| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আস-সালামু আলাইকুম, এই ব্লগে এটি আমার প্রথম পোস্ট। এই পোস্টটি ইসলামের দ্বিতীয় স্তম্ভ নামাযের প্রয়োজনীয়তার ব্যপারে। ইন শা আল্লাহ্ আযযাওয়াজাল এই লেখাটি দিয়ে আমি আপনাদেরকে নামাযের প্রয়োজনীয়তা বোঝাতে পারবো।
আমাদের দেশের বর্তমান সমাজে নামায বাদ দেওয়া একটি কমন ইস্যু হয়ে দাঁড়িয়েছে, আমাদের মধ্যে বলতে গেলে অনেক বড় একটি সংখ্যার মানুষকে দেখা যায় সারা সপ্তাহ নামাযের ধারে কাছেও যান না, শুধু শুক্রবার মসজিদে গিয়ে কোনও মতে জুম'আর দুই রাক্বাআত ফরয নামায পড়েই কিভাবে মসজিদ থেকে তারাতারি বের হওয়া যায় তার জন্য মসজিদের দরজায় মোটামুটি ট্রাফিক জ্যাম বানিয়ে ফেলেন! আবার অনেকের হয়তবা এতটুকু পর্যন্তও যাওয়া হয়না।
যাই হোক নামাযকে আমাদের আরো অনেক বেশি সিরিয়াসলি নেওয়া উচিৎ, এবং মনে রাখা উচিত, প্রত্যেক মুসলমানের পাঁচ ওয়াক্ত নামায অবশ্যই অবশ্যই পড়তে হবে। কেন পড়তে হবে তার কারণ সংক্ষেপে নিচে পেশ করলাম।
সালাতের/ নামাযের প্রয়োজনীয়তা বর্ণিত হয়েছে এমন কিছু আয়াত এবং আহাদীস আমি এই আর্টিকেলে শেয়ার করেছি, এখানে ফরয নামাযের কথা উল্ল্যেখ করা হয়েছে, যা প্রত্যেক মুসলিমের দিনে পাঁচ বার আদায় করতে হয়।
সমস্ত নামাযের প্রতি যত্নবান হও। (সুরা বাক্বারা, আয়াতঃ ২৩৮)
জাবির বিন আব্দুল্লাহ্ হতে বর্ণিতঃ আমি রাসুলাল্লাহ্ সাল্লাল্লাহি আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছিঃ একজন মানুষ (মুসলিম) এবং শির্ক এবং কুফ্র এর মধ্যে পার্থক্য হচ্ছে নামায পরিত্যাগ করা। (সাহিহ্ মুসলিমঃ কিতাব-উল-ঈমানঃ কিতাব ০০১, নাম্বারঃ ০১৪৭)
নবী-এ-করীম সাল্লাল্লাহি আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ আমাদের মধ্যে এবং তাদের (কুফফার/ গায়ের মুসলিম) মধ্যে পার্থক্য হচ্ছে নামায, সুতরাং যেই নামায পরিত্যাগ করে নিঃসন্দেহে সে কুফ্র করে। (তিরমীযি, কিতাব-উল-ঈমান, ইমাম তিরমীযি, ইমাম নাসাঈ এবং আল্লামা ইরাকী হতে থেকে সাহিহ্ ঘোষিত, মিনহাজ-উল-মুসলিমীন পৃঃ ৮০)
রাসূল-এ-কারীম সাল্লাল্লাহি আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ একজন বান্দা(মুসলিম) এবং শির্কের মধ্যে পার্থক্য হল নামায পরিত্যাগ করা। যখন সে নামায ত্যাগ করে, সে শির্ক করে। (ইবন্ মাজাহ্, সাহিহ্ জামি-উল-সাগীর, দ্বিতীয় খন্ড, পৃঃ ৯৫, সনদঃ সাহিহ্, মিনহাজ-উল-মুসলিমীন, পৃঃ ৮০)
