| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
একটা সময় ছিল যখন আমাদের সিনেমারও স্বর্ণযুগ ছিলো! ৮০ দশকের মাঝামাঝি থেকে নব্বই দশকের মাঝামাঝি সময়টাকেই আমাদের চলচ্চিত্রের সেরা সময় ধরা হয়। তারপর আসে অশ্লীলতা, যা ধংস করে দেয় আমাদের ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিকে।সেই অশ্লীলতা থেকে বহু কষ্টে কিছু চলচ্চিত্র প্রেমী মানুষের চেষ্টায় আমাদের ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি বেরিয়ে আসে। ধীরে ধীরে পরিবর্তনের হাওয়া লাগে এবং বর্তমানে সেই ইতিবাচক পরিবর্তনটা এতোই মানুষের চোখে ধরা পড়ে যে, এখন মানুষ নতুন করে হল মুখী হওয়া শুরু করে দিয়েছে।আমাদের নতুন অনেকগুলো মুভি অনেক প্রশংসা পেয়েছে সব ধরনের চলচ্চিত্রপ্রেমীদের কাছে। 'অগ্নি' মুভি করেই রাতারাতি অনেকের কাছে সুপার স্টার বনে গিয়েছেন 'আরেফিন শুভ'। শোনা যায় মুভিটি গত এক যুগের মধ্যে সবচেয়ে বেশি টাকা আয় করা মুভিগুলোর তালিকায় আছে এবং দারুন ব্যবসা সফল হয় চলচ্চিত্রটি। বর্তমানে 'তারকাটা', 'কিস্তিমাত এবং 'মোস্ট ওয়েলকাম ২' এর মতো বিগ বাজেটের ছবি হচ্ছে যা কিছুদিন আগেও কল্পনা ছিল।চলচ্চিত্র অংগনের সবার মধ্যে একটা ভাল করার প্রচন্ড চেষ্টা দেখা যাচ্ছে যা চলচ্চিত্রের ভবিষ্যৎ এর জন্য অত্যন্ত ভালো সংবাদ।
কিন্তু পিঁপড়া তো সব সময় মিষ্টির পিছেই ছুটে।আর বাংলাদেশের পিছে লাগে থাকার ব্যাপারে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখে আমাদের প্রতিবেশী দেশ ভারত।এতোদিন যখন আমাদের চলচ্চিত্রের দূর্দশা ছিল তখন তাদের খবর ছিল না আর এখন চলচ্চিত্রের পালে একটু সুখের হাওয়া লাগতেই ওরা আমাদের পিছে উঠেপড়ে লেগেছে।বর্তমানে ভারত খুব বেশি চেষ্টায় আছে চলচ্চিত্র বিনিময়ে!! মানে ভারতের মুভি এখানে চলবে আর আমাদের ছবি চলবে ভারতে।তারা ভাল করেই জানে এখানকার মুভি মাত্র উঠতে শুরু করেছে, এখনই সঠিক সময় নয় ভারতে এদেশের মুভি চলার তাই তড়িঘড়ি করেই তারা এ কাজটা সেরে ফেলার চেষ্টায় আছে।এতে করে হবে কি! ভারতের মুভি এখানে জমজমাট ব্যবসা করবে আর এজন্য তাদের হাতে চলে আসবে এদেশের হল গুলোর নিয়ন্ত্রন অন্যদিকে বাংলাদেশের মুভি দেশে এবং দেশের বাইরে মুখ থুবড়ে পড়বে। তখন আর মুভি বানাতেও কেউ আগ্রহ দেখাবে না। ধংস হবে আমাদের ইন্ডাস্ট্রি। ইতিমধ্যে মুভি বিনিময়ের ব্যাপারে সরকারও কিছুটা আগ্রহ দেখাচ্ছে কিন্তু জনগনের রোষের মুখে পড়ার ভয়ে এ ব্যাপারে পুরোপুরি কিছু করতে পারছে না কিন্তু ভেতর ভেতর এ ব্যাপারে খুব আলাপ চলছে।চলচ্চিত্র বিনিময়ের পক্ষে চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট কাউকেই খুব একটা পাওয়া যায় না কিন্তু মীর জাফর তো সব কালেই থাকে। আমাদের এফডিসির
মহাপরিচালক 'পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায' এর মধ্যে প্রবল চলচ্চিত্র বিনিময়ের ইচ্ছা দেখা যায় এবং তিনি সেটা বলেছেনও দুএকটা টেলিভিশন চ্যানেলে!
