| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আগামী কাল টুরে বের হচ্চী এখন কনফিউশনে আছি রাংগামাটি যাবো নাকি বান্দরবন যাবো ।কেউ বলে রাংগামাটি সুন্দর কেউ বলে বান্দরবনের উপরে কেউ নাই ।
যাদের এই্ ব্যাপারে অভিজ্ঞাতা আছে তারা হেল্প করেন আর সাথে সাথে কোন কোন জায়গায় ঘুরা যাবে এগুলো বলেন প্লীজ
২|
২০ শে জুলাই, ২০১০ রাত ২:২৬
চুপিচুপি বলেছেন: বান্দরবান
৩|
২০ শে জুলাই, ২০১০ রাত ২:৩৩
বিনলাদিন বলেছেন: বুজছি, বাজেট ঘাটতি। বাজেট পুরা করে ২টাতেই জান। আরাম পাইবেন।
২০ শে জুলাই, ২০১০ সকাল ৮:০০
আমি কুমিল্লার পোলা বলেছেন: ভাইরে বাজেট ঘাটতি পুরাইতে গেলে আগের বাজেট শেষ হইয়া যাইবো আছে মাত্ত ৩০০০ টাকা
৪|
২০ শে জুলাই, ২০১০ রাত ২:৩৩
দ্যা ডক্টর বলেছেন: বান্দরবান, তবে রাঙামাটির ছোট ছোট পাহাড়-নীল জলও কম সুন্দর না.....
৫|
২০ শে জুলাই, ২০১০ রাত ২:৩৫
আকাশদেখি বলেছেন: বান্দরবান যেতে পরেন...
বান্দরবান যেতে চাচ্ছি, তাই একটু help দরকার...
আশা করি এই লিংটি আপনাকে সাহায্য করবে
৬|
২০ শে জুলাই, ২০১০ রাত ২:৩৮
দুখী মানব বলেছেন: ২টা জায়গার সৌন্দর্য ২রকম। কারো সাথে কারো তুলনা হয় না। আমি ব্যাক্তিগত বারবার বান্দারবান ছুটে যাই। এটা দেখেন। উত্তর পেয়ে যাবেন।
Click This Link
২০ শে জুলাই, ২০১০ সকাল ১১:৫৭
আমি কুমিল্লার পোলা বলেছেন: আচছা একদিনে কি তিনদু ঘুরে আসা যাবে ।আমার পার হেড ২৫০০ করে নিচ্ছি তিনদুর মায়া ছাড়তে পারছিনা আবার বিডিআর দিবে কিনা তাও চিন্তা করতেছি কি করবো আপনার পোস্টে একটা মনতব্য করেছি দেখুন তো
৭|
২০ শে জুলাই, ২০১০ রাত ২:৪৩
ভালো মানুষ বলেছেন: বান্দরবান।
৮|
২০ শে জুলাই, ২০১০ রাত ২:৪৪
ভালো মানুষ বলেছেন: তবে রাঙামাটিও সুন্দর।
৯|
২০ শে জুলাই, ২০১০ রাত ২:৪৫
বাংলাপ্রতিদিন বলেছেন: সব পাগল।
ভাই না বোন,কার কাছে যাবে।?
তুলনটা বের করো ...........
১০|
২০ শে জুলাই, ২০১০ রাত ২:৪৭
শওকত বলেছেন: রাঙামাটি, রাঙামাটি, রাঙামাটি
১১|
২০ শে জুলাই, ২০১০ রাত ২:৪৭
দি ফিউরিয়াস ওয়ান বলেছেন: খাইছে, আমি তো ভাবতাম রাঙ্গামাটির সাপোর্টার বেশী, এখন তো উল্টো দেখি!
