নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

May Allah Bless Bangladesh till the dooms day.

আমি চাই শক্তিশালী স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ

বাংলাদেশ জিন্দাবাদ

I want very active debate

বাংলাদেশ জিন্দাবাদ › বিস্তারিত পোস্টঃ

ক্যানেইডিয়ান বুদ্ধির ঢেকি(বলদ)- ১৯৪৭ সালের বিভাজন তথা ভারত-বাংলাদেশের সীমান্তের দরকার নেই!

১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ সকাল ৭:২১







কেন যূক্ত বাংলা স্বাধীন না হয়ে ১৯৪৭ সালে পূর্ব পাকিস্তান হল?



ভারত বিভাগের অব্যবহিত পূর্বে ১৯৪৬ সালের নির্বাচনে মুসলিম লীগের পক্ষে সোহরাওয়ার্দী জয়লাভ না করলে জিন্নাহ পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা হতে পারতেন না। কিন্তু জিন্নাহ যখন পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা হন, ঠিক ওই একই সময়ে সোহরাওয়ার্দীও এক স্বাধীন যুক্ত বাংলার প্রতিষ্ঠাতা হওয়ার প্রায় শেষ পর্যায়ে পৌঁছেছিলেন। জিন্নাহ যুক্ত বাংলা পরিকল্পনা বাংলার মুসলমানদের জন্য মঙ্গলকর হবে মনে করে এর সমর্থন করেন। ১৯৪৭ সালের ২৬ এপ্রিল জিন্নাহর সাথে এক আলাপ-আলোচনায় লর্ড মাউন্টবেটেন তাকে জানান, সোহরাওয়ার্দী ‘মনে করেন যে তার পক্ষে যুক্ত বাংলাকে ধরে রাখতে সম্ভব হবে, যদি এটি পাকিস্তান অথবা হিন্দুস্তান কোনোটাতেই যোগদান না করে।’ ‘টপ সিক্রেট’ এই আলাপ-আলোচনা এভাবে লিপিবদ্ধ হয়ঃ ‘আমি মি. জিন্নাহকে সোজাসুজি জিজ্ঞেস করলাম পাকিস্তানের বহিভূêত থেকে যুক্ত বাংলার অবস্থান সম্পর্কে তার কী অভিমত?’ কোনো দ্বিধা না করে তিনি বললেনঃ ‘আমি আনন্দিত হব। কলকাতা ব্যতীত বাংলার কী মর্যাদা রয়েছে? তাদের (বাঙালিদের) পক্ষে যুক্ত থাকা এবং স্বাধীন থাকাই ভালো হবে। আমি এ ব্যাপারে নিঃসন্দেহ যে এরা আমাদের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রাখবে।’ আমি তখন বললাম, সোহরাওয়ার্দী বলেছেন¬ যদি বাংলা যুক্ত এবং স্বাধীন থাকে তাহলে বাংলা কমনওয়েলথের অন্তর্ভুক্ত থাকার ইচ্ছা প্রকাশ করবে। জিন্নাহ উত্তরে বলেনঃ ‘সেটাই তো ঠিক, যেমন আমি আপনার কাছে প্রকাশ করেছি, পাকিস্তান কমনওয়েলথের অন্তর্ভুক্ত থাকার ইচ্ছা প্রকাশ করবে।’ (মাউন্টবেটেন পেপারস, লর্ড মাউন্টবেটেন ও জিন্নাহর মধ্যে ১৯৪৭ সালের ২৬ এপ্রিলে অনুষ্ঠিত ইন্টারভিউয়ের রেকর্ড, Nicholas Mansergh, The Transfer of Power, 1942-47, vol. X, পৃঃ ৪৫২-৪৫৩ দ্রঃ)



১৯৪৭ সালের ২৮ এপ্রিলে লর্ড মাউন্টবেটেন নিশ্চিত হন, জিন্নাহ যুক্ত বাংলা পরিকল্পনার বিরুদ্ধে দাঁড়াবেন না। ওই তারিখে বাংলার গভর্নর বারোসের কাছে এক টেলিগ্রামে তিনি বলেনঃ ‘এটা ভুলবেন না যে আমার প্ল্যানে পাকিস্তান অথবা হিন্দুস্তানের অংশ নয় এমন একটি যুক্ত অথচ স্বাধীন বাংলার পথ খোলা রেখেছে। জিন্নাহ এই প্ল্যানের কোনো বিরোধিতা করবে না।’ (‘টপ সিক্রেট’, Mansergh, vol. X,পৃঃ ৪৭২ দ্রঃ) মে মাসে অনুষ্ঠিত ভাইসরয়’স মিটিংয়ে ‘ভাইসরয় বলেন ... মি. জিন্নাহ পাকিস্তান থেকে পৃথক একটি স্বাধীন বাংলার পরিকল্পনা অনুমোদন করেন।’ (মাউন্টবেটেন পেপারস, ১৯৪৭ সালের ১ মে, Mansergh, vol. X,পৃঃ ৫১২ দ্রঃ) এমনকি ১৯৪৭ সালের মে মাসের প্রথম দিকে একটি স্বাধীন বাংলা প্রতিষ্ঠার জন্য জিন্নাহর সম্মতি সম্পর্কে সোহরাওয়ার্দী নিঃসংশয় ছিলেন। ১৯৪৭ সালের ৭ মে ‘টপ সিক্রেট’ মাউন্টবেটেন পেপারসে উল্লেখ রয়েছেঃ ‘মি. সোহরাওয়ার্দী তাকে (গভর্নর বারোসকে) বলেন, মি. জিন্নাহ বলেছেন যে তিনি একটি স্বাধীন বাংলার প্রতিষ্ঠা সম্পর্কে রাজি হবেন।’ Mansergh, vol. X,পৃঃ ৬৫৭ দ্রঃ)

এসব বিষয় পর্যালোচনা করে গ্রন্থকার স্ট্যানলি ওয়ালপার্ট মন্তব্য করেন, ‘জিন্নাহ একটি স্বাধীন বাংলা প্রতিষ্ঠাকল্পে আগ্রহসহকারে স্বাগত জানানোর জন্য তৈরি ছিলেন। কিন্তু নেহরু ও প্যাটেল এই পরিকল্পনাকে কংগ্রেস এবং ভারতীয় স্বার্থের পরিপন্থী বলে অভিসম্পাত বলে মনে করেন এবং ভয় করেন যে মুসলিম প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি যুক্ত ‘বাংলাদেশ’ ভারতের চেয়ে পাকিস্তানের সাথে নিবিড়তর সম্পর্ক স্থাপন করবে।’ (জিন্নাহ অব পাকিস্তান, পৃঃ ৩২০) শীলা সেন তার গ্রন্থে প্রায় একই ধরনের মত প্রকাশ করেনঃ ‘জিন্নাহ এই [যুক্ত বাংলার] পরিকল্পনার বিরুদ্ধাচরণ করেননি। কিন্তু কেন্দ্রীয় কংগ্রেস নেতৃবৃন্দ প্রথম থেকেই এর সম্পূর্ণ বিরুদ্ধে ছিলেন।’ ‘প্যাটেল ও নেহরুর বিরোধিতা ছিল জেদে পূর্ণ।’ (মুসলিম পলিটিকস ইন বেঙ্গল, পৃঃ ২৪৩) ‘বাংলার কংগ্রেস নেতাদের কাছে লিখিত বেশ কিছু পত্রে প্যাটেল এই পরিকল্পনাকে নিন্দা করেন। (পৃঃ ১৩০)



জিন্নাহ জানতেন যে বাঙালি হিন্দুরা মন-প্রাণ দিয়ে যুক্ত বাংলার সমর্থন করে না। ১৯৪৭ সালের ১৭ মে জিন্নাহ বলেন, ‘দাবি-দাওয়া নিয়ে সোচ্চার বেশির ভাগ হিন্দু বাংলার বিভক্তি চায়।’ Mansergh, vol. X, পৃঃ ৮৫২ দ্রঃ) ১৯৪৭ সালে জিন্নাহ বাংলায় রেফারেনডাম করার প্রস্তাব করলে ব্রিটিশ কেবিনেট ২০ মে সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে। Mansergh, vol. X, পৃঃ ৯২১-৯২২ দ্রঃ) ১৯৪৭ সালের ২৮ মে লর্ড মাউন্টবেটন লন্ডনে অনুষ্ঠিত ব্রিটিশ কেবিনেট মিটিংকে অবহিত করেন, জিন্নাহ তাকে পরিষ্কারভাবে বলেছেন, তার পক্ষে বাংলার বিভক্তি মেনে নেয়া সম্ভব হবে না। Mansergh, vol. X, পৃঃ ১০১৪)

