নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ভুয়া মফিজ

ভুয়া মফিজের সাথে ভুয়ামি না করাই ভালো...

ভুয়া মফিজ › বিস্তারিত পোস্টঃ

জনগন নাকি সরকার; কে আগে?

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১২:১৪




কিছুটা বিভ্রান্ত হয়েই এই পোষ্টটা লিখছি। বিভ্রান্তিটা এসেছে বিভিন্নসময়ে বিভিন্ন পোষ্ট পড়ে; পোষ্টগুলোর মূল বক্তব্য আর আমার চিন্তা-ভাবনার যে ইনফারেন্স তার মধ্যকার অসামন্জস্যতা বা বৈপরিত্য থেকে। প্রত্যেকের ভাবনায় ভিন্নতা থাকতেই পারে, তবে সেটা যদি হয় কনসেপ্চুয়াল, তাহলে ভালো দেখায় না। ব্লগাররা হচ্ছে সমাজের প্রাগ্রসর একটা জনগোষ্ঠি। এরা কোন কিছুর আশা না করেই নিরপেক্ষভাবে সমাজের বিভিন্ন অসংগতি, ভালো-মন্দ কিংবা উচিত-অনুচিতকে তুলে ধরতে সক্ষম। কাজেই এটা আশা করা নিশ্চয়ই অযৌক্তিক হবে না......এদের চিন্তা হবে সমাজের অন্য যে কোনও অংশের চেয়ে ভিন্নতর এবং উন্নততর।

বেশ কিছুদিন ধরেই আমি খেয়াল করছি, অনেকেই পোষ্ট দিচ্ছেন। বক্তব্যগুলো অনেকটা এরকম, আমরা জাতীগতভাবেই অসভ্য, অভদ্র, উচ্ছৃংখল, বর্বর, নোংরা একটা জাতী। যারা এমনটা ভাবছেন, তারা জানেন তারাও এই জাতীর-ই অংশ। তারপরও দিচ্ছেন। আমি উনাদের হতাশা বুঝতে পারি। কিন্তু ভূল জায়গায় ক্ষোভ উগড়ে দেয়া কতোটা যুক্তিযুক্ত? এ'বিষয়ে আলোকপাত করাই আমার আজকের উদ্দেশ্য।

প্রথমেই আমার গতবছর দেয়া একটা পোষ্টের অংশ-বিশেষ তুলে ধরছি। দেখুন।

অনেকে বলেন, সরকারের যেমন দায়িত্ব আছে সবকিছু ঠিকভাবে পরিচালিত করার; জনগনেরও তেমনি দায়িত্ব আছে নিয়ম-কানুন মেনে চলার। এই কথাটা অনেকাংশেই ভূল। সরকার এবং একমাত্র সরকারেরই দায়িত্ব জনগনকে একটা নিয়মের মধ্যে নিয়ে আসা। শুধু আমরা বাংলাদেশীরা না, সব দেশের সব মানুষের মধ্যেই প্রবনতা আছে নিয়ম ভঙ্গ করার। নিয়ম ভঙ্গ করার জন্য কোন শাস্তি যদি না থাকে, তাহলে মানুষ মাত্রই নিয়ম ভাঙবে। বৃটেনের রাস্তাঘাটে যত্রতত্র অসংখ্য ক্যামেরা আছে। প্রতিটা সিগন্যালে, পথচারী পারাপারের স্থানে, এখানে-সেখানে ক্যামেরা। এদেশের মানুষ যদি সভ্য-ভব্যই হবে, তাহলে এতো ক্যামেরা কেন? আপনি সিগন্যাল অমান্য করেছেন? ভূল জায়গায় গাড়ী পার্ক করেছেন? নির্ধারিত স্পীডের চেয়ে বেশী স্পীডে গাড়ী চালিয়েছেন? কিছুদিনের মধ্যে অবধারিতভাবেই আপনার ঠিকানায় জরিমানার চিঠি প্রমানসহ এসে যাবে। আপনার লাইসেন্স থেকে কিছু পয়েন্টও কাটা যাবার সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে। এরপরও অসংখ্য মানুষ প্রতিদিনই ট্রাফিক আইন ভঙ্গ করে, জরিমানা দেয়। তাহলে?

এদের সাথে আমাদের পার্থক্য এক জায়গাতেই। এখানে ধরা পড়লে আপনার রক্ষা নাই। শাস্তি আপনাকে পেতেই হবে। ঘুষ, ক্ষমতার বাহাদুরী কিংবা কোন ক্ষমতাশালীর ফোনকল; কোনকিছুই আপনাকে রক্ষা করবে না। এই যে সিস্টেম, এই সিস্টেমটাকে তৈরী এবং রক্ষনাবেক্ষন করে সরকার। জনগনকে বাধ্য করে এই সিস্টেম অনুযায়ী চলতে। জনগনও এই সিস্টেমে চলতে চলতে অভ্যস্ত হয়ে পড়ে। ক্ষনিকের উত্তেজনা বা ভূলে কেউ যদিও বা এই সিস্টেমের বিপক্ষে কিছু করেই বসে, এমন শিক্ষাই পায় যে ভবিষ্যতে কিছু করার আগে দশবার চিন্তা করে। আর আমরা বাইরে থেকে এসে এসব দেখে ভাবি, আহা, কি সুশৃংখল আর সুসভ্য জাতী! এদিকে আমাদের তো সর্ষের মধ্যেই ভুত!! তাই আমরা বিশ্বে অসভ্য, উসৃংখল জাতী হিসাবে পরিচিত!!!

আমার একটা ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা বলার লোভ সামলাতে পারছি না। তখন আমি এখানে নতুন। একটা জরুরী কাজে লন্ডন যাবার ট্রেন ধরতে হবে। সময় নাই। নতুন একটা পার্কিং স্পটে গাড়ী রেখে দৌড়ে ট্রেনে উঠলাম। সন্ধ্যায় ফিরে এসে দেখি ওখানে নোটিশ টাঙ্গানো, তিন ঘন্টার বেশী গাড়ী রাখা যাবে না। পরবর্তী তিনদিন ভয়ে ভয়ে থাকলাম কখন না জানি জরিমানার চিঠি আসে! না আসাতে ভাবলাম ব্যাটারা বোধহয় আমাকে ধরতে পারে নাই। ৫ম দিন চিঠি হাজির, আমার গাড়ীর কয়েকটা ছবিসহ। একসপ্তাহের মধ্যে দিলে ৫০ পাউন্ড জরিমানা। না দিলে এরপর প্রতি সপ্তাহে ১০ পাউন্ড করে বাড়তে থাকবে! পরদিনই টাকা ব্যাংকে জমা দিলাম। এই এক শিক্ষার কারনে আজ এতোগুলো বছর পার করলাম এই দেশে, আর একপয়সাও জরিমানা দেই নাই।

তাহলে আইনকে শক্ত হাতে প্রয়োগ এবং প্রতিষ্ঠিত করার দায়িত্ব কার? সরকারেরই তো, নাকি? যেই দেশে সরকার ঠিক, সেই দেশে সবকিছুই ঠিক হতে বাধ্য।

