নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ভুয়া মফিজ

ভুয়া মফিজের সাথে ভুয়ামি না করাই ভালো...

ভুয়া মফিজ › বিস্তারিত পোস্টঃ

ফুড ফর থট!!!!

২৪ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ রাত ৮:৩৫



একটা বিশাল আলোচনাকে সংক্ষিপ্ত আকার দেয়া খুবই কঠিন, বিশেষ করে আমার জন্যে। তারপরেও বর্তমান পরিস্থিতিতে ভাবলাম কিছু কথা বলা উচিত। দেশের আভ্যন্তরীন বা আঞ্চলিক রাজনীতিতে ক্রমাগত বড় বড় ভূমিকম্প আসছে। এতোটাই যে, কোনটা মূল আর কোনটা আফটার শক, বোঝাই দায়। এই ভূমিকম্প সৃষ্টির মূল দায় আমাদের বৃহৎ প্রতিবেশী ভারতের। কেন এই কথা বললাম? সেটা বোঝার জন্য একটু পেছন ফিরে দেখা দরকার।

হাসিনার গত ১৬ বছরের স্বৈরাচারী শাসনে ভারত বিনা পরিশ্রমে নিয়মিত হালুয়া-রুটি খেতে খেতে বেশ মোটাতাজা হয়ে উঠেছিল। দিন ভালোই যাচ্ছিল তাদের। কিন্তু হঠাৎ বিনামেঘে বজ্রপাতের মতো দেশের ছাত্র-জনতা হাসিনাকে লাথি মেরে দেশ থেকেই বের করে দিলো। শুধু হাসিনাই না, তার ঘটি-বাটি-কাথা-কম্বলসহ তাকে ভারতে পালিয়ে যেতে বাধ্য করলো। ঠিক এই পয়েন্টেই শুরু হলো ভারতের ভাণুমতির খেল। যেই ভারত গত ১৬ বছর ফেয়ার এন্ড ইনক্লুসিভ ইলেকশান, গণতন্ত্র, মানবাধিকার ইত্যোকার বিষয় নিয়ে টু-শব্দও উচ্চারণ করে নাই, তাদের হঠাৎ করেই সব সেন্সরগুলো সজাগ হয়ে উঠলো। এখন তারা ফেয়ার এন্ড ইনক্লুসিভ ইলেকশান, গণতন্ত্র, মানবাধিকার শব্দগুলো এমনভাবে বলে যেন এটাই তাদের মূল ধ্যান-জ্ঞান।

দুধ দেয়া গরু যখন তাদের কাছে গিয়ে দুধ দেয়া বন্ধ করে দিলো, তাদের মাথা খারাপ হয়ে গেলো। '২৪ এর ৫ই অগাষ্টের পর থেকে ভারত বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য হেন কোন কাজ নাই, যা করে নাই। ক্রমাগত বাংলাদেশের নামে মিথ্যা প্রচারণা, ব্যবসা-বানিজ্যে বাধা সৃষ্টি, বাংলাদেশের যারা চিকিৎসা সেবা নিতে ভারত যেতো, তাদের সেবা বন্ধ করে দেয়া, সীমান্তে অস্থিরতা তৈরী করা, বাংলাদেশের অভ্যন্তরে অস্থিতিশীল অবস্থা তৈরী করা, তাদের আশ্রয়ে থাকা হাসিনাসহ আওয়ামী নেতা-কর্মীদের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি করা, ভারতে থাকা বাংলাদেশের মিশনগুলোতে হামলা এবং হামলার হুমকি............কোনটা রেখে কোনটা বলবো?

ভারত কখনওই তাদের কোন প্রতিবেশীর সাথে ন্যয্য আর সমতাভিত্তিক আচরণ করে নাই। আর হাসিনা তথা আওয়ামী লীগের সাথে তো তাদের সম্পর্ক ছিলো প্রভু-ভৃত্যের। এখন যখনই বাংলাদেশ জবাব দেয়া শুরু করেছে, তাদের আচরণ হয়ে উঠেছে উন্মাদের মতো। ফলে তারা শিলিগুড়ি চিকেন নেককে ''চিকেন ব্রেস্ট'' বানানোর হুমকি দিচ্ছে। ফেনী করিডোর কাট-অফ করে চট্টগ্রামকে আলাদা করে ফেলার হুমকি দিচ্ছে। শুধু হুমকি দিয়েই বসে নাই তারা। আসামের ধুবড়ি সংলগ্ন বামুনী, বিহারের কিশোনগন্জ আর উত্তর দিনাজপুরের চোপড়া এলাকায় গড়ে তুলেছে নয়া তিনটা সামরিক ঘাটি; আর মিজোরামের আইজলের কাছে একটা প্রক্রিয়াধীন আছে যার সম্ভাব্য স্থান পারভা ও শিলছড়ি যা কিনা চট্টগ্রাম সীমান্তের একদম কাছে। তাছাড়া ত্রিপুরাতে এক ব্যাটালিয়ান সেনা মোতায়েনের খবরও পাওয়া যাচ্ছে।

এই প্রস্তুতি বোঝায় ভারত এখন কেবল রাজনৈতিক না, সামরিক বিকল্পও বিবেচনা করছে। ভারত এখন বাংলাদেশের ভেতরে অস্থিরতা সৃষ্টি আর বৈদেশিক নীতি দূর্বল করার স্ট্র্যাটেজি নিয়েছে। বাংলাদেশে উগ্রবাদ বাড়ছে, তাই ভারতের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন; এই বয়ান তৈরী করছে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জন্য। বর্তমান সরকার তুরস্ক, চীন আর পাকিস্তানের সাথে বিভিন্ন এমওইউ করছে ঠিকই তবে নতুন নির্বাচিত সরকার আসার আগেই সবগুলো পাকাপোক্ত চুক্তি করে ফেলা জরুরী। আরও জরুরী পাক-সৌদি প্যাক্টের অংশীদার হওয়া। চীন সবসময়েই সরাসরি এই ধরনের চুক্তি থেকে দূরে থাকে; তবে তারা যেভাবে পাকিস্তানের সাথে সম্পর্ক রাখে, সেটা বাংলাদেশ ফলো করতে পারে। তাছাড়া পাকিস্তান যেভাবে চীন আর আমেরিকার সাথে সম্পর্কের ভারসাম্য রক্ষা করে চলে, সেই মডেল নিয়েও বাংলাদেশের চিন্তা-ভাবনা করা প্রয়োজন। মনে রাখতে হবে, এই সরকারের হাতে সময় অত্যন্ত কম। অলসতা আর দীর্ঘসূত্রিতার মাধ্যমে তারা প্রচুর মুল্যবান সময় নষ্ট করেছে; এখন সময় বাকী কয়েকটা দিন গা-ঝাড়া দিয়ে উঠে পাকাপোক্ত কিছু করে যাওয়া।

মজার ব্যাপার হলো, ভারতের গোদি মিডিয়া সেভেন সিস্টারর্স নিয়ে ইউনুসের ব্যবসা সংক্রান্ত বয়ানকে বিকৃত করাসহ বিভিন্নভাবে প্রভোক করছে যেন বাংলাদেশ সেসব নিয়ে কথা বলে। সেই ফাদে পা দিয়েছে হাসনাত। তবে তার এসব বক্তব্য আবেগী কথা-বার্তা। বাংলাদেশের দিক থেকে সেভেন সিস্টারর্স নিয়ে কিছু করার যে সক্ষমতাই নাই......... এটা একেবারে মহাবেকুব বা ধান্ধাবাজ না হলে সবাই জানে!! কিন্তু এসবকে সিরিয়াসলী নেয়ার ভান করে ভারত যেসব পদক্ষেপ নিচ্ছে, তা সন্দেহজনক। ভারত কি করবে বা করতে পারে সেধরনের সব বিষয়গুলোই এই সরকারের মাথায় রাখতে হবে। এটাই স্ট্র্যাটেজিক থিঙ্কিং এর বেইজ লাইন।

