| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আস্তমেয়ে
হে প্রভু, তুমি আমাকে অকল্যাণ বয়ে আনা এবং অর্থহীন কথা ও কাজ থেকে রক্ষা করো! [link|http://www.somewhereinblog.net/shondhabatiblog|Ges Avwg]
আমাদের পরিবারে 'খুব ধার্মিক' কেউ নেই। তাই বংশগত বা ঐতিহ্যগত ভাবে 'ধার্মিক' হওয়ার সুযোগ নেই। সবাই নিম্নবিত্ত বা মধ্যবিত্ত। শুক্রবারে জুমা'র নামায পড়া এবং শেষ বয়সে একবার হজ্জ্ব করে সব পাপ ধুয়ে ফেলার ইচ্ছার মধ্যেই ধর্মবোধ সীমিত। আমার মা বাবা দুইজনের বিশাল পরিবারের (মোট জনসংখ্যা দেড়শ ছাড়িয়ে যাবে) মধ্যে আলেম বা হাফেজ থাকা দূরের কথা, মাদ্রাসা পড়ুয়াই কেউ নেই। মজার ব্যাপার হচ্ছে, আমার অমুসলিম আত্মীয় আছে, নাস্তিক আত্মীয়ও আছে। তাই প্রাথমিক যুক্তিগুলো জানতে আমাকে খুব দূরে যেতে হয় নি। আর সহাবস্থান বা নিজের চেয়ে ভিন্ন পরিবেশে নিজের স্বকীয়তা নিয়ে থাকার হাত খড়ি নিজের আত্মীয়দের মধ্যেই হয়েছে।
!@@!408551 !@@!408552, !@@!408553, !@@!408554, সবশেষে সিডনীতে বাসার কাছেই এক এংলিকান চার্চের ধর্ম প্রচারক ক্রিসের সাথে মায়ের বন্ধুত্ব সূত্রে তুলনামূলক ধর্ম নিয়ে বিভিন্ন টুকরো আলোচনার হয়েছে নানা সময়ে। এগুলো কিন্তু জীবন্ত আলোচনা, মানুষগুলো যেভাবে অনুভব করে সে সব নিয়ে কথা। বইয়ের পাতার শুকনো যুক্তি না। এগুলো এবং নিজের 'সংশয়ী' মনটা তুলনামূলক ধর্ম নিয়ে একটু গভীর পড়াশোনা করার প্রতি আমার মধ্যে যথেষ্ট আগ্রহ সৃষ্টি করলো। তাই ইয়ার ইলেভেনে ফিজিক্স কেমিস্ট্রির পাশাপাশি প্রথম সুযোগেই নিয়ে নিলাম 'স্টাডিজ অফ রিলিজন'। তখন প্রথম পরিচয় দর্শনে ধর্ম নিয়ে। তখন প্রথম বুঝলাম এর আগ পর্যন্ত যা জেনেছি তা হলো ধর্মের দর্শন। ধর্মীয় দৃষ্টিকোনের চশমা দিয়ে পৃথিবী দেখা। আর এখন দেখা হবে মানুষের চোখ দিয়ে ধর্ম দেখা।
দর্শনে ধর্মের সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে "এমন কিছু বিশ্বাস এবং আচারের সমষ্টি, যার মূলে আছে অতিপ্রাকৃত ব্যাপার স্যাপার"। অংকের ফর্মূলায় ফেললে দেখতে খানিকটা এমন দেখাবে:
বিশ্বাস + (-->অতিপ্রাকৃত শক্তি <--) + আচার = ধর্ম
সুতরাং ধর্মীয় দৃষ্টিকোন থেকে পৃথিবীকে দেখতে হলেই সেই 'অতিপ্রাকৃত শক্তি' ব্যাপারটা থাকতে হবে। আর দর্শন পুরাপুরি বস্তুবাদী। তাই ধর্মকে দেখার সময় 'অতিপ্রাকৃত শক্তি' অংশটুকু কোন প্রভাব ফেলে না।