পক্ষান্তরে হিন্দু মহাসভা যুক্ত বাংলা সম্পর্কে প্রথম থেকেই একটি নেতিবাচক ভূমিকা গ্রহণ করে। নিখিল ভারত হিন্দু মহাসভার প্রেসিডেন্ট শ্যামা প্রসাদ মুখার্জি যুক্ত বাংলা পরিকল্পনার সম্পূর্ণ বিরুদ্ধে ছিলেন এবং ভাইসরয় লর্ড মাউন্টবেটনের কাছে তিনি একটি তীব্র প্রতিবাদ পাঠান। ২ মে তারিখে লিখিত একটি চিঠিতে তিনি লেখেন, ‘একটি স্বাধীন অবিভক্ত বাংলা সম্বন্ধে কিছু এলোমেলো কথাবার্তা শোনা যাচ্ছে। এর ভাবার্থ আমাদের কাছে একেবারেই বোধগম্য নয় এবং আমরা এর সমর্থন কোনোভাবেই করি না। আমরা হিন্দুদের কাছে এই পরিকল্পনা কোনো উপকারে আসবে না।

স্বাধীন অবিভক্ত বাংলা প্রকৃতপক্ষে একটি পাকিস্তানের রূপ নেবে... আমরা কোনোভাবেই ভারতের অংশ থেকে বিচ্ছিন্ন হতে চাই না।’ (মাউন্টবেটেন পেপারস Mansergh, vol. X,পৃঃ ৫৫৭ দ্রঃ) সোহরাওয়ার্দী জানতেন, কেন্দ্রীয় কংগ্রেস ছাড়াও হিন্দু মহাসভা যুক্ত বাংলা পরিকল্পনার পরম বিপক্ষে ছিল। ১৯৪৭ সালের ১৫ মে ভাইসরয়ের প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি ঝমড় ঊ. গমপংমললপ-এর কাছে এক পত্রে সোহরাওয়ার্দী লেখেন, ‘পার্টিশানের ব্যাপারে হিন্দু মহাসভা হিন্দুদের ধ্যান-ধারণাকে আচ্ছন্ন করে রেখেছে।’ (Mansergh, vol. X, পৃঃ ৮৩০ দ্রঃ)

বাঙালি হিন্দুরা তাদের দৃষ্টিতে মনে করে, ১৯৩৭ সালে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বাংলার প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বে একজন মুসলমান অভিষিক্ত হওয়ার পর বাংলায় রাজনৈতিক প্রাধান্য এরা চিরদিনের জন্য হারিয়েছে। বাংলার কংগ্রেস তাদের তরফ থেকে যুক্ত বাংলা সম্পর্কে আলাপ-আলোচনা চালানোর জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে কাউকে ভার দেয়নি অথবা কোনো সংস্থা স্থাপনা করেনি। যুক্ত বাংলা পরিকল্পনা কার্যকর না হওয়ার কারণগুলোর বিশ্লেষণ করে শীলা সেন তার গ্রন্থে বলেন, ‘সম্পূর্ণ স্বাধীন বাংলা পরিকল্পনা ব্যর্থ হওয়ার’ প্রথম কারণটি হচ্ছে ‘কংগ্রেস নেতাদের পুরোপুরি বিরোধিতা’। (পৃঃ ২৪৩)

যুক্ত বাংলা পরিকল্পনাকে পুরোপুরি অকেজো করে দেয়ার জন্য বাঙালি হিন্দুরা বাংলার বিভক্তি দাবি করে। বাংলার বিভক্তি সম্পর্কে বঙ্গীয় ব্যবস্থাপক পরিষদের মিটিংয়ের আগে বাংলার কংগ্রেস এবং বাংলার হিন্দু মহাসভা বাংলার বিভক্তি দাবি করে। ১৯৪৭ সালের এপ্রিলের প্রথমভাগে প্রাদেশিক হিন্দু কনফারেন্স ঘোষণা করেঃ ‘বাংলার হিন্দুদেরকে একটি শক্তিশালী জাতীয় সরকারের অধীনে একটি পৃথক প্রদেশ গঠন করতে হবে।’ (অমৃতবাজার পত্রিকা), ৫ এপ্রিল, ১৯৪৭) ১৩ মে সর্দার প্যাটেল বাঙালি হিন্দুদের একজন নেতা কে সি নিয়োগিকে চিঠিতে লেখেনঃ ‘সম্পূর্ণ স্বাধীন বাংলার দাবি একটি ফাঁদ, যাতে এমন কি কিরণ শংকরও শরৎ বাবুর সাথে পড়ে যেতে পারেন... বাংলার হিন্দুদের বাঁচানোর একমাত্র পথ বাংলার পার্টিশনের দাবি অব্যাহত রাখা এবং অন্য কিছুতে কর্ণপাত না করা... অমুসলমানদের বাঁচাতে হলে বাংলাকে ভাগ করতেই হবে।’ (শীলা সেন, পৃঃ ২৪৪) নেহরু মনে করেন, যুক্ত বাংলা বাস্তবায়িত হলে তার দ্বারা বাঙালি মুসলমানরা বেশি উপকৃত হবে। তার নেতৃত্বাধীনে ভারতীয় কংগ্রেস এই পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান করলে যুক্ত বাংলার জন্য সোহরাওয়ার্দীর স্বপ্নের যবনিকাপাত ঘটে। বাংলার সংখ্যাগুরু সম্প্রদায় বাঙালি মুসলমানরা কখনো বাংলার বিভক্তিকরণ চায়নি। পক্ষান্তরে বাংলাকে ভাগ করার দাবি সম্পর্কে বাঙালি হিন্দুদের মনোভাব অমৃতবাজার পত্রিকা (৫ এপ্রিল, ১৯৪৭ এভাবে প্রকাশ করেঃ ‘এটা শুধু পার্টিশনের প্রশ্ন নয়, এটা হিন্দুদের জীবন মরণের প্রশ্ন।’

ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রায় শেষ পর্যন্ত বাংলাকে ভাগ করার প্রশ্নে ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষ কোনো স্থির সিদ্ধান্ত নেয়নি। অবশেষে বাংলার বিভক্তি সম্পর্কে ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষ ১৯৪৭ সালের ১৭ মে সিদ্ধান্ত নেয়, বঙ্গীয় ব্যবস্থাপক পরিষদকে দু’টি অংশে মিলিত হওয়ার জন্য নির্দেশ দেয়া হবে। মুসলিম সংখ্যাগুরু অধ্যুষিত জেলাগুলোকে প্রতিনিধিত্ব করবে একটি অংশ এবং অপরটি করবে বাংলার অবশিষ্ট জেলাগুলো। বাংলাকে ভাগ করা হবে, কি হবে না এই মর্মে পরিষদের দু’অংশের সদস্যদের পৃথকভাবে বসে ভোট দেয়ার ক্ষমতা দেয়া হয়। যেকোনো অংশের অধিকাংশ সদস্য যদি বাংলা বিভক্তির পক্ষে সিদ্ধান্ত নেয়, সে ক্ষেত্রে বাংলা ভাগ হবে। (সংশোধিত খসড়া ঘোষণা, ১৭ মে, ১৯৪৭ সাল, Mansergh, vol. X,পৃঃ ৮৮৪ দ্রঃ) বাংলার পার্টিশনের প্রশ্নে সিদ্ধান্ত নেয়ার জন্য পরিষদের সদস্যরা দু’টি ভাগে মিলিত হন। উচ্চবর্ণের হিন্দু সদস্যরা পার্টিশনের পক্ষে ভোট দেন, পক্ষান্তরে মুসলিম সদস্যরা ও তফসিলি সম্প্রদায়ের অনেকে পার্টিশন বিপক্ষে ভোট দেন।

১৯৪৭ সালের ২০ জুন লর্ড মাউন্টবেটনের কাছে গভর্নর বারোস এক টেলিগ্রাম প্রেরণ করে বাংলার বিভক্তি সম্পর্কে বঙ্গীয় ব্যবস্থাপক পরিষদে অনুষ্ঠিত ভোটের ফলাফল জানিয়ে বলেনঃ ‘অদ্য অপরাহ্নে পশ্চিম বঙ্গ ব্যবস্থাপক পরিষদের সদস্যদের পৃথক মিটিংয়ে [পার্টিশনের] পক্ষে ৫৮ ভোট এবং বিপক্ষে ২১ ভোটে সাব্যস্ত হয় যে [বঙ্গ] প্রদেশকে বিভক্ত করতে হবে... অদ্য অপরাহ্নে পূর্ব বঙ্গ ব্যবস্থাপক পরিষদের সদস্যদের পৃথক মিটিংয়ে [পার্টিশনের] বিপক্ষে ১০৬ ভোট এবং পক্ষে ৩৫ ভোটে সাব্যস্ত হয় যে [বঙ্গ] প্রদেশকে বিভক্ত না করা হয়।’ Mansergh, vol. XI,পৃঃ ৫৩৬ দ্রঃ) এভাবে বাঙালি হিন্দুদের ভোটে বাংলা দু’টি অংশে বিভক্ত হয়। একটি অংশ অর্থাৎ পশ্চিম বঙ্গ ভারতের সাথে যুক্ত হয় এবং অপর অংশটি অর্থাৎ পূর্ব বঙ্গ পাকিস্তানে যোগদান করে। ফলে যুক্ত বাংলার বাস্তবায়ন ইতিহাসে পর্যবসিত হয় এবং এ ব্যাপারে সোহরাওয়ার্দীর আপ্রাণ উদ্যম ও আকাঙ্ক্ষা স্বপ্নেই থেকে যায়। সময়ের স্রোতে পূর্ব বঙ্গ তথা পূর্ব পাকিস্তান ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীন বাংলাদেশে পরিণত হয়।

