| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
এই ব্লগের সকল মৌলিক লেখার স্বত্ত্ব লেখকের।এখান থেকে কোনো লেখা লেখকের অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ, ছাপা, অনুলিপি করা গ্রহনযোগ্যনয়। তা সৃজনশীল কাজের পরিপন্থী। লেখা অন্য কোথাওপ্রকাশ, ছাপা করতে চাইলে লেখকের সম্মতি নিতে হবে। লেখকের ইমেল - [email protected]
নিউইয়র্ক বইমেলায় ২৮ জুন রোববার দুপুর আড়াইটায় ছিল অভিবাসী
লেখকদের বই নিয়ে আড্ডা। সন্চালক প্রাবন্ধিক আদনান সৈয়দ। কথা হচ্ছিল,কেন লিখি- কি লিখি ইত্যাদি বিষয়ে।
আড্ডার শেষ দিকে কানাডা থেকে আগত কবিবন্ধু সাইফুল্লাহ মাহমুদ দুলাল কিছু নির্মম সত্য কথা বলে বিতর্ক চাঙা করলেন।
তিনি বললেন, প্রবাসের অধিকাংশ লেখক ই প্রত্যাশা পূরণ করতে পারছেন না। অর্থাৎ লিখতে হলে তাদের আরো অধ্যবসায়, পড়াশোনা দরকার।
আর যায় কোথায় !
তার উপর প্রায় হামলে পড়লেন নিউইয়র্কের এক লেখক। তিনি বললেন,
দুলাল প্রবাসী লেখকদেরকে চপেটাঘাত করেছেন।
হেসে উঠলেন সমরেশ মজুমদার, হাসান আজিজুল হক।
আমি বললাম, দুলাল মিথ্যা বলেন নি। সাইফুল্লাহ মাহমুদ দুলাল সেই কবি ও সম্পাদক, যিনি ১৯৯১ সালে সুচিপত্র নামে একটা সাহিত্যপত্রের প্রবাসী লেখক সংখ্যা করেছিলেন।
৫০ জন লেখক ছিলেন সেই সংখ্যায়। ছিল লেখকদের ক্ষুদ্র পরিসরে
সাক্ষাতকার ও।
সেই সংখ্যার কথা অনেকেই জানেন না।
হাঁ , অধ্যবসায়ের কথা আসলেই আমরা তা আমলে নিতে চাইনা।
আমাকে আবার লেখাপড়া করার কথা বলে কোন শালা ! - এমন
একটা মানসিকতা অনেকের মনের নেপথ্যেই কাজ করে।
২
এই ব্লগে লেখালেখির সূত্রধরে আমাকে অনেকেই ব্যক্তিগতভাবে ইমেইল করেন। অনেক নবীন কবি তাদের কবিতা এ্যাটাচ করে বা লিংক দিয়ে
পাঠান। আমি পড়ি। আমার মনে হয় কবিতা টি আরো ভালো হতে পারতো। আমি সস্তা বাহবা দিতে বিশ্বাসী নই কখনও ই। তাই কাউকে
হয়তো লিখি - আরো পড়ুন। প্রস্তুতি নিন। তারপর লিখুন।
দেখি আমার এই মন্তব্যে তারা অখুশী হয়েছেন।
কেন অখুশী হন ? পড়ার তো কোনো বয়স নেই। লিমিটেশন নেই।
তাহলে পড়তে অসুবিধে টি কোথায় ? বই কিনে পড়া যায়। না হয় লাইব্রেরী থেকে ধার করেও পড়া যায়।
কিন্তু লেখকের পাঠাভ্যাস থাকবে না - এটা কেমন কথা ?
লিটল ম্যাগাজিন বা ছোট কাগজ সব সময়ই বিশ্ব সাহিত্যের মাঠ নিয়ন্ত্রণ
করেছে, করছে এবং করবে ।
সেই ছোট কাগজ কজন লেখক পড়েন ?
অধ্যবসায়ের কথা এলেই আমরা অনেকেই নিজের ব্যাস-বৃত্ত মাপা হচ্ছে
বলে ধরে নিই।
অথচ পড়াশোনার তো কোনো ব্যাস নেই , বৃত্ত নেই , সীমানা নেই।
০৪ ঠা জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৫:১২
ফকির ইলিয়াস বলেছেন: থ্যাংকস
২|
০৪ ঠা জুলাই, ২০০৯ সকাল ৯:৪৭
মিলটনরহমান বলেছেন: ইলিয়াস ভাই ভালো লাগলো। দুলাল ভাই পড়াশুনা করার কথা বলে কোন অন্যায় করেন নি। আমাদের প্রস্তুতির আগে লেখক হবার প্রবণতা বেশি। তবে এও ঠিক নিজের দিকে না তাকিয়ে অন্যকে উপদেশ দেওয়াও আমাদের ধাতস্ত। ভালো থাকবেন ইলিয়াস ভাই।
০৪ ঠা জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৫:১৪
ফকির ইলিয়াস বলেছেন: যারা উপদেশ দেবার মতো ক্ষমতা রাখেন, তারা সেই ঘাট পেরিয়ে এসেছেন নিশ্চয় ই।
পড়াশোনার কথা বলাটা কোনোমতেই ধৃষ্টতা নয়।
ভালো থাকুন।
৩|
০৪ ঠা জুলাই, ২০০৯ সকাল ১০:০১
না বলা কথা বলেছেন: আমাদের শুধু লেখকরাই না, প্রতিটি সেক্টরেই মেধার ঘাটতি রয়েছে।
০৪ ঠা জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৫:১৫
ফকির ইলিয়াস বলেছেন: সত্য বলেছেন। আে তা পূরণের জন্য সাধনার দরকার।
৪|
