| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
পরীক্ষার সময় বগ্লে লেখালেখির ইচ্ছা ছিলো না।তারপরেও লিখতে হচ্ছে বিবেকের দায়ভার থেকে।এ বিবেক জাতির বেদীমূলে বাঙালীয়ানাকে আঁকড়ে ধরে ডুকরে কাঁদছে।আমি বাঙালী হিসাবে আজ লজ্জিত।আজ এ দেশে শহীদ মিনারে ভাংচুর হচ্ছে,ভাংচুর হচ্ছে এ জাতির স্বাধীনতার প্রাচীর।স্বাধীন দেশে আজ জাতীয় পতাকা পুড়ানো হচ্ছে।লাথি মারা হচ্ছে জাতির জাতি সত্বার বুকে।দেশকে লাঞ্ছিত করার আদেশ কোন ধর্ম গ্রন্থে লেখা আছে?মসজিদের ভিতর থেকে বোমা,ককটেল আর এক মুসল্লির উপর ছুড়ে মারা ধার্মিকের লক্ষন নয়।
এরা ইসলাম ধর্মের কেউ নয় ইসলামের দূষ্মন।কারন ইসলাম ধর্মাশ্রয়ীরা শান্তির বানী ছড়ায়,অশান্তি নয়। `
এরা শান্তির ধর্ম মুসলিম ধর্মে দীক্ষিত নয়।এরা সোজা বাংলায় জঙ্গি।
এরা দেশকে পাকিস্তানের মত আশান্তির রাষ্ট্রে পরিনত করতে চায়।
যারা সদা ধর্মের নামে মানুষের বুকে রক্ত ঝরাচ্ছে,দেশে হিংস্রতা ছড়াচ্ছে,
তারা ধার্মিক নয়, ধর্ম ব্যাবসায়ী ।এরা ধর্মকে পুঁজি করে ব্যাবসা করে।
এদের মূলধনের প্রধান নিয়ামক মৌলবাদ।এটা কোনদিন ইসলাম ধর্ম সমর্থন করে।
ক্ষোভ আর হতশায় গোটা জাতি আজ অগ্নি শিখায় হাত রেখেছে।
আমাদের ন্যায্য দাবী আমাদের দেওয়া হয় নাই।তাই আমরা আজ রাজপথে।যে জাতি নগদ রক্তে স্বাধীনতা কিনেছে।সে জাতিকে কেউ কোনোদিন দাবিয়ে রাখতে পারবে না।
আমার হ্নদয়ে আজ দ্রোহের আগুন প্রজ্বলিত..।আমি প্রথম মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহন করেনি কিন্তু দ্বিতীয় মুক্তি যুদ্ধে অংশগ্রহন করেছি।
এটাই আমার মানুষ্য জনমের শুরু থেকে আজ পর্যন্ত এটাই একমাএ
স্বার্থকতা ।দেশের জন্য, মায়ের জন্য, শহীদদের পবিএ আত্নার জন্য বুক চিতিয়ে শেষ রক্ত বিন্দু দিয়ে লড়াই করাই দেশপ্রেম।আমি মিছিলেই আছি
দাবি আদায় করেই তবে ঘরে ফিরবো।আমি জাতি, ধর্মের সীমানা ছাড়িয়ে এই বাংলার বুকে বাঁধ ভাঙা আওয়াজ তুলে আবার গাইতে চাই “আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি”।।আমি এই স্বাধীন বাংলার বুকে
দেশোদ্রোহীদের জনোয়ার বলেই চিৎকার দিতে চাই।
আমার শরীরের প্রতিটি রক্তবিন্দু আজ শরীরের মধ্য থেকেই দ্রোহের ঘোষনা দিচ্ছে।শুধু আমি নয় আজ সব নতুন যুগের কান্ডারীদের মধ্যেও বিদ্রোহী আর সচেতনতার রক্তের নব প্লাবন বয়ে যাচ্ছে।এ প্লাবন আজ টেকনাফ থেকে তেতুলিয়ায় পর্যন্ত আছড়ে পড়ছে।এটাই স্বাভাবিক এটাই দেশপ্রেম, এটাই দেশমতৃকার প্রতি ভালোবাসা,এটাই মা,মাটি,মানুষের প্রতি ভালোবাসা।
ছোটবেলায় আমার এক মাস্টার মহাশয় বলতেন স- তে সত্য কথা বলতে হয়….ম-তে মিথ্যা বলা ভালো নয়…।