হালকা পাতলা গবেষনা এবং পড়াশোনা হলো সেমেটিক এবং ননসেমেটিক ধর্মগুলো নিয়ে, ইসলাম, ইহুদী, খ্রীষ্টান, হিন্দু, বৌদ্ধ, বাহাই, শিখিজম, জৈন ধর্ম, তাওইজম, অস্ট্রেলিয়ান আদিবাসীদের ধর্ম এবং নিউ সাইন্টিস্ট নামে নতুন এক ধর্ম। একই সাথে দর্শনে ধর্মকে কি করে দেখা হয়, 'অতিপ্রাকৃতের রস কস চিপে বের করে' সেটাও দেখলাম।
ভয়াবহ মজার কয়েকটা মাস কাটলো। আমাদের টিচার খুব আলোচনামুখী করতেন ক্লাসগুলোকে। ক্লাসে মুসলিম ছিল দুই জন, বেশ কিছু হিন্দু, বৌদ্ধ, তাওয়িস্ট, প্রচুর নাস্তিক/সংশয়বাদী এবং কিছু খ্রীষ্টান ছিল। প্রতি দিন এক একটা টপিক তুলে নিয়ে তুমুল আলোচনা শুরু করে দিতেন। বিভিন্ন ধর্মে স্রষ্টার স্বরূপ, বর্তমান বিশ্বে ধর্মের অবস্থান, ধর্মের উপযোগিতা, ধর্মের প্রয়োজনীয়তা, ধর্মীয় মানুষগুলোর অবস্থা।
মজার ব্যাপার হলো, আলোচনাগুলো খুব জীবন্ত হতো, খুব মজার হতো, কিন্তু কেউ আঘাত পেতো না। চামড়া মোটা বলে না, কারো যুক্তিই আক্রমনাত্মক থাকতো না। আক্রমনাত্মক যুক্তি আসলেই প্রতিপক্ষ প্রতিপক্ষ ভাব চলে আসে। এবং নিজে থেকেই একটা আত্মরক্ষার ভাব চলে আসে, যেটা আসলে আসল সমস্যাগুলোকে সব সময় দূরে ঠেলে রাখে। ওহ, আলোচনাগুলোকে কখনও 'ডিবেইট' বলা হতো না, বলা হতো 'ডিসকাশন'। বিতর্কে নামতে হলে যুক্তিতে ভালো হতে হয়। ব্যাস। যুক্তিতে ভালো একজনকে আপনি যে কোন বিষয়ে যে কোন পক্ষ নিয়ে কথা বলতে বলেন, যুক্তিতে জেতার জন্য তারা বলে যাবে এবং জিতবে। আমি বিতর্কে ভালো না। তাই ডিসকাশনগুলো আমার জন্য দারুণ ছিল, কারণ এখানে মূল উদ্দেশ্য ছিল অন্য পক্ষকে জানা। কাউকে নিচে নামানো না বা ভুল প্রমান করা না। এই ক্লাসগুলো আমার জন্য এখনও উপকারী হচ্ছে। অ্যাফিনিটি একটা গ্রুপের আন্ত:বিশ্বাস আলোচনা বাড়ানোর জন্য আয়োজিত বিভিন্ন অনুষ্ঠানে কাজে লেগেছে।
ক্লাসে আলোচনা করার সময় আমরা নিজেদের ধর্মীয় দৃষ্টিকোন থেকে কথা বলতে পারতাম। এসাইনমেন্ট করার সময় কিন্তু পুরা তৃতীয় পক্ষ থাকতে হবে। আর এই ধর্ম ভালো, এই ধর্ম খারাপ টাইপের কোন বিচার আচার করা যাবে না। কেবল তৃতীয় পক্ষীয় চোখ।
