| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
দারাশিকো
লেখালিখির প্রতি ভালোবাসা থেকে লিখি
ধনীর দুলালী আলিশা (তিন্নি) একদিন বাড়ি থেকে পালালো, তারপর বাবাকে ফোনে জানালো – কিং কোবরা নামে এক সন্ত্রাসী তাকে কিডন্যাপ করেছে, মুক্তিপণ চাই এক কোটি টাকা। তারপর নিজেই নিজের হাতে হাতকড়া পড়ালো, মুখে টেপ লাগালো, পা বাধল। তারপর নিজের গাড়ির পেছনের বাক্সে বন্দী করল। আলিশা যখন ডিকি-তে বন্দী, তখন ব্রিফকেস হাতে হাজির হল আরিয়ান (শাকিব খান)। তারপর ব্রিফকেস খুলে বের করলো – নগদ টাকা নয়, স্ক্রু ড্রাইভার। আলিশার বাবা আশফাক চৌধুরী (আলমগীর) দাবী অনুযায়ী টাকা নিয়ে হাজির হওয়ার আগেই আরিয়ান গাড়ির লক ভেঙ্গে ভেতরে ঢুকে গাড়ি নিয়ে পালাল। গাড়ি চোর আরিয়ানের সাথে গডফাদার আতিক খানের (মিশা সওদাগর) চুক্তি ছোট – একবারে পাচটি চোরাই গাড়ি হস্তান্তর করা হবে চল্লিশ লাখ টাকার বিনিময়ে। পাচটি চোরাই গাড়ি গ্যারেজে আর গাড়ির মূল্য চল্লিশ লক্ষ টাকা গ্যারেজের আলমারিতে রেখে ডিকি থেকে উদ্ধারকৃত আলিশাকে নিরাপদে কোথাও নামিয়ে দিতে গেল আরিয়ান। এদিকে গ্যারেজে আগুন লেগে পুড়ে গেল নগদ ৪০ লক্ষ টাকা, সেই সাথে পাচটি চোরাই গাড়ি। চল্লিশ লক্ষ টাকার সম্পদ মুহুর্তেই হয়ে গেল চল্লিশ লক্ষ টাকার দেনা। আরিয়ানের সামনে ত্রিমুখী বিপদ। আতিক খানকে টাকা ফেরত দিতে হবে, যে উদ্দেশ্য গাড়ি চুরি সেই উদ্দেশ্য পূরনের জন্যও চাই চল্লিশ লক্ষ টাকা, অথচ ঘাড়ের উপর ধনীর দুলালী আলিশা। এই বিবিধ সমস্যা সমাধানের উদ্দেশ্যে দারুন সম্ভাবনাময় এক গল্পের ভিত্তি স্থাপনের মাধ্যমে সোহানুর রহমান সোহানের ‘সে আমার মন কেড়েছে’ সিনেমা শুরু হল।
(ইউটিউব বন্ধ আছে সম্ভবত)
ঈদ উল ফিতরে মোট ছয়টি ছবি মুক্তি পেয়েছে। ছবি মুক্তির অনেক আগে থেকেই এই সিনেমাটি বিভিন্ন সময়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে। এর অন্যতম হল -মডেল ও টিভি অভিনেত্রী শ্রাবস্তী দ্ত্ত তিন্নির পর্দার জনপ্রিয় নায়ক শাকিব খানের সাথে জুটিবদ্ধ হয়ে সিনেমার জগতে পদার্পন এবং নির্মানাধীন সময়ে পরিচালকের শিডিউল ফাঁসানোসহ বিভিন্ন রকম জটিলতার সৃষ্টি। ফলে নানা রকম যন্ত্রনার ইতি টেনে এই ঈদে ছবিটি মুক্তি পাওয়ার ঘোষনা থেকেই সিনেমাটির প্রতি আগ্রহ তৈরী হয়েছিল। কারওয়ান বাজারে পূর্ণিমা সিনেমা হলে আগ্রহের পরিসমাপ্তি।
