| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
হাশেম
আমি তোমার মনের ভেতর একবার ঘুরে আসতে চাই, আমায় কতটা ভালবাসো সেই কথাটা জানতে চাই...
![]()
বন্ধু'র ডাচ-বাংলা ব্যাংক এর বুথে কার্ড আটকে যায়।
মেশিনে কার্ড থেকে গেলে সাধারণত রিপোর্ট করে সাইন দিয়ে সেটি নেয়া যায়। ব্যস্ততার কারণে সে ব্যাংকে যেতে পারেনি, ভেবেছে কার্ড হারিয়েছে তো কি হয়েছে তার সিক্রেট নাম্বারতো কেউ জানেনা।
পাচঁ দিন পর সে ব্যাংকে গিয়ে কার্ড হারানোর কথা বলে এবং তার ব্যালান্স চেক করে দেখে ছয় লক্ষ টাকার মধ্যে এক লক্ষ টাকা নেই...
তার'তো মাথায় হাত। স্টেটম্যান্ট নিয়ে দেখে বৃহস্পতি ও শুক্রবার সন্ধার পর কেউ ৫০ করে দুই দিনে ১ লক্ষ তুলেছে। (কার্ডে একদিনে ৫০ হাজারের বেশি উঠানো যায়না) ব্যাংকের কেউ কার্ড পাবার কথা স্বীকার করছেনা।
এখন প্রশ্ন হচ্ছে:
☆কার্ড মেশিনে আটকে গেলে ব্যাংকের কর্মকর্তারাই মেশিন থেকে সেটি বের করে, অন্য কেউ কার্ড পাবার কথা নয়।
☆ব্যাংক থেকে কার্ডের সাথে যে সিক্রেট নাম্বারটা পাঠিয়েছে সেটি আমার বন্ধু আর পরিবর্তন করেনি। অন্য কেউ কার্ড পেলেও পাসওয়ার্ড জানবে কিভাবে?
☆প্রথম দুই দিনও চোর কার্ড দিয়ে টাকা উঠাতে পারতো, তাহলে সে আরো ১ লাখ পেত। কিন্তু সে অফিস আওয়ারের পর ও ছুটির দিনে চুরি'টি করেছে।
ব্যাংক কর্মকর্তাদের মধ্যে কেউ খুব চালাকির সাথে ডাটা কালেক্ট করে এটি করেছে বলে মনে হচ্ছে। এখন আমরা ভিডিও ফুটেজের অপেক্ষায় আছি, ব্যাংক সি.সি.টিভি ক্যামেরায় রেকর্ড করা ভিডিও দিলে যদি কিছু করা যায়...
হয়তো টাকা আর ফেরৎ পাওয়া যাবেনা, কিন্তু অন্য কারো যেন এমন ভোগান্তি না হয় সেই দিকটা খেয়াল করে এই পোস্ট।
যারা এ.টি.এম কার্ড ব্যবহার করেন লক্ষ্য রাখবেন:
☆কার্ড কখনো মেশিনে আটকে গেলে/ হারিয়ে গেলে সাথে সাথে রিপোর্ট করতে ভূলবেন না।
☆কার্ডের সাথে ব্যাংক যে পাসওয়ার্ড পাঠায় সেটি অবশ্যই পরিবর্তন করবেন। নতুন পাসওয়ার্ড যেন কেউ না জানে।
আপনার কষ্টের টাকা হারিয়ে যাবার বিপদ থেকে সতর্ক থাকুন।
২|
১১ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ২:৩৮
হাশেম বলেছেন: আপনাকে ও ধন্যবাদ।
৩|
১১ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ২:৫৮
নাজিরুল হক বলেছেন: আমাদের এখানে কার্ড হারালে দু এক ঘন্টার মধ্যে জানাতে হয়। নইলে টাকা হারালে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ দায়ী না। কারন তারা তখন সে ব্যাংক একাউন্ট হোল্ড করে দেয়। যার একাউন্ট সে যখন রিকোয়েস্ট করে, তখন আবার চালু হয়।
৪|
১১ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ৩:১১
হাশেম বলেছেন: প্রশ্নটা হচ্ছে: কার্ড পেলেও পাসওয়ার্ড ছাড়া কারো টাকা তোলা অসম্ভব।
কিন্তু সেই অসম্ভব কাজটি সম্ভব হয়ে গেল কিভাবে?