দেশভিত্তিক আইনের অনেক উদাহরন দেয়া যায়। যারা বিভিন্ন দেশে থাকেন তারা সেসব দেশের আইন এবং তার প্রয়োগ সম্পর্কে অনেক ভালো বলতে পারবেন। আমি শুধু দু’টা দেশের উদাহরন টানছি। একটা সিঙ্গাপুর (কারন, এটা এশিয়ার একটা দেশ), আরেকটা বৃটেন (কারন, এখানে আমি থাকার কারনে সিস্টেমটা খুব কাছে থেকে দেখছি)।

সিঙ্গাপুরের কথায় আসি। মনে করেন, এখানে এসে রাস্তায় চলতে চলতে আপনার মুখে থু থু জমা হয়েছে। অভ্যাসের বশে একদলা থু থু ফেললেন রাস্তায়। যদি ধরা পড়েন, আপনাকে ১,০০০ সিঙ্গাপুর ডলার (বাংলাদেশী টাকায় প্রায় ৬৩,০০০) জরিমানা করা হবে এবং এটা দিতেই হবে। এখন মনে করেন, বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষকে একটা জায়গায় জড়ো করা হলো এবং বলা হলো, যারা যারা সিঙ্গাপুরের রাস্তায় তেষট্টি হাজার টাকা দিয়ে থু থু ফেলতে চান, তারা হাত তোলেন। কয়টা হাত উঠবে বলে মনে করেন? একটাও না। আমি নিশ্চিত, এমন পাগল দেশে একটাও নাই।

এবার এই স্ক্রীনশটটা দেখুন। আমার মন্তব্য আর ব্লগার সায়েমুজজ্জামান এর উত্তর। উনার উদাহরন এই জন্য দিলাম কারন উনি এই সিঙ্গাপুর থেকেই 'উদ্ভাবন' বিষয়ে প্রশিক্ষণ নিয়ে এসেছেন। এই মন্তব্য এবং উত্তরের ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ আশাকরি পোষ্টের বাকী অংশে দিতে পারবো।


ধুমপায়ীরা রাস্তায় ধুম্রপানের পরে সিগারেটের বাট (গোড়া) রাস্তাতেই ফেলেন। বৃটেনে এই কাজ করে যদি ধরা পড়েন তাহলে অন দ্য স্পট আপনাকে ৫০ থেকে ১৫০ পাউন্ড জরিমানা দিতে হবে। আর না দিলে এটা যদি কোর্ট পর্যন্ত যায়, তাহলে আপনাকে ১,০০০ পাউন্ড (বাংলাদেশী টাকায় প্রায় ১,১১,০০০) বা ততোধিক (কোর্ট কর্তৃক নির্ধারিত) জরিমানা দিতে হবে। পুনরায়, একটা সিগারেটের জন্য এ অংকের জরিমানা দেয়ার মতো পাগলও দেশে নাই।

এমন শক্ত আইনের পরও মানুষ এখানে জরিমানা দেয়। বেশকিছু দিন আগে আমার এক কলীগ দেখি মুখ লম্বা করে ঘুরে বেড়াচ্ছে। ঘটনা কি? ঘটনা হলো, আগের দিন সে এই অপকর্ম করে ৭০ পাউন্ড জরিমানা দিয়েছে।একটা চান্চল্যকর মামলার কথা বলি। ২০১৭ সালে ছবির এই মহিলাকে একই অপরাধে কোর্ট জরিমানা করে সর্বমোট ১,১৭২ পাউন্ড (১,৩০,০০০ টাকা)। এখন বলেন, এই রকমের বিপদের সম্ভাবনা নিয়ে আমাদের দেশের কেউ জেনেশুনে এই অপকর্ম করবে? আমার তো মনে হয়না।


এই মহিলা আর আমার কলীগ; দু’জনেই হোয়াইট ইংলিশ নারী-পুরুষ। এদের উদাহরন ইচ্ছা করেই দিলাম, না হলে কেউ কেউ আবার বলে ফেলতে পারেন, ওসব দেশে এ'ধরনের অপকর্ম যারা করে তারা স্থানীয় না; হয় ট্যুরিষ্ট, নয়তো অভিবাসী সেটলার।

এখন আসি, ব্লগার সায়েমুজজ্জামানের উত্তর প্রসঙ্গে। উনি একঅর্থে ঠিকই বলেছেন। শহরকে ময়লার ভাগাড় রাজনীতিবিদ না, আমরাই বানাই। তবে, আমরা যেন না বানাতে পারি সেটা নিশ্চিত করার দায়িত্ব প্রথমতঃ আইন-প্রণেতা তথা রাজনীতিবিদদের আর দ্বিতীয়তঃ সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের; নাকি ভুল বললাম? প্রসঙ্গ এলো তাই বলি, বৃটেনে 'ফ্লাই টিপিং' বা যত্রতত্র ময়লা ফেলা একটা ভয়াবহ অপরাধ। বিশাল অংকের জরিমানা গুনতে হয় ধরা পড়লে। কাজেই নিতান্ত ইডিয়েট না হলে কেউ এ'কাজ করে না। ফলে শহরও পরিস্কার থাকে।

সিগারেটের বাট নিয়ে কিছু কথা বলেছি। আবার সে প্রসঙ্গে আসি। এতো ছোট্ট একটা বিষয় নিয়ে আইন প্রণেতারা মাথা কেন ঘামালেন? গবেষণায় দেখা গিয়েছে, বছরে লন্ডনের রাস্তায় ষাট লক্ষ সিগারেটের বাট ফেলা হয়। এই বিপুল বর্জ্য পরিস্কার, পরিবেশের দূষণ, প্যাসিভ স্মোকিং এবং আনুসাঙ্গিক অন্যান্য বিষয় চিন্তা করেই এটাকে কঠোর হস্তে দমন করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এখন এই জনহিতকর চিন্তা এবং তা বাস্তবায়নের যে পদক্ষেপ, এটা কোন দেশে কবে জনগন নিয়েছে?

এভাবে, আমাদের দেশের প্রতিটা অনাগরিকসুলভ কাজের ব্যাখ্যা দেয়া যায়.....তবে মূল ব্যাপার কিন্তু ওই একটাই। এবার আসুন দেখি, আমাদের দেশে কি হয়।

আমাদেরও অনেক রকমের আইন আছে। প্রথম কথা হলো, এসব আইন ভঙ্গে যে জরিমানার বিধান আছে, তা সহনীয় মাত্রার। এগুলো জীবনকে দূর্বিসহ করে তোলার জন্য যথেষ্ট না। কাজেই, মানুষ খুব একটা ভয়ও পায় না। আবার জরিমানা যদি করা হয়েই যায়, তাহলে যে জরিমানা করছে, তাকে কিছু দিয়ে 'খুশি' করা হয়। টাকাটা সরকার পর্যন্ত যায় না। এখন কেউ যদি লাফ দিয়ে উঠে বলেন, এই তো, দেখলেন? এই হচ্ছে আমাদের জনগন। তাহলে বলবো, জনগনের কথা তো অনেক বললাম। যে টাকাটা নিল, সে তো প্রশাসনের অংশ। তাহলে দায় কার? জনগনের নাকি প্রশাসনের? এক্ষেত্রে আবার উন্নত দেশের কথা বলতে হয়। এসব দেশের জনগন অপকর্ম করে ধরা পরলে অনুনয়-বিনয় বা ঘুষ অফার যে করে না তা কিন্তু না। করে, তবে আইনের বাস্তবায়নকারী জানে এসবকে প্রশ্রয় দিলে তার নিজেরই চাকুরী থাকবে না। তাছাড়া এদেরকে ঘুষ অফার করাও একটা অপরাধ। মোদ্দা কথা হলো, সিস্টেমটাকে জনকল্যানমুখি একটা অবস্থায় নিয়ে আসা। এরপরেও যদি আপনি বলেন, না, এখানে জনগনের দায়িত্ব আছে.......তাহলে আমার বলার আর কিছুই নাই।

