নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সাহসী সত্য।এই নষ্ট দেশ-জাতি-সমাজ পরিবর্তনের প্রচেষ্টাকারী একজন যোদ্ধা।বাংলাদেশে পর্বত আরোহণের পথিকৃত।

অনল চৌধুরী

লেখক,সাংবাদিক,গবেষক,অনুবাদক,দার্শনিক,তাত্ত্বিক,সমাজ সংস্কারক,শিক্ষক ও সব অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী যোদ্ধা

অনল চৌধুরী › বিস্তারিত পোস্টঃ

নদী-হাওর-সমুদ্রের দেশে মাছের দাম বেশী কেনো ?

২৬ শে নভেম্বর, ২০২২ বিকাল ৫:০২



প্রাচীনকাল থেকেই বাংলাদেশের জনগণের প্রিয় আমিষ জাতীয় খাবার হচ্ছে মাছ, যেজন্য প্রবাদই হয়েছে, মাছে – ভাতে বাঙ্গালী। বাংলাদেশে পদ্মা, মেঘনা, যমুনা এবং ব্রহ্মপুত্রসহ ২০০’র বেশী নদী, কিশোরগঞ্জ, নেতৃকোণা ও সিলেট বিভাগের বিভিন্ন হাওর, কাপ্তাই হ্রদ এবং বাংলাদেশের প্রায় সমান আয়তনের বিশাল বঙ্গোপসাগর থাকার পরও এদেশে মাছের দাম এতো বেশী হওয়াটা বিস্ময়কর।

অত্যন্ত দু:খজনক ব্যাপার হচ্ছে যে দেশের বিশাল জলাশয়ের খুব কম অংশেই এখনো মাছ চাষ ও উৎপাদিত হচ্ছে। যে কারণে দেশে মাছের বাজার দুর্মূল্য। ৩/৪ শ টাকা কেজির কমে বাজারে কোনো মাছ পাওয়া যায় না।
ইলিশ উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে প্রথম হলেও ইলিশের দাম সারাবছর হাজার টাকা কেজি এবং কাতল-বোয়ালও হাজারের কাছাকাছি। দাম বেশী হওয়ার কারণে সাধারণ আয়ের মানুষরা মাছ কেনা থেকে বঞ্চিত হন। বাংলাদেশের দরিদ্র জনগোষ্টীর মধ্যে পুষ্টিহীনতা প্রকট । এখন মাছের দাম বৃদ্ধির ফলে মধ্যবিত্তের খাবারের তালিকা থেকেও মাছ প্রায় উঠে যাচ্ছে।

খাদ্য উপাদানের দিক দিয়ে মুরগি-গরু-ছাগলের তুলনায় পুষ্টিমানের দিক থেকে মৎস আমিষ বেশী শক্তিশালী। মাছে প্রোটিন ছাড়াও ভিটামিন এ, ভিটামিন ডি, ফসফরাস, ম্যাগনেশিয়াম, সেলেনিয়াম ও আয়োডিন, বিভিন্ন খনিজ পদার্থ আর ভিটামিন আছে, যা শারীরিক সুস্থতার জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।

খাদ্যতালিকায় মাছ থাকলে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হওয়া থেকে রক্ষা পেয়ে সুস্থ ও কর্মক্ষম থাকা সম্ভব। নিয়মিত পরিমিত পরিমাণে মাছ খেলে হৃদরোগও প্রতিরোধ করা যায়। এমনকি মাছের তেলের প্রোস্টাগ্লাডিন নামে রাসায়নিক পদার্থ ক্যানসার, ও উচ্চ রক্তচাপ প্রতিরোধ করতে সক্ষম। মাছের তেল থেকে তৈরী হওয়া বিভিন্ন ওষুধ চিকিসার জন্য ব্যবহৃত হয়। পুষ্টিবিদরা সপ্তাহে কমপক্ষে তিন দিন ৭০ থেকে ৭৫ গ্রাম করে মাছ খাওয়ার পরামর্শ দেন।

