| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
কোন এক জ্যোৎস্না রাতে, কাঙ্ক্ষীত সেই স্বপ্নের আবেশে মাছটি উড়ে চলে, আলোকিত শুভ্র নীল দিগন্তের পানে....তাঁরই সন্নিধানে। মাছটি স্বপ্নে উড়ে যায়, স্বপ্ন সত্যির অপেক্ষায়....
আহমদীয়া মুসলিম জামাত(Ahmadiyya Muslim Community) মূল/আনুষ্ঠানিক নাম। এটি মুসলমাদের অসংখ্য ফিরকার/দলের মধ্যে একটি। প্রতিষ্ঠাতা মির্জা গোলাম আহমেদ কাদিয়ানী। ভারতের পাঞ্জাব প্রদেশের কাদীয়ান গ্রামে জন্ম, সেই সূত্রে তার নামের সাথে কাদীয়ানি সংযুক্ত। আর একারণেই প্রাচ্যে আহমদীয়া মুসলিম জামাতের অনুসারীরা কাদিয়ানী নামে পরিচিত। তবে মূল নাম আহমদীয়া মুলসলিম কমিউনিটি তাই তাদের আহমদী হিসেবে ডাকাটাই যুক্তিসংগত।
মির্জা গোলাম আহমেদ কাদিয়ানী -র দাবি: ইমাম মাহদী, প্রতিশ্রুত মসীহ ইবনে মরিয়ম।
তার দাবির ভিত্তি বনী ইসরাঈলের নবী ঈসা(আ) এর মৃত্য
কোরআনের ৩০ টি আয়াত দ্বারা তিনি প্রমাণ করেছেন যে বনী প্রায় ২০০০ এরও বেশি বছর পূর্বে আগত ইসরাঈলের নবী ঈসা(আ) যথাসময়ে যথাযথ সম্মানের সাথে মৃত্যুবরণ করেছেন। একারণে তার আকাশে জীবিত থাকার বিশ্বাস ভিত্তিহীন। আর আহমদীদের মতে, ঈসা(আ) এর মৃত্যুতেই ইসলামের জীবন নিহিত। কারণ আখেরী যুগে বিভ্রান্ত মুসলিমরা ঈসা(আ) এর আকাশ থেকে অবতরনের জন্য পথ চেয়ে আছে।
ব্যাখ্যাসহ সেই ত্রিশটি আয়াত ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন
কিন্তু এক্ষেত্রে এটা্ও বিবেচ্য যে, রাসূল (স) বলেছেন ঈসা(আ) আসবেন। আহমদীরা যেহেতু কোরআনের ৩০ টি আয়াতের মাধ্যমে ঈসা (আ) এর মৃত্যু প্রমাণ করেছেন তাই তারা বিশ্বাস করে, দ্বিতীয় যে ঈসার আগমনের কথা সেটা রূপক অর্থে রাসূল (স) ব্যবহার করেছেন।
যেমন: তিরমিযি কিতাবুল ঈমানে আছে:
অর্থাৎ মুসলমানরা যখন ইহুদীদের রোগ ব্যাধিতে আক্রান্ত হবে তখন যে চিকিৎসক আসবেন তার উপাধি ঈসা।
এখানে আরেকটি বিষয় বিবেচ্য, আপনার সবাই জানেন কাদীয়ানিদের অন্য সব মুসলিমরা সর্বসম্মত ভাবে কাফের বলে মনে করে। এমনকি পাকিস্তানে আহমদীদের সাংবিধানিকভাবে কাফের সাব্যস্ত করা হয়েছে। যখন এই বিলটি পাশ হয়েছিল পাকিস্তানে, তখন কিছু পত্রিকার শিরোনাম এরকমও ছিল, "৭২ দল ১ দলকে ধর্মচ্যুত করল।"
এখানে পূর্বে উল্লেখিত হাদীসটির প্রতি আবার দৃষ্টি দিচ্ছি, রাসূল (স) বলেছেন, আখেরি জামানায় দলাদলি সৃষ্টি হবে। আবার শেষের কথায় বুঝা যাচ্ছে আর সব দিকে দলাদলি থাকলেও সেই সঠিক পথের দলটি থাকবে একদিকে বাকি সবাই থাকবে অন্যদিকে। সেক্ষেত্রে অন্য সব বিষয়ে দিমত থাকলেও সেই ফিরকার ব্যাপারে তারা প্রত্যেকেই একমত থাকবে...আর সেটা কি বলা হয়ে গেছে।
আহমদীয়া সম্প্রদায় রাসূল (স) কে সর্বশ্রেষ্ঠ রাসূল এবং সর্বশেষ শরীয়াতবাহী রাসূল হিসেবে মনে প্রাণে বিশ্বাস করে। তারা বিশ্বাস করে রাসূল (স) এর প্রকৃত মর্যাদা খাতামান্নাবীঈন। খাতামান্নাবীঈনের যতগুলো অর্থ হয় সব অর্থেই তাকে খাতামান্নাবীঈন হিসেবে তারা মান্য করে। তবে কোরআনে ও হাদীস অনুযায়ী তাদের বিশ্বাস প্রতিষ্ঠিত। মির্জা গোলাম আহমদকে তারা নবী মানলেও তিনি কোন স্বাধীন(শরীয়তবাহী) নবী ছিলেন না। কোরআনে দাসত্বের নবীর পথ খোলা আছে, নিচের আয়াত ও হাদীসটি দেখুন:
সূরা নিসা: ৬৯
আরেকটি আয়াত প্রমাণ করে কিয়ামত পর্যন্ত উম্মাতি নবীর আগমনের পথ খোলা আছে:
সূরা আরাফ: ৩৫
সুনানে নাসাঈ
অর্থাৎ এখানে স্পষ্টত যে, যারা আল্লাহর হুকুম মান্য করবে এবং প্রিয় রাসূলের(স) দাসত্ব করবে, তারা নবী, সিদ্দিক, শহীদ, ও সালেহ দের অন্তর্ভূক্ত হবে। অর্থাৎ রাসূল (স) এর দ্বসত্বের শর্তে নবীর আগমনের পথ খোলা আছে। আর আপনারা মির্জা গোলাম আহমদ সাহেবের নামটি বিশ্লেষন করুন। নামটিতে মূর্তিমান যে তিনি আহমদের গোলাম...অর্থাৎ রাসূল(স) এর গোলাম। পূর্বের কোন নবীর ক্ষেত্রে এই শর্ত ছিল না যে তাদের পূর্ববতী কোন নবীর দাসত্ব করতে হবে। কিন্তু আল্লাহ্ সর্বশ্রেষ্ঠ নবীর জন্য এই নিয়ম করেছেন। এটা কি রাসূল (স) এর শ্রেষ্ঠতার একটি নিদর্শন না, যে তার ঘরের দাস কে আল্লাহ্ নবীর মর্যাদা দেন, শুধুমাত্র তার দাসত্বের কারনে? আর হাদীসেতেও স্পষ্টত যে, মসজিদে নববীর পর যেমন মসজিদ নির্মান করা হয়েছে তেমনি রাসূল (স) এর পরেও নবীর আগমন হতে পারে। তবে মসজিদ বানাতে হলে সেটা মসজিদে নববীর আদর্শ অনুসারে হতে হবে, তেমনি নবী হতে হলে তাকে কোরআন, হাদীস অনুযায়ী রাসূল (স) এর প্রকৃত দাসত্বের মাধ্যমে হতে হবে। তারপরেও যদি সন্দেহ থাকে মির্জা গোলাম আহমদ সাহেব, রাসূর(স) এর অবমাননাকারি, তবে রাসূল (স) কে নিয়ে তার রচিত একটি কবিতার অংশ উদ্বৃত করছি:
"উস নূর পার ফিদা হু(সেই জ্যোতিতে আমি বিভোর)
উসকা হি মে হুয়া হু (আমি তারই হয়ে গেছি)
ও হে মে চিজ কেয়া হু? (তিনি ছাড়া আমার আছেই বা কি?)
বাস ফেয়সালা এহি হে। (এটাই প্রকৃত মিমাংসা)"
আর ইমাম মাহদী(আ) ও দ্বিতীয় ঈসা(আ) যে একই ব্যক্তি হবে সেটার জন্য মুসলিম শরীফের এই হাদীসটি দেখুন, কিতাবুল ইমান অধ্যায়ে হাদীসটি পাবেন:
রাসূল(স) এর পর নবীর কথা উঠলেই অনেকে একটি হাদীসের কথা বলেন, যেখানে রাসূল (স) বলেছেন, তার পর ৩০ জন মিথ্যা নবী দাবিকারক আসবেন। হাদীসটি একটু ভালো ভাবে পরুন। রাসূল (স) বলেছেন ৩০ জন মিথ্যা দাবীকারক আসবেন, কেন বললেন না, তার পর যেই নবীর দাবি করবেন সেই মিথ্যা? এটা এজন্যই বলেননি কারণ ৩০ জন মিথ্যা নবী যেমন আসবেন সত্য নবীও তেমনি আসবেন। তাই ৩০ জন সম্পর্কে সতর্ক করেছেন তিনি এবং একই ভাবে পরোক্ষ ভাবে নিদের্শ দিয়েছেন যাতে অজ্ঞতাবসত যাতে কোন নবী দাবিকারকে মিথ্যা সাব্যস্ত করা না হয়।
তবে খাতামান্নাবীঈন এ আমরা সবসময়ই বিশ্বাস করতাম, এটাকে আহমদীয়াতের ইস্যু হিসেবে দেখিয়েছে যুগের পথভ্রষ্ট আলেমরা। আমাদের মূল ইস্যু হচ্ছে ইসা (আ) এর মৃত্যু। ঐ ত্রিশটি আয়াত নিয়ে ভালভাবে গবেষণা করুণ, আপনিও বুঝতে পারবেন কেন এই বিষয়টি বোঝা জরুরি।
আর আলেমরা বলে, কাদিয়ানীরা খ্রিস্টানদের দালাল। কিন্তু এটা খেয়াল করে না, গোলাম আহমদ সাহেব খ্রিস্টান পাদ্রীদের দাজ্জ্বাল আখ্যায়িত করেছেন।
দাজ্জাল সম্পর্কে আহমদীয়া মুসলিম জামাতের একটি বই আপনাদের জন্য সংযুক্ত করলাম।
শুধুকি তাই? তিনি(আ) খ্রিস্টানদের ধর্মীয় বিশ্বাস ৩ খোদার ১ খোদা(জিসাস) কে মৃত সাব্যস্ত করে প্রমাণ করেছেন তাদের ধর্মের অসাড়তা।
তবে হযরত মির্জা গোলাম আহমদ কাদিয়ানী(আ) ইংরেজ সরকারের প্রশংসা করেছে, তার কারণ ইংরেজরা ধর্মীয় স্বাধীনতায় বিশ্বাসী। একারণে তাদের পাদ্রীদের দাজ্জাল আখ্যায়িত করার পরেও তারা আহমদীয়াদের উপর আক্রমন চালায় না, যা পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মত মুসলিম দেশে সরকারের ছায়াতলে থেতে যুগের তথাকথিত আলেমরা শান্তিতে চালিয়ে যাচ্ছে। একারণে ইংরেজ সরকারকে তিনি(আ) সবসময় সম্মান করতেন। কিন্তু ঠিক তদ্রুপ বা তারচেয়ে বেশি ঘৃণা করতেন খ্রিস্টানদের ধর্মীয় বিশ্বাসকে, যা এক কথায় তৃত্ত্ববাদ(তিন খোদায় বিশ্বাস)।
সূরা মরিয়মের ৮৮-৯১ আয়াত(বিসমিল্লাহকে ১নম্বর আয়াত বিবেচনা করে) টি লক্ষ্য করুন:
যেভাবে আল্লাহ্ তাআলা বিষয়টিকে ঘৃণা করেন ঠিক তেমনি আমরাও বিষয়টিকে ঘৃণা করি। ৩ খোদায় বিশ্বাস সবচেয়ে নিকৃষ্ট বিশ্বাস।
আমি সবাইকে একটি বিষয়ে দিকনির্দেশ করব। আপনি যখন অন্য একজনের সম্পর্কে কোন কিছু কমেন্ট করবেন তখন আপনার প্রত্যক্ষ করা উচিৎ সে প্রকৃত পক্ষে কেমন? আর যেটা যুক্তি তর্ক সাপেক্ষ সেখানে তো অবশ্যই বিপক্ষের রেফারেন্স দিয়েই বিপক্ষকে ঘায়েল করতে হবে। কিন্তু আহমদীয়া সম্প্রদায়ের ক্ষেত্রে এই বিষয়টি চর্চা করার কথা কেউ স্মরণ রাখেন না। শোনা কথায় কান দিয়ে সেই কথাকেই রেফারেন্স হিসেবে ব্যবহার করেন। আমি আমার এই ব্লগের হাদীস ও কোরআনের উদ্বৃতিগুলোতে এই নীতিটি প্রয়োগ করেছি। যেহেুত ইসলামিক ফাউন্ডেশন দেশের বিশ্বস্ত একটি প্রকাশনী তাই হাদীসগুলো ইসলামীক ফাউন্ডেশনের অনুদিত হাদীস গ্রণ্থ থেকেই উদ্বৃত। আর কোরআনের ক্ষেত্রে ডা: জহুরুল হকের এবং আরেকটি কোরআনের অনুবাদ থেকে সরাসরি ক্রিনশট তুলে এটাচ করেছি।
সবশেষে আমি সবাইকে আহমদীয়া মুসলিম জামাতের প্রতিষ্ঠাতা হযরত মির্জা গোলাম আহমদ কাদিয়ানী(আ) কে কোরআন ও হাদীস সাপেক্ষে ইমাম মাহদী ও ঈসা ইবনে মরিয়ম (আ) হিসেবে যাচাই করার জন্য অনুরোধ করে শেষ করছি। আল্লাহ্ আমাদের সবাইকে সর্বদা সরল, সঠিক পথে পরিচালিত করুন। আমীন।
আহমদীয়া মুসলিম জামাত সম্পর্কে আরো জানতে ভিজিট করুন:
www.ahmadiyyabangla.org
www.alislam.org
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ৩:৪৪
দার্শনিক বলেছেন: কোরআনের এবং হাদীসের রেফারেন্স সহকারে আপনার বক্তব্য উপস্থাপন করলে উত্তর দেওয়া সহজ হয়।
২|
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ ভোর ৪:০১
বিডিআর বলেছেন: ৬৯ নাম্বার আয়াতে কিভাবে নবীর পথ খোলা দেখতে পেলেন ব্যাখ্যা করুন।
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ ভোর ৪:০৭
দার্শনিক বলেছেন: ঐ আয়াতে বলা হয়েছে, যে কেউ আল্লাহ্ এবং তার রাসূলের হুকুম মান্য করবে আল্লাহ্ তাদেরকে ৪ টি নিয়ামত/পুরস্কারে ভুষিত করবেন। সূরা ফাতিহাতে আমরা ৫ ওয়াক্ত নামাযে প্রত্যেক রাকাতে তিলাওয়াত করি, "ইহদিনাস সিরাতাল মুস্তাকিম, সিরাতাল্লাহযিনা আন-আমতা আলায়হিম" অর্থাৎ তুমি আমাদিগকে সরল, সুদৃঢ় পথে পরিচালিত কর, তাদের পথে যাদেরকে তুমি পুরষ্কিত করেছ। আর এই পুরষ্কার ৪ টি। এখন আপনাদের আলেমদের মতে "মরলে শহীদ, বাচলে গাজী" শহীদ, সিদ্দিক, সালেহ হওয়ার রাস্তা খোলা আছে...কিন্তু শুধু মাত্র নবীর ক্ষেত্রেই যত বিরোধ। চিন্তা করে দেখেন...আমি আশা করি বিষয়টি বুঝাতে পেরেছি। আর কোরআনের আয়াতের পাশা পাশি হাদীসটির প্রতিও লক্ষ্য রাখুন।
৩|
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ ভোর ৪:১৪
ঝটিকা বলেছেন: সামুতে যে পেইড ব্লগার আছে অনেকেই তা বলে। বিশ্বাস করতাম না ভাবতাম ফান। কিন্তু এখন আস্তে আস্তে ক্লিয়ার হচ্ছে..............নাহলে এক কাদিয়ানী নিয়ে ২টা পোস্ট আসল!!!!! কাদিয়ানীর পক্ষে মন্তব্যও পড়েছে দেখলাম
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ ভোর ৪:১৮
দার্শনিক বলেছেন: পেইড ব্লগার থাকতে পারে, কিন্তু আমি নিজের অনুপ্রেরণা থেকেই লিখেছি। বিশ্বাস না করলে কিছু করার নাই। কিন্তু আরেকটি পোস্ট কাদিয়ানী নিয়ে? এটা কোথায়? আমি তো দেখলামনা...
৪|
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ ভোর ৪:৫৫
ঝটিকা বলেছেন: "কিন্তু আরেকটি পোস্ট কাদিয়ানী নিয়ে? এটা কোথায়? আমি তো দেখলামনা..."
ভায়া মিথ্যা বললেন কেন............ঐখানে আপনার ২টা মন্তব্যও দেখলাম।
ধন্যবাদ।
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ বিকাল ৪:৪৬
দার্শনিক বলেছেন: মিথ্যা বলি নাই, কিন্তু উনার কথায় আমি ভাবলাম, একই সময় দুইটি পোস্ট। আর যেটাতে আমি কমেন্ট দিয়েছি ঐটা আমি সার্চ করে বেড় করেছি। আরো সার্চ করলে এরকম আরো অনেক পোস্টই পাওয়া সম্ভব। উনার কমেন্ট পাওয়ার পর আমি তাৎক্ষণিকভাবে প্রথম কয়েক পৃষ্ঠা চেক করেছি। কিন্তু এধরণের কোন টপিক পাই নাই।
৫|
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ ভোর ৫:০৬
ফারজুল আরেফিন বলেছেন: কাদিয়ানী কী মুসলমান? আমি তো জানি এরা ভন্ড।
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ বিকাল ৪:৪৯
দার্শনিক বলেছেন: যে ব্যক্তি নিজেকে মুসলমান দাবি করে তাকে অমুসলিম বলা রাসূল(স) এর সুন্নত বিরোধী। আপনি তো জানেন এরা ভন্ড... এর নিশ্চয়তা কি আপনি যা জানেন সব সঠিক?
৬|
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ ভোর ৬:৪৭
হাফসা বিনতে আলী (রাইয়ান) বলেছেন: কুরআন ও সহিহ বুখারিতে বহুবার মহানবী (সা ঃ ) এর শেষ নবী প্রসঙ্গে এসেছে । আমি তর্কে র খাতিরে কোন কথা বলতে চাই না । যা সত্যি তা মেনে নেয়া উত্তম মনে করে মন্তব্য করলাম । যেমন সুরা আহজাবে আল্লাহ স্পষ্ট ভাবে বলে দিয়েছেন মুহাম্মাদ ('সা ঃ ) শেষ নবী "(হে লোকেরা!) মুহাম্মাদ তোমাদের পুরুষদের মধ্য থেকে কারোর পিতা নয় কিন্তু সে আল্লাহর রসূল এবং শেষ নবী আর আল্লাহ সব জিনিসের জ্ঞান রাখেন৷"(৪০) সহিহ বুখারিতে রাসুল বলেছেন ঃ "আমি নবীদের শেষ আমার পরে আর কোন নবী আসবে না।" মুহাম্মাদ ছাড়া আর কাওকে নেতা ভাবাও ঠিক না । আল্লাহ আপনাকে সঠিক পথ দেখান ।
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ বিকাল ৪:৫৭
দার্শনিক বলেছেন: যেস্থানে রাসূল (স) কে শেষ নবী বলা হয়েছে, সেই অর্থেই তাকে শেষ নবী মানা উচিৎ যে অর্থে তা প্রযোয্য। খাতামান্নাবীয়িনের অনেক অর্থ হয়, যেমন নবীগণের মোহর, শরীয়তের শেষ নবী, সর্বশ্রেষ্ঠ নবী। আমরা সব অর্থেই রাসূল (স) কে খাতামান্নাবীয়িন স্বীকার করি। আর খাতামান্নাবীয়িন এর অর্থ যদি শেষ বলেন তাহলে তবে সেটাও হবে শরীয়াতের শেষ নবী। শরীয়াত অর্থ নিয়মকানুন অথবা জীবন বিধান। কোরআনের মাধ্যমে শরীয়াত পূর্ণতা পেয়েছে। সেই হিসেবে নতুন কোন শরীয়ত নিয়ে নতুন কোন নবী আসার পথ বন্ধ। আর এই অর্থে রাসূল (স) শরীয়াতের শেষ নবী। আর তার পরে শরীয়াতবাহী কোন নবী আসবে না। কিন্তু আমার উক্ত হাদীস সহ আরো অনেক হাদীসে স্পষ্ট যে শরীয়াত ছাড়া রাসূল (স) এর দাস দের মধ্যে নবীর পথ খোলা আছে।
৭|
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ ভোর ৬:৫০
রাহি বলেছেন: Rat e ans ditase with reference.
৮|
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ ভোর ৬:৫৪
রাহি বলেছেন: Rat e ans ditase with reference.
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:৩৩
দার্শনিক বলেছেন: দিয়েন, কিন্তু বাংলায় লিখলে ভাল হয়। আর প্রাসংঙ্গিক ভাবে লিখাবেন আশা করি।
৯|
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ সকাল ৭:০৫
মেলবোর্ন বলেছেন: The Darkness in Focus
Let us now quote from the writings to make an objective assessment(Translated from his original Urdu):
১০|
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ সকাল ৭:০৮
মেলবোর্ন বলেছেন: We curse anyone making a claim of prophethood. (Advertisement dated 20 Shaaban, 1314 A.H.)
But soon he is found claiming:
In the word of God I have been named Muhammad and a Messenger. (Roohani Khazain, p. 18/207)
I am Adam, I am Noah, I am David, I am Christ, the son of Mary, I am Muhammad. (Roohani Khazain, p. 22/521)
Zahoorud Din Akmal's verse:
Muhammad has descended among us again,
And in his glory he is loftier than before!
Aayil came to me. God gave Jibrael the name of Aayil (Aayil from “aana” which means “Coming” in Urdu) because he comes to me time and again. (Haqiqatul Wahi p. 103)
God gave me the tidings that I would live up to be 80 years or longer (Muahibur Rahman).
But he died in 1908 when he would be in the range of 68-73 years of age.
It is absurd that a person should receive inspiration (from God) in a language different from his own! (Chashma-e-Maarifat p.209)
And then a verdict quite the reverse:
It is strange that some of the inspiration I receive is in languages quite unknown to me, for example, English or Sanskrit or Hebrew, etc.
On March 5 1905 I saw an angel. When asked he said his name was Tichi Tichi! (Haqiqatul Wahi p. 332)
When you read this, a faint smile would be in order!
It is written in Bukhari that a voice from the sky will announce (for Mirza Ghulam) that he is God's caliph Mehdi! (Shahadatul Quran p 41.)
Just think about it. How glorious this hadith is!
Turn page after page of all volumes of Bukhari and you will not find this quotation anywhere!
Look up history and it tells you that (Prophet Muhammad) was the same orphan whose father died a few days after his birth. (Paigham-i-Sulh p. 9)
It is common knowledge that the Holy Prophet's father Abdullah had died before his birth!
Treat this self-grown plant with special kindness and favor (Mirza Ghulam's letter to the British Lieutenant Governor February 24, 1898)
This letter should be viewed in the context of W.W. Hunter and Nawab Chhatari’s revelations.
Now get ready:
The state of divination so engulfed Mirza Ghulam as if he was a woman and Allah was expressing His power of manhood. This is enough said for those who have discernment. (Islami Qurbani Tract No.34 Qazi Yad Muhammad Qadiani)
The author of Saboot Hazir Hain, M. Mateen Khalid comments, that in the entire history of mankind, not a single individual besides Mirza has ascribed this abomination to God (but there is more to it):
Baboo Elahi Bakhsh wants to see my menstruation but Allah says you have no menstruation, there is that baby in you (Annexure to Haqiqatul Wahi, p. 581)
Presumably that baby refers to Jesus Christ. The insult goes on:
Spirit of Isa (Jesus) was infused in me like it was done in Mariam (Mary) and allegorically I was rendered pregnant. Not more than ten months had passed when I was made Isa from Mariam. That is how I became Jesus, son of Mary. (Kashti-Nooh p.47)
Mirza Bashiruddin Mahmud, the son of Mirza Ghulam, who became the second "caliph", writes in Alfazl on January 5, 1933:
১১|
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ সকাল ৭:১২
মেলবোর্ন বলেছেন: About the revelation to the Promised Messiah (Mirza Ghulam) that he would die in either Makka or Madina, we would say that both are the names of Qadian.
The problem here is that Mirza Ghulam met his end neither in Makka, Madina nor in Qadian, but in a lavatory of the Ahmadiya Building in Lahore!
Mirza Ghulam wrote that once he put some matter in writing and placed before the Almighty for signatures. God signed it unhesitatingly in red ink… the Almighty shook his pen and drops of ink fell on my (Mirza's) cloak (kurta). (Tiriaqul Qaloob p. 33)
The Promised Messiah had a sweet tooth. He kept lumps of gur (coarse sugar) while carrying pebbles in his pocket to dry his urine. (Merajuddin Umar Qadiani in Annexure to Braheen-e-Ahmadiya 1/67)
Mirza Bashiruddin Mahmud the son of Mirza Ghulam writes in "Seeratul Mahdi" Vol. 2 that the Promised Messiah was suffering from hysteria and “miraq“ (psychosis).
With such serious mental problems, there would always be a risk of, eating the used pebble and using the lump of gur for hygiene!
Masjid-e-Aqsa mentioned in the Quran is the Masjid at Qadian (Qadiani Journal Alfazl August 21, 1932).
Now a miracle dream of Mirza Ghulam:
Mirza Ghulam prayed that a rock which rested on his head be turned into a buffalo! When he raised his head he saw that it indeed did turn into a buffalo. (Haqiqatul Mahdi p.10)
And his neck remained intact.
Try to make sense of this:
Allah prays, fasts, awakens, and sleeps (Albushra 2/79)
Mirza Ghulam raised funds on the commitment that he would write a book spread over 50 volumes. However, he stopped the work when only 5 volumes had been done. When he was asked about the discrepancy, he reasoned that “there is a difference of only a zero between 5 and 50!”
(Preface to Barahin Ahmadiya 5/7)
Some Samples from the "Sultanate of Pen":
A letter to a London friend (translated from Urdu), "I want an English style lavatory which has a low square chair with a pot in the middle. I feel giddy when I put pressure on my feet while squatting to shit.” (Collection of letters to Hakeem Muhammad Hussain Qureshi).
My enemies are swine, and their women are bitches! (Najmul Huda p. 10)
Whoever does not believe in our triumph is clearly fond of becoming a bastard. (Anwarul Islam p. 30)
People regard us as haram-eater! (Haqiqat-I-Ikhtalaf p. 50)
And how rightly!
It is a miracle from God that mullas accepted my divinations and got stuck in my screw! (Arbaeen p. 2/21).
His successors are still busy trying to get people stuck in the same screw.
IV. The Love Bug :
Now a long story made short. At age 53, Mirza fell in love with Muhammadi Begum, a 10-11 year old girl, among his relatives. He begged her parents for her hand in marriage. He bribed and threatened them to no avail; he divorced one of his wives (Phajja's Mother). Her sin? She did not approve of child marriage.
To further increase pressure on Muhammadi Begum's parents, Mirza persuaded his son, Fazal (Phajja), to divorce his wife, Izzat Bibi. This is because Izzat Bibi’s parents, who were related to Mohammadi Begum, censured Mirza for casting a lustful eye on a 10-11 year old child. When Mirza was 56, he wrote a letter to the parents of the innocent (ex) daughter-in-law (on May 20, 1891) "Was I a sweeper, janitor, untouchable (“choohra“, “chamaar“), that you felt it disgraceful to give away the girl to me (in marriage?). (Please note the sophistication of his language, and remember that the Qur‘an categorically forbids marriage before attaining adulthood of body and mind (4:21) Marriage is a solemn covenant.)
Time and again, he wrote letters, sent messages, and published predictions that Muhammadi Begum will eventually become his wife. If she was given in marriage to another man she would quickly become a widow.
Muhammadi Begum grew up to be as intelligent as she was charming. She got married according to her parents' choice, undeterred by Mirza's predictions and warnings. She and her husband Sultan Mohammad, lived a long and happy life.
Mirza comforted himself by stating that he had been married to Muhammadi Begum in the heavens (where he was meeting her every night!)
১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ১১:২৪
দার্শনিক বলেছেন: বিভিন্ন আপত্তির খন্ডনের জন্য এই লিংকে গিয়ে সত্যের সন্ধানের বিভিন্ন পর্ব দেখতে পারেন:
http://ahmadiyyabangla.org/SSL.htm#prg
১২|
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ সকাল ৭:১৬
আমাদের ইয়াহু বলেছেন: নিসাঃ৬৯
এখানে বলা হইছে, কেউ যদি আল্লাহকে ও তার রাসুলকে অনুসরন করে তাহলে তারা নবী, সিদ্দিকী, শহীদদের সঙ্গী হবে। তাই বলে তারাই নবী, সিদ্দিকী হয়ে যাবে এটা কি এখানে বলা আছে? তাহলেতো সবাই নবী হয়ে যাবে।
কাদিয়ানীদের নবীর মৃত্যু শুনেছি হয়েছে বাথরুমে পরে। পৃথিবীর কোনো নবির এই রকম অপমানের মৃত্যু কি হয়েছে? তার তাদের জীবন দিয়েছে তাই বলে পায়খানার মরন হতে পারে কোনো নবীর?
তিনি সবসময় কসম করতেন। বলতেন এটা হবেই, আর যদি না হয় তাহলে আমি মিথ্যা নবী। পরে তিনি অনেক তার মুখের চ্যালেঞ্জ সফল করার জন্য ব্যাপক তদবির করতেন। তিনি এতবেশী মিথ্যা বলতেন যে মৃত্যুর সময় তার কলেরা হয়ে মুখথেকে গু বের হয়েছিলো। হিস্টরী পরে দেখেন। সঠিক পথে আসেন।
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ বিকাল ৫:০৩
দার্শনিক বলেছেন: রেফারেন্স সহ কথা বললে ভাল হয়, আপনি যেসব কথা শুনেছেন তার কতটুকু ইতিহাস সমর্থিত? আপনি উইকিপিডিয়াতে দেখেন এরকম কোন কথা সেখানেও পাবেন না। তিনি এত বেশি মিথ্যা কথা বলতেন??? প্লিজ যেকোন একটার কথা উদ্বৃত করেন। রেফারেন্স সহ। তবে মোল্লাদের পুস্তকের রেফারেন্স দিবেন না। alislam.org এ গিয়ে আমাদের পুস্তকগুলো থেকে দেন।
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ৮:০৫
দার্শনিক বলেছেন: নবী, সিদ্দিক, শহীদ, সালেহ এই ৪ টি হচ্ছে আধ্যাত্মিক পদমর্যাদা। যে ব্যক্তি সেরকম পদমর্যাদার দাবীদার আল্লাহ্ অবশ্যই তাকে সেই পদমর্যাদা দিবেন। তার মানে এই না, সব মুসলিমই এই ৪ টি পুরস্কারে ভূষিত হবে।
১৩|
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ সকাল ৭:৫২
সাঈফ শেরিফ বলেছেন: লেখকের কাছে প্রশ্ন,
১. হাদীস-কুরান ম্যানিপুলেশনের পর যা দাড়ালো একজন মসীহ আসবেন, এখন গোলাম আহমদ নামের এক নরপশু নিজেকে ইমাম মেহদি দাবি করলেই কেন তাকে পুজা করতে হবে? পাকিস্তানের বাপ জিন্নাহ যদি নিজেরে মাহদী দাবি করে, কিনবা জামাতের মৌদুদী, আপনি কি পুজা দিতে রাজি আছেন?
২. আমরা যারা কাদিয়ানী বিরোধী, আমাদেরকে কি আপনারা কাফের মনে করেন? হ্যা অথবা না?
৩. মুসলিমদের ৫ স্তম্ভের একটা হল হজ্জ্ব। আপনারা কি হজ্জ্বে বিশ্বাস করেন, পালন করেন? কাবা ঘরে যাদের ঢুকবারই অনুমতি নেই সেই সব কাদিয়ানীর বাচ্চারা নিজেদের মুসলিম দাবি করে কিভাবে?