উপর্যুক্ত আহাদীস থেকে স্পষ্ট হয়ে যায় যে নামায পরিত্যাগ করা কুফ্র এবং শির্ক, নিচের আয়াতে
দেখুনঃ
নিঃসন্দেহে আল্লাহ তাকে ক্ষমা করেন না, যে লোক শির্ক করে। তিনি ক্ষমা করেন এর নিম্ন পর্যায়ের পাপ, যার জন্য তিনি ইচ্ছা করেন। (সুরা নিসা, আয়াতঃ ৪৮)
আল্লাহ্ আযযাওয়াজাল আরো বলেনঃ অবশ্য তারা (কুফফার) যদি তওবা করে, নামায কায়েম করে আর যাকাত আদায় করে, তবে তারা তোমাদের দ্বীনী ভাই। (সুরা তাওবা, আয়াতঃ ১১)
উপর্যুক্ত আয়াত থেকে আমরা এটা অনুধাবন করতে পারি যে একজন মানুষকে দ্বীনী ভাই হওয়ার জন্য নামাযও পড়তে হবে।
ইবন্ উমর হতে বর্ণিতঃ
রাসূলাল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়াসালাম বলেনঃ আমি আদেশপ্রাপ্ত (আল্লাহ্ হতে) মানুষের সাথে অতক্ষন পর্যন্ত যুদ্ধ করতে যতক্ষন পর্যন্ত না তারা সাক্ষ্য দেয়ঃ
(১) আল্লাহ্ ছাড়া অপর কারো ইবাদত পাওয়ার অধিকার নেই, এবং মুহাম্মাদ আল্লাহ্র রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়াসাল্লাম)
(২) এবং নামায আদায় করা,
(৩) এবং যাকাত প্রদান করা।
যদি তারা এসব সম্পন্ন করে, তাহলে তারা তাদের জীবন এবং সম্পদ আমার কাছ থেকে রক্ষা করে, তবে শরিআত এবং তাদের হিসাব আল্লাহ্র মাধ্যমেই সম্পন্ন হবে। (সাহিহ্ বুখারী, কিতাব-উল-ঈমানঃ খন্ড ১, কিতাব ২, নাম্বার ২৪)
উপর্যুক্ত হাদীসটি আমাদের অবশ্যই অনুধাবন করতে হবে যে, রাসূলাল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম মানুষের সাথে যুদ্ধ করার জন্য কোন মানদন্ড দিয়েছেন। এই হাদীসটি তাদের অনুধাবন করা উচিৎ যারা নিজেদেরকে মুসলিম দাবী করে কিন্তু দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত নামায আদায় করে না।
সালাতের/ নামাযের প্রয়োজনীয়তা বর্ণিত হয়েছে এমন কিছু আয়াত এবং আহাদীস আমি এই আর্টিকেলে শেয়ার করেছি, এখানে ফরয নামাযের কথা উল্ল্যেখ করা হয়েছে, যা প্রত্যেক মুসলিমের দিনে পাঁচ বার আদায় করতে হয়।
সমস্ত নামাযের প্রতি যত্নবান হও। (সুরা বাক্বারা, আয়াতঃ ২৩৮)
জাবির বিন আব্দুল্লাহ্ হতে বর্ণিতঃ আমি রাসুলাল্লাহ্ সাল্লাল্লাহি আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছিঃ একজন মানুষ (মুসলিম) এবং শির্ক এবং কুফ্র এর মধ্যে পার্থক্য হচ্ছে নামায পরিত্যাগ করা। (সাহিহ্ মুসলিমঃ কিতাব-উল-ঈমানঃ কিতাব ০০১, নাম্বারঃ ০১৪৭)