মাছের ওমেগা-৩ ফ্যাটি এ্যাসিডসহ অন্যান্য উপাদান মানুষের মেধা ও বুদ্ধির বিকাশ এবং শারীরিক সুস্থতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। দৃষ্টিশক্তির স্বল্পতা,, শারিরীক দূর্বলতা, ক্ষুধামন্দা, সর্দি, কাশি হাপানী, যক্ষ্মা ইত্যাদি রোগের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট পরিমাণে মাছ খেলে শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে এবং রোগ নিরাময় হয়। কাটাসহ ছোট মাছ ক্যালসিয়ামের উৎস। মলা, ঢেলা, চাদা, ছোট পুটি, ছোট চিংড়ি, কাচকি ইত্যাদি জাতীয় মাছে প্রচুর পরিমাণ ক্যালসিয়াম, প্রোটিন ও ভিটামিন এ থাকে। ছোট মাছ কাটাসহ চিবিয়ে খেলে প্রয়োজনীয় পরিমাণ ক্যালসিয়াম পাওয়া যায়। একারণে ছোট মাছ নিয়মিত খাদ্য তালিকায় রাখা উচিত। মাছে ডিএইচএ এবং ইপিএ থাকে। সন্তান-সম্ভবা মহিলাদের জন্য ডিএইচএ এবং ইপিএ প্রয়োজনীয়। নিয়মিত মাছ খেলে মস্তিষ্কে ডিএইচএ-র পরিমাণ বাড়ে এবং হতাশা ও আত্মহত্যার প্রবণতা কমে।
অতীতে বাংলাদেশের নদ-নদীগুলিতে জাল ফেললেই বড় আকৃতির মাছ ধরা পড়তো বলে শোনা যায়। কিন্ত এখন পরিস্থিতি সম্পূর্ণ বিপরীত। মাছের প্রজনন ক্ষেত্র ধ্বংস, কল-কারখানার বিষাক্ত বর্জ্য অপরিশোধিত অবস্থায় সরাসরি নদীতে এসে পরা, পলি জমে নদীর নাব্যতা হ্রাস এবং প্রজনন মৌসুমে মাছ ধরাসহ বিভিন্ন কারণে দেশে মাছের উৎপাদন কমে গেছে।

স্বাদুপানির মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে তৃতীয় বলা হলেও এই পরিমাণ দেশের জনসংখ্যার চাহিদার তুলনায় অত্যন্ত কম। এজন্যই মাছের বাজার এতো চড়া।

বাংলাদেশের বিশাল সমুদ্রসীমা মাছের বড় উৎস। কিন্ত তারপরও বাংলাদেশে গলদা চিংড়ি, কোরাল,ম্যাকারেল, স্যামনসহ বিভিন্ন সামুদ্রিক মাছের দাম অত্যন্ত বেশী। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) প্রকাশিত বিশ্বের সামগ্রিক মৎস্য সম্পদবিষয়ক প্রতিবেদনে এই খাতে বাংলাদেশ অবস্থান ২৮তম। অথচ সমুদ্র থেকে তেল-গ্যাস খনিজ সম্পদ উত্তোলনের চেয়ে মাছ ধরা অনেক সহজ।

 আধুনিক নৌযান এবং নিরাপত্তা সরঞ্জামসহ জেলেদের সমুদ্রে মাছ ধরার কাজ দেয়া হলে দেশে বেকারত্ব এবং মাছের দাম –দুইই হ্রাস পেতো। একইসাথে সরঞ্জাম উৎপাদন শিল্পে অনেকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হতো। মাছ উৎপাদন কোনোভাবেই লোকসানী না কারণ দেশ ছাড়াও বিদেশের বাজারে মাছের প্রচুর চাহিদা আছে। প্রবাসী বাংলাদেশীরা বিদেশী মাছের চেয়ে দেশী মাছ খেতেই বেশী পছন্দ করেন। খাদ্য হিসেবে ব্যবহার হওয়া ছাড়াও মাছের চামড়া ও তেল থেকে বিভিন্নরকম ওষুধ, প্রসাধনী, ভোজ্য তেল, রং, মোম, লুব্রিকেন্ট তৈরী হয়। 

দেশে মাছের দাম হ্রাসের জন্য দেশের সব নদী- নালা -খাল- বিলসহ সব জলাশয়ে মাছের চাষ শুরু করতে হবে। গ্রামের বাড়িগুলির বেশীরভাগ পুকুর এখনো চাষ না করে ফেলে রাখা হয়েছে। পরিকল্পিত সামাজিক সচেতনতামূলক কর্মসূচীর মাধ্যমে মাধ্যমে গ্রামের সব বাড়িতে অব্যবহৃত জায়গায় গাছ লাগানো ও হাস-মুরগী পালণের মতো বসতবাড়ির সব জলাশয়ে মাছ চাষ শুরু করার জন্য জনগণকে উৎসাহিত করতে হবে।

দেশের সব নদী জলাশয় এবং সমুদ্রসীমা ব্যবহার করে মাছ চাষ ও উৎপাদণের ব্যাবস্থা করা হলে অবশ্য বাজারে মাছের সরবরাহ বৃদ্ধি পাবে। এর ফলে সব পেশার ও মানুষ আয়ের মানুষ কম দামে মাছ কিনতে পারবেন এবং অপুষ্টিজণিত সমস্যা থেকেও রক্ষা পাবেন।
এব্যাপারে দ্রুত পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন।