ব্যারিস্টার সালাহউদদীন আহমদ



[email protected]



লেখকঃ যুক্তরাষ্ট্রের নর্থ ক্যারেলাইনা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের সাবেক অতিথি অধ্যাপক।



দৈনিক নয়াদিগন্ত ৮ই অক্টোবর ২০০৭ইং

*************************************



বস্তুত পশ্চিম পাকিস্তানী শাসক গোষ্ঠীর রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক সহ কিছু সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে বৈষম্য, নির্যাতন-জুলুম ও অবহেলার জন্যই ১৯৭১ সালে আমরা স্বাধীনতা যুদ্ধে বাধ্য হই। কিন্তু তাই বলে ১৯৪৭ সালে যে পরিবেশ ও আবহ ছিল তা মিথ্যা হয়ে যায় না। ৭১ সালে পাকিস্তানীদের তাড়িয়ে অখন্ড ভারত মাতায় প্রবেশ করিনি এবং ৯০% জনগণ তাদের ইসলাম ধর্ম ত্যাগ করেনি। ইসলাম জামাত ও পাকিস্তানের বাপের জমিদারী নয়। আমাদের সংবিধানে পূর্ব পাকিস্তানের সীমানাকেই বাংলাদেশের সীমান্ত হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। যা ১৯৪৭ সালের ভারত বিভাজনের ফসল। এর ভিত্তিই হচ্ছে দ্বি-জাতিতত্ত্ব। ভারত ৭১ সম্পূর্ণ নিজ বদ মতলবে আমাদের স্বাধীন করেছিল যা তাজউদ্দিন কতৃক স্বাক্ষরিত ৭ দফা চুক্তি ও ২০০৭ সালে রাহুল গান্ধীর মন্তব্য হতেই প্রমাণিত হয়। আজকে যদি ১৯৪৭ সালে আমরা আলাদা না হতাম সমগ্র উপমহাদেশের মুসলমানরা শরণার্থীর মত অবহেলিত, নিগৃহিত ও করুণ জীবন যাপন করত। এর প্রমাণ ২০০৬ সালে ভারতীয় শেখর কমিশনের রিপোর্ট;



http://en.wikipedia.org/wiki/Sachar_Committee



ভারতের প্রাক্তন বিচারপতি রাজবিন্দর শেখর ২০০৬ সালে মনমোহন সিং এর কাছে রিপোর্ট দেন যে অতীতে ভারতের বিভিন্ন সরকারের চরম অবহেলার জন্যই সে দেশের মুসলমানদের করুণ অবস্থা। তাও যে টুকু মুসলমানদের অবস্থা ভাল আছে তারা সব সময় পাকিস্তান ও বাংলাদেশের উদাহরণ টানে। বস্তুত এই চাপেই ভারত নামকা ওয়াস্তে হলেও উদ্যোগ মুসলমানদের জন্য নিয়েছে। যা যথেষ্ঠতো নয়ই চরম বৈষম্য মূলক আচরণ। উদাহরণ ভারতের পশ্চিমবঙ্গে ২৩% মুসলমান হলেও সরকারী ও বেসরকারী চাকুরীতে মাত্র ২-৩%। ভারতের মুসলমান পাকিস্তান ও বাংলাদেশ থেকে বেশী হলেও ডাক্তার, প্রকৌশলী সহ স্কলার তথা ভাল শিক্ষিত মুসলমানদের সংখ্যা আনুপাতিক হারে অনেক অনেক কম। উপরন্তু মুসলমানদের ধর্মীয় জীবন যাপনে প্রায়ই খড়গ নেমে আসে। বাবরী মসজিদ সহ বহু মসজিদ ভাঙা, ১৯৯২ সালে বোম্বে ও ২০০২ সালে গুজরাটে মুসলিমদের উপর গণহত্যা চালানো। আমরা ৭১ সালে স্বাধীন হলেও আলীগ-বাকশালীদের ব্যাপক র্দূনীতি ও ভারতের তাবেদারীর জন্য দেশ ছিল তলাবিহীন ঝুড়ির দেশ। ভারতকে বেরুবাড়ী দিয়ে ৩বিঘা পেয়েছি ৩০ বছর পর, ফারাক্কা চালু এবং নৌ-করিডোর দিলেও বিনিময়ে কিছুই পাই নি। আর শহীদ জিয়ার জন্যই ১৯৭৭ সালে জাতিসংঘে ফারাক্কার বিরুদ্ধে নালিশ করে পানি আনা, চীন ও মধ্যপ্রাচ্যের দেশ গুলির সাথে সম্পর্ক স্থাপন করে আজকে পেট্রডলারের দেশ গুলিতে ৪০ লক্ষ বাংলাদেশীর কর্মসংস্থান হয়। ১৯৭৪ সালে দেশ দূর্ভিক্ষে পরলেও জিয়ার ও এরশাদের সময় নাকি আরো খারাপ। রাজনৈতিক প্রতারণারও একটা সীমা আছে, যা তাদের নেই। ২৪ হাজার কিমির নদী পথ এখন মাত্র ৬ হাজার কিমি। তার উপর হাসিনার ১৯৯৬-২০০১ এবং ২০০৯ হতে(যদিও ষড়যন্ত্র সেই ২০০১ হতেই) এ পর্যন্ত ভারতকে সব একতরফা সুবিধা দিয়ে আসা ছাড়া আর কোন প্রাপ্তিই বাংলাদেশের নাই। উপরন্ত তিতাস নদীর স্বাভাবিক পথ কয়েক মাসের জন্য রুদ্ধ করে ভারতকে করিডোর দিয়েছি। ৭১এ পাকিপন্থী জামাতীদের কিছু এবং অন্যদের দেশবিরোধী আচরণের মানে এই নয় যে ১৯৪৭ সাল ভুল এবং আমাদের এই ৫৬ হাজার বর্গমাইলের প্রাপ্তি ভুল। ভারত হতে শক্ত দেন দরবার করাকে যারা বলে জামাতী ও পাকিপন্থী তারা আসলে ভারতের জারজ সন্তান। তা তারা যতই এই ৫৬ হাজার বর্গমাইলে জন্ম নিক না কেন! নিজেরা ভারত হতে সময়মত ন্যায্য প্রাপ্তি আনতেতো পারবেই না অন্যকে আনতেও দিবে না। শুধু শুধু তাদের বলদের মত একতরফা ও মিথ্যা অপবাদ দিবে। ক্যানেইডিয়ান বুদ্ধির ঢেকী যে টরোন্টোতে হরে কৃষ্ণা দল তথা শ্রীকৃষ্ণের দলে ও আড্ডাখানায় প্রায়ই যাওয়ার অভিযোগ আছে তার পক্ষে ১৯৪৭ সালের বিভাজনকে নিয়ে গত্রদাহ, প্রচন্ড দুঃখ থাকতেই পারে। আমার কাছে হল



১৯৪৭ এবং ১৯৭১ = বাংলাদেশ



এর একটি না হলে বাংলাদেশ কখনই হত না। বিশেষ করে ৪৭ সালে ভারত বিভক্ত না হলে কোনদিনও ১৯৭১ আসত না। উপরন্তু আমরা ৭ই নভেম্বর শহীদ জিয়ার নেতৃত্বে সার্বভৌমত্ব অর্জন করি। এই সার্বভৌমত্ব ও ভারতের সাথে শক্ত দেনদরবার ক্যানেইডিয়ান বুদ্ধির ঢেকী ও বলদ মানতে নারাজ। শেখর কমিশনের রিপোর্টকে বলে "শেখর কেঠা?"। পাকিস্তান বাদ দিলেও শ্রীলংকাও যে তামিল ভুত তথা বিচ্ছিন্নতাবাদকে দমন করেছে এতেও তার খুব গত্রদাহ। অর্থ দাড়াল ভারত মাতার বিরুদ্ধে কেউ কিছু বললেই সে শত্রু! কিন্তু ক্যানেইডিয়ান বুদ্ধির ঢেকীর মনে রাখা উচিত অন্ধ হলেই প্রলয় বন্ধ হয় না।

মন্তব্য ৫৮ টি রেটিং +৮/-০

মন্তব্য (৫৮) মন্তব্য লিখুন

১| ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ সকাল ৭:৩৮

মেহ্‌দী হাসান বলেছেন: Nice article. Are you in canada?

