| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |

আমার ভাই এরশাদ শিকদার হত্যার বিচার চাই। ফেসিস্ট হাসিনার নৃশংসতা, অমানবিকতার আরেক শিকার। ওরকম সৎ, মানবিক, জনদরদী, মোলায়েম মনের ফেরেশতার মতো আলোকিত, দেদীপ্যমান মানুষকে বছরের পর বছর কারাগারে অত্যাচার, নির্যাতন করে শেষ করে দিলো রাক্ষুসি, ডাকিনী, নরখাদক হাসিনা! এর বিচার হতেই হবে বাংলার মাটিতে। ফেসিস্ট, খুনি হাসিনার ফাঁসি চাই। বাস্তবতা আমাদের সবার জানা। এরশাদ শিকদার ছিলেন গরীবের অকৃত্রিম বন্ধু। বাংলার একমাত্র রবিনহুড। পুরো খুলনা অঞ্চলে এমন একটা পরিবার পাওয়া যাবে না, যারা মহান এরশাদ শিকদারের দ্বারা কখনও না কখনও উপকৃত হননি। তাঁর দরজা থেকে কেউ কোনওদিন খালি হাতে ফিরেছিলো, এরকম নজির নেই। সবাইকে শুধু দু-হাত ভরে উজার করে দিয়ে গেছেন। সত্যি, আমার ভাইয়ের কথা লিখতে গিয়ে চোখ থেকে অঝোরে পানি ঝরছে। কি করে পারলো হাসিনা! কি করে পারলো! এরশাদ শিকদারের মতো অমন একজন বিবেকবান, উদার, বিনয়ী, পরোপকারী, মানবতাবাদী, নির্বিবাদী, সজ্জন ভালো মানুষকে এভাবে ব্যক্তিগত ঈর্ষা, ক্ষোভ, হতাশার বলি চড়াতে এতোটুকুও হাত কাঁপলো না ডাইনিটার! আমার ভাইয়ের কখনও কোনওদিন একটা পাখিকেও হত্যা তো দূর, এ চিন্তাও কল্পনাতে আসনি। মুসলমান ঘরের সন্তান হয়েও তিনি ছিলেন আগাগোড়া নিরামিষভোজী। এমনকি ডিমও খেতেন না। আমাদের সবাইকে তাঁর মতো নিরামিষভোজী হবার জন্য বলতেন। সবসময় আফসোস করতেন, মানুষের রসনা তৃপ্তি মিটানোর জন্য প্রতিদিন পৃথিবীতে কতো বেশুমার পশু হত্যা করা হয়, কাটা পড়ে ধারালো অস্ত্রে! তোরা কি করে পারিস এতো অমানবিক হতে! আমার মতো ডালভাত শাক-সবজি ফলমূল খাওয়ার অভ্যাস কর। পশু হত্যা বন্ধ করতেই হবে সবাইকে মিলে। ওদেরও জীবন আছে। ওরাও বাঁচতে চায় পৃথিবীতে। সবাই আমার মতো নিরামিষভোজী হয়ে যা। আহা, এরকম একজন নরম মনের মানুষকে কি সব কাল্পনিক, মিথ্যা, গাঁজাখোরি মামলা দিয়ে ফাঁসিয়ে, জেলে পচিয়ে একপর্যায়ে ফাঁসি দিয়ে হত্যা করলো ফেসিস্ট, খুনি হাসিনা! হায় হায়! এই দুঃখ কোথায় রাখি! মহান মানবতাবাদী, জনদরদী, গরীবের রবিনহুড এরশাদ শিকদার ভাই জিন্দাবাদ। ফেসিস্ট, খুনি হাসিনা মুর্দাবাদ। তারেক জিয়ার কাছে করজোড়ে অনুরোধ, অবশ্যই এরশাদ শিকদারকে রাষ্ট্রীয়ভাবে মরণোত্তর সম্মান প্রদান করুন। তিনিও আপনার মতোই ফেসিস্ট হাসিনার রক্তলালসার আরেক নির্মম শিকার। আপনি বেঁচে আছেন। আজকে আপনি এই দেশের প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু আমার ভাই এরশাদ শিকদার বাঁচতে পারেনি খুনি হাসিনার রোষানল থেকে। তাঁকে নির্দয়ভাবে ফাঁসি দেয়া হয়। সেসব সবার জানা। বিস্তারিত বলার কিছু নেই। খুনি হাসিনা স্বয়ং দাঁড়িয়ে থেকে এরশাদ ভাইয়ের ফাঁসি কার্যকর করেন। শুধু দেখেই ক্ষান্ত হননি, সে সরাসরি ফাঁসি মঞ্চে নিজ হাতে জল্লাদের কাছে ফাঁসির দড়ি সরবরাহ করে। আহা, কী পাশবিক! কী নির্দয়!
(চলবে)
©somewhere in net ltd.
১|
১৭ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৫:৪৬
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: একসময় এরশাদ শিকদার আর কালা জাহাংগীরের খুব নাম শুনতাম ।