কারণ যার হাতে কার্ড গেছে সে কার্ড জমা না দিয়ে আই.টি'র হেল্প নিয়ে সিক্রেট নাম্বার বের করে চুরিটা করেছে..
ব্যাংক কতৃপক্ষ এ ব্যপারে নিঃশ্চুপ কারণ এটা জানাজানি হলে তাদের গুডওয়েল যাবে অথবা এমন ঘটনা আরো ঘটেছে...
৫|
১১ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ৩:১৭
নাজিরুল হক বলেছেন: কার্ড পাইলে পাসওয়ার্ডের অভাব হয় নাকি? ব্যাংকের দূর্নীতিবাজ কর্মচারীরা আছে না। কিন্তু জিজ্ঞাসা করলে সরাসরি অস্বিকার করবে।
৬|
১১ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ৩:২০
হাশেম বলেছেন: হ্যাঁ ভাই, সেটাই হয়েছে...
ধন্যবাদ আপনাকে।
৭|
১১ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ৩:৩০
দেশী পোলা বলেছেন: ডাচবাংলার এটিএম মেশিন গুলো রদ্দিমার্কা, আমারও কার্ড আটকে গিয়েছিল।
এজন্য আমি সব সময় স্ট্যান্ডার্ড চার্টারের এটিএম ব্যাবহার করি
৮|
১১ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ৩:৩০
দূরন্ত বলেছেন: শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
১১ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ৯:৩৫
হাশেম বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।
৯|
১১ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ৩:৫৮
রন্টি চৌধুরী বলেছেন: কার্ড আটকে যাবার পর যে লোক পাচদিন পর্যন্ত বসে বসে আঙুল চুষে তার একাউন্টের মাত্র এক লাখ গেছে...সেটা বড্ড কম। আরও বেশী যাওয়া উচিত ছিল।
১১ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ৯:৩৯
হাশেম বলেছেন: ব্যাপারটা হচ্ছে কার্ড হারালে যে ব্রাঞ্চ থেকে একাউন্ট করেছেন সেখানে যেতে হয়। জায়গাটি দুরে হওয়াতে আর ফ্যাক্টরীতে কাজের চাপ বেশি থাকায় সে যেতে দেরি করেছে।
১০|
১১ ই মার্চ, ২০০৯ ভোর ৪:১২
লুথা বলেছেন: আমার কোন কার্ড নাই।
আমি শান্তি তেই আছি
১১ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৫:১৫
হাশেম বলেছেন: হুম মনে হয় আপনিই সব চেয়ে সূখী মানুষ।
১১|
১১ ই মার্চ, ২০০৯ ভোর ৪:২৯
বেক্কল বলেছেন: আপনার বন্ধুত আমার চেয়েও বেক্কল
হা হা হা
১১ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ৯:৪০
হাশেম বলেছেন: আপনি যাতে বেক্কলি না করেন তাই আগ-ভাগে আপনাকে জানাইয়া দিলাম।
১২|
১১ ই মার্চ, ২০০৯ ভোর ৫:৪৯
আনাড়ী বলেছেন: রন্টি চৌধুরী বলেছেন: কার্ড আটকে যাবার পর যে লোক পাচদিন পর্যন্ত বসে বসে আঙুল চুষে তার একাউন্টের মাত্র এক লাখ গেছে...সেটা বড্ড কম। আরও বেশী যাওয়া উচিত ছিল
__________
সহমত। বেকুব তো আর গাছে ধরে না, বেকুব মাইনষের পেটেই জন্মায়।
১১ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ৯:৪১
হাশেম বলেছেন: হুম, আমরাও তাকে বেকুব ডাকতাছি....