মাঝখানে কয়েক সপ্তাহের জন্য একজন ইহুদী ছাত্র এসেছিল ক্লাস নিতে। তিনি ছিলেন কনভার্টেড জ্যু। ব্যাপারটা মজার, এমনি কিন্তু বনী ইসরাইলের রক্ত ছাড়া কেউ ইহুদী হতে পারে না। এই ভদ্রলোক, 'মিস্টার কোয়াক', 'রিফর্ম জুডাইজম' ফলো করে ইহুদী হচ্ছেন।
জটিল সব আলোচনা হতো আমার সাথে। এক পর্যায়ে দেখা যেত, শুধু আমি আর মিস্টার কোয়াক কথা বলছি (ভাবনার বিনিময়, মূলত: স্রষ্টাকে নিয়ে, আক্রমন নয়), আর সারা ক্লাস হাই তুলছে। তবে আমি খুবই উপভোগ করতাম কথাগুলো, কারণ স্রষ্টাকে তিনি যতোটা কাছ থেকে অনুভব করেছেন, আমার দেখা খুব কম মুসলিমই তা করে।
অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে বড় সিনাগগে আর একটা ক্যাথিড্রালে গিয়েছিলাম এক্সকারশনে। কথা হলো পর্দার আড়ালের মানুষগুলোর সাথে।
অস্ট্রেলিয়ান এডুকেশন সিস্টেমের একটা ব্যাপার আমার ভালো লাগে। ইয়ার ইলেভেন টুয়েলভ, অর্থ্যাৎ সিনিয়র ইয়ারসে পড়াশোনার অনেকটাই থাকে 'ওপেন এনডেড'। শুধু শুরুটা করিয়ে দেয় স্কুল। বাকি যে যতদূর যেতে পারে। ফলে যার আগ্রহ থাকে, সে যেতে পারে যতদূর সম্ভব। প্রথমেই বলেছি, পুরাপুরি নিজের আগ্রহে নিয়েছিলাম স্টাডিজ অফ রিলিজন। ফলে প্রচুর পড়েছি। ট্রেইনে বাসে, রাতে শোয়ার আগে, লাইব্রেরির রেফারেন্স বইগুলো পড়তাম। পরীক্ষার জন্য তেমন না পড়লেও বিপুল ব্যবধানে ফার্স্ট হতাম বরাবর!
ইয়ার ইলেভেনের শেষে একটা বড় এসাইনমেন্ট ছিল। সবাই নিজ নিজ ইচ্ছা মত ধর্ম বেছে নিতে পারবে। তারপরে সেটার উপরে গভীর আলোচনা। আমি ততদিনে বিশাল বিশাল জ্ঞানী মানুষ দেখেছি বিভিন্ন ধর্মের, এমনকি নাস্তিকদের বা পাদ্রী, রাবাইদের দেখলাম ইসলাম সম্পর্কে অনেক জানে। তখন প্রথম লজ্জাবোধ হয়েছে। আমার নাম শুনেই লোকে বলতে পারবে আমি মুসলিম। আমার মাথায় হিজাব। অথচ ইসলাম নিয়েই আমার জানাটা কত অপ্রতুল! গলা ফাটিয়ে বলি ঠিকই কুরআনের প্রতিটা অক্ষর নির্ভুল, অথচ কয়টাই বা জানি? কি হাস্যকর লাগলো নিজেকে! এরপর কোন মুসলিমদের বাইবেলের ভুল ভাল নিয়ে আলাপ করতে দেখলে আমার লজ্জা লাগতো। আরে বাবা, কুরআনই জানি না ঠিক মত! কুরআনের যথেষ্ট আলো থাকলে অন্ধকারকে তো আঙ্গুল তুলে দেখানো লাগবে না, আলোটায় অন্ধকার ঠিক দূর হয়ে যাবে। কিন্তু আলোটাই কতটুকু বের করে আনতে পারছি আমরা? তালাবদ্ধ করে রেখে এর বিশুদ্ধতা অশুদ্ধতা নিয়ে কি করে তর্ক করছি?
