড়াতে অনুরোধ করেছে।এরশাদ যদি তাকে অনুসরণ করতো,তাহলে সেও একই ভাবে সন্মানিত হতো।সৎ,নীতিবান ও দেশপ্রেমিক ব্যক্তিরা এভাবেই জীবিত অবস্থাতেই অমরত্ব লাভ করেন।

জনগণের ঘৃণা নিয়ে তাদের ক্ষমতা হারাতে হয় না।

সুতরাং যেসব দেশের যারা দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকতে চায়,তাদের উচিত হবে জনগণের কল্যাণের জন্য কাজ করা।

*** লেখাটা ৩ বছর আগে ফেসবুকে ও পরে ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ তারিখে এই ব্লগে দিয়েছিলাম। হঠাৎ পুরানো খবরের তালিকায় চলে আসায় আবারো ব্লগেও দিলাম।

মন্তব্য ৩২ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (৩২) মন্তব্য লিখুন

১| ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ বিকাল ৪:০৫

চাঁদগাজী বলেছেন:



শেখ হাসিনাও দীর্ঘদিন ক্ষমতায় আছেন, উনি বর্তমানে ভালো করছেন না।

২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ বিকাল ৪:৩০

অনল চৌধুরী বলেছেন: এই আমলে দেশে অনেক উন্নয়ন হয়েছে বলা হয়। কথাটা একেবারে মিথ্যা না। দারিদ্র আছে কিন্ত গ্রামের সিএনজি চালকও মাসে ৩০ হাজার টাকা আয় করে। কৃষকদের সবার অবস্থাও একেবারে খারাপ না।তাদের বাড়ি ভাড়া বা পানি কিনে খেতে হয় না। সুতরাং তারা ভালো আছে।
দুর্নীতি বন্ধ হলে দেশ এতোদিনে থাইল্যান্ডের চেয়েও উন্নত হতো।
তবে জামাতি চক্রের সন্ত্রাস নাই- এটাই বড় ব্যাপার।

২| ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ বিকাল ৪:৪৬

ডার্ক ম্যান বলেছেন: এরশাদ তো অবৈধভাবে ক্ষমতায় আসছিলো ।
জনগণের কল্যাণের জন্য কাজ করতে হলে দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকতে দিতে হবে ।

২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ বিকাল ৪:৫৩

অনল চৌধুরী বলেছেন: দীঘ বা অ-দীর্ঘ-যেকোনোসময় ক্ষমতায় থেকেই দেশের জন্য ভালো বা খারাপ কাজ না যায়।
এরশাদ বাংলাদেশকে মালয়শিয়া বানাতে পারতো , কিন্ত দুর্নীতি লুটপাটের সাথে সাথে বিদেশে টাকা পাচারের সূচনা করেছে।
অল্প সময় ক্ষমতায় থেকেও দেশের জন্য ভালো কাজের দৃষ্টান্ত আছে।

৩| ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ বিকাল ৫:২১

চাঁদগাজী বলেছেন:



এরশাদ সৈন্য বাহিনীতে চাকুরী করে ও দেশের প্রেসিডেন্ট হয়ে, ২ ছেলের জন্য ৪০০ কোটী টাকা রেখে গেছে; ডাকাত মরে গেছে, আরো ২ ডাকাতেকে জাতির জন্য রেখে গেছে।

২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ রাত ৯:৪২

অনল চৌধুরী বলেছেন: এরশাদের বিরুদ্ধে ৪০০ না, ৪০ হাজার কোটি টাকা লুটের অভিযোগ ছিলো, যেটার তদন্ত কোনো দিন শেষ হয়নি।
লেনিন,ফিডেল ক্যাষ্ট্রো, লি কুয়ান ইউ, গাদ্দাফি বা মালয়শিয়ার ড: মহাথির মোহাম্মদের মতো নেতা পেতে গেলে বাংলাদেশের জনগণকে আগে রুশ, কিউবান, চীনা, লিবীয় ও মালয়ীদের মতো সৎনীতিবান-দেশপ্রেমিক আত্মমর্যাদাসম্পন্ন হতে হবে।
এদেশের ২/৪% লোক ছাড়া সবাই একেকটা নীতিহীন, পরশ্রীকাতর, ঝগড়াপ্রিয় নাগরিক চেতনাহীন ছিচকে চোর।
এদের অনেকে আবার এ্যামেরিকা- ক্যানাডা-ইউরোপ গিয়ে বাংলাদেশে বসবাসকারীদের সাথে সাদাদের চেয়েও বড় বর্ণবাদী আচরণ দেখাতে শুরু করে, যেনো এসব দেশে কুলিগিরি করে দ্বিতীয় শ্রেণীর নাগরিক হয়ে মানবজন্ম সার্থক করেছে।

