| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |

হাহাকার পড়ে গেছে দেশে। গ্যাস, বিদ্যুৎ সংকট চরম আকার নিয়েছে, নিচ্ছে। একদিকে বিদ্যুৎ নেই, অপরদিকে ভূতুড়ে বিল। অদ্ভুত ব্যাপার। বিদ্যুৎ নেই, নিয়মিত লোডশেডিং হচ্ছে, স্বাভাবিকভাবেই বিল কম হওয়ার কথা। সেখানে হচ্ছে উল্টো। জনৈক আইনজীবীর ফেসবুক পোস্ট ভাইরাল হয়েছে। তালাবদ্ধ বাড়ি। কোনওরকমের কোনও বিদুৎ ব্যবহার নেই। অথচ বিল এসেছে ৬০০০ টাকা! এখন এই ৬০০০ টাকা বিল কে পরিশোধ করবে জানতে চেয়েছেন তিনি। সারা দেশেই এই খেলা শুরু হয়েছে। বিদ্যুৎ নেই, অথচ বিল আসছে ডাবল ডাবল! বিদ্যুৎ অফিসের সামনে অসহায় ভুক্তভোগী মানুষদের কাগজপত্র হাতে ভীড় বেড়েই চলেছে। টাকার কি মা-বাপ নেই! ইচ্ছেমতো একটা টাকার পরিমাণ বসিয়ে হাতে ধরিয়ে দিলেই হলো! টাকা কি বলদের শরীরের ওই বিশেষ অঙ্গ দিয়ে আসে? দুঃখিত। ভাষা ঠিক রাখতে পারছি না; কারণ আমরা নিজেরাই এর ভুক্তভোগী। অজ্ঞাত, রহস্যময় কারণে পরপর দুমাস স্বাভাবিকের থেকে প্রায় ডাবল বিল এসেছে। আশেপাশে এরকম হাজারটা অভিযোগ। অনেকেই এই ভূতুড়ে বিলের শিকার। যার পর নাই বিরক্ত, ক্ষুব্ধ মানুষ। সেই সঙ্গে হতাশ, আতঙ্কিত, দিশেহারা। সমাধান কি? একবার সরকারি খাতায় বিল উঠে গেলে সেটার পরিবর্তন সম্ভব নয়। কিন্তু মাসের পর মাস এ অবস্থা চলতে পারে না। মানুষ মেনেও নিবে না। গজব পরিস্থিতি। দিনরাত লোডশেডিং হচ্ছে, কিন্তু বিল আসছে ডাবল ডাবল! মগের মুল্লুক আর কাকে বলে! গ্রামের অবস্থা শোচনীয়। ত্রিশ বছর আগের সেই পল্লি বিদ্যুতের উদ্বোধনের সময়কার মতো অবস্থা। মোটামুটি সারাদিনই লোডশেডিং হচ্ছে। রাতে অল্প কয়েক ঘন্টা কেবল নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ পাওয়া যায়। এখানেই পাঁচ ছয় মাস আগে বলেছিলাম হারিকেন কুপি মোমবাতি হ্যাজাকের যুগে ফিরিয়ে নিয়ে যাবে আমাদের। তার বাস্তবতা এখনই দেখতে পাচ্ছেন সবাই। খোঁজ নেন দেশের বিদ্যুতের অবস্থা কি। গ্রামগঞ্জের কথা বাদ দিলাম, খোঁজ নেন বিভাগীয় শহরগুলোর হালহকিকত। বিদুতের চরম সঙ্কট সবখানে। ঢাকা শহরে মোটের ওপর যাই হোক বিদুৎ থাকে। ঢাকায় লোডশেডিংয়ের খেলা শুরু হলে অল্প সময়েই দেশ পঙ্গু, অচল হয়ে যাবে। এগুলো লিখে আসছি। সবাইকে কাগজ কলম নিয়ে বারবার আমার কথা নোট করে রাখতে বলেছি। এরা ভয়ঙ্কর দূর্দশা করবে দেশের। সবে তো শুরু। সেদিন সুদূর নয়, মোটা ভাত-কাপড়ের জন্য ছালা পড়ে লাফাতে হবে বাংলাদেশের রাস্তার মোরে মোরে। এরা দেশ চালাতে পুরোপুরি ব্যর্থ হবে। এদের নীতিই হলো যথাসম্ভব দেশ থেকে লুটপাট, শোষণ করে নিজেদের পকেট ভরা। সম্পদের পাহাড় গড়ে তোলা। এদের কোনওরকমের কোনও দেশপ্রেম নেই। জনগণের জন্য কিচ্ছু করবে না। রেশন কার্ড বিতরণ, খাল খননের মতো তুচ্ছ কাজের মুলো ঝুলিয়ে বাঙ্গু পাবলিককে বোকা বানানো ছাড়া আর কিছু আশা করি না খাম্বা বাহিনীর থেকে।
(চলবে)
১৩ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ৯:৩৯
অর্ক বলেছেন: টুকু টুকু টুকু খেলছে... হা হা হা।
২|
১৩ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৫:১০
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: খাম্বা আছে কারেন্ট নাই , চুলা আছে গ্যাস নেই .. ![]()
১৪ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ৮:০৬
অর্ক বলেছেন: পরনের জামাকাপড় থাকবে তো ভাই!