১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ সকাল ৭:৪১

বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন: না ভাই বৃটেনে আছি। ধন্যবাদ।

২| ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ সকাল ৭:৪৪

একলা বগ বলেছেন: ১৯৪৭ এবং ১৯৭১ = বাংলাদেশ

খাটি কথা

১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ সকাল ৭:৫০

বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ভাই। কেউ কেউ ঘোড়ার আগে গাড়ি জুড়ে দিতে চায়। বলদতো আর গাছে ধরে না কানাডার টরোন্টোতে হয়ত............ :)

৩| ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ সকাল ৭:৫৮

বীরেনদ্র বলেছেন: বাঙ্গলা ভাগের কৃতিত্ব বা দোষ যাই বলূন তা হল হিন্দুদের। ৪৭ সালের ২০ শে জুন যে ভোট হয় তাতে হিন্দুপ্রতিনিধিরাই ভাগের পক্ষে রায় দেয়। পূর্ব পাকিস্তান বা আজকার বাংলাদেশের মুসলমানেরা তার সুফল ভোগ করছেন, তারা আজ স্বাধীন বাঙ্গলাদেশ পেয়েছে। ৪৭ এর ভাগ না হলে আজকার বাংলাদেশ হত না। মুসলিম লীগ যেমন মূসলমানদের জন্য আলাদা রাস্ট্র বা পাকিস্তান কায়েমের দাবী করতে পারে একইভাবে আপনারা যে আজ স্বাধীন রাস্ট্র তার জন্য হিন্দুদের ও ধন্যবাদ দিন ।

১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ সকাল ৮:২২

বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন: বীরেন্দ্র বাবু, এইতো একজন বাঙালী হয়ে উগ্র সাম্প্রদায়িকতার পক্ষ নিলেন। অনেক হিন্দুই ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গের বিরোধীতা করেছিল এবং রবীন্দ্র নাথ লিখেছিল "আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালবাসি"! যতনা বাংলা প্রেম তারচেয়ে মুসলিম বিদ্বেষ। ১৯৪৭ সালে যুক্ত বাংলা স্বাধীন হলে এই অঞ্চল একটি ধর্মনিরপেক্ষ ও আদর্শ গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হলেও হতে পারত। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের হিন্দুরা তা হতে দিল না। না পারল নিজে স্বাধীন হতে। দিল্লীর শিকল পরে নিল। আপনরাই একবার বাংলা ভাগের বিরুদ্ধে লাগেন আবার আপনারাই একে ভাঙার সুযোগ দিলেন। পশ্চিমবঙ্গের হিন্দুরা বাঙালী পরিচয়কে আত্নহত্যার মাধ্যমে মুছে দিয়ে তাকে হিন্দুদের কৃতিত্ব বলছেন...তবেতো হিন্দু বাঙালীরা যে আত্নঘাতি তা আপনার কথায় প্রমাণিত হয়! :)

৪| ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ সকাল ৮:১৩

এভাটার বলেছেন: খানকির পোলা বীরেন্দ্র তুই কি ইন্ডিয়ার? "আপনারা" ইউজ করছ কেন?

১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ সকাল ৮:২৩

বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন: ভাই প্লিজ গালি দিয়েন না। আমরা মাথা ঠান্ডা রেখেই ভদ্র ভাবে বলা কারো কথার জবাব দিব। ধন্যবাদ।

৫| ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ সকাল ৮:২০

মেলবোর্ন বলেছেন: বীরেনদ্র বলেছেন :একইভাবে আপনারা যে আজ স্বাধীন রাস্ট্র তার জন্য হিন্দুদের ও ধন্যবাদ দিন ...

হিন্দুদের ও ধন্যবাদ দিতে সমস্যা নাই তবে স্বাধীন রাস্ট্র হয়ে আজ কাল এতই ধন্যবাদ দিচ্ছি যে মনে হচ্ছে পা চাটা গোলাম স্বাধীন রাস্ট্রে স্বাধীন ভাবে মতামত জানানোর অবস্থা নাই আর আমাদের মাহান প্রতিবেশী রাস্ট্র ধন্যবাদ পেতে মাথায় উঠে গেছে এই স্বাধীন রাস্ট্রের সকল কিছু তারা স্বাধীন ভাবে ভোগে ব্যস্ত ১৯৭১ এ সহায়তা করেছিলো মানি কিন্তু তাতে তাদের লাভটাই বেশি ছিল কিনা তাই, সহায়তা করেছিল বলে সহায় সম্বল হীন করিবে আর আমরা ধন্যবাদ দিতে থাকিব তাহা মানিয়া নিতে পারা যায় না।

১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ সকাল ৮:২৪

বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন: মূল্যবান মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ।

৬| ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ সকাল ৯:০৮

বীরেনদ্র বলেছেন: সাম্প্রদায়িকতা তখনই হয় যখন মুসলমানদের সম্পর্কে কিছু বলা হয়। আর মুসলমানেরা যখন হিন্দু মুসলিমের প্রশ্ন আনেন তখন সেটা কি সাম্প্রদায়ীকতা হয় না ? জিন্নাহ যখন হিন্দু মুসলমানের প্রসংগ টেনে আনলেন তখন তার বক্তব্য কি সাম্প্রদায়িক নয়?

১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ সকাল ৯:১৬

বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন: দেখুন এখানে আপনিই প্রথম হিন্দুদের কৃতিত্ব দিলেন ১৯৪৭ সালে বাংলা ভাগ হওয়ার জন্য। যা শোহরওয়ার্দী, বাংলার বেশীর ভাগ মুসলিম নেতৃবৃন্দ ও কয়েকজন উদারমনা হিন্দু নেতারা চায় নি। আর জিন্নাহ অথবা নবাব সলিমুল্লাহ তারাও আলাদা দেশতো দূর মুসলিমলীগও করতে চান নি। কংগ্রেসই সেই দলে মুসলমানদের ২৫% অংশিদারিত্ব দিতে অস্বীকৃতি জানালে তখন উপমহাদেশের মুসলমানরা মুসলীম গঠনের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে। তাদের ঐ সময়ের সিদ্ধান্ত যে সঠিক ছিল তা ভারতের শেখর কমিশন রিপোর্ট প্রমাণ করে।

৭| ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ সকাল ৯:১৪

বীরেনদ্র বলেছেন: স্বধীন গনতান্ত্রিক ইত্যাদি অনেক কথায় বললেন কিন্তু তৎকালীন বাংলাদেশী মুসলমানদের প্রতিনিধিরা কেন পাকিস্তানে যোগ দিলেন? কেন তারা বাঙ্গালী না থেকে মুসলিম হয়ে পাকিস্তানী হলেন?
আপনাদের ও কি হিন্দুদের প্রতি অবিশ্বাস ছিল না বা নেই?

১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ সকাল ৯:১৯

বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন: দেখুন এখানে যেহেতু কংগ্রেস তার দলে জনসংখ্যানুপাতে মুসলমানদের প্রতিনিধিত্ব দেয়নি, তাই তার অনীহাকে অবশ্যই সন্দেহের চোখে দেখতে হয়। সে কারণেই মুসলিমলীগের জন্ম। আর ঐ সময়ের মুসলিম নেতৃবৃন্দের ভবিষ্যত দূরদৃষ্টি সঠিক ছিল তা আজকে ভারতের মুসলমানদের চরম ও করুণ দূরাবস্থা তার প্রমাণ করে।

৮| ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ সকাল ৯:২১

বীরেনদ্র বলেছেন: আপনি কি "Freedom at Midnight" বইটা পড়েছেন? ওখানে দেখুন যে সোহরওয়ারদির প্রস্তাব মূসলিম লীগ এবং কংগ্রেস দু দলই প্রত্যাখান করে।

১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ সকাল ৯:৩৩

বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন: আগে কংগ্রেস ও ভারতের হিন্দু মহাসভা যুক্ত বাংলার পরিকল্পনা প্রত্যাখান করে। নেহেরু বলেছিল "পাঞ্জাব ভাগ হৌক না হৌক বাংলা ভাগ হবেই"। আমি এই বই না পড়লেও সেই বইতে এভাবেই উল্লেখ থাকার কথা। আর Nicholas Mansergh জানাচ্ছেন যে জিন্নাহ স্বাধীন যুক্ত বাংলা মেনে নিয়েছিলেন তথা কোন বিরোধীতা করেন নি। কিন্তু নেহেরু ও হিন্দুমহাসভার জন্যই এই ৫৬ হাজার বর্গমাইলকে পাকিস্তানে যোগ দিতে হয়। যার কৃতিত্ব আপনিই পূর্বে দিয়েছেন "হিন্দুদের জন্যই বাংলাদেশ হয়েছে"।