এসাইনমেন্ট করার জন্য একটা বই পড়লাম 'দ্যা ইডিওটস গাইড টু আন্ডারস্ট্যান্ডিং' সিরিজের বই, ইসলাম নিয়ে লেখা। লেখক ইয়াহিয়া এমেরিক। পশ্চিমা লেখক কিন্তু মুসলিম হয়েছেন। পুরো বইটা পড়তে পড়তে আমি মুগ্ধ। ইয়াহিয়া এমেরিক ইসলাম 'খুঁজে পেয়েছেন', আমাদের মত টুপ করে কোলে ঝরে পড়ে নি। তাই প্রতিটা ব্যাপারে দৃষ্ট ভঙ্গি ঝকঝকে। পরিচ্ছন্ন। টলটলে। ইসলাম যেভাবে আগে দেখতে শিখি নি, তখন সেভাবে দেখা শিখলাম। ইসলাম সম্পর্কে অনেক প্রশ্নের জবাব মিলল। ওই এক বছরে আমার আসলে সত্যিকারের আগ্রহ জন্মেছে ইসলাম নিয়ে পড়াশোনার।
তখন প্রথম ধর্মের দর্শন আর দর্শনের ধর্ম নিয়ে সিরিয়াসলি ভাবলাম। কারণ, আমাকে পথ বেছে নিতে হতো, দু'টোর কোনটা ঠিক। অতিপ্রাকৃতের অনুপস্থিতি না উপস্থিতি? থাকলে কিভাবে?
কৃতজ্ঞতা: ছবিটা সোনারগাঁও এর, ফ্লীকারস থেকে পাওয়া।
২|
১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৭ রাত ১:১৬
অতিথি বলেছেন: -দর্শন-দৃষ্টিতে ধর্ম দেখাতে গিয়ে সুকৌশলে হোক কিংবা স্বাভাবিকতায় হোক, ব্যক্তির মনের "অতিপ্রাকৃত শক্তি" বা তাঁর অনুভব প্রবেশের দুয়ারে তালা এঁটে দেয়া হয় কিংবা এঁটে যায়।
-পৃথিবীর ধর্মানুসারীদের মধ্যে ইয়াহুদী সম্প্রদায় এবং মুসলিম উপসম্প্রদায় ইসমাঈলীয়রা সবচেয়ে বেশী ইবাদাত করে থাকে। কিন্তু আফসোস যে আল্লাহর শেষ নবী কর্তৃক আল্লাহর পক্ষ হতে জানিয়ে দেয়া ইবাদাত কবূল হওয়ার শর্তগুলো তাদের মাঝে অনুপস্থিত থাকায় শেষ আসমানী গ্রন্থ কুরআনের দৃষ্টিতে তাদের কোন ইবাদাতই আল্লাহর দরবারে কবূল হচ্ছে না।
-ভাল লিখেছেন আস্ত, আরো ভাল লিখুন।
৩|
১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৭ ভোর ৪:২৭
হারাধন বলেছেন: ধার্মিক হওয়ার সাথে নিম্ন বা মধ্য বিতত হওয়ার সম্পর্ক কি। 2 নম্বর লাইন ভেরী ফানি
৪|
১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৭ ভোর ৪:৪৩
অতিথি বলেছেন: ভুমিকা পড়লাম .... .... দেখি মেইন বডিতে কি আসে!