০৪ ঠা জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১২:১০
লাল দরজা বলেছেন: হুম, আমার মনে হয় প্রবাসীরা অধিকাংশই তাদের জীবনের দুঃখ/ সুখ, আশা/ নিরাশার কথা অন্যের সাথে ভাগবাটোয়ারা করার জন্যই মুলত লেখালিখি করেন। শেকড় হীন প্রবাস জীবনের বন্দীত্বের কথা আমরা কে না জানি! সেই জীবনে জার্ণালই আমরা প্রবাসের পত্রিকায় পড়ি, সে জীবনের ভাঙ্গা চুড়া ছন্দই হয়ত প্রবাসীদের কবিতা, গল্প ইত্যাদি ইত্যাদি। সেটা সব সময় হয়ত ব্যায়াকরণ শুদ্ধ নয় কিন্তু তাদের এই আবেগের প্রকাশ আমি আহতইবা করি কিভাবে! তবে চর্চার কথা যখন আসবে তখন ত পড়াশোনার কোন বিকল্প নাই সেটা বুঝি।
০৪ ঠা জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৫:২০
ফকির ইলিয়াস বলেছেন: লেখার- পড়ার অনেক উপাদান ও আছে এই প্রবাসে। তা খুঁজে পেতে
অধ্যবসায় দরকার। আবেগের ও শিল্পিত প্রকাশ হতে পারে।
আর তা হতে পারে বিশুদ্ধ মননশীল লেখা।
আবেগের প্রকাশ করতে গিয়ে যাচ্ছেতাই লিখে , আর সেই লেখার পিতৃত্ব-মাতৃত্ব দাবী করে মন্চ দখলের যে চেষ্টা হয় , তাকে কি বলা যায় !!
৫|
০৪ ঠা জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৫:৪৮
দিব০০৭ বলেছেন: ইলিয়াস ভাই, আপনার লেখটা চমৎকার অনেক সত্য কথা বলা হয়েছে, তবে একটু দ্বিমত পোষন করা যাক-- দুলাল ভাই বলেছেন প্রবাসের অধিকাংশ লেখকই প্রত্যাশা পুরণ করতে পারছেন না, অর্থাৎ দেশের লেখককেরা পারছেন। কিন্তু সত্যিই কি পারছেন? আর পড়াশোনার ব্যাপারটাতো সবার ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য শুধু প্রবাসী লেখকদের ক্ষেত্রে হবে কেন? আসলে আমাদের স্টার লেখ্করা প্রবাসী লেখকদের অথবা প্রবাসী লেখাকে তেমন গুরুত্ব দিতে চান না। কোন বইমেলায়/ সাহিত্য আসরে এসে পিঠ চাপরে গেলেন তারপরে দেশে গিয়ে সাবান দিয়ে হাত মুছে ফেলেন। আমি মনে করি অনাবাসী/ অভিবাসী/ প্রবাসী সাহিত্য যে নামেই আক্ষ্যায়িত করা হোক না কেন তা কোন অংশেই মূল বাংলা সাহিত্য থেকে কম নয়। শুধু প্রয়োজন দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন।
প্রবাসের লেখকদেরও হ্যাংলামি বন্ধ করতে হবে। দেশের লেখকদের সার্টিফিকেট আশা না করে নিজের বিশ্বাসে দাঁড়ানো শিখতে হবে। বিভাজনের ফাঁদে পা দেবেন না। মনে রাখবেন
প্রবাসী বা দেশী লেখক কেউ না যারা বাংলা ভাষায় লিখেন তারা সবাই বাংলা সাহিত্যের লেখক।
০৪ ঠা জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩৭
ফকির ইলিয়াস বলেছেন: দেশের কথা এখানে আসছে কেন ? দেশের লেখকরা পারছেন - সেটা দুলাল বলেন নি।
বিদেশে লেখালেখির রসদ আছে প্রচুর। সেটা কাজে লাগাবার কথাই
গুরুত্বের সাথে বলা হয়েছে।
প্রবাসের দু একটা কাগজেই লিখেই ''আমি বড় কবি'' - তা দাবী করা যৌক্তিক নয়। লেখালেখি একটা সমসাময়িক প্র্যাকটিসের নাম।
প্রবাসে অনেকেই ভালো লিখছেন, সন্দেহ নেই।
তবে মোড়লীপনারও অভাব নাই।
দু ঘন্টা লেখার আগে ১০ ঘন্টা পড়া উচিৎ । কথাটা আমার নয় , কথাটা
মার্কিন কবি জেমস টেট এর।
বাংলা ভাষার লেখক আমরা সবাই - এ কথাটা বলে মূলস্রোতে মিশার
চেষ্টা করার আগে প্রস্তুতি চাই। সেটাই মুখ্য বলতে চেয়েছেন দুলাল।
৬|
০৫ ই জুলাই, ২০০৯ সকাল ৮:৫৭
সৈয়দ আফসার__১৯৭৯ বলেছেন: ইলিয়াস ভাই,
পাঠের কোন বিকল্প হতে পারে না।
পাঠেই তৃপ্তি, পাঠেই চিন্তার মুক্তি।
ভাল থাকুন।
০৫ ই জুলাই, ২০০৯ সকাল ১০:৪৭
ফকির ইলিয়াস বলেছেন: খুবই ঠিক বলেছেন। ধন্যবাদ
©somewhere in net ltd.
১|
০৪ ঠা জুলাই, ২০০৯ সকাল ৯:১৬
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন: সুন্দর বলেছেন|
(প্লাস)