* ইলিশ, চিংড়ির বিভিন্ন রকম রান্না এবং চিতল মাছের কোপ্তা ছাড়া আমি নিজে মাছ খেতে খুব বেশী পছন্দ করিনা।

কিন্ত মাছ বাংণাদেশের কোটি কোটি মানুষের সবচেয়ে পছন্দের খাবার হওয়ার কারণে তাদের প্রতি সন্মানবোধ থেকেই লিখেছি। এছাড়াও আছে আমিষ জাতীয় খাবার খেয়ে শারীরিক ও মানসিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক দিক দিয়ে শক্তিশালী জাতি গঠনের পরিকল্পনা এবং মৎস খাতে বিপুল পরিমাণ কর্মসংস্থান এবং রপ্তানী আয় বৃদ্ধির সুযোগের সম্ভবনা।


*** এই লেখাটাা আজকের একটা দৈনিক পত্রিকাতেও প্রকাশিত হয়েছে।

মন্তব্য ১২ টি রেটিং +৪/-০

মন্তব্য (১২) মন্তব্য লিখুন

১| ২৬ শে নভেম্বর, ২০২২ বিকাল ৫:৩০

শাহ আজিজ বলেছেন: মধ্যসত্ত্বভোগীদের হাতে গোটা রাষ্ট্র । তাদের পেছনে অল টাইম রাজনিতিকরা । কার কাছে নালিশ করবেন ??

২৬ শে নভেম্বর, ২০২২ বিকাল ৫:৫০

অনল চৌধুরী বলেছেন: আপনার মতো প্রবীণ এবং আমাদের সবাইকে একত্রিত হয়ে প্রতিবাদ করতে হবে।
চোর-দুর্নীতিবাজ-সন্ত্রাসী-টাকা পাচারকারী-মদ-মাদক ব্যাবসায়ী মধ্যস্বত্ত্বভোগীদের অবাধে লুটপাট আর দেশ ধ্বংস করতে দেয়ার জন্য বাংলাদেশর ৩০ লাখ মানুষ মুক্তিযুদ্ধে প্রাণ দেননি।
জনগণ নিজেদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন হয়ে দেশ পাল্টানোর জন্য ঐক্যবদ্ধ না হওয়াতেই এইসব জঘন্য অপরাধীরা বিভিন্ন দলের নাম ব্যবহার করে দেশ ধ্বংস করছে, স্বাধীন বাংলাদেশ সৃষ্টি বা গণত্ন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে যাদের কোনো ভূমিকাই নাই।

২| ২৬ শে নভেম্বর, ২০২২ বিকাল ৫:৫৩

জুল ভার্ন বলেছেন: বিভিন্ন কারণে মাছের দাম বেশী। যেমনঃ মাছের পোনার দাম বেশী, মাছের খাদ্যের দাম বেশী, মাছের রোগ বালাইয়ের যথাযথ প্রতিকারের ব্যবস্থা অপ্রতুল, বন্যা খড়ায় মাছের খামারের ক্ষতি, পরিবহন ব্যয়বহুল, বিভিন্ন স্তরে চাঁদাবাজি, বাজারজাত করণ সমস্যা, ইইত্যাদি ইত্যাদি।

২৬ শে নভেম্বর, ২০২২ সন্ধ্যা ৬:০০

অনল চৌধুরী বলেছেন: এসব সমস্যা সমাধানের জন্য দেশে বিদেশে পিএচইডি করা বিশেষজ্ঞ ও গবেষক আছেন । কিন্ত তারা যে কি করেন, বুঝিনা।
ইন্টারনেটে দেখলাম এখনো নাকি বাংলাদেশে নদীর সংখ্যা ৪০০!!
অথচ এতোদিন জানতাম ২১৫-২৩০।
চিন্তা করে দেখেন, যে দেশে ৪০০’ র বেশী নদী , সেই দেশে কেনো মাছের এতো দাম হবে?
আর সমুদ্রের কথা কি আর বলবো !!!
আফ্রিকানরা যেমন সোনা-হীরার মতো দামী সম্পদ থাকার পরও মারামারি করে না খেয়ে মরছে, বাংলাদেশের অবস্থাও হয়েছে সেরকম।
তাই এতো সম্পদের কিছুই ব্যবহার করতে পারছে না।