ধরে নেয়া যেতে পারে যে, আগামী নির্বাচনের মাধ্যমে বিএনপি সরকার গঠন করবে। তবে বিএনপি যে ভারতের কাছে দাসখত দিয়ে ক্ষমতায় আসবে, তাতে কোনই সন্দেহ নাই। তার প্রচুর নমুনা আছে। এই নিয়ে আমি বেশ কিছু পোষ্ট লিখেছিলাম আগে, তাই আপাততঃ বিস্তারিততে যাচ্ছি না, যদিও ভবিষ্যতে এটা নিয়ে আরো লেখার ইচ্ছা আছে। আপনারা যারা বিএনপিকে ভোট দেয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন; হালুয়া-রুটি খাওয়া মানসিকতাসম্পন্নদের না, সাধারন ভোটারদের বলছি..........ভারতের প্রেসক্রিপশানে বিএনপি'র মাধ্যমে রিফাইন্ড আওয়ামী লীগকে পূনর্বাসিত করবেন নাকি নাকি দেশপ্রেমিক সরকার আনবেন, সেটার ভাবনা এখন থেকেই শুরু করেন। আজ থেকে দশ বছর পরের জেনারেশান যখন আপনাদের জিজ্ঞেস করবে............দেশকে আবার গড়ে তোলার এতো ভালো একটা সুযোগ পেয়েও তোমরা আবার ভারতের খপ্পরে গিয়ে পড়লা কেনো? কি জবাব দিবেন? ভাবনা-চিন্তা করার এখনই সময়!!!

মোদির ভারত এখন আর বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ গণতন্ত্রের দেশ না, বরঞ্চ মোদির ধন-তন্ত্রের দেশ। কি কইলাম বুঝলেন তো, নাকি ভাইঙ্গা বলতে হবে? বিএনপি সেই যন্ত্র আকড়িয়ে ধরেই এখন ক্ষমতায় আসতে চাচ্ছে। তাদেরকে আসতে দিবেন কি দিবেন না, এইটা আপনাদের বিবেচনা। মনে রাখবেন, আপনাদের ভুল সিদ্ধান্তের কারনে বিএনপি যদি ক্ষমতায় আসে, আগামী ৫০ বছরেও দেশ এই ভয়ঙ্কর চক্র থেকে বের হতে পারবে না। বাংলাদেশ যদি সিকিম হয়ে যায়, তাহলে আপনাদের সন্তানেরা কোনদিন আপনাদের ক্ষমা করবে না। কারন, আওয়ামী লীগের ক্ষমতায় থাকাকালীন যেই ভুল ভারত করেছে তার পুনরাবৃত্তি তারা আর করবে না। অখন্ড ভারতের দ্রুত বাস্তবায়নই আমরা দেখবো।

আমার এই বিরক্তিকর লেখাটা এতোদূর পর্যন্ত যখন পড়েছেনই, একটা গল্প শোনাই। কুট্টি গল্প।

গ্রামের রাস্তায় হাটতে হাটতে দুই পথিক ক্লান্ত হয়ে এক গাছের ছায়ায় বিশ্রাম নিচ্ছে। স্বাভাবিক কথোপকথনের এক পর্যায়ে দুই পথিকের আলাপ গড়ালো অর্থনৈতিক অবস্থার দিকে।

১ম পথিকঃ ভাই, আমি অত্যান্ত গরিব একজন মানুষ।
২য় পথিকঃ কতো গরিব?
১ম পথিকঃ এমনই গরিব যে, যখন শার্ট কিননের টাইম আসে, তখন লুঙ্গি ফাইট্টা যায়; আর যখন লুঙ্গি কিননের টাইম আসে, তখন শার্ট ফাইট্টা যায়!!!
২য় পথিকঃ তইলে দুইটা একলগে কিনইন্যা ক্যারে?
১ম পথিকঃ ভাইরে.........তখন গোয়া ফাইট্টা যায়!!!!

আমাদের বাংলা ভাষাটা খুবই সমৃদ্ধ। এই রকমের পরিস্থিতির একটা কেতাবী বাগধারা আছে.........শ্যাম রাখি, নাকি কূল রাখি!!!! আর চলতি ভাষায় একটা কথা আছে.........মাইনকার চিপা। অথবা একে শণির দশাও বলতে পারেন। বিএনপি'র এখন সেই দশাই চলতেছে!!!!! =p~ =p~


ছবিসূত্র।

মন্তব্য ৪০ টি রেটিং +১৩/-০

মন্তব্য (৪০) মন্তব্য লিখুন

১| ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ রাত ৯:০১

জটিল ভাই বলেছেন:
ধুর মেয়া!!! কিসের চীন আর পাকিস্তান মডেল! সামুর মডু মডেল ফলো করা বাংলাদেশের জন্যে উত্তম। পকেট থাকতে রকেটের দিকে চাইয়া লাভ আছে???

২৪ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ রাত ৯:১৫

ভুয়া মফিজ বলেছেন: ''সামুর মডু মডেল'' বিষয়টা কি? অফিসে বইসা তাড়াহুড়া কইরা একটা পোষ্টাইলাম আপনের প্রচুর ব্লগিং করুন আহ্বান দেইখা। টাইম কইরা আসুম নে গপ-সপ করতে। আইজকা ক্রীষ্টমাস ইভ। তাই ইকটু টাইম পাইলাম। আবার ব্যস্ত হয়া যামু ইকটু পরে!!!! :)

২| ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ রাত ৯:০২

অপু তানভীর বলেছেন: ইউসুফ সরকারের ক্ষমতা আকড়ে ধরে বসে থাকার খায়েস নাই, এই কারণে তারা ভারতের সাথে এমন আচরণ করছে বা করতে পারছে। কিন্তু দীর্ঘ সময়ে যারা বাংলাদেশে ক্ষমতায় থাকতে চাইবে, ভারতের সাথে সুসম্পর্ক ছাড়া তাদের উপায় নেই। বিএনপি যেমন সমঝোতা করবে, জামাত যদি ক্ষমতায় আসে তারা আরও বেশি করবে। জামাতের মত মুনাফেক, নিজের লাভের জন্য এমন কোন কাজ নেই যে তারা করবে না। আওয়ামীলীগ থেকে জামাত আরও বেশি নতুজানু হবে।

২৪ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ রাত ৯:১৫

ভুয়া মফিজ বলেছেন: ভারতের সাথে সম্পর্ক হবে সমতার ভিত্তিতে। আর ভারত যদি দুই নাম্বারী চালায়ে যায়, তাইলে কোন সম্পর্ক নাই। বিএনপি-আওয়ামী লীগ দেশের কি ছিড়ছে গত ক্ষমতার দিনগুলাতে? জামাত বা এনসিপি কি করে, সেটাও দেখার দরকার আছে। আগের সরকারগুলোর মতো কাজ করলে জনগনই তাদের লাথি মেরে বের করে দিবে। আওয়ামী লীগ তো বর্ডার ক্রশ করে বেচেছে, তাদের সেই উপায়ও থাকবে না।

জামাত যদি ক্ষমতায় আসে তারা আরও বেশি করবে। এই ব্যাপারে খানিকটা আলোকপাত করেন দেখি? বিষয়টা বোঝার চেষ্টা করি!!!