৯| ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ সকাল ৯:৩৩

বীরেনদ্র বলেছেন: মুসলমানদের করুন অবস্থার জন্য হিন্দুরাই দায়ী এ রকম কেন ভাবেন? বৃটিশ ভারতে হিন্দুরা অগ্রসর হল কেন? তার দোষও কি হিন্দুদের। মুসলমানদের ফতোয়া , ইংরেজী শেখা হারাম, ইত্যাদিই কিন্তু তাদেরকে পিছিয়ে দেয় যেটা স্যার সৈয়দ আহমেদ উপলব্ধি করেই আলীগড় প্রতিষ্ঠা করেন।
ভারতে মুসলিমদের দুরবস্থা ? ভারতে সেনাবাহিনী প্রধান এবং রাস্ট্রপতি ও মুসলমান হয়েছেন অথচ বাংলাদেশে সেনা বাহিনীতে কজন হিন্দু আছেন? ১০% হিন্দু বাংলাদেশে অথচ ক' জন সেক্রেটারী আছেন বাংলাদেশে?

১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ সকাল ৯:৪৭

বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন: বীরেন্দ্র বাবু ১৭৫৭ এবং ১৯৪৭ সালের পরবর্তী ঘটনা এক নয়। ১৭৫৭ সালে মীর জাফর ও কিছু মুসলমানরা বাংলা-বিহার-উড়িষ্যার পতনের জন্য দায়ী হলেও পুরো ভারত বর্ষে হিন্দুরবাই বেশী বৃটিশদের উপনিবেশ হতে সহায়তা করেছে। লক্ষ্য দিল্লী হতে কিভাবে মুসলিম মুঘলদের খেদানো যায়। এর জন্যই চরম উগ্র-হিন্দু মারাঠী সংগঠন শিবাজীর উত্থান হয়। পরবর্তীতে মুসলমানরা দিল্লী হতে ক্ষমতা হারিয়ে বৃটিশের সাথে শুরু হতেই অসহোযোগ আন্দোলন করে। আর সুযেগ সন্ধানী হিন্দুরা বৃটিশ হতে শিক্ষা-দিক্ষায় সমৃদ্ধ হয়ে ধীরে ধীরে স্বাধীনতার জন্য অগ্রসর হয়। আর দেখুন করমচাঁদ গান্ধীই বৃটিশের বিরুদ্ধে অসহোযোগ আন্দোলনের ডাক দেন...এখন কি বলবেন যে গান্ধীর অসহোযোগ ভুল বা অন্যায় ছিল? সবই সময় ও সুযোগ সাপেক্ষে হিন্দুরা ইতিহাসের এই অংশে অগ্রসর হয়েছে।

আর ১৯৪৭ সালের পর পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মুসলমানগণ শিক্ষা-দীক্ষায় এত উন্নত হতে পারে সে তুলনায় ভারতীয় মুসলমান কেন পিছিয়ে? কেন চরম ও করুণ অবস্থা? জবাব একটাই কংগ্রেস সহ ভারতীয় সংখ্যাগরিষ্ঠ হিন্দুদের চরম অবহেলা ও বঞ্চনার শিকার। এ কথাটাই রাজবিন্দর শেখর তার রিপোর্টে দিয়েছে। বাংলাদেশ হিন্দুদের সিভিল, প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতি এবং সেনাবাহিনীতে উচ্চ পদ না দিলেও এখানকার হিন্দুরা মুসলমান, খ্রীষ্টান ও বৌদ্ধদের মতই লেখাপড়া ও অন্যান্য নাগরিক সুবিধা পায়। সরকারী চাকুরী ক্ষেত্রেও বহু হিন্দুর যোগ্যতা গুণে তাদেরকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। হিন্দু বলে তার নিয়োগকে রুখে দেওয়া হয়নি। পক্ষান্তরে ভারতে মুসলমান রাষ্ট্রপতি হতে পেরেছে বলেই সেখানকার মুসলমানদের অবস্থা খারাপ নয় ভাল সেটা নির্দেশ করে না। বরং ১৯৪৭ সালের পরেও পশ্চিমবঙ্গ ও ভারতের অন্যান্য জায়গায় মুসলমানগণ সরকারী চাকুরী পাওয়ারতো প্রশ্নই উঠে না বেসরকারী চাকুরীতেও হিন্দু নাম নিয়ে ঢুকতে হত।

১০| ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ সকাল ৯:৪০

বীরেনদ্র বলেছেন: কিসের জনসংখ্যা অনুপাতে প্রতিনিধিত্ব? মুসলিম দের তাই তো। মুসলিম এবং হিন্দু প্রশ্নটা কিন্তু ওখানেই উঠলো। জিন্নাহ চেয়েছিলেন নেতা হতে আর হলেন ও ধর্মকে পুজি করে। তিনি কেন ধর্মের প্রশ্ন টেনে আনলেন? জনসংখ্যা অনুপাতে বাংলাদেশ সেনা বাহীনি এবং উচু চাকুরি গুলোতে হিন্দুদের নিয়োগ করা হোক।

১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ সকাল ৯:৫১

বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন: আপনি সময়ের প্রেক্ষিত ভুলে যাচ্ছেন! তখন বৃটিশ আমল। মুসলমানদেরতো বটেই হিন্দুরাও দারুণ অনিশ্চয়তায় ছিল। তাই জিন্নাহ ও মুসলিম নেতৃবৃন্দের কংগ্রেসে অধিকার দাবী কোন অযৌক্তিকতা ছিল না।

এদেশের হিন্দু ভাইরা যদি যোগ্যতা বলে এবং বাংলাদেশের প্রতি অবিচল আস্থা ও আন্তরিকতা থাকে তবে অবশ্যই সচিব ও সেনাবাহিনীর উচ্চ পদ নিতে পারে।

১১| ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ সকাল ৯:৫২

-এভারগ্রীন- নাহিদ বলেছেন: বীরেনদ্র দাদা । আপনি ভারতীয় নাকি বাংলাদেশী?

আপনাকে নিয়ে একটু সন্দেহ হইতাছে।
যদি বাংলাদেশী হয়ে থাকেন আপনার উচিত এখন ই বাংলা কে ছেড়ে দেয়া।
কেন জানি মন এ হয় আপনার এই দেশে থাকার অধিকার নেই

১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ সকাল ১০:০৩

বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন: খেয়াল করে দেখেন উনি ৭নং কমেন্টে কি বলেছেন "কেন তারা বাঙ্গালী না থেকে মুসলিম হয়ে পাকিস্তানী হলেন?" সেই বৃটিশ আমল বা তারও আগে এদেশের হিন্দুরা নিজেদেরকেবা বাঙালী দাবী করত। শরৎচন্দ্রের লেখায় দেখি "আমাদের বাঙালীদের(হিন্দু) সাথে মুসলমানদের ফুটবল খেলা"। অর্থ দাড়াল এখানকার মুসলমানরাও যে বাঙালী তা বীরেন্দ্র বাবুরা তাদের নিজস্ব ইতিহাস-ঐতিহ্যের কারণে স্বীকার করেন না। অতীতে এদেশর বহু হিন্দু ও বৌদ্ধরা ইসলাম গ্রহণ করে বাঙালী কালচারের আদলে পৌত্তলিক হিন্দুধর্মীয় সংস্কৃতি(মঙ্গল প্রদীপ, সিদুর-শাখা, তিলক ইত্যাদি) পরিহার করলে তাদেরকে হিন্দুরা বাঙালী বলত না। তাই বীরেন্দ্র বাবু সহ অনেক হিন্দুদের ক্ষোভ যে মুসলমান তথা ইসলাম ধর্মের জন্যই ৪৭এ ভারত ভাগ হল। অথচ শুরু হতেই হিন্দু সাম্প্রদায়িকতা দায়ী তা স্বীকার করতে নারাজ। আর উনাদের এটাও বোঝানো যায় না যে ইসলাম পাকিস্তানের পৈতৃক সম্পত্তি নয়। ধন্যবাদ।

১২| ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ সকাল ৯:৫৭

বীরেনদ্র বলেছেন: @ মেলবোর্ন ভাই,
আপনার বক্তব্য অনেকটা শালিস মানি কিন্তু তালগাছ আমার মত। ভারত আমাদের মুক্তিযুদ্ধে সহায়তা করেছিল সে জন্য আমরা কৃতজ্ঞ। বক্তব্য এখানে শেষ করলেই বুঝতাম আপনি সত্যি সত্যি কৃতজ্ঞ। যখনই কিন্তু প্রশ্ন করবেন তখনই আপনার মনের ভাব পালটে যায়।

মুস্লীম লীগের সমর্থকেরা পাকিস্তান এবং বাংলাদেশ কায়েম করার কৃতিত্বের দাবী জানান। সেই পরিপ্রেক্ষিতেই বলা যে হিন্দু প্রতিনিধিরাই কিন্তু বংগভঙ্গে ভূমিকা রাখেন। প্রকৃত পক্ষে ধর্মের ভিত্তিতে দেশ ভাগ ব্যপারটাই ভূল ছিল।

ভারতের ১৯৭১ পরবর্তী অনেক বৈষম্যমূলক আচরন করছে তার জন্য আলাদা ভাবে বলুন।একটার সাথে আরেকটা সম্পর্ক টেনে আনলে কি ভাবে হবে?