২ টাই সুন্দর, তবে আমার পছন্দ বান্দরবান। নিখাদ পাহাড়ের সৌন্দর্য্য দেখার জন্য বান্দরবানের তুলনা নেই।
১২|
২০ শে জুলাই, ২০১০ রাত ২:৫৩
মাহবুব৩৭৩৯ বলেছেন: যদি এমনি ঘুরতে যান তাইলে অবশ্যই রাঙামাটি। শহরে গিয়ে কোথাও না ঘুরলেও খারাপ লাগবে না। আর সারাদিনের জন্য নৌকা ভাড়া করে সব স্পট এ যেতে পারেন। ঝুলন্ত সেতু বা আবাসিক হোটেল থেকেও নৌকা ভাড়া করা যায় কিন্তু ভাড়া বেশী পড়বে। ছোটো কোনো খাবার হোটেল এ গিয়ে নৌকার কথা জিগ্যেস করুন। অল্প টাকায় পাবেন।
অসাধারন সুন্দর শহর রাঙামাটি।
আর যদি tracking এ যাবার সুযোগ থাকে তাহলে বান্দরবন এর বগালেক এ চলে যান। শহর থেকে রুমাবাজার চান্দের গাড়িতে। সেখানে একটা দিন থাকতে পারেন। রিজুক ঝর্ণায় যেতে পারেন। পরদিন হাটা পথে (ঝিরিপথ) বগালেক। ৬-৮ ঘন্টার হাটা। এরপর কেওকারাডং ও যেতে পারেন। ঝিরিপথ বন্ধ থাকলে পাহাড়ি পথ আছে, ট্রাক এ করে। তবে ওতে কোনো মজা নাই।
বগালেক এর কষ্ট করতে না চাইলে নীলগিরি যেতে পারেন। শহর থেকে গাড়ি ভাড়া করে ৩ঘন্টার পথ। এবং অবশ্যই অবশ্যই অবশ্যই স্বর্ণমন্দির যাবেন। বিকাল ৪টায় খোলে। সন্ধা পর্যন্ত। শহর থেকে ২০মিনিটের পথ।
১৩|
২০ শে জুলাই, ২০১০ রাত ২:৫৫
শুভ্র নামের ছেলে বলেছেন: আগামীকাল ট্যুরে বের হচ্ছেন আর এখনো ঠিক করেননি কোথায় যাবেন, মানে কোন বাসে উঠবেন? যাইহোক, হাতে সময় থাকলে একটা প্ল্যান দিয়ে দেই। আর আপনার পোস্ট দেখে মনে হল ফ্যামিলি ট্যুর হবে, তাই সেভাবেই প্ল্যান করে দেই।
আগামীকাল রাতে বান্দরবনের বাসে উঠেন, পরদিন সকালে বান্দরবন নেমে যাবেন। সকালে হোটেল ঠিক করার পর বিশ্রাম নেন কিছু, এরপর রী শং শং এ ব্রেকফাস্ট করে গাড়ি ভাড়া করে মেঘলা থেকে ঘুরে আসেন, সাথে পথে নীলাচলও রাখতে পারেন। মনে রাখবেন, যেখানেই যান, ২টার মধ্যে শহরে ফেরত আসবেন। এমনিতে মেঘলাতে ১ ঘন্টা, নীলাচলে ১ ঘন্টা আর যেতে আসতে ১ থেকে দেড় ঘন্টা লাগতে পারে।
শহরে এসে আবার রী শং শং এ লাঞ্চ করেন, এরপর ফ্রেস হয়ে নিতে পারেন হোটেল কাছাকাছি হলে। এরপর চলে যান স্বর্ণ মন্দির দেখতে, সুর্য থাকতে থাকতেই দেখে নেয়া বেস্ট। পারলে এই রাস্তাটা রিকশা করে যাবেন, অনেক কিছু দেখতে দেখতে যাবেন। দম থাকলে আর ফটোগ্রাফীর শখ থাকলে স্বর্ণ মন্দিরের পাশের পাহাড়ে উঠবেন, অসাধারন কিছু ভিউ পাবেন কিন্তু সতর্কতা, ওই পাহাড়টা কিন্তু অনেক উচু।
এটা দেখতে দেখতেই সন্ধ্যা হয়ে যাবে, আর তেমন দেখার নাই। ফেরার পরে ক্যান্টনমেন্ট ক্যাফেতে বসতে পারেন। শহর অনেক ছোট, দেখার তেমন কিছু নাই রাতে। ওইদিনই শহরে গিয়ে গাড়ি ভাড়া করবেন পরদিন নীলগিড়ি ঘুরে আসার জন্য।