১৩|
১১ ই মার্চ, ২০০৯ ভোর ৬:১২
নুশেরা বলেছেন: রন্টি চৌধুরী বলেছেন: কার্ড আটকে যাবার পর যে লোক পাচদিন পর্যন্ত বসে বসে আঙুল চুষে তার একাউন্টের মাত্র এক লাখ গেছে...সেটা বড্ড কম। আরও বেশী যাওয়া উচিত ছিল। ----- সহমত।
আমার অভিজ্ঞতা সাম্প্রতিক। চট্টগ্রামে স্ট্যান্চার্টের একটা ব্রাঞ্চ ছাড়া আর কোথাও বিদেশের ব্যাঙ্কের ডেবিট কার্ড নেয়না। সেখানে কার্ড ঢুকিয়ে পিন দেয়ার পর সিস্টেম এরর দেখিয়ে মেশিন অকেজো হয়ে গেল। এটিম বুথ ব্যাঙ্কের বাইরে। শনিবারে অল্প কয়েকজন স্টাফ থাকে ব্যাঙ্কে। তাদের কাছে গিয়ে ঘটনা বোঝানোই মুশকিল। একজন পরামর্শ দিল পরের দিন এসে ম্যানেজারকে লিখিত অভিযোগ জানান
(বাংলাদেশে শুধু সরকারী আমলারই দোষ দেখি আমরা)।
জীবনে কিছু পুণ্য ছিল; তার বদৌলতে আধঘন্টা মেশিন থাপড়ানোর পর কার্ডটা বের হয়ে আসে। কিন্তু ব্যালেন্স আর দেখায় না। তখন নেট থেকে দেখতে হলো লোকসান হলো কিনা। আমার হয়তো তেমন বেশী টাকা ছিলনা। কিন্তু ব্যবসায়ী বা অর্থশালী কারও অনেক বেশী সতর্কতা কাম্য। আমার শিক্ষা হলো, বাংলাদেশে এটিএম বুথে যেতে হলে সঙ্গে কাউকে নিয়ে যাওয়া উচিত; এধরণের ঘটনা ঘটলে যাকে ব্যাঙ্কে পাঠিয়ে রিপোর্ট করা যাবে।
১১ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৬
হাশেম বলেছেন: আপনার ভাগ্য ভাল তাই, থাপ্পর খেয়ে মেশিন কার্ড বের করে দিয়েছে। এ.টি.এম ও ধোলাই চিনে বুঝা যাচ্ছে।
সবার হাতের ছোঁয়া তো আর পবিত্র না...
বর্তমানে এ.টি.এম. এর আরো সমস্যাগুলো হচ্ছে: বুথে কারেন্ট থাকেনা, মেশিন নস্ট, অনলাইনে সমস্যা, টাকা থাকেনা, স্লিপ'তো প্রায় সময়ই থাকেনা।
তবে মেশিনের সমস্যা সাথে কাউকে নিয়ে গেলেও সমাধান হবেনা। নিজেকে ব্যাংকে উপস্হিত থেকে সলভ করতে হবে।
ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।
১৪|
১১ ই মার্চ, ২০০৯ ভোর ৬:১৭
কঁাকন বলেছেন: @ নুশেরাপু পোষ্ট ড্রাফটে কেন?