১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ সকাল ১০:১০

বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন: বীরেন্দ্র বাবু, ৭১এ ভারত নিজ বদমতলবের জন্যই আমাদের সহায়তা করেছিল। যা বর্তমান সময়ে প্রমাণিত। আপন লাভ পাগলেও বুঝে! কিন্তু ভারত কি পাগল না বোকা? :)

১৩| ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ সকাল ১০:০৩

বীরেনদ্র বলেছেন: হিন্দুদের যোগ্যতা নেই , বাংলাদেশের প্রতি অবিচল আস্থা নেই , তাই তারা উচু চাকুরি পায় না। ভাল যুক্তি।

১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ সকাল ১০:১২

বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন: আমি কোথায় বলছি সব হিন্দুদের যোগ্যতা ও দেশপ্রেম নেই? তবে অনেক হিন্দুই যেমন বাদল রায় ও রজনী কান্ত বর্মণ(উভয়েই খেলোয়াড়) তাদের কোলকাতায় একাধিক এপার্টমেন্ট ও ব্যাবসা আছে। এভাবে বহু হিন্দু বাংলাদেশে কামাই করে কোলকাতায় স্থায়ী হয়। সেক্ষেত্রে তাদেরকি দেশপ্রেমিক বলা যাবে?

১৪| ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ সকাল ১০:০৯

বীরেনদ্র বলেছেন: আপনারা ধর্মের উপরে কিছু চিন্তা করতে পারেন না। ভারতের মত দু একটা উদাহরন দিন। শুধুমাত্র হিন্দু নয় মুসলমানেরাও কিন্তু ভারতে যায়। কেন যায় জানেন? পেটের তাগিদে। আমার দূর সম্পর্কের ভাইয়ের বম্বের বাসায় কাজ করে বাংলাদেশী মুসলমান মহিলা হিন্দু নাম নিয়ে।

১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ সকাল ১০:২০

বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন: শুনেন এই জীবনটা খুব সীমিত এবং পরকাল চিরস্থায়ী! আমাদের ইসলাম ধর্ম সব আমাদের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ! তবে কিছু মানুষ ইসলাম নিয়ে উগ্রতা ও সন্ত্রাসী করলেও তার তুলনায় বেশীর ভাগই ভাল। আমি মানি বহু মুসলমান ভারতে যায় তার পরেও অনেকেই এদেশে টাকা পাঠায় এবং ফিরেও আসে। কিছু হয়ত রয়ে যায়। ঠিক যেমন আপনি কানাডায় স্থায়ী। কানাডা, আমেরিকা, ইউরোপ ও অষ্ট্রেলিয়া দোষের কিছু নয় যেহেতু আমদের দেশটা এলাকার তুলনায় জনসংখ্যা বেশী। কিন্তু সেই তুলনায় দেখেছি এদেশের হিন্দুরা প্রায় গণহারে ভারতে চলে গেছে কারণ তাদের তথাকথিত মুসলিম ভীতি(বেশীর ভাগই ঠিক নয়)। ১৯৪৭ এর পরেই এবং বাংলাদেশ হওয়ার পরেও। ভারতে আজও মুসলিম নাম নিয়ে কাজ করতে নানা ধরণের সমস্যা হয়। যা বাংলাদেশে সেই তুলনায় নেই বললেই চলে।

১৫| ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ সকাল ১০:১৩

বীরেনদ্র বলেছেন: আপনি নিজে কি প্রথমে একজন বাঙ্গালী পরে মুসলমান তা বুক ফুলিয়ে বলতে পারবেন? পারবেন না। আপনি বলবেন আমি মুসলমান, তারপর বাঙ্গালী।
সুতরাং মুখে "শেখ ফরিদ এবং বগলে ইট "এ মনোভাব দিয়ে হলে কে বিশ্বাস করবে আপনাকে?

১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ সকাল ১০:২৫

বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন: শুনেন অযথা পানি ঘোলা করছেন কেন? আমি অবশ্যই আগে মুসলমান পরে বাঙালী! এক সময় এই পৃথিবী ছিল না কিন্তু আল্লাহপাক ছিলেন যিনি আমাকে সহ গোটা মানব জাতিকে সৃষ্টি করেছেন। আর কেয়মাতের পরে দুনিয়ার কোন অস্তিত্বই থাকবে না কিন্তু আল্লাহ থাকবেন। এই বিশ্বাসের নামই ইমান এটা না হলে কেউ মুসলমনা থাকতে পারে না যদি না সে আল্লাহর উপর অবিচল আস্থা রাখে। আর মনে রাখবেন দেশপ্রেম ইমানের অঙ্গ! কাজেই বাঙালীটা কোন আহামরি বিষয় নয় এই দেশের প্রতি আন্তরিক ভালবাসা ও আনুগত্যই গুরুত্বপূর্ণ! কিন্তু যেহেতু আপনি অমুসলিম তাই ইসলামের এই গুরুত্বটা বুঝবেন না। দুঃখিত!

১৬| ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ সকাল ১০:১৯

বীরেনদ্র বলেছেন: কানাডাতে ২ লক্ষ বাংলাদেশীর বসবাস। এখানকার বাংলাদেশীদের ৮০% মুসলমান। এদের অনেকেই কিন্তু বাংলাদেশের ধনী এবং তারা কিন্তু বাংলাদেশের টাকাতেই চলেন। এদের সম্পর্কে আপনার কোন বক্তব্য নেই কেন?

আপনি বলেছেন যোগ্যতা এবং বাংলাদেশের প্রতি অবিচল আস্থা থাকলেই হিন্দুরা বড় চাকরি পাবে। যেহেতু তারা পায় না সেহেতু তাদের নিশ্চয় এ দুটোর অভাব আছে আপনার দৃস্টিতে।

১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ সকাল ১০:২৮

বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন: বাবু আপনি মূল ফোকাসের বাইরে যাচ্ছেন। এখানে বাংলাদেশের ইতিহাস নিয়ে আলোচনা হচ্ছে...কানাডা এখানে মূল বিষয় নয়।

দেখুন আমি কিন্তু বলিনি সব হিন্দুই ভারত ভক্ত! বাকীটা আপনার নিজস্ব চিন্তা।

১৭| ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ সকাল ১০:২৪

নভোচারী বলেছেন: নতুন অনেক তথ্য পেলাম। ধন্যবাদ তথ্যের জন্য।

১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ সকাল ১০:২৯

বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ আর ভাদাদের চিনে রাখুন।

১৮| ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ সকাল ১০:২৫

বীরেনদ্র বলেছেন: ৭১ সালের যুদ্ধে ভারতের কুমতলবই আপনি দেখেন। ১ কোটী বাংলাদেশী শরনার্থীকে ৯ মাস খাওয়ালো , এবং যুদ্ধ করে পাকিস্তানীদের পরাজিত করল এ গুলো আপনি আগে স্বীকার করুন। স্বীকার করুন যে আপনার মা বা বোন পাকীস্তানী সৈন্য এবং রাজাকারদের ধর্ষনের হাত থেকে বেচেছিল। স্বীকার করুন সে লক্ষ লক্ষ লোকের জীবন বাচিয়েছিল।

১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ সকাল ১০:৩১

বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন: ৭১এ পাকিস্তানীরা ছিল চরম বাষ্টার্ড! কিন্তু ভারতও সম্পূর্ণ নিজ মতলবে আমাদের এই সব সাহায্য করছে তা রাহুল গান্ধীর কথায় প্রমাণিত। আমরা যেখানে জীবন-মরণ যুদ্ধে লিপ্ত ইন্দিরার ভারতের কাছে সেটা পাকিস্তান ভাঙার উদ্দেশ্য! দুই উদ্দেশ্যে নিশ্চয়ই পার্থক্যা আছে!