অ-তে অসৎ সঙ্গ ত্যাগ কর …।দ-তে দুষ্ট বলদ বাহিরে রাখো।তবে আমার কাছে “দুষ্ট বলদ বাহিরে রাখো” কথাটি চমৎকার লাগতো।এবং স্যার যখন আমদের ক্লাসে সবচাইতে বদ এক সহপাঠী কে কান ধরে প্রায়ই বলতো “দুষ্ট বলদের চেয়ে শূন্য গোয়াল ভালো”।তখন আমরা সবাই তাড়াহুড়ো করে নিজের নিজের জায়গায় বসে স্যারের পড়া আরম্ভ করতাম।স্যারের এই কথাটি আজও আমার কানে মনিষীর বানীর মতই ধ্বনিত হয়।আসলেই এটা চিরন্তন সত্য…“দুষ্ট বলদের চেয়ে শূন্য গোয়াল ভালো”।বাংলাদেশের পটভূমিতে আজ যে তথাকথিত রাজনৈতিক দল মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছে এদের অতীত ইতিহাস পর্যবেক্ষন করলে দেখা যায় এরা আমাদের বাংলাদেশে মীরজাফরের উওরসূরী।এদের কার্যকলাপ নরঘাতক চরিএহীন পশুদের মতই বর্বর ছিলো 1971 এর মুক্তিযুদ্ধে এরা কলঙ্কিত করেছিলো আমাদের দেশ এবং শহীদদের পবিএ রক্তকে।এদের তুলনা কুকুরের সাথে করলে কুকুরের মানহানী ঘটতে পারে কিংবা কোন কুকুর পালিত প্রতিষ্ঠান থেকে প্রতিষ্ঠানের মালিক কুকুরের সাথে রাজাকারদের তুলনা নাও মেনে নিতে পারে।মৃদু হেসে বলতে পারে আমাদের কুকুর গুলো খুবই বিশ্বস্ত এবং এরা মালিকের জন্য জীবন দিতে প্রস্তুত।কিন্তু রাজাকারেরা তো কুকুরের চেয়ে নিকৃষ্ট।আমাদের নতুন প্রজম্নের জানা উচিৎ আমাদের দেশের অবস্থা আজ এমন কেন।আমাদের দেশকে কারা বুদ্ধিজীবিহীন করে তুলেছে।কারা আমাদের মা বোনদের সমভ্রমহানী করেছিলো 1971 এর মুক্তিযুদ্ধের সময়,রাজাকাররা কত লক্ষ মুক্তিযোদ্ধা হত্যার সাথে সম্পৃক্ত ছিলো।এসব প্রশ্নের উওর সার্চ ইঞ্জিন বা মুক্তিযোদ্ধার ইতিহাস থেকে…….
একটাই উওর…পাওয়া যাবে রাজাকার এবং রাজাকারেরাই ঘটিয়েছে এসব কর্মকান্ড।আজ সেই মুক্তি যোদ্ধার দোসর গুলোই একটু অন্যরূপে ধর্মের আড়ালে মুখ ঢেকে জামাত শিবির নামে উপস্থিত হয়েছে।এরা ধর্মের দোহাই দেয় নিজেদের ফেরেশতা দাবি করে।এরা শুধু ইসলামকেই কলঙ্কিত করেনি কলঙ্কিত করছে আমার বিশ্বনবীর সত্য ধর্মের আর্দশকে।এত অপরাধের পরেও এরা যদি ফেরেশতা হয়। তাহলে
হিটলার আর রাজাকার খ্যাত মীরজাফরদের কাছে স্বর্গের চাবি মিলতে পারে।এই মীরজাফরদের কাছ থেকে স্বর্গ লাভের আশায় কিছু তরুন আজ পথ ভ্রষ্ট।তাঁদের নানান প্রলোভন দেখিয়ে দলে টানা হয়।এমন কি তাঁদের দিয়ে মৌলবাদীর শিকড় আজ রোপন করা হচ্ছে বাংলার বুকে। ধর্মের আড়ালে মুখ ঢেকে ওরা ধার্মিক সাজে।ওরা বলে ওরা নাকি ইসলাম ধর্মের প্রসার ঘটাচ্ছে।আদৌও কি তাই ওদের এই মিথ্যা আর ভন্ডামিতে সারা দেশ আজ ভীত, শঙ্কিত।ইসলাম শান্তির ধর্ম।সেই ধর্মের নাম জুড়ে দিয়ে রাজনীতি ব্যাবসা করছে জামায়াত।আর জামায়াতী নেতারা বড় বড় টুপি পাঞ্জাবী পরে আলেম সাজে।