এরকম একজনের এ্যামেরিকায় গিয়ে কথায় কথায় সেদেশের গূণগান গাওয়া আর বাংলাদেশীদের তু্চ্ছ করা সবাই দেখছে। যাকে আমিও উপযুক্ত জবাব দেয়াতে সে রেগে গিয়ে আরেকজনের উপর ক্ষোভ ঝেড়েছে।
এরকম হীনমণ্য জাতির অবস্থা যা হওয়া উচিত, সেরকমই হচ্ছে।

৪| ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ বিকাল ৫:২২

চাঁদগাজী বলেছেন:



রওশন এরশাদ আলাদাভাবে ডাকাতি করেছে।

২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ রাত ৯:৪৯

অনল চৌধুরী বলেছেন: তার বিরুদ্ধে অনেক ভয়াবহ অভিযোগ ছিলো।। কিন্ত কোনোদিন শাস্তি হয়নি। বিদিশাকে বিয়ে করার পরও এরশাদের পরম পতিভক্ত স্ত্রী ছিলো।
লম্পটদের স্ত্রীরা খুবই পতিভক্ত হয়।
এরশাদ-তারেক তার উৎকৃষ্ট প্রমাণ।

৫| ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ সন্ধ্যা ৬:০৪

নেওয়াজ আলি বলেছেন: বাংলাদেশে উন্নয়ন মানে নিজের উন্নয়ন আর বিদেশে টাকা পাচার হলো দেশপ্রম

২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ রাত ৯:৪৬

অনল চৌধুরী বলেছেন: দেশে চোর খোজা বাদ দিয়ে সৎ লোক খোজা শুরু করা উচিত।
ঠগ বাছতে গা উজাড় হবে।

৬| ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:২৬

স্প্যানকড বলেছেন: দেশ গ্রামে একটা কথা আছে " আগের লাঙল যেমনে যায় পিছের টা অমনে যায় " এই যে দেশে এত মুজিব ভক্ত দেশপ্রেমিক! তাইলে চুরি ডাকাতি করে কারা? এ প্রজন্ম বড় দের চেতনার আর ইসলাম ভেংগে দেশ লুটে খাওয়ার মন্ত্র ধরে ফেলেছে। তাই এরাও দেশপ্রেম বলতে ঐ ক্ষমতায় যেয়ে বা নানান ছুতোয় চুরি ডাকাতি বুঝে অথবা শহীদ মিনারে সেলফি, লাল, সবুজ রং এর জামা। আদতে দেশপ্রেম বলতে কিছু নাই দেশে! হাসিনা চেষ্টা করছে আর কি কিন্তু চোর, ডাকাত কোলে রেখে। ভালো থাকবেন।

২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ রাত ৯:৪৫

অনল চৌধুরী বলেছেন: আগের লাঙল যেমনে যায় পিছেরটা অমনে যায় -এটাইই স্বাভাবিক
যেমন গাছ, ফল তেমনই হবে।
তাইতো দেশে এতো বেসরকারী বিশ্ববিদ্যাল আর এমএ-বিএ ডিগ্রি থাকার পরও নৈতিকতা বা দেশপ্রেম কোনোটাই নাই।

৭| ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ রাত ৯:৫২

জগতারন বলেছেন:
এই ব্লগ প্রবন্ধের নামকরন দেখিয়াই আর ইহা পড়ার অনুপ্রেরনা পাইলাম না।

দেশপ্রেম ও উন্নয়নই ক্ষমতা স্থায়ী করার শ্রেষ্ঠ উপায় (?)
এই ব্যাপারে দ্বিমত পোষণ করি