১৫|
১১ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ৭:০১
লুকার বলেছেন:
কার্ড ছাড়াই ব্যাংক গ্রাহকরে কোন কিছু না জানইয়াই তার একাউন্ট থেইকা টাকা তুইলা নেয় নানারকম ফি এর বাহানা কইরা।
আপনের দোস্তের টাকা চুরিতে অবশ্যই ব্যাংকের লোকের হাত আছে। কার্ড ফেরৎ পাওয়ার পর অনেকেই ব্যালান্স চেক করে না বা আগে কত ছিল খেয়াল থাকে নাম তাই চুরি হইল কিনা বুঝে না। ফোন কইরা ব্যালান্স জানতে গেলে আপনের বৃত্তান্ত, চৌদ্দগুষ্টির নাম ঠিকানা কইয়াও প্রমাণ করতে পারবেন না যে একাউন্টটা আপনের। কার্ড নানা কারণে আটকায়া গেলে আবার ফেরৎ পাইতে কয়েকদিন লাগে। মেশিনগুলা নষ্ট থাকা তো কমন ব্যাপার। আমার ব্র্যাক ব্যাংকের কার্ড একবার এক্সপায়ার হইছে কইয়া আটকাইয়া দিল শুক্রবারে, দরক্ষাস্ত দিয়া ম্যানেজারের তেরাকথা শুইনা ১৪ দিন পর ক্যুরিয়ারে সেই কার্ড পাইছি, হাতে দেয় নাই, আবার পাসওয়ার্ড আনতে হইছে ব্যাংকে গিয়া। ফলে জরুরী কেনাকাটা করতে পারি নাই, বাসাভাড়া দিতে পারি নাই। আমার টাকা ব্যাংকে রাইখা আমিই তুলতে পারি না, আবার বাজে ব্যবহার করে আর ফি কাইটা রাখে। এর থেইকা টাকা মাটিতে পুইতা রাখা ভাল।
১১ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৩
হাশেম বলেছেন: হুম, ভাল বুদ্ধি। আগের যুগের মতো টাকা মাটির নিচে পুইতা রাখন লাগব।
আসলে কার্ডের সুবিধাও অনেক। ২৪ ঘন্টা টাকা তোলা যায়।
আমাদের দেশের ব্যাংক গুলোর সার্ভিস ভালো হতে আরো সময় লাগবে..
আপনার কার্ড নিয়ে দেখি অনেক ভোগান্তি হয়েছে...
ভাল থাকবেন।
১৬|
১১ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ৭:২৩
শিশু বলেছেন: ব্যাপারটা থানায় জিডি করা হয়েছে আশা করি। সিসিতিভি থেকে কি কিছু পাওয়া যাবে? মনে হয় ঘটনা ব্যান্কের ভেতরে হয়েছে, বুথে নয়। মনে পড়ছে কিছুদিন আগে সোনারগা হোটেলের কর্মচারীরা সিলেটি গেস্টদের বিদেশী কার্ড ব্যবহার করে বেশ পয়সা কামিয়েছিলেন।
১১ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৬
হাশেম বলেছেন: আমরা ভিডিও ফুটেজের অপেক্ষায় আছি..
সনাক্ত করতে পারলে পেপারে ছবি তুলে দেব। স্টেটম্যান্ট দেখে বুঝা যাচ্ছে টাকাটা উঠানো হয়েছে বুথ থেকেই।
১৭|
১১ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ৭:২৮
বজ্রাহত বলেছেন: রাস্তার পাশে, অলিতে গলিতে ডাচ বাংলাব্যাংকের এটিএম বুথ দেখে খুব ভালো লাগতো। ভাবতাম: প্রযুক্তি ব্যবহারের দিকে অন্ত:ত একটি ব্যাংক যথার্থ গুরুত্ব দিচ্ছে। ব্যাংকে অ্যাকাউন্টও খোলার কথা ভাবছিলাম।
কিন্তু, ইদানিং সেই শখ মিটে গেছে। ডাচ বাংলা ব্যাংকের অনেক প্রতারণার কথা জেনেছি। তাদের সার্ভিস বেশ খারাপ। এটিএম বুথের অভাব নেই কিন্তু অধিকাংশ সময়ই সেগুলো নষ্ট থাকে। প্রয়োজনের সময় আপনার নিকটস্থ কোনো বুথ থেকে টাকা পাবেন কি না সে নিশ্চয়তা নেই!
এদের বুথে গিয়ে একজন গ্রাহক যে কথাটা জিজ্ঞেস করে তাহলো : "মেশিন ভালো আছে তো?"।
আমার এক বন্ধুর অ্যাকাউন্ট আছে এই ব্যাংকে, তার বেশ কিছু ভোগান্তির প্রত্যক্ষদর্শী আমি।
এখন আমার উপলব্ধি হলো: ডাচ বাংলা ব্যাংকে অ্যাকাউন্ট খুলবো না!! প্রসঙ্গত: স্ট্যান্ডার্ন্ড চার্টাড ব্যাংকে অ্যাকাউন্ট খোলার সুযোগ হয়েছিল। তাদের সার্ভিস এখন পর্যন্ত খারাপ মনে হয়নি। এদেশের পেক্ষাপটে স্ট্যান্ডার্ড বলা যায়।
১১ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৫:০০
হাশেম বলেছেন: আমি এইস,এস.বি.সি ব্যাংকের একাউন্ট ক্লোজ করে ডাচ-বাংলা ব্যাংকে একাউন্ট করেছি শুধুমাত্র বুথ এভেইল এভেল থাকার কারনে...