যে অমিত সম্ভাবনা নিয়ে গল্পের ভিত্তি স্থাপিত হয়েছিল, সেই সম্ভাবনার ভিত্তি স্থাপনের পর পরই গুড়া হতে শুরু করে এবং সিনেমা শেষ হওয়ার আগেই বাতাসে মিলিয়ে গিয়ে সচেতন দর্শককে হতাশায় ডোবায়। মাত্র তিনদিন স্থায়িত্ত্বের গল্পে একাধারে সততা, নিষ্ঠা, প্রেম-ভালোবাসা-বিরহ, হাসি-কান্না-হতাশা-আশা, ধনী-গরীব দ্বন্দ্ব-সম্পর্ক এবং ফ্যান্টাসি গল্প, অপরিণত অভিনয়, অযৌক্তিক লোকেশনে দৌড়ঝাপ আর চমৎকার চিত্রায়নের পাচটি গান মিলিয়ে বিশ বছরের পুরানো জগাখিচুড়ি নতুন করে প্লেটে হাজির করার চেষ্টায় সোহানুর রহমান সোহান সম্পূর্ন সফল – তাকে অভিনন্দন। চল্লিশ লক্ষ টাকার দেনা, মাথার উপর আতিক ভাইয়ের মৃত্যু পরোয়ানা, আতিক ভাইয়ের নেতৃত্বে সন্ত্রাসী বাহিনি এবং কোন এক এসপির নেতৃত্বে পুলিশ বাহিনীর ধাওয়া থেকে বাচতে চাওয়া আরিয়ান যেভাবে পরিবারের সবার সাথে আনন্দমুখর সময় কাটায় তা বোধহয় দু:স্বপ্নেও সম্ভব হবে না। আর কাহিনীকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া প্রধাণ বাহন যে সংলাপ তা অপরিণত এবং কোন কোন ক্ষেত্রে হাস্যকর। উল্লেখ্য, চিত্রনাট্যকারও সোহানুর রহমান সোহান। বিশ বছর আগে তিনি যে কাহিনীতে সিনেমা তৈরী করেছেন, এই ২০১২ সালে সেই কাহিনীর ভূমিকাই শুধু পাল্টেছে – ট্রিটমেন্ট, চিত্রায়ন, মেক-আপ, সংলাপ, উপস্থাপন এবং কাহিনীর গতিপ্রবাহ বিন্দুমাত্রও পাল্টে নি।
দর্শক হিসেবে আমার জন্য সিনেমার আকর্ষন ছিল শ্রাবস্তী দত্ত তিন্নি। কিন্তু তার অভিনয়, সংলাপ তাকে নাটক থেকে সিনেমায় আক্ষরিক অর্থেই ‘নামিয়েছে’। অনেক পরিণত সংলাপ এবং গল্পের নাটকে অভিনয় করে যিনি অভিজ্ঞ সেই তিন্নি কিভাবে এ ধরনের সিনেমায় অভিনয় করেছেন – সে নিয়ে প্রশ্ন জাগে। তিনি কি সিনেমায় অভিনয়ের পূর্বে চরিত্র এবং চিত্রনাট্য ও সংলাপ সম্পর্কে সম্পর্ক পূর্ণ ধারনা নেন নি? নাকি শাকিব খানের সাথে অভিনয় এবং সিনেমার পর্দায় উপস্থিতির আগ্রহে তিনি তার মান-কেও বিসর্জন দিতে দ্বিধা করেন নি?