৪. আপনারা বাহাইদের মত নিজ ধর্ম, আলাদা ধর্ম ঘোষণা করেনা। সাধুবাদ দিবো। কিন্তু একটা ঐতিহাসিক নরপশুকে পূজার মন্ডপে তুলে শুধু মাত্র নিজেদেরকেই মুসলিম দাবি করার যে হঠকারিতা দেখান, তার বিরুদ্ধে সংগ্রাম চলবে।
কুখ্যাত কুলাঙ্গার নরপশু গোলাম কাদিয়ানীর ইতিহাস জানতে পড়ুন, এই খানে
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:০০
দার্শনিক বলেছেন: আপনার ভাষা অত্যন্ত নিম্নস্থরের। তবুও প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছি:
১. মসীহ যে কেউ দাবি করলেই তাকে মানতে হবে এরকম কিছুকি আমি আপনাদের বলেছি? আমার পোস্ট শেষ করেছি "আমি সবাইকে আহমদীয়া মুসলিম জামাতের প্রতিষ্ঠাতা হযরত মির্জা গোলাম আহমদ কাদিয়ানী(আ) কে কোরআন ও হাদীস সাপেক্ষে ইমাম মাহদী ও ঈসা ইবনে মরিয়ম (আ) হিসেবে যাচাই করার জন্য অনুরোধ করে শেষ করছি" এভাবে। অর্থাৎ যাচাই করে বিশ্বাস অবিশ্বাসের প্রশ্ন। আর যাচাই করতে হবে কোরআন ও হাদীস সাপেক্ষে। আর "পূজা" করার কথাটা কিভাবে আসল? আল্লাহ্ ছাড়া কারো পূজা করা যায়েজ না। কোন আহ্মদী মির্জা গোলাম আহমদ (আ) কে পূজা করে না। রাসূল (স) এর নির্দেশ অনুযায়ী তার কাছে বয়াত করে।
২. রাসূল (স) এর নির্দেশ হচ্ছে কেউ যদি লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ্ পরে তবে অন্তরে যতই সন্ধেহ থাকুক ঐ ব্যক্তির প্রকৃত ঈমান সম্পর্কে তবু তাকে কাফের আখ্যায়িত করা যাবে না। আমরাও আপনাদের কাফের আখ্যায়িত করি না। তবে আপনাদের মসজিদে নামায না পড়ার ব্যাখ্যা হচ্ছে আপনাদের মওলানারা সর্বসম্মত ভাবে আমাদের কাফের বলে। যারা আমাদের কাফের বলে তাদের কে ইমাম মানা অর্থ তাদের বিশ্বাসকে আমরাও মেনে নিয়েছি!!! তাই আমরা আপনাদের ইমামের পেছনে নামায পড়ি না।
৩. আমাদের অনেক আহমদী হজ্জ্ব করেছে। তবে হজ্জ্বের কয়েকটি শর্ত রয়েছে। যাত্রপথের নিরাপত্তা এবং আর্থিক সামঞ্জস্য না থাকলে হজ্জ্ব ফরয না। আমাদের যেহেতু নিরাপত্তা নেই সৌদিআরবে, তাই আমাদের সেভাবে হজ্জ্ব করতে দেখবেন না। তবে তার পরেও অনেক আহমদীই হজ্জ্ব করেছে। গত বছরই আমার এক আত্মীয় হজ্জ্ব করে এসেছে।
৪. পূজা বলতে আপনি কি বুঝেন? আহমদীরা গোলাম আহমদ কাদিয়ানী (আ) কে নবী মানে ঠিক কিন্তু পুজা করে না। এমনকি রাসূল (স) সর্বশ্রেষ্ঠ নবী, খাতামান্নাবীয়িন কিন্তু তার পূজাও আহমদীয়ারা করে না। আমরা শুধু মাত্র আল্লাহ্র সামনেই মাথা নত করি।
১৪|
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ সকাল ৭:৫৬
টাকিলা বলেছেন: godam. Shit.
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:৩৪
দার্শনিক বলেছেন: গালি দেওয়া মুসলমানদের জন্য বড়ই অপরাধ।
১৫|
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ সকাল ৮:০৯
মেলবোর্ন বলেছেন: অনেকেই ভাববেন আমি উপরে এত বড় কমেন্ট করেছি কেন কারন লেখক নিজেই বলেছেন:
আমি সবাইকে একটি বিষয়ে দিকনির্দেশ করব। আপনি যখন অন্য একজনের সম্পর্কে কোন কিছু কমেন্ট করবেন তখন আপনার প্রত্যক্ষ করা উচিৎ সে প্রকৃত পক্ষে কেমন ,আর যেটা যুক্তি তর্ক সাপেক্ষ সেখানে তো অবশ্যই বিপক্ষের রেফারেন্স দিয়েই বিপক্ষকে ঘায়েল করতে হবে। কিন্তু আহমদীয়া সম্প্রদায়ের ক্ষেত্রে এই বিষয়টি চর্চা করার কথা কেউ স্মরণ রাখেন না।
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ বিকাল ৫:২৮
দার্শনিক বলেছেন: আপনি কাদিয়ানী বিরোধি একটি বই থেকে কপি পেস্ট করেছেন। যাই হোক, আপনার পেস্টকৃত বিষয় মাল্টিডাইমেনশনাল। আমি যে বিষয়ে ব্লগটি লিখেছি সেই বিষয়ের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। আমার আজকের লেখার বিষয়বস্তু ছিল কাদিয়ানীদের ধর্মীয় বিশ্বাস সম্পর্কে সঠিক তথ্য দেওয়া। আর আপনার যদি আমার প্রদানকৃত তথ্যে কোনরূপ ভুল থাকে মনে করেন তবে সঠিক রেফারেন্স সহ কমেন্ট করুন। আগের দুটি বিশাল কমেন্ট(?) আপনার কমেন্ট নয়, এটা আপনার কমেন্ট তাই এটাতেই রিপ্লাই দিলাম।
১৬|
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ সকাল ৯:২৫
আমি বিদ্রোহী বলেছেন: গদাম সহকারে মাইনাস।
১৭|
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ সকাল ৯:৪৫
রাকি২০১১ বলেছেন: আরেক কাদিয়ানী হল ম জ বাসার,
তার পোস্টসমুহ দেখুন Here
১৮|
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ সকাল ৯:৪৮
বাঁধলেই বাঁধন বলেছেন: কি আর কইমু ! এতো ফেতনা আর ভাল লাগেনা ।
লন এইডা পড়েন
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:১০
দার্শনিক বলেছেন: ফেতনা ভাল লাগে না? ফেতনা থেকে রক্ষা পেতে রাসূল (স) কি বলেছেন সেটা দেখতে হবে। রাসূল (স) বলেছেন এই দলাদলি হবেই। আর এই দলাদলির যুগেই ইমাম মাহদী (আ) ও ঈসা ইবনে মরইয়ম (আ) আসবেন। যেসব ক্ষেত্রে ইহুদী রোগ ব্যধির কথা বলা হয়েছে তখন বলা হয়েছে ঈসা ইবনে মরইয়ম(আ) এর কথা এর যখন রাসূল (স) এর দাসের মধ্যে থেকে বলা হয়েছে তখন বলা হয়েছে ইমাম মাহদীর কথা। দলাদলি, ফিতনা ফ্যাসাদ, ভূমিকম্প, খুন, ধর্ষণ ইত্যাদি আখেরি যামানর বৈশিষ্ট্য। এতকিছু বোঝা সত্ত্বেও কি কখনও মনে আসে না? সেই প্রতিশ্রুত মসীহ কোথায়? যিনি ২০০০ এরও বেশি বছর ধরে আকাশে বসে আছেন? তিনি কবে নামবেন? আদৌ কি তিনি নামবেন?
মনে রাখবেন, ঈসা (আ) এর মৃত্যুতেই ইসলামের জীবন নিহীত।
১৯|
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ সকাল ১০:১৪
জানতেএলাম বলেছেন: তোদের মত বাটপার হারামিদের থেকে ঈমান রক্ষা করার জন্য আল্লাহ্ তায়ালা প্রতি শতাব্দীতে মুজাদ্দিদ পাঠান। যেমনঃ এই শতাব্দীর মুজাদ্দিদ এর ঠিকানাঃ http://www.al-ihsan.net
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ বিকাল ৫:৩২
দার্শনিক বলেছেন: যে শতাব্দিতে খিলাফত থাকে সেই শতাব্দিতে মুজাদ্দিদ এর কন্ডিশন থাকে না। সেক্ষেত্রে খলীফারাই মুজাদ্দিদ এর কাজ করেন। আহমদীয়া সম্প্রদায় এ ঐশী খেলাফত প্রতিষ্ঠিত। তাই বিষয়টির দিকে বিশেষ দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
২০|
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ সকাল ১১:২৭
Observer বলেছেন: লাত্থি সহকারে মাইনাস "-"
২১|
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ বিকাল ৫:০১
শিপু ভাই বলেছেন: Observer বলেছেন: লাত্থি সহকারে মাইনাস "-"
গোলাম কাদিয়ানি নাকি গুয়ে নাক ডুবাইয়া মরছে???!!!???
নবীর একেমন পরিনতি!!!
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ বিকাল ৫:১৯
দার্শনিক বলেছেন: আমি যদি বলি আপনি মৃত... কথাটা কতটু যুক্তিসংগত? শুধু বললেই তো আর সব হয়ে যায় না। রাসূল (স) বলেছেন, "মানুষের উপর এমন এক সময় আসিবে, যখন ইসলামের মাত্র নাম এবং কোরআনের মাত্র অক্ষরগুলি অবশিষ্ট থাকবে। তাহাদের মসজিদগুলো হবে বাহ্যিক আড়ম্বরপূর্ণ কিন্তু হেদায়েতশূণ্য থাকিবে। তাহাদের আলেমগণ আকাশের নিম্নস্থ সকল সৃষ্ট জীবের মধ্যে নিকৃষ্টতম জীব হইবে। তাহাদের মধ্য হইতে ফেৎনা-ফাসাদ উঠিবে এবং তাহাদের মধ্যেই উহা ফিরিয়া যাইবে।" (বায়হাকী, মিশকাত)
আপনার উপরিউক্ত ধারণা আলেমদের মাধ্যমে সৃষ্ট যাদের রাসূল (স) বলেছেন আকাশের নিচের সৃষ্ট সকল জীবের মধ্যে নিকৃষ্টতম। তাই আপনার কথার ঐতিহাসিক কোন ভিত্তি নেই। তিনি যথাযথ সম্মানের সাথে পরিবারের সদস্যবৃন্দের সামনে মৃত্যবরণ করেন।
২২|
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ বিকাল ৫:০৯
সবখানে সবাই আছে বলেছেন: মজাই মজা।
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:৩৫
দার্শনিক বলেছেন: খালি মজা নিয়েন না...বিষয়বস্তুর গুরুত্ব উপলব্ধির চেষ্টা করুন।
২৩|
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ৯:১৪
সাঈফ শেরিফ বলেছেন: সৌদিসহ অনেক মুসলিম দেশ কাদিয়ানীদের অমুসলিম ঘোষণা করেছে, সেখানে মুসলিমের নাম ধরে, মুখোশ পরে হজ্জ্ব করাটা প্রতারণা নয়? ভন্ডামি নয়?
লা ইলাহা পড়লেই সে মুসলিম? এত সহজ? কেউ যদি লা ইলাহা পড়ে, কোরানের উপর শ্রদ্ধা রেখে বলে, এ যুগে কোরআন অচল, তাহলেও তার ইমান থাকবে? নাকি সে মোনাফেক? নাকি মুরতাদ?
আপনাদের সাথে কথা বলতে আপত্তি নাই, যদি গোলাম কাদিয়ানী নামক লোকটিকে সরিয়ে কথা বলেন। একজন বলতেই পারে যে ইমাম মেহেদির আগমন হয়েছে, কিন্তু নিজেই যদি মেহেদী, মসীহ, নবী সেজে বসে আর তাকে কেন্দ্র করে মতবাদ প্রচার করতে থাকেন তো পথভ্রষ্ঠতা ছাড়া কিছুই মিলবনা।
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ১০:৫৫
দার্শনিক বলেছেন: আপনার মন্তব্যের উত্তর নিচে দেওয়া হল।
২৪|
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ১০:৫৪
দার্শনিক বলেছেন: @সাঈফ শেরিফ, ভাই একটু ধৈর্য ধরুন। এত রক্ত গরম হলে তো হবে না। আমরা যেখানে মুসলিম এবং আল্লাহ্ ও রাসূল (স) এর উপর বিশ্বাস রাখি। এবং কালেমা "লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ্" প্রকাশ্যে স্বীকার করি তখন রাসূল (স) এর সুন্নত অনুযায়ী কোন সাহাবীরও অমুসলিম বলার সুযোগ নাই। "লা ইলাহা" পড়লেই সে মুসলিম??? এত সহজ?" কোরআন, হাদীস পড়েন তারপর কথা বলেন। সুনানে ইবনে মাজা শরীফের, ফিতনা অধ্যায়ের একটি হাদিস দেখেন।
(বড় হাদীস, তাই দুই পৃষ্ঠা থেকে দুই বার স্ন্যাপ নিতে হয়েছে)
অর্থাৎ সৌদিআরব পৃথিবীর অবশিষ্ট মুসলিম ফিরকারা আমাদের অমুসলিম ঘোষণা করায় কিছু যায় আসে না, বরং এটাই স্বাভাবিক ছিল, এবং এটাই হওয়ার কথা ছিল কারণ, রাসূল (স) বলেছেন, বাকি সব ফিরকা একদিকে থাকবে এবং কেবল ১ টি ফিরকা সৎ পথে থাকবে। একাণে অজ্ঞতাবসত বাকিরা আমাদের কাফের বলুক আর যাই বলুক, আমাদের কিছু আসে যায় না। আর হজ্জ্ব কি সৌদিদের ব্যক্তিগত সম্পদ? যে আপনি এধরণের প্রতারণার কথা বলছেন? আমরা মুসলমান হয়ে থাকলে হজ্জ্ব করার অধিকার আল্লাহ্ আমাদের দিয়েছেন। আর কোরআন অচল একথা কোন আহমদী বলে না, বরং আমার এই পোস্টটি গভীরভাবে বিশ্লেষণ করলে দেখবেন, কোরআনের এবং হাদীসের রেফারেন্সকেই গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। হুম আপনাদের আলেমরা বলতে পারে... একারণে তাদের গিয়ে জিজ্ঞেস করেন এর সত্যতা।
লাস্টের কথা হচ্ছে, "একজন বলতে পারে ইমাম মাহদী আসতে পারে, কিন্তু নিজেই..." ভাই আপনি বড় আজব মানুষ? যিনি প্রকৃত মাহদী তিনি কি নিজে স্বীকারই করবেন না যে তিনি মাহদী? এরকম কথা জীবনেও শুনেছেন? রাসূল (স) কি নব্যুয়াত প্রাপ্তির পর নবী হবার দাবি করেন নাই? নাকি অন্য কেউ গিয়ে বলেছে উনি নবী? ভাই আহমদীয়াদের সাথে যখন কথা বলবেন তখন হাতে যথেষ্ট যুক্তি প্রমাণ রেখে কথা বলবেন, কারণ মসীহ ইবনে মরিয়ম আসবেন সুস্পষ্ট যুক্তি প্রমাণ সহ। আর আপনি পরীক্ষা করে দেখেন না একবার "নবী, মসীহ এবং মাহদী" একই ব্যক্তি এটা কোরআন হাদীসের সাথে কতটুকু অসামঞ্জস্য রাখে? পারলে ৩০ টি আয়াত থেকেই যুক্তি দেখান।
ঈসা (আ) এর মৃত্যুর সপক্ষে কোরআনের ৩০ টি আয়াত
২৫|
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ১১:৪০
শান্তির দেবদূত বলেছেন: আফসুস, দুনিয়ার এত এত আরবিভাষী মুসলমান হাজার বছর কোরআন পড়েও বুঝলনা যে ঈশা (আঃ) মৃত, খালি সাড়ে বারশো বছর পরে মির্জা কাদিয়ানি সব বুইঝা ফালাইল! তাও ইংরেজ শাষনআমেল এই উপমহাদেশে !! তাও খ্রীষ্টানদের বিশ্বাসের মূল ভিক্তির অনুরুপ!! এপ্লাই ইউর কমনসেন্স, ম্যান!!!
১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ১২:৫৭
দার্শনিক বলেছেন: যখন রাসূল (স) এর কথায় স্পষ্টত যে ৭২ ফিরকা ভুল পথে থাকবে তখন আমার কমন সেনস বলে রাসূল (স) কে অনুসরণ করাই সঠিক... মনে রাখবেন, ইবলিস কে যখন বলিছিল আল্লাহ্ আদমকে সিজদা করতে... ইবলিসও কমন সেনস ব্যবহার করেছিল যে, আদম মাটির তৈরী আর সে আগুনের... আদম কিভাবে ইবলিসের থেকে সেরা হয়? আপনি আপনার কমনসেনস নিয়ে থাকেন...আমি দো'আ করি আল্লাহ্ আপনাকে হেদায়েত দিন।
২৬|
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ১১:৫২
বিদ্রোহী কান্ডারী বলেছেন: শান্তির দেবদূত বলেছেন: আফসুস, দুনিয়ার এত এত আরবিভাষী মুসলমান হাজার বছর কোরআন পড়েও বুঝলনা যে ঈশা (আঃ) মৃত, খালি সাড়ে বারশো বছর পরে মির্জা কাদিয়ানি সব বুইঝা ফালাইল! তাও ইংরেজ শাষনআমেল এই উপমহাদেশে !! তাও খ্রীষ্টানদের বিশ্বাসের মূল ভিক্তির অনুরুপ!! এপ্লাই ইউর কমনসেন্স, ম্যান!!!
ভালো বলেছেন। প্লীজ আপনারা আলাদা ধর্ম হয়ে থাকুন। ইসলামের সর্বনাশ করবেন না।
১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ১:০৪
দার্শনিক বলেছেন: তারা যদি সবই বুঝতো তাইলে মুসলিমরা এত এত দলে ভাগ হতো না, আর এত মতবাত সৃষ্টি হতো না, ইমাম মাহদীর আসার কথা রাসূল (স) বলতেন না... তবে আপনাদের কথায় স্পষ্টত যে রাসূল (স) এর থেকে আপনারা আরবিভাষী মুসলিমদের কে বেশি বিশ্বাস করেন, তাইতো আমি রাসূল (স) এর হাদীসের পেজগুলো এত কষ্ট করে স্ন্যাপ তুলে আপনাদের কাছে দিলাম তা্ও সেই একই কথা যে মানি না মানবো না...আগে সৌদি আরব কে মানতে হবে...তারপর আমরা মানবো... আরেকটা কথা মনে রাখবেন, মহানবী (স) এর আপন চাচা আবু তালেব ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে নাই। আপনারা যদি ঐ সময়ের হইতেন তখন তো বলতেন "নিজের চাচা এতদিন থেকে চেনে তাও বিশ্বাস করলো না আর কোথাকার কোন সাহাবীরা বিশ্বাস করে বসে আসে" মনে রাখবেন অহংকার পতনের মূল, তাই অহংকার না করে বিষয়বস্তু নিয়ে চিন্তা করেন।
আমদের ধর্ম ইসলাম...সো বার বার আলাদা ধর্ম কথাটি ব্যবহার করবেন না।
২৭|
১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:৫০
আশরাফ মাহমুদ মুন্না বলেছেন: .
![]()
![]()
২০০২-২০০৩ সালে চীনের সামরিক বাজেট ছিল ৩৫ বিলিয়ন ডলার যার পরিমাণ মাত্রাটি বড় হয়ে গেছে বলে আমেরিকা চীনের উপর আপত্তি তুলেছিল। অথচ, আগেই বলেছি , একই বছর আমেরিকা ইসলাম বিষয়ক গবেষণা ও এক্সপার্টিজ এর জন্য যে বাজেট করেছে তার পরিমাণও ৩৫ বিলিয়ন ডলার। কি হয়েছে আমেরিকার? সারা পৃথিবীতে শত ধর্ম রয়েছে, আর কারো বিষয়ে নয় - শুধু মুসলমানদের বেলায় তাদের এতটা যত্ন নেয়ার প্রয়োজন হয় কেন? যদিও এর উত্তরটি বিশাল তবু তার মূল " কিং ডেভিডের কিংডম অব ইসরাঈল " প্রতিষ্ঠার সুদূরপ্রসারী জায়নবাদী ব্যবস্থার মূলে প্রোথিত। ইহুদীরা অর্থের মালিক। ইহুদীরা ইসলামের চিরশত্রু । ইসলামের বিরুদ্ধে তাদের যুদ্ধ। ইরাকে আমেরিকার আগ্রাসনের অন্য অর্থ হলো ইরাকে ইহুদিদের ভাড়াটে শক্তির আগ্রাসন। জন্মগতভাবেই তাদের মধ্যে ইসলামের বিরুদ্ধে শত্রুতা আর ঘৃণার প্রেষণা কিয়ামত পর্যন্ত স্থায়ী থাকবে। এই প্রেষণায় তাড়িত হয়ে তারা দুনিয়াময় যুদ্ধের আগুন জ্বালিয়ে যাবে। (৫:৬৪)। মুসলমানদের বিরুদ্ধে তাদের যুদ্ধ ঘরে বাইরে। ঘরের যুদ্ধে ইহুদীদের ভাড়াটে সৈনিক হলো আজকের শহর কেন্দিক আধ্যাত্মিক সূফী সাধকের গোষ্টি। ওরা ইহুদিদের এজেন্ট। ওরা সাধক নয়, ওরা চর (Spy) এবং চোর । ওরা সূফী নয়, ওরা অর্থলোভী ভোগসেবী, চরিত্রহীন, প্রবঞ্চনাকারী শয়তানের প্রকাশ্য পুত্র। এই " সূফী সাধকরা " ইসলামের সর্বনাশ ঘটায়। মুসলমানদের সাধারণ জ্ঞানেই বুঝবার কথা যে, সুফী সাধকগণ নির্লোভ, নির্জনতা-প্রিয় এবং আল্লাহর দ্বীন প্রতিষ্ঠা করা তাদের একমাত্র লক্ষ্য। কিন্তু বর্তমান সূফী সাধকরা ডিশ এন্টেনার যাবতীয় অনুষ্ঠান উপভোগকারী, এক্সরেটেড ভিডিও (Porn Movie) দর্শক, শহর কেন্দ্রিক প্রচার বিলাসী ও ভোগপ্রিয়। ওরা যা সৃষ্টি করেছে তা হলো ফিতনা। ফিতনা হলো ফ্যাসাদের জন্মদাতা। বিলাশবহুল গাড়ীতে চড়ে নবী (সাঃ) আচার ও আদর্শের শিক্ষা দেয়। যে নবী ৮ হাত x ১২ হাতের কুঁড়ে ঘরে জীবন ব্যয় করলেন ও রাষ্ট্র পরিচালনার কাজ করলেন, সে নবীর আদর্শ কাদের দ্বারা এবং কী উপায়ে প্রচার হচ্ছে?
ইসলামের ছদ্মবেশে নতুন ধর্মমতের প্রতিষ্ঠাতা
মির্জা মোহাম্মদ কাদিয়ানী
কাদিয়ানী একটি সম্প্রদায় যারা ইসলামের পরিচয় ও পোশাকে ইসলাম ধ্বংসের জন্য এক অতি শক্তিশালী ইহুদি হাতিয়ার। কাদিয়ানীরা ইহুদিদের স্বজাতিসম। ইহুদিদের মতই তারা কোরআন বিকৃতির সার্বিক প্রচেষ্টা করেছে। ইহুদিদের সাথে তাদের পার্থক্য হলো - ইহুদিরা যেখানে তৌরাত পরিবর্তন করে নিজেদের মনগড়া বক্তব্যের সংযোজন দ্বারা তৌরাতকে “ ওল্ড টেস্টামেন্টে ” পরিবর্তন করতে সক্ষম হয়েছে, সেখান কাদিয়ানীরা তা পারেনি। ইহুদি প্রভাবে আমেরিকা মুসলমান বিষয়ক বিশেষজ্ঞ তৈরি ও গবেষণায় বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় করে থাকে। ২০০২-২০০৩ সালে তাদের এই বাজেট ছিল ৩৫ বিলিয়ন ডলার। সীমাহীন অর্থ। এই বিপুল অর্থের একটি বড় সুবিধাভোগী দলের নাম কাদিয়ানী। ইসলামের আবরণে ইসলামের ভাষায় ইসলামের সুরে ইসলামের সর্বনাশের এরা জীবন্ত প্রত্যয়। ইসলামের দেশে ইসলামের বেশে এরা মুসলমান বেশধারী ইহুদি। কাদিয়ানীরা যেভাবে তাদের মতবাদের প্রসার ঘটানোর কার্য করে বেড়ায়, খৃস্টানরা অনুরূপভাবে অর্থ, প্রতিষ্ঠান ও প্রাতিষ্ঠানিক সুবিধা দিয়ে দরিদ্র মুসলমানকে খৃস্টান ধর্মে দীক্ষিত করে চলছে অতীত হতে।
আপনারা ব্লগেও এসে পড়েছেন, বাহ! আর কত?
১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ৮:১২
দার্শনিক বলেছেন: যেটা সম্পর্কে আপনার কোন ধারণা নাই সেটা না বলাই ভাল। প্রতিশ্রুত মাহদীর ব্যপারে বলা আছে তিনি বায়তুল মাল প্রতিষ্ঠা করবেন। আর আহমদীয়া মুসলিম জামাত নিজেদের বায়তুল মাল ব্যবস্থাপনার মাধ্যমেই ইসলামের প্রচার করে আসছে। খ্রিস্টান পাদ্রীদের যিনি দাজ্জাল উপাধি দেন, যিনি খ্রিস্টানদের ত্রিত্ত্ববাদের মূল উপাস্য জিসু কে বাইবেল ও কোরআন অনুযায়ী মৃত সাব্যস্ত করেন তার ক্ষেত্রে "খ্রিস্টানদের অর্থে নিজের জামাত চালায়" একথার কোন গ্রহণযোগ্যতা নাই। আহমদীদের বর্তমান মূল কেন্দ্র লন্ডনে, এর একমাত্র কারণ বর্তমানে ইংল্যান্ডই একমাত্র দেশ যেখানে মানবাধীকার সুরক্ষিত। আর শুধুই কি এজন্যই যে লন্ডন ভিত্তিক ব্যবস্থাপনা? তবে স্মরণ করুণ মুসা(আ) এর ইতিহাস। তিনি ফেরাউনের কাছেই লালিত পালিত হয়েছেন, কিন্তু ফেরআউনকেই সতর্ক করেছেন। আহমদীয়া মুসলিম জামাতও শুধুমাত্র মানবাধীকার এর নিশ্চয়তার জন্যই ইংরেজ সরকার কে সবসময় প্রশংসা করে এবং যতদিন তারা এটা জারি রাখবে ততদিন প্রশংসা করে যাবে। কিন্তু ধর্মীয় বিশ্বাসের দিক থেকে তারা পৃথিবীর নিকৃষ্ট জাতি। ঠিক তেমনি ইহুদিরাও।
আর আমরা কোরআন হাদীসের বিকৃতি করি??? প্রমাণ সহ কথা বলেন প্লিজ... হাওয়ার উপর কথা বলার কোন মানে নাই। আর ব্লগে আহমদীয়াতের প্রচার এই সাক্ষ্য বহন করে যে এটাই সেই প্রতিশ্রুত মাহদীর জামাত, যার প্রতিষ্ঠাতাকে সমগ্র মুসলিম সমাজ কফের আখ্যায়িত করার পরেও আল্লাহর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। কারণ আল্লাহ্ বলেছেন ,তিনি ও তার রাসূলই বিজয়ি হবেন।
(আপনার পোস্টের উপরের প্রথম তিনটি ছবির সাথে আহমদীয়া মুসলিম জামাতের কোন সম্পর্ক নাই)
২৮|
১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ১১:১১
দার্শনিক বলেছেন: আশরাফ মাহমুদ মুন্না @ দুঃখিত আপনার পোস্টের শুরুতে যে ৪ টি ছবি দেওয়া আছে তার সাথে আহমদীয়া মুসলিম জামাতের কোন সম্পর্ক নেই। দয়া করে এ বিষয়ে বিভ্রান্তি ছড়াবেন না।
২৯|
১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ২:৫২
ফয়সল মাহমুদ বলেছেন: আজাইরা প্যাচাল
১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ৮:১৭
দার্শনিক বলেছেন: যার রাসূল (স) কে ভালবাসে তাদের কাছে নিঃসন্দেহে ইমাম মাহদী(আ) সম্পর্কিত সংবাদ অত্যন্ত গুরুত্ব বহন করে। কারণ তিনি(স) বলেছেন, যখন তোমরা তার সংবাদ পাবে তখন বরফের পাহাড়ে হামাগুড়ি দিয়ে হলেও তার কাছে বয়াত গ্রহণ করবে।
নিঃসন্দেহে এখানে স্পষ্টত যে ইমাম মাহদী (আ) কে যিনি মানবেন তাকে অবশ্যই বরফের পাহাড় পারি দিতে হবে। তাই বিষয়টি কে এত সহজ ভাবে দেখা ঠিক হবে না। মানুষ বিরোধিতা করবেই এটাই স্বাভাবিক কিন্তু এটাও দেখা দরকার যে এতো বিরোধিতা সত্ত্বে্ও এই জামাত দিন দিন উন্নতি লাভ করছে। উইকিপিডিয়ায় সার্চ দিয়ে দেখেন কতজন ব্যক্তি ইমাম মাহদীর দাবি করেছে। এবং এই পর্যন্ত কতজনের নিউজ আপনি পেয়েছেন?
আর আমি তো শুধু ইমাম মাহদী (আ) এর আগমনের সংবাদই দিলাম, তাতে আজাইরা প্যাচালের কি হলো বুঝলাম...তবে মনে হচ্ছে আপনি চরমভাবে দুনিয়াসক্ত ব্যক্তি...যাইহোক, আল্লাহ্ আপনাকে সঠিক পথ দেখান এই দো'আ রইল।
৩০|
০৩ রা মার্চ, ২০১২ বিকাল ৫:২৭
েশখসাদী বলেছেন: এখনও সময় আছে ভাই তওবা করে ভালো হয়ে যান । কাদিয়ানী সম্পর্কে আমার সাম্প্রতিক পোষ্টটি পড়তে পারেন । তবে আপনাদের যেভাবে ব্রেইন ওয়াশ হইছে ...তাতে দুঃখই লাগে ।
৩১|
০৩ রা মার্চ, ২০১২ বিকাল ৫:৪১
েমা আশরাফুল আলম বলেছেন: কাদিয়ানী= কুফরী= অমুসলিম
আর কোন হিসাব দরকার আছে কি।
কাদিয়ানীরা থাকুক না কাদিয়ানী হয়ে, মুসলিম সাজার দরকার কি ?
বিদ্রোহী কান্ডারী বলেছেন: শান্তির দেবদূত বলেছেন: আফসুস, দুনিয়ার এত এত আরবিভাষী মুসলমান হাজার বছর কোরআন পড়েও বুঝলনা যে ঈশা (আঃ) মৃত, খালি সাড়ে বারশো বছর পরে মির্জা কাদিয়ানি সব বুইঝা ফালাইল! তাও ইংরেজ শাষনআমেল এই উপমহাদেশে !! তাও খ্রীষ্টানদের বিশ্বাসের মূল ভিক্তির অনুরুপ!! এপ্লাই ইউর কমনসেন্স, ম্যান!!!
আপনাকে মুল ইসলামে প্রবেশের দাওয়াত রইল
০৫ ই মার্চ, ২০১২ রাত ৩:০৭
দার্শনিক বলেছেন: আহমদীয়া মুসলিম জামাত সূচনালগ্ন থেকেই ইসলামেরই একটি ফিরকা।কাদীয়ানি কোন ধর্মের নাম নয়। বরং শিয়া, সুন্নি যেরকম এক একটি ফিরকা, তেমনি আহমদীয়া মুসলিম জামাতও একটি। বিদ্রোহী কান্ডারীর উক্তিটি আপনার ভাল লেগেছে? হায়, যদি রাসূল(স) এর উক্তিটি আপনার ভাল লাগলো না? যেখানে তিনি ট(স) বলেছেন ৭৩ ফিরকার মধ্যে ৭২ টিই ভুল পথে থাকবে!!! তাহলে কেন বিশ্বাস করতে কষ্ট হয় যে আরবী ভাষী এত মুসিলম রাসূল (স) এর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সংখ্যাগরিষ্ঠের পর্যায়ভূক্ত(একদিকে ৭২ অন্যদিকে ১, কোনটি সংখ্যাগরিষ্ঠ?) আপনার কাছে রাসূল (স) এর হাদীসের থেকে মানুষের কমন সেনস বেশি গ্রহণযোগ্য? যদি তাই হয়.. দো'আ করি আল্লাহ্ আপনাকে হেদায়েত দান করুন।
৩২|
০৫ ই মার্চ, ২০১২ সকাল ৮:৪৩
ঢাকা থেকে বলেছেন: আমরা ব্লগে এক প্রকাশ্য ইবলিশের (কাদিয়ানীর চেলা) আগমন প্রত্যক্ষ করিলাম।
ব্লগবাসী এই ইবলিশদের ওয়াসওয়াসা থেকে দূরে থাকুন।
আ'উযুবিল্লাহি মিনাশ শাইত্বনির রাযীম।
লা হাওলা ওলা ক্বুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহিল আ'লিয়্যিল আ'যীম।
০৫ ই মার্চ, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:৩৮
দার্শনিক বলেছেন: আধ্যাত্মিক বিষয়ের আক্ষরিক ব্যাখ্যা দিয়ে সাধারণ জনগনকে বিভ্রান্ত না করার জন্য আপনাকে অনুরোধ করছি। আমার কমন্টে পোস্ট এ আমি আপনার উত্থাপিত বিষয়ের সঠিক ব্যাখ্যা করেছিলাম কোরআন হাদীস সাপেক্ষে। কিন্তু আপনি মানুষ কে বিভ্রান্ত করার মানসে সেই প্রথম পোস্টটি সরিয়ে ফেলেছেন। প্রশ্ন হচ্ছে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করা কার কাজ??