৩| ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ রাত ৯:৪১

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: শেখ হাসিনা বলেছিলেন, আমি ভারতকে যা দিয়েছি ভারত সারাজীবন তা মনে রাখবে। ভারত থেকে ফিরে আসার পর একবার সাংবাদিকরা তাকে প্রশ্ন করেছিলেন, ভারতকে এতকিছু দিলেন, ভারতের কাছে আপনি কী চেয়েছেন? উত্তরে খুব আত্মতৃপ্তির সাথে হেসে হেসে শেখ হাসিনা বলেছিলেন, আমার কারো কাছে কিছু চাওয়ার নাই। উত্তরটা শুনে রাগে-ক্ষোভে আমি কী করবো, পুরাই দিশেহারা হইয়া গেছিলাম, অ্যাজ ইফ, পুরা বাংলাদেশটাই শেখ হাসিনার বাপের সম্পত্তি, যা তিনি অকাতরে ভারতরে বিলাইয়া দিতে পারেন।

ভারত বা যে-কোনো প্রতিবেশীর সাথে অবশ্য আমাদের একটা ভারসাম্যপূর্ণ ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে হবে। তবে, নিজেদের স্বার্থ জলাঞ্জলি দিয়ে নয়, যা শেখ হাসিনা ও তার আওয়ামী লীগ করেছিল। আমাদের স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক নয়, বন্ধুত্ব বা ভাই-ভাই সম্পর্ক সৃষ্টি করতে হবে। কোনো উত্তেজক বাণী প্রসব মঙ্গলময় কিছু বয়ে আনবে না।

আমাদের সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করা ও আধুনিকায়ন করা প্রয়োজন। স্ট্র্যাটেজিক প্যাক্টেও জয়েন করা দরকার। গত বছর ভারতের একটা মব বাংলাদেশমুখো হয়েছিল। ধরুন, ওরা যদি ঢুকে পড়তো, তাহলে কী হতো, বা ঘটতো? এসব গভীরভাবে চিন্তা করার প্রয়োজন আছে। আমাদের জনগণকে সংঘবদ্ধ থাকতে হবে বিদেশী মবকে শুধু প্রতিহত করার জন্যই না, তাদেরকে হটিয়ে ধুলিতে মিশিয়ে দেয়ার মতো সক্ষমতাও অর্জন করতে হবে।

২৫ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ সকাল ১১:৩১

ভুয়া মফিজ বলেছেন: খুনী হাসিনা তথা আওয়ামী লীগ ভারতকে চাটার একটা উদাহরন তৈরী করেছে যা বাংলাদেশের মানুষ ঘৃণার সাথে প্রত্যাখান করেছে। বিএনপি'র গোবর ভরা মগজে সেটা ঢুকে নাই। কি আর করা!!! শহীদ জিয়ার আদর্শে গড়া দলটা সেই আদর্শ থেকে আজ বহু দূরে অবস্থান করছে। এদের কাছে থেকে আমার কোন প্রত্যাশা নাই।

ভারসাম্যপূর্ণ ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এটাই একটা মেরুদন্ড শক্ত করা দল বা দেশের নীতি হতে হবে। এর কোন বিকল্প নাই। এর বাইরে যারা যাবে, আজ অথবা কাল তারা বাংলাদেশের পটভূমিকায় বিলুপ্ত বা অপ্রাসঙ্গিক হয়ে যাবে।

আমাদের সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করা ও আধুনিকায়ন করা প্রয়োজন। স্ট্র্যাটেজিক প্যাক্টেও জয়েন করা দরকার। গত বছর ভারতের একটা মব বাংলাদেশমুখো হয়েছিল। ধরুন, ওরা যদি ঢুকে পড়তো, তাহলে কী হতো, বা ঘটতো? এসব গভীরভাবে চিন্তা করার প্রয়োজন আছে। আমাদের জনগণকে সংঘবদ্ধ থাকতে হবে বিদেশী মবকে শুধু প্রতিহত করার জন্যই না, তাদেরকে হটিয়ে ধুলিতে মিশিয়ে দেয়ার মতো সক্ষমতাও অর্জন করতে হবে। আপনার এই কথাগুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু যাদের মাথা শুধুই দালালী আর চাটুকারিতায় ভরা, তারা কি এসব কথার মর্ম বুঝতে পারবে? B:-/

৪| ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ রাত ১০:২৬

আরোগ্য বলেছেন: লাজনৈতিক পোস্ট!!! :||

আপনের পোস্ট দেইহা চোখ বুলাইলাম। কিস্সু কওনের নাইক্কা। হুদাই খাটনি, যে যায় লঙ্কায় ওই অহে লাবন। :-<

আমার মাথায় কুরকুর করে গণতন্ত্র লয়া একটু গবেষণা কইরা পোস্ট দেই কিন্তু আমার পোস্টে তো আবার ধর্মীয় বিশ্লেষণ আহে তাই সহীহ জয়ীফ বিশরান লাগে। নাহ অহন সময় নাইক্কা।

২৫ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ সকাল ১১:৩২

ভুয়া মফিজ বলেছেন: লাজনৈতিক পোস্ট!!! :|| কি করমু কন!!! সেই কবে ইনসব্রুকের আল্পস পর্বতমালা নিয়া একটা পোষ্ট আধা তৈরী করছি, শ্যাষ করবার মনই চায় না। মাথার মইদ্দে খালি লাজনীতি ঘোরে!!! আমাগো লাজনৈতিক নেতাগোর কোন লাজ-লজ্জা নাই, হের লাইগা লেখি। হুদাই খাটনি জানি, তারপরেও লেখি, মনের দু্ঃখ কমানের লাইগা!!!:(

আমার মাথায় কুরকুর করে গণতন্ত্র লয়া একটু গবেষণা কইরা পোস্ট দেই কিন্তু আমার পোস্টে তো আবার ধর্মীয় বিশ্লেষণ আহে তাই সহীহ জয়ীফ বিশরান লাগে। লেখতে পারেন। দুইচাইরটা নীতি কথা কইলে আর কিছু না হইলেও আপনের ভিত্তে যেই রাগ-শোক-দুঃখ আছে, তা কমবো। B-)

৫| ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ সকাল ৭:৩৩

zhenhua বলেছেন: খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয় তুলে ধরেছেন, একদম 'ফুড ফর থট'! দেশের পরিস্থিতি নিয়ে চিন্তা করতে করতে মাথা গরম হয়ে যায়। মাঝে মাঝে একটু হালকা কিছু দিয়ে মন ভালো করা দরকার। যেমন, গেম খেলার সময় cookingdom এর মতো একটা গাইড থাকলে দারুণ হয়, সব লেভেল পার করা সহজ হয়ে যায়!

২৫ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ সকাল ১১:৩২

ভুয়া মফিজ বলেছেন: ভুল জায়গায় নক করছেন। এইসব আবালীয় কাজে নষ্ট করার মতো সময় আমার নাই। গরম মাথা ঠান্ডা করার আরো বিভিন্ন উপায় আমার জানা আছে!!! B:-/

৬| ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ সকাল ৮:৪২

নতুন নকিব বলেছেন:



কোনটা রেখে কোনটা বলি, ভারতের শয়তানিগুলো আপনি সংক্ষিপ্ত হলেও ভালভাবেই তুলে ধরেছেন।

চমৎকার লেখাটিতে লাইক দিয়েছি। শুভকামনা জানবেন।

২৫ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ সকাল ১১:৩৩

ভুয়া মফিজ বলেছেন: ভারতের শয়তানিগুলো সংক্ষিপ্ত না করে উপায় কি? বিস্তারিত লিখতে গেলে তো মহাকাব্য হয়ে যাবে। একটা দেশের সরকার আর তার সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণ যে কতোটা ইতর হতে পারে, সেটা ''মহান ভরত''কে না দেখলে কেউ বিশ্বাসই করতো না!!! X(

আপনার জন্যও শুভকামনা। :)

৭| ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ সকাল ১০:০১

রাজীব নুর বলেছেন: আসলে আপনি কি বলতে চান?
মোদি খারাপ, ভারত খারাপ? হাসিনা খারাপ? এই তো??
ফুড ফর থট দরকার নাই। ফুড ফর ওয়ার্ক ই ভালো।

২৫ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ সকাল ১১:৩৩

ভুয়া মফিজ বলেছেন: এই লেখা আপনার জন্য না, কারন থট প্রসেস একটিভেইট করার সক্ষমতাই আপনার ব্রেইনের নাই। আপনি বরং ফুড ফর ওয়ার্কই করেন। কোক-বার্গার খাওয়া জারি রাখেন!!! :-B

৮| ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ সকাল ১০:২১

আলামিন১০৪ বলেছেন: ভাই আপনে কি মুমিসিংগা?