জনপ্রিয় নায়ক শাকিব খান তার অন্যান্য সিনেমার চেয়ে খুব ভালো কিছু করেন নি, মন্দও করেন নি। তিনি নাচেন ভালো, সিনেমায় অভিনয়ের চেয়ে নিজেকে আকর্ষনীয় হিসেবে উপস্থাপন করে তুলতে সক্ষম হয়েছেন। একজন অভিনেতার হাতকে কাজ দিতে হয়, নাহয় ডায়লগ ডেলিভারীর সময় হাত দুটো কোমড়ে কিংবা প্যান্টের পকেটে স্থান নেয় – যা অভিনয়কে কৃত্রিম করে তোলে। পরিচালকের এ দিকে দৃষ্টি দেয়া উচিত ছিল। আর, অভিনয় এবং চরিত্রের প্রয়োজনে কানের দুল বিসর্জনের ব্যাপারে পরিচালকদের চিন্তা করা উচিত এবং শাকিব খানেরও মানসিকতা তৈরী হওয়া উচিত।
সিনেমায় সবই যে খারাপ তা নয়, অভিনয়ের দিক থেকে আফজাল শরিফ, শর্মিলী আহমেদ এবং মিশা সওদাগর তাদের যোগ্যতার পরিচয় দিয়েছেন। প্রায় প্রত্যেকটি গানই শ্রুতিমধুর, সুচিত্রায়িত। ছোট ছোট কমেডি দৃশ্যগুলো তুলনামূলকভাবে ভালো এবং দর্শককে আমোদিত করেছে।
শাকিব খান ও তিন্নির সিনেমা আমার মন কাড়তে সক্ষম না হওয়ার দোষ বোধহয় দর্শক হিসেবে আমারই। কারণ এই একই সিনেমা একসাথে অনেক নারী পুরুষ একত্রে উপভোগ করেছেন। আলিশা-কে উদ্ধারের প্রচেষ্টায় শাকিব খান যখন বিভিন্ন বাধা-বিপত্তিকে অতিক্রম করে দৌড়াচ্ছে – আমার পাশের দর্শক তখন উত্তেজনায় হাটু তুলে বসেছেন, সব ভুলে চিৎকার করে উঠেছেন। নতুন নতুন পোশাকে শাকিব খান পর্দায় উপস্থিত হওয়া মাত্রই সামনের সারিতে বসা মেয়েরা প্রশংসাসূচক শব্দ করেছে, শাকিব খানের কৌতুক দৃশ্যগুলোতে পুরা হল ভর্তি দর্শক হা হা করে হেসেছে। এ সকল টুকরা দৃশ্যই শাকিব খানের জনপ্রিয়তাকে নির্দেশ করে, সেই জনপ্রিয়তার কাছে তিন্নির প্রয়োজন ও অবস্থান বিন্দুসম।
সিনেমার নির্মান সময়ে পরিচালক কি দুরাবস্থার মধ্য দিয়ে কাটিয়েছেন, তিন্নি তাকে কতভাবে ভুগিয়েছে ইত্যাদি বিবেচনা করলে সোহানুর রহমান সোহানের নির্মান সংক্রান্ত ত্রুটিগুলো উপেক্ষা করা যায়, কিন্তু সম্ভাবনাময় একটি গল্পকে মুখ থুবড়ে হত্যা করার দায়ে তিনি অবশ্যই দায়ী হবেন।
===========================
আরও পড়ুন:
ঘেটুপুত্র কমলা-র রিভিউ
দারাশিকো'র ব্লগ সম্পর্কে আপডেটিত থাকতে
ধন্যবাদ ![]()
১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১০:৩৬
দারাশিকো বলেছেন: কঠিন অবজারভেশন।
যা করা যায় না তার থেকে বেশী যেন চিন্তা করে নেয়া যায় সেজন্যই এই আয়োজন - এর বেশী কিছু না ![]()
ভালো থাকুন আকাশ মাহমুদ ![]()
২|
১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৩৯
রিমন রনবীর বলেছেন: নায়ক কেডা? শাকিব খান?