আপনাকে আহমদীয়া মুসলিম জামাত সম্পর্কে সঠিক ভাবে গবেষণার আমণ্ত্রণ জানাচ্ছি।
৩৩|
৩০ শে মার্চ, ২০১২ রাত ৮:৪৬
মো: হাফিজ আল আসাদ বলেছেন: আপনার এই লিঙ্কটি (Click This Link )দেখেছি, খুব ভালো লাগলো। আমি ওয়েবে লাইভ প্রোগ্রাম বানাতে চাই।আপনার হেল্প চাই।আমার ইমেইল হলঃ [email protected]
৩০ শে মার্চ, ২০১২ রাত ১১:০০
দার্শনিক বলেছেন: মেইল করেছি, চেক করুন।
৩৪|
০৭ ই এপ্রিল, ২০১২ রাত ১:০৮
মুসাফির... বলেছেন: পোষ্ট পড়লাম... তবে কমেন্টগুলো পড়ার ইচ্ছা আছে... সময় নিয়ে পড়ব। তার আগে একটা প্রশ্ন রাখতে চাই .. আপনাদের নবী (?) গোলাম আহমদ কাদিয়ানী পায়খানায় পড়ে মৃত্যু বরন করেছেন কেন? এর চেয়ে উত্তম মরন কি একজন নবীর (?) জন্য ফায়সালা আল্লাহ্ করতে পারতেন না?
০৭ ই এপ্রিল, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৩০
দার্শনিক বলেছেন: তিনি নিসন্দেহে স্বাভাবিক সম্মানজনক মৃত্যুবরণ করেছেন, যারা ভিন্ন কথা বলে তাদের সাথে ঐতিহাসিক কোন দলিল নেই। এটা কেবল একটি গুজব যা বিরুদ্ধবাদীরা ছড়িয়েছে। আর এরকম গুজব সম্ভবত সব নবীর বিরুদ্ধেই তাদের বিরুদ্ধবাদীরা ছড়িয়েছে। তাই কোরআনে এসেছে:
"পরিতাপ বান্দগনের জন্য, তাহাদের নিকট এমন কোন রসূল আসেন নাই, যাহার প্রতি তাহারা ঠাট্টা-বিদ্রুপ করে নাই" (সূরা ইয়াসিন: ৩১"
তাই বলতেই হবে তারা মিথ্যা বলছে।
আপনি যেভাবে "আমাদের নবী" লিখলেন তাতে আমার সন্দেহ হচ্ছে, আপনি হয়তো ভাবছেন আমরা শুধু মির্জা গোলাম আহমদ(আ) কেই নবী হিসেবে মানি এবং অন্যান্য নবীদের তার থেকে কম মানি/মানি না। যদি এরকম চিন্তা করে থাকেন তবে বিষয়টি পরিষ্কার করা দরকার। নিঃসন্দেহে সর্বশ্রেষ্ঠ নবী, সকল নবীর সর্দার, আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (স), আমরা কোন নবীকেই তার থেকে বড় নবী বলে মনে করি না। তিনিই খাতামান্নাবীয়িন(নবীগনের মোহর), তবে কোরআন ও হাদীস অনুযায়ী শরীয়তবিহীন নবীর আগমনের পথ উন্মুক্ত, তাই রাসূল (স) এর পরেও রাসূল(স) এর শরীয়ত এর অধীনে তার উম্মাতের মধ্যে থেকে নবীর আগমন হতে পারে। মির্জা গোলাম আহমদ(আ) ও সেরকমই একজন শরীয়তবিহীন উম্মাতি নবী।
পোস্টটি পড়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
৩৫|
১৪ ই আগস্ট, ২০১২ বিকাল ৫:৩৯
মুদ্দাকির বলেছেন: উত্তর দিবেন আশা করি
১) হজে যাইতে যাত্রা পথের নিরাপত্তা যে সর্ত এইটা আপোনি (তুই) কোথায় পেয়েছেন?
২) আমাদের ইমামের পিছনে নামাজ পড়লে আপনাদের (তোদের) নামাজ হয় না, হজে গেলে কোন ইমামের পিছে নামাজ পড়েন (পড়স)?
৩) আপনারা(তোরা) আপনাদের ধর্মিয় পরিচয় গোপন করেন কেন?
৪) বন্ধুরের সারকেলে কেউ যখন জেনে যায় যে আপনি (তুই) কাদিয়ানি তখন পালান কেন?
১৫ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ১:০৫
দার্শনিক বলেছেন: ১ এর উত্তর: আলে ইমরান: ৯৭ পড়লেই বুঝতে পারবেন আশা করি।
২ এর উত্তর, আপনাদের ইমাম রা আমাদের অমুসলিম আখ্যায়িত করে, রাসূল (স) এর সুন্নত অনুযায়ী, যে ব্যক্তি তার মুসলমান ভাইকে কাফের আখ্যায়িত করে, তাকে পেছনে নামায আদায় করা যাবে না। তবে আপনাদের এবং আপনাদের ইমামের সাথে আমাদের কোন শত্রুতা নাই। আর আপনি হজ্জ্ব এর নিয়ম জানেন না, হজ্জ্বে একাধিক ইমাম নামায তার জামাতের সাথে নামায পড়ে। বিশ্বাস না হলে যে হজ্জ্ব করছে এমন কাউকে জিজ্ঞেস করেন।
৩ এর উত্তর, আমরা যদি গোপনই করতাম, তবে আপনি কিভাবে জানলেন আমি কদিয়ানী ফিরকার? গোপন করলে তো জানার কথা না। নাকি আমারা "কাদিয়ানী" ট্যাগ লাগানো গেঞ্জি পড়ি সেটা চান? এরকম কখনো হয় শুনেছেন?
৪ এর উত্তর, আমার ৯০% ফেন্ড জানে আমি কাদিয়ানী, কিভাবে জানল? আমি তাদের ইমামা মাহদী(আ) কে যাচাই করার দাওয়াত দিয়েছি। একারনেই জানতে পেরেছে? আপনার প্রশ্ন বাস্তবসম্মত নয়। আমার সব ফ্রেন্ড আমাকে ভালবাসে, তাদের দেখলে পালানোর কিছু নাই বরং তারাই আমাকে প্রয়োজনে ডাকে...
৩৬|
১৫ ই আগস্ট, ২০১২ বিকাল ৪:৪৪
মুদ্দাকির বলেছেন: সূরা আলি ইমারান আয়াত ৯৭ঃ "এতে রয়েছে মকামে ইব্রাহীমের মত প্রকৃষ্ট নিদর্শন। আর যে, লোক এর ভেতরে প্রবেশ করেছে, সে নিরাপত্তা লাভ করেছে। আর এ ঘরের হজ্ব করা হলো মানুষের উপর আল্লাহর প্রাপ্য; যে লোকের সামর্থ¸ রয়েছে এ পর্যন্ত পৌছার। আর যে লোক তা মানে না। আল্লাহ সারা বিশ্বের কোন কিছুরই পরোয়া করেন না।"
এই খানে যাত্রা পথের নিরাপত্তার কথা কৈ??? উত্তর দিন (দিবি)
২) পরিচয় গোপন না করলে তোরা হজ্জে যাস কেমনে? তোদের পাসপোর্টে কি লেখা থাকে , আফিসিয়াল কাগজে কি লেখা থাকে ? ঐ খানে তোরা কি লেখস , অই খানে তো সিয়া আর সুন্নি ছাড়া অপসন নাই? এইটা কি পরিচয় গোপন করা না?
৩) হজ্জে যায়া তোরা আলগা জামাত কইরা তোগো ইমামের পিছে নামাজ পড়স? ফাইযলামি করিস? তোগো হজের খুদবা ও কি তোগো ইমামে দেয়?
৪) মিথ্যা কথা কস কেন, তোরা কাদিয়ানি বা আহাম্মেদিয় সিল লাগানো গেঞ্জি পড়স না? ইউনিফর্ম ছাড়া কি তোগো বার্ষিক জামাত হয়?
৫) হইতে পারে যে তোর ৯০% বন্ধুই কাদিয়ানি, বাকি অন্যান্য ধর্মের কাছে তোরা তোগো পরিচয় দেসনা, এই টা আমি বাস্তবে দেখসি, ফাইজ লামি করস???
১৫ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ৯:৪৭
দার্শনিক বলেছেন: ১) "...আর এ ঘরের হজ্ব করা হলো মানুষের উপর আল্লাহর প্রাপ্য; যে লোকের সামর্থ¸ রয়েছে এ পর্যন্ত পৌছার"
যে লোকরে সামর্থ রয়েছে এ পর্যন্ত পৌছার... এটা দিয়া আপনি কি বুঝলেন, যদি যদি আমরা বলি আমরা আহমদিয়া মুসলিম জামাতের তবে কি সৌদি আরব আমাদের হজ্জ্ব এ প্রবেশ করতে দিবে? যদি না দেয়, তবে সেখানে পৌছে হজ্জ্ব করা আমাদের সামর্থের বাইরে, আর সামর্থ্য না থাকলে হজ্জ্ব ফরয না।
যে ব্যক্তি ঐ প্রতিকূলতা ভেদ করে হজ্জ্ব এ যাওয়ার সামর্থ্য রাখে সে যেতে পারে এবং তার জন্য হজ্জ্ব ফরয।
২) পাসপোর্টে কোন মুসলমান ফিরকার সেটা লিখা থাকে না, এবং অফিসিয়াল কাগজেও মুসলমান উল্লেখ করলেই চলে, "অই খানে তো সিয়া আর সুন্নি ছাড়া অপসন নাই?" এটা একটা ভিত্তিহীন কথা। আর যদি এটা সঠিক হয়ও তবে কি হজ্জ্ব শুধু শিয়া আর সুন্নি রা করে? আমাদের ফিরকা বাদেও তো আরও অসংখ্য ফিরকা আছে, তারা কোন অপশনে টিক দেয়? খালি তর্ক করার জন্য ভুল ইনফরমেন দিয়ে নিজের ভাবমূর্তি নষ্ট করবেন না।
৩) এটা আপনার কাছে ফাযলামি মনে হতে পারে, কিন্তু এটাই বাস্তুব। আর শুধু আমাদের ফিরকা না, অন্য অনেক ফিরকাই নিজস্ব ইমামের পেছনে নামায করে, হজ্জ্বে সেই সুযোগ আছে।
অন্য ইমামের পিছনে নামাযের ব্যপারে আমাদের ফিরকার বিধিনিষেধ আছে, কিন্তু খুতবা শোনা/না শোনায় কোন বিধিনিষেধ নাই।
৪) আমি বলি নাই আমরা কোন প্রোগাম উপলক্ষে সিল লাগানো গেঞ্জী পরি না, শুধু বলছি, আহমদী প্রমাণ করার জন্য সিল লাগানো গেঞ্জী পড়ে সব সময় চলাফেরা করব, এটা আশা করা বোকামী আর কোন ফিরকাই এটা করে না। আপনার মাথা গরম, তাই সহজ কথা জটিল করছেন, দয়া করে মাথা ঠান্ড করে চিন্তা করুন।
৫) আমি পড়ি প্রাইভেট ভার্সিটিতে, এখানে ৯০% বন্ধু কাদিয়ানী হওয়া অসম্ভব ব্যপার। আর শুধু ফ্রেন্ড না, আমি আমার অনেক স্যারদের কেউ ইমাম মাহদীর দাওয়াত দিয়েছি, তাই আপনি যেটা বাস্তবে দেখেছেন সেটা সম্ভবত কাল্পনিক/দুঃস্বপ্ন, দয়া করে ঘুম এর ঘোড়ে পড়ে থাকবেন না, কোরআন ও হাদিসের জ্যোতির্ময় আলোয় জেগে উঠুন।
৩৭|
১৫ ই আগস্ট, ২০১২ বিকাল ৪:৫০
মুদ্দাকির বলেছেন: শয়তান কোথাকার, তোর ব্লগের উপরে লেখা কুরয়ানের লাইন ঠিক কর
সূরা কাহাফ আয়াত ২৯
"বলুনঃ সত্য তোমাদের পালনকর্তার পক্ষ থেকে আগত। অতএব, যার ইচ্ছা, বিশ্বাস স্থাপন করুক এবং যার ইচ্ছা অমান্য করুক। আমি জালেমদের জন্যে অগ্নি প্রস্তুত করে রেখেছি, যার বেষ্টনী তাদের কে পরিবেষ্টন করে থাকবে। যদি তারা পানীয় প্রার্থনা করে, তবে পুঁজের ন্যায় পানীয় দেয়া হবে যা তাদের মুখমন্ডল দগ্ধ করবে। কত নিকৃষ্ট পানীয় এবং খুবই মন্দ আশ্রয়।"
সূরা কাহাফ আয়াত ৩০
"যারা বিশ্বাস স্থাপন করে এবং সৎকর্ম সম্পাদন করে আমি সৎকর্মশীলদের পুরস্কার নষ্ট করি না।"
১৫ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ৯:৪৯
দার্শনিক বলেছেন: এটা কোন ভুল না, রাসূল(স) এর হাদীস অনুযায়ী সূরা তওবা ব্যতিত অন্য সব সূরার প্রথম আয়াত "বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম" সে হিসেবে সূরা কাহাফের ৩০ নম্বর আয়াত আমি যেটা লিখেছি সেটাই।
৩৮|
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ১২:১৭
মুদ্দাকির বলেছেন: লা হাওলা ওলা ক্বুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহিল আ'লিয়্যিল আ'যীম।
আমি আপনাদের মসজিদের সামনে দিয়া যাবার সময়, প্রতি দিন আপনাদের জন্য দুয়া করি, যেন আল্লাহ আপনাদের হেদায়েত দেন।
আপনার সাথে তর্ক কইরা লাভ নাই, আপনার জ্ঞান বুদ্ধি উচ্চ মানের নয়।
You couldn't convince me.
May Allah show you the straight path.
১৬ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ১২:৫৭
দার্শনিক বলেছেন: আপনার জন্যও একই দো'আ রইল, দো'আ করি যাতে আপনি ইমাম মাহদী(আ) নিয়ে গবেষণা করেণ।
আমি আপনাকে convince করতে পারবো না আমি জানি। কারণ একমাত্র আল্লাহই মানুষকে বোঝাতে পারে। আল্লাহর সাহায্য ছাড়া না আমি কিছু বুঝবো, না আপনি কিছু বুঝবেন।
আহমদীয়া মুসলিম কমিউনিটি সম্পর্কে আপনার ধারণা খুবই নেতিবাচক, এই বিষয়ে একটু অধ্যয়ন করলেই আমার মনে হয় এতটা নেতিবাচক মনোভাব আপনার থাকবে না। সাধারণত যারা রিসার্চ করে তারা এন্টি আহমদীয়ারা(আহমদী বিরোধীরা) কি বলছে সেগুলোই পড়ে। কিন্তু আমাদের পক্ষ থেকে কোন ব্যাখ্যা জানার চেষ্টা করেন না। যাই হোক, আপনাকে আমাদের ওয়েবসাইটের লিংক দিচ্ছি, যেখানে কিছু লিটারেচার আছে। একজন মানুষ কেমন, সেটার অনেকটাই তার লেখা থেকে বোঝা যায়। একজন মানুষ কতটা অযৌক্তিক কথা বলে তা তার সাথে প্রকাশ্যে কথা বলার সময় যেমন বোঝা যায়, তেমনি সেই সুযোগ না থাকলে তার লেখা থেকেও জানা যায়। যদি ইচ্ছা হয়, তবে এই লিংক থেকে কিছু বই পড়ে ধারণা নিতে পারেন(একান্তই আপনার ইচ্ছা):
http://ahmadiyyabangla.org/Library.htm
আরেকটা কথা, আমাদের উপর আপনার উত্থাপিত আপত্তিগুলোও উচ্চ মানের নয়।
যাই হোক, আপনার সহজ সরল দো'আর জন্য ধন্যবাদ।
৩৯|
০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ৯:২৫
সত্যজিগীষা বলেছেন: ঈসা (আঃ) এর সম্পর্কে কোরআনের ৩০ টি আয়াতের আহমদিয়া/কাদীয়ানীদের ভুল ব্যাখ্যার জবাব
১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ বিকাল ৫:৩৮
দার্শনিক বলেছেন: অত্যন্ত দু:খিত, এই কয়েকদিন ব্লগে আসা হয় নাই, তাই আপনার কমেন্ট দেখতে দেরি হয়ে গেল। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ, এই পোস্টে অন্যান্য মন্তব্যকারীদের অনুকরণ-অনুসরণ না করে, সরাসরি যৌক্তির পথ বেছে নিয়েছেন। আপনাদের ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ সহ পিডিএফটি পেয়েছি। অনেক সময় নিয়ে, চিন্তাভাবনা করে লিখেছেন বোঝা যাচ্ছে। যেহেতু সময় নিয়ে লিখেছেন, আমিও সময় নিয়েই পুরো পিডিএফটি পড়ব। আশা করি এরপর এ বিষয়ে কিছু লেখা যাবে, তবে আপাতত আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। আসসালামুআলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহু।
২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ সকাল ১০:০৩
দার্শনিক বলেছেন: আপনার ব্লগের প্রতিউত্তরে নিচের লিংকে সংক্ষেপে লেখা হল। যেহেতু কোরআনের মধ্যে কোন স্ববিরোধিতা/কন্ট্রাডিকশন নেই, তাই যদি একটি আয়াত দ্বারা ঈসা(আ) এর মৃত্যু সম্পর্কে বুঝতে সক্ষম হন, তবে অন্য আয়াতগুলোও এর সপক্ষেই কথা বলবে। আমার নিম্নোক্ত ব্লগে সেই চেষ্টাই করা হয়েছে।
Click This Link
৪০|
২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ দুপুর ১২:০৯
কান্টি টুটুল বলেছেন:
মির্জা গোলাম আহমদকে নবী হিসাবে অস্বীকার করলে (আমাদের মত) আপনার সমস্যা কোথায়?
২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৪০
দার্শনিক বলেছেন: তিনি যদি ভন্ড নবী হয়ে থাকতেন তবে অস্বীকার করতে কোন সমস্যা থাকার কথা নয়। কিন্তু যেক্ষেত্রে সত্য মসীহ এর খলিফাতুল্লাহ্ হওয়ার কথা বর্ণিত রয়েছে এবং সূরা নিসা ও আরাফে প্রকাশ্যে উম্মতি নবীর আগমনের ভবিষ্যতবানী রয়েছে, এবং অসংখ্য নির্দশন প্রমাণ করছে তিনিই সেই প্রতিশ্রুত মসীহ ও মাহদী যার আগমনের প্রতিশ্রুতি খাতামান্নাবীয়িন হযরত মুহাম্মদ (স) তার উম্মাতকে দিয়ে গিয়েছিলেন, তখন তাকে নবী হিসেবে অস্বীকার করা ঈমান পরিপন্থী কাজ বলে মনে করি। কারণ ইমানের বিষয়গুলোর মধ্যে সকল নবী-রসূলদের উপর ঈমানও অন্তর্ভূক্ত।
৪১|
২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ দুপুর ১২:১৭
নাহিয়ান ব্লগ বলেছেন: কাদিয়ানি রা বাতিল ফিরকা ।
৪২|
২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ দুপুর ১২:২১
নরাধম বলেছেন:
আপনার পোস্ট পুরোটা পড়িী, তবে প্রথম কয়েক প্যারা পড়ে কি লিখবেন সেটা বুঝেছি, যেহেতু আমার কাদিয়ানী সাহিত্য নিয়ে কিছু পড়া আছে। তবে আপনার কাছে অন্য একটা প্রশ্ন: লাহোরী কাদিয়ানী আড় লন্ডনি কাদিয়ানিদের মধ্যে যে মতবিশ্বাসগত পার্থক্য সেটা নিয়ে আপনি কি বলবেন? মাওলানা মুহাম্মদ আলি ছিলেন আপনার নবী মির্জার খাস লোক, এবং মুহাম্মদ আলী বেশ উঁচুদরের আলেমও ছিলেন। তো পরে তিনি কাদিয়ানীদের থেকে পৃথক হয়ে লাহোরী কাদিয়ানীদের আলাদা জামাত করল কেন? আবার এদের মধ্যে ব্যাপক মারপিট, লন্ডনী কাদিয়ানিরা লাহোরী কাদিয়ানিদের নানাভাবে হেনস্থা করে।
৪৩|
২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ দুপুর ১২:২৫
নরাধম বলেছেন: উল্লেখ্য মুহাম্মাদ আলীর বেশ কয়েকটা বই আমার কিন্ডলে আছে। তার লেখার হাত খুবই ভাল, তার কোরআনের অনুবাদও খুবই ভাল, কিন্তু লন্ডনী কাদিয়ানীরা আবার তার লেখা প্রমোট করেনা। আপনার সুবিধার্তে লাহোরী কাদিয়ানিদের ওয়েবসাইটের লিংক দিলাম। http://aaiil.org/text/qadi/mainqadi.shtml
সেখানে তারা (কাদিয়ানিরাই) আপনার দেওয়া (অপ)যুক্তিসমূহের জবাব দিয়েছে। আপনার মতামত জানতে আগ্রহী।
২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ৮:৪৬
দার্শনিক বলেছেন: অন্য যে গ্রুপটির কথা বললেন, তা লাহোরী গ্রুপ নামে পরিচিত, কিন্তু অবশিষ্টটি লন্ডনী এরকম পরিচয় নেই। বরং মূল কাদিয়ান অঞ্চলটিও আহমদীয়া মুসলিম কমিউনিটি(যেটাকে আপনি সম্ভবত লন্ডনী কাদিয়ানী হিসেবে আখ্যায়িত করছেন) অধ্যসিত। যাই হোক, আপনি যে বিষয়টি তুলে ধরলেন তা বিস্তারিত ব্যাখ্যা সময়সাপেক্ষ, তবে যেহেতু আপনি বিভিন্ন লিটারেচার অধ্যয়ন করেন, তাই এ সম্পর্কে আহমদীয়া মুসলিম কমিউনিটির একটি লিটারেচার তুলে ধরাই ভাল হবে।
নিেচর লিংকে সংযুক্ত বইটি আপনার জন্য:
Click This Link
আপনার প্রথম কমেন্টের শেষ লাইন এ "লন্ডনী কাদিয়ানিরা লাহোরী কাদিয়ানিদের নানাভাবে হেনস্থা করে" বলতে আপনি কি বোঝাতে চেয়েছেন তা ঠিক বুঝতে পারলাম না।
৪৪|
২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ দুপুর ১২:৩৭
নরাধম বলেছেন: আর আপনারা যারা লন্ডনি কাদিয়ানি, তারা তো মনে করেন সমস্ত মুসলিম যারা মির্জা কাদিয়ানির নবীত্বে বিশ্বাস করেনা তারা কাফির, মানে আমরা সবাই, বিশ্বের ৯৯% মুসলিম কাফির বা নন-মুসলিম, তাই না?
২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৩২
দার্শনিক বলেছেন: আপনার এ ধারণা ভুল, যে ব্যক্তি নিজেকে মুসলমান দাবী করে তাকে কাফের আখ্যায়িত করা ধৃষ্টতা এবং কোরআন হাদীস পরিপন্থী কাজ। তাই "বিশ্বের ৯৯% মুসলিম কাফির" এই মতবাদ আমাদের নয়। দয়া করে ভুল বুঝবেন না। উপরের কমেন্টগুলো পরলে এসংক্রান্ত হাদীস আপনি দেখতে পারবেন।
৪৫|
২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১:৪৯
নরাধম বলেছেন: কাদিয়ানিদের হেডকোয়ার্টার (লাহোরীদের নয়) লন্ডনে, তাই তাদের বুঝার সুবিধার্তে লন্ডনি বলছি।
http://aaiil.org/text/qadi/intro/cmprsn.shtml
এখানে দেখেন "8. Anyone, who does not believe Hazrat Mirza Ghulam Ahmad of Qadian to be a Prophet, is a kafir (non-Muslim)"
এটা আসছে লাহোরী কাদিয়ানিদের থেকে, লাহোরীদের সাথে লন্ডনিদের মূল বিভক্তি শুরু হয়েছিল ১৯১১ সালে এই পয়েন্টেই। গোলাম কাদিয়ানির ছেলে মিয়া মাহমুদ ঘোষণা দিল যারা তার বাপকে নবী মানবেনা তারা সবাই কাফির আর এতে মুহাম্মাদ আলী এবং সেসময়কার কাদিয়ানীদের নেতা নুরউদ্দিনের সাথে মির্জার ছেলের বিভক্তি শুরু হল, মুহাম্মদ আলীর পার্টী মনে করল মির্জা গোলামকে নবী না মানলেও মুসলিম, কিন্তু আপনারা যারা মির্জার ছেলের পক্ষে তারা সেটা মানলেননা, আপনারা বললেন মির্জাকে নবি না মানলে অবশ্যই কাফির।
এইখানে পুরা ইতিহাস পাবেন: Click This Link
কাদিয়ানি ধর্ম প্রচার করার আগে সম্পূর্ণ ইতিহাস জানুন। লন্ডনি কাদিয়ানিরা মুসলমানদের সাথে কোন বিয়ে-শাদীকে হারাম মনে করে, তারা মুসলমান কোন ইমামের পিছনে নামাজ পড়াকে নাজায়েজ মনে করে, তবে লাহোরী কাদিয়ানিরা সেটা মনে করেনা, তারা মনে করে মির্জা গোলামকে নবী না মানলেও মুসলমান হওয়া যায়। আপনারা ৯৯ভাগ মুসলমানদেরকে কাফির মনে করবেন, কিন্তু আপনাদেরকে তারা কাফির মনে করলে আপনারা রেগে যান।
আর ৭৩ ফেরকা নিয়ে যা বললেন, সেসবে আপনাদের আন্ডারস্ট্যাডিংয়ে ঝামেলা আছে। এসব ফেরকার ১ বাদে সবাই জাহান্নামে যাবে বলেছে কিন্তউ সবাই জাহান্নামে থাকবে সেটা না। আর তাদের বিশ্বাসের যেই ফান্ডামেন্টালস সেসব কোন পার্থক্য নেই। ইহুদী-ক্রিস্টানরা যে ৭১-৭২ ফেরকায় ভাগের কথা বলা আছে তারা তাদের দ্বীনের ফান্ডামেন্টালস বা মূল ফাউন্ডেশানস এগুলোতেই বিভক্তি হয়েছিল, যেমন (শেষ) নবী বা কোরানের সত্যতা এসব নিয়ে। ইসলামে যেই ৭৩ ফেরকার কথা বলা হয়েছে তাদের কেউ শেষ নবীর পরে আর কোন নবী আসবেনা সেটা মানে, ল-বিয়ারিং, নন-ল-বিয়ারিং এসব ঝামেলাতে কেউ যায়না, সবাই একবাক্যে মানে মুহাম্মদ (সাঃ) শেষ নবি, তার পরে ল-বিয়ারিং বা নন-ল-বিয়ারিং কোন নবীই আসবেনা। লন্ডনি কাদিয়ানিরা মনে করে মির্জা গোলাম নন-ল-বিয়ারনিং প্রফেট, যেমন বাহাইরা মনে করে। বাহাইরা অমুসলিম, সেজন্য লন্ডনি কাদিয়ানিদেরকেও ১০০ভাগ সুন্নী-শিয়া আলেমরা অমুসলিম মনে করে।
২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১:২৫
দার্শনিক বলেছেন: আপনার পুঁথিগত বিদ্যা প্রশংসাযোগ্য, কিন্তু সূচনা করেছেন মাঝখান থেকে, একারণে হযবরল করে ফেলেছেন সব কিছু। আর শেষ করেছেন বাহাই নামের এক নতুন ধর্মের সাথে এক মুসলিম ফিরকার অসম্পূরক তুলনার মাধ্যমে। যাই হোক, আপনি লাহোরীদের সম্পর্কে যত জানেন, মির্যা গোলাম আহমদ(আ) সম্পর্কে মনে হয় না এত বেশি জানেন। তাঁর পুস্তক পরলেই বুঝতে পারবেন, তার দাবীর একটি ছিল উম্মাতি নবীর(নন-ল-বিয়ারিং নবী), কিন্তু লাহোরীরা তার জীবদ্দশায় তার এই দাবীর সপক্ষে থাকলেও, তার মৃত্যুর পর বিভিন্ন বিতর্কের জের ধরে এসব কিছুকে অস্বীকার করল। অর্থাৎ বর্তমানে যে লাহোরীদের মতবাদ নিয়ে প্রশ্ন করছেন, তারা মূলত মির্যা গোলাম আহমদ (আ) এর নামমাত্র অনুসারী। আর যারা প্রকৃত অনুসারীই নয়, তাদের মতবাদের সাথে প্রকৃত অনুসারীদের মতবাদ এর তুলনা করা কতটুকু যৌক্তিক প্রশ্ন আপনার কাছে।
"কে মুসলমান, কে মুসলামন নয়", এই বিষয়ে লাহোরীদের কাছ থেকে শিক্ষা নেওয়া বোকামী ছাড়া কিছু নয়। কোরআন ও হাদীসের মানদন্ডে, ঈমাণের ৬ টি বিষয়ের যেকোন একটিকে অস্বীকৃতিই কুফরীর কারণ হতে পারে। যাই হোক, বিষয়টি এত সহজ নয়, তাই এই বিষয়ে নিচের কমেন্টে লিখছি।
তৃতীয় প্যারায় লিখা "কািদয়ানী ধর্ম" কথাটি সম্পূর্ণ অজ্ঞতার বহিঃপ্রকাশ ছাড়া কিছু নয়। কারণ কািদয়ানী(প্রকৃত নাম: আহমদীয়া মুসলিম জামাত) ইসলামের একটি ফিরকা, কোন আলাদা ধর্ম নয়।
"লন্ডনি কাদিয়ানিরা মুসলমানদের সাথে কোন বিয়ে-শাদীকে হারাম মনে করে, তারা মুসলমান কোন ইমামের পিছনে নামাজ পড়াকে নাজায়েজ মনে করে" এ উক্তি লেখার আগে আরো একটু গবেষণা করে নিলে ভাল হত। কারণ আপনার উক্তিতে যেভাবে বিষয়দুটির অর্থ প্রকাশ পাচ্ছে প্রকৃতপক্ষে বিষয়গুেলা সেরকম নয়। অন্য ফিরকার মুসলমান দের সাথে বিয়ে-শাদী কে সাধারণত আমাদের কমিউনিটিতে নিরুসাহীত করা হয়, কিন্তু তার মানে এই না যে এটা করা হারাম। এরকম অনেক বিয়ের নজির আছে। আর নামাজের প্রসংঙ্গে, যেখানে সম্মিলিতভাবে ৭২ মুসলিম ফিরকা মিলে আমাদের ফিরকা কে কাফের আখ্যায়িত করেছে, সে ক্ষেত্রে তাদের ইমামতি তে নামায পড়া হাদীসের শিক্ষা ও নৈতিকতা পরিপন্থী কাজ। আপনিই চিন্তা করুন, সাপোজ একজন আপনাকে বলছে আপনি কাফির, আর আপনি তাকে বলছেন তিনি আপনার ইমাম। এর অর্থ তো এটাই হল যে, আপনি তার(ইমামের) কথার সাথে একাত্ত্ব ঘোষণা করে পরোক্ষ ভােব তাকেই সাপোর্ট করছেন(অর্থাৎ আপনি নিজেকেই পরোক্ষভাবে কাফির আখ্যায়িত করছেন), আমরা আহমদীরা মুসলিম, তাই অন্য ফিরকার ইমাম এর পেছনে নামায পড়া নৈতিকতা বিরধী।
কাফির-মুসলিম বির্তকে একটু পরে যাচ্ছি।
আপনার ৭৩ ফিরকার আলোচনার কোন অন্ত্য খুজে পেলাম না। এত কিছু লিখে কি বোঝাতে চেয়েছেন, মুসলমানদের এখনও ৭৩ ফিরকায় ভাগ হতে বাকি আছে? নাকি ভাগ হয়েছে কিন্তু ৭২ টি পথভ্রষ্ট এটা মানতে দ্বিধা আছে?