৩| ২৭ শে নভেম্বর, ২০২২ সকাল ৮:৫৩

ঢাবিয়ান বলেছেন: বিদেশে অবৈধ টাকা পাচারের মত মাছও পাচার হয়ে যাচ্ছে বলেই মনে হচ্ছে।তা না হলে মাছের এত দাম হবার কথাতো নয়।

২৭ শে নভেম্বর, ২০২২ দুপুর ২:২৬

অনল চৌধুরী বলেছেন: ইলিশের দাম ঢাকার চেয়ে কলকাতায় কম বলে খবর দেখেছি। কিন্তু এর কারণ কি পাচার না বৈধভাবে বেশী রপ্তানী সেটা
জানিনা।
আমার নির্দেশনা অনুযায়ী সমুদ্রে মাছ ধরার জন্য অন্তত ১ লাখ জেলেখে নৌকা বেতার ও লাইফ জ‍্যাকেটসহ নিয়োগ দিলে দেশে মাছের দাম এবং দারিদ্র দুইই কমবে।

৪| ২৭ শে নভেম্বর, ২০২২ দুপুর ১২:২০

কাঁউটাল বলেছেন: সোনাগাজিকে মৎস মন্ত্রী বানানো হোক।

২৭ শে নভেম্বর, ২০২২ দুপুর ২:৩১

অনল চৌধুরী বলেছেন: আর আমাকে রাষ্ট্রপতি !!!!!
চাদগাজী তো মাছ নিয়ে কিছু বলেননি।
তাকে মাছ মন্ত্রী বানিয়ে কি লাভ হবে !!!!

৫| ২৭ শে নভেম্বর, ২০২২ দুপুর ২:২৬

রাজীব নুর বলেছেন: চাষের মাছ দিয়ে বাজার ভরা। তাও অনেক দাম।

একবার আমি এক মন্ত্রীর গ্রামের বাড়ি গিয়েছিলাম। দশ রকমের মাছ রান্না করা হয়েছে। তাও সব গুলো দেশী মাছ। এবং এসব মাছ কিনতে হয়নি। কে বা কারা এসে মন্ত্রীকে দিয়ে গেছে।

২৭ শে নভেম্বর, ২০২২ দুপুর ২:৩৮

অনল চৌধুরী বলেছেন: অনেক ধনী এবং ক্ষমতাবানরাই গ্রামে নিজেদের মাছের খামার করেছে খাওর জন্য।
আর ক্ষমতাবানদের মানুষ টাকা নারী বাড়ি গাড়ি কলা মূলা মাছ ঘুষ দেয় চাকরী ব‍্যবসা বাগানো আর বড় বড় অপরাধ করে বাচার জন্য।

৬| ২৭ শে নভেম্বর, ২০২২ রাত ১০:২০

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: আমার মনে হয় মধ্যসত্ত্বভোগীরা বেশী লাভ করে যার কারণে মাছের দাম চূড়ান্ত ক্রেতার জন্য বেশী হয়ে যায়। মাছ যারা ধরে তাদের মধ্যে সম্পদশালী লোক খুঁজে পাওয়া যায় না। শাক সবজির ক্ষেত্রেও দেখা যায় কৃষকের লোকসান হচ্ছে কিন্তু মধ্যসত্ত্বভোগীরা প্রচুর দামে শাক সবজি বেচছে। ধানের মূল্য কৃষক পায় না কিন্তু চালের আড়তদার কখনও লোকসানে পড়ে না।

নদী নালাতেও আগের চেয়ে মাছ কমে গেছে দূষণ এবং অন্যান্য কারণে। রাষ্ট্রীয়ভাবে উদ্যোগ নিলে এই সমস্যাগুলির সমাধান করা সম্ভব।

২৮ শে নভেম্বর, ২০২২ রাত ৩:২১

অনল চৌধুরী বলেছেন: ভারত, বাংলাদেশ -সব দেশেই কৃষকদের অবস্থা শোচনীয়। কারণ বাজার ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণের কোনো কর্তৃপক্ষ নাই।
তাই চলছে ডাকাতি-লুটপাট।
কালকের লেখায় ১ দিন পর মন্তব্য দেথে অবাক হলাম।
সত্য কথা বলা ও সৎ পথে চলার কারণে ব্যার্থ ও অপ্রয়োজনীয় লোকজন কারো সম্পর্কে কি ভাবলো, সেটা নিয়ে চিন্তা করলে আপনি বা আমি কেউই জীবনে কিছু করতে পারতাম না।
এসব নিয়ে সময় নষ্ট না করে আপনার সব লেখা নির্বাচিত করে আমার কাছে পাঠান।
বই প্রকাশ করি।
তাতে আপনার পরিচিতি আরো বাড়বে। দেশেরও ভালো হবে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.