১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১০:৩৬
দারাশিকো বলেছেন: সাত নম্বর কমেন্ট দ্রষ্টব্য ![]()
৩|
১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ৮:০৬
জেমস বন্ড বলেছেন: ধন্যবাদ শেয়ার করার জন্য
, আশা রাখি ছবিটি দর্শক টানতে সক্ষম হবে ।
১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১০:৩৮
দারাশিকো বলেছেন: সম্ভবত সক্ষম হয় নাই। তার চেয়ে ঢাকার কিং অনেক ভালো ব্যবসা করেছে। এই ঈদে শাকিব খানের যতগুলা ছবি মুক্তি পেয়েছে - ঢাকার কিং ই সম্ভবত সবচে ব্যবসা সফল।
এখনো দেখতে পারি নাই সিনেমাটা। এই সপ্তাহে দেখা যায় কিনা চেষ্টা করবো।
৪|
১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ৮:৫৬
কাউসার রুশো বলেছেন: শুধুমাত্র তিন্নির জন্যই মুভিটা দেখার আগ্রহ ছিলো।
আদৌ দেখবো কিনা শিওর না।
১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১০:৩৯
দারাশিকো বলেছেন: দেখবেন না। দেখার মত খুব বেশী কিছু নাই।
শাকিব খান, বাংলা সিনেমা ইত্যাদি সম্পর্কে খুব আগ্রহ না থাকলে এই সিনেমা কেউ দেখবে না সম্ভবত।
৫|
১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ৯:৪৬
বাদ দেন বলেছেন: এটার english version টার নামি কি? এলিসিয়া সিলভারস্টন আছিল
৬|
১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ৯:৫১
বাদ দেন বলেছেন: মনে পড়ছে Click This Link
Excess Baggage (1997) এর মুভি , কাহিনী শুইনাই টের পাইলাম
১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ৯:৫৮
দারাশিকো বলেছেন: হুম। দারাশিকো ডট কমে প্রকাশের পরেই বিভিন্ন মন্তব্য থেকে জানা হয়ে গেছিল।
৭|
১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১০:০৯
আকাশ_পাগলা বলেছেন: আরেকটা চমৎকার রিভিউ পড়লাম।
আপনার লেখা যেমন ঝরঝরে, তেমনই পক্ষপাত মুক্ত।
আপনি শাকিব খানেরও গুণ খুঁজে পেয়েছেন, তার মানে বাংলা ছবি দেখেই মুখ বাঁকানোর স্বভাব আপনার নেই। এই ব্যাপারটা আপনার রিভিউর অনেক বেশি গ্রহণযোগ্যতা এনে দেয় সবসময়েই।
১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১১:০১
দারাশিকো বলেছেন: ধন্যবাদ আকাশ পাগলা ![]()
বেশ ইরেগুলার হয়ে গেছেন পোস্ট দেয়ায় - খুব ব্যস্ত?
৮|
১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১০:২৩
C/O D!pu... বলেছেন: আকাশ_পাগলা বলেছেন: আপনি শাকিব খানেরও গুণ খুঁজে পেয়েছেন, তার মানে বাংলা ছবি দেখেই মুখ বাঁকানোর স্বভাব আপনার নেই। এই ব্যাপারটা আপনার রিভিউর অনেক বেশি গ্রহণযোগ্যতা এনে দেয় সবসময়েই।
১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১১:৫৪
দারাশিকো বলেছেন:
![]()
ধন্যবাদ দীপু ![]()
৯|
১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১০:২৮
রেজোওয়ানা বলেছেন: চমৎকার!
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১২:০৫
দারাশিকো বলেছেন: ধন্যবাদ আপু ![]()
১০|
১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১০:৩৫
নোমান নমি বলেছেন: ভালো রিভিউ।
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ সকাল ৭:৩১
দারাশিকো বলেছেন: ধন্যবাদ নোমান নমি ![]()
ভালো থাকুন
১১|
১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১১:৪৯
আশরাফুল ইসলাম দূর্জয় বলেছেন:
এই ছবি নিয়ে টিভিতে আলোচনার সময় হিল্লোলের কথা মনে হইলো ![]()
তিন্নি গেলো নওশিন এলো !
ও হ্যা, এরা দুইজন ই আমার পছন্দের কিন্তু!
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ সকাল ১০:৩৪
দারাশিকো বলেছেন: হে হে হে হে
পছন্দের মানুষের সিনেমা দেখতে গেছেন?