পরদিন সকাল সকাল গাড়ী নিয়ে বের হয়ে পরবেন নীলগিড়িতে, যেতে আসতে সারাদিন লাগবে। এখন পাজেরো ভাড়া পাওয়া গেলেও চেস্টা করবেন হুডখোলা পিকআপ ভ্যান নিতে, রোদ লাগবে অনেক কিন্তু রাস্তায় অনেক কিছু দেখতে পারবেন। পথে প্রথমেই একটা জায়গা পড়বে যেখান থেকে সাঙ্গু নদীর অনেকখানি দেখা যায়, অসাধারন। গাড়ি থামিয়ে ছবি তুলতে পারবেন, মনে রাখবেন এখানে কেউ গাড়ি থামায় না তাই আপনাদেরকেই খেয়াল রাখতে হবে রাস্তা। এরপর একটা ঝর্না আছে, ফেরার পথে নেমেন। আর এরপর চিম্বুক পাহাড়ে নামবেন, কিন্তু বেশী সময় নিয়েন না। পাহাড়ে উঠে দেখেন চারদিক, সাথে ক্যান্টিনও আছে নিচে।
এরপর সরাসরি নীলগিড়ি, বাংলাদেশের বেস্ট রাস্তা। বলে বুঝানো যাবে না এই রাস্তায় কি দেখবেন আপনি, আর আমি একটা থ্যাঙ্কস পাব হুডখোলা গাড়ির উপদেশ দেয়ার জন্য। ভালো ক্যামেরা থাকলে রেডি রাখবেন, এক্সট্রা ব্যাটারী রাখবেন অবশ্যই। নীলগিড়ি পৌছে দেখতে পারেন অনেক কিছু, বাংলাদেশের সবচেয়ে উপরে বসে চা খেতে পারেন। নামার পথে পীক ৬৯ এর একটা সাইনবোর্ড আছে, থামবেন। এরপর ফেলে আসা ঝর্নাতে, শৈলপ্রপাত নাম। তারপর তো একেবারে শহরে। আরেকটা অনেক সুন্দর জায়গা আছে পথে, ওখানে গাড়ি থামানো যায় না। আমরা আগেরবার গাড়ির টায়ার ফেসে যাওয়ার পর দেখেছিলাম, অসাধারন টু দি ইনফিনিটি।
দ্বিতীয় দিন শেষ। পরের দিন সকালে শহর ঘুরতে পারেন, আর কাছেই একটা প্যাগোডা আছে, অবশ্যি যাবেন। দুপুরেই বান্দরবনের পর্ব শেষ আপনাদের।
হাতে সময় থাকলে আর দম থাকলে আরো যায়গা আছে, যা দেখলেন এটা বান্দবানের ৫% মাত্র। বগা লেক, কেওকারাডং কিনবা শুধু রুমা বাজার অথবা থানচি আপ ডাউন।
২০ শে জুলাই, ২০১০ সকাল ৮:০৭
আমি কুমিল্লার পোলা বলেছেন: ঘুরে আসার পর ধন্যবাদ দেমু এই পোস্টটা দেখে দেখে ঘুরতে বের হবো
২০ শে জুলাই, ২০১০ দুপুর ১২:৪৯
আমি কুমিল্লার পোলা বলেছেন: আপনার ভ্রমণ গাইড অসাধারণ লেগেছে ধন্যবাদ বস ।আরেকটা পরামর্শ চাই সেটা হলো নীলাগিড়ি থেকে কি একদিনেই ভালো করে ঘুরে শহরে ফিরে আসতে পারবে ??কেওক্রাডাং এবং বগালেক এ যেতে চাচ্ছি পরামর্শ দেন তারমানে ৩য় দিনও থাকবো আমরা ।আর তিন্দুর থানচিটা আপাতত ভবিষ্যতের জন্য রেখে দিলাম আরকি ।
২০ শে জুলাই, ২০১০ দুপুর ১২:৫০
আমি কুমিল্লার পোলা বলেছেন: ৭ জন ফ্রেন্ড যাবো
১৪|
২০ শে জুলাই, ২০১০ রাত ২:৫৯
শুভ্র নামের ছেলে বলেছেন: আগের কমেন্টে সবচেয়ে উপরে চা খাওয়ার কথাটা ভুল ছিলো, সরি।
১৫|
২০ শে জুলাই, ২০১০ রাত ৩:০৩
মাহবুব৩৭৩৯ বলেছেন: শ্রীমঙল যাবার ব্যাপার এ পরশু একটা ব্লগ দিয়েছিলাম । সবাই দারুন সাড়া দিয়েছে। কিন্তু আফসোস, যাওয়া হবে না।
এখানেও সবাই চমৎকার প্রতিক্রয়া জানাচ্ছে। আশা করি আপনার ভ্রমন টা দারুন হবে...