কিন্তু তাদের সার্ভিস ভালনা এটা সত্য।
আর বিদেশী ব্যাংক গুলোর সার্ভিসের চেয়ে দেশী গুলোর তুলনা করাটা বোকামী...
১৮|
১১ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ৮:৫৪
অমাবশ্যার চাঁদ বলেছেন: রন্টি চৌধুরী বলেছেন: কার্ড আটকে যাবার পর যে লোক পাচদিন পর্যন্ত বসে বসে আঙুল চুষে তার একাউন্টের মাত্র এক লাখ গেছে...সেটা বড্ড কম। আরও বেশী যাওয়া উচিত ছিল।
১১ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৫:০১
হাশেম বলেছেন: এটা চোরের দয়া..
নাহলে আরো এক লক্ষ টাকা চলে যেত।
১৯|
১১ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ৯:১৪
ডিজিটালভূত বলেছেন: আমি কামনা করি আপনি টাকাটা যেন ফরত পার। পাইলে আমাকে কিছু দিয়েন। তার চেয়ে বেশী পেলাম আপনার অভিজ্ঞতা। এটা কাজে লাগবে।
১১ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৫:০৩
হাশেম বলেছেন: ভাই টাকার আসা আমরা ছেড়ে দিয়েছি। আপনারে দিমু ক্যামনে?
অভিজ্ঞতা টা দিলাম।
২০|
১১ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ৯:৪৭
মাসুদ আনিস রহমান বলেছেন: আমার স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ডেবিট কার্ড আছে, তবে আমি বেশীরভাগ সময় ডাচ-বাংলা বুথ থেকে উঠাই। তবে মেজাজ খারাপ হয় যখন দেখি বাসার পাশের বুথটা নষ্ট থাকে।
এক্সপেরিয়েন্সটা শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
১১ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৫:০৩
হাশেম বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।
২১|
১১ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ১০:২১
জরিণা বলেছেন: @বজ্রাহত বলেছেন: রাস্তার পাশে, অলিতে গলিতে ডাচ বাংলাব্যাংকের এটিএম বুথ দেখে খুব ভালো লাগতো। ভাবতাম: প্রযুক্তি ব্যবহারের দিকে অন্ত:ত একটি ব্যাংক যথার্থ গুরুত্ব দিচ্ছে।
--**-- আসলে প্রযু্ক্তি খারাপ না। সমস্যা হলো আমরা প্রযুক্তিকে সঠিক ভাবে ব্যবহার করতে পারিনি। অপব্যবহার করছি।
---**---স্ট্যান্ডার্ন্ড চার্টাড ব্যাংকে অ্যাকাউন্ট খোলার আগে তাদের সার্ভিস চার্জ জেনে নিবেন। কেননা বাংলাদেশে ব্র্যাক বাংক আর স্ট্যান্ডার্ন্ড চার্টাড ব্যাংক গলাকাটা সার্ভিস চার্জ নেয়। আর এটিএম বুথ গোটা কয়েক ওরাও নির্ভরশীল ডাচ্ বাংলা ব্যাংকের উপর। তাই ব্র্যাক ও স্ট্যান্ডার্ন্ড চার্টাড ব্যাংক কে সার্ভিস চার্জের জন্য বর্জন করছি।
=== ডাচ বাংলা ব্যাংকের সার্ভিস এর ক্ষেত্রে খুব বেশি সময় নেয় এটা সত্য। যেটা তারা অতিদ্রুত করা সম্ভব। কাস্টমারা তাদের প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করলে কর্তৃপক্ষ নিশ্চয় কোন ব্যবস্থা নিবেন আশা করি।
১১ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৫:০৯
হাশেম বলেছেন: ডাচ বাংলা ব্যাংকের সার্ভিস এর ব্যাপারে ক্লায়েন্টরা বিরক্ত। কিন্তু তাদের এ ব্যাপারে কোন মাথা ব্যাথা নেই।