১২|
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১২:১০
নক্ষত্রচারী বলেছেন: তিন্নি কেমন অভিনয় করছে দেখবার মন চায় । মনে হয় তত ভালো করে নাই । কারন হিরো যে আমাদের নাম্বার ওয়ান ছাকিব খান
।
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ সকাল ১০:৩৬
দারাশিকো বলেছেন: ছাকিব খান নয়, শাকিব খান। ![]()
শাকিব খানের জন্য তিন্নি অভিনয় খারাপ করবে তা তো হয় না, তিন্নি তার যোগ্যতানুসারেই অভিনয় করেছেন, উৎরে যাওয়ার মত। তবে তার উচিত ছিল আরও ভালো করার চেষ্টা করা, নন প্রো- আচরণ কাম্য ছিল না তার কাছে।
ধন্যবাদ নক্ষত্রচারী। ভালো থাকুন ![]()
১৩|
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১২:২৩
আধারের কবি বলেছেন: আকাশ মাহমুদ০০৭ বলেছেন: ভাই আমার প্রশ্ন হল বাংলা ছবির পোষ্টারে নায়ক আর নাইকার ঠোট পাশা পাশি থাকে ক্যান।
আমি প্রায় লক্ষ করি এই দৃশ্ব্টা।
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ সকাল ১০:৩৯
দারাশিকো বলেছেন: লক্ষ করার মত দৃশ্য। প্রায় সব ছবিই যৌনতাকে পুজি করে ব্যবসা করতে চায় - সেটা কতটা প্রকাশ্যে তা ছবি থেকে ছবিতে ভিন্ন হয়।
এই ছবিতেও এরকম একটা দৃশ্য ছিল যা অনাকাঙ্খিত, অযৌক্তিক। তাই বর্ননা করছি না।
ভালো থাকুন আধারের কবি ![]()
১৪|
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১২:৫৬
আমি অন্ধকার খুজি বলেছেন: আকাশ_পাগলা বলেছেন: আপনি শাকিব খানেরও গুণ খুঁজে পেয়েছেন, তার মানে বাংলা ছবি দেখেই মুখ বাঁকানোর স্বভাব আপনার নেই। এই ব্যাপারটা আপনার রিভিউর অনেক বেশি গ্রহণযোগ্যতা এনে দেয় সবসময়েই।
সহমত
একেই বলে গ্রহণযোগ্য রিভিউ ।
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ সকাল ১০:৫৮
দারাশিকো বলেছেন: ধন্যবাদ মেহেদী হাসান
১৫|
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১:০৬
স্বপ্নবাজ বাউন্ডুলে বলেছেন: দেখার আগ্রহ পাচ্ছি না ।
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ সকাল ১১:২৬
দারাশিকো বলেছেন: ![]()
১৬|
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১:০৯
জালাটান বলেছেন: খোদার পরে মা ও এর চেয়ে নাকি ভাল ব্যবসা করেছে। এর রিভিও কি পাব??
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ৯:৩৭
দারাশিকো বলেছেন: খোদার পরে মা - এখনো দেখা হয় নাই। যদি দেখা হয়েই যায় তবে অবশ্যই রিভিউ পাবেন।
আমার টার্গেট ঢাকার কিং দেখা। সময় মিলাতে পারি না ![]()
ভালো থাকুন জালাটান
১৭|
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১:৩৯
লেখাজোকা শামীম বলেছেন: আবারও প্রমাণিত হল বাংলা সিনেমায় গল্পের প্রচণ্ড অভাব। কাউকে দিয়ে যে মৌলিক গল্প লিখিয়ে তারপর সিনেমা বানাতে হয়, এ বিষয়টা পরিচালকরা কবে বিবেচনায় আনবেন ? পুরো ইন্ডাস্ট্রি ধ্বংস হয়ে যাওয়ার পরে ?