গনতান্ত্রিক দেশে ইহা খাটে না।
ইহা খাটাইতে হইলে দেশকে রাজতন্ত্র ঘোষনা করিতে হইবে।
আর একান্তভাবে তাহা না পারিলে
নির্বাহি ক্ষমতা ছাড়িতে হইবে।
উদাহরন;
লিবিয়ার গাদ্দাফি খুউব দেশপ্রেম ও দেশের উন্নয়ন করিয়া ক্ষমতা স্থায়ী করার শ্রেষ্ঠ উপায় পায় নাই।

২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ রাত ১০:০৩

অনল চৌধুরী বলেছেন: মূর্খের দেশে কিসের গণতন্ত্র ?
এ্যামেরিকার প্রতিষ্ঠাতার খুব ভালো করেই জানতো, সাধারণ লোকদের হাতে ভোটের মতো মারাত্মক অস্ত্র দিলে তার পরিণতি হবে চোর-ডাকাত-খুনী-টাউট-বাটপারদের জন-প্রতিনিধি হওয়া।
তাই ২৫০ বছর পরও জনগণ সরাসরি রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করে না, করে নির্বাচকরা।

জনগণের ভোটে বিএনপি- জামাতিরা ক্ষমতায় আসলে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের লোকদের উপর ১৯৭১ আর ২০০১ এর মতো নির্যাতন চালাবে।
এটা কে চায়?
সুতরাং মূর্খদের দেশের জন্য গণতন্ত্র খুবই মারাত্মক। এমন জটিল সমস্যা পৃথিবীর কোনো দেশে নাই।

রাজতন্ত্র রাজাকারতন্ত্র হইতে সহস্রগুণে উত্তম।

৮| ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ রাত ১০:১৮

জগতারন বলেছেন:
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে আপনার প্রতিমন্তব্যের যৌক্তিকতাও আছে মনে হয়।
লিবিয়ার গাদ্দাফি'কে সে দেশের জনগন ক্ষমতা থেকে সরাইতে পারিত না যাদি
বিদেশিরা সহযোগিতা না করিত।

এই রকম একটি প্রবন্ধ সামু'তেই পড়িয়াছিলাম। তার প্রতিপাদ্য বিষয় নিন্মে দেওয়া হইলোঃ

বঙ্গবন্ধু হত্যার পর এই দেশের মানুষ নূন্যতম সহানুভূতি জানিয়ে বঙ্গবন্ধুর দলকে ১৯৯১ এ বিজয়ী করেনি।
তারা বিজয়ী করেছে পাকিস্তানের চরের দলকে, যারা গোলাম আযমের নাগরিকত্ব ফিরিয়ে দেবার পরেও ২০০১ সালে আবার জামাত-বি এন পি জোটকে বিপুল ভোট দিয়ে জিতিয়েছে। পবিত্র মুক্তিযুদ্ধের চেতনার মূল্য যে ছাগু অধ্যুষিত জাতি বুঝেনা, তাদের গলায় পা দিয়ে গণতন্ত্র শিখিয়ে দিতে হয়।

২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ রাত ১০:৫২

অনল চৌধুরী বলেছেন: লিবিয়ার গাদ্দাফি'কে সে দেশের জনগন ক্ষমতা থেকে সরাইতে পারিত না যদি বিদেশিরা সহযোগিতা না করিত-গাদ্দাফি প্রসঙ্গের উত্তর দিকে ভুলে গিয়েছিলোম। তিনি লিবিয়াকে স্বর্গে পরিণত করেছিলেন।। দেশের নাগরিকদের যেসব সুবিধা দিয়েছিলেন, যেটা কোনো পূজিবাদী বা সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্ও দিতে পারেনি। কিন্ত শুধু এ্যামেরিকা-ক্যানাডা-ইটালী ন্যাটোর হিংসা-ষড়যন্ত্রে গাদ্দাফিকে হত্যা করে একটা উন্নত আর সভ্য দেশকে গৃহযুদ্ধের আগুনে জ্বালানো হলো।

