নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

অসাধারন কিছু না পেলেও আশা করি সাধারন কিছুর অভাব থাকবে না

দেশ কিংবা মা...... এই দুইটা জিনিসই আমার সব চাইতে কাছের... তাই এদের প্রতিনিয়ত আগলে রাখার চেষ্টা করব......।।

আমিদ

সাধারন একটা ছেলে... মনের ভিতর অনেক কিছু উকি যুকি মারে যা কখনো হয়ে উঠেনা। অনেক কথা আছে যা কাউকে বলতে পারি না। তাই না বলা কথা গুলো কবিতা কিংবা গল্প আকারে মনের খাতার পাতা কিংবা মনিটরের খুপের ভিতর লিখে রাখি............ আর অনেক অনেক স্বপ্ন দেখতে পছন্দ করি.........।।

আমিদ › বিস্তারিত পোস্টঃ

জিনিয়াস পাপি...................

০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ২:০১



‎"প্রেম কইরাছেন ইউসুফ নবী

তার প্রেমে জুলেখা বিবি গো

ও তারা এক মরনে

দুজন মরে সইগো

এমন মরে কয় জনা

ডুব দিলাম না

এমন ভবের নদিতে সোই আমি ডুব দিলাম না"



এমন একটা গান আছে আমাদের দেশে , অনেকেই জানে অথবা মনে করে ইউসুফ (আঃ) হয়তো জুলেখা বানুর সাথে প্রেম করছে , ছোট বেলা আমিও ভাবতাম এমন কিছু , কিন্তু এখন জানি সত্য কি ?



ইউসুফ নবী কখনই জুলেখার প্রেমে পড়েন নাই , নবীর প্রেম ছিল আল্লাহ্‌র সাথে , আর কারো সাথে না , জুলেখার স্বামী ইউসুফ (আঃ) কে ক্রয় করে নিয়ে আসে , জুলেখা বানু ছোট কাল থেকেই ইউসুফ (আঃ) কে লালন পালন করে বড় করে , কিন্তু যখন ইউসুফ (আঃ) পূর্ণ যৌবনে আসে তখন নিঃসন্তান জুলেখার মনে কু-মতলব আসে , সে ইউসুফ (আঃ) কে তার ঘরে ডাকে আর যৌন কর্ম করার জন্য তাগিদ দেয় , কিন্তু আল্লাহ্‌র হাবিব সেই প্রস্তাবে রাজি না হয়ে যখন ঘর থেকে বের হতে যায় তখন জুলেখা পিছন দিক থেকে ইউসুফ (আঃ) জামা টেনে ধরে , তখন জামা পিছন দিক থেকে ছিরে যায় , দরজা খুলেই দেখে জুলেখার স্বামী (কোরআনে যার নাম এসেছে আযিয নামে - সূরা - ইউসুফ - ৩০ নং আয়াত) দরজায় দাঁড়ানো , স্বামী কে দেখে জুলেখা সব দোষ ইউসুফ (আঃ) উপর চাপিয়ে দেয় আর ইউসুফ (আঃ) কারাগারে নিক্ষেপের নির্দেশ দেয় , এই ঘটনা শুনে শহরের মহিলারা জুলেখাকে অসতী বলাবলি করে , পরে জুলেখা শহরের মহিলাদের জন্য ভোজের আয়োজন করে , আর সবার হাতে একটা ছুরি দেয় (অনেক জায়গায় এসেছে তাদের হাতে ছুরি আর একটা করে লেবু দেয়া হয়েছিল , কিন্তু কোরআনে এমন কিছুর উল্লেখ নেই ) ঠিক তখন ইউসুফ (আঃ) কে তাদের সামনে নিয়ে আসে , শহরের সমস্ত মহিলা ইউসুফ (সঃ) কে দেখে তাদের হাত কেটে ফেলে , আর তারা বলা বলি করে , এতো কোন মানুষ না , এ অবশ্যই ফেরেশতা ... বুঝাই যায় আমাদের ইউসুফ (আঃ) কত সুন্দর ছিলেন , আর ইউসুফ (আঃ) যে কোন পর-নারীর প্রমে পড়েন নাই তাও প্রমান হয় ।



তাই যেই সব আপু আর ভাইয়ারা ইউসুফ (আঃ) প্রেম করছে তবে আমরা করলে দোষ কি এই ধারনা নিয়া প্রেম লীলা করে তাদের কে আবারও সাবধান করি । ১৪ ফেব্রুয়ারিতে হয়তো অনেক মেয়ে আর ছেলে প্রেম লীলার নাম করে জুলেখার মত যৌন কর্ম করার পরিকল্পনা করে রাখছেন , আর এর পিছনে আপনাদের যে যুক্তি আসতে পারে তা হলো - একে অন্যের প্রতি বিশ্বাস প্রমান করা , কারন অনেক মেয়ে/ছেলে ভাবে যৌন কর্মের মত কর্ম করতে দিলে আর করলে উভয়ের প্রতি বিশ্বাস দেখানো হয় অথবা প্রমান হয় , তাদের বলি , বিশ্বাস দেখানোর পরে যে আপনাদের উভয়ের কেউ বিশ্বাস নষ্ট করবে না এর কোন গ্যারান্টি আছে আপনার কাছে , কারন বিশ্বাস কোন সুপারগুলু না যে একবার লাগলে আর ছুটে না , স্পর্শকাতর বিষয় থেকে সাবধান থাকাই বুদ্ধিমানদের কাজ ।



প্রচারেঃ- ⎝⏠⏝⏠⎠ জিনিয়াস পাপী ⎝⏠⏝⏠⎠ ব্যাচেলর পাপী⎝⏠⏝⏠⎠

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.