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ৯:৪০
দারাশিকো বলেছেন: শামীম ভাই, আপনার এই সবগুলা প্রশ্ন খুবই গুরুত্বপূর্ন এবং আমি নিজেও ভাবি।
আবার নিজেকে যখন গতানুগতিক একজন চলচ্চিত্রকারের জায়গায় নিয়ে যাই, তখন ভেবে দেখি - মৌলিক গল্প দিয়ে আমি কি করবো? কেন মৌলিক গল্পের জন্য চেষ্টা করবো।
যাদেরকে টার্গেট করে সিনেমা বানাই, তারা যখন এতেই সন্তুষ্ট তখন শুধু নিজের সন্তুষ্টির জন্য কেন মৌলিক গল্পের দিকে দৌড়াবো?
জবাব পাইনা ![]()
১৮|
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:৪০
মামুন রশিদ বলেছেন: দর্শক হিসেবে আমার জন্য সিনেমার আকর্ষন ছিল শ্রাবস্তী দত্ত তিন্নি। কিন্তু তার অভিনয়, সংলাপ তাকে নাটক থেকে সিনেমায় আক্ষরিক অর্থেই ‘নামিয়েছে’।
কিন্তু সেই সূত্রে দারুন একটা রিভিউ পাঠ করলাম ।
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ দুপুর ২:৩০
দারাশিকো বলেছেন: ধন্যবাদ মামুন ![]()
ভালো থাকুন সবসময়
১৯|
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ৯:০৬
দূর্যোধন বলেছেন: রিভিউ আপনার ব্লগেই পড়া।বরাবরের মতনই।তিন নং ছবিতে তিন্নির এক্সপ্রেশনটা পুরাই মহামারি ! ![]()
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ দুপুর ২:৩৫
দারাশিকো বলেছেন:
![]()
২০|
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১২:২২
মুনতা বলেছেন: আগেই পড়ছিলাম।ধন্যবাদ রিভিউ এর জন্য।
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ দুপুর ২:৪১
দারাশিকো বলেছেন: শুকরিয়া মুনতা
![]()
২১|
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ২:৫০
হাবিবউল্যাহ বলেছেন: অভিনয় এবং চরিত্রের প্রয়োজনে কানের দুল বিসর্জনের ব্যাপারে পরিচালকদের চিন্তা করা উচিত এবং শাকিব খানেরও মানসিকতা তৈরী হওয়া উচিত
নারে ভাই।আমাদের স্টারদের এই দিকে মনোযোগ আগেও ছিলনা।এখনো নাই।
সালমান শাহ'র সময়েও এরকম আক্ষেপ করতেন পরিচালকেরা।এখনো করতে হয়।
অভিনয় থেকে যখন ফ্যাশন গুরুত্বপূর্ন হইয়া যায় তখন তার থেকে মুখ ফিরাইয়া নেয়ার সময়টাও আইসা যায়।
*শামিম ভাই'র প্রশ্ন আর উত্তর।
কেউ ই জানেনা কি হবে।উত্তর নাই আসলে কারো কাছেই।অপেক্ষার দিন শেষ হবে কবে সেটার এক কঠিন অপেক্ষায় যাচ্ছে আমাদের সময়গুলো!
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ দুপুর ২:৩৯
দারাশিকো বলেছেন: অভিনয় থেকে যখন ফ্যাশন গুরুত্বপূর্ন হইয়া যায় তখন তার থেকে মুখ ফিরাইয়া নেয়ার সময়টাও আইসা যায় ----
২২|
১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ বিকাল ৩:০৩
পাগলমন২০১১ বলেছেন: ছবিটা দেখার খায়েশ নাই কারন শাকিবরে দেক্তারিনা।
রিভিউ বালা পাইলাম।
১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ৯:৩১
দারাশিকো বলেছেন: আমি যে খুব দেক্তারি, তাও না, কিন্তু সিনেমা দেখার সময় এইসব মাথায়ও রাখি না ![]()
ভালো থাইকেন ![]()
©somewhere in net ltd.
১|
১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৩৯
আকাশ মাহমুদ০০৭ বলেছেন: ভাই আমার প্রশ্ন হল বাংলা ছবির পোষ্টারে নায়ক আর নাইকার ঠোট পাশা পাশি থাকে ক্যান।
আমি প্রায় লক্ষ করি এই দৃশ্ব্টা।