আবারো বলি, শহর হিসেবে রাঙামাটিই সেরা।
১৬|
২০ শে জুলাই, ২০১০ রাত ৩:১৪
বিড়াল বলেছেন: আপনি রাঙামাটির থেকে কর্নফুলি নদী দিয়ে মাত্র কোয়েক ঘন্টায় বান্দরবান যেতে পারবেন। আর ৩০০০ টাকা হলে আপনি দুই খানেই যেতে পারবেন। আর বান্দরবান বাশি সুন্দর। রাঙামাটিতে আপনি ৬টার মত লকেশন আছে আর বান্দরবানে ১৬ টার আছে। যার তুলনা আমাদের দেশের আর কোথাও হয় না। @@@ স্বর্ণমন্দির এ গেলে তো থাইলেন্ড আসছেন ভাববেন......
যাত্রা শুভ হোক...
১৭|
২০ শে জুলাই, ২০১০ রাত ৩:২৩
শুভ্র নামের ছেলে বলেছেন: বিড়াল, রাঙ্গামাটি থেকে নদীপথে বান্দরবনের ব্যাপারটা একটু বুঝিয়ে বলেন তো, বান্দরবনের কোথায় নামায়ে দিবে?
পতেঙ্গা থেকেও নাকি নদীতে কাপ্তাই যাওয়া যায়।
১৮|
২০ শে জুলাই, ২০১০ ভোর ৬:৫৭
আসকওয়ানমি বলেছেন: বান্দরবান................................
১৯|
২০ শে জুলাই, ২০১০ সকাল ৭:০৪
রেশাদ১০৬ বলেছেন: আমি দু'টো জায়গাই দেখেছি। এ দুটো জায়গার মধ্যে সৌন্দর্য্য নিয়ে আমি তুলনা করতে চাই না। দুটো জায়গাই অসম্ভব সুন্দর। এত সুন্দর জায়গা বাংলাদেশে আছে অথচ আমরা জানিনা, এতদিন পরে দেখতে এসেছি- এটা ভেবেই মন খারাপ হয়ে যায়। আপনাকে ভাই দু'টো জায়গাই দেখতে হবে। এখন বাজেটে না কুলোলে- সৌন্দর্য্য বেশী-কম বিচার না করে যেকোন একটি দেখে আসুন। ক'দিন পর না হয় অন্যটি দেখবেন।
২০|
২০ শে জুলাই, ২০১০ সকাল ৯:০৬
স্বপ্নখামারী বলেছেন: প্রথমে বান্দরবন, তারপর বান্দরবন, তারপর বান্দরবন..
তারপর পারলে রাঙ্গামাটি...
২১|
২০ শে জুলাই, ২০১০ সকাল ১০:৪২
কুয়াশা বলেছেন: দুইটার সুন্দর্য দুইরকম। তবে সুন্দরবন গেলে খুলনা দিয়ে ঢুকবেন। আর যদি ভিতরে কয়েক দিন থাকতে পারেন তাহলে ভাল মজা পাবেন। এরজন্য একটা গ্রুপ যাওয়ালাগবে। ওখানে গিয়ে হয়ত আপনি লঞ্চ পাবেন তবে সেটা রিস্ক। তবে প্রতি বছর দুবলার চরে একটা মেলা হয় সেই সময় গেলে আর কপালে থাকলে অনেক কিছুই পেতে পারেন। তবে সাবধানতার জন্য সুন্দরবনে মহিলাদের সাথে না নেয়াই ভাল। এখানে বাঘের চেয়ে বেশী ভয় বনদস্যুদের।
২২|
২০ শে জুলাই, ২০১০ সকাল ১০:৫৩
রেজোওয়ানা বলেছেন: দুটো দুরকম, যদি পাহাড়ী শোভা আর হিল ট্রাকিং করতে চান তাহলে বান্দরবন। আর যদি এর পাহাড়ি লেকে ঘুরতে চান তাহেল রাঙামাটি। আমার ভোট রাঙামাটি..........
