| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আমাদের যে সত্যি ভোম্বল দাস অবস্থা তা আমাদের গৎ বাঁধা আধাখেঁচড়া কথাতেই বুঝা যায়। সব সময় বলি দু’ নেত্রী, দু’নেত্রী। এই গৎটা ছেড়ে সোজা সাপটা - যে দোষী তাকে ধরা যায়না? দেশটা কে চালাচ্ছে? ক্ষমতা কার হাতে? তাকে জবাবদিহিতায় না এনে, যে ক্ষমতাহীন তাকে কেন টেনে আনি? যখন অপরাধীকে চিহ্নিত না করে দু’ নেত্রী দু’ নেত্রী করি তখন সেই অপরাধীকে বরং আশকারা দেয়া হয়। শেখ হাসিনার ক্ষমতালোভের যে দুরারোগ্য ব্যাধি তার প্রভাবে পুরো দেশইতো লেজেগোবড়ে। সব কিছু কব্জা করে পুরো দেশ কেন, বাকি বিশ্বকেও সে বুড়ো আঙুল দেখাচ্ছে। সংবিধান রক্ষার দোহাই দিয়ে খোদ সংবিধানের উপরই প্রতিদিন সে ও তার সরকার মল মুত্র ত্যাগ করছে। তার সর্বগ্রাসী ক্ষমতালোভের বিরুদ্ধে মাত্র একটি ব্যাক্তি মাথা উঁচু করে এখনো প্রতিরোধ করে যাচ্ছে। আর তা হল খালেদা জিয়া। সে তো বলছেনা কালই আমাকে প্রধানমন্ত্রী করে দাও। সে বলছে –নিরপেক্ষ নির্বাচনের কথা যেখানে সব দলই সমান সুযোগ পাবে জনগনের কাছে যাওয়ার। সেই নির্বাচনে কে জয়ী হবে, সেটা নির্বাচনের পরে বলা যাবে। আজ যদি এই খালেদা জিয়া না থাকে, কাল থেকে আর কোন সলিমুদ্দি, কলিমুদ্দির ঘাড়ে মাথা থাকবেনা যে হাসিনার বিরুদ্ধে কথা বলবে। এবং সেটা যদি ঘটে, তখন পুরো বাংলাদেশ হবে একটা দাস জাতি। বর্তমানে যেভাবে ১৫৪টা আসন বিনা ভোটে নির্বাচিত করার কৌশল দেখানো হল, আগামীবারে সেটা পুরো ৩০০ আসনেই হবে। তখন পরম্পরায় তারা থাকবে সব দন্ডমুন্ডের কর্তা। বাকীরা দাস। সুতরাং সময় থাকতে সবাই আসুন খালেদা জিয়াকে সমর্থন দেই। সে জিতলে বাংলাদেশ বাঁচবে। একটা বিষয় নিশ্চিত খালেদা জিয়া বাকশাল কায়েম করবেনা। বাকশালী হুজুগ শুধু আওয়ামী লীগেরই আছে। এটা ঐতিহাসিক সত্য।
০২ রা জানুয়ারি, ২০১৪ রাত ৮:৩৮
ফয়েজ কবির বলেছেন: বাকশাল বুঝতে ১৯৭৪ এ যাবার প্রয়োজন নেই. বর্তমানের দিকে তাকালেই বুঝা যাবে. বিরোধীদের সপাটে কারাগারে পুরে, গায়ের জোরে দেশ শাসনের যে পদ্ধতি ও মানসিকতা তাই বাকশাল। এই বাকশালে লাভবান হয় একমাত্র শাসকরা. জনগণ হয় দাস.
২|
০১ লা জানুয়ারি, ২০১৪ সকাল ৭:৪৬
মুহসিন বলেছেন: এদেশ যে দল স্বাধীন করেছে তাকে বাদ দিয়ে অন্যদল শাসন করবে?
০২ রা জানুয়ারি, ২০১৪ রাত ৮:৩৮
ফয়েজ কবির বলেছেন: বলেছেন: কোন দল দেশ স্বাধীন করেছে তা নিয়ে তর্ক বিতর্ক অনেক হতে পারে। যা তর্কাতীত তা হল বাংলাদেশ স্বাধীন করেছে বাংলাদেশের জনগণ। যে দল বিরোধিতা করেছে সেটাও তর্কাতীত। জামাত বিরোধিতা করেছে এটা ধ্রুব সত্য। যে কারনই দেখানো হোক.তাতে জামাতের দায় কমেনা. মৃত্যুর আগ পর্যন্ত প্রত্যেক জামাতির প্রতিদিন একবার করে স্বাধীন বাংলাদেশের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে তাদের ভুলের জন্য। জামাতেরই উচিত যুদ্ধাপরাধের বিচার দাবি করা, ১৯৫ জন পাকিস্থানী যুদ্ধাপরাধী সৈন্যের বিচার দাবি করাটা জামাতের নিজের প্রয়োজনেই করা উচিত। এক দলীয় শাসন কোনো কালেই কারো জন্য মঙ্গল আনেনি। বাংলাদেশে বহু দল বহুমত থাকবে। যে দল ভালো কাজের মধ্যমে জনগনের ভয় ভীতিহীন ভোটে নির্বাচিত হবে তারাই দেশ শাসন করবে.
©somewhere in net ltd.
১|
০১ লা জানুয়ারি, ২০১৪ ভোর ৪:৩৩
কলাবাগান১ বলেছেন: "একটা বিষয় নিশ্চিত খালেদা জিয়া বাকশাল কায়েম করবেনা"
বাকশাল বুঝেন??
কিন্তু একটা জিনিস করবে সেটা রাজাকারদের ছেড়ে দিয়ে গাড়ীতে আবার পতাকা তোলার ব্যবস্হা হবে