সব দেশের মানুষই বিপদে পড়লে বাচার চেষ্টা করে। এটা মানুষের একটা সহজাত প্রবৃত্তি। কথা হচ্ছে, উন্নত দেশের মানুষ চেষ্টা করেও পার পায় না, কাজেই একসময় তারা চেষ্টা করা বন্ধ করে দেয়, বরন্চ চেষ্টা করে অপকর্মটি না করতে। অন্য কথায়, একজন সভ্য মানুষে পরিনত হয়। আর আমাদের দেশের মানুষ যেহেতু জানে অপকর্ম করলে বাচার অনেক রাস্তা খোলা আছে, তাই তারা আগপিছ চিন্তা না করে বুক ফুলিয়ে অপকর্ম করতেই থাকে.......করতেই থাকে এবং একসময় তা অভ্যাসে পরিনত হয়। অন্য কথায় অসভ্যে পরিনত হয়। তাহলে জনগনকে অসভ্যে কে পরিনত করছে? জনতা সভ্য নাকি অসভ্য হবে, এটা নির্ধারনের দায়িত্ব কার?

সেই প্রাচীণকাল থেকেই সমাজে, গোষ্ঠিতে শৃংখলা ঠিক রাখার জন্য নেতা এবং সামাজিক কাঠামো ঠিক করা হতো। এরই ধারাবাহিকতায় আজকের এই সরকার-ব্যবস্থা। আমাদের সবাইকে এই সরকার-ব্যবস্থা বা সিস্টেম এবং এর কার্যপরিধি বুঝতে হবে। এই সিস্টেমটা আগে ঠিক হবে নাকি জনগন আগে ঠিক হবে, এই বিতর্কটা সম্ভবতঃ 'ডিম আগে এসেছে, নাকি মুরগী আগে এসেছে' এই বিতর্ক থেকে সহজতর। আপনাদের মতামত কি?

মন্তব্য ৫৪ টি রেটিং +৯/-০

মন্তব্য (৫৪) মন্তব্য লিখুন

১| ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১২:২৭

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: শুরুটাই তো কেউ শুরু ক‌রে না। অ‌নে‌কে শুরু কর‌তে চান। কিন্তু সঙ্গী না পে‌য়ে হতাশ হ‌য়ে বিরত হন। আপনার পো‌স্টে মানুষ পু‌ড়ি‌য়ে মার‌লে ইউ‌কে তে কি হ‌তে পা‌রে জান‌তে পারলাম না। আমার হত্যাকারী জা‌তি, হিংস্রতা আমা‌দের র‌ক্তে মি‌শে যা‌চ্ছে।

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১২:৩৩

ভুয়া মফিজ বলেছেন: ''বার-বি-কিউ করে হত্যাকারীকে খাওয়ানো হয়''।

মজা করলাম একটু। এখানে সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদন্ড। সেটাই দেয়া হয়।

শুরু এবং শেষ, দু'টোই সরকারকে করতে হবে। এটাই আমার মূল বক্তব্য।
আমার হত্যাকারী জা‌তি, হিংস্রতা আমা‌দের র‌ক্তে মি‌শে যা‌চ্ছে। আবার জাতিকে দোষ দিচ্ছেন! গুটিকতক মানুষের অপকর্মের দায় পুরা্ জাতি কেন নিবে? বলেন আমাকে।

২| ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১২:৩৩

হাবিব স্যার বলেছেন: আপনিও পেঁচাকে ভালোবাসতে শুরু করলেন?

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১২:৩৬

ভুয়া মফিজ বলেছেন: ''পেঁচাকে ভালোবাসা আর চাদগাজীকে ভালোবাসা'' সমার্থক। :P

ছবিটা দেয়ার একটা বিশেষ কারন আছে......বলেন দেখি কি কারন? আচ্ছা, একটা কিউ দেই। পেঁচার আচরন লক্ষ্য করুন।

৩| ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১২:৩৩

সম্রাট ইজ বেস্ট বলেছেন: আমি মনে করি দায়িত্ব দুপক্ষেরই। তবে সরকারের দায়িত্বটা বেশি, বিশেষ করে আমাদের বাঙালিদের মত উন্নত (!) মনমানসিকতার লোকজনের জন্য। কথায় আছে বাঙালিকে একমাত্র ডান্ডার উপরে রাখা ছাড়া এদেরকে সোজা করা প্রায় অসম্ভব। তাই অগ্রণী ভূমিকা সরকারকেই পালন করতে হবে। বেশি নয়, কোন সরকারের সদিচ্ছা থাকলে পাঁচ বছর মেয়াদে এমন কড়া আইনের আওতায় বাঙালিকে আদর-সোহাগ করলেই দেশটা সত্যি সত্যি সোনার বাংলা হয়ে উঠবে। এ ব্যাপারে সেই সায়েমুজ্জামানের পোস্টে আমার মন্তব্যটাও প্রণিধানযোগ্য, যেটা এখানে আবার নতুন করে দিলাম-

সম্রাট ইজ বেস্ট বলেছেন: কী যে বলেন? আপনি এসব পশ্চাৎপদ চিন্তাধারা থেকে বেরিয়ে আসুন। আমাদের এসব নিয়ে চিন্তা করার সময় কোথায়? সাজানো-গোছানো শহর দিয়ে কী হবে? আমরা নেতারা বোকা ভোটারদের নাকের সামনে বিভিন্ন উন্নয়ন আর সুযোগ-সুবিধা প্রদানের মুলো ঝুলিয়ে ক্ষমতায় এসে অন্যের মাথায় কিভাবে কাঁঠাল ভেঙ্গে খাওয়া যায় আর নিজের আখের কিভাবে গোছানো যায় হরহামেশা এসব চিন্তাভাবনা ছাড়া অন্যকিছু চিন্তা করার সময় কোথায় পাবো? ওসব ছবির মত সুন্দর শহর আমাদের না হলেও চলবে। দেশে যত বিশৃঙ্খলা থাকবে তত আমাদের পকেট আর ব্যাংক ব্যালেন্স ফুলেফেঁপে ওঠার সুযোগ থাকবে। আর আমাদের তো চিন্তার কোন কারণই নেই। আমাদের স্ত্রী-সন্তানরা ওসব ঘিঞ্জি এলাকায় কখনও বসবাস করবে না। আমরা নিজেরা সবসময় ভিআইপি মর্যাদায় অভিজাত এলাকায় আলিশান অট্টালিকায় বসবাস করি। আমাদের স্ত্রীদের এই গরীব দেশের মার্কেটগুলোতে গিয়ে শপিং করায় প্রবল অনীহা। তাই যে কোন পর্ব-পার্বণে তারা বিদেশের দামি শপিংমলগুলোতে পদধূলি দিতেই গর্ববোধ করে। আমাদের চলাফেরাতেও কোন সমস্যা নেই। প্রশস্ত রাস্তায় সামনে-পেছনে গার্ডসহ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত দামি গাড়ির বহর তো আমাদের রয়েছেই। আর আমাদের আদরের সন্তানেরা এদেশের শিক্ষাব্যবস্থার সাথে খাপ খায়না বিধায় বিদেশেই তাদের শিক্ষাজীবন প্লাস ভবিষ্যতের ব্যবস্থা করে দিই। সুতরাং দেশের ব্যাপারে ভেবে কী কচুটা হবে? তার চেয়ে কিভাবে আরো সম্পদের মালিক হওয়া যায়, সুইস ব্যাংকের অ্যাকাউন্টটাকে কিভাবে আরও ঢাউস করা যায় সে চিন্তা নিয়েই সর্বক্ষণ মাথা ঘামানোটা সমীচিন নয় কি?