৫|
১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৭ ভোর ৫:২৩
অতিথি বলেছেন: আমি কিন্তু আপনাদের ছবি দেখে ভবে ছিলাম আপনারা খুব ধার্মিক পরিবারের।
৬|
১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৭ সকাল ৭:০৬
অতিথি বলেছেন: ভালই অভিজ্ঞতা হল দেখি আপনার।
লিখা টা ভাল লাগল।
৭|
১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৭ দুপুর ১:২৩
অতিথি বলেছেন: মোহাম্মদ এরশাদ,
পড়া লাগবে না। ধন্যবাদ
ফজলে এলাহি,
দ্্বিতীয় প্রসঙ্গে মন্তব্য করায় আমি খুব স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি না। কারণ... আল্লাহ সুবিচারক আমি জানি। ন্যায় অন্যায় তার ঠিক করে দেয়া তাও জানি। থিওরীটুকু নিদ্্বির্ধায় বলতে পারব, কিন্তু যখন আমার চেনা জানা মানুষগুলোকে বিচার করা প্রসঙ্গ আসে, তখন আমি ন্যায়বিচারক, প্রখর দৃষ্টিসম্পন্নের হাতেই পুরাটা ছেড়ে দিয়ে নিজে মুখে কুলুপ এঁটে বসাটা প্রেফার করি!
হারাধন,
ফানি কিন্তু সত্য। ভাতের মাড়ে লবন মিশিয়ে খেয়ে পেট ঠান্ডা রাখতে হলে মানুষ মেয়েদের স্কুলে পাঠায় 'শিক্ষার বিনিময়ে খাদ্য' কর্মসূচীতে অংশ গ্রহন করার জন্য, শিক্ষার জন্য। পরের ঘন্টায় কি করে বাচতে হবে সেটা যার চিন্তা করতে হয়, তার জন্য পরজীবন অনেক দূরের ব্যাপার। তাই একটা সম্পর্ক তো আছেই
ধন্যবাদ মিমোহু, সাবি্বর।
অচেনা বাঙালী, 'আমাদের' ছবি আবার কোথায় দেখলেন?
আমার বন্ধুদের কথা যদি বলেন, তাহলে বলে নেই, এদের একজনের বাবা ঘোর নাস্তিক, ওকে বোরখা পড়া দেখলেই বলে 'বস্তা মাথায় দিয়ে কই যাস?' তাই কাউকে দেখে তার পরিবারের কথা অনুমান করা ঠিক না ![]()
৮|
১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৩২
বিজলীর খড়ি বলেছেন: আস্ত,
ধর্মের ব্যাপারে আমার কিছু ভাবনা আপনাকে জানাই। দেখুন কেমন লাগে।
আপনি যদি একজন ইসলামপন্থি হন, আই মিন যিনি ইসলাম প্রতিষ্ঠার জন্য আন্দোলন করেন তিনি, তবে আপনি নিশ্চয়ই স্বীকার করেন যে ইন্নাদ্দিনা ইন দাল্লাহিল ইসলাম--আল্লাহর কাছে একমাত্র গ্রহনযোগ্য দ্বীন হল ইসলাম। আর তাই অন্য কোন ধর্মই আপনার জন্যে নয়।
তাহলে প্রশ্ন উঠতে পারে অনৈসলামিক ধর্মগুলোর ব্যাপারে তাহলে কি হবে? এ ব্যাপারে আমাদের বুঝতে হবে ইসলাম ছাড়া অন্য সব কিছুই ধর্ম (দ্্বীন নয়), বিশ্বাস, কুসংস্কার এবং মনগড়া মাত্র, বিভিন্ন সময় বিভিন্ন বিচিত্র উপায়ে এগুলো বিকৃত ও ভ্রষ্ট করা হয়েছে।
হিন্দু, খ্রিষ্টান, ইহুদি এই তিনটি ধর্ম যে শুধুমাত্র পুরান-কথা ছাড়া কিছুই না তা দিবালোকের মত স্পষ্ট, আমি তা বহুভাবে প্রমান করতে পারি।