নবী-এ-করীম সাল্লাল্লাহি আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ আমাদের মধ্যে এবং তাদের (কুফফার/ গায়ের মুসলিম) মধ্যে পার্থক্য হচ্ছে নামায, সুতরাং যেই নামায পরিত্যাগ করে নিঃসন্দেহে সে কুফ্র করে। (তিরমীযি, কিতাব-উল-ঈমান, ইমাম তিরমীযি, ইমাম নাসাঈ এবং আল্লামা ইরাকী হতে থেকে সাহিহ্ ঘোষিত, মিনহাজ-উল-মুসলিমীন পৃঃ ৮০)
রাসূল-এ-কারীম সাল্লাল্লাহি আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ একজন বান্দা(মুসলিম) এবং শির্কের মধ্যে পার্থক্য হল নামায পরিত্যাগ করা। যখন সে নামায ত্যাগ করে, সে শির্ক করে। (ইবন্ মাজাহ্, সাহিহ্ জামি-উল-সাগীর, দ্বিতীয় খন্ড, পৃঃ ৯৫, সনদঃ সাহিহ্, মিনহাজ-উল-মুসলিমীন, পৃঃ ৮০)
উপর্যুক্ত আহাদীস থেকে স্পষ্ট হয়ে যায় যে নামায পরিত্যাগ করা কুফ্র এবং শির্ক, নিচের আয়াতে
দেখুনঃ
নিঃসন্দেহে আল্লাহ তাকে ক্ষমা করেন না, যে লোক শির্ক করে। তিনি ক্ষমা করেন এর নিম্ন পর্যায়ের পাপ, যার জন্য তিনি ইচ্ছা করেন। (সুরা নিসা, আয়াতঃ ৪৮)
আল্লাহ্ আযযাওয়াজাল আরো বলেনঃ অবশ্য তারা (কুফফার) যদি তওবা করে, নামায কায়েম করে আর যাকাত আদায় করে, তবে তারা তোমাদের দ্বীনী ভাই। (সুরা তাওবা, আয়াতঃ ১১)
উপর্যুক্ত আয়াত থেকে আমরা এটা অনুধাবন করতে পারি যে একজন মানুষকে দ্বীনী ভাই হওয়ার জন্য নামাযও পড়তে হবে।
ইবন্ উমর হতে বর্ণিতঃ
রাসূলাল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়াসালাম বলেনঃ আমি আদেশপ্রাপ্ত (আল্লাহ্ হতে) মানুষের সাথে অতক্ষন পর্যন্ত যুদ্ধ করতে যতক্ষন পর্যন্ত না তারা সাক্ষ্য দেয়ঃ
(১) আল্লাহ্ ছাড়া অপর কারো ইবাদত পাওয়ার অধিকার নেই, এবং মুহাম্মাদ আল্লাহ্র রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়াসাল্লাম)
(২) এবং নামায আদায় করা,
(৩) এবং যাকাত প্রদান করা।
যদি তারা এসব সম্পন্ন করে, তাহলে তারা তাদের জীবন এবং সম্পদ আমার কাছ থেকে রক্ষা করে, তবে শরিআত এবং তাদের হিসাব আল্লাহ্র মাধ্যমেই সম্পন্ন হবে। (সাহিহ্ বুখারী, কিতাব-উল-ঈমানঃ খন্ড ১, কিতাব ২, নাম্বার ২৪)
উপর্যুক্ত হাদীসটি আমাদের অবশ্যই অনুধাবন করতে হবে যে, রাসূলাল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম মানুষের সাথে যুদ্ধ করার জন্য কোন মানদন্ড দিয়েছেন। এই হাদীসটি তাদের অনুধাবন করা উচিৎ যারা নিজেদেরকে মুসলিম দাবী করে কিন্তু দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত নামায আদায় করে না।
©somewhere in net ltd.
১|
০৬ ই জুলাই, ২০১৪ দুপুর ২:৪৪
দুঃখী__ বন্ধু বলেছেন: খুব ভাল লাগল লেখাটি। প্রিয়তে নিয়ে রাখছি আবার পড়ার জন্য।