পাঞ্জাবী আর টুপির সাইজ দেখে মনে হয় এরাই আল্লাহর প্রিয় বান্দা।আসলে পর্দার আড়ালে রয়েছে এদের আসল চেহারা।এদের দ্বারা আমাদের দেশ অতীতেও উপকৃত হয়নি এখনও হচ্ছে না।এরা আমাদের দেশে ধর্মর নামে কুসংস্কার ছড়াচ্ছে আর মৌলবাদ কে উস্কে দিচ্ছে।একটু গভীর ভাবে আমরা যদি বুঝতে চেষ্টা করি তাহলে আমরা সহজেই বুঝতে পারি….এদের আসল উদ্দেশ্য।জমায়াতের এই মৌলবাদী ভাবধারা 1971 সালে বেঈমানী করেছে গোটা জাতির সাথে। দূর্জন বিদ্যান হলেও পরিত্যাজ্য একথা সবর্জন স্বীকৃত।আমার স্যার প্রায়ই বলতেন যে ব্যাক্তি কাজে কর্মে যত অক্ষম তার কথার দাপট তত বেশী।জামায়েতের অবস্থাও তাই। একাওরের নরঘাতকদের যারা ভালো আলেম বলে আজ সমাদর করে তাদের জানা উচিৎ এরা শুধু নামধারী এবং ছদ্নবেশধারী আড়ালের শয়তান। যারা পর ধর্মের নিন্দা,অপরের কটুউক্তি করে তারা ধার্মিক হতে পারে না।এরা শয়তানের জাত ভাই।এদের কু -প্রচারনায় আজ আমাদের সমাজ কলুষিত এবং অন্ধকারের পথে নিমজ্জিত। আমি বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (স.) কে অনেক পছন্দ করি এবং আমার প্রিয় একজন ব্যক্তিত্ব। ব্যাক্তি জীবনেও উনার ন্যায় নীতি আর আদর্শকে অনুসরন করি।নবীজীর প্রতিটি বানী আমার কাছে অনেক মূল্যবান।কিন্তু আজ আমি অত্যন্ত ভারাক্রান্ত মনে নিজেকে অনুভূতির আড়ালে ঢেকে রাখি।এবং লজ্জা পেয়েও দেখে যেতে হয় আমার প্রিয় একজন ব্যাক্তিত্বের
প্রর্বতিত ধর্মের মলিন চেহারা।আজ মুসলিমরা সারা পশ্চিমাদের কাছে অনাকাঙ্খিত জাতি।তাঁরা মুসলিমদের উপর জঙ্গীবাদ দমনের নামে সারা পৃথিবীর মুসলিম জাতির উপর অত্যাচার করছে। এবং কারনে অকারনে হস্তক্ষেপ করছে।পশ্চিমাদের এই কর্মকান্ডের সুযোগ করে দিয়েছে কারা?বিজ্ঞজন বা যারা ধর্ম নিয়ে রজনীতি ব্যাবসা করতে চায় বা করছে তাদের কাছে আমার এ প্রশ্ন।যারা ইসলামকে জিহাদের ধর্ম বলে বুক ফুলিয়ে অন্য জাতি কিংবা ধর্মকে তুচ্ছ মনে করে তাদের জন্যই এবং তাদের কর্মকান্ডের জন্যই ইসলামের আজ এ অবস্থা। যারা বোমা ফাটিয়ে মানুষের রক্ত ঝরিয়ে ইসলামের শাসন কায়েম করে বেহস্তে যেতে চায়।তাদের জন্যই আজ ইসলাম ধর্মের আজ এ করুন পরিনতি।যে ধর্ম বিশ্বের বুকে শান্তির বানী ছড়াতে এসেছিলো,যে ধর্মের মাঝে আমার প্রিয় নবীর জীবন দরর্শন বিস্তৃত।সে ধর্মের মাঝে কেন এই কলঙ্ক।আজ যদি পাকিস্তান,সোমালিয়া,সিরিয়া,লেবানন প্রভৃতি দেশের দিকে লক্ষ্য করি তাহলে মৌলবাদের এবং জঙ্গিবাদের উজ্বল নিদর্শন আমরা অনুধাবন করতে পারি।মানুষ কত জঘন্য এবং নির্মম হলে বোমাবাজী করে মানুষ মারতে পারে।এমন কোন দিন নেই পাকিস্তান বা সোমালিয়ায় মানুষ মরছে না।এমন কোন দিন নেই ঐসব দেশগুলোতে কোন না কোন মায়ের বুক খালি হচ্ছে না।