ইসলাম মানবজাতির জন্য প্রথম থেকেই খোদায়ী জীবন বিধান ছিল, মাঝখানেও ছিল, এখনও আছে, ভবিষ্যতেও থাকবে। এখন আদম (আ) এর সময়কার তো কোন দলিলপত্র বা নিউজপেপার পাওয়া যাচ্ছে না, তাই তা সরাসরি প্রমানও করা গেল না, তবে তর্কে কেউ বিশ্বাস করলে তা প্রমান করা যাবে।
তাহলে প্রশ্ন হয়, দুনিয়ার অন্য সব মানুষ কেন ইসলামে দিক্ষীত হয় না? হয় না তার তিনটি কারন রয়েছে : 1. মানুষ তার বাপ-দাদার ধর্ম ভিন্ন অন্য কিছু চিন্তা করতে পারে না 2. মানুষ তার নফসের দাসত্ব থেকে মুক্ত হতে পারে না 3. সত্যকে গ্রহনের হিম্মত তার থাকেনা।
কাজেই ইসলাম কোন ট্রাডিশন নয় যে মজা লাগে তাই মানলাম, ভাল লাগেনা তাই বাদ দিলাম। আপনার অস্তিত্বই সাক্ষ্য দেয় ইসলাম আপনার পথ, একে ত্যাগ মানে পথের বাইরে যাওয়া।
পৃথিবীতে যদি কেউ কোনদিন সবগুলো মুসলমানদের মেরে ফেলে, তাও আমাকে ইসলামে বিশ্বাস করতেই হবে, মানার চেষ্টা করতে হবে। কোন দল যদি কাবা শরীফ পুড়িয়ে দেয় (আল্লাহ না করুন) তাও আমরা আলহামদু লিল্লাহি রাব্বুল আলামিন বলবো। কারন আল্লাহ তো কোথাও বলেননি যে কাবা শেষ দিন পর্যন্ত অক্ষত থাকবে, তবে তিনি বলেছেন কুরআনকে তিনি শেষ দিন পর্যন্ত হেফাজত করবেন (ইন্না লাহু নাজ্জাল নাল কুরআনা লিজ্জিকরা ওয়া ইন্না লাহু লি হাফিজুন)।
আর তাই ইসলামকে বুঝার এবং সবচেয়ে বেশীভাবে বুঝার সহজ রাস্তা হচ্ছে কুরআন ও হাদিস পড়া। কুরআন ছোট হলেও হাদিস এক বিশাল সিলেবাস (কিন্তু সহজ ও ইন্টারেষ্টিং)। ইসলাম সম্পর্কে দশজনে দশ কথা বলবেই, তাকে এত সিরিয়াসলি নিলে চলে না।
আমি শুধু আপনার পড়াশোনার এপ্রোচ সম্পর্কে কিছু বললাম। রাবি্ব জিদনি ইলমা।
৯|
১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৫২
বিজলীর খড়ি বলেছেন: আস্ত,
আমার কিছু ভাবনা আপনাকে বলছি। দেখুন কেমন লাগে।
আপনি যদি একজন ইসলামপন্থি হন, আই মিন যিনি ইসলাম প্রতিষ্ঠার জন্য আন্দোলন করেন তিনি, তাহলে আপনি মানবেন দ্বীন
চিরন্তনভাবে একটিই, আর তা হল ইসলাম। তাই অন্য কোন ধর্মই আপনার জন্যে নয়।
তাহলে প্রশ্ন উঠতে পারে অনৈসলামিক ধর্মগুলোর ব্যাপারে তাহলে কি হবে? এ ব্যাপারে আমাদের বুঝতে হবে ইসলাম ছাড়া অন্য সব কিছুই ধর্ম, বিশ্বাস, কুসংস্কার এবং মনগড়া মাত্র, বিভিন্ন সময় বিভিন্ন বিচিত্র উপায়ে এগুলো বিকৃত ও ভ্রষ্ট করা হয়েছে।
হিন্দু, খ্রিষ্টান, ইহুদি এই তিনটি ধর্ম যে শুধুমাত্র পুরান-কথা ছাড়া কিছুই না তা দিবালোকের মত স্পষ্ট, আমি তা বহুভাবে প্রমান করতে পারি।