দেশের এমন গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে এই যদি হয় সরকারের অবস্থান তাহলে কিভাবে দেশ আগাবে?? নাকি সরকার চায় আমরা ভারতের আদর্শে বেড়ে উঠি?? তাহলে সরকারকেই বলি! আমরা বাংলাদেশিজমে বিশ্বাস করি। চলচ্চিত্র টা এদেশের মানুষের সম্পত্তি, কোনো সরকারের সম্পত্তি না! সরকার শুধুই জনগনের চাকর। আপনাদেরই জনপ্রিয় বুলি ঝাড়ি "এটা গণতান্ত্রিক দেশ" :/
২|
২৪ শে জুন, ২০১৪ দুপুর ১২:২০
ডায়লগ বাবা বলেছেন: সেটা আমিও মানি! কিন্তু ইদানিং কিছু ভাল মানের মুভি তো হচ্ছেই!! আমার পোস্ট পড়ে থাকলে বুঝার কথা আমি কি বলতে চেয়েছি।।
আমি বলতে চেয়েছি এদেশের মুভি ইন্ডাস্ট্রি তে যাতে ভারত কর্তৃত্ত খাটাতে না আসে। আর আমাদের সরকার যাতে সে সুযোগ তাদের না দেয়।@আধার রাত
৩|
২৫ শে জুন, ২০১৪ দুপুর ১২:১৮
আঁধার রাত বলেছেন: ইদানিং কালে কিছু ভাল ছবি হয়েছে আমরা তা দেখেছি। হলে গিয়েই দেখেছি। ভারতের কর্তৃত্ব চলছে অনেকদিন থেকে। দেশের বেশীর ভাগ মানুষ ভারতীয় ছবি গোগ্রাসে খায় কিন্তু ছবিগুলো অবৈধ ভাবে দেশে ঢোকে সরকার কোন কর পাইনা। বাস্তবতা মেনে নেন। বৈধ ভাবে সিনেমাগুলো আসুক। হলে ছিট প্রতি ৫০% কর আরোপ করুক এতে সরকার কিছু টাকা পাবে। অন্যথায় ভারতীয় সিনেমা সবাই দেখবে কিন্তু সরকার কোন টাকাই পাবে না। এফডিসিও প্রতিদ্ধন্দিতার সম্মুখীন হবে। মান উন্নত হবে। মোস্তফা সরোয়ার ফারুকী এব্যাপারে একটা বক্তব্য দিয়ে ছিল বাস্তবতা অনুধাবন করে তাকে সমর্থন করি।
৪|
২৫ শে জুন, ২০১৪ দুপুর ১২:৩০
রাজিব বলেছেন: ভাই ভারতীয় সিনেমা বন্ধ না করে কেবল টিভিতে ভারতীয় সিনেমা চ্যানেলগুলো (জি সিনেমা, জলসা মুভিজ ইত্যাদি) বন্ধ করার ব্যবস্থা করুন। তারপর ভারতীয় সিনেমার উপর ৫০% কর আরোপ করুন। দেখবেন বাংলাদেশি সিনেমা মানুষ দেখা বাড়িয়ে দেবে। তবে শর্ত প্রযোজ্য। বাংলাদেশী ছবিতে বিনোদন বাড়তে হবে অশ্লীলতা বা নকল নয়।
৫|
২৫ শে জুন, ২০১৪ বিকাল ৩:১৩
ডায়লগ বাবা বলেছেন: @ আঁধার রাত ও রাজিব ভাই.. এ ব্যাপারে আপনাদের সাথে আমি একমত। সরকার দেশের স্বার্থ বজায় রেখে এমন আইন করলে সেটা দেশের জন্যই ভাল হবে। কিন্তু পূর্বের মতো যদি ভারতকে একচেটিয়া দেশের স্বার্থ না দেখে সুবিধা দিয়ে দেয় তাতেই যত ভয়। কোনো সরকারই তো আস্থার জায়গাটা এদেশে তৈরি করতে পারেনি। সেটাই বড় সমস্যা।
©somewhere in net ltd.
১|
২৩ শে জুন, ২০১৪ রাত ১০:৩৫
আঁধার রাত বলেছেন: দশ বছরের একটা ছেলেও ছবি শুরুর দশ মিনিট পর বলে দিতে পারবে আর পাঁচ মিনিট পর কি হবে। অক্ষর জ্ঞানহীন সিনেমা আসক্ত সুজন(ছোট বেলার খেলার সাথি) সাত মিনিটে ছবি তৈরীর ফরমূলা বাতলে দেয়!
দুনিয়া অনেক এগিয়ে গেছে আর এফডিসির করিতকর্মার দল আজো বাপ মাকে বেধেঁ দলিলে স্বাক্ষর নিয়েই যাচ্ছে।
অতি নগন্য এক'দু জন ছাড়া সব গুলো পরিচালক বৃত্তের বাহিরে বের হতে পারেন নাই।
মনোপলি ব্যবসার সুয়োগ পেয়ে তারা আশির দশকের অতি উৎকৃষ্ট কাহিনী আজো আমাদের খাওয়াতে চাই।
তাদের বলতে চাই খাঁটি সে ঘিয়ের গন্ধ এতদিন হাতে থাকার কথা না।
সৃষ্টিশীল কিছু করেন সিনেমা হলে গিয়েই ছিনেমা দেখব। যাদের জন্য সিনেমা বানান তারা এখনো সিনেমা দেখতে যায়। আমার জন্য তো আর বানান না। আর আপনি যদি ত্রিশ বছর আগের ফরমুলা সিনেমা তৈরী করে আশা করেন সিনেমা দেখতে হলে যাবো বড্ড ভুলের ভেতর আছেন।
ভাল ছবি ভাল কাহিনী যেমনটি আমরা নতুন প্রজন্মের দর্শকরা চাই তেমন বানালে যাবো সিনেমা হলে আর না বানালে আমরা যেমন চাই তেমন খুজে নেব। বাংলাদেশে বসবাস করে আর বাংলা ভাষায় কথা বলে বলে যা ইচ্ছা তাই খাওয়াতে চাইবে তাই খাবো না।