২৫ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ সকাল ১১:৩৪

ভুয়া মফিজ বলেছেন: মুমিসিংগা কি বস্তু? যা বলার সরাসরি বলেন, সাংকেতিক শব্দ ব্যবহার করার দরকার কি? B:-)

৯| ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ দুপুর ১২:০৫

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: আপনার পোস্টের সাথে একমত। আমার কিছু বক্তব্য আছে। সন্ধ্যায় পুরো পোস্ট পড়ে আমি আবার আসছি। :)

২৫ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ দুপুর ১২:৫৪

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আপনেরে দেইখা আনন্দ পাইলাম। আমার গত দুইটা পোষ্টে দেখি নাই, আপনের মন্তব্যও মিস করছি। ভাবলাম, হারায়েই গেলেন কিনা!!! B-)

যাই হোক, বক্তব্য শোনার অপেক্ষায় থাকলাম। :)

আগামী দুইটা মাস বাংলাদেশের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের দেশটা আত্মমর্যাদার সাথে মাথা উচু করে টিকে থাকবে কিনা, সেটাই নির্ধারিত হবে এখন। একটা আপাতঃদৃষ্টিতে ছোট্ট ভুলের কারনে আমাদেরকে ভুগতে হতে পারে আগামীর কমপক্ষে কয়েকটা যুগ। তাই এই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা খুবই দরকার।

১০| ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ দুপুর ১২:১২

আলামিন১০৪ বলেছেন: ভাই, মাইন্ড খাইয়েন না, আঞ্চলিক ভাষার কথোপকথনের স্টাইল দেখে মনে হলো আপনার বাড়ি.. ময়মনসিং

ময়মনসিংহের লোকজন নিজেদের মুমিসিঙ্গা বলে... :)

২৫ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ দুপুর ১২:৫৫

ভুয়া মফিজ বলেছেন: এইবার বুঝলাম। না..........মাইন্ড খাই নাই। আমার বাড়ি ময়মনসিংহ না, তবে কমবেশী বাংলাদেশের সব আঞ্চলিক ভাষাই আমি অল্প-বিস্তর বলতে পারি। একটা সময়ে দেশের আনাচে-কানাচে প্রচুর ঘোরাঘোরি করতে হয়েছে আমাকে!!! :)

১১| ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ সন্ধ্যা ৬:৪৫

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: আপনি পোস্টে একটা বিষয় বলেছেন যেটা নিয়ে আমি বহুদিন ধরে ভাবছি। সেটা হল, বাংলাদেশের উচিত পাকিস্তানের সাথে একটা সমঝোতা এবং সুসম্পর্ক তৈরি করা যেন ভারতকে সোজা রাখা যায়। চেতনা ব্যবসায়ীরা যাই বলুক না কেন, এটার দরকার আছে। আবেগ দিয়ে কূটনীতি এবং রাষ্ট্রনীতি চলে না। ৫৪ বছর আগে যুদ্ধ হয়েছে বলে শত্রুতা জিইয়ে রাখতে হবে নাকি। অনেক উদাহরণ বর্তমান সময়েই আছে যেখানে দুই শত্রু দেশ একসাথে কাজ করছে উভয়ের স্বার্থে। দেশের সার্বভৌমত্বের স্বার্থে শত্রুর বিরুদ্ধে জোট গঠন করতে হবে।

শত্রুর শত্রু বন্ধু হয়। এই অঞ্চলে ভারতের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে বাংলাদেশকে সাহায্য করার মত কোন দেশ নেই। পরাশক্তিগুলি বাংলাদেশকে নিয়ে খেলে আর ভারতকে গুরুত্ব সহকারে বিবেচনায় নেয়। আরেকটা ব্যাপার হল ‘অফেন্স ইজ দা বেস্ট ডিফেন্স’। ভারতের হিন্দুত্ববাদি এবং উগ্র আগ্রাসনের বিপরীতে এমন দৃশ্যমান কিছু করা দরকার যেটাকে ভারত গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করবে। সেটার জন্য পাকিস্তানের সাথে যোগাযোগের দরকার আছে। ভারতের ব্যাপারে পাকিস্তান আর বাংলাদেশ এক না হতে পারলে উভয় দেশের বিপদ। জাউরার সাথে জাউরামি না করলে আসলে চলবে না।

তুরস্ক, পাকিস্তান আর চিনের সাথে এমওইউগুলি এই সরকার থাকতেই পাকা চুক্তিতে রূপান্তর করা দরকার। আমিও তাই মনে করি। ইউনুস সাহেব চলে গেলে বিএনপি আওয়ামীলীগের এজেন্ট হিসাবে কাজ করা শুরু করবে। আমার মনে হচ্ছে, আওয়ামীলীগ, বিএনপি, ভারত আর এই দেশের সুশৃঙ্খল, সাহসী, শক্তিশালী এবং এলিট একটা সম্প্রদায়ের মধ্যে আপোষ রফা হয়ে গেছে। ইহা দেশের জন্য অশনি সংকেত। ছাত্র জনতা সেটা বুঝেছি কি না জানি না।

তবে হাসিনা যেখানে তার পুলিশ, রাব, বিজিবি, সামরিক বাহিনী, গোয়েন্দা, আমলা, ছাত্রলীগ, যুবলীগ দিয়ে পারে নাই। বিএনপি যদি ক্ষমতায় আসে, তারা উল্টা পাল্টা করলে কয়দিন টিকতে পারবে সেটা নিয়ে আমার সন্দেহ আছে।

পোস্টে বাকি যা বলেছেন তার সাথে এক মত। উপরে আমি যা বলেছি সেগুলি আমার কিছু বাড়তি কথা যেটা আশা করি আপনার পোস্টের বক্তব্যের পক্ষেই যায়।

আপনার আগের দুইটা পোস্ট পড়ার পরে মন্তব্য করবো আশা করি।

২৫ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ রাত ৮:২৫

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আপনাকে প্রথমেই একটা কথা বলি।

আমাদের ব্লগকে যদি গবেষণার একটা স্যাম্পল সাইজ হিসাবে দেখেন, তাহলে দেখবেন এখানে তিন ধরনের মানুষ আছে।

প্রথমতঃ উলঙ্গভাবে ভারতের আধিপত্যবাদকে সমর্থনকারী। এদেরকে আমি তেমন একটা বিপদ মনে করি না। এরা নিজেরাই উন্মোচিত, তবে এরা নিমকহারাম। এরা তোতাপাখীর মতো কিছু নির্দিষ্ট বয়ানের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে।

দ্বিতীয়তঃ ভারতের আধিপত্যবাদকে পরোক্ষভাবে সমর্থনকারী। এরা মুখে ভারতের দূর্নাম করবে, কিন্তু ইনিয়ে-বিনিয়ে বলার চেষ্টা করবে যে, ভারত ছাড়া আমাদের কোন গতি নাই। এদেরকে জ্ঞানপাপীও বলতে পারেন। জ্ঞানপাপী তারাই যারা মিথ্যাকে সত্যের আবরণে পরিবেশন করে। এরা ভয়ঙ্কর। এদেরকে চেনাটা জরুরী; তবে আমি দেখি, বেশিরভাগ ব্লগারই এদেরকে ঠিক চিনে উঠতে পারে না।

