নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

চমকিয়া উঠে মোর ধ্যানের কৈলাসে\nমহামণি যোগিন্দ্র শীব

হিজ মাস্টার ভয়েস

ভুল করবার অধিকার

হিজ মাস্টার ভয়েস › বিস্তারিত পোস্টঃ

রঙ্গনঃ একটা ফুলের নাম

১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৫০


সন্ধা পেরিয়ে গিয়েছে। হু হু বাতাস বইছে শীত শেষে শুরু'র বসন্তে। পাতলা একটা চাদরে মাথা ঢেকে শুয়ে আছে রঙ্গন। বসন্তের সন্ধা গুলতে এক ধরনের মাদকতা ছড়ানো বাতাস বয়ে চলে। শরীরের কোথাও যেন শিরশিরে টান ধরে রঙ্গনের। অজান্তে তার নিজের হাত টেনে ধরে বক্ষ বন্ধনী। বুঝতে পেরে বেশ লজ্জা পেয়ে যায় সে। মূহুর্তে নিজের হাত সরিয়ে ফেলে। অথচ মনা পাশের ঘরে পড়তে বসেছে। ঘন্টা দুয়ের ভেতর তার এ মুখো হবার কোন সম্ভবনা নেই। শুধু মনা কেন কেউই আপাতত আসবে না এ ঘরে। রঙ্গনের স্বামী আলী গত ছমাস যাবত নিখোঁজ। প্রথম ক মাস চোখের জলে বুক ভিজিয়ে সারা শহর চষে আলী কে খুঁজেছে মনা আর রঙ্গন। শহরের প্রতিটি থানা, বাস ষ্টপেজ, রেল স্টেশন, হাসপাতাল আর মর্গ এমন কোন জাইগা নেই যেখানে রঙ্গন পা ফেলেনি। শহরের সব প্রভাবশালী লোকজন থেকে আরাম্ভ করে এলাকার টাউট বাটপার - এমন কেউ বাদ পরেনি যেখানে স্বামীকে খুঁজে পেতে অনুনয় বিনয় করেনি সে। বড় বড় মাথা গুলো শুধুই লোলুপ দৃষ্টিতে আশ্বাস দিয়েছে। যেন শিকার এসেছে হাতের নাগালে। আর ছোটখাটো টাউট বাটপার গুলোর পেছনে টাকার পর টাকা শুধু খরচাই হয়েছে। অশুচি ছোঁয়া থেকে বহু কষ্টে নিজেকে রক্ষা করেছে সে। মাস দুয়েক হল হন্য হয়ে খুঁজাখুঁজি তে ইস্তাফা দিতে হয়েছে তারে। আলী বাড়িতে টাকা-পয়সা যে খুব কম রেখে নিরুদ্দেশ হয়েছিল তা নয়। বরং বিপদে আপদে অন্ততপক্ষে ৬ মাস চলার মত ব্যবস্থা সব সময় করে রাখতো। তবে সেসব টাকাপয়সা মাত্র ২/৩ মাসেই সুযোগ সন্ধানি বাটপারদের পকেটে তুলে দিয়ে এখন প্রায় নিঃস্ব অবস্থায় পৌঁছেছে রঙ্গনরা।



**
আপাতত স্বস্তি অনুভব করার কথা আলী'র। কারন ইতিমধ্যে তার টাইট করে গামছা জাতীয় কিছু দিয়ে বাঁধা চোখ খুলে দেয়া হয়েছে। চোখ খুলে দেয়া হলেও সামনে কিছু দেখতে পারছেনা সে। আলী জানে গেষ্টাপোদের নিয়ম বড্ড টনটনে। চেক নকশা'য় পাতলা কাপড়ে চোখ বাঁধা থাকলে খুব সম্ভাবনা সে বেঁচে বর্তে বাড়ি ফিরবে। আর কালো কাপড়ে চোখ হাত বান্ধা হলে তা আজরাইলের আগমনী সিগন্যাল। আলী ভেবে পাচ্ছে না তাকে অন্ধ করে দেয়া হয়েছে কি না। বিদঘুটে অন্ধকারে চোখের অন্ধত্ব বুঝা দায় বটে।