আপনার কথাই ঠিক: আমরা প্রযুক্তিকে সঠিক ভাবে ব্যবহার করতে পারিনি। অপব্যবহার করছি। ধন্যবাদ আপনাকে।
২২|
১১ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:৪১
অকৃতকার্য বলেছেন: ডাচ বাংলা ব্যাংক এর ধানমন্ডি শাখা খুব হেল্পফুল। কোন দরকার হলে এরা আমাকে ফোন করে মোবাইলে।
এছাড়া, পাচদিন পরে খবর নিতে যাওয়াটা গাধামী। ডি.বি.বি.এল. এর কার্ড ডিভিশন আলাদা, তাদের ২৪ ঘন্টা হটলাইন আছে। কার্ড হারানোর সাথে সাথে উচিৎ ছিল ফোন করে জানানো। ওরাও সেটাই সাজেস্ট করে। স্বশরীরে ব্যাংকে গিয়ে রিপোর্ট করার দরকার হয়না।
অসচেতনতার কারনে আক্কেল সেলামী দিয়েছেন। টাকার হারানোর ঝুকি এবং অসৎ লোক আছে বলেই তো এত ব্যবস্থা, নাহলে টাকা তো ম্যট্রেসের নিচেই রাখতো লোকে। সচেতন/সাবধান না হলেই ধরা।
২৩|
১১ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৯
হাশেম বলেছেন: চোর পালালে বুদ্ধি বাড়ে...
যখন কার্ড হারিয়েছে তখন সে ভেবেছে পাসওয়ার্ড তো কেউ জানেনা।
আর ব্যস্হতার কারনে সে রিপোর্ট করতে পারেনি...
২৪|
১৮ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:১২
শিবলী রহমান বলেছেন: বর্তমানে এ.টি.এম. এর আরো সমস্যাগুলো হচ্ছে: বুথে কারেন্ট থাকেনা, মেশিন নস্ট, অনলাইনে সমস্যা, টাকা থাকেনা, স্লিপ'তো প্রায় সময়ই থাকেনা।
সহমত
২০ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১:১১
হাশেম বলেছেন: ধন্যবাদ, শিবলী ভাই...
২৫|
০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:৪৪
মহসিন০৮ বলেছেন: খুবই দু:খজনক এমন হলেতো মানুষ আস্থা হারিয়ে ফেলবে Click This Link
০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:৪৯
হাশেম বলেছেন: তারপরও বেশিরভাগ লোক ডাচ-বাংলাতে একাউন্ট করে শুধুমাত্র এভেইলএবল এটিএম সুভিধার জন্য...
২৬|
০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:০৭
আমি হনুমান বলেছেন: ব্যাঙকের লোকই ট্যাকা চুরি করছে।
যা করবেন কারড লক হইলে
লাথি দিয়া মেশিন বিকল কইরা ফালাইবেন তার পর বুথ পাহারা দিবেন
)
২৭|
০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:৩৯
নীড় ~ বলেছেন: রন্টি চৌধুরী বলেছেন: কার্ড আটকে যাবার পর যে লোক পাচদিন পর্যন্ত বসে বসে আঙুল চুষে তার একাউন্টের মাত্র এক লাখ গেছে...সেটা বড্ড কম। আরও বেশী যাওয়া উচিত ছিল। ----- সহমত।
২৮|
০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:৩৯
হাশেম বলেছেন: দারুন বলছেন,
যতক্ষন পর্যন্ত টাকা ফেরত পাওয়া না যায় মেশিন পাহাড়া দিতে হইব...
©somewhere in net ltd.
১|
১১ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ২:৩৭
মিশুক - ঢাকা বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে, ব্যাপারটা শেয়ার করার জন্য।