ল-বিয়ার, নন-ল-বিয়ারিং এর ঝামেলাতে কেউ যায়না, কিন্তু আমরা যাই, কারণ কোরআন এই বিষয়ে সাক্ষ্য দিচ্ছে যে নন-ল-বিয়ারিং নবীর আগমন হবে রাসূল(স) এর পর। হাদীস শরীফও এর সপক্ষে সমর্থন দিচ্ছে। আপনারা কোরআনের এই বিষয় স্বীকার করাকে জাগতিক ঝামেলার কারণ মনে করলে আমার কিছু বলার নাই। আমি এই বিষয়কে মনে প্রাণে স্বীকার করি, এবং এর উপহার হিসেবে জাগতিক ঝামেলা স্বরূপ আমি অবশিষ্ট মুসলিম এর দৃষ্টিতে কাফের হতেও দ্বিধাবোধ করি না। মুমিন তো কেবল আল্লাহর উপরই ভরসা করে। আর আল্লাহই নির্ধারণ করবে কে মুসলিম, কে কাফির।
শেষ করেছেন অপ্রাসংঙ্গিকভাবে বাহাইদের টেনে। বাহাই কি? এরা কি নিজেদের ইসলামের অনুসারি দাবী করে? আমি যতটুকু জানি এটা একটা নতুন ধর্মের নাম। যেক্ষেত্রে এরা নিজেরাই স্বীকার করছে এরা মুসলিম নয়, তো এদের সাথে ইসলামের একটি ফিরকার তুলনা করা নিরর্থক।
৪৬|
২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ২:১৯
নরাধম বলেছেন: আপনার দেওয়া ডকুমেন্ট বই, যা মির্জা বশির লিখেছেন সেটা অনেকটাই ভাসা-ভাসা দেখলাম, যেখানে মুহাম্ম আলী যা বলেছেন সেসবই সত্য মনে হচচ্ছে। আর মির্জা বাশির লিখেছেন (৫৬-৫৭ পৃষ্ঠা) যে যারা গোলাম কাদিয়ানীকে নবী মানবেনা তারা সবাই কাফির, ইসলামের বাইরে। আমার কথাই তো সত্যি দেখছি। মির্জা বাশিরের মতে আমরা সবাই যারা গোলাম কাদিয়ানির নবীত্বে বিশ্বাস করিনা তারা সবাই কাফির।
২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ২:৩৫
দার্শনিক বলেছেন: আপনার কাছে মুহাম্মদ আলীর কথা সত্য মনে হওয়াই স্বাভাবিক, কারণ মুহাম্মদ আলী জগতিক বিরোধীতা সহ্য করতে না পেরে, তার বিশ্বাস কে কাস্টমাইজ করে, জগতে চলার উপযোগী করে নিয়েছে। তার সম্পর্কে তাই আমি বেশি কিছু বলব না, আপনার কমেন্টের অবশিষ্ট অংশের প্রতিউত্তর নিচে দেওয়া হল।
৪৭|
২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ সকাল ৭:০২
নরাধম বলেছেন:
একজন প্রাক্তন কাদিয়ানী, খুবই শিক্ষিত লোকের ইন্টারভিউ দেখেন, উর্দুতে।
Click This Link
এটার ১০ মিনিট করে ১০ পার্ট, একটু ঘন্টা দুয়েক সময় নিয়ে দেখেন, তারপর চিন্তা করেন।
২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ২:২১
দার্শনিক বলেছেন: ইউটিউব আপাতত বাংলাদেশে বন্ধ। যদি আবার ওপেন করে দেয়, তবে আপনার লিংকটি চেক করব ইনশাআল্লাহ। তবে উর্দু এত ভাল বুঝি না। তাই ভিডিওটি কাজে লাগবে কিনা বলতে পারছি না।
৪৮|
২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ২:১৮
দার্শনিক বলেছেন: @নরাধম
৫৬-৫৭ পৃষ্ঠায় যেটা দেখেছেন, ওটা একটা নীতিগত সিদ্ধান্ত। নীতিগত সিদ্ধান্ত কি এটা একটু বুঝিয়ে বলছি। যেমন: নিচের হাদীসটি দেখুন।
মুসলিম, কিতাবুল ঈমান
এই হাদীসের বাক্যটি নীতিগত ভাবে গ্রহণযোগ্য। এখানে দুটি স্বভাবের কথা বলা হয়েছে, যা অনেক মুসলমানের মধ্যেই লক্ষ্য করা যায়। নীতিগত ভাবে এধরনের অভ্যাস কুফরী। কিন্তু এক্ষেত্রে আপনি কি বলবেন, "পৃথিবীর কমবেশি ৫০% মুসলমানকে মুসলিমরা নিজেরাই কাফের আখ্যায়িত করে?" [৫০% সম্ভবত একটু কমিয়েই বলেছি, আরো বেশি হওয়ার কথা] আমি জানি একথা আপনি বলবেন না। যদি বলেন, তাহলে ব্যাপারটা এরকম হবে, সাপোজ, আপনার বন্ধুর পিতা মারা গেছেন। যতদিন বেঁচে ছিলেন, ছেলেকে অকৃত্রিম স্নেহ মমতায় বড় করেছেন, একারণে মৃত্যুকালে আপনার বন্ধু আর আবেগ ধরে রাখতে পারল না। আপনি তার পাশেই ছিলেন, আপনি শুধু চেয়ে চেয়ে দেখলেন, কিভাবে আপনার বন্ধু নিজের অজান্তেই মুসলমান থেকে কাফের হয়ে গেল, আপনি কিছু বলার সুযোগও পেলেন না।
ভাই আপনার কাছে প্রশ্ন, এই হাদীস এর শিক্ষা কি এই রায় দিচ্ছে আপনার বন্ধু কাফের?
অবশ্যই না, কারণ এই হাদীস এটা বোঝাচ্ছে না, আমরা যারা এই হাদীস এর শিক্ষায় আমল করি অর্থ আমরা যেসব মুসলিম এধরণের অভ্যাসে অভ্যস্ত সবাইকে কাফের রায় দিয়েছি। এভাবে ম্যান টু ম্যান কাফের আখ্যায়িত করাতে সমস্যা আছে। কি সমস্যা, সেট নিচের হাদীসটি দেখলেই বুঝতে পারবেন।
মুসলিম, কিতাবুল ঈমান
এই হাদীস এর শিক্ষাটি পূর্বের হাদীসটির মত নীতিগত না। আগের হাদীসটিতে "in general" একটা ভাব আছে, যা এই হাদীসটিতে নেই। আর এই হাদীসটির শিক্ষা অনুযায়ী, যে ব্যক্তি নিজেকে মুসলমান বলে দাবী করে, তাকে কাফের আখ্যায়িত করা হলে, দাবী কারকের নিজেরও কাফের হওয়ার ৫০% সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়। তাই নীতিগত ভাবে কে কাফের, কে কাফের নয় সেটা সিদ্ধান্ত নেওয়া এক জিনিস আর ম্যান-টু-ম্যান কাফের বলা আরেক জিনিস।
এটা তো সহজেই বলা যায়, "ঈমানের ৬ টি বিষয়ের একটিকে যারা অস্বীকার করে তারা কাফের" কারণ এটা একটি নীতিগত সিদ্ধান্ত। ঐ বই এর ৫৬-৫৭ পৃষ্ঠায় যেটা বলা হয়েছে তা এই নীতিরই একটি অংশ। কারণ ঈমানের ৪র্থ বিষয় হল সকল রাসূলের প্রতি ঈমান। সে হিসেবে হযরত মির্যা গোলাম আহমদ (আ) উম্মাতি নবী হয়ে থাকলে তাকে অস্বীকার করা নীতিগত ভাবে কুফরী। কিন্তু এটা অর্থ যদি এরকম ধরে নিয়ে বলতে থাকেন, "আপনারা ৯৯ভাগ মুসলমানদেরকে কাফির মনে করবেন" তখন বিষয়টা কোথা থেকে কোথায় চলে গেল?
যদি উপরিউক্ত ব্যাখ্যা বুঝে থাকেন, তবে ভাল, না বুঝে থাকলে আর বেশি বোঝােনা আমার জন্য কঠিন।
শেষ কথা, সত্য-মিথ্যা যাচাই করুন কোরআন এর মানদন্ডে। অন্য লাইন এ শুরু করলে, হয়তো অনেক কিছুরই জ্ঞান থাকবে, কিন্তু সঠিক সিদ্ধান্তে পৌছতে পারবেন না। আল্লাহ্ আমাদের সবাইকে সঠিক চিন্তা করার তৌফিক দিন, আমীন।
৪৯|
২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ ভোর ৪:১৫
নরাধম বলেছেন:
বুঝা যাচ্ছে আপনার নিজের দেওয়া বইয়ের লিংকে আপনারই নবীর ছেলের কথার সাথে আপনি একমত না! আর সেটা ঢাকতে গিয়ে কিসব গাঁজাখুরী চরম হাস্যকর ব্যাখ্যা নিয়ে আসছেন, যা একজন বিলো-এভারেজ ইন্টেলিজেন্সের লোকও ধরতে পারবে। সেই বইয়ের কোথাও কি এসব "নীতিগত" না কিসের সিদ্ধান্ত সেটা আছে? নাকি এ ব্যাখ্যা আপনার? সেখানে আপনার নেতা স্পষ্টভাবে বলেছে সে মনে করে সমস্ত মুসলমান যারা মির্জার নবীত্ব মানেনা তারা কাফির, সেটা নীতিগত না অন্য কোনগত সেসব ব্যাখ্যার কিছু তো দেখলাম না।
না জেনে বা না বুঝে কুফরী করা আর সরাসরি কাফির হওয়া এক জিনিস না, আমাদের অনেক মুসলমানই না বুঝে অনেকসময় কুফরী কিছু করে ফেলে, অনেকে মাজারে সিজদা দেয় না বুঝে। কিন্তু সে কুফরী কিছু করলেই কাফির হয়ে যায়নি, কাফির তখনই হয় যখন জেনেবুঝে অস্বীকার করে, সঠিক বা সত্যটা তার কাছে উপস্থাপনের পরও যদি সে তা তার মেধা-মনন দ্বারা বুঝেও গ্রহণ না করে তখনই কাফির।
আপনার নবীর ছেলের মতে যে কেউ যদি না জেনেও বা কোনদিন মির্জা সাহেবের নাম না শুনেও তার প্রতি বিশ্বাস না আনে, তবুও সে কাফির! ধরেন মধ্যআফ্রিকার কোনলোক জীবনে মির্জা গোলামের নাম শুনেনি, তাই তার প্রতি ঈমান আনা সম্ভব না। আপনার নেতা, মির্জার ছেলের মতে এই নিষ্পাপ লোকও কাফির! খেয়াল করেন এখানে সে কিন্তু বলে নাই যে এই লোক কুফরী করেছে, বরং সরাসরি বলেছে সে কাফির! মানে যতক্ষণ পর্যন্ত মির্জা গোলামকে নবী বলে স্বীকার করবেনা ততক্ষণ পর্যন্ত সে কাফির থাকবে যদিও সে মির্জা সম্পর্কে কোনদিন নাও শুনে থাকে!
আপনার মতের সাথে না মিললেই তাকে আপনি দুহাত দেখাচ্ছেন, মুহম্মদ আলীকে আপনার নবী মির্জা কি পরিমান স্নেহ করত, তার প্রতি আপনার নবীর কি পরিমান সম্মান ছিল সেটা আপনার ধারণা আছে? অথচ সেই লোক আপনার হাস্যকর নবী-থিয়রীর বিরোধিতা করলেই আপনি তাকে জাগতিক উপযোগী করা লোক বলে তার কথা উড়িয়ে দিলেন।
Apni
২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ সকাল ৯:৫৭
দার্শনিক বলেছেন: আপনি বইটা এখনও পড়েন নি সম্পূর্ণ, আপনি সরাসরি আপনার বির্তকের বিষয়ে গিয়ে অযৌক্তিকভাবে আপনার আপত্তি উত্থাপন করছেন। এটা বুঝলাম এভাবে যে, আমি ঐ বইতেই এই বিষয়ের উল্লেখ পেয়েছি যে এটা নীতিগত সিদ্ধান্ত। আমি যে উদাহরণ দিয়েছি সেগুলোর সাথে যাচাই করে পরলে আশা করি সেটা ধরতে পারবেন। আরেকটি বিষয়, বইটি পড়লে বুঝতে পারতেন এই উক্তির প্রেক্ষাপট। প্রেক্ষাপট না জেনে আউট অব কন্টেক্সট কোন কিছুর অপবাদ আরোপ করা বুদ্ধিমানের কাজ নয়। কোন উক্তির বিশেষত্ব বোঝার জন্য প্রেক্ষাপট সম্পর্কে পূর্ণ অবহিত থাকার গুরুত্ব কতটুকু সেটা আপনি নিচের আয়াতটি বিশ্লেষণ করলেই বুঝবেন, উক্ত আয়াতে মুনাফিকদের ধরে ধরে হত্যা করার সুস্পষ্ট নির্দেশ আছে, এই আয়াত থেকে কি বুঝলেন সেটা দয়া করে একটু বলবেন, সাথে এটাও বলবেন কোরআন এর এই সুস্পষ্ট নির্দেশ অনুযায়ী এ পর্যন্ত আপনি কয়জন মুনাফিক কে হত্যা করেছেন ।
সূরা নিসা:৯০(বিসমিল্লাহ্ কে প্রথম আয়াত হিসেবে ধরে)
যদি এই আয়াতের সঠিক মর্মার্থ বুঝতে পারেন তবে আশা রাখি আমার ব্যাখ্যা বুঝতেও কোন অসুবিধা হবে না। তবে শর্ত হচ্ছে বইটি পড়ে এর সম্পূর্ণ ইতিহাস, বিষয়বস্তু, প্রেক্ষাপট বোঝার চেষ্টা করতে হবে।
৫০|
২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ ভোর ৪:২৭
নরাধম বলেছেন:
আপনি লিখেছেন, "যদি উপরিউক্ত ব্যাখ্যা বুঝে থাকেন, তবে ভাল, না বুঝে থাকলে আর বেশি বোঝােনা আমার জন্য কঠিন। "
আপনার ব্যাখ্যার প্রতি আপনার নিজের ভরসা বা আত্মবিশ্বাস নাই সেটা এই লাইনের মাধ্যমে বুঝিয়ে দিলেন, অন্ধবিশ্বাস নিয়ে বসে আছেন, নিজের বিশ্বাসে তাই ভরসা থাকার কথা না।
"শেষ কথা, সত্য-মিথ্যা যাচাই করুন কোরআন এর মানদন্ডে। অন্য লাইন এ শুরু করলে, হয়তো অনেক কিছুরই জ্ঞান থাকবে, কিন্তু সঠিক সিদ্ধান্তে পৌছতে পারবেন না। আল্লাহ্ আমাদের সবাইকে সঠিক চিন্তা করার তৌফিক দিন, আমীন।"
কোরআনের মানদন্ডেই তো আপনাদেরই একটা অংশ মির্জাকে নবী মানছেনা। এই মুহাম্মদ আলীর শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং ইন্টেলিজেন্স আপনার নবীর ছেলের চেয়ে সবদিক দিয়ে বেশী ছিল, তিনি ফার্সক্লাস ফার্স্ট ছিলেন। আপনার নবীর সাথে শুরুতে আল্লামা ইকবালের ভাল সম্পর্ক ছিল, পরে আপনার নবীর ছেলে যখন মির্জাকে নবী বলে দাবি করা শুরু করল, তখন আল্লামা ইকবালও তাদেরকে ইসলামের আওতার বাইরে ফতোয়া দিলেন এবং জীবনের শেষ চার বছর আপনাদের বিরুদ্ধে চরম সমালোচনা করে গেছেন! আল্লামা ইকবালের মত এত বিদ্ধান এবং মেধাবী ইসলামিক দার্শনিক গত দুশবছরে আসেনি, তিনিও আপনাদেরকে স্বীকার করেননি, আপনার ধারণা কোরান এর মানদন্ডে আল্লামা ইকবালের মত দার্শনিক, মুহম্মদ আলীর মত বিদ্ধান লোক যিনি নিজে প্রথম ইংরেজীতে কোরান তাফসীর করেছিলেন বা হাজার হাজার আলেম-ওলামা সেই সময়েও এবং এই সময়েও, তারা সবাই কোরানের মানদন্ড বুঝেনাই? আপনি এবং আপনার নবীর ছেলে বুঝে বসে আছেন? আমি কিন্তু এই দুজনের উদাহরন দিচ্ছি কারন এদের মেধা এবং দ্বীনের প্রতি ডেডিকেশান নিয়ে কারো কোন সন্দেহ থাকার কথা না, এড় পরে এরা দুজনেই মির্জা গোলামের প্রত্যক্ষ সংগী, এরা মির্জাকে দেখেছেন, বড় একটা সময় কাটিয়েছেন, এরাই কিন্তু আপনার নবীর ছেলের দাবি মানছেনা। শুধু তাই নয়, ১৯১৪ সালে যখন আপনার নবীর ছেলেকে কোন মাশওয়ারা ছাড়াই আপনাদের জামাতের নেতা ঘোষণা করা হল, তখন আগের নেতাদের যারা মির্জার প্রত্যক্ষ সংগী ছিল, তাদের বেশিরভাগই কাদিয়ানিজম ত্যাগ করল।
আপনি যদি যুক্তিতে না পারেন বা আগডুম-বাকডুম ব্যাখ্যা বলে পার পেতে চান তাহলে বুঝেন আপনার বিশ্বাসে সমস্যা আছে। আল্লাহ আমাদের সকলকে বুঝার তাওফিক দান করুন, আমিন!
২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ সকাল ১০:৪৭
দার্শনিক বলেছেন: অনেক সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা করে বোঝানোর চেষ্টা করেছিলাম, যেভাবে সাধারণত আমি ব্যাখ্যা দেই না। একারণে ঐ উক্তির দ্বারা বুঝিয়েছি, এরপরও যদি বোঝাতে হয়, তবে আমার জন্য আরো সহজ করে বোঝানো কঠিন। তাই আমার বিশ্ব্বাস নিয়ে প্রশ্ন তোলা এক্ষেত্রে মোটেই যৌক্তিক নয়। মুহাম্মদ আলী সম্পর্কে না জেনে আপনি অতিরিক্ত বেশি লিখেছেন, এ জন্য এখন আপনাকে একটু চার্জ করা প্রয়োজন মনে করি। আপনার কথা অনুযায়ী, মুহাম্মদ আলীর মত বিদ্বান লোক, যিনি প্রথম ইংরেজীতে কোরআন অনুবাদ করেছে, ফার্স্টক্লাস ফার্স্ট এবং এসকল কারণে তার দ্বীনের প্রতি ডেডিকেশন নিয়ে আপনার কোন সন্দেহ নাই। এখন একটা প্রশ্ন করতে হয়, তার মত কোরআনের জ্ঞান সম্পন্ন(ইংরেজীতে কোরআন অনুবাদকারী), এবং জাগতিক জ্ঞান সম্পন্ন(১ম শ্রেনীতে প্রথম) ব্যক্তিত্ব হযরত মির্যা গোলাম আহমদ(আ) কে প্রতিশ্রুত মসীহ ও যুগের মুযাদ্দেদ হিসেবে মানে। আপনার কাছে প্রশ্ন আপনি কি মির্যা গোলাম আহমদ (আ) কে প্রতিশ্রুত মসীহ ও যুগের মুযাদ্দেদ হিসেবে মানেন? যদি না মেনে থাকেন, তাহলে বলেন, যার দ্বীনের প্রতি ডেডিকেশন নিয়ে যদি আপনার কোন সন্দেহ নাই থাকে, তবে মির্যা গোলাম আহমদ(আ) কে প্রতিশ্রুত মসীহ ও মুযাদ্দেদ মানতে আপনার দ্বিধা কোথায়? আপনি যদি বলেন, মুহাম্মদ আলী এক্ষেত্রে ভুল করেছে, তাহলে, এতক্ষন পর্যন্ত মোহম্মদ আলীর সপক্ষে যত ভাল ভাল কথা বলেছেন, কাদিয়ানী ফিরকার উপর যত আপত্তি তুলেছেন, তার একটাও আর অবশিষ্ট রইল না। কারণ আপনি নিজেই তার কিছু যুক্তি মানেন কিছু মানেন না। আমার ঈমান নিয়ে প্রশ্ন তোলার পূর্বে তাই এক্ষেত্রে আপনার নিজের ঈমান সম্পর্কে একটু চিন্তা করা কি যুক্তিসংগত না?
আর নবীর ছেলের দাবী অনেক পরের বিষয়, নবীর দাবী কি ছিল সেটা লাহোরীদের ওয়েবসাইট থেকেই দেখে নেন:
Click This Link
যদি বিবেক বুদ্ধি থাকে তবে আশা করি বোকার মত লাহোরীদের সপক্ষে কথা বলে আপনার নিজের ঈমান প্রশ্নের সম্মুখীন করবেন না।
আর কোরআন আল্লাহর বানী, এর জ্ঞান আল্লাহ যাকে ইচ্ছা তাকে দেন, তাই এক্ষেত্রে কে কত বিখ্যাত, কার কত সিজিপিএ এসব বিবেচনা করা বুদ্ধিমানের কাজ নয়। আল্লাহ যদি চান একজন নিরক্ষর ব্যক্তিকেও এর জ্ঞান দিয়ে এর আলোয় আলোকিত করতে পারেন। এবং আমার মনে হয়, এ সম্পর্কে উদাহরণ দিয়ে বুঝিয়ে দিতে হবে না।
আল্লাহ আমাদের সবাইকে কোরআনের ঐশী তত্ত্ব বোঝার তৌফিক দান করুন, সরল সঠিক পথে পরিচালিত করুন। আমীন।
৫১|
২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ ভোর ৪:৩৪
ক্যাপ্টেন ম্যাকক্লাস্কি বলেছেন: মুসলিমরা প্রায় ৯৬ টি ফেকড়ায় বিভক্ত, সুন্নিদের ভেতরেও বিভক্তি আছে। কয়েকটার নাম বলছি -
সুন্নি
সিয়া
হানাফি
ওহাবি
সুফি
কাদয়ানি
হাক্কানি
বাহাই
মাদানি
ড্রউজ
কাদেরিয়া
ইসমাইলিয়া ..
এই ভিন্ন মতাবলম্বিরা কোনদিনও একত্র হবেনা
২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ দুপুর ১:৪৮
দার্শনিক বলেছেন: তবু আপনাকে ধন্যবাদ, কারণ আপনার লিস্ট এ আমাদের ফিরকাকেও দেখতে পাচ্ছি।
৫২|
২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ ভোর ৪:৪৫
নরাধম বলেছেন:
বুঝা যাচ্ছে আপনার বিশ্বাস তেমন পোক্ত এবং যৌক্তিক না এবং পুরোই ভিত্তিহীন। সেটা উপরের আলোচনাই যেকোন লোকই বুঝতে পারবে। এখন আপনার পোস্টের কোরানের আয়াত আর হাদিসে আসতেছি।
আপনি সুরা নিসার ৬৯ নং আয়াতের রেফারেন্স দিয়েছেন:
৪:৬৯ "And whoever obeys Allah and the Messenger - those will be with the ones upon whom Allah has bestowed favor of the prophets, the steadfast affirmers of truth, the martyrs and the righteous. And excellent are those as companions."
সুরা আরাফের আয়াত:
৭:৩৫: "O children of Adam, if there come to you messengers from among you relating to you My verses, then whoever fears Allah and reforms - there will be no fear concerning them, nor will they grieve."
আশা করছি ইংরেজী বুঝেন। ৪:৬৯-এ আপনার নবী সম্পর্কে কিছুই নাই। দ্যা মেসেন্জার বলতে মহানবী (সাঃ)-কে বুঝানো হয়েছে সেটা নিশ্চয়ই আপনাকে বলে দিতে হবে না।
৭:৩৫-এ বলা হয়েছে মোটামোটি কাছাকাছি অর্থ যদি আল্লাহর পক্ষ থেকে "তার বানী" নিয়ে রাসুল আসেন (মেসেন্জার মানে রাসুল, নবী না), তখন তাদেরকে মানলে, আল্লাহকে মানলে তাদের কোন ভয় নাই।
এই আয়াতে আসলে আল্লাহ তাআলা রাসুলদের কথা বলছনে, রাসুল আর আসবেন না সেটা তো আপনারাও মানেন, আপনারা বলেন মির্জা গোলাম নবী, রাসুল না, যেহেতু তিনি নতুন কোন শরীয়ত আনেনি, কোরানই তার শরীয়ত। তাই উপরের আয়াত আপনার নবীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য না, যেহেতু এখানে শুধু রাসুলের কথা বলা হয়েছে।
আপনার দেওয়া সুরা মরিয়মের আয়াতের সাথে মির্জা গোলামের কোন প্রাসংগিকতা নেই, আপনি জোর করে প্রাসংগিকতা আনলেও সেটা তাকে নবী প্রমান করেনা। কোরানের আয়াত যা আপনি দিয়েছেন সেসব দিয়ে মির্জাকে নবী বা ইসা মসীহ মানার কোন কারন নেই, যদি কেউ বেকুব না হয়।
আপনার দেওয়া হাদিস সমুহে আসতেছি। আল্লাহ আমাদের সবাইকে বুঝার এবং আমল করার তাওফিক দান করুন! আল্লাহ্ই একমাত্র সবজান্তা।
২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ বিকাল ৩:০৮
দার্শনিক বলেছেন: প্রথম আয়াতে মেসেঞ্জার বলতে রাসূল (স) কে বোঝানো হয়েছে জানি, কিন্তু ঐ আয়াতে তো প্রফেটস ও আছে, ওটা কেন এভয়েড করে গেলেন?
দ্বিতীয় আয়াত এর ব্যাখ্যা দিতে একটু ভুল করেছেন, ঐ খানে একথা বলে নাই যে আল্লাহর বানী নিয়ে রাসূল আসবেন, বলা হয়েছে যদি রাসূলগণ এসে আল্লাহর আয়াত পড়ে শোনান। আল্লাহর আয়াত পড়ে শোনান আর আল্লাহর আয়াত সহ আসা এক জিনিস নয়।
তবে যাই হোক আপনি নিজেই ঐ আয়াত ব্যাখ্যা করতে গিয়ে স্বীকার করছেন, ঐ আয়াতে রাসূল এর আগমনের ভবিষ্যদ্বানী আছে।
কিন্তু পরে অযৌক্তিকভাবে নিজে থেকে বলে দিলেন, ভবিষ্যতে রাসূল আসবেন না। আপনার সাহসের তারিফ করতে হয়, আল্লাহ বলছেন, রাসূল আসবে, আপনি বলে দিলেন আসবে না। সাথে আবার না জেনে আমাদের ফিরকাকেও এর সাথে জুরে দিলেন।
সমস্যা আসলে আপনার না, সমস্যা সেই সব মৌলভীর যারা কোরআনের বিভিন্ন শব্দের অপব্যাখ্যা প্রচার করে আসছে যুগ যুগ ধরে। অথচ একবারও এ কথা বলে না কোরআন এ কি অর্থে এসকল শব্দ ব্যবহৃত হয়েছে। তবে ভয় নাই, কোরআন এমন ঐশী গ্রণ্থ যাতে কোন সন্দেহ নাই। তাই কোরআনই সঠিক ব্যাখ্যার জন্য যথেষ্ট।
আশা করি, নবী-রাসূল সম্পর্কীত সব দ্বিধাদ্বন্দের অবসান হবে যদি নিচের প্রশ্নটির উত্তর দেন।
নিচে কয়েকজন নবী-রাসূলের নাম উল্লেখ করলাম, আপনি শুধু বলবেন, তাদের মধ্যে কারা নবী, কারা রাসূল, এবং কারা নবী ও রাসূল। এতটুকুই।
মুসা (আ), হুদ (আ), ইসমাঈল (আ), সালেহ (আ), ঈসা (আ)
আশা করি অতি গুরুত্বপূর্ণ এই প্রশ্নটির উত্তর দিবেন।
সূরা মরিয়মের যে আয়াত এর কথা বলছেন, ওটা আমি কাওকে নবী প্রমাণ করার জন্য উল্লেখ করিনি। এ পোস্ট পড়ে এধরণের কোন অর্থ বোঝার কোন সুযোগও নেই। এ পোস্ট লেখার মূল লক্ষ্যই ছিল আহমদীয়া মুসলিম জামাত সম্পর্কে সঠিক তথ্য সবাইকে জানান। এবং সে লক্ষ্যেই বিভিন্ন তথ্য প্রদানের পর কথা প্রসংঙ্গে ঐ আয়াতের উল্লেখ। আপনি 'নবী' র চিন্তায় সব বাস্তবতার মাথা খেয়ে বসে আসেন এবং সব বিষয়কেই "নবী" প্রমাণের যুক্তি হিসেবে ধরে নিয়ে চিন্তা করছেন।
আপনার সাথে একমত, "আল্লাহই একমাত্র সবজান্তা" তাই আশা করব, আল্লাহর কাছেই সত্য জানতে চাইবেন।
৫৩|
২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ ভোর ৫:০৪
কামরুল ইসলাম রুবেল বলেছেন: কেন জানি আফনেরে দেকতে বড় হাউস হইতাছে। মুনাফিক বা কাফির দেক্তে কেরুম এই জান্তে মঞ্চায়। কিল্লাইগা জানি বারবার মুকদা গালি চইল্যা আইতাছে।
আল্লাহ মাফ করো হেরে লগে আমরেও।
৫৪|
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ দুপুর ১২:২৪
নরাধম বলেছেন:
এখন আসছি আপনার হাদিস সমূহে। আপনি তিরমিজির ২৫৭৮ নং হাদিস উল্লেখ করেছেন, তিরমিজিতে সেরকম কোন হাদিস নং পাইনি অনেক সার্চ করেও। আমার কাছে যে সফট কপি আছে সেটাতে তিরমিজি ৩৩টা চাপ্টারে বিভক্ত, সেখানে আপনার নং-এর কোন হাদিস নাই। আপনি কি ব্যাপারটা একটু পরিষ্কার করবেন? আমি আপনাকে হাদিস জাল করেছেন বা আমাদেরকে ধোঁকা দিচ্ছেন সেরকম ভাবতে চাচ্ছিনা, তাই আপনার এটেনশান আশা করছি। যদি ধরেও নিই আপনার বর্ণনাকৃত হাদিস সত্য, তবুও সেটা থেকে আপনার মতে,
"আবার শেষের কথায় বুঝা যাচ্ছে আর সব দিকে দলাদলি থাকলেও সেই সঠিক পথের দলটি থাকবে একদিকে বাকি সবাই থাকবে অন্যদিকে। সেক্ষেত্রে অন্য সব বিষয়ে দিমত থাকলেও সেই ফিরকার ব্যাপারে তারা প্রত্যেকেই একমত থাকবে...আর সেটা কি বলা হয়ে গেছে।"
এই উপসংহারটা কেমনে টানা যায়? আমি তো হাদিসে সেরকম কিছু পেলামনা। যা হাদিসে লেখা নাই বা কোন যৌক্তিক ডিডাকশানে পাওয়া যাচ্ছেনা, সেটা হাদিসের উপর চাপিয়ে দেওয়া কি ঠিক?
এরপরে সুনানে নাসাঈ-র ৬৯৫ নং হাদিসে মহানবী (সাঃ) বলেছেন "আমি সর্বশেষ নবী এবং এ মসজিদ সর্বেশষ মসজিদ" - এখান থেকে উপসংহারে পৌঁছেছেন আপনি যেহেতু সর্বশেষ মসজিদের পরে আর মসজিদ এসেছএ সেহেতু সর্বশেষ নবীর পরে আরো নবী আসবে। প্রকৃতপক্ষে এই হাদিসে বর্ণনাকৃত সর্বশেষ মসজিদ বলতে মহানবী (সাঃ) কর্তৃক নির্মিত সর্বশেষ মসজিদ বুঝানো হয়েছে। এই হাদিসের সঠিক অর্থ নিয়ে ১৪০০ বছর ধরে কারো কোন দ্বিমত হয়নি, কিন্তু আপনারা হঠাৎ আবিষ্কার করলেন যেহেতু নবীর মসজিদের পরে আরো মসজিদ এসেছে সেহেতু শেষনবীর পরেও আরো নবী আসবে। একজন বাচ্চা ছেলেও এরকম উদ্ভট ডিডাকশনে যাবেনা, কোন ইন্টেলিজেন্স-সম্পন্ন মানুষ তো নয়ই। আচ্ছা তর্কের খাতিরে ধরে নিলাম শেষ মসজিদের পরে যেমন মসজিদ হয়েছে সেরকম শেষ নবীর পরেও নবী আসবে (নাউজুবিল্লাহ)। এখন তর্কের খাতিরে এও ধরে নিলাম যে মির্জা গোলাম সেরকম একজন নবী (নাউজুবিল্লাহ)। তো মির্জা গোলাম বাদে কি আরো অনেক নবী এসেছিল মহানবী(সাঃ)-এর পরে এবং আরো কি আসবে? শেষমসজিদের পরে লক্ষ লক্ষ মসজিদ হয়েছে, সেরকম আপনার যুক্তি অনুসারে শেষনবীর পরেও লক্ষ লক্ষ নবী আসবেনা? রাশাদ খলিফা নামে কাউকে কি চিনেন? তিনিও গতশতাব্দীতে নবী দাবি করেছিলেন, সাবমিটারস নামে তারা নিজেদেরকে পরিচিত করায়, তাদের ওয়েবসাইটে গিয়ে দেখতে পারে গুগলে সার্চ দিয়ে। তো রাশাদ খলিফাকে কি আপনারা নবী মানেন? না মানলে কেন মানেন না? মহানবী (সাঃ)-এর পরে আর কে কে নবী এসেছিল এবং এদেরকে আপনারা কেমনে চিনলেন? বাহাঈদের নবীকে কি নবী মানেন? আশা করি আপনার হাস্যকর যুক্তির অসারতা বুঝতে পারছেন।
আপনি এর পরে সহিহ মুসলিমের ৩০১ নং হাদিস উল্লেখ করেছেন। আমি সেটা সার্চ করেও পেলাম না। বুক ওয়ানের ৩০১ নং হাদিস অনেক বড় হাদিস, আয়েশা (রাঃ) কর্তৃক বর্ণনাকৃত। সেটার বিষয়বস্তু রাসুল (সাঃ)-এর কাছে ওহী নাজিলের শুরু বিষয়ে। আপনার হাদিসটা কোথায় এবং সঠিক রেফারেন্স আশা করি দিবেন। এখন হাদিসটা তর্কের খাতিরে সঠিক ধরলাম, কিন্তু এই হাদিস থেকে কেমনে বুঝা যায় ইসা (আঃ) এবং ইমাম মাহদী একই ব্যক্তি? এখানে ইমাম বলতে নেতা বুঝানো হয়েছে (যদি হাদিসটা সঠিক ধরে নিই আরকি।) ইমাম বলতে ইমাম মাহদীকেই বুঝানো হয়েছে সেটা বুঝার জন্য আরো অনেক তথ্য দরকার, যা এই হাদিসে নেই। তার আপনার উপসংহার সম্পূর্ণই ভিত্তিহীন।
এর পরে আপনি বলেছেন রাসুল (সাঃ) ৩০জন ভন্ড নবী আসবে বলেছেন কিন্তু তার পরে যেই নবী আসবে সেই মিথ্যা এই কথাটা বলেননি কেন? আসলে এটা তো কোরানেই বলা আছে রাসুল (সাঃ) "সিল অফ দ্যা প্রফেট", সেখানে আর বলার প্রশ্ন আসেনা।
"Muhammad is not the father of any man among you, but the Messenger of Allahand the Last of Prophets. And Allah has knowledge of everything"
[Qur'an 33:40]"
এরকম অনেক হাদিস আছে যেখানে স্পষ্টভাবে বলা আছে মহানবী (সাঃ)-এড় পরে আর কোন নবী আসবেনা, সেখানে এসব আগডুম-বাকডুম দাসত্বের নবী বলে কোন কিছু নাই, কোন নবী আসবেনা, ব্যস খতম।
Narrated Sa'ad: Allah's Apostle set out for Tabuk. appointing 'Ali as his deputy (in Medina). 'Ali said, "Do you want to leave me with the children and women?" The Prophet said, "Will you not be pleased that you will be to me like Aaron to Moses? But there will be no prophet after me." [al-Bukhari 5.700]
কিন্তু তর্কের খাতিরে ধরে নিলাম মহানবী (সাঃ) এর ৩০ মিথ্যানবীর কথা বলার পর বলা উচিৎ ছিল মহানবী (সাঃ)-এর পরে আর কোন নবী আসবেনা সরাসরি, নিচের হাদিসটা দেখেন (উইকিপিডিয়ায় ফলস প্রফেট সার্চ দিলেই পাবেন):
"There will be 30 dajjals among my Ummah. Each one will claim that he is a prophet; but I am the last of the Prophets (Seal of the Prophets), and there will be no Prophet after me."
—Related by Ahmad ibn Hanbal as a sound hâdith
দেখেন এখানে স্পষ্টভাবে বলা আছে, তাছাড়া যেখানে কোরানেই বলা আছে সেখানে আর কোন কথাই থাকতে পারেনা। তারমানে মহানবী (সাঃ)-এর পরে যেই নবী দাবি করবে সেই মিথ্যাবাদী।
এখন তর্কের খাতিরে ধরে নিলাম ঈসা (আঃ) মারা গিয়েছেন, তাহলে মির্জা গোলামই যে ইসা মসীহ সেটা কেমনে প্রমাণ হয়? মির্জা গোলাম যে ইমাম মাহদী সেটা কেমন প্রমাণ হয়? রাসুল (সাঃ)-এর বর্ণনাকৃত হাদিসে ইমাম মাহদী সম্পর্কে যা বলা হয়েছে তার কোন কিছুই মির্জা গোলামের সাথে মিলেনা। ইমাম মাহদী রাসুল (সাঃ)-এর মেয়ে ফাতিমা (রাঃ)-র বংশধর হবেন, মির্জা গোলাম কোনভাবেই সেটা না। এরপরে তাঁকে মুসলমানরা জোর করে তাদের নেতা বানাবে, মির্জাকে নেতা বানানো তো দূরের কথা, তাকে মারতে পারলেই সবাই বাঁচে। ঈমাম মাহদী মদিনায় নামাজের নেতৃত্ব দিবে, মির্জার তো সেই সৌভাগ্য হয়নি। মোটকথা কোন যু্ক্তিতেই মির্জা গোলামকে নবী, ইসা মসীহ, ইমাম মাহদী কোনটাই বলা যায়না। আরো অনেকেই নিজেক মাহদী দাবি করেছেন, তাদেরকে আপনারা মাহদী মানেন না কেন? তাদেরকে যে কারনে আপনারা মাহদী মানেননা আমরা সে কারনে মির্জা গোলামকে মাহদী মানিনা।
আপনি শেষে বলেছেন,
"সবশেষে আমি সবাইকে আহমদীয়া মুসলিম জামাতের প্রতিষ্ঠাতা হযরত মির্জা গোলাম আহমদ কাদিয়ানী(আ) কে কোরআন ও হাদীস সাপেক্ষে ইমাম মাহদী ও ঈসা ইবনে মরিয়ম (আ) হিসেবে যাচাই করার জন্য অনুরোধ করে শেষ করছি।"
আমি কোরান-হাদিস দিয়েই উপরের আলোচনা থেকে বুঝিয়ে দিলাম আপনাকে যে আপনি কত বড় ভুলের মধ্যে আছেন। আমি আপনাকে কোন ধরণের আক্রমণ করিনি, আপনাকে কাফের ফতোয়া দিইনি, যদিও আপনাদের মতে আমি কাফির। আশা করি ব্যাপারটা গভীরভাবে চিন্তা করবেন। মহান আল্লাহ তাআ'লা আমাদের সবাইকে বুঝার তওফিক দান করুন।
আমি আপনার জবাবে অপেক্ষায় থাকব। আল্লাহ আপনাকে এবং আমাকে এবং এখানে সবাইকে হেদায়েত দান করুক! আমিন! এবং আল্লাহই একমাত্র সবজান্তা!
৫৫|
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ দুপুর ২:৩৮
নরাধম বলেছেন:
আপনার ৩০ আয়াতের যে লিংক দিয়েছেন ওসব কি আপনি নিজে পড়েছেন? আমি কদ্দুর পড়ে তো তাজ্জব বনে যাচ্ছি এসব আউল-ফাউল যুক্তি বা ব্যাখ্যা মানুষ কেমনে গ্রহণ করে? আর আয়াতের যেই নাম্বার দিয়েছেন সেখানে সেসবের সাথে কোরানের আয়াতের নাম্বার তো মিলছেনা।
৫৬|
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ দুপুর ২:২২
নরাধম বলেছেন:
লাহোরীদের কথা আনছি এজন্য না যে আমি লাহোরীদের ভক্ত, বরং তাদের নিয়ে আমার কোন আগ্রহও নেই আনার তাদের কাজকর্ম নিয়ে আপত্তিও নেই। তাদের যা ইচ্ছে তাই করুক, শুধু মির্জা গোলামকে নবী বানিয়ে না দিলেই হল, কেননা তাহলে সে কোরানের বাণীর বিপক্ষে চলে যাবে আর যারা কোরানের বাণীর বিপক্ষে যাই তারা সরাসরি কাফির, এ ব্যাপারে সমস্ত আলেম-ওলামা সন্দেহাতীতভাবে একমত। তাছাড়া এটা তো কোরানেই বলা হয়েছে, যেখানে মুহাম্মাদ (সাঃ) কে শেষ নবী বলা হয়েছে (সিল অফ দ্যা প্রফেটস), তার পরে নবী (বা রাসুল) আসবেনা, সেখানে আর কোন কথাই নাই। এখানে কিন্তু খাতমুন্নাবিয়্যিন বলা হয়েছে, রাসুলের কথা না, মানে রাসুল তো বাদ, কোন নবীই আসবেনা। যাই হোক, লাহোরীদের কথা আনছি কারন তারা আপনার নবীর সমসাময়িক, তাই আমার কথা থেকে তাদের কথাকে আপনাদের ক্ষেত্রে বেশি প্রাসংগিক হবে। যেমন জামাতের ৭১-এর বিষয়ে কার্যকলাপের প্রমাণস্বরুপ আমরা দৈনিক সংগ্রামের লেখা হাজির করি, এটার মানে এই না যে আমরা দৈনিক সংগ্রামের কথা মানি বা তাদেরকে পছন্দ করি, কিন্তু প্রমাণের জন্য সেসব ব্যবহার করি, যেমন বাইবল ব্যবহার করি খ্রীস্টানদের সাথে তর্ক করতে। তবে মুহাম্মদ আলীর প্রতি আমার শ্রদ্ধা আছে, এরকম আমার শ্রদ্ধা আছে নওম চমস্কির প্রতি, বুদ্ধের প্রতি, রামকৃষ্ঞের প্রতি, এর মানে এই না যে আমি তাদের সবব্যাপারে একমত। আশা করি এই ছোট ব্যাপারটা বুঝতে পেরেছেন। নওম চমস্কিকে আমি অসম্ভব সম্মান করি, কিন্তু তার কিছু কিছু মতামতকে আমাকে খুবই ফালতু মনে হয়, কিন্তু এতে তার প্রতি আমার শ্রদ্ধা কমেনা। তেমনি মুহাম্মদ আলীর কিছু বই পড়ে আমার ভাল লেগেছে, সেজন্য তাকে সম্মান করি, তার মানে এই না যে আমি তার সবকথাই যাচাই না করে মেনে নিব। মুহাম্মদ আলীর সেই বইগুলোই পড়েছি যা আল-আজহার থেকে সার্টিফায়েড এবং মির্জা গোলাম নিয়ে কোন কথা বলেনি। মির্জা গোলাম একজন সম্পূর্ণ অপ্রাসংগিক মানুষ, তিনি কি বললেন না বললেন সেসব তো কোন ইস্যুই না। কিন্তু তার সম্পর্কে আমি যা পড়েছি তাতে তাকে আমার তেমন কিছুই মনে হয়নি, তবুও তাকে আপনারা মুজাদ্দেদ বললে আমার মানতে আপত্তি নাই। কতজনে কতকিছু দাবি করে, সে সেটা দাবি করলে সমস্যা কি, চিটাগাংয়ে অনেক ভন্ড নিজেরে পীর আর নবীর বংশ দাবি করে, সাঈদাবাদী নিজেরে নবীর রক্ষাকর্তা, মুহম্মদী ইসলামের প্রবক্তা আরো কি কি যেন দাবি করে, সাঈদাবাদীর সাথে আমি গোলাম কাদিয়ানির মিল খুঁজে পাই অনেক। কিন্তু ঈসা মসীহ দাবি করলে সেটা নিয়ে কনভিন্সিং প্রুফ দিতে হবে, এখন পর্যন্ত কাদিয়ানীদের এ বিষয়ে কোন প্রুফ আমার কাছে গ্রহণযোগ্য মনে হয়নি, মনে হয়েছে শুধু ত্যানা প্যাচায়, কোন সাবস্ট্যান্স নাই, কোরানে যেখানে যা নাই সেখানে তারা অনেক কষ্ট করে সেসব খুঁজে পায়।ঈসা মসীহ নিয়ে কোরানের আয়াত এবং যত সহীহ হাদিস যত আছে সব একসাথে আনেন, এনে সবগুলাতে কেমনে মির্জা গোলাম গোলামকেই নির্দেশ করে সেটা প্রমাণ করেন, তাহলেই হল।
সুরা নিসা ৯০-তে মুনাফিকদের বিনাকারনে হত্যা করার নির্দেশ নেই। "... if they withdraw not from you nor give you (guarantees) of peace besides restraining their hands, seize them and slay them wherever ye get them....:" এখানে যারা নবীর সাথে যুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে আর শান্তিচুক্তি করছেনা তাদের কথা বলা হচ্ছে, তাদের জন্যই শাস্তি। বুঝা যাচ্ছে আপনি নিজেই আয়াতটার সঠিক মর্মার্থ বুঝতে পারেন নাই।
আপনার বইয়ের কোন পৃষ্ঠায় তথাকথিত নীতিগত সিদ্ধান্তের কথা আছে সেটা আমাকে বলেন, আপনি নিশ্চয় বইটা পড়েছেন। আমার পক্ষে এত বড় এবং অগভীর, কোন মৌলিক চিন্তাহীন এবং একজন ভন্ডের লেখা তাও আরেকজনকে ফালতু আক্রমণ করে লেখা বই পুরাটা পড়া সম্ভব না। এর চেয়ে আমি ফ্রিটজফ শুয়ন বা মার্টিন লিংসের বই পড়ে সময় কাটাব।
৪:৬৯ "And whoever obeys Allah and the Messenger - those will be with the ones upon whom Allah has bestowed favor of the prophets, the steadfast affirmers of truth, the martyrs and the righteous. And excellent are those as companions."
এখানে আপনি বলছেন প্রফেটসের কথাও আছে, আপনার লেখাপড়া কদ্দুর কি জানতে পারি? এত সোজা কথা বুঝতে সমস্যা কেন হচ্ছে আপনার বুঝতে পারছিনা। এখানে প্রফেটদের ফেইভার পাবে তারাই যারা আল্লাহ এবং তার রাসুলের কথা মানবে, সেটা বলা হয়েছে, আপনার নবী গোলাম কাদিয়ানির কথা কিছু বলা হয়নি। আপনি একটা অপ্রাসংগিক আয়াত তুলে দিয়েছেন, সেটা কি বুঝতে পারছেন?
৭:৩৫ এ রাসুলগনের কথাই বলা হয়েছে, রাসুল তারাই যাদের উপর ঐশী বানী নাজিল হয়, সেজন্যই তারা সেসব আয়াত শুনাই। সেখানে মেসেন্জার লেখা আছে সেটা দেখছেন না? শুধু আয়াত পড়ে শুনানোর কথা হলে নবীর কথা থাকত, এই আয়াত পড়া শুনানো মানে রাসুলের উপর যে আয়াত নাজিল হয় সেই আয়াত পড়ে শুনানো। এখানে আপনার নবীর কোন কথা নাই।
আপনি লিখেছেন:
"তবে যাই হোক আপনি নিজেই ঐ আয়াত ব্যাখ্যা করতে গিয়ে স্বীকার করছেন, ঐ আয়াতে রাসূল এর আগমনের ভবিষ্যদ্বানী আছে।
কিন্তু পরে অযৌক্তিকভাবে নিজে থেকে বলে দিলেন, ভবিষ্যতে রাসূল আসবেন না। আপনার সাহসের তারিফ করতে হয়, আল্লাহ বলছেন, রাসূল আসবে, আপনি বলে দিলেন আসবে না। সাথে আবার না জেনে আমাদের ফিরকাকেও এর সাথে জুরে দিলেন।"
আমি সেটা কোথায় স্বীকার করলাম? কোরানে আল্লাহই বলেছেন নবী-রাসুল কোনটাই আসবেনা, নবী আসবেননা মানে রাসুলও আসবেননা, কেননা প্রত্যেক রসুল নবীও বটে। আপনি আল্লাহকে নিয়ে মিথ্যা বলছেন, নবীকে নিয়ে তো আপনাদের কাদিয়ানিরা সবসময়ই বলেই। তাছাড়া আপনারাও তো মানেন আর কোন রাসুল আসবেননা, সেখানে আমি আর আপনার মধ্যে কোন পার্থক্য তো নাই। নাকি আপনি মনে করেন এখনও অনেক রাসুল আসবেন, মহানবী (সাঃ)-এর পরে আরো অনেক রাসুল আসবেন?
আপনার মতে মৌলভীরা শতশত বছর ধরে ভুল ব্যাখ্যা প্রচার করে আসছে শুধু কাদিয়ানি মৌলভীরা সঠিক ব্যাখ্যা দেয়, তাও মাত্র ১০০ বছর হল। এর আগে এত হাজার হাজার স্কলার, সাহাবী, তাবেঈন, তবে-তাবেঈণ, ইমামগন এবং লক্ষ লক্ষ বুজর্গু কেউ কোরানের সঠিক ব্যাখ্যা দেননি, এবং এখনও যে লক্ষ লক্ষ আলেম যারা মির্জাকে নবী মানেনা তারাও সবাই ভুল ব্যাখ্যা দিচ্ছে। আপনাদের আলেমরা ভাল আরবী জানেও না, তাদের মাতৃভাষাও আরবী না, কিন্তু তারা কোরানের সঠিক ব্যাখয়া দিচ্ছে! আপনার কাছে এরকম একটা যুক্তি খুবই হাস্যকর মনে হচ্ছে না? আপনাকে কি পরিমান মগজধোলাই করা হয়েছে সেটা বুঝতে পারছেন?
আপনার সুরা মরিয়মের আয়াতের সাথে কাদিয়ানিদের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য বা মির্জার কার্যক্রমের কোন ধরনের সংযোগ নাই, আপনার লেখার সাথেও এর কোন রেলিভেন্স নাই, তাই সে আয়াত সেখানে সম্পূর্ণ অপ্রাসংগিক।
আপনার উল্লেখকৃত নবীগনের মধ্যে কে রাসুল সেটা একটু গুগল সার্চ দিলেই পাবেন, এটা কোন প্রশ্নই না, বাচ্চারাও সেই প্রশ্ন পারবে। আর তাছাড়া সেটাও অপ্রাসংগিক। তাছাড়া আমি আপনাকে এই মহান নবী-রাসুলদের সাথে কোনভাবেই মির্জা গোলামের মত কাউকে একই কাতারে নিয়ে আসবেন সেই সুযোগ দিতে চাইনা।
০১ লা অক্টোবর, ২০১২ রাত ২:৩৫
দার্শনিক বলেছেন: আর কত ব্যাখ্যা দিয়ে নিজের ভুল ঢাকবেন। আপনিই বলেছেন, "মোহাম্মদ আলীর দ্বীনের প্রতি ডেডিকেশন নিয়ে কারো সন্দেহ নাই" আবার আপনিই স্বীকার করছেন, "এর মানে এই না যে আমি তাদের সবব্যাপারে একমত" ভাই আপনাকে প্রশ্ন করতে ইচ্ছা করছে, "সন্দেহ নাই" বলতে আপনি কি বোঝেন? এটাই কি? "সন্দেহ নাই=কিছু কিছু তে সন্দেহ আছে, কিছু কিছুতে নাই"
ভাই আপনি কোরআনের সব ব্যাপারে একমত তো? প্রশ্নটা করতে হল, কারণ কোরআনের শুরুর দিকেই আছে "এটা সেই পূর্নাঙ্গ কিতাব, যাতে কোন সন্দেহ নাই।" অর্থাৎ কোরআন সন্দেহাতীত গ্রণ্থ। আর আপনার ব্যাখ্যানুযায়ী কারো প্রতি সন্দেহাতীত অর্থ এই নয় যে "তার সব ব্যাপরে একমত" হতে হবে। বাহ্ কি দারুণ ব্যাখ্যা। যুক্তি না পেয়ে আরো কত কিছু বলবেন কে জানে।
যাই হোক আপনি অযৌক্তিক হতে পারেন, তারপরও চেষ্টা করছি, যদি আমার যুক্তি কিছু বুঝেন(আপনি না বুঝলেও অন্য কেউ যদি বুঝে)....
সূরা নিসার ঐ আয়াতের যুক্তি দিতে গিয়ে বললেন, "আশা করছি ইংরেজী বুঝেন। ৪:৬৯-এ আপনার নবী সম্পর্কে কিছুই নাই। দ্যা মেসেন্জার বলতে মহানবী (সাঃ)-কে বুঝানো হয়েছে সেটা নিশ্চয়ই আপনাকে বলে দিতে হবে না।"
ঐ আয়াতে এর সাপেক্ষে যদি, সিদ্দীকের ফেভার পেয়ে পৃথিবীতে মানুষ সিদ্দীক হতে পারে, যদি শহীদের ফেভার পেয়ে পৃথিবীতে শাহাদাতের পুরস্কাল লাভ করতে পারে, তবে সর্বশ্রেষ্ঠ নবী রাসূলুল্লাহ(স) এর ফেভাের কেন তার পৃথিবীতে তার(স) এর দাস নবী হতে পারবে না? আর কোরআনের আয়াতের মধ্যে মির্যা গোলাম আহমদ(আ) এর নাম খোজা অযৌক্তিক। এখানে নবীর আগমনের ভবিষ্যদ্বানী আছে এটা বোঝানোর জন্যই উক্ত আয়াত উদ্বৃতি করা হয়েছে। আপনার একটা বিশাল প্রবেল হল, সব কিছুতে মির্যা গোলাম আহমদ(আ) কে প্রত্যক্ষভাবে লাগাতে চান। আপনার অবগতির জন্য বলছি, ভবিষ্যদ্বানী কখনও এত ডাইরেক্ট থাকে না। যেমন: রাসূল(স) এর ভবিষ্যদ্বানী আছে ইঞ্জিলে এভাবে, "তথাপি আমার যাওয়া তোমাদের জন্য ভাল, কারণ আমি না গেলে সেই সহায় তোমাদের নিকট আসিবে না। তবে আমি যদি যাই তবে, তোমাদের নিকট তাহাকে পাঠাইয়া দিব" এই বাণীতেও হযরত মুহাম্মদ (স) এর কোন কথা নাই। কিন্তু এটাই রাসূল(স) এর আগমনের ভবিষ্যদ্বানী হিসেবে ব্যবহার করা হয়। যাই হোক, ঐ আয়াত শুধু এটাই প্রমাণ করে, মির্যা গোলাম আহমদ(আ) এর উম্মাতি নব্যুয়তের দাবীর সপক্ষে কোরআনের ভিত্তি রয়েছে।
আর আরাফের আয়াত এ আপনি স্বীকার করেছিলেন, সেখানে রাসূলের আগমনের ভবিষ্যদ্বানী আছে। বলা হয়েছে, "হে বনী-আদম, যদি তোমাদের কাছে তোমাদেরই মধ্য থেকে পয়গম্বর আগমন করে তোমাদেরকে আমার আয়াতসমূহ শুনায়, তবে যে ব্যক্তি সংযত হয় এবং সৎকাজ অবলম্বন করে, তাদের কোন আশঙ্কা নাই এবং তারা দুঃখিত হবে না।"
আপনি এর ব্যাখ্যায় লিখেছেন, "এই আয়াতে আসলে আল্লাহ তাআলা রাসুলদের কথা বলছনে" হুম রাসূলদের কথা বলেছেন এটা না বোঝার কিছু নাই, কিন্তু রাসূলদের সম্পর্কে কি কথা বলেছেন? এটাই তো বলেছেন "যদি রাসূল আগমন করেন" আপনি বলছেন রাসূল(স) কে আল্লাহ খাতামান্নাবীয়িন বলেছেন তাই রাসূল আর আসবেন না। আপনার কাছে প্রশ্ন সূরা আহযাবে যে আল্লাহ তাআলা রাসূল(স) কে খাতামান্নাবীয়িন বলেছেন, সেটা কি আল্লাহর চাইতে আপনি বেশি জানেন? আল্লাহ বলছে রাসূল(স) খাতামান্নাবীয়িন, আবার আল্লাহ বলছেন, "যদি রাসূল আগমন করে" আবার তিনি আল্লাহই বলছেন, কোরআনে কোন কন্ট্রাডিকশন নাই। আপনি বলেন আপনি এই সূত্র কিভাবে মিলাবেন? আমি মিলাতে পারব, কারণ খাতামান্নাবীয়িন এর অর্থ রাসূলে করীম(স) শরীয়তবাহী সর্বশেষ নবী(এবং সে হিসেবে তিনিই সর্বশ্রেষ্ঠ নবী)। এবং শরীয়ত ছাড়া নবীর আগমন সম্ভব, যা সম্পর্কে আরাফ ও নিসার আয়াত সাক্ষ্য দিচ্ছে।
"৭:৩৫ এ রাসুলগনের কথাই বলা হয়েছে, রাসুল তারাই যাদের উপর ঐশী বানী নাজিল হয়, সেজন্যই তারা সেসব আয়াত শুনাই। সেখানে মেসেন্জার লেখা আছে সেটা দেখছেন না? শুধু আয়াত পড়ে শুনানোর কথা হলে নবীর কথা থাকত, এই আয়াত পড়া শুনানো মানে রাসুলের উপর যে আয়াত নাজিল হয় সেই আয়াত পড়ে শুনানো। এখানে আপনার নবীর কোন কথা নাই।"
(আপনাকে অনেক খোচা দিয়ে কথা বলছি, এবার একটু নিজেকে নিয়ে বলি) ভাই আমি বড় বোকা মানুষ, কে মেসেঞ্জার কে প্রফেট ঐটা বুঝি না, একটু উদাহরণ এর মাধ্যমে জানতে চাইছিলাম, কিন্তু আপনি বললেন গুগল সার্চ করতে। যে ব্যক্তি সবচেয়ে স্পষ্ট গ্রণ্থ কোরআনের মাধ্যমে নবী-রাসূলের পার্থক্যই বুঝে না, সে কিভাবে গুগল সার্চ করে বুঝে যাবে? এটা কি কখনও সম্ভব?
আশা করি ঐ ৫ জনের নব্যুয়তের ক্লাসিফিকেশন উল্লেখ করবেন। আপনার কাছে ওটা সিলি কোয়েশচেন হতে পারে, কিন্তু আমার জন্য ওটা গুরুত্বপূর্ণ। আর ঐটা বলার পরই বাকিটুকু নিয়ে লিখব, হাদীসগুলোও এর প্রেক্ষিতেই আলোচনা করব ইনশাআল্লাহ।
শেষে শুধু একটি সংশোধন, রাসূল(স) এর ভবিষ্যদ্বানী অনুযায়ী, আখেরী যামানার ম্যাজরিটি আলেম-ওলামারা পথভ্রষ্ট। তাই এর ব্যাখ্যায় সাহাবা, তাবেঈন, তাবে-তাবেঈন, ইমামগণ কে সংযুক্ত করা উচিত হবে না।
৫৭|
০১ লা অক্টোবর, ২০১২ ভোর ৫:০৬
নরাধম বলেছেন: একটা অপ্রাসংগিক প্রশ্ন:
আপনি কোন প্রাইভেটে পড়েন? কোন সাবজেক্টে? এটা জিজ্ঞেস করছি কারন আপনার যুক্তিজ্ঞান আমার কাছে প্রাথমিক বিদ্যালয়ও পাশ না করা কারো মনে হচ্ছে এবং সোজাসাপ্টা ইংরেজী বুঝছেন না। যাই হোক, এত বেশি অলিতেগলিতে প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় হয়েছে, কোনটাতে পড়েন জানাবেন। আর আমার ব্যক্তিগত কিছু জানতে চাইলে আমার জানাতে আপত্তি নেই। আপনার মগজ যদি খুব কম হয় তাহলে আমি সেই লেভেলের যুক্তি দিব, যে যেরকম তাকে সেরকমভাবে বুঝানোর চেষ্টা করা উচিৎ, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কাউকে আমি দার্শনিক ডেকার্তের যুক্তি দিয়ে লাভ নেই।
আমার কমেন্টগুলোর অনেক বিষয়ই আপনি এড়িয়ে গিয়েছেন:
০১। আল্লাম ইকবাল আপনার নবীর সাথে ভাল সম্পর্ক থাকলেও পরে আপনাদেরকে নিয়ে এত বিরক্ত ছিলেন কেন?
০২। আপনার বইয়ে দেওয়া লিংক মতে যারা মির্জাকে নবী মানেনা তারা সবাই কাফির। আপনি সেটার প্রথমে একটা ব্যাখ্যা দিলেন যে অন্যজনকে কাফির বললে সে নিজেও ৫০% কাফির হওয়ার সম্ভাবনা আছে, সেজন্য এরকম বলছে। পরে সেটা ঘুরিয়ে কিসব আবুলতাবুল বলে বললেন এটা নাকি নীতিগত সিদ্ধান্ত। নীতিগত সিদ্ধান্তের যে ছেলেমানুষি ব্যাখ্যা দিয়েছেন সেটা সেই বইয়ের কোন পৃষ্ঠায় আছে সেটা বলতে বলেছি, সেটা বলেন নি। সেটা কোন পৃষ্ঠায় আছে সেটা বলবেন। সেটা যেন স্পষ্টভাবে লেখা থাকে।
০৩। এছাড়া সে বইয়ে আছে যারা জীবনে মির্জার নাম শুনেনি তারাও নাকি মির্জাকে নবী না মানলে কাফির। এরা তো আপনাদেরক কাফির বলছেনা, তাই ৫০% কাফির হওয়ার সম্ভাবনা নেই, তারা কেন কাফির? আশা করি আবার পিছলাবেন না। আপনি কি মনে করেন আফ্রিকার কোন লোক যে কোনদিন মির্জার কথা শুনে নাই সে কাফির যদিও সে আমাদের মতই সাধারণ মুসলিম?
০৪। আপনার মতে একজন মুসলমান হওয়ার জন্য মির্জাকে নবী মানার প্রয়োজন আছে কিনা? আমি মির্জাকে নবী মানিনা, আমি কি অমুসলিম বা কাফির?
০৫। আপনি বলেছেন, "ল-বিয়ার, নন-ল-বিয়ারিং এর ঝামেলাতে কেউ যায়না, কিন্তু আমরা যাই, কারণ কোরআন এই বিষয়ে সাক্ষ্য দিচ্ছে যে নন-ল-বিয়ারিং নবীর আগমন হবে রাসূল(স) এর পর।".........কোরান আর হাদিসে আছে কোন নবী আসবেনা, ল-বিয়ারিং, নন-ল-বিয়ারিং কোন নবীই আসবেনা, সেখানে কোরানে কোথায় সাক্ষ্য দিছে নবী আসবে? আমাকে হাদিস এবং কোরানের আয়াতের রেফারেন্স দেন। সহীহ হাদিসের কোথায় আছে আর নবী আসবে? কোরানের আয়াতে কোথায় আছে?
০৬। আপনার কথামতে নবী আসবে মানলাম (নাউজুবিল্লাহ), এখন বলেন রাসুল (সাঃ)-এর পরে আর কতজন নবী এসেছে? এদের কাকে কাকে আপনি নবী মানেন? গোলামের পরে কি আর কোন নবী আসবে? বর্তমান দুনিয়াই কি নবী আছে?
০৭। "আবার শেষের কথায় বুঝা যাচ্ছে আর সব দিকে দলাদলি থাকলেও সেই সঠিক পথের দলটি থাকবে একদিকে বাকি সবাই থাকবে অন্যদিকে। সেক্ষেত্রে অন্য সব বিষয়ে দিমত থাকলেও সেই ফিরকার ব্যাপারে তারা প্রত্যেকেই একমত থাকবে...আর সেটা কি বলা হয়ে গেছে।" এই কথাটা কোথায় কোন হাদিসে পেয়েছেন?
০৮। আপনি বলেছেন একটা হাদিসের রেফারেন্স দিয়ে বলেছেন "আমি সর্বশেষ নবী এবং এ মসজিদ সর্বেশষ মসজিদ" যেহেতু মসজিদ আরো হয়েছে নবীও আরো আসবে! হাহাহাহা.....। আচ্ছা মসজিদ তো লক্ষ লক্ষ হয়েছে, নবী কয়জন এসেছে? কে কে একটু আইডিয়া দিবেন?
০৯। রাশাদ খলিফাকে কি নবী মানেন? না মানলে কেন মানেন না?
১০। ৫৪ নং কমেন্টে অনেক কিছুই আছে সেসব নিয়ে বলেন। আপনার উল্লেখকৃত হাদিস আমি পাইনি, সেটা কোথায়?
১১। আপনি লিখেছেন, " সিদ্দীকের ফেভার পেয়ে পৃথিবীতে মানুষ সিদ্দীক হতে পারে, যদি শহীদের ফেভার পেয়ে পৃথিবীতে শাহাদাতের পুরস্কাল লাভ করতে পারে, তবে সর্বশ্রেষ্ঠ নবী রাসূলুল্লাহ(স) এর ফেভাের কেন তার পৃথিবীতে তার(স) এর দাস নবী হতে পারবে না"..... সেই আয়াতে সিদ্দিকের ফেইভার পেয়ে সিদ্দিক, শহীদের ফেইভার পেয়ে শাহাদাৎ পাবে এরকম কিছু বলা হয়নাই। আপনি ইংরেজী না বুঝলে কোন বাংলা কোরানের দেখেন। তাছাড়া সিদ্দিকের ফেইভার পেয়ে সিদ্দিক হবে সেজন্য নবীর ফেইভার পেয়ে দাস নবী হবে এইটা বেকুবদের লজিক। নবী (সাঃ)-এর সবচেয়ে বেশী ফেইভার পেয়েছেন পুরুষদের মধ্যে আবু বকর (সাঃ), তিনি কি নবী হয়েছেন নাকি (নাউজুবিল্লাহ)? আপনার কথামতে তো তিনি নবী হয়ে যাওয়ার কথা।
১২। আপনি বলেছেন, "রাসূল(স) এর ভবিষ্যদ্বানী অনুযায়ী, আখেরী যামানার ম্যাজরিটি আলেম-ওলামারা পথভ্রষ্ট।".....এটা কোন হাদিসে আছে জানতে পারি কি?
১৩। আপনি বলেছেন, "খাতামান্নাবীয়িন এর অর্থ রাসূলে করীম(স) শরীয়তবাহী সর্বশেষ নবী(এবং সে হিসেবে তিনিই সর্বশ্রেষ্ঠ নবী)। এবং শরীয়ত ছাড়া নবীর আগমন সম্ভব, যা সম্পর্কে আরাফ ও নিসার আয়াত সাক্ষ্য দিচ্ছে।".........আরাফ আর নিসার কোন আয়াতে সাক্ষ দিচ্ছে সেটা বলেন। আর আরো নবী আসা সম্ভব হলে এখন পর্যন্ত কয়জন নবী আসছে সেটা বলেন, সেসবের কয়জনকে আপনি মানেন? আর কয়জন নবী আসবে?
১৪। খাতামুন্নাবিয়্যিনের অর্থ বুখারীতে রাসুল (সাঃ) নিজেই বলেছেন, নিশ্চয়ই আপনি বা আপনার মোল্লারা রাসুল (সাঃ) থেকে বেশি জানেন না।
"Thauban said that the Holy Prophet said: (in a long tradition part of which is that) "there will appear in my Ummah thirty imposters each of them will claim to be a prophet while I am Khatam un-Nabiyyin, there is no prophet after me"
রাসুল (সাঃ) স্পষ্টভাবে বলে দিয়েছেন তিনিই সর্বেশেষ নবী, যদি ননল-বিয়ারিং নবী আসত তবে সেটা তিনি উল্লেখ করতেন।
১৫। ৭:৩৫ এ মির্জার নবুয়্যতের ব্যাপারে আপনি প্রমাণ আছে বললেন, সেটা কেমনে?
১৬। আপনি আমাকে শুধু একটা কোরানের আয়াত বা একটা সহি হাদিস দেখান যেখানে আরো নবী আসবে বলে বলা হয়েছে।
শেষের কমেন্টের কথা বুঝতে পারেননি, কারন আমি আসলে আপনি যে এখনও বয়স কম এবং আপনার ম্যাচুরিটি লেভেল কত কম সেটা জানতাম না, নাহয় এই লেভেলের কথা বলতাম না, আরো সোজাসাপ্টা কথা বলতাম। মুহাম্মদ আলীর ডেডিকেশান নিয়ে সন্দেহ নাই, মানে তার কথা সব আমি মানছি সেটা না। যেমন ধরেন আপনার ডেডিকেশান নিয়ে আমার সন্দেহ নাই, হাজার হাজার প্রিস্টদের, রাবাইদের ডেডিকেশান নিয়ে আমার কোন সন্দেহ নাই। তার মানে এই না যে আমি আপনার বা প্রিস্টদের সাথে একমত। যাইহোক এসব আপনি বুঝবেন না, একটু হাই-লেভেলের কথাবার্তা।
বাইবেলে মুহাম্মদ (সাঃ) এর আগমনের ব্যাপারে খুবই কনক্রিট প্রুফ আছে, তিনি কোন গোত্রের হবেন (ইসমাইল (আঃ)-এর বংশধর), এসব বিষয়ে বলা আছে। বেদগ্রন্থে নবীর নাম পর্যন্ত উল্লেখ আছে, তাই সেসবের সাথে মির্জা গোলামকে মিলিয়ে লাভ নেই।
আর নবী এবং রাসুলের সংজ্ঞা বিভিন্নজনে বিভিন্নভাবে দিয়েছেন, আমি যেটা উল্লেখ করেছি সেটা হচ্ছে খুব কমন সংজ্ঞা। ইবনে তায়্যিমার মত "the Messenger is one who is sent to a disbelieving people, and the Prophet is one who is sent to a believing people with the sharee’ah of the Messenger who came before him, to teach them and judge between them".........
এরকম আরেকটা ভিউমতে কোরানে উল্লেখিত সবনবী আসলে রাসুল। এই ভিউর পিছনেও যথেষ্ঠ যুক্তি আছে এবং আমার কাছে সঠিকও মনে হয়।
তবে যে যেই মতই দিক, সবাই একমত শেষনবীর পরে আর কোন নবী আসবেনা, ল-বিয়ারিং, উম্মতি, ননল-বিয়ারিং কোন ধরনের নবিই আসবেনা, সেজন্য মির্জা গোলাম নবী না। তবে এই ইস্যুতে পরে আসব, আপনি আগে আমার কমেন্টের জবাব দেন আর এখানে যে প্রশ্ংুলো করেছি সেসবের জবাব দেন।
০১ লা অক্টোবর, ২০১২ বিকাল ৩:৩১
দার্শনিক বলেছেন: আপনি যে ব্যক্তিগত তথ্য চাইলেন, সেটা অপ্রাসঙ্গিক বিধায় এ বিষয়ে আলোচনা না করাই যুক্তিসংগত। এখানে আপনি নিজের ইচ্ছায় কমেন্ট করেছেন, তাই এটা আপনার ইচ্ছা আপনি কতক্ষণ সেটা চালিয়ে যাবেন। আমি চাচ্ছি আপনাকে বিষয়গুলো ক্লিয়ার করতে, আপনার ভাল না লাগলে, বা যুক্তি দেখাতে (বা আপনার ধারণা অনুযায়ী বোঝাতে) না পারলে, সেটা আপনার ব্যক্তিগত ব্যাপার। আর এটা ব্যক্তিগত আক্রমণ করার কোন পোস্ট নয়, তাই আপনার ব্যক্তিগত তথ্যও আমি চাইব না। আর কোরআনের দর্শন না বুঝে, অন্যান্য দার্শনিকের দর্শন চর্চা কখনই ফলপ্রসূ হবে না।
১। "আল্লাম ইকবাল আপনার নবীর সাথে ভাল সম্পর্ক থাকলেও পরে আপনাদেরকে নিয়ে এত বিরক্ত ছিলেন কেন?" এই প্রশ্ন আল্লামা ইকবাল কে করেন। আমরা তার প্রতি বিরক্ত না, তাই আমাদের জিজ্ঞেস করে লাভ নাই।
২। নীতিগত বিষয়টি বই এর কোন পৃষ্ঠায় আছে, সেটা আপনার পড়ে বেড় করতে হবে। যদি আপনি পড়েও না পান, তবে অবশ্যই আমি সেটা আপনাকে দিব। কিন্তু যতক্ষণ আপনি না পড়ে অযথা তর্কের জন্য পৃষ্ঠা নম্বর চাইবেন, আমি পৃষ্ঠা নম্বর দেওয়া যুক্তিযুক্ত মনে করি না কারণ অযথা তর্ক করাকে আমরা কখনই সাপোর্ট করি না। এটা সবাই দেখছে, যে আপনি বই না পরেই এতক্ষণ ধরে তর্ক করে আসছেন এই বিষয়ে। এবং পরবর্তীতে প্রকাশ্যে স্বীকারও করেছেন এ বিষয়ে। আমি ঐ ব্যক্তব্যের ব্যাখ্যা যথাযথভাবেই দিয়েছি, বই থেকে, এখন যাচাই করা এটা আপনার দায়িত্ব। এটা আশা করা বোকামী হবে, আপনার রিসার্চও আমি করে দিব।
৩। এই ক্ষেত্রেও একই কথা বলব, আগে বোঝেন নীতিগত বিষয়টা কি, তারপর প্রশ্ন করেন। আপনার জানার ইচ্ছা নাই, কিন্তু তর্ক করার ইচ্ছা প্রবল। দুটো কন্ট্রাডিক্টরি। হয়, জেনে তর্ক করুন(যদিও তর্ক কখনও শেষ হয় না, বিচারকের হস্তক্ষেপ ছাড়া) অথবা, না জেনে তর্ক করা বাদ দিন।
৪। প্রত্যেক মুসলামনের জন্য মির্যা গোলাম আহমদ(আ) কে নবী মানার নির্দেশ স্বয়ং রাসূল(স) দিয়েছেন, তিনি বলেছেন, "যখন তোমরা তার(ইমাম মাহদীর) সংবাদ পাবে, তখন তার হাতে বয়াত করিও, যদি বরফের পাহাড়ে হামাগুরি দিয়েও যেতে হয়। নিশ্চই তিনি আল্লাহর খলীফা আল-মাহদী" (সুনানে ইবনে মাজা - বাব খুরুজুল মাহদী)
আর আপনি মুসলমান নাকি কাফের এই বিষয়ে রায় দেওয়ার আমি কেউ না, এবং রাসূল(স) এর হাদীসের পরিপন্থী। তবে নীতিগত ভাবে আমি বলতে পারি, "ইমানের ৬ টি বিষয়ের যে কোন একটিকে যে অস্বীকার করে, সে কাফির"।
৫। কোরআনের সূরা আরাফের ৩৬ ও ৭০ (উভয়ক্ষেত্রেই বিসমিল্লাহ কে প্রথম আয়াত বিবেচনা করে. অন্যথায় ৩৫ ও ৬৯ যথাক্রমে) আয়াতেই স্পষ্ট উল্লেখ আছে রাসূল(স) আর পরেও নন-ল(শরীয়াতবিহীন) নবীর আগমন হবে, যারা তার (স) এরই আনুগত্যকারী হবে, এবং তারই আয়াত পড়ে শোনাবে।
৬। ৪নং এ ইবনে মাজা শরীফের হাদীসের শেষেই বলা আছে, প্রকৃত ইমাম মাহদী (আ) আল্লাহর খলীফা হবেন। কোরআনে যেক্ষেত্রেই আল্লাহ পৃথিবীতে খলীফা মনোনীত করেছেন বলা আছে সেক্ষেত্রে তা নবীদেরকেই রেফার করেছে। তাই আল্লাহর খলীফা = নবী। যদিও কোরআনের আয়াতই প্রমাণ করছে সব, হাদীসের রেফারেন্স এখানে না দিলেও চলে, তবু আপনার মনোবাসনা পূর্ণ করার জন্য একটা উদ্বৃত করলাম।
৭। ৭৩ ফিরকার হাদীস থেকে ঐ উপসংহার এ কিভাবে গেলাম, সেটা একটু চিন্তা করলেই বুঝতে পারবেন, ঐ হাদীসের প্রেক্ষাপটই সেটা বলে দিচ্ছে। যেহেতু এখানে বলা হয়েছে ৭২ টা পথভ্রষ্ট থাকবে, এবং ১ টি সিরাতুল মুস্তাকিম এ থাকবে। এটা তো পরিস্কার ম্যাজরিটি(৭২) এক দিকে, মাইনরিটি(১) অন্য দিকে। ৭২ টা পথভ্রস্ট, অর্থাৎ ম্যাজরিটির মধ্যে অনেক ধরনের মিথ্যা, বিদাত, ভুল বিশ্বাস ইত্যাদির উন্মেষ ঘটবে। সেখানে, অবশিষ্ট দলটি এগুলোর বাইরে থাকবে। আর যখনই ঐ একটি দল প্রচলিত ভুল বিশ্বাস, মিথ্যা, বিদাত ইত্যাদির বিপক্ষে কথা বলবে, ৭২ ফিরকার বয়েই যাবে ১ ফিরকার কথা বিশ্বাস করতে। আপনারই সুরে বলবে, "হাজার হাজার আলেম-ওলামা সেই সময়েও এবং এই সময়েও, তারা সবাই কোরানের মানদন্ড বুঝেনাই? আপনি এবং আপনার নবীর ছেলে বুঝে বসে আছেন?" অর্থাৎ এটা বোঝা অযৌক্তিক নয়, ৭২ ফিরকা নিজেদের সংশোধনের চিন্তা বাদ দিয়ে ঐ ১ ফিরকাকেই ভুল(কাফের) সাব্যস্ত করবে। কারণ তাদের কমন সেনস এটাই বলবে, ভুল হলে ১ টাই ভুল, ম্যাজরিটি কিভাবে ভুল হয়? কিন্তু রাসূল (স) কিন্তু সেটা বলেন নাই।
৮। ঐ হাদীস এটা প্রমাণ করার জন্যই যথেষ্ট যে শরীয়তবিহীন নবীর আগমন সম্ভব যেভাবে সম্ভব মসজিদে নববীর পর মসজিদ নির্মাণ হওয়া। এখানে মসজিদ নির্মানের গতিতে নবীর আগমন ঘটবে এরকম কোন ইঙ্গিত নেই।
৯। রাশাদ খলিফা কি উম্মাতি নবীর দাবী করেছে? উইকিপিডিয়ায় দেখলাম, "He is most notable for his statement that the Quran contains a mathematical structure based on the number 19 and making the highly controversial claim that the last two the verses of chapter nine in the Quran were not canonical, telling his followers to reject them." যে ব্যক্তি মানবজাতির জন্য সর্বশেষ শরীয়াতের ২ লাইন কে প্রকাশ্যে অস্বীকার করে এবং তার অনুসারীদেরও সেটা করতে নির্দেশ দেয়, সে কিভাবে সত্য নবী হতে পারে? কোরআনের ভবিষ্যদ্বানী অনুযায়ী, নতুন শরীয়ত আনয়নকারী তথা শরীয়তের মধ্যে যোগ-বিয়োগকারী কোন নবীর আগমনের পথ রুদ্ধ। শরীয়তবিহীন নব্যুয়তের দাবী করলে দাবীকারককে সময়-কাল সাপেক্ষে যাচাই করা নৈতিক দায়িত্ব। আর সত্য নবীকে যাচাই করার মানদন্ড কোরআনে উল্লেখ আছে। সে অনুযায়ী যাচাই করতে হয়।
১০। এর আগের কমেন্টেই লিখেছি, কোরআনের বিষয়গুলো ক্লিয়ার করার পর, হাদীসগুলো নিয়ে আলোচনা করার ইচ্ছা। আপনি তো কোরআনেরটাতেই ক্লিয়ার না, হাদীস অনেক পরের বিষয়।
১১। এটা তো মানবেন, আবু বকর সিদ্দীক(রা) সিদ্দীক ছিলেন। অর্থাৎ সিদ্দীকের ফেভার তিনি পৃথিবীতেই পেয়েছেন। আর যেখানে সর্বশ্রেষ্ঠ নবী জীবিত সেখানে একাধিক নবীর প্রয়োজন ছিল না। তাই নব্যুয়তের পরের সর্বশ্রেষ্ঠ মর্যাদা সিদ্দীকিয়ত পেয়েছেন। আপনাকে শুধু একটু বোঝাতে চাইছি, কোরআনের ঐ আয়াতের সাপেক্ষে যেমন, পৃথিবীতেই মানুষ সিদ্দীক হতে পারে, শহীদ হতে পারে, নবীর পদমর্যাদা লাভ করাও তেমনি সম্ভব। এখানে এই কথা নাই যে, নবী হতে পারবে না।
১২। মানুষের উপর এমন এক সময় আসিবে, যখন ইসলামের মাত্র নাম এবং কুরআনের মাত্র অক্ষরগুলি অবশিষ্ট থাকিবে। তাহাদের মসজিদগুলি বাহ্যিক আড়ম্বরপূর্ণ হইবে, কিন্তু হেদায়াতশূন্য থাকিবে। তাহাদের আলেমগণ আকাশের নিম্নস্থ সকল সৃষ্টজীবের মধ্যে নিকৃষ্টতম জীব হইবে। তাহাদের মধ্য হইতে ফেৎনা-ফাসাদ উঠিবে এবং তাহাদের মধ্যেই উহা ফিরিয়া যাইবে।" (বায়হাকী, মিশকাত)
১৩। রাসূল(স) এর পর এখন পর্যন্ত সত্য (শরীয়াতবিহীন) উম্মাতি নবী ১ জনই এসেছেন। আপনি হয়তো বলবেন, নাম না জানা বিভিন্ন নবী দাবীকারকের কথা। কিন্তু একমাত্র মির্যা গোলাম আহমদ(আ) ছাড়া কেউ উম্মাতি নবীর দাবী করেনি।
১৪। আপনার উদ্বৃত হাদীস সহীহ। কিন্তু এই হাদীসই শেষ না, সব হাদীস মিলিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে, আমি উপরের একটি হাদীসে দেখিয়েছি, রাসূল(স) নিজেই বলেছেন, সত্য মাহদী খলীফাতুল্লাহ হবেন। আবার মুসলিম শরীফের হাদীসে আছে, আগমনকারী ঈসা ইবনে মরিয়াম(আ) নবীউল্লাহ হবেন। খাতামান্নাবীয়িন অর্থই শরিয়াতবাহী সর্বশেষ নবী, নবীদের সত্যায়নকারী নবী, সর্বশ্রেষ্ঠ নবী। তাই খাতামান্নাবীয়িন দ্বারা কোনভাবেই এটা বোঝায় না যে তার পরে শরীয়াতবিহীন নবীর আগমন বন্ধ। আর "লা নবীয়া বা'দী'র প্রকৃত অর্থ হচ্ছে, "আমার সত্ত্বার বাইরে কোন নবী নেই"
১৫। ঐ আয়াতে বলা আছে, এমন নবীর আগমন ভবিষ্যতে হবে, কোরআনই হবে যাদের শরীয়াত।
শেষে যা লিখলেন, যত ব্যাখ্যাই দেন, আশা করি যেকোন বুদ্ধিজ্ঞান সম্পন্ন পাঠক আপনার কমেন্টগুলো পড়লেই ধরতে পারবে আপনার কথায় গ্যাপটা কোথায়। আর নবী-রাসূলের ব্যাপারে দুটি ভিউ উল্লেখ করলেন, যেটা দিয়ে বোঝা যাচ্ছে না, আপনার ভিউ কোনটা এবং আসলেই আমার উল্লিখিত ৫ জনের মধ্যে কারা নবী, কারা রাসূল, অথবা কারা নবী ও রাসূল। এই বার নিয়ে ৩ বার প্রশ্নটি করলাম। আশা করি, এরপর স্পেসিফিক উত্তর দিবেন। সাথে এটাও বলবেন, আপনি কি বিশ্বাস করেন, নবী ও রাসূল এক-অভিন্ন নাকি পার্থক্য আছে। আশা করি এক্ষেত্রে এই ধরণের উত্তর দিবেন না >> দুটি ভিউতেই বিশ্বাস করি, অর্থাৎ নবী-রাসূল এর মধ্যে পার্থক্য আছে, এবং নবী-রাসূল এক-অভিন্ন (অর্থাৎ বিশ্বাস করি আবার করি না)
৫৮|
০২ রা অক্টোবর, ২০১২ সকাল ১০:০০
সত্যজিগীষা বলেছেন:
‘ঈসা (আ)এর মৃত্যু’ সম্পর্কে কাদিয়ানী ব্লগার দার্শনিকের ভুল ব্যখ্যার জবাব
৫৯|
২০ শে নভেম্বর, ২০১২ সকাল ১০:০৫
নরাধম বলেছেন:
ওপস, আপনি দেখি জবাব লিখছেন, আগে মিস করছিলাম। পরীক্ষা নিয়া বিজি আছি, তাই বিস্তারিত কথায় যাচ্ছিনা, পরে সময় হলে যাব, যদিও আপনি দেখি একই জায়গায় গোথ্থা খাছ্ছেন, ব্রেইন-ওয়াশড হলে যেরকম হয়।
তো তাহলে মির্জা গোলামই একমাত্র নবী আসছে মহানবীর পরে? এর মধ্যে আর কোন নবী না আসার কারন কি? ১৪০০ বছরের মধ্যে কি আর কোন উম্মতি(!) নবীর দরকার ছিল না? আর এর পরে কি কোন উম্মতি নবী আসবে? মুহাম্মাদ (সাঃ) ইমাম মেহেদী উম্মতি নবী হবে সেরকম কিছু বলেছিলেন? এই পর্যন্ত কত শত জনে নিজেকে ইমাম মাহদী দাবি করেছেন, তারা কেউ ইমাম মাহদী না কেন? মির্জা গোলাম কেন ইমাম মাহদী?
Click This Link
৬০|
২০ শে নভেম্বর, ২০১২ সকাল ১০:০৯
নরাধম বলেছেন:
আর নবী এবং রাসুলের শব্দগত পার্থক্য আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ না, তবুও বলেছি কমেন্টে, "এরকম আরেকটা ভিউমতে কোরানে উল্লেখিত সবনবী আসলে রাসুল। এই ভিউর পিছনেও যথেষ্ঠ যুক্তি আছে এবং আমার কাছে সঠিকও মনে হয়।"
২১ শে নভেম্বর, ২০১২ রাত ১১:১৮
দার্শনিক বলেছেন: বাহ! কি সুন্দর দ্বিমুখী নীতি। আপনার ৫৬ নং কমেন্ট থেকে উদ্বৃত করলাম:
"...এখানে কিন্তু খাতমুন্নাবিয়্যিন বলা হয়েছে, রাসুলের কথা না, মানে রাসুল তো বাদ, কোন নবীই আসবেনা।"
আপনার কাছে শব্দগত পার্থক্য গুরুত্বপূর্ণ না? তাহলে এই ব্যাখ্যার কারণ কি? এখানে আপনি স্পষ্ট নবী ও রাসূলের পার্থক্য করেছেন শুধুমাত্র আহমদীয়া মুসলিম কমিউনিটির বিরোধীতা করার জন্য। আমি যখনই নবী ও রাসূল এর ব্যাখ্যার জন্য জিজ্ঞেস করলাম, তখন দুটি স্ববিরোধী উক্তি পক্ষে আপনা সহমত ব্যক্ত করে বললেন,
"আর নবী এবং রাসুলের সংজ্ঞা বিভিন্নজনে বিভিন্নভাবে দিয়েছেন, আমি যেটা উল্লেখ করেছি সেটা হচ্ছে খুব কমন সংজ্ঞা। ইবনে তায়্যিমার মত "the Messenger is one who is sent to a disbelieving people, and the Prophet is one who is sent to a believing people with the sharee’ah of the Messenger who came before him, to teach them and judge between them".........
এরকম আরেকটা ভিউমতে কোরানে উল্লেখিত সবনবী আসলে রাসুল। এই ভিউর পিছনেও যথেষ্ঠ যুক্তি আছে এবং আমার কাছে সঠিকও মনে হয়। "
কিন্তু এটা বললেন না, দুটি স্ববিরোধী ডেফিনেশনের কোনটা আপনি বিশ্বাস করেন। যতক্ষণ পর্যন্ত আপনি এটার উত্তর না দিবেন যে, নবী ও রাসূলের মধ্যে পার্থক্য কি, এবং আমার উল্লেখিত ব্যক্তির মধ্যে কারা নবী, কারা রাসূল, কারা নবী ও রাসূল। ততক্ষণ পর্যন্ত আপনার বাকি প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার কোন যৌক্তিকতা নেই। তবে যখনই আপনি এটার উত্তর দিবেন আমি কথা দিচ্ছি আপনার বাকি প্রশ্নগুলোর উত্তর দিব। আমি বস্তুনিষ্ঠ কথপোকথনে বিশ্বাসী, তাই এক্ষেত্রে আমাকে একটু কঠোরতা অবলম্বন করতে হল। আপনার একাধিক দ্বৈত নীতি আমাকে এই কঠোরতা অবলম্বনে বাধ্য করেছে।
৬১|
২০ শে নভেম্বর, ২০১২ সকাল ১০:১৭
নরাধম বলেছেন:
সুনান আবু দাউদের হাদিস পাইলাম ইমাম মাহদী নিয়া, যদিও আমি নিজে ইমাম মাহদী নিয়া অত আগ্রহী না, কারন কোরানে বা বুখারী-মুসলিমে আমার জানামতে ইমাম মাহদীর কোন কথা নাই, এসব বেশিরভাগই শিয়াদের মধ্যে বেশি বিশ্বাস, তবে আমি এসব ডিনাইও করিনা।
After the death of a Ruler there will be some dispute between the people. At that time a citizen of Madina will flee (from Madina) and go to Makkah. While in Makkah, certain people will approach him between Hajrul Aswad and Maqaame Ibraheem, and forcefully pledge their allegiance to him.
Thereafter a huge army will proceed from Syria to attack him but when they will be at Baida, which is between Makkah and Madina, they will be swallowed into the ground.
On seeing this, the Abdaals of Shaam as well as large numbers of people from Iraq will come to him and pledge their allegiance to him. Then a person from the Quraish, whose uncle will be from the Bani Kalb tribe will send an army to attack him, only to be overpowered, by the will of Allah. This (defeated) army will be that of the Bani Kalb. Unfortunate indeed is he who does not receive a share from the booty of the Kalb. This person (Imam Mahdi) will distribute the spoils of war after the battle. He will lead the people according to the Sunnat and during his reign Islam will spread throughout the world. He will remain till seven years (since his emergence). He will pass away and the Muslims will perform his Janazah salaat.
(Abu Dawood)
এই হাদিস মতে ইমাম মাহদী হবেন মদীনার লোক, আপনার মির্জা গোলাম কি মদীনার?
বলা হয়েছে সিরিয়া থেকে বড় এক আর্মী ইমাম মাহদীকে আক্রমণ করতে যাবে, মির্জা গোলামের ক্ষেত্রে কি সেরকম কিছু হয়েছে?
বলা হয়েছে ইরাক থেকে বিরাট সংখ্যক লোকজন ইমাম মাহদীর বাইয়াত হবেন, মির্জা গোলামের ক্ষেত্রে কি সেরকম কিছু হয়েছে?
বলা হচ্ছে ইমাম মেহেদী যুদ্ধে জিতবেন এবং গনীমতের মাল বন্টন করবেন, মির্জা গোলাম কি সেরকম কোন যুদ্ধ করেছে?
বলা হয়েছে তাঁর আবির্ভাবের পর থেকে ইমাম মেহেদী ৭ বছর থাকবেন, মির্জা ইমাম মেহদী দাবি করার পর তো অনেক বেশী বছর বেঁচে ছিল।
ইমাম মাহদীকে নিয়ে যত হাদিস আছে সেসব থেকে শুধু একটা নিয়েই আপনাকে প্রমাণ করে দিলাম মির্জা গোলাম কোনমতেই ইমাম মাহদী হতে পারে না।
৬২|
২০ শে নভেম্বর, ২০১২ সকাল ১০:৩৩
নরাধম বলেছেন:
"..............বুখারী-মুসলিমে আমার জানামতে ইমাম মাহদীর কোন কথা নাই,...." বলতে চেয়েছিলাম বুখারি-মুসলিমে ইমাম মাহদীর কথা স্পষ্টভাবে নাই। তবে ইসা (আঃ)-এর অবতরনের কথা অনেকবার বলা আছে।
নিচের লিংকে ইমাম মাহদী নিয়ে গ্রহনযোগ্য বেশিরভাগ হাদিস পেশ করা আছে। যদিও আমি আগেও বলেছি, এ বিষয়ে আমি তত আগ্রহী না, সেটার কারনও বলেছি। কিন্তু তর্কের খাতিরে ধরে নিলাম ইমাম মাহদী আসবেন, সেটা ধরে নিলে ইমাম মাহদী সম্পর্কে উপরের হাদিসসমূহ থেকে নিচের তথ্যগুলো পাওয়া যায়:
1. Be from among the family of Prophet(SAW), among the descendants of Fatima(RA);
2. Have a broad forehead and pointed noise;
3. Appear in one night;
4. Appear just before the day of judgment;
5. Have same name as hazrat Muhammad(SAW);
6. Escape from Madina to Makkah where people will pledge allegiance to him;
7. Receive pledge and help of Iraqi people;
8. Fight in battles;
9. Rule over the Arabs for seven years according to Sunnah;
10. Spread justice and equity on earth;
11. Eradicate tyranny and oppression;
12. Lead a prayer in Mekkah which Jesus(pbuh) will follow in;
13. NOT be the same individual as the Promised Messiah (Jesus).
১। তিনি ফাতিমা (রাঃ)-র বংশধর হবেন।
২। তাঁর বড় কপাল থাকবে এবং পয়েন্টেড নাক থাকবে। (এইটা সাবজেক্টিভ কথা।)
৩। একরাতে আগমন হবে।
৪। কিয়ামতের আগে আগে আসবেন।
৫। মুহাম্মদ (সাঃ)-এর একই নাম হবে।
৬। মদিনায় তাঁর আদি বসতি হবে, সেখান থেকে তিনি হিজরত করে মক্কায় আসবেন কিন্তু সেখানে লোকে তাঁর বাইয়াত গ্রহণ করবেন।
৭। বিরাট সংখ্যক লোক সিরিয়া থেকে তাঁর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবেন, এটা ছাড়াও তিনি যুদ্ধে নেতৃত্ব দিবেন এবং গনীমতের মাল বন্টন করবেন।
৮। প্রচুর ইরাকের লোক তাঁর বাইয়াত গ্রহণ করবেন এবং তাঁকে সাহায্য করবেন।
৯। ৭ বছর রাজত্ব করবেন।
১০। বিশ্বে সুবিচার ছড়াবেন এবং অত্যাচার-অনাচার রহিত করবেন।
১১। ইসা (আঃ) আর তিনি একইব্যক্তি হবেন না। তাঁর ইমামতিতে ইসা (আঃ) মক্কায় নামাজ আদায় করবেন।
এসবের সব শর্তই কি মির্জা গোলাম পালন করেছে? একটা-দুইটা পালন করলে কিন্তু হবে না, সবগুলোই করতে হবে। যদি না করে থাকে (এবং যে কোন বেকুবও বুঝবে পালন করে নাই), তাহলে মির্জা নিজেকে মাহদী দাবি করলে সে মিথ্যাবাদী, নবী তো দূরে থাক, সে কোন সাধারণ মুসলমানের পর্যায়েই পড়বেনা।
৬৩|
২০ শে নভেম্বর, ২০১২ সকাল ১০:৩৪
নরাধম বলেছেন:
লিংকটা:
http://www.irshad.org/islam/prophecy/mahdi.htm
৬৪|
২২ শে নভেম্বর, ২০১২ রাত ৩:৩৬
নরাধম বলেছেন:
আপনার যুক্তি/বিশ্বাস যদি শুধুমাত্র ডেফিনিশানের উপর নির্ভর করে, সাবস্ট্যান্সের উপর না, তাহলে যে কেউ বলবে আপনার যুক্তি খুবই দুর্বল এবং হাস্যকর। কাকে প্রফেট/মেসেন্জার বলবেন সেটা নিয়ে মুসলিম স্কলারদের মধ্যে ব্যাপক মতপার্থক্য আছে, আমি আপনাকে সব ভিউপয়েন্টসই বলে দিয়েছি। আমার কাছে ডেফিনিশান একদমই অগুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কিন্তু তবুও আপনার জোরাজোরিতে বলেইছি কোরানে যাদের নাম উল্লেখ করা আছে সেসব প্রেরিত পুরুষকে সবাইকে রাসুল/নবী বলতে আমার আপত্তি নাই। ডিফারেন্সটা হইল রাসুল শব্দটা ফেরেশতাদেরকে রেফার করার ক্ষেত্রেও ব্যবহার করা হয়েছে। কারন ফেরেশতারাও (বিশেষ করে জীবরাইল আঃ) আল্লাহর মেসেজ নিয়ে আসতেন নবীদের কাছে। সেভাবে আপনি যদি নবীর মেসেজ অন্য কোন মানুষকে দেন, আপনি নবী (সাঃ)-এর মেসেন্জার, যেটাকে দাওয়াতের কাজে লোকে বলে মেসেন্জার অফ দ্যা মেসেন্জার। ইন ফ্যাক্ট যে কোন দূতকেই মেসেন্জার বলা যায় যেহেতু তিনি মেসেজ ক্যারি করছেন। এখানে শুধু পার্থক্যটা কার মেসেজ ক্যারি করছেন এবং কার কাছে ক্যারি করছেন। এক রাজার মেসেজ অন্য রাজার কাছে ক্যারি করলে তিনিও মেসেন্জার, তবে সে মেসেন্জার হচ্ছে রাজার মেসেন্জার।
কোরানে নবী শব্দটা শুধু মানুষের জন্য ব্যবহার হয়েছে। কিন্তু নবীরা যেহেতু আবার আল্লাহর মেসেজ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে ক্যারি করেছেন, সেজন্য তারাও সবাই মেসেন্জার।
কিন্তু সচরাচর সাধারণ মানুষ, যারা ডেফিনিশান নিয়ে অত মাথা ঘামায়না, তাদের কাছে রাসুল/মেসেন্জার মানে যার উপর ঐশী বাণী এসেছিল আর নবী/প্রফেট মানে যার কাছে সরাসরি নতুন কোন ঐশীবাণী আসেনি। এটা যাস্ট বুঝার সুবিধার্তে সাধারণ মানুষের জন্য একটা ডেফিনিশান, যদি কেউ নবীকে রাসুল বলে, বা রাসুলকে নবী বলে কিন্তু কোরানের অর্থের বিরুদ্ধে না যায়, তাতে কোন সমস্যা নেই। আবার অনেক কোরান-অনলি লোকের সাথে আমার পরিচয় আছে যারা বিশ্বাস করে যাদের কাছে নতুন ঐশীবানী এসেছিল তারা আসলে নবী, যারা আগের ঐশীবাণীই প্রচার করেছেন তারা রাসুল, দেখুন একই কথা কিন্তু এরা সাধারণ মানুষ যাকে নবী বলে তাকে রাসুল বলছে এবং রাসুলকে নবী বলছে। কিন্তু তাতে কোন সমস্যা নেই, কেননা কোরানের বাইরে যাচ্ছেনা। আর এরা মুহাম্মদ (সাঃ) কে শেষ নবী ভাবছে, উম্মতি নবী বা এরকম ফালতু বিষয় যা কোরানে হাদিসে নাই এসব নিয়ে আসছেনা। তাই কোন ডেফিনিশানে যাচ্ছেন সেসব নিয়ে আমার কোন সমস্যা নাই। কোরানে আবার নবীয়্যান রাসুলা বা রাসুলান নবীয়্যা শব্দও এসেছে, সেসবে গেলে আরো অনেক লম্বা আলোচনা করতে হবে।
বুঝাই যাচ্ছে ডেফিনিশান নিয়ে বেশি মাথা ঘামাইলে মুল সারকথাটাই হারিয়ে যাবে। কিন্তু আপনার দেখি সব যুক্তি ডেফিনিশানকেন্দ্রীক। ডেফিনিশান উল্টায়ে দিলেই আপনার যুক্তি এলোমেলো হয়ে যায়, আপনার বিশ্বাস আর টিকে না। জ্যামিতিতে যদি বৃত্তকে রেখা নাম দিতাম, রেখাকে বৃত্ত বলতাম, ডেফিনিশান ডিফরেন্ট হলেও মুলভাব কিন্তু তখনও মানুষ একইভাবে নিত। তখনও বৃত্তের সব বৈশিষ্ট্য রেখাই ধারণ করত। কিন্তু আপনি যেভাবে তোতাপাখির মত আপনার ওস্তাদদের কথা শিখেছেন আর তাদের কথাই বলতে চাচ্ছেন সেরকমভাবে তো সবাই ভাবেনা, অনেকেই নিজস্ব চিন্তাভাবনা করে, অনেকেই ব্ল্যাক-এন্ড-ওয়াইট এই দুই ক্যাটাগরিতে সবকিছুকে ভাগ করেনা।
আপনার উল্লেখকৃত প্রেরিতপুরুষগন কি কোরানে উল্লেখিত? যদি হয় তাহলে তাদেরকে নবী/রাসুল যেকোন কিছু দিয়ে রেফার করেন, সমস্যা কোথায়? ধরে নেন এরা সবাই নবী এবং রাসুল দুটাই। তাতে সমস্যা কি? এটা তো যাস্ট ডেফিনিশান।
আপনার সমস্ত বিশ্বাস এবং যুক্তি এই একটা ডেফিনিশানের উপর যদি নির্ভর করে, যদি আপনার যুক্তি এতই দূর্বল হয় যে আপনি কে কাকে নবী বলল বা রাসুল বলল এটা ছাড়া যুক্তি দিতে পারেন না, আপনার অন্ধবিশ্বাস টেকেনা ডেফিনিশান আপনি যেভাবে দিচ্ছেন সেভাবে ছাড়া তাহলে আপনার বিশ্বাসে ঘাটতি আছে, আপনার যুক্তি খুবই খেলো। স্রষ্টাকে কে আল্লাহ বলল, কে ভগবান বলল, কে ঈশ্বর বলল, তাতে যেমন কিছুই যাই আসেনা আমার কাছে, শুধু সেসব দিয়ে এক এবং অদ্বিতীয় সমস্তকিছু অধীশ্বর এবং সৃস্টিকর্তাকে বুঝানো হলঐ হল। তেমনি নবী/রাসুলের ডেফিনিশানও গুরুত্বপূর্ণ না।
২৮ শে নভেম্বর, ২০১২ রাত ১২:৪০
দার্শনিক বলেছেন: বুঝা যাচ্ছে বিভিন্ন তথাকথিত স্কলারডের স্ববিরোধী ডেফিনেশনের মারপ্যাচে পড়ে আপনি ডেফিনেশন এর মত ফান্ডামেন্টাল বিষয়কে হালকাভাবে ব্যাখ্যা করছেন। আপনি চিন্তা করেন, আপনি একজন নবী কি না এটা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন...কিন্তু আপনি আদৌ নিশ্চিত নন নবী বলতে আসলেই কোরআন কাকে বুঝিয়েছে!