১৯| ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ সকাল ১০:৩৪

বীরেনদ্র বলেছেন: আপনার পবিত্র ধর্ম আপনার কাছেই থাকুক। বাঙ্গালী বললে কিন্তু হিন্দু মুসলমান দুই ধর্মের বাঙ্গালীদেরকেই বোঝায়। আপনি যেমন আগে মুসলমান পরে বাঙ্গালী একই ভাবে হিন্দুরা আগে হিন্দু এবং পরে বাঙ্গালী। বাঙ্গালী হিন্দু এবং মুসলমানদের পারস্পরিক অবিশ্বাস সমস্ত দ্বন্দের কারন।

আপনি হিন্দুদের দোষারোপ করবেন আর নিজেকে সঠিক দাবী করবেন , এটা হল আপনার একপেশে দৃস্টিভঙ্গি। আর এই কারনেই কিন্তু দুটো আলাদা দেশ।

১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ সকাল ১০:৪৫

বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন: কিন্তু শরৎচন্দ্র সহ অতীত এবং বর্তমানেও বহু হিন্দু মুসলমানদের বাঙালী বলে না। আপনি হিন্দুদের পক্ষ হতে বলেছেন ধর্মের গুরুত্ব, আমি আপনার ধর্ম বিশ্বাসের অনুভূতিকে সম্মান করি। ইসলামে কাউকে জোড় করে মুসলমান বানানোতো দূর দুনিয়ার কোন বিষয়ের লোভ দেখিয়েও তা করতে নিষেধ আছে।

দেখুন সেই অতীত তথা হাজার বছর আগে যখন ইসলামও এ অঞ্চলে আসেনি তখনই উচ্চ শ্রেণীর হিন্দুরা বৌদ্ধদের বটেই নিম্ন শ্রেণীর হিন্দুদেরও নির্যাতন করত। আজও ভারতে শুদ্র সহ অন্যদের অস্পৃশ্য বলে তাদেরকে চরম অবহেলা করা হয়। এই শরৎ চন্দ্রই বলেছেন এই শ্রেণী বৈষম্যের ও অন্ন পাপের কথা। ইসলাম কেন খ্রীষ্টান ও অন্যরা কেউই উচ্চ হিন্দুদের হাতে নিরাপদ নয়। তাই বাধ্য হয়েই ভারত ও ব্রাম্মণবাদীদের অবিশ্বাস করি।

২০| ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ সকাল ১১:০৭

বীরেনদ্র বলেছেন: মুসলমানদের অনেক ইতিহাসই বলতে পারবো। আমার ব্লগেই লেখা আছে ধিম্মি সম্পর্কে। একটূ পড়বেন। আর রাজা গনেশ মুসলমান হয়ে হিন্দুদের উপর যা অত্যাচার করেছেন তা ইতিহাসে পড়েছি।
১৯৭১ সাল চোখে দেখা রাজাকারদের বেছে বেছে হিন্দুদের উপর অত্যাচার। ২০০১ সাল ও নিজের চোখে দেখা। বলবেন ও গুলো ধর্মের অংশ নয়। খাটি মুসলমানেরা এ সব কিছু করে না। এর পর যখন কুরান থেকে উদ্ধৃতি দেব বলবেন, ঐ সুরাটা কোন অবস্থায় নাজিল হয়েছিল তা দেখতে হবে অনুবাদে ভূল আছে ইত্যাদি।
পবিত্র ধর্মে যেমন লেখা আছে ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি না করতে তেমনি বলা আছে অবিশ্বাসীরা হল কুকুর, বান্দর ।

১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ১২:১৯

বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন: মুসলমানদের সবাই ভাল এ কথা কি আমি বলেছি? আমি বলেছি এই অঞ্চলে ইসলাম আগমনের পূর্বে বৌদ্ধ ও নিম্ন বর্ণের হিন্দুরা চরম নির্যাতিত হত। যা ভারতে এখনও হয়। ১৯৯২ ও ২০০২ সালে গুজরাটে মুসলিম নিধনকে কি বলব সব হিন্দু এবং তাদের ধর্মগ্রন্থ খারাপ? যাদের কুকুর ও বানর বলা হয়েছে তাদের গোত্রের মধ্যে তারা ছিল সবচেয়ে পাপী। কিন্তু আল্লাহ সবাইকে বানর বানিয়ে দেন নি। তবে এটা সত্য মুসলিম না হয়ে কেউ মরলে তার শাস্তি চিরস্থায়ী। কাজেই তথ্য বিকৃত না করে যথাযথ উপস্থাপন করুন!

২১| ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ সকাল ১১:২৫

চলতি নিয়ম বলেছেন: লেখক কে ধন্যবাদ অতি সুন্দর! লেখার জন্য। তবে আপনার উদ্দেশ্যের প্রকাশ পায় লেখার সাথে ছবিটার সম্পর্ক দেখলেই। রুচি আর যুক্তির প্রকাশ মেলে আপনার কমেন্ট দেখলেই বিশেষ করে ১৬ নং।

দেশপ্রেম যদি সত্যিই ঈমানের অঙ্গ হয় তাহলে আগে নিজের ঈমান ঠিক করুন আর হিন্দুদের ঈমান ঠিক করার ইজারা কেউ আপনাকে দেয় নাই। আপনার মতে বাংলাদেশের হিন্দু দের মেধা নেই!!! তাহলে আপনার মেধা নিয়েও আমার কিছু বলার নেই। শুধু প্রতিটা বিশ্ববিদ্ব্যালয়ের প্রতিটা বিভাগের প্রথম ৫/১০ জনে কতজন হিন্দু ছেলেমেয়ে থাকে তা যদি আপনার জানা থাকত।

আর রবীন্দ্র নাথ লিখেছিল "আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালবাসি"! কি লিখলে ভালো হত বলে আপনি মনে করেন?

১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ১২:৩৮

বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন: আপনি ইন্টারনেটে সার্চ করলেই ভারতের বিজেপি, শিবসেনা সহ অন্য উগ্র হিন্দুদের অখন্ড ভারতের এজেন্ডা পাবেন। এই ছবি সেখান থেকেই নেওয়া লিংক, মনে নাই দুঃখিত! মনে রাখবেন এই ছবি আমি বানাইনি।

আমার ইমান নিয়ে আপনাকে ভাবতে হবে না। ১৯৪৭ সালে কি হয়েছে তার একটি সত্য তথ্য তুলে ধরেছি। আপনি বলছেন হিন্দুদের নিয়ে ভাবতে হবে না অথচ এই ইতিহাস ও বীরেন্দ্র বাবু বলছেন পশ্চিমবঙ্গের হিন্দুরা স্বাধীন অখন্ড বাংলা চায়নি ও হিন্দুস্থান চেয়েছিল বলেই আজকের বাংলাদেশ হতে পেরেছে। তাই আপনার রাগ দেখানো স্ববিরোধীতা ছাড়া আর কিছুই নয়।

রবীন্দ্র হলেন অখন্ড ভারতের অন্যতম স্বপ্নদ্রষ্টা! সে তার ধর্মের জন্যই ১৯০৫ বঙ্গভঙ্গ চায়নি। কি গান সে লিখলে ভাল হতো তার চেয়েও তার উদ্দেশ্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ! আমার বক্তব্য পরিস্কার রবীন্দ্র নাথ মুসলমানদের হিংসা করতেন।

২২| ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ সকাল ১১:৪৯

রাঙ্গাকলম বলেছেন: মাফ করবেন। আপনাদের মাঝে হঁঠাৎ করে ঢুকে পড়ার জন্য।

আমার মনে একটা প্রশ্ন এসে পড়ায় আমি চলে এলাম মধ্ধি খানে,
আপনার ইসলাম আর হিন্দু ধর্ম নিয়ে আলোচনা করছেন না, বাংলাদেশের ইতিহাস নিয়ে আলোচনা করছেন, আমি সন্দিহান।

মি. রবীন্দ্র নাথ খুব সাবধানে বাংলাদেশের ইতিহাস থেকে সরে গিয়ে আলোচনা টাকে মুসলিম হিন্দু তর্কে পরিনত করছে।

আমার মনে হয় আলোচনাটা বাংলাদেশের ইতিহাসেই থাকা ভাল।

সুযোগ আর অর্থের লোভে রবীন্দ্র নাথ নাম ধারী অনেক মুসলমান পাবেন চলার পথে যারা আপনাকে শুধু বিব্রত করবে, আলোচনার নামে তর্কে ফেলে।