তৃতীয়তঃ আমার / আপনার মতো পরিস্কার ভারতের আধিপত্যবাদ বিরোধী।

রাষ্ট্রবিজ্ঞানে Intimate Enemy বলে একটা টার্ম আছে। ভারত হলো আমাদের সেই শত্রু.............একে চিনতে পারাটা খুবই জরুরী। ভারতের সাথে কেন একটা সন্মানজনক দূরত্ব বজায় রাখা উচিত, আর পাকিস্তানের সাথে কেন সম্পর্ক মজবুত করা উচিত এটা জ্ঞানপাপীরা প্রকাশ করবে না। তারা এর মধ্যে '৭১ কে টেনে আনবেই। এদের মধ্যে একটা অদ্ভুত ডাবল স্ট্যান্ডার্ড দেখবেন। এরা '৭১ এ পশ্চিমাদের ইতিহাস ভুলে গিয়ে তাদের বেনিফিট খেয়ে পাকিস্তানের দূর্নাম করবে!!!! অথচ কে না জানে, বিশ্ব রাজনীতিতে চিরস্থায়ী শত্রু বা বন্ধু বলে কোন কথা নাই। বিশ্বে বিভিন্ন সময়ে নির্যাতিত বিভিন্ন জাতি তাদের ইতিহাসকে ইতিহাসে রেখে তৎকালীন শত্রুদের সাথে হাতে হাত রেখে বর্তমানে এগিয়ে যাচ্ছে, আর আমরা কিছু দালাল চেতনা ব্যবসায়ীর বয়ান গিলে খেয়ে শীতনিদ্রায় থেকে দিনকে দিন পিছিয়ে যাচ্ছি।

জাউরার সাথে জাউরামি না করলে আসলে চলবে না। আশার কথা, দিন বদলের রাজনীতি শুরু হয়েছে। নতুন জেনারেশান এটা বুঝতে শিখেছে। সময় লাগবে, তবে পরিবর্তন আসা শুরু হয়েছে। তবে একই সাথে এটাও মনে রাখতে হবে, বিএনপিতে লুকিয়ে থাকা ভারতীয় হেজিমনির দালালরা বিএনপি ক্ষমতায় আসলেই নিয়ন্ত্রণভার নিয়ে নেবে, ভারতের পরামর্শে রিফাইন্ড আওয়ামী লীগকে ফিরিয়ে আনবে আর আবার এই দেশে ভারতীয় আধিপত্যবাদ কায়েম করবে। সেটা ঠেকানোর একমাত্র উপায় হলো ভোটযুদ্ধে বিএনপিকে পরাজিত করা।

জয় বাংলা!!! লুঙ্গি সামলা!!!! =p~

১২| ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ সন্ধ্যা ৭:৩২

মেঠোপথ২৩ বলেছেন: বাংলাদেশের জনগনের এখন দরকার ভারত বাদ দিয়া তারেক রহমানের উপড় ফোকাস করা । রাজনৈ্তিক দলগুলো বাংলাদেশপন্থী হলে, চাইলেও অন্য কেউ আধিপত্যবাদ প্রতিষ্ঠা করতে সমর্থ হবে না। কিন্তু আনন্দ বাজার পত্রিকা এবং ইউটিউবারদের তথ্য প্রমান সহকারে রেফারেন্স দেখে বোঝাই যাচ্ছে বিএনপি আর কোণ অবস্থাতেই বাংলদেশের পক্ষে নাই। তাদের কিবলা এখন নয়াদিল্লী এবং লীগ বরাবর ।

২৬ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ দুপুর ১২:৪৮

ভুয়া মফিজ বলেছেন: বাংলাদেশের জনগনের এখন দরকার ভারত বাদ দিয়া তারেক রহমানের উপড় ফোকাস করা। আপনের এই কথা মানতে পারলাম না। তারেক এখন এমনিতেই ফোকাসে থাকবে, তবে কোন অবস্থাতেই ভারতের উপর থেকে ফোকাস সরানো যাবে না।

আবার আপনেই কইলেন আনন্দ বাজার পত্রিকা এবং ইউটিউবারদের তথ্য প্রমান সহকারে রেফারেন্স দেখে বোঝাই যাচ্ছে বিএনপি আর কোণ অবস্থাতেই বাংলদেশের পক্ষে নাই। তাদের কিবলা এখন নয়াদিল্লী এবং লীগ বরাবর। তাইলে বিএনপি বা তারেক ভারতের সাথে কি ঘুটু কইরা দেশে আসতে পারলো এইটা উদঘাটনের জন্য হইলেও দুই পক্ষের উপ্রেই নজর রাখা দরকার। দুই পক্ষের উপ্রে নজর রাখলেই কেবল আপনে তাদের যৌথ প্রযোজনার মূলোৎপাটন করতে পারবেন। তামাক আর ফিল্টার আলাদা করলে তো ধুমপান সফল হবে না!!!! :P

রাজনৈ্তিক দলগুলো বাংলাদেশপন্থী হলে, চাইলেও অন্য কেউ আধিপত্যবাদ প্রতিষ্ঠা করতে সমর্থ হবে না। এইটা তো কেতাবী কথা। বাস্তবতা হইলো বাংলাদেশে এই মতবাদ এখন পর্যন্ত পানি পায় নাই, ভবিষ্যতেও সম্ভাবনা কম। এই কথা কিছু দলের ক্ষেত্রে সত্য হইলেও বড় দলগুলি এর থিকা বাইর হইতে পারে নাই। এইটাই তিক্ত সত্য!!!! :(

১৩| ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ রাত ৯:১৬

জুন বলেছেন: কিছু নসিহত কইরা গ্যালেন মনে হয় #:-S
মনে রাইক্ষেন কোন কাম হবে না।
+
অট ছবিরে টোস্ট বিস্কুট খাইতে না করছেন ক্যান! আমি তো গতকাল আরও দুই প্যাকেট টোস্ট কিনে আনলাম সাথে এক প্যাকেট ডিপ্লোমা চা খাওয়ার জন্য 8-|

২৬ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ বিকাল ৩:১৫

ভুয়া মফিজ বলেছেন: কিছু নসিহত কইরা গ্যালেন মনে হয় #:-S
মনে রাইক্ষেন কোন কাম হবে না।
এই কথাটাই ঠিক না। একজন মানুষও যদি এই ফুড (নসিহত) খায়া থট (একশান) দেয়, তাইলেও আমি খুশি। ;)

টোস্ট না শুধু, যে কোনও বিস্কুটই যারা স্বাস্থ্য সচেতন, ওজন কমাইতে চায় কিংবা ডায়বিটিস, হৃদরোগ বা অন্য অসুখ থিকা বাচতে চায়, তাদের বাদ দেওয়া উচিত। আপনেরে সংক্ষেপে কই কারনগুলি..........

বিস্কুট হইলো একটা প্রসেসড ফুড। এতে প্রিজারভেটিভ, ফুড কালার, আর্টিফিসিয়াল ফ্লেভারসহ বিভিন্ন ক্যামিক্যাল থাকে। এতে যেই ময়দা ব্যবহার করা হয় সেইটা হইলো রিফাইন্ড কার্ব। বিস্কুট বানাইতে চিনি, লবন, স্যাচুরেটেড ফ্যাট ব্যবহার করা হয়। এতে ফাইবার থাকে না বললেই চলে, ফলে এইগুলি খাওয়ার কারনে সুগার স্পাইক হয়, যেইটার থিকা আর্টারীতে ইনফ্ল্যামেশান হয়। বাজারের নামকাওয়াস্তের সুগার-ফ্রি বিস্কুটও এর বাইরে না। আরো বহু কারন আছে...........বিস্তারিত কইতে গেলে আলাদা পোষ্টই দেওন লাগবো। অহন এতো খাটনি করতে পারুম না। তয় আপনের ব্যাপার আলাদা। আর কিছু জানতে চাইলে জানায়েন, সংক্ষেপে কমু নে।

মূল কথা হইলো, সুস্থভাবে বাচতে চাইলে বিস্কুট খাওয়া বাদ দেন। বয়স ৫০ এর উপ্রে হইলে এই উপদেশটারে ফরজ মনে করা উচিত। বাকীটা আপনের বিবেচনা, আপনের ট্যাকা দিয়া আপনে বিস্কুট খাইবেন..........আমি কওনের কে? :P