আর শুনুন, দেশ নিয়ে কপচানি তো অনেক হল। এখন বাঙালি জাতির অতীব গুরুত্বপূর্ণ আর বিশাল ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতি কিন্তু দরজায় কড়া নাড়ছে। আপনার সিঙ্গাপুরে কি বাংলাদেশের মত ১লা বৈশাখে ৫০০ টাকার ইলিশ ৫-১০ গুণ বেশি দামে কিনে পান্তার সাথে খাওয়ার অভাবনীয় ও অপ্রতিদ্বন্দ্বী সংস্কৃতি জন্ম দেয়ার মত ক্ষুরধার মস্তিষ্ক আছে? ভ্যালেন্টাইনস ডে'র মত মহান ও উপকারি সংস্কৃতি আমদানি করার কৌশল রপ্ত করা আছে? বৈশাখি উৎসবে দ্রৌপদীর বস্ত্রহরণের স্টাইলে একগাদা লোকের সামনে মেয়েদেরকে ন্যাংটো করে বিকৃত লালসা চরিতার্থ করার অভূতপূর্ব গৌরবময় সংস্কৃতি আছে? যদি না থাকে তাহলে বলব সিঙ্গাপুর আর আপনার তথাকথিত সেই নয়নাভিরাম সৌন্দর্যে ভরা সেই শহরগুলো আমাদের থেকে যোজন যোজন পিছিয়ে আছে। সুতরাং আমাদের ঐতিহ্য আর সংস্কৃতিই বিশ্বের সেরা। আপনি খামোখা দেশটা নিয়ে চিন্তা করে সময়ের অপচয় করছেন।

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১২:৪৩

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আপনার পুরানো মন্তব্য দেখে তো মনে হচ্ছে, দায় আমাদের নেতাদের, তথা সরকারের! :)

নেতাদের কাজ হলো নেতৃত্ব দেয়া, জনতার কাজ হলো নেতাকে অনুসরন করা। এখন আপনি বলেন, দায়িত্ব দু'পক্ষের কিভাবে? নেতা সঠিক নেতৃত্ব দিলে জনতা সঠিকভাবে পরিচালিত হবে.....নাকি বলেন?

৪| ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১২:৩৩

আকতার আর হোসাইন বলেছেন: না পড়েই মন্তব্য করতে চেয়েছিলাম যে জনগণই আগে। কিন্তু পোস্ট পড়ে দেখি। না, আগে সরকার। সরকার ঠিক থাকলে আইন ঠিক থাকবে। আইন ঠিক থাকলে জনগণ অপরাধ করবে না। করলেও শাস্তি পেয়ে একদম সোজা হয়ে যাবে।

তবে আমাদের দেশে প্রজুক্তির আরো উন্নয় এবং প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে হবে।

অনেক সুন্দর করে লিখেছেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১২:৪৯

ভুয়া মফিজ বলেছেন: পড়ে মন্তব্য করার জন্য ধন্যবাদ। :)

উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার যতোটা বেশী করা যায়, ততোই ভালো, নিঃসন্দেহে। তবে, শুধু সদিচ্ছা, দূর্ণীতি-মুক্ত পরিবেশ আর সুশাসন দিয়ে যতোটুকু করা যায় সেটাও অনেক। সরকার অন্ততঃ সেটুকু করে দেখাক।

৫| ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১২:৫০

হাবিব স্যার বলেছেন: আমার মাথায় কি আর পেঁচার মতো বুদ্ধি আছে?

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১২:৫২

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আমার তো মনে হয়, পেঁচার চেয়ে বেশী আছে! ;)

৬| ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১২:৫৪

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: মার্শাল আস‌লে বাঙ্গালী সোজা হয়। ১/১১ এর পর দে‌খে‌ছি, বাঙ্গালী কত ভীতু জা‌তি। বড় বড় সন্ত্রাসী, নেতা, পা‌তি‌ নেতা সবাই গ‌র্তে লু‌কি‌য়ে প‌ড়ে‌ছিল। আমা‌দের মা‌ঝে স‌চেতন মানুষ আ‌ছেন। তারা সংখ্যায় কম। সু‌যোগ সন্ধানীরা সব সময়ই সু‌যোগ নেয়। সরকারী আমলা‌দের‌কে নষ্ট ক‌রে‌ছে রাজ‌নৈ‌তিক নেতারা। আর নেতারা পু‌রোপু‌রো যে যোগ্য সেটা বলা ক‌ঠিন। প্রাইমারীর চাক‌রি পে‌তে বিএ এম এ পাস লা‌গে। কিন্তু মন্ত্রী হ‌তে কোন পাস লা‌গে না। ন্যুনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা ছাড়া মানুষ চেয়ারম্যান, মেম্বার, মেয়র এমন কি মন্ত্রী এম‌পি হ‌য়ে যা‌চ্ছেন। উনারা বি‌দে‌শে সে‌কেন্ড হোম বানান। দে‌শে প্রাসাদ। অথচ যা‌দের কোন উপায় নেই মা‌টি কাম‌ড়ে দে‌শে প‌ড়ে থাকা ছাড়া তারাই দেশ প‌রে থা‌কে। কিছু মানুষ আ‌ছেন তারা দে‌শে কামাই ক‌রেন বি‌দে‌শে খরচ ক‌রেন। দে‌শে কোন শৃঙ্ক্ষলা প্র‌তি‌ষ্ঠিত হোক অ‌নে‌কেই চান না। ক্নো, তা‌তে অ‌নেক লো‌কের সহজ ইনকাম থাক‌বে না। এক‌টি বা‌জে ক্ল্পনা, দে‌শের সেরা ছাত্র‌টি হয়‌তোবা কেরানী কিংবা স‌চিব হয়। কিন্তু অ‌সেরা ছাত্র‌টি হন এম‌পি, মেয়র কিংবা মন্ত্রী। প‌রিবর্তন আস‌বে কি ক‌রে। স্বার্থবাদীরা প‌রিবর্তন আস‌তেই দে‌ব্নো।