@ কুয়াশ এখানে বান্দরবনের কথা হচ্ছে তো সুন্দরবন না!!!
২০ শে জুলাই, ২০১০ সকাল ১১:৫৫
আমি কুমিল্লার পোলা বলেছেন: জ্বি আপনে রাংগামাটিই বলবেন কারন মেয়েরা হিল ট্রাকিং পছন্দ করার কথাও না কিন্তু আমরা !!!!!!!!!!আমি যাবো রাংগামাটিই
২৩|
২০ শে জুলাই, ২০১০ দুপুর ২:১৫
আমি কুমিল্লার পোলা বলেছেন: আমি এবং আঁধার বলেছেন: স্পট- মেঘলা,প্রান্থিক লেক,বগা লেক, সাঙ্গু নদী,শৈলপ্রপাত, ক্রেওক্রাডং,চিম্বুক,নীলগিরি, মিলনছড়ি,স্বর্ণমন্দির.রাজবাড়ি,নীলাচল।
শুরু- চট্রগ্রাম বহাদ্দারহাট বাস টার্মিনাল থেকে বান্দরবনের বাস ছাড়ে। চট্রগ্রাম থেকে ২.৫-৩ঘন্টা লাগবে।
সস্তায় থাকতে হলে নীচে কিছু হোটেলের নাম ঠিকানা:
হোটেল পূরবী==> ০৩৬১-৬২৫৩১(সিঙেল রুম ২৫০-৩০০ টাকা হবে)
হোটেল গ্রীন হিল==> ০৩৬১-৬২৩৭৪
হোটেল অতিথি==> ০৩৬১-৬২৫৩৫
হোটেল প্রু আবাসিকা==> ০৩৬১-৬২২৫৭
এছাড়া মিলনছড়ি রিসোর্ট এর ভাড়া বেশী হলেও আলাদা চার্ম আছে কোন সন্দেহ নাই, গুলশান ২ এ তাদের অফিস।
বান্দরবন স্বর্ণ মন্দির -মন্দিরটি গ্রাউন্ড থেকে প্রায় ৩০০ ফুট উপরে। শহরে পৌছে রিক্সায় স্বর্ণ মন্দির ৩০ টাকা।দর্শনাথীর সময়-এটা খুব গুরুত্ব পূর্ন।সময়-বিকাল ৪টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা।
চিম্বুক + নীলগিরি রুট- বান্দরবান থেকে চাঁদের গাড়ীতে চিম্বুক। সমূদ্র তল থেকে ৩০৫০ ফুট ঊঁচু চিম্বুক পাহাড়! বান্দরবান শহর থেকে ২৬ কিঃমিঃ পাহাড়ী পথ। আর্মি-দের টিনশেড রেস্ট হাইজে রাতে থাকার সুবিধে আছে, তবে আগেই তা নিশ্চিত করে যেতে হবে।
সমূদ্র সমতল থেতে ৩৪৬০ ফুট উপরে মেঘের রাজ্যে নীলগীরি-এর অবস্থান। বান্দরবান শহর থেকে ৪২ কিঃমিঃ দূরে নীলগীরি। চিম্বুক ছাড়িয়ে থানচী যাবার পথে পড়বে এই নীলগীরি। এখানেও একমাত্র থাকার ব্যবস্থা আর্মি-দের চারটি কটেজ। প্রতিটি কটেজে আটজনের থাকার ব্যবস্থা আছে, ভাড়া ৫০০০/- টাকা। তাবুতেও থাকতে পারবেন, ভাড়া ১৫০০/- টাকা। তবে অবশ্যই আপনাকে আগে থেকেই বুকিং দিয়ে যেতে হবে। আর্মি রেফারেন্স থাকলে বুকিং পেতে সুবিধে হবে।