১৪| ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ বিকাল ৩:৫৫

জুন বলেছেন: মাত্র কিনা আনছি এখন কি ফালায় দিবো :-/ আইচ্ছা এইবার শেষ করি আর খাবো না।
এই প্রসঙ্গে একটা কথা মনে পরলো, অনেক আগে আমি কলেজে পড়ি, আম্মা মারা গেছেন। আমাদের এক গৃহকর্মীনি ছিল তার কাছ থেকে আমরা দুই বোন অনেক বাস্তব জ্ঞান লাভ করেছিলাম যার জন্য আমরা কৃতজ্ঞ :P তো সে একবার কি একটা মাছ এনে রান্না করেছিল আমরা ভাইবোনরা কেউ খাইনি কাটা দেখে, তখন সে বাটিটা নিয়ে রান্নাঘরের দিকে যেতে যেতে বলছিল, "তোমরা না খাও, আমি খামু, পয়সা কেনা মুগরী আমার ল্যাঞ্জা তরি তেল "।
ওর কথাটা মনে করে টোস্ট বিস্কুটটা ফেলে দিতে কষ্ট লাগছে ভুয়া হাজার হলেও পয়সা কেনা :``>>

২৬ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ বিকাল ৪:১০

ভুয়া মফিজ বলেছেন: মাত্র কিনা আনছি এখন কি ফালায় দিবো :-/ আইচ্ছা এইবার শেষ করি আর খাবো না। সাউন্ডস লাইক আ গুড গার্ল!!!! খাবার নষ্ট করা পাপ। তবে এইসব হাবিজাবি খাওয়ার বয়স এইটা না। মাঝে-মধ্যে চিট ডে তে অকেশনালী খাইতে পারেন, তবে এর অবশ্য ফ্লিপ সাইডও আছে। একবার খাইলে আবার খাইতে ইচ্ছা করবে। বেস্ট হইলো ''বিষ+কুট'' বইলা যে একটা জিনিস আছে, সেইটাই ভুইলা যাওয়া!!!! :)

আপনেদের গৃহকর্মীনি একজন প্রকৃত জ্ঞানী মানুষ ছিল।

১৫| ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ বিকাল ৫:০০

রাজীব নুর বলেছেন: পোষ্টে আবার এলাম। কে কি মন্তব্য করেছেন সেটা জানতে।

২৬ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ রাত ৯:৪৯

ভুয়া মফিজ বলেছেন: তাহাতে কি আপনার মগজের কার্যকারিতার (যদি থাকে) কোন হেরফের হইবে? :P =p~

১৬| ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ সন্ধ্যা ৬:২৮

মেঠোপথ২৩ বলেছেন: ফুড ফর ওয়ার্ক এর আওতায় রাজীব নুর মনে হয় গোয়েন্দাগিরির কাজ পাইসে। তাই বিভিন্ন পোস্টে পোস্টে গিয়া কে কি মন্তব্য করে সেইটা দেখতে আসে। /:)

জুন আপা টোস্ট বিস্কুট নিয়া দেখি খুব ঝামেলায় আছেন। টোস্ট দিয়া যদি চা নাই খাওণ যায় তাইলে সে জীবনের কি কোন দাম আছে ? !:#P সাত সকালের এইটাইতো বেস্ট নাস্তা বাঙ্গালীর ।

২৭ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ দুপুর ১২:১৭

ভুয়া মফিজ বলেছেন: গোয়েন্দাগিরির বিষয়টা মন্দ কন নাই। তবে এই কামে মগজের ব্যবহার খুবই প্রয়োজন। আর গোয়েন্দাগিরি জানান দিয়া হয় না, হয় গোপনে। এই দায়িত্ব সত্যি সত্যি যদি সে পাইয়া থাকে, তাইলেও কোন ট্যাকা পায় না। ট্যাকা দিয়া এমন আকাইম্যা গোয়েন্দা কেউ পুষবো না!!! :P

সব দিক চিন্তা করলে বাঙ্গালীর বেস্ট নাস্তা হইলো পান্তাভাত। সাত সকালে টোস্ট দিয়া চা হইলো মরনের নাস্তা..........বিশেষ কইরা ৫০ এর পরে। মানুষরে বিপথে পরিচালিত করনের চেষ্টা কোন কামের কথা না!!! ভালো হয়া যান, আর পান্তা খান!!!!!B:-/

১৭| ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ রাত ১০:২১

মেঠোপথ২৩ বলেছেন: ছুপা লীগের লাভার বিএনপি সমর্থক দফাদার সাহেবের এই পোস্টে একটা কমেন্ট দেখতে মন চায়। =p~ সেই সাথে তিনিও একখান পোস্ট দিসেন। আপনে যদি সেই পোস্টে কমেন্টে যান , তাইলে আমিও যাবনি !:#P

২৮ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ রাত ১০:৩৯

ভুয়া মফিজ বলেছেন: ছুপা লীগের লাভার বিএনপি সমর্থক আপনেরা দুইজনেই আমার পছন্দের ব্লগার। হুদাই খোচানোর দরকার কি? দফাদারের বয়স কম, আবেগ বেশী। সময়ে ঠিক হয়া যাইবে। :)

১৮| ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ রাত ১১:০৪

কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:
@মেঠোপথ ওরফে ঢাবিয়ান আপনার হিজড়া চরিত্রের ব্লগিং অনেক সুনাম শুনেছি, আজকে নিজে পতক্ষ করলাম। উৎসর্গটা আপনাকে উদ্দেশ্য করেই লিখা, সেটা বেশ ভালো ট্রিগার করেছে দেখছি।

কিছু উৎকৃষ্ট মানের ছাগলের নাকি বিচি কেটে নাকি পাঁঠা বানানো হয়, আপনি সম্ভবত বিচিহীন এক পাঁঠা। বিচি থাকলে এখানে এসে মিচকা শয়তানের মতো আরেকজন ব্লগার কে যুক্ত করে আমার এখানে মন্তব্য করতে বলতেন না।

২৮ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ রাত ১০:৪০

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আহ্...............আপনের রিয়্যাকশান বেশী স্ট্রং হয়া গেছে। শান্তি.....শান্তি!!! প্রেশার বাড়ায়ে লাভ কি? :)

১৯| ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ রাত ১১:২০

মেঠোপথ২৩ বলেছেন: @ দফাদার , যুক্তি যখন অসার তখন অশ্রাব্য ভাষাই একমাত্র হাতিয়ার। কুল ডাউন ব্রাদার। পোস্ট সম্পর্কিত কমেন্ট করেন। এই পোস্টে আপনার মতামত দেখার আগ্রহ থেকেই আহবান জানিয়েছি।

আর আপনার পোস্টে আমি এককভাবে না দলবেধে যাব তা একান্তই আমাদের সিন্ডিকেটের বিষয়। =p~ জানেনতো আমাদের একটা সিন্ডিকেট আছে B:-/ । সিন্ডিকেটের অনেক মেম্বার অবস্য এখন উধাও হয়ে গেছে। :( তারপরেও যেকজন আছি, মিলেমিশে চলি আরকি !:#P

২৮ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ রাত ১০:৪০

ভুয়া মফিজ বলেছেন: চেতায়া দিয়া তো একটা বিরাট মন্তব্য প্রসব করাইছেন.........এখন এর দায় ক্যাডায় লইবো? আমার এমনেই বাংলা টাইপে সমস্যা। বিশাল উত্তর দিতে গিয়া লাইফ এখন ত্যাজপাতা হয়া যাইবো। সিন্ডিকেটের সদস্যের প্রতি আপনের এমন নির্দয় আচরণ কি ঠিক?:(