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১২:৫৯

ভুয়া মফিজ বলেছেন: সঠিক কথাই বলেছেন।
তবে, আপনি যে আলোচনা করছেন সেটা অন্য প্রসঙ্গ। বরন্চ, এটা নিয়ে আপনি একটু বিস্তারিত লিখে একটা পোষ্ট দিন।

৭| ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১২:৫৪

হাবিব স্যার বলেছেন: তাহলে মনে হয় বুদ্ধি এখন ঘুমিয়ে আছে.....তাই টের পাচ্ছি না,........ :)

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১২:৫৭

ভুয়া মফিজ বলেছেন: সেটাই হবে বোধহয়! :)

৮| ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১:০৬

তাজেরুল ইসলাম স্বাধীন বলেছেন: ভূলুন্ঠিত হোক অহংকার, মুছে দিয়ে অতীতের ভুল।

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১:০৯

ভুয়া মফিজ বলেছেন: হোক.....তবে তাই হোক! :)

৯| ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১:৩১

আনু মোল্লাহ বলেছেন: আপনার আলোচনা সম্পূর্ণ সঠিক।
আমাদের আইন-কানুনগুলো সময়োপযোগী না এবং সেটার কোন প্রয়োগও নাই।
এই সব কিছু নিশ্চিত করার দায়িত্ব হচ্ছে সরকারের।

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১:৪০

ভুয়া মফিজ বলেছেন: ধন্যবাদ। ঠিক আপনার এই কথাগুলোই বলতে চেয়েছি আমি। :)

১০| ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১:৩১

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: আমার ম‌নে হয় দা‌য়িত্ব দু'প‌ক্ষেরই। সরকা‌রের দা‌য়িত্ব ৬০% আর জনগ‌ণের দা‌য়িত্ব ৪০% ধর‌তে পা‌রেন। জনগণ আইন ভাঙ্গ‌বে, শা‌স্তি দে‌বে প্রশাসন। সরকার য‌দি আইন ভা‌ঙ্গে তাহ‌লে তাহ‌লে নির্বাচ‌নের সময় শা‌স্তি দে‌বে জনগণ। কিন্তু সবই কেবল অলীক কল্পনা বাংলা‌দে‌শে। আমা‌দের দে‌শে কখ‌নো হ‌বে কি?

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১:৪৭

ভুয়া মফিজ বলেছেন: এই ৬০-৪০ পার্সেন্টেজ কিভাবে ঠিক করলেন? আচ্ছা....বুঝলাম। এটা আনুমানিক।

কিন্তু আপনি যে বললেন, জনগণ আইন ভাঙ্গ‌বে, শা‌স্তি দে‌বে প্রশাসন। আচ্ছা, এই আইনটা তৈরী করবে কে? সরকার। প্রয়োগ করবে কে? সরকার। তারপরে না আসছে আইন মানা না মানা কিংবা শাস্তির ব্যাপার....ঠিক কিনা?

জনগনের কাজ এখানে নাচা.....সুতা তো সরকারের হাতে।

সবই কেবল অলীক কল্পনা বাংলা‌দে‌শে সেজন্যেই তো এতো কথার অবতারনা। সব ঠিক থাকলে কি এতো কথা বলার দরকার পরতো? বলেন?

১১| ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ২:০৯

আখেনাটেন বলেছেন: এটা কি কাকতালীয় নাকি?

ঠিক এই একই বক্তব্য নিয়ে আমিও একখান নাতিদীর্ঘ লেখা লিখতে বসেছিলাম। আপনার উপরিল্লিখিত ব্লগার রাষ্ট্রের এক গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে থেকেও জনগণের ঘাড়ে ঠেলে দিলেন সবকিছু। অবশ্য সেটা না করেও উনার উপায় নেই। এররকম অনেক ব্লগারকেই দেখি জনগণের উপর দোষ চাপিয়ে দিতে। রাষ্ট্রের উদ্ভব; সরকারের দায়িত্ব ও কর্তব্য ইত্যাদি নিয়ে আমাদের পর্যাপ্ত জ্ঞান থাকা দরকার। আপনার লেখাতে অনেক কিছুই তুলে ধরেছেন। এরপরও অন্তত বোধোদয় হওয়া দরকার, কেন সরকার প্রতিষ্ঠা করা হয়?

কিছুদিন আগে আমি ব্লগার আহমেদ জী এস ভাইয়ের ব্লগে এই নিয়ে একটি মন্তব্য রেখেছিলাম। ঐটাই কপি-পেস্ট করলাম:

" এ জীবন আমরাই তৈরি করেছি একান্তই নিজ নিজ স্বার্থের কারনে -- আসলে এটা মানব প্রকৃতি। দেশ ও জাতিভেদে এর কোনো ভিন্নতা নেই। প্রতিটি মানুষ, প্রতিটি জাতি নিজ নিজ অবস্থানে স্বার্থপর। তা না হলে বিশ্বে এত এত যুদ্ধ বিগ্রহ হওয়ার কথা না।

এখানে উন্নত দেশ বলে তাদের মন-মানসিকতা উন্নত আর আমরা অনুন্নত দেশ বলে আমরা খারাপ এটা নয়। বাস্তবতা হচ্ছে তারা অন্যায়গুলো করতে পারে না কারণ সুশৃঙ্খল আইনের শাসন। এখন হয়ত বলবেন 'তারা ভালো বলেই তো সেই শাসনব্যবস্থা তৈরি করেছে'। বরং উল্টোটা সত্যি যে 'শাসন ব্যবস্থা ভালো বলেই তারা ভালো হয়ে গেছে'। তাহলে এই ভালো শাসনব্যবস্থা কে তৈরি করল? এটার উত্তর হতে পারে 'কিছু সেইন মানুষ বা নেতা'। আর এই নেতা জনগণ তৈরি করে নি। ন্যাচারালী এবং এ্যাবরাপ্টলী ঘটেছে। এভাবেই সাধারণ জেলেপাড়া থেকে সিঙ্গাপুর হতে পারে এক লি কুয়ানের কারণে। মাহাথিররা তৈরি করতে পারে চাকচিক্যময় দেশ। দক্ষিণ কোরিয়ার মতো সম্পদহীন দেশও পার্কের কারণে উন্নত বিশ্বের কাতারে আসতে পারে। পাশাপাশি দেশ ফিলিপাইন, উত্তর কোরিয়া, ইন্দোনেশিয়ানরা এ দেশগুলোতে কামলা পাঠিয়ে খুশি হয়।

এই লি, মাহাথির, পার্কেদের মতো নেতা আমরা বা আমাদের মতো তৃতীয় বিশ্বের অপরাপর দেশেরা পায় নি বলেই এখনও আইজুদ্দিনের মতো মানুষদের ভাষণ দিতে হচ্ছে, সুবোধদের পালিয়ে বেড়াতে হচ্ছে।