বগা লেক + কেউক্রাডাং রুট - বান্দরবান শহর থেকে ৩৪ কিঃমিঃ দূরে কঙ্কনছড়া ঘাট। চিম্বুক থেকে ৮ কিঃমিঃ আগেই ওয়াই জাংশন থেকে বাম দিকে টার্ন নিতে হবে। কঙ্কনছড়া ঘাট হতে ইঞ্জিন বোটে সাঙ্গু নদী দিয়ে দেড় ঘন্টার পথ (স্রোতের বিপরীতে) রুমা বাজার। আপনি চাইলে অতিরিক্ত আধা ঘন্টা (যাওয়া-আসা অতিরিক্ত এক ঘন্টা) নৌ ভ্রমণ করে অনেক ঊঁচু থেকে পড়া রিঝুক ঝর্ণাটাও এই ফাঁকে দেখে আসতে পারেন। রুমা থেকে ১৬ কিঃমিঃ দূরে পাহাড়ের উপরে আশ্চর্য এক জলাধার- বাগ লেক! রুমা বাজার থেকে বগা লেক পর্যন্ত দু'ভাবে যাওয়া যায়। ঝর্ণার পথ অনুসরণ করে হেঁটে পাড়ী দিতে পারেন এই পথ, যাকে বলে ঝিরি পথ। অথবা খুবই ঝুঁকিপূর্ণ রাস্তায় ১১ কিঃমিঃ চাঁদের গাড়ীতে গিয়ে তারপর আরও ৭ কিঃমিঃ পাহাড়ী পথে হেঁটে যেতে পারেন বগা লেক (এই পথের দূরত্ব ১৮ কিঃমিঃ)। রুমা বাজার থেকে গাইড পাবেন। আর্মিদের ক্যাম্পে গাইডের নামসহ আপনাদের নাম-ঠিকানা লিপিবদ্ধ করতে হবে। রেজিস্টার্ড গাইড ছাড়া সামনে এগুনো নিষিদ্ধ। গাইড-কে প্রতিদিনের জন্য দিতে হবে ৩০০/- টাকা!
বগা লেকের উচ্চতা ১৭২০ ফিট! এই স্থানটি মূলতঃ কেউক্রাডাং পাহাড়ে ওঠার বেজক্যাম্প। কেউক্রাডাং জয়ের অভিযাত্রীরা এখানেই অবস্থান করে থাকেন। স্থানীয় মারমা-দের পরিচালনায় কাঠ-বাঁশের তৈরী রেস্ট হাউজ পেয়ে যাবেন সহজেই। ভাত (অথবা খিচুরী), চাল কুমড়ার বা শিম এর তরকারী আর ডিম- এই হচ্ছে মোটামুটি প্রতি বেলার ম্যেনু!
বগা লেক থেকে ৪০ মিনিটের হাঁটা পথ পেড়িয়ে সুন্দর একটা ঝর্ণা (চিংড়ি ঝর্ণা) দেখে আসতে পারেন। আর কেউক্রাডাং চুড়ায় উঠতে হলে বগা লেক হতে আরও ৪-৫ ঘন্টার পাহাড়ী হাঁটা পথ! সে পথও মাড়িয়ে আসতে পারেন। বগা লেক থেকে পুরো এক দিনের হাঁটা পথ মাড়িয়ে দেখে আসতে পারেন কাইখ্যাং ঝর্ণা ও পুকুর!