৩|
১৩ ই আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:২৯
মাথা পাগলা বলেছেন: ইউনুস সরকার - লীগের ৫০০০ মেগাওয়াটের সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের অনুমোদন বাতিল করার পাশাপাশি নতুন দুটি LNG টার্মিনালের প্রকল্পও বাতিল করে। যুদ্ধের সময় কয়লা-তেল মজুদ করার বদলে ভদ্রলোক নিজ দরকারে সরকারি খরচে সাঙ্গোপাঙ্গ নিয়ে বিদেশ ভ্রমণ ব্যস্ত ছিলেন। একটা সংবাদ পড়লাম আম্রিকা-ইরানের যুদ্ধ আরও ৬ মাস চললে গ্লোবাল ইকোনমিতে কি কি ইস্যু আসতে পারে। তেল-গ্যাসের সরবরাহ, মূল্যস্ফীতি - সবকিছু নিয়েই বড় ধরনের বিপদ সামনে আসতে চলেছে।
১৪ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ৮:০৫
অর্ক বলেছেন: আপনাকে আমার অভিজ্ঞতা বলি। তখন আমিও জেন-জি। ইউনুস তখন নোবেল পায়নি। অর্থনীতিবিদ হিসেবে পরিচিত। গ্রামীন ব্যাংক চালাচ্ছে, ক্ষুদ্রঋণ, গ্রামীন জনগোষ্ঠীর উন্নতির জন্য কাজ করছে, হিলারি ক্লিন্টনের বন্ধু ইত্যাদি—এই। সেসময় বিবিসি বাংলা রেডিওতে ওর সাক্ষাৎকার শুনেছিলাম। চিনি মিষ্টি কথায় বললো যে, আরে বাংলাদেশে আর দারিদ্রতা থাকবে না। আমি এমন প্রোগ্রাম আনছি। দেশের সমস্ত ভিক্ষুকদেরও সম্মানজনক কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করবো। তাদের বলবো, বাড়ি বাড়ি ভিক্ষা করতে যাচ্ছেন, তার বদলে আমাদের দেয়া বাহারি পণ্য বিক্রি করেন। এরকম খুব গুছিয়ে শুদ্ধ বাংলায় গ্যারান্টি দিলেন যে, বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনতে যাচ্ছেন বাংলাদেশে। দারিদ্রমুক্ত বাংলাদেশ হতে যাচ্ছে অল্প সময়ে। প্রকল্পের প্রস্তুতিমূলক কাজ শেষ। দুয়েকে বাস্তবায়ন শুরু হবে। দেশ শীঘ্রই ক্ষুধামুক্ত, দারিদ্রমুক্ত হতে যাচ্ছে। আমার সেই সদ্য তরুণ বয়সে বিবিসিতে ওর সেই মিষ্টি কথার সাক্ষাতকার শুনে মনে মনে ভাবছিলাম, এই উলঙ্গ চিটার, বাটপার ৪২০’র হাত থেকে ঈশ্বর দেশ, দেশের মানুষকে বাঁচাক। একেবারে আপাদমস্তক চিটার, বাটপার ৪২০। এমনভাবে চিনিমিশ্রিত কথায় মানুষকে মুগ্ধ করবে যে, সাধারণভাবে মনে হবে, সত্য বলছে। এতো বড়ো অর্থনীতিবিদ, পণ্ডিত লোক, এমনিএমনি তো বলবে না। তিনি যে প্রকল্পের কথা শোনাচ্ছেন, সেটা বাস্তবায়ন করতে পারবেন নিশ্চয়। ভিক্ষুকদেরও পণ্য নিয়ে মার্কেটিংয়ের কাজে নামাবেন। তার ওপর আস্থা রাখা যায়। আসলেই ভদ্রলোক ভালো কিছু করতে চাচ্ছে। সুবিধাবঞ্চিত, গরীব জনগোষ্ঠীর জন্য সত্যি তিনি কিছু করতে চান। কিন্তু বাস্তবতা হলো, সম্পূর্ণ মিথ্যা। কাল্পনিক গল্প ফেঁদে বসেছেন আর কিছু না। আসলে কিছুই করেনি ইউনুস। মিথ্যা গল্প সাজিয়ে বিবিসি বাংলায় ছেড়ে দিয়েছে। সদ্যতরুণ জেন-জি বয়সে সে সাক্ষাৎকার শুনেই বুঝেছিলাম, এ একটা চুড়ান্ত রকমের চিটার বাটপার বদমাশ লোক। দেশ, জাতি এর খপ্পর থেকে বাঁচুক। ইউনুস পশ্চিমাদের দালাল। ক্লিনটন দম্পত্তির চামচামি করে নোবেল বাগিয়েছে। ওর কাছে ভালো কিছু আশা করি না কখনও। মিষ্টি মিষ্টি কথা বলে বারোটা বাজিয়ে ছেড়েছে দেশের। ইউনুস বিপদ শেষে, এখন আরেক বিপদে আমরা। বাংলাদেশের সামনে খুব দুর্দিন নিঃসন্দেহে। আমি আসলে নিজেও আতঙ্কিত। সেভাবে লিখতেও সাহস পাই না। মাফিয়াদের...
ধন্যবাদ।
৪|
১৩ ই আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৪৮
কলাবাগান১ বলেছেন: "লোডশেডিং ব্যবস্থাপনা এবং দিন গোনা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই: বিদ্যুৎমন্ত্রী"
উনারা কুইক রেন্টাল এর অনেক সমালোচনা করেছেন কিন্তু এখন সব প্রকল্প বন্ধ করে এসব মূর্খের মত কথা বলছেন..
১৪ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ৯:৩৮
অর্ক বলেছেন: ঠিক বলেছেন। ধন্যবাদ।
©somewhere in net ltd.
১|
১৩ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:৫১
জ্যাক স্মিথ বলেছেন: