নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

তাপে তপ্ত হই না হলে পড়ে থাকি মরুভূমির বালিকণার মত

ঢুকিচেপা

“স্বপ্ন সেটা নয় যেটা মানুষ ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে দেখে; স্বপ্ন সেটাই যেটা পূরণের প্রত্যাশা মানুষকে ঘুমাতে দেয় না।” এ.পি.জে আব্দুল কালাম

ঢুকিচেপা › বিস্তারিত পোস্টঃ

ভালবাসার হাত বদল

০৮ ই আগস্ট, ২০২০ দুপুর ১:৩৭



ধবধবে সাদা বিশাল এক খন্ড বরফ।

নদীর তীর ঘেঁষে দাঁড়িয়ে থাকা ডুপ্লেক্স বাড়ীটাকে দুর থেকে দেখলে এমনই মনে হয়। তিনদিন আগে রং করা হয়েছে। দুধ সাদা রং। বাড়ীর দুপাশ দিয়ে দেখা যায় নদীর কুল উপচানো পানি। আশেপাশে বাড়ী নেই বললেই চলে। যে কয়টা বাড়ী আছে তাও রাস্তার ধারে। লোক চলাচল কম থাকায় এলাকাটা একেবারেই শুনশান।

দুদিন পর ডরথির বিয়ে, আগামীকাল তার গয়ে হলুদ। সবে লেখাপড়া শেষ করেছে এ বাড়ীর একমাত্র আদরের নাতনীটি। আজকের এই শান-শওকত আর জৌলুশের মুখ দেখতে অনেক সংগ্রাম করতে হয়েছে তার দাদুকে। ডরথির ডাক্তার বাবাই তার একমাত্র সন্তান। বাড়ীতে মানুষ বলতে হাতে গোনা পাঁচ জন। এছাড়া রয়েছে কাজের বুয়া।

সন্ধ্যার একটু আগে বিয়ের শেষ সপিং করে মাকে নিয়ে বাসায় ফিরেছে।
বুয়াকে বললো খালা, দীদা কোথায়?
বুয়া উত্তর দিল বাহিরে গেছে কিন্তু কোথায়, বলে যায়নি।

ডরথি ভেবেছিল দীদাকে সাথে নিয়ে সপিং আইটেমগুলো দেখবে, কিন্তু তা হলো না।

বুয়াকে খালা বলে ডাকে ডরথি। তারমতে আর দশজন মানুষের মত বুয়াও চাকরি করে, মাস গেলে বেতন পায়। তার কাজ ছোট হতে পারে। তবে এই ছোট কাজের কারণেই আমাদের ভাল থাকা। আমাদের ভাল থাকাটা যদি এতই বড় হবে তাহলে তার কাজ ছোট হয় কিভাবে?
এসব ভাবতে ভাবতে ওয়াশরুম থেকে ফ্রেস হয়ে সপিং করা জিনিসগুলো নিয়ে চেক করতে বসলো। এটা সেটা দেখতেই তার মনে হলো রাতটা পার হলেই তার গায়ে হলুদ। কি এক অদ্ভুত ভাললাগা কাজ করছে মনের ভিতরে, যেন একটা ঘোরের মধ্যে রয়েছে।

তার দীদা এসেছে বেশ কিছুক্ষণ আগে। গাড়ীর শব্দও তার কানে পৌঁছায়নি।
-দিদিভাই কি করিস
দীদার ডাকে হুশ ফিরলো ডরথির। এতক্ষণ আসলে কিছুই চেক করা হয়নি, শুধু আনমনে দেখেই গেছে।

-সপিং আইটেমগুলো চেক করছিলাম, তুমি এসেছো ভাল হয়েছে। আসো একসাথে চেক করি। কিন্তু তুমি গিয়েছিলে কোথায়?
-পরে বলবো, এখন তোর হাতটা দেখি।
ডরথি হাতটা বাড়িয়ে দিলে দিদা তার অনামিকায় একটি আংটি পরিয়ে দিয়ে বলে এটা খুব যত্ন করে রাখবি।
-মানে?
-মানে তোর যত অলংকার আছে তার মধ্যে এই আংটিটা খুব যত্ন করে রাখবি। এটার পরবর্তী অধিকারী হবে তোর প্রথম সন্তান। বলতে চাচ্ছি প্রজন্ম থেকে প্রজন্মের কাছে আংটি ঘুরবে শুধু প্রথম সন্তানের হাত দিয়ে।
কেমন যেন রহস্য রহস্য লাগছে ডরথির কাছে, বলে এমন কেন?
-তোকে বলবো পরে, তোরও জানা দরকার। এখন দেখা দেখি কি কি আনলি ?
- না তুমি আগে বলো রহস্যটা কি? ডরথি খেয়াল করে দেখলো তার দীদার মুখটা একটু মলিন। খুব মায়া লাগলো তার।
-দিদা বলে, ঠিক আছে বলবো তো, তবে এখন না, ডিনারের পরে।

একগাদা জিনিষ নিয়ে তারা খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখছে গল্প করছে। মাঝে মাঝে ডরথি চেষ্টা করছে দীদার সাথে খুনসুটি করতে কিন্তু দীদা হাসছে বটে প্রাণহীন। তাই আর বৃথা চেষ্টা না করে ডিনারের অপেক্ষায় রইল।
ডরথি তাড়াতাড়ি ডিনার শেষ করে দীদার পাশে দাঁড়ালো। তার যেন তর সইছে না।
দীদা বুঝতে পেরে বললো ছাদে যা আমি আসছি।

ডরথিদের ছাদটা খুবই সুন্দর। চারিদিকে অনেক দূর পর্যন্ত ফাঁকা। ডরথি সাধারণত নদীর দিকে মুখ করে বসে। নদী থেকে বয়ে আসে ঠান্ডা হাওয়া। খুব ভাল লাগে তার।

কিছুক্ষণ পরে দীদা এসে বসে ডরথির পাশে, মুখটা অন্য দিকে ফেরানো। কোন ভূমিকা ছাড়াই দীদা গল্প শুরু করেন।
-আমার যখন জ্ঞান হলো তখন নিজেকে আবিষ্কার করি অনাথ আশ্রমে। আমার বাবা-মা কে আমি জানি না।
এই কথা শোনার পর ডরথি অবাক চোখে দীদার দিকে তাকায় কিন্তু তার মুখ অন্য দিকে ফেরানো। দীদার হাতটা শক্ত করে চেপে ধরে, যেন আমি আছি তুমি বলে যাও।

-আশ্রমে খুব কষ্ট করে এস.এস.সি পাশ করার পর এইচ.এস.সি ভর্তি হই কলেজে। সে সময় পড়াশোনার খরচ এবং নিজের খরচ মেটানোর জন্য পরিচালকের অনুমতি নিয়ে আশ্রমের বাহিরে টিউশনি শুরু করি। এ ব্যাপারে পরিচালক খুব সাহায্য করেছেন। শুরুর দিকে কয়েকটি টিউশনি জোগাড় করে দিয়েছিলেন।

এইচ.এস.সি পাশ করার পর আমার এক স্টুডেন্টের মামা পরিচালকের মাধ্যমে বিয়ের প্রস্তাব পাঠায়। পরিচালককে বললাম বিয়ের পর যদি মাস্টার্স পর্যন্ত পড়ার সুযোগ থাকে তাহলে আমি রাজি। দু’পক্ষের মধ্যে কথা ঠিক হয়ে পরের সপ্তাহে বিয়ের দিন ঠিক হলো।
বিয়ের আগের দিন তোর দাদু তার এক বন্ধু মিজান ভাইকে নিয়ে আসলেন আমার সাথে পরিচয় করানোর জন্য। সেদিন মিজান ভাই দিয়েছিলেন এই আংটিটা।

মিজান ভাই ভালবাসতো একটি মেয়েকে, বিয়ের দিন-তারিখ সব ঠিকঠাক কিন্তু বিয়ের আগের রাতে ডেকোরেটরের ফেলে যাওয়া ইলেকট্রিক তারে জড়িয়ে মেয়েটি মারা যায়। এরপর মিজান ভাই অনেকদিন পাগলের মত জীবনযাপন করেছেন। ভাল হওয়ার পর আর বিয়ে করেননি। উনি চান ভালবাসার এই স্মৃতি তার প্রিয়জনদের হাত হয়ে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মের কাছে ঘুরে ফিরুক। তাছাড়া আমাদের দুঃসময়ে তোর দাদু এই আংটি বন্ধক রেখে ব্যবসার মুলধন জুগিয়েছিল। তাই এটা আমাদের কাছে আরো মূল্যবান।

ডরথির দুচোখ বেয়ে ঝরছে অশ্রু ধারা, ভাঙ্গা ভাঙ্গা গলায় বললো মিজান দাদুর সাথে দেখা করা যাবে?


ছবিঃ গুগল।



কিছু কথাঃ আমি যখন প্রথম একাউন্ট খুলি তখন সেফ না হলে মন্তব্য করা যেত না।
সে সময় নিজের ব্লগেই একটা পোস্ট করেছিলাম। ১ দিন পর ১ম মন্তব্য এলো মৃত্যুঞ্জয় দাদার কাছ থেকে।
কি যে ভাল লেগেছিল সে সময়, সেই অনুভূতি বোঝাতে পারবো না। সে সময় মনে হয়েছিল এতগুলো মানুষের মাঝে দাদাই আমার ছাতা। তারপর থেকে দাদাকে আর পাইনি।
দাদাকে বলেছিলাম ১ম মন্তব্য করার জন্য আমি আপনাকে মনে রাখবো। তাই মৃত্যুঞ্জয় দাদাকেই উৎসর্গ করলাম।

মন্তব্য ৪০ টি রেটিং +১২/-০

মন্তব্য (৪০) মন্তব্য লিখুন

১| ০৮ ই আগস্ট, ২০২০ দুপুর ১:৪৮

মোহামমদ কামরুজজামান বলেছেন: আসলে প্রকৃত ভালবাসাটা এমনই। কখনো তা নিঃশেষ হয়না।
আর প্রেমিক মাত্র ই চায় ,তার ভালবাসা অনন্তকাল বেঁচে থাকুক তার আপনজনদের মাঝে।

০৮ ই আগস্ট, ২০২০ বিকাল ৪:১৫

ঢুকিচেপা বলেছেন: মোহামমদ কামরুজজামান ভাই আপনাকে স্বাগত।
আপনার প্রথম মন্তব্যে আমি খুব আনন্দিত।
ঠিক বলেছেন প্রকৃত ভালবাসা কখনো নিঃশেষ হয় না।

আপনার মন্তব্য খুব ভাল লেগেছে।

২| ০৮ ই আগস্ট, ২০২০ বিকাল ৩:৩১

রাজীব নুর বলেছেন: খুব সুন্দর গল্প।

০৮ ই আগস্ট, ২০২০ বিকাল ৪:১৭

ঢুকিচেপা বলেছেন: রাজীব ভাই আপনার ভাল লেগেছে, এটা জেনেই আমার আনন্দ।

ভাল থাকবেন।

৩| ০৮ ই আগস্ট, ২০২০ বিকাল ৩:৫৪

মুক্তা নীল বলেছেন:
সুন্দর গল্প পাঠে ভালোলাগা। বংশ পরিক্রমা ক্রমে আমাদের
দেশের অনেক পরিবারেই গোল্ডের কিছু পুরাতন গহনা
হাতবদলের রীতি চালু আছে এখনো ।
ধন্যবাদ।

০৮ ই আগস্ট, ২০২০ বিকাল ৪:২২

ঢুকিচেপা বলেছেন: “বংশ পরিক্রমা ক্রমে আমাদের
দেশের অনেক পরিবারেই গোল্ডের কিছু পুরাতন গহনা
হাতবদলের রীতি চালু আছে এখনো ।”


চমৎকার একটি কথা বলেছেন। এখনো কিছু পরিবারে খুঁজলে ১০০ বছরের অধিক পুরাতন গহনা পাওয়া যাবে।
আপনার উপস্থিতি এবং লাইকসব মন্তব্যে আমি অনুপ্রাণিত।

৪| ০৮ ই আগস্ট, ২০২০ বিকাল ৪:১৯

ওমেরা বলেছেন: সঠিক মনে করতে পারছি না তবু এরকম গল্প আগেও পরেছিলাম । আপনি কি এটা আগেও পোষ্ট করেছিলেন?


০৮ ই আগস্ট, ২০২০ বিকাল ৪:২৭

ঢুকিচেপা বলেছেন: আপু আপনার ধারণা সঠিক এই গল্প আমার ঐ ব্লগে ছিল এবং পড়েছেন তখন তো সেফ ছিলাম না, তাই প্রথম পাতায় প্রকাশিত হয়নি। এখন একটু এডিট করে দিয়েছি।

আপনার আগমনে সত্যিই খুব খুশি হয়েছি।

৫| ০৮ ই আগস্ট, ২০২০ বিকাল ৫:০৬

ইসিয়াক বলেছেন: মিষ্টি একটা গল্প। আমিও আজ একটা গল্প পোস্ট দিয়েছি। এখন থেকে গল্প বেশি পোস্ট দেবো বলে ভাবছি আপনার মতামত চাই্। পড়বেন আশা করি।

০৮ ই আগস্ট, ২০২০ বিকাল ৫:২৮

ঢুকিচেপা বলেছেন: ইসিয়াক ভাই যতটুকু চিনি ছিল তাই দিয়ে দিয়েছি ............. হা.... হা...
আপনার গল্প পড়েছি আমার কাছে খুব ভাল লেগেছে।
গল্প এবং কবিতা দুটোই পোস্ট করবেন পাশাপশি।

শুভেচ্ছা রইল।

৬| ০৮ ই আগস্ট, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:০৯

মিরোরডডল বলেছেন:



শুরুতেই বর্ণনাটা অসাধারণ । ঢুকিটা এতো সুন্দর করে লেখে ।
Though true love is very rare, but still I believe true love exists.

চমৎকার একটি ভালোবাসার গল্প । ঢুকির কাছে এরকম গল্প আরও অনেক চাই ।

এতো সুন্দর লেখার জন্য ঢুকিকে একটা সং, এই গানটা বেইজড অন ট্রু স্টোরি ফর ট্রু লাভ ।





০৮ ই আগস্ট, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৩১

ঢুকিচেপা বলেছেন: বর্ণনাসহ গল্পটা ভাল লেগেছে জানিয়ে লাইকসহ মন্তব্যে দারুণভাবে অনুপ্রাণিত। আপনাদের কাছ থেকে অনুপ্রেরণা পেয়েছি বলেই সম্ভব হয়েছে।
ঠিক বলেছেন সত্যিকারের ভালবাসা আছে তবে বিরল। আসলে সত্যিকারের ভালবাসা পাওয়ার জন্য একটা ভাগ্যও লাগে।

আপনার দেয়া গানের কথা চমৎকার। অফিস খুললে আপনাকেও গান দিব।

শুভেচ্ছা রইল।

৭| ০৮ ই আগস্ট, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৫৫

মিরোরডডল বলেছেন:



অফিস খুললে আপনাকেও গান দিব।

হা হ হা .........তাই ??? :)






০৮ ই আগস্ট, ২০২০ রাত ৮:৫৩

ঢুকিচেপা বলেছেন: হ্যাঁ, তাই তো।

হা...হা....

৮| ০৯ ই আগস্ট, ২০২০ দুপুর ১২:৫৩

মরুভূমির জলদস্যু বলেছেন: গল্প ধুম করে শেষ হয়ে গেলো!!
বাড়ির বর্ননাটা চমৎকার হয়েছে।

০৯ ই আগস্ট, ২০২০ বিকাল ৩:২১

ঢুকিচেপা বলেছেন: দাদা এসেছিলেন দেখছি.........

“গল্প ধুম করে শেষ হয়ে গেলো!!”
আমার যে হাঁটি হাঁটি পা-পা করা অবস্থা, দৌড় যে অতটুকুই।

“বাড়ির বর্ননাটা চমৎকার হয়েছে।”
আপনার প্রশংসায় অনুপ্রাণিত হলাম, চেষ্টা থাকবে পরবর্তীতে।

শুভেচ্ছা রইল।

৯| ০৯ ই আগস্ট, ২০২০ দুপুর ১:০৭

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: গল্পে মিজান দাদুর উপস্থিতি ও তার আংটির তাৎপর্য বুঝতে পারছিলাম না। আমার কাছে মনে হয়েছে, নীচের এ কথাটা না থাকলে মিজান দাদু চরিত্রটা মূল্যহীন হয়ে পড়তো, আংটিরও কোনো মূল্য থাকতো না, গল্পটাও মিনিংলেস হয়ে যেত।

তাছাড়া আমাদের দুঃসময়ে তোর দাদু এই আংটি বন্ধক রেখে ব্যবসায়ের মূলধন জুগিয়েছিল।

আপনার লেখনি চমৎকার; অল্প কথায় চরিত্র ও পরিবেশ ফুটিয়ে তুলতে পারেন।

ব্লগার মৃত্যুঞ্জয়কে পোস্ট উৎসর্গ করাটা খুব ভালো লেগেছে।

০৯ ই আগস্ট, ২০২০ দুপুর ২:১৭

ঢুকিচেপা বলেছেন: বরাবরের মত ইউনিক মন্তব্য পেয়ে দারুণ লাগেলো।

আপনাদের অনুপ্রেরণাতেই লেখার চেষ্টা।

সত্যি বলতে কি, আপনারা কি কি বিষয়ের উপর ভিত্তি করে সুন্দর সুন্দর লেখা লেখেন এটা আমার কাছে আশ্চর্য লাগে। যেহেতু একেবারেই নতুন তাই আমি শুধু আংটির উপর ভিত্তি করে পুরো গল্প সাজিয়েছি।

আপনার প্রশংসায় খুব অনুপ্রাণিত হলাম।

১০| ০৯ ই আগস্ট, ২০২০ রাত ১০:২৯

কবিতা পড়ার প্রহর বলেছেন: কি দারুণ এক ভালোবাসার গল্প। মুগ্ধ হয়ে পড়লাম।

০৯ ই আগস্ট, ২০২০ রাত ১০:৩৮

ঢুকিচেপা বলেছেন: একজন ভাল লেখিকার কাছ থেকে এমন মন্তব্য পেয়ে খুব আনন্দিত এবং অনুপ্রাণিত।

শুভেচ্ছা রইল।

১১| ১১ ই আগস্ট, ২০২০ সকাল ১১:৫৪

সাহাদাত উদরাজী বলেছেন: অসাধারন। লিখে চলুন।

১১ ই আগস্ট, ২০২০ দুপুর ১:০০

ঢুকিচেপা বলেছেন: সাহাদাত ভাই আপনার মন্তব্যে অনুপ্রাণিত হলাম।

ধন্যবাদ আপনাকে।

১২| ১১ ই আগস্ট, ২০২০ দুপুর ১:৫৪

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: দারুন গল্পটা মিস হয়ে গেছিল প্রায় ;)

ভাল লাগলো।

ভালবাসার ফল্গুধারা বয়ে চলুক প্রজন্মান্তরে নিত্যতায় . . . ভালবাসায়।

১১ ই আগস্ট, ২০২০ দুপুর ২:০৩

ঢুকিচেপা বলেছেন: “দারুন গল্পটা মিস হয়ে গেছিল প্রায় ;)
-হা..হা.. অবশেষে কিন্তু আর মিস হলো না।

আপনার ভাললাগা এবং মন্তব্যে আমি অনুপ্রাণিত।

১৩| ১১ ই আগস্ট, ২০২০ দুপুর ২:১৪

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



ভালোবাসার ঋণ থাকতে হয়। ঋণহীন ভালোবাসার কোনো মূল্য নেই। গল্প ভালো খুবই লেগেছে ভাই। ধন্যবাদ।

১১ ই আগস্ট, ২০২০ বিকাল ৩:৩০

ঢুকিচেপা বলেছেন: খুব চমৎকার একটি কথা বলেছেন ভালোবাসার ঋণ থাকতে হয়।

আপনার লাইকসহ উপস্থিতি, ভাললাগা এবং মন্তব্যে দারুণভাবে অনুপ্রাণিত।

১৪| ১১ ই আগস্ট, ২০২০ বিকাল ৫:০২

অন্তরা রহমান বলেছেন: বাহ, দারুণ গল্প।

১১ ই আগস্ট, ২০২০ বিকাল ৫:১৫

ঢুকিচেপা বলেছেন: আপনাকে স্বাগত।


শুভেচ্ছা রইল।

১৫| ১২ ই আগস্ট, ২০২০ দুপুর ১২:৫৪

মনিরা সুলতানা বলেছেন: বাহ ! ভালোলাগা গল্পে।

১২ ই আগস্ট, ২০২০ দুপুর ১:৩০

ঢুকিচেপা বলেছেন: আপু আপনার ভাল লেগেছে জেনে খুব আনন্দিত।
লাইকসহ মন্তব্যে দারুণভাবে অনুপ্রাণিত।

শুভেচ্ছা রইল আপু।

১৬| ১৬ ই আগস্ট, ২০২০ রাত ৯:১১

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
গল্প যদিও ভাল লেগেছে তথাপিও একথা না বলে পারছিনা যে-মিজান দাদু না হয়ে ডরথির দাদা বা তার দাদার বাবা হতে যদি আংটি হাত বদল হয়ে চলে আসতো এবং আর নাটকীয় কিছু ঘটত তবে ফেন্টাস্টিক হতো। যেমন -দাদা থেকে আংটি বাবার হাতে না এসে কাকর হাতে এসে ভিবিন্ন ঘটনা ঘটেছে আবার বাবার কাছে ফিরে আসাতে সমস্যার সমাধান হয়েছে এজাতীয় কিছু।

ডন্ট মাইন্ড, লেখক হিসেবে আপনি কি লিখবেন সেটা আপনার ব্যাপার পাঠক হিসেবে আমি আমার মতামত ব্যক্ত করতেই পারি।

বাড়ির বর্ণনাটা চমৎকার।

লেগে থাকুন। সুন্দর সুন্দর গল্ট বের হবে আপনার ভিতর থেকে।

১৭ ই আগস্ট, ২০২০ রাত ১:০১

ঢুকিচেপা বলেছেন: মাইদুল ভাই আপনাকে পুরাতন পোস্টে পেয়ে দারুণ ভাল লাগলো।
প্রথেমেই জানিয়ে রাখি আপনার মন্তব্য খুব ভাল ভাবেই গ্রহণ করেছি এবং ভবিষ্যতেও এমন পরামর্শ দিবেন এটা আশা নয় দাবী রাখছি।
আংটিটা সত্যিই থার্ড পার্টির, বাদ বাকি শুধুই গল্প। এখানে ঐটুকু ছাড়া আর কোন সত্য নেই।
আর মূল যে বিষয়, লেখালেখি করা একেবারেই নতুন। আপনি যেভাবে টুইস্ট করেছেন অতদুর আমি চিন্তাও করতে পারিনি।

আপনার সুন্দর মতামতের প্রতি সম্মান জানিয়ে শুভেচ্ছা রইল।

১৭| ১৬ ই আগস্ট, ২০২০ রাত ৯:৫৭

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: আপনার লেখা প্রথম পড়লাম। এত ভালো লেখেন জানতাম না।

১৭ ই আগস্ট, ২০২০ রাত ১:০৬

ঢুকিচেপা বলেছেন: বলেছিলেন সব পোস্ট পড়বেন। আমি বলেছিলাম, আপনার পড়ার মত রসদ আছে কিনা সে বিষয়ে আমি চিন্তিত।
কিন্তু এভাবে প্রশংসা করলে তো মুখ লুকাতে হবে দেখছি।
আমি একেবারেই নতুন লেখালেখিতে।

আপনার আগমনে সত্যিই আপ্লুত।

১৮| ১৬ ই আগস্ট, ২০২০ রাত ১০:২০

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: সরি। নভোনীল পর্ব - ১১ পড়েছিলাম ও কমেন্ট করেছিলাম। এখন মনে হোল। তার আগেও কয়েকটা পোস্টে কমেন্ট করেছি। করোনার কারণে মাথা ঠিক মত কাজ করে না। :)

১৭ ই আগস্ট, ২০২০ রাত ১:১০

ঢুকিচেপা বলেছেন: না ঠিক আছে, এটা কোন ব্যাপার না। যেহেতু একেবারেই নতুন তাই ওভাবে মনে রাখাটা একটু মুশকিল।

আমার পোস্টে আপনার ১ম গঠনমূলক মন্তব্য (আমার ভাল লেগেছিল)

একই পোস্টে আপনার ২য় মন্তব্য

১৯| ১৭ ই আগস্ট, ২০২০ সকাল ১০:৪১

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: আমি আপনার আগের সবগুলি পোস্ট পড়ব ইনশাল্লাহ। আমাকে কথা রাখতে হবে। আর কয়েকটা পড়লেই হয়ে যাবে। আপনার লেখা ভালো তাই পড়ায় বরং আনন্দই পাবো। তবে আসলে সময়তো বেশী পাই না।

১৮ ই আগস্ট, ২০২০ রাত ১২:০২

ঢুকিচেপা বলেছেন: এভাবে ভাবার দরকার নেই। মূলতঃ পাসওয়ার্ড পাওয়ার পর যেগুলো পোস্ট করেছি তার প্রায় সবগুলোই পড়া হয়েছে আপনার।
পাশে থাকার যে অনুভূতি প্রকাশ করেছেন তার জন্য কৃতজ্ঞ।

২০| ২৬ শে মে, ২০২১ রাত ১২:০৬

খায়রুল আহসান বলেছেন: "আমাদের ভাল থাকাটা যদি এতই বড় হবে তাহলে তার কাজ ছোট হয় কিভাবে" - সুন্দর একটি সমব্যথী এবং হৃদয়স্পর্শী অভিব্যক্তি! এ লাইনটা পড়ে আর আগে না বেড়ে একটা প্লাস না দিয়ে পারলাম না! + +

গল্পটা যেমন চমৎকার হয়েছে, শিরোনামটাও। গল্পের শেষে ডরোথির প্রশ্নটা গল্পটিকে উন্নত করেছে।

বাড়ির বর্ননাটা চমৎকার হয়েছে - মরুভূমির জলদস্যু এর এ পর্যবেক্ষণের সাথে আমিও একমত, যেমন একমত সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই এর "ব্লগার মৃত্যুঞ্জয়কে পোস্ট উৎসর্গ করাটা খুব ভালো লেগেছে" কথাটার সাথে।

"আংটিটা সত্যিই থার্ড পার্টির, বাদ বাকি শুধুই গল্প। এখানে ঐটুকু ছাড়া আর কোন সত্য নেই" (১৬ নং প্রতিমন্তব্য) - এ সত্যটাকে সততার সাথে গল্পে আঁকড়ে ধরে রেখেছেন দেখে বিস্মিত ও মুগ্ধ হ'লাম! ধন্যবাদ ও অভিনন্দন!



৩০ শে মে, ২০২১ রাত ১১:১৮

ঢুকিচেপা বলেছেন: এত চমৎকার মন্তব্যের উত্তর আবেগে চুপ করে থাকাটাই শ্রেয়।

মন্তব্যের আবেশ এবং উজ্জ্বলতাই থাক।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.