ধন্যবাদ আপনাকে, আশাকরি আমি যা বলেছি তা আপনার বুঝে এসেছে

১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ১২:৪২

বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন: এখানে ধর্মের যতটুকু প্রাসঙ্গিক বিষয় তা আলোচিত হয়েছে। ইতিহাস কখনও মিথ্যা হয়ে যায়না তথা যা সত্যি ঘটেছে সেটাই তুলে ধরেছি। ভারত যে একটি উগ্র-হিন্দুত্ববাদ দ্বারা প্রভাবিত তা ঐ শেখর কমিশন রিপোর্ট এবং সেই দেশে নিম্ন বর্ণের দূরাবস্থা দেখলেই বুঝা যায়। ঐতিহাসিক ভিত্তি হতে সরে গেলে আলোচনা অর্থহীন। ধন্যবাদ।

২৩| ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ দুপুর ১:৫৯

মনসুর খালিদ বলেছেন: ১৯৪৭ এবং ১৯৭১ = বাংলাদেশ

এর একটি না হলে বাংলাদেশ কখনই হত না। বিশেষ করে ৪৭ সালে ভারত বিভক্ত না হলে কোনদিনও ১৯৭১ আসত না।

১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ১২:৪৩

বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন: ধন্যবাদ।

২৪| ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ দুপুর ২:০১

আসা২৬৪ বলেছেন: বীরেনদ্র - কেন তারা বাঙ্গালী না থেকে মুসলিম হয়ে পাকিস্তানী হলেন?
তারা পূর্বে তাহলে হিন্দু ছিলেন?
তা দাদা ,আপনারা কেন তারা বাঙ্গালী না থেকে হিন্দু হয়ে দিল্লির সাথে থাকলেন?

১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ১২:৪৪

বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন: ধন্যবাদ।

২৫| ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ দুপুর ২:২৬

নাহিয়ান বিন হোসেন বলেছেন: এই বীরেন্দ্র রে দেখলে আমার অবাক লাগে! এ নাকি ডাক্তার এবং বয়স ও কম না! অথচ কি নোংরা , সাম্প্রদায়িক মানসিকতা এই লোকের। সামুতে এখন সবচেয়ে সাম্প্রদায়িক ব্লগার এই লোকটা। ব্লগে ভারতের পক্ষে প্রকাশ্য দালালি করা থেকে শুরু করে ইসলাম ধর্ম সম্পর্কে যে কোন নোংরা কথায় একে আগে দেখা যায়। এবার ও হাটহাজারীর ঘটনাকে কেন্দ্র করে এই লোক সহ আরো কয়েকটা নিক চেয়েছিলো ব্লগে উস্কানি দিয়ে ঝামেলা তৈরি করতে। সেখানে এর ভূমিকা ছিলো প্রধান। সন্দেহ জাগে কোথাও থেকে সে কোন এজেন্ডা নিয়ে এসেছে কিনা এই ব্লগে। আর ভারত মাতার জন্য সে যে কত পোষ্টে তার ধুতি খুলেছে তা অনেকেই জানে! খুবই সন্দেহজনক লোক। সামুর মডারেটরদের উচিত এই নিকের উপর নজর রাখা।

@ লেখক, পোষ্টের জন্য ধন্যবাদ।

১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ১২:৪৭

বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন: নাহিয়ান ভাইকেও মূল্যবান তথ্য ও বক্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ। আর দয়া করে ক্যানেইডিয়ান বলদ(সে নওমুসলিম) তাকেও চিনে রাইখেন। এরাই বাংলাদেশের র্দূদশার মূল কারণ।

২৬| ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ১:২১

নাহিয়ান বিন হোসেন বলেছেন: উনারে সেদিন একটু চাইপ্যা ধরছিলাম! বেচারা পিছলায়। পুরাই ফাউল। বিরক্ত লেগে গেলো। কথাবার্তা পুরা পেইড বুদ্ধিজীবি টাইপ। সে আমারে আগাচৌ কেন হাজারীরে ভালা পায় তার যুক্তি শুনাইতে আসে! হুদাই আর টাইম নষ্ট করি নাই।

১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ৩:১৮

বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন: এই ব্যাটা বেশী চালাকি করতে বলদের মত কথা বলে। এর জন্যই খালি পিছলায়। চট্টগ্রামে ২০১০ মেয়র নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী, গত বছর ২০১১তে কুমিল্লায় সাক্কু পাশ করলে বলে গরুর দালাল ও রাজাকারের সন্তান। অথচ আলীগের লুটপাট-দুঃশাসন ও ভারতের দালালীর জন্য যে পরাজিত হয়েছে তার কোন উল্লেখ নাই। তার কথা হল হাসিনা ও আলীগ সব কুকাম করবে কিন্তু বিরোধীরা এর প্রতিবাদ করতে পারবে না। চরম মতলববাজ! ধন্যবাদ।

২৭| ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ১:৪১

নাহিয়ান বিন হোসেন বলেছেন: অবিভক্ত ভারতের পূর্ব বংগ (বর্তমান বাংলাদেশ ) বাদে বাকি সমস্ত অঞ্চলেই উগ্র হিন্দুত্ববাদের ভয়াবহ প্রভাব ছিলো। এবং এখন সেটা আরো বেড়েছে। ঐতিহাসিকভাবেই পশ্চিম বংগ সহ ভারতের অন্যান্য অঞ্চল প্রচন্ড রকম মৌ্লবাদী ও সাম্প্রদায়িক মানসিকতার অধিকারী। এর প্রমান মমতা থেকে শুরু করে আদভানি পর্যন্ত। বিজেপি বা শিবসেনা আসলে কি??? চরম উগ্রবাদি জঙ্গী সংগঠন । আসুন বাংলাদেশের কথা চিন্তা করি। বাংলাদেশে জামাত কি কখনো আওয়ামীলীগ বা বি এন পি র সাহয্য ছাড়া ক্ষমতায় আসা দূরে থাক ১০ টা আসন ও পাবে?????? বাস্তবতা হচ্ছে পাবে না। কারন বাংলাদেশের মানুষ , এই অঞ্চলের মানুষ ধর্মীয় উগ্রবাদ , মৌলবাদিতা পছন্দ করে না। কিন্তু ভারতে বিজেপি -শিবসেনার মত দল অন্য কোন দলের সমর্থন ছাড়াই এককভাবে ক্ষমতায় এসে গিয়েছিলো! কি ভয়াবহ! এরকম জঙ্গী সংগঠন যে দেশে ক্ষমতা পেতে পারে, যে দেশের মানুষজন এরকম জঙ্গী সংগঠনকে রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য ভোট দেয় তাদের মানসিকতা সহজেই অনুমেয়। এই পূর্ব বঙ্গের মানুষদের ( হিন্দু -মুসলমান সবার ) কত বড় সৌভাগ্য যে তাদের এরকম জঙ্গীবাদী, সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্রের অংশ হতে হয়নি। এর মূল অবদান সেই ১৯৪৭ এর দেশ ভাগের। যা আমাদের দেশের মানুষের জন্য এক অতীব গুরুত্বপুর্ন, সৌভাগ্যের ব্যাপার (যদিও দেশ ভাগে নেহেরু সহ অনান্য নেতারা অনেক আকাম করেছিলেন) । আসলে বীরেন্দ্র বাবুর মত লোকদের মন পড়ে থাকে ওপারে তাই এত চুলকানী তাদের এদেশ নিয়ে, ৪৭ নিয়ে! আসলে মানসিকতা যদি হয় শিবসেনার মত জঙ্গীবাদী , তার উপর "জায়গা" থেকে পেমেন্ট আসে তবে এরকম উগ্র মৌলবাদী আচরন করাই যায়!

১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ৩:২৪

বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন: ভাই ইব্লিশ শয়তান যে স্কুল থেকে পাশ করছে তার হেড মাষ্টারের শিক্ষিকা হল হাসিনা। তাই সামান্য বিষয়কে তা ভাল বা মন্দ সেটাকে ফুলিয়ে ফাপিয়ে বিশাল তথা তিলকে তাল করতে হাসিনা ও বাকশালীদের ধারের কাছেও কেউ নেই। তাই বিজেপি, শিবসেনা সহ ভারতীয় উগ্রপন্থীদের জামাতের সাথে তুলনা করে। ঠিক যেমন ১০ টাকা/কেজি চাল খাওয়ানোর ওয়াদা। অথচ আসলে আমাদের জনগণের ৯০% মুসলমানদের সিংহভাগই শান্তির্পূর্ণ ইসলাম পালনে বিশ্বাসী। এটা সাধারণ ইসলামী মূল্যবোধ কোনমতেই উগ্রতা নয়। অনেক ধন্যবাদ নাহিয়ান ভাই।

২৮| ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:৫১

তাইয়িব বলেছেন: http://www.rightproperty.com.bd/

২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৩৯

বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন: হুম!

২৯| ২০ শে অক্টোবর, ২০১২ সকাল ৭:৪৬

চাচু বলেছেন: ১৯৪৭ এবং ১৯৭১ = বাংলাদেশ


সহমত।

২০ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ৯:০৩

বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ চাচু!

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.