| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আমাকে এখন সোনালি ব্যাংকের সাথে তুলনা করলেও কম হবে। সোনালি ব্যাংক যে পরিমাণ ঋণ খেলাপীদের পাল্লায় পড়ছে আমি তার চাইতে বড় খেলাপীর পাল্লায় পড়ছি!
ঘটনা তেমন কিছু না। অধিকাংশই হয়তো আমার আক্ষেপ। আসলে আমার বাবা তো আমাকে হিমুর মত মহাপুরুষ বানানোর ট্রেনিং দান করেন নাই বা বিল গেটস্ এর মত ডলারের বস্তা দিয়া পড়তে পাঠায় নাই, তাই নিঃস্বার্থভাবে কাউকে উপকৃত করার ক্ষমতাটুকু খুবই সীমিত। কিন্তু উপকার করার পর নির্লজ্জের মত তা ফেরত চাওয়ার ক্ষমতাও উত্তরাধিকার বা অন্য কোন সূত্রে লাভ করতে পারি নাই। তবু কাউকে সাহায্য করলে তার কাছ থেকে প্রতিদানে কোন না কোন সময় কিছু একটা বা আমি তার যে উপকার করেছিলাম ঐরকম কিছু একটা সাহায্য আশা করা নিশ্চয়ই দোষের কিছু না!
যাই হোক, আসল কথায় আসি। আগেই বলছি, ঘটনা তেমন কিছু না। পড়ার ইচ্ছে আা করলে এখনই প্রস্থান উত্তম। পরে আমাকে শালা বা দুলাভাই টাইপের গালমন্দ করলে ব্লক নিশ্চিত!
অনেকেই জানেন যে আমি মেসে থাকি। গরীব লোকদের মেসে সাধারণত এক রুমে দুই বা তিনটি প্রাণ বাস করে। সেই সূত্রে আমরাও তিনটি। গত দুই মাসে আমার দুই রুমমেট তিনবার অসুস্থ হয়ছে। আর প্রতিবারই আমি নিজের মানিব্যাগের ওজন কমিয়ে তাদের ওষুধ কিনে দিছি এবং মোবাইলের ভারসাম্য নষ্ট করে তাদের বাড়িতে ফোন করে গার্ডিয়ানের কাছে খবর পৌঁছে দিছি।
আজকে আমার প্রচন্ড জ্বর হয়ছে। কিন্তু ভাগ্যের কি নির্মম পরিহাস! তারা যে এতবড় ঋণের বোঝাটা একটুও হালকা করার কিঞ্চিত চেষ্টা করবে না, তা আমি মোটেও ভাবি নাই। আমার আশার পিছনে বাঁশদান করে তারা কিছুক্ষণ আগে অন্য রুমে চলে গেল 'আশিকি-২' দেখতে। আর আমি কাথার নিচে শুয়ে বহু কষ্ট করে লেখাটা লিখলাম আর একটা নতুন মুভি বানানোর প্ল্যান করলাম। নাম : বাঁশ,বাঁশ এবং বাঁশ।
বিঃদ্রঃ সম্পূর্ণ ঘটনা বাস্তব এবং তা আমার সাথে ঘটেছে। এই বিষয়ে কারও কোন অভিযোগ থাকলে আমাকে জানাতে পারেন।
কৃতজ্ঞতা : যারা কষ্ট করে বোরিং লেখাটা সম্পূর্ণ পড়ে আমার মনের কষ্ট হালকা করার ব্যর্থ চেষ্টা করলেন, তাদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ!
©somewhere in net ltd.