২০| ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ রাত ১১:৫৭

কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন: রাজনৈতিক বিষয়বস্তু নিয়া ভাবছি আর মাথা ঘামামু না; এই দেশ নিয়ে আশাবাদী হয়ে কোন লাভ নাই। জেন জি- মেন জি সব চোর। যদি ও আমার একটা অনুরোধ ছিল সাম্প্রতিক রাজনীতি নিয়ে আপনার ভাবনা বিষয়ক একটি পোষ্ট, তাই পোষ্ট বিষয়ক একটি মন্তব্য করার দায় থেকে যায়।

প্রথমে পোষ্টের ছবি নিয়ে আমার প্রবল আপত্তি। ইউনুস সরকার কি এমন করলো যাতে বাঘের থাবার মতো মোদি/ভারত সরকার ভয় পাইলো? ভিসা, স্থলবন্দরে মালামাল পাঠানো বন্ধ সহ এক পাক্ষিক সব চুক্তি বাতিল করলো ভারত? উল্টো আরো কলুর বদলের মতো ইলিশ পাঠাইলো ইউনুস? আদানীর বিদ্যুৎ এখন দেশে চলমান, চুক্তিগুলা অপ্রকাশিত? ইহা বাঘের গর্জন/থাবা কিভাবে হইলো‌ সেই তো নতজানু পররাষ্ট্রনীতি?

মোদির ভারত এখন আর বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ গণতন্ত্রের দেশ না, বরঞ্চ মোদির ধন-তন্ত্রের দেশ। সম্পন্ন একমত। তো আমাগো দেশে আওয়ামী লীগ- বিএনপি বিকল্প কি জামাত হইতে পারে? তারা ও তো মোদির বিজেপির মতো ধর্মীয় রাজনীতি করে?

ভারত কখনওই তাদের কোন প্রতিবেশীর সাথে ন্যয্য আর সমতাভিত্তিক আচরণ করে নাই। আচ্ছা আমেরিকান সরকার কি মেক্সিকো বা কানাডাকে এক পাল্লায় পরিমাপ করে? ভারতীয়দের জন্যে নেপালের বর্ডার খোলা বাংলাদেশী বর্ডার এঁকে বাড়ে
কাঁটা তারের বেড়া দিয়ে মোড়ায়া দিছে কেন? বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থা, জঙ্গিবাদ বা সরকারের কি কোন দায় আছে এখানে?

বর্তমান সরকার তুরস্ক, চীন আর পাকিস্তানের সাথে বিভিন্ন এমওইউ করছে ঠিকই তবে নতুন নির্বাচিত সরকার আসার আগেই সবগুলো পাকাপোক্ত চুক্তি করে ফেলা জরুরী। ভারত যদি সামরিক হামলা চালায় এই দেশগুলোর দীর্ঘমেয়াদি বাংলাদেশর সাহায্য করার সক্ষমতা কতটুকু? সক্ষমতা যদি‌ থাকে ও দুর্বল অর্থনীতির জনবহুল দেশে কুটনৈতিক সমঝোতা বাদ দিয়ে যুদ্ধ করার মতো পদক্ষেপ কেন নিবো? যেখানে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের রাজনৈতিক দল ও মানুষের মধ্যে ঐক্য নাই সেখানে যুদ্ধের ডামাডোলে বাজিয়ে আমরা কি জিতবো? আওয়ামীলীগ যে অদূর ভবিষ্যতে আর ফিরবে না সেটা বুকে হাত দিয়ে আপনি কোন কনফিডেন্স দিয়ে বলতে পারবেন?

মন্তব্য এনসিপি বিষয়ক কিছু কথা দেখালাম। ইহা আপনার লেখার মাধুর্য কিন্তু বাস্তবে এরা চোর। হাসিনার মতো ১৭ বছর সময় পাইলে এরা কি করবে আল্লাহ জানে? এই চোরের পক্ষে সাফাই গেয়ে আপনার নিরপেক্ষতা নিয়া প্রশ্ন উঠায়েন না? :p প্রথমে উমামা, আজকে তাসনিম জারা আর কে কে গেলে এই চোরদের সম্পর্ক আপনার দৃষ্টিভঙ্গি পাল্টাবে?

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ দুপুর ১:০৬

ভুয়া মফিজ বলেছেন: শুরুতে কিছু জেনেরিক কথা বলি, তাইলে আমার পরের আলোচনা ধরতে সুবিধা হবে।

কোন পরিস্থিতি বুঝতে বা বিশ্লেষণ করতে সব সময়ে কোন কিছুর সাথে তুলনা করতে হয় ( যেমন, শুধু ইউনুসের সময়কাল বিশ্লেষণ করা বলদামী; এর সাথে হাসিনার বা অন্য কোন সময়কালের তুলনা করতে হবে; নয়তো বিষয়টা পরিস্কারভাবে বোঝা যাবে না। গবেষণা বা এনালিসিসের পরিভাষায় এইটাকে বলে কন্ট্রোল এবং এক্সপেরিমেন্টাল!!! )। কোন ব্যক্তি, কোন শাসনকাল বা ঘটনাকে যদি আপনি স্ট্যান্ডএলোন ভাবে দেখেন, তাইলে পরিস্কার চিত্র পাবেন না। সেটা বিভ্রান্তিকর হওয়ার সম্ভাবনা খুবই বেশী। তাছাড়া একটা ভালো বিশ্লেষণ তখনই হবে, যখন আপনি কেইস বাই কেইস বা ইনডিভিজুয়্যালি SWOT analysis করবেন। আরেকটা বিষয় গুরুত্বপূর্ণ। আপনার নিজস্ব পছন্দ-অপছন্দ থাকতেই পারে, কিন্তু বিশ্লেষণের সময়ে আপনাকে অবশ্য অবশ্যই হইতে হবে নিরপেক্ষ, নিদেনপক্ষে নির্মোহ..................তা না হইলে আপনের এই বিশ্লেষনের কোন দাম নাই, গ্রহনযোগ্যতাও নাই। যেইটা হবে, তা হইলো সময়ের অপচয় আর হিপোক্র্যাসি!!!! কিছু হাততালি নিশ্চিতভাবেই পাবেন, যেমন পাইছেন আপনার সর্বশেষ পোষ্টে!!!! ;)

একটা নন-এলাইন্ড উদাহরন দেই।

মনে করেন, একটা দেশের কোন এক বছরের ইকোনোমিক গ্রোথ ৫% হইলেই তাকে ভালো বলা যায়। এখন কোন দেশের যদি এই গ্রোথ, আর আগের বছর যদি ৭% হয়ে থাকে, তাইলে কি বর্তমানটারে আপনি ভালো বলবেন? বলতেও পারেন, যদি আভ্যন্তরীণ, আঞ্চলিক বা আন্তর্জাতিক কোন টারময়েল হয়ে থাকে। এছাড়া আরো বহু কিছুর উপরে সাফল্য-ব্যর্থতা নির্ভর করে। এখন বিভিন্ন প্যারামিটারগুলি কনসিডার না করেই যদি আপনে সোজাসাপ্টা কনক্লুশান টানেন যে, আগের বছর ৭% ছিল, আর এই বছর যেহেতু ৫% হইছে...........কাজেই এই বছর সরকার ব্যর্থ; তাইলে আপনের বুদ্ধিবৃত্তিক সক্ষমতা নিয়া প্রশ্ন দেখা দিবে। বোঝাইতে পারলাম?