আপনি ৫২ নং কমেন্টে যে ব্যাখ্যা দিয়েছেন তাতে আমার মনে হয় না আপনি নবী/রাসূলের ডেফিনেশনকে এত হালকাভাবে দেখেন:
আপনি লিখেছেন,
"৭:৩৫-এ বলা হয়েছে মোটামোটি কাছাকাছি অর্থ যদি আল্লাহর পক্ষ থেকে "তার বানী" নিয়ে রাসুল আসেন (মেসেন্জার মানে রাসুল, নবী না), তখন তাদেরকে মানলে, আল্লাহকে মানলে তাদের কোন ভয় নাই।
এই আয়াতে আসলে আল্লাহ তাআলা রাসুলদের কথা বলছনে, রাসুল আর আসবেন না সেটা তো আপনারাও মানেন, আপনারা বলেন মির্জা গোলাম নবী, রাসুল না, যেহেতু তিনি নতুন কোন শরীয়ত আনেনি, কোরানই তার শরীয়ত। তাই উপরের আয়াত আপনার নবীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য না, যেহেতু এখানে শুধু রাসুলের কথা বলা হয়েছে।"
এই আয়াতে আপনিই স্বীকার করলেন ভবিষ্যতে রাসূল এর আগমন হতে পারে কোরআনের আয়াত অনুযায়ী। এরপর যুক্তি দিলেন, আপনারাও বিশ্বাস করেন রাসূল আসবে না, আমরাও নাকি বিশ্বাস করি রাসূল আসবে না!(আপনারা বিশ্বাস করতে পারেন, কিন্তু আমরা বিশ্বাস করি এটার রেফারেন্স কি?) তাই মির্যা গোলাম আহমদ(আ) এর ক্ষেত্রে এটা প্রযোয্য নয়!!!!
ভাই এই ব্যাখ্যা দিয়ে আপনি কি প্রমাণ করলেন? ঐ আয়াত যদি বলে থাকে ভবিষ্যতে রাসূল এর আগমন হবে, তবে আপনি বা আমি কে যে আল্লাহর বানী কে উপেক্ষা করে বলে দেই, "রাসূল আর আসবে না"
আচ্ছা এখন যদি ধরে নেই, রসূল আর নবীর মধ্যে কোরআন পার্থক্য করে নেই। তবে কোরআনের ঐ আয়াত যদি বলে থাকে ভবিষ্যতে রসূলের আগমন সম্ভব, তবে আপনি বলেন খাতামান্নাবীয়িন এর অর্থ শেষ নবী কোন যুক্তিতে? এটা কি হতে পারে, আল্লাহতাআলা যিনি কোরআনে বলেছেন, তার নীতির মধ্যে কোন কন্ট্রাডিকশন নেই, তিনিই কোরআনের এক জায়গায় বলবেন, হযরত মুহাম্মদ(স) শেষ নবী, অন্যত্র বলবেন, ভবিষ্যতে রাসূল এর আগমন সম্ভব? সূত্র আপনি মিলাবেন। খাতামান্নাবীয়িন এর অর্থ যতক্ষন পর্যন্ত আপনি না বুঝবেন ততক্ষন পর্যন্ত এই সূত্র আপনি মিলাতে পারবেন না।
আরেকটি বিষয় বোঝা দরকার, খাতামান্নাবীয়িন রাসূল(স) এর শ্রেষ্ঠত্বের প্রতীক। সাধারণত এই উপাধি তাঁর(স) এর সম্মান, মর্যাদা ইত্যাদি প্রকাশে ব্যবহৃত হয়। এর অর্থ যদি "শেষ নবী" হয় তবে প্রশ্ন আসা স্বাভাবিক, "শেষ নবী" উপাধী কিভাবে শ্রেষ্ঠত্বের প্রতীক হতে পারে। যিনি শেষ তিনিই শ্রেষ্ঠ এই কথার যুক্তি কি? যদি শেষই শ্রেষ্ঠত্বের প্রতীক হয়ে থাকে, তবে সেই ব্যক্তি যে পৃথিবী থেকে যে ব্যক্তি সর্বশেষ বিদায় নিবে, সেও কি অন্যান্য ব্যক্তিদের চেয়ে শ্রেষ্ঠ নয়? প্রশ্ন রইল আপনার কাছে।
৬৫|
২২ শে নভেম্বর, ২০১২ রাত ৩:৪৪
নরাধম বলেছেন:
ধরে নেন, আপনি যেভাবে নবী/রাসুলকে ভাগ করেন বা করেন না, আমি আপনার ডেফিনিশানের সাথে একমত। (আপনার ডেফিনিশান কি সেটা আমি জানিও না!) কারন আমার কাছে ডেফিনিশানের চেয়ে সারকথাটাই ইম্পরট্যান্ট। এখন আপনি আমার প্রশ্নের জবাব দেন। আগে ইমাম মাহদী বিষয়ের হাদিসটার জবাব দেন। আপনার মির্জা নাকি একাধারে ইমাম মাহদী, ইসা মসীহ এবং নবী। আবার সে নাকি নিজেকে মাতা ম্যারিও দাবি করেছে শুনেছি! হেহে.... তো সেসবে না গিয়ে শুধু ইমাম মাহদীতে আসেন, যদি প্রমাণ করতে পারেন মির্জা নিজেই সহীহ হাদিসমতে ইমাম মাহদী তাহলেই সে ইসা মসীহ, নবী কিনা সেসবে যাওয়া যাবে। সে যদি হাদিসমতে ইমাম মাহদী না হয়, তাহলে সে মিথ্যাবাদী, আর মিথ্যাবাদী কোনদিন নবী বা ইসা মসীহ হওয়ার যোগ্যতা রাখেন।
২৮ শে নভেম্বর, ২০১২ রাত ১:১২
দার্শনিক বলেছেন: হাদীসে মনে হয় খুব বিশেষজ্ঞ আপনি? তাই বার বার কোরআন রেখে হাদীস এর দিকে ঝোক বেশি দেখাচ্ছেন। যাই হোক, বোঝা গেল অনেক রিসার্চ করে মির্যা গোলাম আহমদ(আ) কে ফেক ইমাম মাহদী প্রমাণ করার একটি হাদীস খুজে বেড় করেছেন। আপনাকে আপনার চেষ্টার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
এবার আপনার হাদীসে আসি। আপনার হাদীসে অনেক খুজে শেষে এক জায়গায় ব্রেকেটে দেখলাম ইমাম মাহদীর কথা। এর আগে পড়ে কোথাও ইমাম মাহদী বলে স্পষ্ট উল্লেখ নেই। বোঝা গেল অনেক খুজে এমন একটি হাদীস বেড় করলেন, যা ইমাম মাহদীর হাদীস কিনা তাতেই সন্দেহ আছে। আপনি আগে প্রমাণ করেন ঐটা ইমাম মাহদীর হাদীস। তারপর আমি আমার যুক্তি দিব। প্রমাণ করার জন্য এই যুক্তি দিলে হবে না, উমুক স্কলার বলেছেন, হেন তেন। আপনার নবীর ডেফিনেশনেই স্পষ্ট প্রমাণ করেছেন, আপনার স্কলাররা নিজেরাই ধাধায় পড়ে আছে। এমন অবস্থা যে, সংজ্ঞা নিশ্চিত না ব্যাখ্যা নিশ্চিত সত্য।
আর আপনি মানুষটা আজব, এত ইমাম মাহদী ইমাম মাহদী করছেন, কিন্তু নিজেই বলছেন, ইমাম মাহদীর ব্যাপারে আপনি আগ্রহী না। অর্থাৎ ইমাম মাহদী আসুক/না আসুক, রাসূল(স) এর ইমাম মাহদী সংক্রান্ত হাদীস সত্য হোক, মিথ্যা হোক আপনি কেয়ার করেন না। আমি আমার রাসূল, খাতামান্নাবীয়িন(স) কে সকল মানবের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সম্মান করি। তাই তাঁর(স) এর হাদীসকে আমি সব সময়ই গুরুত্বের সাথে নেই। তার অসংখ্য সহীহ হাদীস প্রমাণ করে, ইমাম মাহদীর আগমনের ভবিষ্যদ্বানী তিনি করেছেন। তাই ইমাম মাহদী সংক্রান্ত হাদীস আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ। আর আমি আপনার মত "তর্কের খাতিরে তর্ক" করার জন্য এই ব্লগ লিখিনি। এই ব্লগ সত্য ইমাম মাহদী(আ) এর সন্ধানীদের জন্য, আপনার যদি ইমাম মাহদীর আগমন সম্পর্কে দ্বিধা থাকে তাহলে আমি বলব, প্রথমে আপনি দ্বিধা দূর করুন, তারপর প্রশ্ন থাকলে লিখুন। আমি যতই প্রমাণ দেই, যেহেতু আপনার ইমাম মাহদীর কনসেপ্টেই সন্দেহ, তাই আমার প্রমাণ সবই বৃথা যােব।
আপনি অনেক সহীহ হাদীস এর আলোকে ইমাম মাহদী সংক্রান্ত ১১টি পয়েন্ট/শর্ত উল্লেখ করলেন, আর একটি হাদীস সরাসরি উদ্বৃত করলেন। বোঝা যায়, সে হাদীসটি উদ্বৃত করেছেন, ঐ ১১টি পয়েন্ট এধরণের হাদীস এর ভিত্তিতেই এসেছে। নিরপেক্ষভাবে হাদীসগুলো গবেষণা করেন। শুধু এটুকু বলব যেসকল হাদীস প্রকৃতই ইমাম মাহদী সংক্রান্ত সেগুলো মির্যা গোলাম আহমদ(আ) এর মাধ্যমে পূর্ণতা পেয়েছে। যেগুলো ইমাম মাহদীর হাদীস নয়, সেগুলো দিয়ে মির্যা গোলাম আহমদ(আ) ইমাম মাহদী কিনা যাচাই করা কতটুকু যুক্তি সংগত? প্রশ্ন রইল আপনার কাছে।
৬৬|
২৮ শে নভেম্বর, ২০১২ রাত ১:২৪
দি সুফি বলেছেন: আপনেগো কাদিয়ানি বলে গু খাইয়া মরছে?
২৯ শে নভেম্বর, ২০১২ রাত ১১:১০
দার্শনিক বলেছেন: শোনা কথায় কান দিতে নাই। নিজে যাচাই করে দেখুন... আমাদের প্রিয় নবী খাতামান্নাবীঈন হযরত মুহাম্মদ (স) কে নিয়েও নাস্তিক ও খ্রস্টান দাজ্জালরা অনেক কটুক্তি করে, অনেক মনগড়া গল্প বানায়। সেগুলোর যেমন কোন ভিত্তি নেই, তেমনি রাসূল(স) এর প্রতিশ্রুত মাহদী সম্পর্কে আখেরী জামানার তথাকথিত আলেম ওলামারা যে কটুক্তি করে, নানা রকম অকথ্য কাহিনী রচনা করে, সেগুলোও ভিত্তিহীন।
আল্লাহ তাআলা সূরা ইয়াসিন এ একারণে বড়ই আক্ষেপ করে বলেছেন, "পরিতাপ বান্দাদের জন্য, তাদের কাছে এমন কোন রসূলই আগমন করেনি যাদের প্রতি তারা বিদ্রুপ করে না।" (ইয়াসিন: ৩১)
অর্থাৎ আল্লাহর প্রত্যাদৃষ্টের প্রতি হাসিতামাশা করা চিরায়ত নিয়ম। তাই এই বিষয় নিয়ে চিন্তা না করে, প্রকৃত বিষয় বোঝার চেষ্টা করুন।
৬৭|
২০ শে জানুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ২:১৩
চ।ন্দু বলেছেন: আপনার লেখায় যথেষ্ট যুক্তি-প্রমান রয়েছে। ধন্যবাদ আপনাকে। পাঠকদের অধিকাংশই দেখলাম যুক্তি-প্রমানে আগ্রহী নয়। এটা খারাপ লক্ষণ। মুসলমান হিসেবে আমাদের প্রত্যেকের প্রতিটি কথাই হওয়া উচিৎ তথ্য প্রমান নির্ভর।
২০ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১০:১০
দার্শনিক বলেছেন: আলহামদুলিল্লাহ... সকল প্রশংসা আল্লাহ। প্রায় ১ বছর এর মধ্যে এই প্রথম কেউ একজন এই ব্লগটির প্রশংসা করল। আপনাকে প্রতিশ্রুত মাহদী হিসেবে মির্যা গোলাম আহমদ কাদিয়ানী (আ) কে যাচাই করার আমন্ত্রণ জানালাম।
আল্লাহর অশেষ রহমতে এই বছর আহমদীয়া মুসলিম জামাত বাংলাদেশে ১০০ বছরে পদার্পন করল। সেই উপলক্ষ্যে বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় আমাদের একটি ক্রোড়পত্র প্রকাশিত হচ্ছে। আপনার জন্য এরকম একটির লিংক নিচে উল্লেখ করলাম।
http://bit.ly/palo170113
এটা ১৭ জানুয়ারী প্রথমআলোর ইলেক্ট্রনিক ভার্সন, যার ৮ম পাতায় ক্রোড়পত্রটি প্রকাশিত হয়েছে।
যদি এক্সেস করতে সমস্যা হয়ে থাকে তবে নিচের লিংক থেকে শুধু ক্রোড়পত্রটি ডাউনলোড করে নিন:
http://bit.ly/amjbsupplement
আশা করবো, ইমাম মাহদী (আ) কে যাচাইকালে বাকিদের অন্ধ অনুকরণ না করে, কোরআন ও রাসূলে করীম (স) এর আদর্শকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিবেন। আল্লাহ আপনার সকলের হাফেয, নাসের ও হাদী হোন। আমীন।
৬৮|
১১ ই এপ্রিল, ২০১৩ দুপুর ১২:১৩
নরাধম বলেছেন:
আপনার কথা মনে পড়ল আজকে আরেকজনের পোস্ট থেকে। আপনি দেখি সে ১৩ টা পয়েন্টে কেমনে গোলাম কাদিয়ানি ইমাম মাহদী হয় সেটা প্রমাণ করেন নি, সেটা সম্ভবও না।
আপনি কোথায় পেয়েছেন মহানবী (সাঃ) শ্রেষ্ঠ নবী? কোরানে কিন্তু উনাকে শ্রেষ্ট নবী বলা হয় নি, বরং বলা হয়েছে আমরা যেন নবীগনের স্ট্যাটাসে পার্থক্য না করি। সে যাই হোক, অনেক আগের পোস্ট কি বলেছিলাম, কি বলছিলাম ভুলেই গেছি।
কিন্তু সেই তের পয়েন্টে কেমনে গোলাম আহমেদ ইমাম মাহদী হয় সেটা তো বললেন না?
1. Be from among the family of Prophet(SAW), among the descendants of Fatima(RA);
2. Have a broad forehead and pointed noise;
3. Appear in one night;
4. Appear just before the day of judgment;
5. Have same name as hazrat Muhammad(SAW);
6. Escape from Madina to Makkah where people will pledge allegiance to him;
7. Receive pledge and help of Iraqi people;
8. Fight in battles;
9. Rule over the Arabs for seven years according to Sunnah;
10. Spread justice and equity on earth;
11. Eradicate tyranny and oppression;
12. Lead a prayer in Mekkah which Jesus(pbuh) will follow in;
13. NOT be the same individual as the Promised Messiah (Jesus).
১।
গোলাম আহমেদ (গোআ) কি রাসুল (সাঃ)-এর বংশধর?
২।
সে কি হঠাৎ এক রাতে উদয় হইছে নাকি ছোটকাল থেকে সবাই তারে চিনত?
৩।
মদিনা থেকে মক্কায় সে পালায়ছিল? সে তো কোনদিন সৌদিতেই যায়নি।
৪।
সে কি ইরাকীদের কাছ থেকে বইয়াৎ নিছে আর তাদের সাহায্য করছে?
৫।
যুদ্ধ করছে? বরং সে বৃটিশদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা হারাম ঘোষণা করছিল যদ্দুর জানি।
৬।
৭ বছর আরবদের উপর শাসন করছে?
উপরে ১২ নং-এর মাধ্যমে বুঝা যায় মাহদী আর ইসা (আঃ) ভিন্ন ব্যক্তি, আপনারা বলেন দুজনেই নাকি গোআ। গোআ কি মক্কায় নামাজ পড়াইছে যার পেছনে ইসা (আঃ) নামাজ পড়ছে? দুজনে একই ব্যক্তি হলে সেটা কেমনে সম্ভব?
৬৯|
১২ ই এপ্রিল, ২০১৩ রাত ১২:০৮
দার্শনিক বলেছেন: অনেক দিন পর স্মরণ করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। আশা করি আল্লাহর রহমতে আপনি ভালই আছেন। আপনার উপর শান্তি বর্ষিত হোক।
হাদীস কখনও এমনভাবে ব্যাখ্যা করা যাবে না যা কোরআনের শিক্ষার বিরুদ্ধে যায়। ইমাম মাহদী(আ) কোরআনের ৩০ টি দ্ব্যর্থহীন আয়াতের সাহায্যে দেখিয়েছেন বনী ইসরাঈলী নবী ঈসা(আ) স্বাভাবিকভাবেই ইনতিকাল করেছেন, যেভাবে অন্যান্য অসংখ্য নবী রসূল ইনতেকাল করেছেন। একারণে আপনি যদি এমন কোন হাদীস নিয়ে আসেন যেখানে ঈসা(আ) ও ইমাম মাহদী(আ) কে দুজন ভিন্ন ব্যক্তি হিসেবে বর্ননা করা হয়েছে, তবে হয় সেই হাদীসটি দুর্বল হাদীস, আর দুর্বল না হলে আপনি যে দৃষ্টিতে হাদীসটিকে নিয়েছেন, সেই হাদীসটি সেই দৃষ্টিতে ব্যাখ্যাযোগ্য নয়।
হ্যা আমি আপনার ১৩ দফা পয়েন্ট সবগুলোর ধরে ধরে ব্যাখ্যা করিনি। তবে আপনি এই ১৩টি দফার সাথে যে একটি বিশাল ইমাম মাহদীর হাদীস উদ্বৃত (কমেন্ট নং ৬১) করেছিলেন, আমি প্রমাণ দেখিয়েছি ঐ হাদীসটা ইমাম মাহদীর হাদীস বলে চালানোর কোন সুযোগ ঐ হাদীসে নেই। এবং যদি ঐ হাদীসটির সাথে আপনার ১৩ দফা মেলান, তবে আমি নিশ্চিত কয়েক দফা (৬ এবং ৭ উল্লেখযোগ্য) মিল পেয়ে যাবেন।
এখন চিন্তা করুন আপনি সত্য ইমাম মাহদীকে প্রমাণ করার জন্য এমন সব তথ্য সন্নিবেশিত করছেন যার সবকটি ইমাম মাহদীর কিনা আপনি নিজেই নিশ্চিত নন (এবং আমি ১ টি দিয়ে প্রমাণ করলাম অন্তত ৬ এবং ৭ নম্বর পয়েন্ট ইমাম মাহদীর সাথে সম্পর্কযুক্ত নয়)
তবে আমি এতটুকু আপনাকে আশ্বস্ত করতে পারি মির্যা গোলাম আহমদ কাদিয়ানী (আ) সত্য মাহদী ও মসীহ। আপনার শুধু প্রয়োজন নিরপেক্ষভাবে চিন্তা করা। যদি আপনি ধরেই রাখেন তিনি মিথ্যা, তাহলে আমার শত যুক্তিও আপনাকে সত্য বোঝাতে পারবে না। তবে আপনার যেহেতু হাদীসের প্রতি বিশেষ আসক্তি আছে। তাই আমি একটি হাদীস আপনার জন্য উদ্বৃত করছি।
সুনানে ইবনে মাজা, বাব্ শিদ্দাতুয যামান
এই হাদীস প্রমাণ করে রাসূল(স) বলেছেন ইমাম মাহদী ও ঈসা (আ) একই ব্যক্তি।
আমি শুরু থেকেই কোরআনের আয়াতের উপর বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি। কোরআন অনুযায়ী ঈসা(আ) জীবিত/মৃত এটা যদি নিশ্চিত হতে পারেন তবেই রসূল(স) এর হাদীসগুলোর মর্মার্থ আপনি উপলব্ধি করতে পারবেন। আর হাদীস পর্যালোচনা করার সময় এটা চেষ্টা করা উচিৎ বিষয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট সকল হাদীস একত্র করে চিন্তা করা।
শেষ করব খাতামান্নাবিঈনের ব্যাখ্যা দিয়ে। এনসাইক্লোপিডিয়া অব ইসলামের সম্পাদক প্রণিত "Dictionary of Holy Quran" থেকে একটি পৃষ্ঠা সরাসরি উদ্বৃত করলাম:
দেখুন ডিকশনারি তে খাতাম শব্দের অর্থ হিসেবে "সর্বশ্রেষ্ঠ" "সবচেয়ে পূর্নাঙ্গ" আছে কিনা?
আমরা আহমদীরা রাসূলে করীম (স) কে খাতামান্নাবীঈন বলে মনে প্রাণে বিশ্বাস করি। এবং এক্ষেত্রে খাতাম শব্দের যতগুলো অর্থ সম্বব সব অর্থেই তাকে খাতামান্নাবীঈন হিসেবে স্বীকার করি। কিন্তু যেখানে রাসূল (স) আগমনকারী ইসা(আ) কে স্বয়ং আল্লাহর নবী(নবীউল্লাহ) বলে আখ্যায়িত করেছেন, তেমনি ইমাম মহদীকে খলীফাতুল্লাহ বলেছেন, সেক্ষেত্রে যদি খাতামান্নাবীঈনের অর্থ শুধুমাত্র শেষ নবী করা হয় তবে প্রশ্ন থেকে যায়....
একারণে আমরা রাসূল(স) কে শরীয়তের সমাপ্তির দিক থেকে শেষ নবী তথা সর্বশেষ শরীয়তবাহী নবী, অথবা সর্বশ্রেষ্ঠ নবী হিসেবে শেষ নবী মানি, অথবা যদি বলেন আধ্যাত্মিকতার সর্বোচ্চ স্থরে উপনীত নবী হিসেবে রাসূল(স) কেই মানি। কিন্তু আপনি যদি বলেন তার পর কোন নবী নেই, তবে এটা কোরআন এবং রাসূল(স) এর হাদীসের পরিপন্থি তো বটেই, তেমনি উম্মুল মুমেনিন হযরত আয়েশা সিদ্দীকা (রা) এর স্পষ্ট আদেশের পরিপন্থি:
"তোমরা তাকে (আঁ হযরত সাল্লেল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লামকে) খাতামান্নাবীঈন বলবে, তাঁর পর কোন নবী নাই একথা বলিও না"
আমরা খাতামান্নাবীঈনের যে অর্থ করি, সেটা কিন্তু এমন জটিল কিছু না যা সাধারণ মানুষ বুঝতে পারবে না। বাংলাদেশে প্রতি বছরই তবলীগি জামাতের আখেরি মোনাযাত হয়। কাউকে কি কখনো প্রশ্ন করতে শুনেছেন "শেষ মোনাজাত" এর পর আবার কিভাবে মোনাজাত হয়? আসলে একধরণের শেষ আরেক ধরণের সূচনার জন্ম দেয়। যেমন ২০১২ সালের শেষ মোনাযাত, ২০১৩ সালের মোনাযাতের সাথে কন্ট্রাডিক্ট করে না। তেমনি শরীয়াত বাহী শেষ নবী নবীনেতা রাসূলে করীম (স) এর পর তাঁর(স) এর আনুগত্যকারী নবী ইমাম মাহদী (আ) এর নব্যুয়তও খাতামান্নাবীয়িনের মোহরে কোন হস্তক্ষেপ করে না।
আশা করি বিষয়গুলো নিয়ে চিন্তা করবেন। মহান আল্লাহ তাআলা আপনার হাফেয, নাসের ও হাদী হোন। আমীন।
৭০|
১২ ই এপ্রিল, ২০১৩ রাত ১২:২৪
দার্শনিক বলেছেন: আয়েশা সিদ্দীকা (রা) এর বানীটি দুররে মনসুর এ লিপিবদ্ধ আছে।
৭১|
১২ ই এপ্রিল, ২০১৩ রাত ১:৪১
নরাধম বলেছেন: আপনি কেন মনে করছেন আমি হাদিসের উপর গুরুব দিচ্ছি? আমি হাদিসের উপর গুরুত্ব দিচ্ছি না, কোরানকেই মূল মানি, হাদিসের উপর আমার দখল নাই, তেমন আগ্রহও পাইনা। কিন্তু আপনি ইমাম মাহদীর কথা বলছেন যা কোরানে নাই, তো সেটা কেমনে কোরান থেকে নিয়ে আসবেন? তাই হাদিসেই যেতে হবে। আপনারা মনে করেন ইসা (আঃ) নাকি কাশ্মীরে চলে এসেছিলেন, হাহাহা! উনি সেখানে এসে কি করেছিলেন? দ্বীন প্রচার করেন নি? নাকি ঘুমিয়ে পড়েছিলেন? এই তথ্যটা কি কোরানে আছে?
সে যাই হোক, আগে ইমাম মাহদীর ব্যাপারে আসি, সেটা ফায়সালা হলে খাতামুন নাবিয়্যিন বা ইসা (আঃ)-এর ব্যাপারে আসা যাবে, সময়ও কম, তাই সব বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে পারছিনা।
যেহেতু ইমাম মাহদীর ব্যাপারে কোরানে নাই (আমার জানামতে), তাই হাদিসেই আসতে হবে। এখন আমি যেই লিংকটা দিছি, যে ১৩টা পয়েন্টের কথা বলেছি, সবগুলোই সহিহ হাদিসগ্রন্থ বলে যেগুলোকে ধরা হয়, আপনারা কাদিয়ানিরাও যেগুলোকে সহি হাদিসগ্রন্থ ধরেন, সেসব থেকেই নেওয়া। সেখানের পয়েন্টগুলো আপনি এডরেস করছেন না।
"What will be your reaction when the son of Mary (Jesus) descends and your Imam is from among yourselves?"
(Sahih Muslim, bab nuzul 'isa, Vol. 2; Sahih Bukhari, kitab bad' al-khalq wa nuzul 'isa, Vol. 4)
এটা বুখারি এবং মুসলিম দু জায়গাতেই আছে। এখানে বলা হচ্ছে কি? বলা হচ্ছে "তোমাদের প্রতিক্রিয়া কি হবে যখন মরিয়ম পুত্র ইসা (আঃ) আসবেন তোমাদের মধ্যে কিন্তু তোমাদের ইমাম হবেন তোমাদেরই একজন লোক (মানে ইসা আঃ) না।" হাদিস বিশারদরা মনে করেন এই ইমাম বলতে ইমাম মাহদীকেই বুঝানো হয়েছে, আপনারাও তাই মনে করেন। তার মানে কিন্তু দাড়ায় ইমাম মাহদী এবং ইসা (আঃ) একই ব্যক্তি না। এটা একদম সোজা ব্যাপার, এখানে অন্য কোন ব্যাখ্যা করার সুযোগ নেই, আর এটা বুখারী এবং মুসলিমের হাদিস, যা আপনারাও সহি মানেন। এর মাধ্যমে নিঃসন্দেহে প্রমাণিত হয় ইমাম মাহদী এবং ইসা (আঃ) ভিন্ন ব্যক্তি, অন্য কোন ব্যাখ্যা এখানে সম্ভব না।
সে লিংকে আরো অনেক হাদিস এসেছে, সবগুলোই আপনারাও যেসব হাদিসগ্রন্থকে সহি মানেন সেসব গ্রন্ত থেকেই, সেসব হাদিসগুলো স্পষ্ট এবং সেখান থেকেই উপরের ১৩ পয়েন্ট এসেছে। সেখান থেকে আপনাকে ৫ টা বলেছি, সেসব শর্ত কি আপনাদরের গোআ পূরণ করে?
১।
গোলাম আহমেদ (গোআ) কি রাসুল (সাঃ)-এর বংশধর? - হ্যাঁ/ না?
২।
সে কি হঠাৎ এক রাতে উদয় হইছে নাকি ছোটকাল থেকে সবাই তারে চিনত? - হ্যাঁ/না?
৩।
মদিনা থেকে মক্কায় সে পালায়ছিল? - হ্যাঁ/না
৪।
সে কি ইরাকীদের কাছ থেকে বইয়াৎ নিছে আর তাদের সাহায্য করছে?
-হ্যাঁ/না
৫।
৭ বছর আরবদের উপর শাসন করছে? - হ্যাঁ/না?
আশা করি নানারকম কথা না বলে ইতিহাসের সত্যের আলোকে এসব প্রশ্নের জবাব দিবেন। খুবি সোজা প্রশ্ন, কোন ঝামেলা নেই, কোন দ্ব্যর্থতা নেই। এগুলোর একটার উত্তরও যদি "না" হয়, তাহলে গোআ ইমাম মাহদী না।তাই নয় কি?