থাকা- সিয়াম দিদির কটেজ। খাওয়া দাওয়ার দাম দর আগে থেকেই জিগেস করে নিবেন। থাকা প্রতিজন প্রতিদিন ১০০ টাকা নিছিল মনে হয়।আরেকটা জিনিস, সবাই বগা লেক থেকে কেওক্রাডং অবশ্যি ঘুরে আশে। কেওক্রাডং গেলে রুমা বাজার থেকে ভাল দেখে গাইড নিতে হবে সাথে। কেওক্রাডং গেলে বগা লেক পৌছানোর পরদিন সকাল সকাল রওনা দিবেন। পায়ে হেটে যেতে ৪, সাড়ে ৪ ঘন্টা আসতে ৩ ঘন্টার মত লাগে। এ্যাডভেঞ্চার প্রেমি হয়ে ট্রেকিং করেই রুমা থেকে বগা যাওয়া ভাল।
টিপসঃ ১। সারাদিনের জন্য চাঁদের গাড়ীর ভাড়া ২৫০০/- টাকা। তবে পর্যটন মৌসুমে তা ৪০০০/- থেকে ৫০০০/- টাকা পর্যন্ত হতে পারে। রিজার্ভ গাড়ী ছাড়া লোকাল চাঁদের গাড়ীতে ভ্রমণের চিন্তা না করাই ভাল।
২। যাত্রার আগে ম্যালেরিয়া-এর প্রিভেনটিভ ওষুধ খেয়ে নেয়া জরুরী। ভাল গ্রীপের কেডস এবং মোটা মোজা পায়ে থাকতে হবে। পাহাড়ী পথে জোক-এর উপদ্রব রয়েছে। অন্ততঃ দুই জোড়া মোজা সাথে নেয়া ভাল। সহযাত্রী সকলের নিতান্তই প্রয়োজনীয় জিনিস-পত্র একটি ব্যাগে ভরে বাকী মালপত্র রুমা বাজারে কোথাও রেখে যাওয়া শ্রেয়ঃ।
৩। চিম্বুক, নীলগীরি এবং বগা লেকে রেষ্ট হাউজ রিজার্ভেশন-এর জন্য এই নম্বরগুলিতে কন্টাক্ট করতে পারেন-
ক) চিম্বুকঃ ওয়ারেন্ট অফিসার মিঃ আজিজ/সামাদ - ০১৫৫৬৭৪৪০৩১
খ) নীলগীরিঃ মেজর ফারুক-০১৭১৬৫৯৮২৬৬, ক্যাপ্টেন নাহিদ-০১৮১৯১৮৫০১৫.
গ) বগা লেকঃ লারাম-০১৫৫২৩৭৬৫৫১ (সহসা এই নম্বরটা নেটওয়ার্কে পাওয়া যায়না)
ঘ) হিল সাইড রিসোর্টের ফোন নাম্বার 01199275691
২৪|
২০ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১১:৪৩
বিড়াল বলেছেন: ভাই, আপনি যদি ভাবেন বান্দরবেন হিল ট্রাকিং করবেন তাহলে ভুল .... ওখানে প্রতিটা পাহাড়ে আপনার জিপ গারি নিয়ে যেতে হবে........
২৫|
০৮ ই নভেম্বর, ২০১০ রাত ৯:২৪
জন ঢাকা বলেছেন: কবে যাব পাহাড়ে আহারে আহারে
২৬|
০১ লা অক্টোবর, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:৫৬
হাসান মাহমুদ তানভির বলেছেন: ভাই মাথা তো পুরাই নষ্ট হয়ে গেলো। কয় দিনের টুর ছিলো? খুব ভালো লাগলো। যারা গিয়েছেন, তাদের সাথে যোগাযোগ করতে চাই। আমার ইমেইলঃ [email protected] আমরা ঈদের পরে যাচ্ছি। আর ভাই, বউ নিয়ে কি যাওয়া যাবে? আর ৩ দিনে কি সম্ভব? বগা লেক, ক্রেওকারাডং, রাখাইং লেক, জাদিপাই? ধন্যবাদ। ও হ্যাঁ। আমি মাত্র নেপাল ঘুরে এলাম। এখানে দেখুন।
২৭|
১০ ই জানুয়ারি, ২০১৪ বিকাল ৫:৫৭
আদম_ বলেছেন: শিগগিরই যাবো ইনশাআল্লাহ।
©somewhere in net ltd.
১|
২০ শে জুলাই, ২০১০ রাত ২:২৩
মানুষ বলেছেন: বান্দরবান