যে পরিবারের কর্তা নিয়ম নীতির তোয়াক্কা করে না, সে পরিবারের সদস্যরা কি কর্তাকে বাধ্য করাতে পারে তা করতে। আর ঐ পরিবারের সদস্যরাতো নিয়ম ভঙ্গকারীই হবে। এইসব নিয়ম ভঙ্গকারীদের কন্ট্রোলে আনার জন্যই রাষ্ট্রের উদ্ভব হয়েছে। তাই 'কল্যাণকর রাষ্ট্রের' কাজই হচ্ছে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা। আর এটা করবে ঐ 'কিছু সেইন নেতা', জনগণ নয়। সেই নেতা একদলীয় হতে পারে, অথোরিটারিয়ান হতে পারে, ডিকটেটর হতে পারে। উপরের ঐ সব নেতারা এইসব উপাধীতেই ভূষিত। আর ঐ রকম নেতার অভাবে আমরা ভুগছি অর্ধ-শতাব্দী পরেও।"

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ২:২৪

ভুয়া মফিজ বলেছেন: পুরানো একটা ইংলিশ প্রবাদ দিয়েই শুরু করি, Great minds think alike. :P

আপনার মন্তব্যের প্রতিটা শব্দের সাথেই আমি একমত। আপনার লেখাটা শেষ করেন নাই? শেষ করে পোষ্ট করে ফেলুন। জী এস ভাইএর পোষ্টে চমৎকার মন্তব্য করেছেন। এগুলো আসলে আমারও মনের কথা। আপনার বলা সেই 'সেইন নেতা'র প্রায় সব উপাদানই আমাদের বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর রয়েছে। সেজন্যে উনাকে একটা চিঠিও লিখেছিলাম.....খোলা চিঠি। পড়েছেন? না পড়লে দেখতে পারেনview this link

আসলে আমাদের চিন্তা-ভাবনায় যে ভূলগুলো আছে, তারই সুযোগ নেয় আমাদের সুযোগ্য নেতারা। সুযোগটা আমরাই করে দেই। কাজেই দোষ আমাদেরও আছে।

আরো কতো কথা বলতে চাই......টাইপ করতে করতে হাত ব্যাথা হয়ে যায়। তাই মনের অনেক কথা মনেই রয়ে যায়!!! :(

১২| ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ২:৩৯

আখেনাটেন বলেছেন: আপনার লেখাটা শেষ করেন নাই? শেষ করে পোষ্ট করে ফেলুন। -- সেটা আর মনে হয় দরকার নেই। আপনার এই বুষ্টার ডোজ আগে আমপাবলিকের শরীরে ঠিকমত অভিযোজন করুক। তারপর ভেবে দেখা যাবে ক্ষণ! :P


আসলে আমাদের চিন্তা-ভাবনায় যে ভূলগুলো আছে, তারই সুযোগ নেয় আমাদের সুযোগ্য নেতারা। সুযোগটা আমরাই করে দেই। কাজেই দোষ আমাদেরও আছে। -- সহমত। এই ভুল চিন্তার সুযোগগুলোই নেতারা নিচ্ছে।

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ২:৪৫

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আপনার এই বুষ্টার ডোজ আগে আমপাবলিকের শরীরে ঠিকমত অভিযোজন করুক। তারপর ভেবে দেখা যাবে ক্ষণ! না, এটা ঠিক না।
এসব বক্তব্য যতো বেশী মানুষের কাছে পৌছানো যায় ততোই ভালো। বাস্তবতা হলো, আপনার পাঠক-সংখ্যা আমার থেকে বেশী। কাজেই আপনার লেখা উচিত। তাছাড়া, এন্টিবায়োটিক কিভাবে কাজ করে জানেন তো? প্যাথোজেন'কে সুযোগ দেয়া ঠিক না। চতুর্দিক থেকে আক্রমন করা উচিত। :)

১৩| ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ২:৪৪

আখেনাটেন বলেছেন: আপনার বলা সেই 'সেইন নেতা'র প্রায় সব উপাদানই আমাদের বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর রয়েছে। --- আমিও তাই মনে করি। কারণ উনার কোনো পিছুটান নেই। জড়গোষ্ঠির ঝাঁড়েবংশে দেশের বাইরে বংশবিস্তার করছে। উনি চাইলেই দেশের জনগণকে ডান্ডা মেরে কঠোর আইনের বেড়াজালে আবদ্ধ করতে পারেন।

চিরাচরিত নীতিবিহীন সমাজকাঠামোর মূলে করাঘাত করে নতুন করে সাজাতে পারেন। উনার কথার বিপক্ষে টু শব্দ করারও কেউ নেই। বরং জনগণ খুশিই হবে।

কিন্তু...। আপসোস করা ছাড়া আর কী-ই-বা করার আছে? :(

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৩:০৩

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আপসোস করা ছাড়া আর কী-ই-বা করার আছে? :(

ঠিক-ই বলেছেন। এই আপসোস নিয়েই একদিন মরে যেতে হবে। :((
তারপরেও মাঝে-মধ্যে মনে ক্ষীণ আশা জাগে, .......যদি.......!!!

১৪| ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৩:১২

করুণাধারা বলেছেন: মনে হয় এক্ষেত্রে সরকারের দায়িত্ব বেশি। সদিচ্ছা থাকলেই সরকার মানুষকে আইন শেখাতে পারবে, কিন্তু এই সদিচ্ছার জন্য কিছু প্রস্তুতির দরকার আছে। ধরুন সরকার আইন করেছে রাস্তা পার হতে গেলে ওভার ব্রিজ, জেব্রা ক্রসিং দিয়ে পার হতে হবে। কিন্তু জনগণ দেখা যাচ্ছে ওভারব্রিজে না গিয়ে ঝুঁকি নিয়ে ওভার ব্রিজের নিচে দিয়ে রাস্তা পার হচ্ছে, আবার জেব্রা ক্রসিং এ মানুষ থাকা অবস্থায় গাড়ি চলছে। এইসব সংস্কৃতির অবসান করতে কেবল আইন করা যথেষ্ট নয়, আইনের প্রয়োগ করার জন্য যে জনবল রাখা দরকার। তা নেই আমাদের। আমাদের নেতৃত্ব মনে করেন আইন করে দিয়েছি এখন মানার দায়িত্ব তোমাদের.........

এই যে রমজান মাস আসছে, কিছু কিছু খাবারের দাম বেঁধে দেয়া হবে, আইন করে- কিন্তু কেউ তা মানবে না। না মানলেও কোন শাস্তি না থাকলে মানতে যাবে কেন?

শাস্তির কথা যদি বলি, আবার জরিমানা যদি করা হয়েই যায়, তাহলে যে জরিমানা করছে, তাকে কিছু দিয়ে 'খুশি' করা হয়। এটাই সবকিছুর মূলে আছে। আপনি যে বললেন ব্রিটেনে সিগারেটের বাট রাস্তায় ফেললে অর্থদণ্ড হয়, আমাদেরও আইন আছে প্রকাশ্য স্থানে সিগারেট খেলে ৫০ টাকা অর্থদন্ড হয়, কিন্তু অনেককেই প্রকাশ্যে সিগারেট খেতে দেখি কোন শাস্তি হয় না ধরা পড়লে পুলিশকে দশ টাকা দিলেই চলে। এই পুলিশ জনগণের অংশ নাকি সরকারের অংশ?

কথা আর বাড়াই না। আমার মন্তব্য নাকি প্রাণহীন, দীর্ঘ.......

