| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ভীষণ গরম!!! সহ্য করিতে না পারিয়া" ছাদে গেলাম। কিছুক্ষণ পর দেখি নিচের ফ্ল্যাটের আন্টির মেয়েটারও আমার মত অবস্থা! ভালই লাগিতেছে! দুইজন ছাদের দুই প্রান্তে দাড়াইয়া আছি, আর 'তাকাতাকি' খেলিতেছি, এমন সময় বাংলা সিনেমার ভিলেনের মত কন্যার বাপের আগমণ! আর আসিয়াই তাহার কুকুরের ঘেউ, 'তুই ছাদে ক্যান?' কন্যার পানে চাহিয়া বলিলেও তাহা যেন কন্যার গ্লেস মারা গালে রিফ্লেকশান করিয়া আমার অন্তরে আসিয়া বিধিল! কি করা যায়?? ভাবিতেই খেয়াল হইল আমার শীঘ্রই প্রস্থান করা উচিত। কিন্তু হঠাৎ করিয়াই তো আর বিনা অজুহাতে প্রস্থান করাটা আমার মত ভদ্র ছেলের সাজে না। তাই দাড়াইয়া নিচের ঠোঁটে চিমটি কাটিতে কাটিতে ভাবিতে লাগিলাম। কিন্তু বিধি বাম! কোন প্রকার সুবুদ্ধির বা কুবুদ্ধির বিকাশ আমার মস্তিকের খাটি কম্পোস্টে ঘটিল না!
তখনো ভিলেনের অগ্নিদৃষ্টি উপেক্ষা করিয়া দাড়াইয়া আছি। পেণ্ডুলামের মত ঝুলন্ত ও দুলন্ত অবস্থা। না পারিতেছি প্রস্থান করিতে, অবস্থানটাও যে সহ্য করিতে পারিতেছি না!
অবশেষে একটা কাক তাহার ডিনার নষ্ট করিয়া আমার প্রস্থনের বিপক্ষে গিয়া প্রতিবাদ জানাইলেন। তাহার প্রতিবাদের ভাষার এতই তীব্রতা প্রকাশ পাইলো যে, দ্রুতগতিতে আঙ্কলের অবস্থান ছাদ হইতে বাথরুমে হইয়া গেল। যাইবার সময় চক্ষুর অগ্নি পুনরায় আমাকে প্রদর্শন করিয়া গেলেন।
অবস্থান খুবই দৃঢ় হইলেও তাহা টিকিল না। কাকের ডিনারে মনে হয় মসলা বেশি ব্যবহার করা হইয়াছে! আমার নাক মহোদয় তাহা বেশিক্ষণ সহ্য করিতে পারিল না! কিন্তু রুমে আসিয়া আশার আলো ও ফ্যানের বাতাস উভয়েই মিলিয়া যাওয়ায় কোন আফসোস রহিল না, বরং চক্ষু মুদিয়া জয়ের আনন্দটা উপভোগ করিতে লাগিলাম।
©somewhere in net ltd.