৭২|
১২ ই এপ্রিল, ২০১৩ রাত ১১:১৫
দার্শনিক বলেছেন: কোরআনে এটা ইঙ্গিত আছে যে ইসা(আ) কাশ্মিরের দিকে হিজরত করেছিলেন।
সূরা আল্ মো'মেনূল: ৫০ আয়াতে আল্লাহ্ তা'আলা বলেছেন, "এবং মরিয়মের পুত্রকে ও তাহার মা কে আমরা এক নিদর্শন করিয়াছিলাম এবং আমরা তাহাদের উভয়কে উপত্যকার এক উচ্চ ভূমিতে আশ্রয় দিয়াছিলাম যাহা বসবাসের যোগ্য এবং ঝর্ণা শোভিত ছিল।" (২৩:৫০)
ঝর্ণাশোভিত উপত্যকার উচ্চভূমি আর যাই হোক ঈসা(আ) এর জন্য ইসরাঈল ছিল না। দৃষ্টপটের বর্ণনা প্রমাণ করে এটা এটা ভূস্বর্গ কাশ্মীর ছাড়া অন্য কোন অঞ্চল নয়। কাশ্মীর লিখে আর ইসরাঈল লিখে গুগলে চিত্র অনুসন্ধান করলেই আপনি আয়াতের সাথে সামঞ্জস্য দেখতে পাবেন।
আপনি যেমন সহীহ হাদীস দেখিয়েছেন আমিও দেখিয়েছি। এবং আমার পক্ষ থেকে ইবনে মাজা শরীফের হাদীসটি তো উদ্বৃত করেছিই, তেমনি এটাও আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছি আপনাদর উদ্বৃতি ৬১ নং কমেন্টের হাদীসের মাঝে ইমাম মাহদী(আ) কে রেফার করে এমন কোন চিহ্ন নেই। সমস্যা হচ্ছে যুগের তথাকথিত আলেমরা যেকোন ন্যায়পরায়ন জ্ঞানী বাদশার হাদীস দেখলেই তা ইমাম মাহদীর হাদীস হিসেবে ধরে নেয়। কারণ হাদীসে আছে ইমাম মাহদী হাকামান আদলান হবেন। কিন্তু রাসূল(স) শুধুমাত্র ইমাম মাহদীকে ছাড়াও আরো তার উম্মতের অনেক সাধু ব্যক্তিগণের ভবিষ্যদ্বানী করেছেন। একারণে হাদীসে স্পষ্ট উল্লেখ না থাকলে সব সহীহ হাদীস কে ইমাম মাহদী (আ) এর হাদীস মনে করা কখনই বুদ্ধিমানের কাজ হবে না।
"What will be your reaction when the son of Mary (Jesus) descends and your Imam is from among yourselves?"
(Sahih Muslim, bab nuzul 'isa, Vol. 2; Sahih Bukhari, kitab bad' al-khalq wa nuzul 'isa, Vol. 4)
"তোমাদের প্রতিক্রিয়া কি হবে যখন মরিয়ম পুত্র ইসা (আঃ) আসবেন তোমাদের মধ্যে কিন্তু তোমাদের ইমাম হবেন তোমাদেরই একজন লোক (মানে ইসা আঃ) না।"
ইংরেজি অনুবাদ সঠিক ধরব না বাংলা (যদিও সঠিক ধরা উচিৎ আরবী কে)? তবে ধরে নিলাম ইংরেজিটা কোন বিশ্বস্থ সাইট থেকে নিয়েছেন আর বাংলা অনুবাদ আপনি করেছেন (কোন বিশ্বস্থ আলেমের সহচর্যে থেকে) । আপনি "and=কিন্তু" অনুবাদ করেছেন। এই অর্থ আপনি কোথায় শিখেছেন? সারা জীবন শিখলাম "and=এবং", "but=কিন্তু", আজ আপনার কাছ থেকে শিখছি ভিন্ন জিনিস। আরেকটি শব্দের বঙ্গানুবাদে আপনি"from among yourselves" এ ব্যাখ্যা করেছেন "তোমাদেরই একজন লোক" । এটা কি একটু বেশি অতিরঞ্জিত করা হল না?
হাদীসটির যথার্থ বঙ্গানুবাদ যদি করা হয় তবে হবে, "তোমাদের প্রতিক্রিয়া তখন কি হবে যখন মরিয়মের পুত্র অবির্ভূত হবেন এবং তোমাদের ইমাম হবেন তোমাদেরই মধ্য থেকে।"
এখানে "এবং" দ্বারা যুক্ত হওয়ার কারণে তোমাদের ইমাম যে হবেন তাকেই রাসূল(স) "মরিয়মের পুত্র" হিসেবে উল্লেখ করেছেন। অন্যভাবে বললে, মরিয়মের পুত্রকেই "তোমাদের ইমাম" হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
তবে আপনার বঙ্গানুবাদ অনুযায়ী যদি "and=কিন্তু" ধরি তবে অনুবাদ হবে:
"তোমাদের প্রতিক্রিয়া তখন কি হবে যখন মরিয়মের পুত্র অবির্ভূত হবেন কিন্তু তোমাদের ইমাম হবেন তোমাদেরই মধ্য থেকে।
এখানে আবার মরিয়মের পুত্র বলতে ইমাম মাহদীকে বুঝাচ্ছে না।
আবার যদি "and=এবং" অনুবাদ করি, আর "from among yourselves" এর অনুবাদ করি "তোমাদেরই একজন লোক" তাহলে হাদীসটি হবে "তোমাদের প্রতিক্রিয়া তখন কি হবে যখন মরিয়ম পুত্র আসবেন তোমাদের মধ্যে এবং তোমাদের ইমাম হবেন তোমাদেরই একজন লোক।" তাহলেও আবার দুজনকে ভিন্ন ব্যক্তি মনে হয়।
অর্থাৎ যেখানে এক জায়গায় একটু পরিবর্তন করেই মানুষকে ভুল বোঝানো সম্ভব, সেখানে আপনি হাদিসের ২ টি জায়গায় ভুল ব্যাখ্যা করেছেন।
হায় আপনার কি দোষ!! যে দেশে কাবা ঘরের গিলাপ পড়ানোর দৃশ্য কে সাঈদি সাহেবের মুক্তির জন্য মানববন্ধন হিসেবে ব্যাখ্যা করে মানুষকে ভুল বোঝানো সম্ভব হয়, সেই দেশে এই দুই একটি শব্দের এদিক ওদিক হওয়া খুবই কাঙ্ক্ষীত।
আপনার উক্ত হাদীসটিও সঠিক ভাবে বঙ্গানুবাদ করলে এটা প্রমাণ করে ইমাম মাহদী ও ইসা(আ) একই ব্যক্তি।
আমি আপনার সাইটের উল্লেখিত সব হাদীসের ব্যাখ্যায় যেতে চাচ্ছি না, কারণ আমার কাছে স্পষ্ট প্রমাণ আছে কোরআন অনুযায়ী ইসা (আ) মারা গেছেন, আর মৃত ব্যক্তি পুনর্জন্ম ইসলাম সমর্থত কোন কনসেপ্ট না। তবে আমার মনে হয়, বুদ্ধিমান ব্যক্তির জন্য একটি নিদর্শনই যথেষ্ট। আমি তে আপনার ওয়েবসাইট থেকে উল্লেখিত ২ টি হাদীসের ব্যাখ্যায় দেখালাম, আপনার আলেমরা সহীহ হাদীসগুলোতে কি কি ধরণের অবৈধ হস্তক্ষেপ করে থাকে। একটিতে দেখালাম, যেকোন বাদশা বা খলিফার হাদীসকে ইমাম মাহদী হিসেবে দেখানো হয়েছে। আর একটিতে দেখালাম শব্দের ভুল ব্যাখ্যার মাধ্যমে আপনাদের ভুল বোঝানো হচ্ছে। তারপরও বলব, যে হাদীসে সরাসরি ইমাম মাহদীর কথা উল্লেখ আছে, সেই হাদীসের ভবিষ্যদ্বানীর পূর্ণতা মির্যা গোলাম আহমদ (আ) এর মাধ্যমে আপনি দেখতে পারবেন ইনশাআল্লাহ।
আমার মনে হয় যেহেতু হাদীস বিষয়ে আপনার দখল নাই আপনি বললেন, (আমিও একই কথা বলব, আমারও তেমন দখল নাই, আর আমি আমার যুক্তির পক্ষেও সহীহ হাদীস এবং সহীহ হাদীসের সহীহ বঙ্গানুবাদ পেশ করেছি)। তাই হাদীস নিয়ে বিতর্ক না বাড়িয়ে, আসেন যেটাতে দুজনের দখলই ভাল সেটা নিয়ে আলোচনা করি। আর কোরআনে সরাসরি ইমাম মাহদী নাম ধরে যেহেতু কোন আয়াত নাই, তাই কি দরকার কোরআনে ইমাম মাহদীর আয়াত খোজার। আমি চাই আমরা একটা কমন গ্রাউন্ডে আলোচনা করি। তো ইসা(আ) এর জীবন-মৃত্যু নিয়ে তো অনেক আয়াত আছে, আসেন সেই আয়াত নিয়েই আলোচনা করি। আপনি যদি প্রমাণ করতে পারেন ইসা(আ) বেঁচে আছে, তবে ইমাম মাহদী আর আগমনকারী ইসা(আ) ভিন্ন ব্যক্তি মেনে নিতে আমার কোন দ্বিধা নাই। তবে যদি ইসা(আ) জীবিত প্রমাণ করতে না পারেন, তবে কিন্তু আপনারও মানতে হবে যে, পূর্বের ইসা(আ) আর পৃথিবীতে ফিরে আসবে না। আর এভাবেই ইমাম মাহদী এবং ইসা (আ) এক ব্যক্তি না ভিন্ন ব্যক্তি সেটা অটোমেটিক বেড় হয়ে যাবে। সহয সূত্র, সহজ সমাধান। মঞ্চে আমি প্রস্তুত আপনার অপেক্ষায়।
৭৩|
১৩ ই এপ্রিল, ২০১৩ রাত ১২:২১
নরাধম বলেছেন:
"কোরআনে এটা ইঙ্গিত আছে যে ইসা(আ) কাশ্মিরের দিকে হিজরত করেছিলেন।
সূরা আল্ মো'মেনূল: ৫০ আয়াতে আল্লাহ্ তা'আলা বলেছেন, "এবং মরিয়মের পুত্রকে ও তাহার মা কে আমরা এক নিদর্শন করিয়াছিলাম এবং আমরা তাহাদের উভয়কে উপত্যকার এক উচ্চ ভূমিতে আশ্রয় দিয়াছিলাম যাহা বসবাসের যোগ্য এবং ঝর্ণা শোভিত ছিল।" (২৩:৫০)
ঝর্ণাশোভিত উপত্যকার উচ্চভূমি আর যাই হোক ঈসা(আ) এর জন্য ইসরাঈল ছিল না। দৃষ্টপটের বর্ণনা প্রমাণ করে এটা এটা ভূস্বর্গ কাশ্মীর ছাড়া অন্য কোন অঞ্চল নয়। কাশ্মীর লিখে আর ইসরাঈল লিখে গুগলে চিত্র অনুসন্ধান করলেই আপনি আয়াতের সাথে সামঞ্জস্য দেখতে পাবেন। "
হাহাহাহাহহাহহাাাাাাাাাাা হাহাহাহাহাহহাহাহাহাহা............ হাহাহাহাহাহহাাহা..... মানুষ কেমনে এরকম বেকুব হয় সেটা বুঝতেছিনা। "কিন্তু" "এবং" ওটা তাড়াতাড়ি লিখতে গিয়ে হয়েছে, আর ইংরেজী তো সাথেই আছে, তাই বাংলা অনুবাদ লিখে আপনাকে ধোঁকা দিতে চাইনি সেটা বুঝাই যাচ্ছে। সিনসিয়ার মিসটেক। সে যাই হোক, আপনি তো দুনিয়ার সব আলেমরেই ধরেন পথভ্রষ্ট বানাইলেন কারন তারা আপনার মত বেকুবি ব্যাখ্যা ইসা (সাঃ) কাশ্মীরে গিয়েছিলেন (হাহাহাহা) সেটা বিশ্বাস করে না। হাহাহহা....সত্যি আজকে এত বেশি হেসেছি আমার অফিসে লোকজন সবাই আমাকে কয় কি হইছে!
হাদিসগুলোতে যেতে চাচ্ছেন না কেন? সবই তো সহি হাদিস? ঝোপঝাড়ে কোপ না দিয়ে, স্পষ্ট হাদিসে যাওয়া ভাল না? তাহলে ফায়াসালা হয়ে যায় ..
১।
গোলাম আহমেদ (গোআ) কি রাসুল (সাঃ)-এর বংশধর? - হ্যাঁ/ না?
২।
সে কি হঠাৎ এক রাতে উদয় হইছে নাকি ছোটকাল থেকে সবাই তারে চিনত? - হ্যাঁ/না?
৩।
মদিনা থেকে মক্কায় সে পালায়ছিল? - হ্যাঁ/না
৪।
সে কি ইরাকীদের কাছ থেকে বইয়াৎ নিছে আর তাদের সাহায্য করছে?
-হ্যাঁ/না
৫।
৭ বছর আরবদের উপর শাসন করছে? - হ্যাঁ/না?
এই কয়েকটা প্রশ্নের উত্তর দেন। তাহলে হয়ে যাবে।
১৪ ই এপ্রিল, ২০১৩ রাত ১২:১০
দার্শনিক বলেছেন: After the death of a Ruler there will be some dispute between the people. At that time a citizen of Madina will flee (from Madina) and go to Makkah. While in Makkah, certain people will approach him between Hajrul Aswad and Maqaame Ibraheem, and forcefully pledge their allegiance to him.
Thereafter a huge army will proceed from Syria to attack him but when they will be at Baida, which is between Makkah and Madina, they will be swallowed into the ground.
On seeing this, the Abdaals of Shaam as well as large numbers of people from Iraq will come to him and pledge their allegiance to him. Then a person from the Quraish, whose uncle will be from the Bani Kalb tribe will send an army to attack him, only to be overpowered, by the will of Allah. This (defeated) army will be that of the Bani Kalb. Unfortunate indeed is he who does not receive a share from the booty of the Kalb. This person (Imam Mahdi) will distribute the spoils of war after the battle. He will lead the people according to the Sunnat and during his reign Islam will spread throughout the world. He will remain till seven years (since his emergence). He will pass away and the Muslims will perform his Janazah salaat.
(Abu Dawood)
এই হাদীসটা তো আপনি উদ্বৃত করেছেন তাই না? আমি প্রশ্ন করেছিলাম, ব্রেকেটে ইমাম মাহদী যে লিখা আছে, এটা কি আরবী টেক্সট এ আছে? যদি না থাকে তাহলে আপনি দেখেন আপনার উপরের ৫ টি প্রশ্নের কয়েকটি এই হাদীসের সাথে সম্পর্কীত। যেটা ইমাম মাহদীর হাদীস কি না সন্দেহ আছে, সেই হাদীস এর ভিত্তিতে আপনি ইমাম মাহদীর প্রমাণ চান কিনা? আপনি আমাকে বোকা বলতেই পারেন, আর আপনি যে খুব চালাক এটা কিন্তু যেকোন দর্শকই বুঝতে পারবে।
উপরের হাদীসটি যে ইমাম মাহদীর হাদীস এটা কিভাবে বুঝলেন সেই প্রশ্ন আমি প্রথম যখন আপনি হাদীসটি উদ্বৃত করেছিলেন তখনই জিজ্ঞেস করেছিলাম। কিন্তু আপনি প্রশ্নটি এড়িয়ে গেছেন।
আপনি বার বার বোকার মত এমন সব হাদীসের আলোকে মির্যা গোলাম আহমদ (আ) কে মিথ্যা প্রতিপন্ন করতে চাইছেন, যেগুলোর সাথে ইমাম মাহদীর কোন প্রত্যক্ষ সম্পর্ক নেই। কিন্তু আমি আপনার মত বোকামী করতে চাই না। একারণে হাদিসের মারপ্যাচে যেতে চাচ্ছিলাম না। আর যার কাছে কোরআনের জ্বলজ্যান্ত ৩০ টি প্রমাণ আছে, তার জন্য হাদীসের জটিলতায় যাওয়ার কোন প্রয়োজন নেই। আর আপনি কেন কোরআন সম্পর্কে এত ভয় পান? ভাই সাহস থাকলে কোরআনের আলোকে ইসা (আ) জীবিত প্রমাণ করেন। যদি পারেন তাহলে আপনার ঐ সাইট না, পৃথিবীর যত সাইট আছে সব সাইটের উল্লেখিত হাদীস সত্য মানতে আমার দ্বিধা নাই। কিন্তু আপনি যেটা করার চেষ্টা করছেন, ইমাম মাহদী ও ঈসা(আ) ভিন্ন ব্যক্তি হিসেবে প্রমাণ করার জন্য অন্ধভাবে চেষ্টা করছেন। একারণে না বুঝে যেকোন হাদীস কে ইমাম মাহদীর বলে চালিয়ে, আমাকে প্রমাণ করতে বলছেন ঐ হাদীসের সাথে মির্যা গোলাম আহমদ(আ) এর সম্পর্ক বেড় করতে। ভাই আমি বোকা মানুষ, আমাকে কেন ট্রেপে ফেলে এটা প্রমাণ করতে চান আপনি খুব চালাক? আমিও প্রমাণ দেওয়ার জন্য এতটা অন্ধ হয়ে যাই নাই, কোন কিছু না বুঝেই প্রমাণ করার চেষ্টা করতে থাকব। Generally speaking, যেসকল হাদীস সন্দেহাতীত ভাবে ইমাম মাহদী সংক্রান্ত এবং নি:সন্দেহে সহীহ, সেই সকল হাদীসের প্রত্যেকটি মির্যা গোলাম আহমদ(আ) এর সত্ত্বায় পরিপূর্ণতা পেয়েছে।
আর ঝোপঝাড়ে কোপ আমি দিতে চাচ্ছি? আমি তো চ্যালেঞ্জই দিয়েছি, কোরআনের আলোকে ইসা(আ) জীবিত আকাশে আছেন প্রমাণ করেন, আপনার সব যুক্তি মেনে নিতে রাজি। হাদীস সহীহ হতে পারে, কিন্তু হাদীস কোন পূর্ণাঙ্গ জীবন বিধান না, এটা রাসূল(স) এর বানীর সংকলন। কোরআনে যেমন একটি বিষয়ের পর্যায়ক্রমিক ধারা আছে, হাদীসে ঐরকম নেই। তাই আপনি যতই চেষ্টা করেন, আপনার উক্ত হাদীসটি ইমাম মাহদীকে নির্দেশ করে কখনই পেছনের ঘটনার আলোকে প্রমাণ করতে পারবেন না। আপনি যেটা বলতে পারবেন তা হল, "সকল আলেম ওলামারা বলেছেন এটা ইমাম মাহদীর হাদীস" এ ধরণের সাধারণ কথাবার্তা।
আর আমি যদি সহীহ হাদীসের আশ্রয় নেই তখন হয় বিষয়টি এড়িয়ে যাবেন, নয়তো বলে দিবেন, "আলেমদের সর্বসম্মত মতে এটি সহীহ গ্রন্থের যয়ীফ হাদীস" । নয়তো ইবনে মাযা শরীফের হাদীস এর ব্যপারে এত নিরব কেন? আরেকটা সম্ভাব্য যুক্তি দেখাতে পারেন, বলতে পারেন, আমি বুখারী, মুসলিম থেকে উদ্বৃত করেছি, যেটা ইবনে মাযা শরীফ থেকে বেশি সহীহ সবাই স্বীকার করে। মানলাম কিন্তু বুখারী, মুসলিম সম্পর্কে "ইহা এমন কিতাব যাতে কোন সন্দেহ নাই" এরকম সিকিউরিটি কি আল্লাহর পক্ষ থেকে দেয়া হয়েছে ?
তাছাড়া কোরআন সম্পর্কে এটাও বলা আছে, "ইহা মুমিনদের জন্য হেদায়েত", কোরআনকে বলা হয় ফুরকান - সত্যমিথ্যার প্রভেদকারী। কিন্তু হাদীসের কিন্তু এসব বিশেষত্ব নেই। আর রাসূল(স) এর হাদীস তিনি(স) বিভিন্ন প্রেক্ষাপটে বলেছেন, সেই প্রেক্ষাপট সম্পর্কে আপনি সম্পূর্ণ অবগত এটা যতক্ষণ না নিশ্চিত হব, ততক্ষণ পর্যন্ত আপনার সাথে এই বিষয়ে আলোচনা কখনই ফলপ্রসু হবে না।
যখন আপনি যুক্তিশূণ্য হয়ে যাবেন, তখন ঐ আলেম ওলেমার কথা বলে নিজেকে বাচাবেন। কিন্তু কোন সলিউশনে পৌছাতে পারবেন না। আমার এই পোস্ট অযথা তর্ক বা কুটতর্কের জন্য নয়, আমি চাই এই পোস্টের মাধ্যমে যাতে মানুষ সত্য অনুধাবন করতে পারে। তাই আমি আপনার সাথে কোরআনের আলোকে যুক্তিযুদ্ধ করতে চাচ্ছি। যদি সাহস থাকে তবে যুদ্ধ অবতীর্ণ হয়ে দেখেন। পরাজয় আপনার জন্য অনিবার্য। আর যদি সব কিছু বুঝেও বলেন, আমি "ঝোপঝাড়ে কোপ দিতে চাচ্ছি" এটা একান্তই আপনার ধৃষ্টতা।
৭৪|
১৩ ই এপ্রিল, ২০১৩ ভোর ৫:৪০
নরাধম বলেছেন: আর হাদিসের অর্থ অনিধাবন করার ক্ষমতা দেখে হাসব নাকি কাঁদব সেটা বুঝতেচিনা। সারা দুনিয়ায় যারা কাদিয়ানি এবং মুসলিমদের মধ্যে সমস্যার কথা যারা জানেনা এবং মুসলিম না, তাদেরকে নিরপেক্ষ হিসেবে বিবেচনা করে হাদিস দুটার অর্থ কি সেটা জিজ্ঞেস করলে এরকম একজনও পাওয়া যাবেনা যারা বলবেন এই হাদিসে দুজন ব্যক্তি একই, মানুষের পক্ষে এত বেকুব হওয়া বা অন্ধ হওয়া আসলেই সম্ভব না, তবে আপনারা ব্যতিক্রম!
"What will be your reaction when the son of Mary (Jesus) descends and your Imam is from among yourselves?"
(Sahih Muslim, bab nuzul 'isa, Vol. 2; Sahih Bukhari, kitab bad' al-khalq wa nuzul 'isa, Vol. 4)
মোটামোটি অর্থ এরকম, "তোমাদের প্রতিক্রিয়া কি হবে যখন মরিয়ম পুত্র ইসা (আঃ) আসবেন তোমাদের মধ্যে এবং তোমাদের ইমাম হবেন তোমাদেরই একজন লোক।"
যদি এ দুই ব্যক্তি একজনই হত, তাহলে লেখা হত মোটামোটি এরকম, "তোমাদের প্রতিক্রিয়া কি হবে যখন মরিয়ম পুত্র ইসা (আঃ) আসবেন তোমাদের মধ্যে এবং তোমাদের ইমাম হবেন।"
অথবা, "তোমাদের প্রতিক্রিয়া কি হবে যখন মরিয়ম পুত্র ইসা (আঃ) আসবেন তোমাদের মধ্যে এবং তোমাদের ইমামতি করবেন।"
এরকম হলে কোন ধরণের সন্দেহ ছাড়াই বুঝা যেত দুজন একই ব্যক্তি।
শেষে "তোমাদেরই একজন" দিয়ে বুঝানো হচ্ছে যিনি আসছেন (বা অবতরন করছেন) তিনি তোমাদের মধ্যের কেউ না, তিনি ভিন্ন। প্রথমে "তোমাদের" আর শেষের "তোমাদের" একই, মানে ইসা (আঃ) এই "তোমাদের" মধ্যের কেউ না।
আমার বিশ্বাস আপনি নিজেও এটা বুঝেছেন, কেননা এই বিষয়টা একটা ক্লশ থ্রির ছেলেও বুঝবে। এরকম একজন নিরপেক্ষ মানুষও দুনিয়ায় মনে হয় পাওয়া সম্ভব না যে মনে করবে এই হাদিসে ঈসা (আঃ) "তোমাদেরই একজনের" অন্তর্ভুক্ত, কারন এটা এত পরিষ্কার। তবে মানুষের বিশ্বাস অন্ধ হলে মানুষ কোনমতেই সত্য মেনে নিতে চায় না, আপনারও সেরকম হচ্ছে।
আপনার কোরানের আয়াতে যেখানে বুঝাতে চাচ্ছেন ইসা (আঃ) কাশ্মীরে এসেছেন সেই আয়াতে কিন্তু তাঁর মাতা মরিয়মও সেই একই জায়গায় আশ্রয় পেয়েছেন বলেছে, তাহলে কি মরিয়মও কাশ্মীরে এসেছিলেন? হাহাহাহহাহাহাহা.....তারা কি একই সাথে কাশ্মীরে এসেছিলেন? কেউ দেখেনি আর? কাশ্মীরে কি মরিয়ম (আঃ)-এর কবর আছে? হাহাহাহা.....।
"ঝর্ণাশোভিত উপত্যকার উচ্চভূমি" দুনিয়ায় অনেক আছে, কাশ্মীর হওয়ার বিশেষ কোন কারনই নেই। বুঝা যাচ্ছে গোআ বিশ্ব তেমন দেখেনি, কাশ্মীর কাছাকাছি ছিল বলে সেটার নাম দিয়া দিছে, নিজেরে ইসা (আঃ) বানানোর জন্য কত বুজরুকি যে করতে হইছে, মাহদী আর ইসা (আঃ)রে একই লোক বানাইতে হইছে, ইসা (আঃ)-কে কাশ্মীরে আনতে হইছে, সেখানে তাঁকে কবর দিতে হইছে। এত বড় ধর্মীয় বুজরুকি কেমনে সম্ভব সেটাই মাথায় আসে না।
আপনাদের বিশ্বাস এত হাস্যকর আমি কল্পনাই করতে পারছিনা।
কিন্তু সে যাই হোক, মেইন কিন্তু সেই উপরের ৫ টা প্রশ্ন, তেরটা থেকে কাটছাট করে ৫টাতে নিয়ে এসেছি, গোআ কি সেগুলোর একটাও স্যাটিসফাই করে?
আমি জানি আপনি ছোটকাল থেকে একটা পরিবেশে বড় হয়েছেন সেজন্য কোনমতেই মানতে পারছেন না সত্যটা, বাট থিংক ম্যান, থিংক।
৭৫|
১৪ ই এপ্রিল, ২০১৩ রাত ১:২২
দার্শনিক বলেছেন: হাদীস সম্পর্কে আপনি খুব বেশি জ্ঞানী? আচ্ছা, আপনি তো সাইট থেকে সব হাদীস উদ্বৃত করলেন, আমি আমার বেশিরভাগ হাদীসই সরাসরি বাংলাদেশের প্রসিদ্ধ প্রকাশনির হাদীস গ্রণ্থ থেকে উদ্বৃত করেছি। islamiboi.wordpress.com এটা তে সব সহীহ হাদীস গ্রণ্থ পাবেন। আপনি যে দুজন ব্যক্তিই অভিন্ন হওয়ার শর্ত হিসেবে যেভাবে হাদীসটিকে সাজিয়েছেন, ঠিক একই কথা মুসলিম শরিফের আপনার উদ্বৃত প্রথম হাদীসটির পরের হাদীসেই এসেছে। আমি সরাসরি দুটি হাদীসের স্ক্রিনশট তুলে ধরছি:
এবার কোথায় পালাবেন ভাই? আমার স্ক্রিনশটও যদি বিশ্বাস না হয়। ইসলামি বই সাইট থেকে মুসলিম শরিফের প্রথম খন্ডটি ডাউনলোড করুন। কিতাবুল ইমান চ্যাপ্টারটি ওখানেই আছে। আমি তাই আগেও একবার বলেছি, হাদীস নিয়ে যখন গবেষণা করবেন, রিলেটেড সকল হাদীস একসাথে নিয়ে আলোচনা করতে হবে। নয়তো কখনই কোন চূড়ান্ত সমাধানে পৌছতে পারবেন না।
মির্যা গোলাম আহমদ(আ) কে আল্লাহ তাআলা স্বয়ং ইলহামের মাধ্যমে জানিয়েছেন যে ইসা(আ) এর কবর কাশ্মিরে অবস্থিত। একারনেই তিনি কাশ্মিরের কথা বলেছেন। আর মরিয়ম(আ) এর কবরও একই দেশেই আছে। Click This Link এই পোস্ট পরলে অনেক কিছু জানতে পারবেন। প্রশ্ন আমারও এতবড় ধর্মীয় বুজরুকি কিভাবে সম্ভব করলেন? কাদিয়ানের মত ভারতের নিভৃত পল্লীতে বসে কিভাবে বললেন ঈসা(আ) এর কবর কাশ্মিরে? কিভাবে কাশ্মিরে ঠিকই হাজার বছরের পুরোন করব পাওয়া গেল? আর কিভাবেই বা এটা দুইয়ে দুইয়ে মিলে গেল? কাশ্মিরের উক্ত এলাকার লোকজনেরই বা কি দরকার ছিল ঐকবরটি একজন ইউয-আসফ নবীর বলে স্বীকার করার? কেন কবরটি ক্রিস্টান নিয়মানুসারে সাজানো? তার পাশের কবরে সেই মুসলিম মনিষীরই বা কেন এত খায়েশ হয়েছিল ইসলামি কায়দায় দাফন হবার? আসলেই এতসব ধর্মীয় বুজরুকি আপনার আমার পক্ষে সম্ভব নয়, তখনই সম্ভব যখন আল্লাহ স্বয়ং সবকিছু সাজিয়ে দেন। আর আপনার কাছে যদি প্রমাণ থাকে অন্য কোন ভূমির স্বর্গে যেখানে ইসা(আ) এবং তার মা, মরিয়ম (আ) কে আশ্রয় দিয়েছিলেন, আপনি যুক্তিপ্রমাণের সাথে দেখাতে পারেন। কিন্তু যতক্ষণ দেখাতে পারবেন না, ততক্ষণ শুধুমাত্র এটা বললেই হবে না, "অনেক আছে...কাশ্মির না"। আপনি জেরুজালেম আর কাশ্মির লিখে গুগলে সার্চ দিয়েই দেখেন না। কোনটাকে আপনার কোরআনের আয়াতের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ মনে হয়? আমি নিশ্চিত যদি স্বচ্ছ হৃদয় থাকে তবে কখনই জেরুজালেম কে আপনার হৃদয় গ্রহণ করতে পারে না।
আর যে যাই বলুক, মেইন উপরের ৫ টি হাদিস না, বরং কোরআনের ৩০টি আয়াত যার প্রত্যেকটি ইসা(আ) এর মৃত্যু সাব্যস্ত করে।
আমার মনে হয়, আপনিও ছোটকাল থেকে একটা পরিবেশে বড় হয়েছেন সেজন্য কোনমতেই মানতে পারছেন না সত্যটা, বাট থিংক ম্যান, থিংক।
৭৬|
০২ রা জানুয়ারি, ২০১৪ ভোর ৬:৩৬
শান্তি বাহিনী বলেছেন: ধন্যবাদ
৭৭|
০২ রা জানুয়ারি, ২০১৪ ভোর ৬:৪১
শান্তি বাহিনী বলেছেন: আপনার সাথে যোগাযোগ করা দরকার । আমাকে একটা মেইল করেন। আমার মেইল nmilon87অ্যাট জিমেইল ডট কম ।
০৭ ই জানুয়ারি, ২০১৪ রাত ১২:১১
দার্শনিক বলেছেন: কমেন্টের জন্য ধন্যবাদ। আপনাকে মেইল করা হয়েছে। ইনশাআল্লাহ মেইলেই আলাপ হবে।
৭৮|
১৭ ই মার্চ, ২০১৭ বিকাল ৫:৫৪
ইহসান আকসার মাহমুদ বলেছেন: http://www.ahmadiyyabangla.org
যারা কাদিয়ানী অমুসলিম বলে লাফাচ্ছেন তারা দয়াকরে নিজের মুসলমান হবার সার্টিফিকেট পেশ করুন। আর যারা মুসলমান শব্দের সংজ্ঞা জানেন না, হাদীস ও কোরআন পড়ে দেখুন, দানবাক্সের ভিক্ষুক আলেমদের কথা শুনে কিছু বিচার করবেন না। আর নিজে আগে মুসলমান হন, পরে আহমদীদের পেছনে লাগুন। অযথা মিথ্যাচার করবেন না।
©somewhere in net ltd.
১|
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ৩:৪২
গাজী সালাহউদ্দিন বলেছেন: বোগাস ...........নবুয়্যতের রাস্তা খতম হয়ে গেছে । ঈসা (আঃ) এর মৃত্যু হয় নি এবং তিনি আকাশ থেকেই নেমে আসবেন । কোন সন্দেহ নেই ।