ইসলাম মানবজাতির জন্য প্রথম থেকেই খোদায়ী জীবন বিধান ছিল, মাঝখানেও ছিল, এখনও আছে, ভবিষ্যতেও থাকবে। এখন আদম (আ) এর সময়কার তো কোন দলিলপত্র বা নিউজপেপার পাওয়া যাচ্ছে না, তাই তা সরাসরি প্রমানও করা গেল না, তবে তর্কে কেউ বিশ্বাস করলে তা প্রমান করা যাবে।
তাহলে প্রশ্ন হয়, দুনিয়ার অন্য সব মানুষ কেন ইসলামে দিীত হয় না? হয় না তার তিনটি কারন রয়েছে : 1. মানুষ তার বাপ-দাদার ধর্ম ভিন্ন অন্য কিছু চিন্তা করতে পারে না 2. মানুষ তার নফসের দাসত্ব থেকে মুক্ত হতে পারে না 3. সত্যকে গ্রহনের হিম্মত তার থাকেনা।
কাজেই ইসলাম কোন ট্রাডিশন নয় যে মজা লাগে তাই মানলাম, ভাল লাগেনা তাই বাদ দিলাম। আপনার অস্তিত্বই সা্য দেয় ইসলাম আপনার পথ, একে ত্যাগ মানে পথের বাইরে যাওয়া।
পৃথিবীতে যদি কেই কোনদিন সবগুলো মুসলমানদের মেরে ফেলে, তাও আমাকে ইসলামে বিশ্বাস করতেই হবে, মানার চেষ্টা করতে হবে। কোন দল যদি কাবা শরীফ পুড়িয়ে দেয় (আল্লাহ না করুন) তাও আমরা আলহামদু লিল্লাহি রাব্বুল আলামিন বলবো। কারন আল্লাহ তো কোথাও বলেননি যে কাবা শেষ দিন পর্যন্ত অত থাকবে, তবে তিনি বলেছেন কুরআনকে তিনি শেষ দিন পর্যন্ত হেফাজত করবেন (ইন্না লাহু নাজ্জাল নাল কুরআনা লিজ্জিকরা ওয়া ইন্না লাহু লি হাফিজুন)।
আর তাই ইসলামকে বুঝার এবং সবচেয়ে বেশীভাবে বুঝার সহজ রাস্তা হচ্ছে কুরআন ও হাদিস পড়া। কুরআন ছোট হলেও হাদিস এক বিশাল সিলেবাস (কিন্তু সহজ ও ইন্টারেষ্টিং)। ইসলাম সম্পর্কে দশজনে দশ কথা বলবেই, তাকে এত সিরিয়াসলি নিলে চলে না।
আমি শুধু আপনার পড়াশোনার এপ্রোচ সম্পর্কে কিছু বললাম। রাবি্ব জিদনি ইলমা।
১০|
১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৫৭
বিজলীর খড়ি বলেছেন: আমি এমএস ওয়ার্ডে 'ক্ষ' লিখলে পরে ব্লগে পেষ্ট করলে তা আসে না, কেন বুঝতেছি না। কয়েকটা শব্দে 'ক্ষ' মুছে গেছে।
১১|
১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৭ রাত ২:২৭
অতিথি বলেছেন: বিজলীর খড়ি,
আপনাকে অনুরোধ করবো এ জাতীয় বড় মন্তব্যগুলোকে পোষ্ট আকারে দেবেন, যাতে সকলের নযরে পড়ে।
১২|
১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৭ রাত ২:৪৭
অতিথি বলেছেন: বিজলীর খড়ির কথায় প্রমান হইলো ইসলামিক রাষ্ট্রে মুসলমান ছাড়া বাকি মনুষ্য প্রজাতির কি অবস্থা দাড়াইবো! বিজলীর খড়ির ঐতিহাসিক তিনটি প্রশ্ন তার জন্যও যে প্রযোজ্য হেইটা বুঝার মত মানুষ্য বুদ্ধি কি তার আছে?