অথচ ইটালী মাত্র ২০০৮ সালেই দীর্ঘ উপনিবেশিক শাসনের ক্ষতিপূর্ণ হিসেবে লিবিয়াকে ৫০০ কোটি ডলার, দিয়েছিলো। বাংলাদেশে চেতনাপন্থী-স্বাধীনতাবিরোধী সবাই দুর্নীতি করবে।
সুতরাং স্বাধীনতাবিরোধী হইতে চেতনপন্থী অবশ্যই উত্তম।
নষ্ট দেশের নষ্ট জনগণ যে সমাজ-রাষ্ট্র ব্যাবস্থার সৃষ্টি করেছে, শুধু অনল চেীধুরী, জনাব জগতারন আর জনাব চাদগাজী মিলে সেটা পাল্টাতে পারবে না।
ইটালীর বিরুদ্ধে লিবিয়দের স্বাধীনতা সংগ্রাম নিয়ে মোস্তফা আক্কাদ পরিচালিত ও এ্যান্থনী কুইন অভিনীত: Lion of the Desert (১৯৮১)আমার অন্যতম প্রিয় একটা ছবি।
এটা দেখে মন্তব্য জানাবেন।Lion of the Desert

৯| ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ রাত ১:২৫

রাজীব নুর বলেছেন: দেশের মানুষের জন্য রাজনীতি কেউ করছে না। সবাই রাজনীতির খাতায় নাম লেখায় নিজের জন্য।
হ্যা দেশে রাস্তা হচ্ছে, ব্রিজ হচ্ছে, সেতু হচ্ছে, মেট্রোরেল হচ্ছে। কিন্তু আজ থেকে ২০/৩০ বছর আগেও মানুষ ফুটপাতে ঘুমাতো, আজও ঘুমায়। ২০/৩০ বছর আগেও মানুষ বেকার ছিলো, আজও মানুষ বেকার।

২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ রাত ৩:০১

অনল চৌধুরী বলেছেন: উন্নতি হয়নি বললে ভুল হবে। কিন্ত যে পরিমাণে হওয়া উচিত ছিলো, সেভাবে হয়নি। কারণ এদেশের শিক্ষিত-অশিক্ষিত, গ্রামবাসী-শহুরে-প্রায় প্রতিটা মানুষই একেকটা নিকৃষ্ট চোর।
এরা পারলে সারা পৃথিবীটা খেয়ে ফেলে।
নিজেদের ব্যাক্তিগত, গোষ্ঠীগত বা দলীয় স্বার্থ ছাড়া আর কিছু ভাবে না।
দেশের মানুষের প্রতি এদের কোনো সহানুভূতি নাই্।
সুতরাং দারিদ্র নির্মূল হবে কিভাবে?

১০| ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ সকাল ৮:৫৯

কবিতা ক্থ্য বলেছেন: ভাই কি কখনে স্কুলে গেসেন?
গিয়া থাকলে তো অবশ্যই ভাব সম্প্রসারন করেছেন- চোরে না শুনে ধর্মের কাহিনী।
এই সব লিখা কেন জনগনের মস্তস্কে পদাঘাত করেন।

২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ রাত ১:৫৯

অনল চৌধুরী বলেছেন: না লিখলে দেশ-জাতির পরিবর্তন হবে না। লেখার সাথে সাথে সাথেই না হোক, পরে একসময় হবে।
চোরে না শুনে ধর্মের কাহিনী- দেশের তো প্রায় সবাই চোর মানসিকতার এটাই তো উন্নয়ন না হওয়ার প্রধান কারণ।

১১| ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ সকাল ১১:০৩

জুল ভার্ন বলেছেন: কিছু নান্দনিক স্থাপনাই উন্নয়ন নয়, উন্নয়ন মানের সার্বিক উন্নয়ন-যার মধ্যে অন্যতম বাকস্বাধীনতা।

২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ রাত ১:৫৭

অনল চৌধুরী বলেছেন: উন্নয়ন মানে দেশের সব মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণ,আইন-শৃংখলার উন্নয়ন, শান্তি ও নিরাপত্তা। এসব থাকলে আর কথা বলার স্বাধীনতা খুব বেশী গুরুত্ব পায় না।
তবে এগুলি পূর্ণ না করেই আবার এসব দাবী করলে মত প্রকাশের স্বাধীনতা হরণ সাংঘাতিক ব্যাপার।
* আপনার নিখোজ হওয়ার ঘটনা পত্রিকায় এসেছিলো। এটা নিয়ে আমিও লিখেছিলাম।
কি হয়েছিলো?