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৩:২৭

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আমার মন্তব্য নাকি প্রাণহীন, দীর্ঘ....... কে বলেছে এই কথা? দুর্মুখের কথায় কান দিবেন না।

সরকারের দায়িত্ব বেশি কি বলছেন, পুরো দায়-ই তো সরকারের। আমি মানছি, আমাদের দেশের সরকারের রিসোর্সগত কিছু সীমাবদ্ধতা আছে। কিন্তু সদিচ্ছার সীমাবদ্ধতা যখন দেখি? এটাকে কি বলবেন? ঢাকা মহানগরী একপাক ঘুরলেই তো বোঝা যায় প্রশাসন কতোটা সক্রিয়.....আর তারা কি করছে?

একটা আইন করে তার প্রয়োগে যাওয়ারও তো একটা প্রসেস আছে। সেই প্রসেস তো ফলো করতে হবে। সেটা অন্য প্রসঙ্গ, তাই এখানে কিছু বলছি না। এখানে, এন্ড রেজাল্ট নিয়ে কথা বলছি। সব একসাথে বলতে গেলেতো এক পোষ্টে কুলাবে না!!

তবে, আমি আপনাকে এই নিশ্চয়তা দিতে পারি.....বর্তমান রিসোর্স দিয়েই অবস্থার অনেক অনেক উন্নতি সম্ভব। অবশ্যই সম্ভব।।

১৫| ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৩:৪৯

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: উনার ঐ পোস্টে আমার করা মন্তব্যেও উনি রাজনীতিবিদদের দায় না দিয়ে আমাদের উপর দিয়েছেন। আপনার সাথে সহমত। সরকার ঠিক থাকলে জনগণ লাইনে আসতে বাধ্য। আপনি, আমি বা অন্য কেউ যেই মাত্র উন্নত দেশে পা রাখছি সাথে সাথে আমাদের মধ্যে পরিবর্তন আসছে। অথচ সেই আমরা নিজের দেশে একই সচেতনতা দেখাচ্ছি না। কিছুদিন আগে আমি দেশে এক মাইক্রোতে ড্রাইভারের পাশের সীটে বসে বেল্ট খুঁজছিলাম। ড্রাইভার তখন বলে, "পুলিশ আপনেরে ধরব না, আপনেরে কিছু কইবো না। আমারে কইবো। আমি পরি, আপনের পরার দরকার নেই!"

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৫:০৭

ভুয়া মফিজ বলেছেন: ইনার পরিচয় জানতাম না, ব্লগার আখেনাটেন জানালেন ইনি রাষ্ট্রের এক গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে আছেন। তো বুঝতে আর বাকী নাই যে, কেন উনি জনগনের উপর দোষ চাপাচ্ছেন! সেটাই তো স্বাভাবিক!!

এরা নিজেরা জনবিচ্ছিন্ন থাকে, রাজনীতিবিদদেরও জনবিচ্ছিন্ন করে দেয়। এরাই জনগনের কাছ থেকে 'স্যার' সম্মোধন আশা করে। জনগনের টাকায় বিদেশ গিয়ে কিছুই শিখে না.....প্রমোদ-ভ্রমন করে চলে আসে। আর কতো বলবো....টায়ার্ড হয়ে গেলাম।

এদের কারনেই সিঙ্গাপুর একটা জেলেপাড়া থেকে উন্নত বিশ্বের অংশ, আর বাংলাদেশ তার প্রাচীন সভ্যতা আর ঐতিহ্য হারিয়ে জেলেপাড়ার চেয়েও খারাপ দিকে যাচ্ছে। শেইম অন দেম। এখন এরা টের পাবে না.....টের পাবে মরার পর। এ্য বান্চ অফ ইডিয়েটস!!

১৬| ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৪:৪৩

পাঠকের প্রতিক্রিয়া ! বলেছেন: বড় পোস্ট।

আমি পড়তে পারবো না, রাজিব নুর এসে পড়ুক।



ডিম আগে এসেছে, নাকি মুরগি আগে এসেছে?
পৃথিবী প্রথমে মোরগ, মুরগি এসেছে। বর্তমানে মুরগী থেকে ডিম হয়, আর ঐ ডিম থেকে মোরগ/মুরগি। সেই সব ডিম আর মুরগি আমরা খাই..:D

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৫:১০

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আপনার সুচিন্তিত মতামত পেয়ে যারপরনাই আনন্দিত হলুম। আর ডিম-মুরগীর ব্যাখ্যা তো কল্পনাতীত!

লুলামী ছেড়ে ভালো হওয়ার চেষ্টা করেন......ভালো হইতে খুব বেশী কষ্ট হওয়ার কথা না! :P

১৭| ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৫:০৬

অজ্ঞ বালক বলেছেন: মফিজ ভুয়া হইবার পারে তবে তার পোস্টগুলা আসল, খাঁটি ও টাটকা। ঠিক যেন কচি শসা। যাই হোক, কথা একটাই - লাঠির বাড়ি। দৌড়াইয়া রাস্তা পার - লাঠির বাড়ি।
হুদাই ওভারটেক - লাঠির বাড়ি।
ফুটপাথে/রং রুটে গাড়ি - লাঠির বাড়ি।
রাস্তায় ময়লা - লাঠির বাড়ি।
দুই নাম্বারি - লাঠির বাড়ি।

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৫:১৫

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আপনের মতো লোকই দরকার প্রশাসনে।

একটু তেড়িবেড়ি করলেই লাঠির বাড়ি। লাঠি ছাড়া কোন দেশের মানুষই ঠিক হয় নাই, হবেও না।

ভুয়া মফিজের উপরে আপনের অগাধ আস্থা দেইখা আমার চোখের পানি আটকাইতে পারতাছি না, বাধ ভাইঙ্গা উপচাইয়া পড়তাছে। :((

১৮| ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৫:২০

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: মানুষের মধ্যে যেমন ভালো দিক আছে, তেমনি খারাপ দিকও আছে। মানুষ অত্যন্ত বেয়াড়া প্রাণী। মানুষের এই বেয়াড়াপনা নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য আইন কানুন, জেল জরিমানা এসবের ব্যবস্থা পৃথিবীর সব দেশে আছে। উন্নত দেশগুলোতে শুধু ব্যবস্থা নয়, কঠোর প্রয়োগও আছে। কিন্তু আমাদের দেশে প্রয়োগ নাই বললেই চলে। তাই সরকারের দায়িত্বই প্রধান এবং একমাত্র সমাধান। মানুষ আইন কানুন ভাঙবেই, সরকার কঠোর হাতে তা' দমন করলে দেশ অবশ্যই ভালোভাবে চলবে। আপনার বক্তব্যের সাথে আমি একমত।

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৫:৩৬

ভুয়া মফিজ বলেছেন: 'গুরুজন' আর 'গরুজন' এর মধ্যে তফাৎ আছে। আমি জানি, আপনি একজন গুরুজন....হেনাভাই। সুতরাং আপনি সঠিক জিনিসটাই বুঝবেন। দেশ ভালোভাবে চালাতে কঠোরতার কোন বিকল্প নাই, আপনি আপনার অভিজ্ঞতা দিয়েই এটা বুঝতে পারছেন।

যে দেশে সরকার ঠিক, সে দেশে জনগনও ঠিক। আল্লাহ সঠিক মানুষকে সঠিক বুঝ দিন।

১৯| ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৫:২২

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: ১৭ নম্বরে অজ্ঞ বালকের মন্তব্যের সাথেও একমত। কারণ মাইরের উপ্রে কোন ওষুধ নাই।