১৩|
১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৭ রাত ৩:০১
হারাধন বলেছেন: আস্তমাইয়াটা মাঝে মাঝে সবসময় না বড় ভালো মনতব্য করে। আস্ত রাইট বিত্তের সাথে ধর্মর বড় সমপর্ক । বড় ভালো কইছে আস্ত। তুমি এক্কেরে খারাপ না ।এই বিজলীর মত জিনিষের থেকৈ দুরে থাইকো
১৪|
১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৭ রাত ৩:৪৯
অতিথি বলেছেন: বিজলীর খড়ি,
আপনি যে বললেন, হিন্দু ধর্ম, ইহুদি ধর্ম, খ্রীষ্টান ধর্ম কতগুলো পুরানের সমষ্টি ছাড়া আর কিছু না, এই কথার সাথে আমি দ্্বিমত পোষণ করি। প্রথমত, ইহুদী আর খ্রীষ্টান ধর্ম পালনকারীদের আল্লাহ কিন্তু সম্মানিত করেছেন, 'আহলে কিতাব' বা আল্লাহ প্রদত্ত কিতাবের অনুসারী বলে। আর আল্লাহর প্রমিস, এমন কোন জাতি নেই যেখানে তিনি নবী রাসুল পাঠান নি। তাই অনেকে বলেন, হিন্দু ধর্মের মত অত প্রাচীন ধর্মগুলোর শুরু হয়েছে কোন নবীর মাধ্যমেই, যদিও পরে পেইগান অনেক কিছু ঢুকে গিয়েছে। যেটা ইসলাম পূর্ব আরবেও ছিল। ওরা কিন্তু ইসমাইল (আ) এর বংশধম ছিল, অথচ মূর্তিপূজারী ছিল ঠিক।
'দুনিয়ার অন্য সব মানুষ কেন ইসলামে দিক্ষীত হয় না' এর উত্তর আমার কাছে হলো: কারণ প্রথমত আমরা পৌঁছাতে পারি না। আর দ্্বিতীয় কারণ হলো, এই পৃথিবীতেই তেমন হওয়ার কথা না। আমরা সেটা আশাও করতে পারি না। এই কাজটা মুহাম্মদ (সা) ও পারেন নি। ![]()
১৫|
১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৭ সকাল ১০:৩৫
বিজলীর খড়ি বলেছেন: র্হ্যা অনেক বিজ্ঞজন বলেন গেীতম বুদ্ধ, শ্রীকৃঞ্চ এরাও ইসলামের নবী ছিলেন , পরে এদের বানী বিকৃত করা হয়েছে। বেদের আনেক জায়গায় মুহাম্মদের (সা) ভবিষ্যতবানি করা হয়েছে।
আহলে কিতাবদের সম্মন্ধে আমি বলছি এখন তাদের কাছে ঐশি কিছুই নেই, যা আছে সবি মনগড়া ।
আর ইসলাম ঐশি হওয়ার আরেকটা প্রমান এতে ইসলামিক রাষ্ট্র ক্ষমতার কথা বলা হয়েছে, যা অন্য কোন ধর্মেই নির্দেশ দেয়া হয় নি।
১৬|
১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৭ সকাল ১০:৩৯
বিজলীর খড়ি বলেছেন: 2য় নাম, আপনার মন্তব্য পড়িয়াছি, কাজেই আপনি আর মন্তব্য কইরেন না।
©somewhere in net ltd.
১|
১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৭ রাত ১২:৫০
মোহাম্মদ এরশাদ বলেছেন: আস্ত, আপনার চেহারা মোবারক না দেখলে তো দুই প্যারার বেশী পড়তে ইচ্ছা করতেছে না।