এইবার আসি পয়েন্ট বাই পয়েন্ট আলোচনায়।

ছবিতে ইউনুস সরকারের করা না করার বিষয় না, ''জুলাই পরবর্তী বাংলাদেশ'' প্রতীকী অর্থে বোঝানো হইছে। ইউনুস সরকারের ব্যর্থতা অবশ্যই আছে, তবে সফলতাও আছে। এইসব নিয়া ব্লগে অনেক আলোচনা করছি। আপনেও যদি নির্মোহভাবে দেখেন, পাবেন। ভিসা, স্থলবন্দরে মালামাল পাঠানো বন্ধ সহ এক পাক্ষিক সব চুক্তি বাতিল করলো ভারত? উল্টো আরো কলুর বদলের মতো ইলিশ পাঠাইলো ইউনুস? আদানীর বিদ্যুৎ এখন দেশে চলমান, চুক্তিগুলা অপ্রকাশিত? প্রতিটা বিষয়ের ব্যাখ্যা আছে, তবে মন্তব্যে লেইখা এতো এতো ব্যাখ্যা করা তো সম্ভব না। আপনে যে কোনও একটা বলেন, আপনেরে বুঝায়ে বলার চেষ্টা করা যাইতে পারে। কিন্তু আপনের বুঝতে চাওয়ার মানসিকতা আছে কিনা, সেইটা দেখতে হবে আগে!!! :)

আমাগো দেশে আওয়ামী লীগ- বিএনপি বিকল্প কি জামাত হইতে পারে? পারে.......... তবে জামাত যদি বাংলাদেশে মোদি স্টাইলে কাম করতে চায়, তাইলে বড়জোর এক টার্ম ক্ষমতায় থাকতে পারবে। এরপরে জনতাই তাদেরকে ঘাড় ধরে নামাবে। হাসিনার আমলের বাংলাদেশ আর এই বাংলাদেশে আকাশ-পাতাল ফারাক আছে।

আমেরিকান সরকার কি মেক্সিকো বা কানাডাকে এক পাল্লায় পরিমাপ করে? এই বিষয়ে একটু পড়ালেখা করেন। আমি শুধু একটা প্রশ্ন করি..............আমেরিকানরা কি মেক্সিকান বা কানাডিয়ানদেরকে বর্ডারে গুলি করে? আর ভারত-নেপালের বিষয়ে একটা হিন্ট দেই..........১৯৫০ সালের একটা 'শান্তি ও মৈত্রী চুক্তি' (Indo-Nepal Treaty of Peace and Friendship) নিয়া স্টাডি করেন। আঞ্চলিক বা আন্তর্জাতিক রাজনীতি নিয়া আগ্রহ থাকলে আপনার প্রচুর পড়ালেখা করতে হবে। নয়তো অনেক কিছুই বুঝতে পারবেন না।

বাংলাদেশ ভারতের সাথে যুদ্ধ করতে চায় না, তবে ভারত যদি চাপায়ে দেয়, তার জন্য প্রস্তুতিও থাকা দরকার। ভারতের বাংলাদেশের সাথে অল-আউট যুদ্ধ করার সক্ষমতা নাই, সেইটা করে জিততেও পারবে না। এইটা কি আপনে বোঝেন? না বুঝলে বুঝায়ে বলবো নে এক সময়ে। আর শুধু রাজনৈতিক কেন, কোন সমঝোতাই একপক্ষের সদিচ্ছায় হয় না। ভারত এখন পর্যন্ত আওয়ামী লীগ পতনের দুঃখই কাটাইতে পারে নাই, সমঝোতার হাত বাড়াবে কিভাবে? ২৪ এর পতনের পর থেকে ভারতের ইতরামীর শত শত উদাহরন আছে। কাজেই তাদের কোন সদিচ্ছা নাই, এইটা পরিস্কার। আওয়ামীলীগ যে অদূর ভবিষ্যতে আর ফিরবে না সেটা বুকে হাত দিয়ে আপনি কোন কনফিডেন্স দিয়ে বলতে পারবেন? বুকে হাত দেওয়ার দরকার কি, বিএনপি ক্ষমতায় আসলেই আস্তে আস্তে ফিরবে। বলে দিলাম। স্ক্রীণশট রাখেন।

চোরের পক্ষে সাফাই গেয়ে আপনার নিরপেক্ষতা নিয়া প্রশ্ন উঠায়েন না। শোনেন...........আপনেরে একটা কথা বলি। চোরের পক্ষে সাফাই গাইলে আজকে আমার হয়তো বা বিএনপির এমপি ইলেকশানের নমিনেশান থাকতো, কে বলতে পারে!! ঢাবিতে আমারই সাথে ছাত্রদল করা আমার দুই বন্ধু এইবার এমপি ইলেকশান করতেছে। আমিও চাইলে গত ১৭ বছরে লন্ডন গিয়া তারেকের সাথে ফুসুর-ফাসুর করতে পারতাম। সেই সুযোগও আমার ছিলো। কাজেই আমার নিরপেক্ষতার প্রশ্ন তোলাই হাস্যকর। আমাকে যারা ব্যক্তিগতভাবে জানে, তারা এইটা স্বপ্নেও ভাবে না। আমি কোনদিনই কারো ধার ধারি নাই, এইটা আমার স্বভাবেই নাই। আমি আমার আত্মসন্মান নিয়া বাচি। সেইজন্যই আমার মাথা উচু থাকে সবসময়ে। এনসিপি নিয়ে সমালোচনা আমি এই ব্লগে যেমন করছি, প্রশংসাও করছি। এখনও তাই করি। এনসিপি'র সবাই আসমান থিকা নাজিল হয় নাই। এরা এই দেশেরই জল-হাওয়ায় বেড়ে ওঠা মানুষ। আপনের নজর একদিকে থাকলে তো হবে না। আর আমি যা বলি, তা আমি ব্যাখ্যা কইরা স্ট্যান্ড করাইতে পারি। এখন কারো মগজের ক্যাপাসিটি যদি রানু বা চাগার মতো হয়, সেইটা আমার সমস্যা না।

মন্তব্যের শুরুতেই যেই জেনেরিক কথাগুলা বললাম, সেইসব আরেকবার পড়েন। সেইসব যদি মাথায় রাখেন, অনেককিছুই পরিস্কারভাবে নিজে নিজেই বুঝতে পারবেন, যদি চান। :)

আপনে যেইসব বিষয়ের উল্লেখ করছেন, তার প্রতিটা নিয়াই ঘন্টার পর ঘন্টা আলোচনা করা যায়। একটা মন্তব্যের প্রতি-উত্তরে কি এতো বিষয় নিয়া বিস্তারিত আলোচনা সম্ভব? আপনের কি মনে হয়? এইটা কি বাস্তব-সম্পন্ন ধারনা? আমার তো মনে হইতেছে আপনে আগ্রহ থিকা না, কারো উপর চেইতা আমারে একটা মন্তব্যে এতোকিছু জিগাইতেছেন। কথা কি মিছা কইলাম? :P

যাই হোক, আমি আমার স্ট্যান্ড জানাইলাম। কেউ আমার সাথে একমত হইলে ভালো লাগে, দ্বি-মতটা প্রপারলি ব্যাখ্যা করলেও ভালো লাগে; তবে কেউ এসবের ধার না ধরে যদি ল্যাদাইতে আসে, তাইলেই সমস্যা। ব্লগের প্রধানতম সমস্যা হইলো, নির্মোহভাবে বুদ্ধিবৃত্তিক আলোচনা করার যোগ্যতা বেশীরভাগ ব্লগারেরই নাই। সবাই যারা যার দলীয় দৃষ্টিভঙ্গি আর নীতি-নৈতিকতা বেইচা হালুয়া-রুটি খাওয়ার মানসিকতা নিয়া আলোচনায় নামে!!! এদের সাথে কতোদূর আলোচনা করা যায়?

রাজনৈতিক বিষয় নিয়া আমিও আজকাল তেমন একটা মাথা ঘামাইতে চাই না। আমার আল্পস পর্বতমালার উপত্যকায় গড়ে ওঠা ইনসব্রুকে বেড়ানো নিয়া একটা পোষ্ট তৈরি করা শুরু করছিলাম সেই দুই মাস আগে। শেষই করতে পারতেছি না। খালি মাথার মধ্যে দেশের অবস্থা ঘোরে!!! কি একটা বেরাছ্যাড়া অবস্থায় যে পড়ছি!!!! :(

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.