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৫:৩৮

ভুয়া মফিজ বলেছেন: উনি একজন অভিজ্ঞ বালকও বটে, সঠিক জিনিসটা ধরতে পেরেছেন। :)

২০| ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৫:৪৪

রাজীব নুর বলেছেন: পরকালের ভয় দেখিয়ে ইহকালকে নরক বানানোটা মহাকালের মধ্যে পড়লেও পড়তে পারে।

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৫:৪৭

ভুয়া মফিজ বলেছেন: তা পারে বৈকি! পাঠকের প্রতিক্রিয়া (মন্ডল সাব) আপনার কথাই স্মরণ করছিল! ;)

২১| ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৫:৫৬

জুন বলেছেন: সরকার যদি আইন প্রনয়ণ করে তবে জনগন মানতে বাধ্য মফিজ। তবে তা হতে হবে কঠোর এবং প্রয়োগ হবে সাথে সাথে।
এ কথাটি আমি ব্লগেই অনেকবার বলেছি তারপর ও আরেকবার বলার লোভ সামলাতে পারছি না। কলকাতা নিউ মার্কেটর সামনে কলা কিনলাম, বিক্রেতা একটা বাক্স দেখিয়ে বল্লো " খোছাটা এখানে ফেলুন দিদি, না হলে পুলিছ আমাকে পঞ্চাছ পয়ছা জরিমানা করবে "। তারা পঞ্চাশ পয়সার ভয়ে কায়র আমাদের জন্য থাইল্যান্ডের আইন প্রনয়ণ করতে হবে। রাস্তাঘাটে থুতু ফেলা, সিগারেটের টুকরা ফেলার মত ছোটখাট আইন অমান্য করার জন্য একদাম ২০০০ বাথ। অনেক থাই এর জন্য দুই হাজার বাথ কম নয়। আর বড় কিছু করলে কয়েক লক্ষ বাথ জরিমানা সাথে জেল। থাই জেলের স্বাদ যে একবার পেয়েছে তার দ্বিতীয়বার সেই অন্যায় করার কথা স্বপ্নে ভাবলেও হার্ট অ্যাটাক হবার কথা।
ভালোলাগলো সচেতনতামুলক লেখাটি তবে বিড়ালের গলায় ঘন্টা বাধবে কে?

১৭ ই এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ১১:৫৪

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আমাদের দেশে আইন তো আছে, কিন্তু প্রচুর ফাক-ফোকরও আছে। সেগুলো বন্ধ করতে হবে। আর জনগন এমনি এমনি আইন মানবে না.....বাধ্য করতে হবে। দৃষ্টান্ত তৈরী করতে হবে।

আইন কঠোর হতে হবে আর প্রয়োগ হবে সাথে সাথে, এটাই আসল কথা। সরকারের গলায় ঘন্টা আর কে বাধবে, তাদের নিজেদেরকেই বাধতে হবে....যদি সদিচ্ছা থাকে!

২২| ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:০২

আরোগ্য বলেছেন: মানুষ নিয়ম ভাঙার চেষ্টা করবে এটা সহজাত প্রবৃত্তি। কিন্তু শাসক তা মেনে নিবে এটা কেমন প্রবৃত্তি?
যে সরকার নিয়ম কানুন ঠিকমত প্রয়োগ করতে পারে না সে কি ব্যর্থ সরকার নয়?

দেশ উন্নয়নেেে জোয়ারে ভাসছে এটা কি সরকারি দলের লোক বলবে নাকি আম পাবলিক বলবে? তাছাড়া এটা তো বলে বেড়ানোর কথা, পেট ভরা থাকলে মুখের হাসিই বলবে মানুষ কতটা শান্তিতে আছে।

১৭ ই এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ১১:৫৯

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আজকাল তো সবাই নিজের ঢোল নিজেই পেটায়....সরকার আর বাদ থাকবে কেন? :)
পাবলিক যেদিন বলবে, দেশ উন্নয়নের জোয়ারে ভাসছে.....সেদিনই উন্নতি হচ্ছে বলা যাবে। আমাদের দেশটাও তো সিঙ্গাপুরের চেয়ে কোন অংশে কম না। কিছু মানুষের জন্যই আমরা বার বার পিছিয়ে যাচ্ছি। এর থেকে মুক্তি পেতে হলে আসলেই কিছু একটা করা দরকার!

২৩| ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৩৫

মাহমুদুর রহমান বলেছেন: দেশের বিষয়ে মাথা ঘামিয়ে কি লাভ যেখানে শুধু স্বার্থ আর স্বার্থ।মাত্রাতিরিক্ত স্বার্থ?

১৭ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১২:২৩

ভুয়া মফিজ বলেছেন: দেশের বিষয়ে মাথা ঘামালে আমাদের সবার লাভ। দেশটা তো আমাদেরই......নাকি ভুল বললাম। :)

২৪| ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৪২

ব্লগার_প্রান্ত বলেছেন: আগে ব্যবসায়ী
না পড়ে মন্তব্য করলাম, আজকে খুব গরম
এসি টাইপের একটা পোষ্ট দেন ভাই। পড়ে শান্তি পাই

১৭ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১২:৫০

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আমি তো হুমায়ুন আহমেদ না যে, ফরমায়েশ দিলেই লেখা নামিয়ে ফেলবো! :P

মাথা গরম হয়ে আছে। এসি টাইপের পোষ্ট মাথা ঠান্ডা হলে লিখবো। আর দেশে গরম তো সবে শুরু! এসি টাইপের পোষ্ট পড়ার প্রচুর সময় আছে! :)

২৫| ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৮:৫৫

বলেছেন: আপনি তো দেখি একবার টিকেট খেয়ে সারাজীবনের শিক্ষা পেয়ে গেলেন আমিতো প্রতিমাসেে না হয় দু মাস অন্তর একটা টিকেট খেয়ে বসি।
আইনের প্রয়োগ ছাড়া কোনক্রমেই সার্বিক লক্ষ্য অর্জন সম্ভব নয়।


পোস্ট ভালোলাগা মফি ভায়া।

১৭ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১:০৯

ভুয়া মফিজ বলেছেন: এতো ঘন ঘন টিকেট খান কেন? ঘটনা কি?
আপনার কি ঘন ঘন ক্ষুধা লাগে? :P

২৬| ১৭ ই এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ৯:৫৪

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
আইনের প্রয়োগে কঠোর হতে হবে তবে সুফল পাওয়া যাবে।

সরকার ও জনগন সবাইকেই এগিয়ে আসতে হবে।
+++++++++++

১৭ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১:১৬

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আইনের প্রয়োগে কঠোর হতে হবে তবে সুফল পাওয়া যাবে। ঠিকই বলেছেন। কঠোরতার কোন বিকল্প নাই।

২৭| ২৩ শে এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১২:৩০

নীলপরি বলেছেন: খুব ভালো লিখেছেন ।

২৩ শে এপ্রিল, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:২৪

ভুয়া মফিজ বলেছেন: ধন্যবাদ। আপনারা এমন করে বললে লেখালেখিতে খুব উৎসাহ পাই! :)

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.