প্রতিদিন নিউজপেপার আর মিডিয়াগুলো এসব দেশে বোমাবাজিতে নিহত মানুষের সংখ্যা সঠিক করে লিখতে হিমিশিম খাচ্ছে। মৃতের সংখ্যা মিনিটে মিনিটে বাড়ছে।আত্নঘাতী গ্রেনেড বোমার গর্জনে কেঁপে উঠছে পৃথিবীর আকাশ বাতাস।কান্নায় ভারী হচ্ছে বিবেক তাড়িৎ মানুষের হ্নদয়।এই আত্নঘাতী বোমাবাজীর সূএ জিহাদেরই ফসল এবং মৌলবাদের শেষ আশ্রয় বলে কিছু উগ্রবাদী সংগঠন আজ মনে করছে। আর এই সাথে যোগ হয়েছে উগ্রবাদী মস্তিষ্ক এর কু প্রচারনা।
আর এজন্যই এসব দেশ গুলোতে আজ এর মাশুল দিতে হচ্ছে। জঙ্গিবাদে সবসময় সেরাদের তালিকায় এসব দেশের নাম।
আজ আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটেও জামায়াত ইসলামী সহ বেশ কিছু মৌলবাদী দলও এই মানুষ হত্যা নীতিতে বিশ্বাসী।এরা ধর্মের নামে ককটেল ফুটানো,গাড়ি ভাংচুর,মানুষ কোপানো এই গুলোই আজ বেছে নিয়েছে।বেছে নেবেই না কেন এরাতো পকিস্তানের একনিষ্ঠ শিষ্য।শিষ্যরা কোনদিন গুরু অবমাননা করতে চায়?অতীতে এরা ভয়ানক সব কর্মকান্ড থেকে পিছু পা হয় নি এখন হবে কেন?
যে দেশ আজ সারা বিশ্বের বুকে অর্থনৈতিক,সামাজিক এবং শিক্ষা ক্ষেএে অভাবনীয় সফল্য পাচ্ছে সে দেশের বুকে দাঁড়িয়ে জামায়াত শিবির গৃহ যুদ্ধের হুমকি দিচ্ছে।যে দল গোষ্ঠী বদ্ধ না হলে নির্বাচনে দাঁড়ানোর সাহস পায় না।যে দলে নীতিনির্ধারকেরা রাজাকার ছিলো এবং এখনো ও আছে।যে দল গত নির্বাচনে মাএ 2-3টি আসন পেয়েছিলো। তাদের চোখ রাঙানিতে কেন এ জাতি পিছুপা হবে।এ জাতি -জাতি সত্বার জন্য জীবন দিয়েছে,ভাষার জন্য জীবন দিয়েছে,জীবন দিয়েছে মায়ের জন্য।এ জাতি সকল প্রতিবন্ধকতার জন্য মরতে প্রস্তুত।তার প্রামান্য চিএ শাহবাগের তারুন্যদীপ্ত রক্তের দৃঢ় শপথ।তরুনেরা তো মুক্তিযুদ্ধো দেখেনি কিন্তু ইতিহাস পড়েছে...ইতিহাসই তাদের শাণিত হাতিয়ার।তাঁরা আজ ন্যায্য দাবিতে রাজপথে। ওদের কেউ দাবিয়ে রাখতে পারবে না।ওরা রাজাকারদের ফাঁসির রায় শুনেই রাজপথ ছাড়বে।ওরা এিশ লক্ষ শহীদের কাছে বাঙালী জাতির ঋন পরিশোধ করবেই।রাজাকার দেশছাড়া হলেই এদেশের বুকে ওরা সবাই মুক্ত বাতসে বুক ভরে নিঃশ্বাস নেবে।শহীদ জননী জাহানারা ইমাম ও স্বর্গ থেকে আর্শীবাদ করবে জীবনানন্দের এই রুপসী বাংলাকে।
আমি লিখবো..কবিতার খাতায়...
“আমার রুপসী বাংলা......
“সাজো তুমি ষোড়ষী বালিকার অনন্ত যৌবনা রূপে,
সাজো তুমি নতুন কিশোরীর রঙে;
ঘরে ফেরা ঐ সাহসী ছেলের সুখে।
বসন্ত হউক পায়ের ঘুঙুর তব; নাচুক তোমার বুকে।
আমি ফিরে আসবোই আসবো ; তোমার এই পাদদেশে।
টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া দেখবো তোমায় তৃন্ষার হাসি হেসে।
©somewhere in net ltd.