নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

হেথা নয়, অন্য কোথা, অন্য কোনও খানে।

অর্ক

মানুষের উল্টোদিকের ছবি তুলতে তুলতে ভাবি/ একদিন এই জুনে পাঠিয়েছিলে চিঠি/ জঙধরা লাল বাক্স অচল পড়ে সেই থেকে/ তুমি দাঁড়াও না ঝুল বারান্দায় সেদিনের মতো

অর্ক › বিস্তারিত পোস্টঃ

স্মৃতিতে ২০০০ সিডনি অলিম্পিক

২৪ শে জুলাই, ২০২১ বিকাল ৫:২৪



টোকিও অলিম্পিকের পর্দা উঠলো। বহু বছর পর আবার জাপান। খেলাধুলার সবচেয়ে বড়ো আসর। অলিম্পিকের ব্যাপারটাই আলাদা। প্রত্যেক এ্যাথলেটের জীবনের প্রথম ও প্রধান লক্ষ্য হয়, অলিম্পিক গেমসে দেশের প্রতিনিধিত্ব করা। পদক জয় করা। পোডিয়ামে ওঠা। সর্বোত্তম হলো, জাতীয় সঙ্গীত বাজাতে পারা। গুনগুনিয়ে গাওয়া। বলা বাহুল্য, এই দুর্লভ সুযোগ অল্প কিছু সৌভাগ্যবান মানুষেরই হয়।
মনে পড়ছে, বিশ বছর আগের সিডনি অলিম্পিকের কথা। অস্ট্রেলিয়ার সেই অলিম্পিককে আজও বলা হয়ে থাকে, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ আয়োজন। সত্যি, আমার এযাবতকালের জীবনে ওর থেকে ভালো উপভোগ্য অলিম্পিক আর দ্বিতীয়টি দেখিনি। বিশেষ করে ওদের সেই ওপেনিং সেরেমনিটা ছিলো যারপরনাই মুগ্ধকর। মনে পড়ছে, নিকি ওয়েবস্টারকে। তাঁর ভিনগ্রহের সেই অপূর্ব নৃত্য শৈলী। ঝলমলে আতশবাজি। ক্যাথি ফ্রিম্যানের মশাল হাতে দৌড়। সত্যি, সে এক অদ্ভুত অভিজ্ঞতা। লাইভ দেখেছিলাম বিটিভিতে। আরও মনে পড়ছে, সে সময়ের বিটিভির সেই সুন্দরী ঘোষিকাকে। তৈলাক্ত লিপস্টিকে জবজবে ওষ্ঠাধর। ভদ্রমহিলা সিডনিকে বারবার শিডনি বলছিলেন। হা হা হা।
জিমনাস্টিকের রাণী সভেৎলানা খরকিনাকে মনে পড়ছে। সেই সুদর্শণা দীর্ঘাকায় রুশ তরুণী। মনে পড়ছে আলেক্সেই নেমভকে। তাঁরই স্বদেশী স্বর্ণ জয়ী পুরুষ জিমন্যাস্ট। সাঁতারে ডাচ ভ্যান ডেন হুগেনব্যান্ড, অস্ট্রেলিয়ান ইয়ান থর্প। ফুটবলে নরওয়েকে হারিয়ে আফ্রিকার কালো মানুষের দেশ ক্যামেরুনের স্বর্ণ জয়। ১০০ মিটারে মরিস গ্রীনের স্বর্ণপদক। ইউ. এস. এ ইউ. এস. এ শোর গ্যালারিজুড়ে। ৪০০ মিটারে আয়োজক অস্ট্রেলিয়ার ক্যাথি ফ্রিম্যানের স্বর্ণ প্রাপ্তি। আবেগতাড়িত স্থানীয় দর্শকদের কান্নায় ভেঙে পরা। নতুন ক্রীড়া পরাশক্তি হিসেবে চিনের উত্থান। মনে পড়ছে, একশো কোটি জনসংখ্যার (তৎকালীন) দেশ ভারতের সেই একটিমাত্র পদকের কথা। কারনাম মালেশ্বরী। ভারোত্তোলনে তাম্র। আমিও গর্বিত হয়েছিলাম তাঁর জয়ে। এ উপমহাদেশেরই পদক ওটা। ভারত পাকিস্তান বাংলাদেশের একশো পয়ত্রিশ কোটি মানুষেরই প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন তিনি।
বিশটি বছর কেটে গেছে মাঝখানে। এবার টোকিও ২০২০। সারা বিশ্ব প্রস্তুত। প্রস্তুত আমরাও, আরেকটি বৈচিত্র্যে ভরপুর, ঘটনাবহুল, রোমাঞ্চকর অলিম্পিকের স্বাদ নিতে। জয় হোক ক্রীড়ার। জয় হোক বিশ্ব ভাতৃত্ববোধের, মানবতার।

(ছবিতে সিডনি অলিম্পিকে স্বর্ণ পদক হাতে ক্যাথি ফ্রিম্যান)

মন্তব্য ১ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (১) মন্তব্য লিখুন

১| ২৫ শে জুলাই, ২০২১ দুপুর ১২:২০

চাঁদগাজী বলেছেন:



পাঠকেরা কিছুই বলেন না? পড়ে চলে যান নীরবে?

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.