১২| ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ দুপুর ১২:১৯

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: মাহাতির মোহাম্মদ ১ম দফার(২২ বছর) ক্ষমতা ছাড়ার পর বাংলাদেশে কোন এক সফরে এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, অবাধ গণতন্ত্রের চেয়ে নিয়ন্ত্রিত গণতন্ত্র বেশী দরকার...

২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ রাত ২:০৩

অনল চৌধুরী বলেছেন: নিরক্ষরের মতো শুধু ডিগ্রিধারী কিন্ত জ্ঞানহীন মূর্খের দেশে গণতন্ত্র যে কি ভয়ংকর ব্যাপার - স্বাধীন দেশে জামাতের বারবার ক্ষতায় আসাই তার প্রমাণ।
এই সব শিক্ষিত নামধারীরা নিজেদের দায়িত্ব-অধিকার-কোনোকিছুই জানেনা।
সুতরাং ভোটের গণতন্ত্র বাতিল করতে হবে।

১৩| ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ দুপুর ১২:৫৬

রাজীব নুর বলেছেন: আমার দেশটাকে নিয়ে আমি প্রচন্ড আশাবাদী। আমি এই দেশের সব মানুষের মুখে হাসি দেখতে চাই।

২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ রাত ২:২০

অনল চৌধুরী বলেছেন: সবরকম নীতিহীন কাজ করে মানুষ নিজেরাই নিজেদের ক্ষতি করছে।
এজন্যই দেশে সব সমস্যা।

১৪| ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ রাত ৩:৩৯

স্প্যানকড বলেছেন: দেশপ্রেম ! আছে কোনহানে? দেহি খালি টকশো পোষাকে ! হুনেন ভাই, যে জায়গায় প্রায় ই শুনি, এক টুকরা গোস্ত বেশী চাইয়া বর পক্ষ কনে পক্ষের মারামারি খুন। সে জাতির যত উন্নত করুন আর দেশপ্রেম দেখান। ঠিকই করব তারেক, জামাতের গুন। গরীব এর কথা কিন্তু ফলে। তাই হাসিনা মাইর দিয়া টাইটে রাখে। চোর ডাকাত পালে!

২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ভোর ৪:২৩

অনল চৌধুরী বলেছেন: তাইতো একজন নীতিবান লেখককেও গণতন্ত্রকে মূর্খের শাসনব্যাবস্থা মেনে নিয়ে স্বাধীনতাবিরোধীদের শায়েস্তা করতে বলতে হয়।

১৫| ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ভোর ৪:৪৭

স্প্যানকড বলেছেন: দেহেন কতদূর যায়!

২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ বিকাল ৩:৫৬

অনল চৌধুরী বলেছেন: সময়েই সবকিছুর উত্তর পাওয়া যাবে।

১৬| ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ সকাল ৮:৪০

নুরুলইসলা০৬০৪ বলেছেন: অর্থনৈতিক বৈষম্য যত কমে আসবে উন্নয়ন তত দৃষ্টিগোচর হবে।গনতন্ত্র যত প্রতিষ্ঠা পাবে সুসাশন তত দৃঢ় হবে।

২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ রাত ২:০০

অনল চৌধুরী বলেছেন: অর্থনৈতিক বৈষম্য কমাবে কে?
তারেক ফালু ,সাদেক আব্বাস সালাম পিকে হালদার -বাংলাদেশের নীচ-নিকৃষ্টদের লোভের কোনো শেষ নাই।
যে চোরের মেয়ে লন্ডনে ছাদ থেকে পড়ে মরেছিলো, সে সেই পাপ আবারো করেছে। এমনই জঘণ্য এরা।
একজন লোকই যদি ৫-১০ হাজার কোটি টাকা চুরি করে তাহলে জনগণ তাদের প্রাপ্য পাবে কিভাবে?

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.