আজ বাদে ৬ মাস একটানা বাধা ছিল তার চোখ। হাতকড়া ছিল দুহাতে। জেলখানাতেও কারো চোখ বেধে রাখা হয় না, হাতে হাতকড়া বাধা থাকে না। অথচ এখানে বাথরুমে যাবার প্রয়োজনেও চোখের বাঁধন খুলে দিয়া হয় না। খুলে দিয়া হয় না হাতকড়া। জিম্মিকারীদের কেউ নির্দেশ দিত, সোজা হাট, থাম, আবার বামে যা, হাত দিয়ে দেখ দড়জা, সেটার ছিটকানি খোল। এরপর নির্দেশকারী'র নির্দেশে কেউ একজন খুলে দিত আলী'র ডেনিম। আলী বসে পড়তো কাজ সারতে। কেউ একজন তার হ্যান্ডকাপ আটা হাতে ধরিয়ে দিত হ্যান্ডপুস। হ্যান্ডপুসের পানির জোড়ে যতটা পরিষ্কার হয় আরকি। বাঁধা হাতে হ্যান্ডপুস ধরা গেলেও হাত বা টিসু দিয়ে শৌচকার্জ সম্পাদন অসম্ভব।

মাসের হিসাব সে জেনেছে একজন জুনিয়র নারী মেজরের কাছে যার ভারি কণ্ঠ শরীরের রক্তকে হিম শীতল করে দিতে যথেষ্ট। পাহারাদারদের নিয়ন্ত্রনে থাকা এই নারী প্রায়শ আলী-কে আঘাত করে, থাপ্পড় কিল মারে, যৌনাংগে লাথি মারে। আলী জানে প্রায় সব পাহাদারদের পর্যাপ্ত ক্ষোভ আছে গেষ্টাপো বসদের প্রতি। আলীকে বার্লিনের বাড়ি থেকে যে দিন ধরে নিয়ে যাওয়া হয় সেদিন একজন কনস্টেবল বলেছিল, শালার শুয়েরের বাচ্চারা ভালো মানুষদের ধরে নিয়ে গিয়ে অত্যাচার করে। লিখ্যা লুখ্যা আবার অপরাধ হয় যেই দেশে সেই দেশ মানুষের না। ইবলিসের। আল্লাই সইবো না এসব।



**
এখন ছোট্ট কন্যা আর নিজের জীবন বাঁচাতে তল্লাসিতে খান্ত দেয়া ছাড়া উপায় নেই রঙ্গনের। স্বামীর কথা মনে পড়লেই বারবার জহির রাইহানের কথা মনে চলে আসে তার। স্বামী আলীর কাছে রঙ্গন শুনেছে সদ্য স্বাধীন একদেশে হারিয়ে যাওয়া ভাইকে খুঁজতে গিয়ে আর ফিরে আসেনি সেই সিনেমা পরিচালক। জহিরের কাছে নাকি এমন অনেক কিছু ছিল যা প্রকাশ হলে অনেক বড়কত্তাদের ইজ্জৎ বেলুনের মত ফুটুস হয়ে যেতো। এসব শুনে অবলা নারী বলেছিল তো দাও না সব প্রকাশ করে; তোমার কাছেও তো অনেক কিছু আছে। দেশের মানুষ আর পার্টি'র নেতারা তখন তোমারে আরো সম্মান তো করবে বুঝ তুমি?



**
অবাধ্য যৌনতা আর স্ব-মন্থনের কথা ভুলে রঙ্গনের বুকটা হাহাকার করে ওঠে। ছুটে যায় কন্যার রুমে। কাঁদতে কাঁদতে কন্যাকে বুকের ভেতর জাপ্টে ধরে রঙ্গন বলে ওঠে..এই বাড়ির মানুষটা হয়তো আর ফিরে আসবে না কোনদিন...যেমন জহির ফেরেনি'। মনা উত্তর দিল আমার স্কুলের স্পোর্টস উইকে বাবা আসবে প্রমিস করেছিল। সামনে মাসেই তো স্পোর্টস উইক। দেখবা ঐ দিন বাবা ঠিকই চলে আসবে। তুমি কেঁদো না মা। বলে মনা তার কচি হাতে মায়ের চোখের জল মুছে দেয়।

রঙ্গনের স্বামীর কাছে যেসব কাগজপত্র ছিল তা প্রকাশ করে ক্ষয়ে যাওয়া সমাজকে ল্যাংটো করে দিতে বলেছিল সে। অবুঝ বধূ ভেবেছিল একাজ করলে বড্ড উপকার হবে রাষ্ট্র'র। আলী সেদিন তারে বলতে পারিনি "হে প্রিয় শর্ষের ভেতরেরই যে ভুতের অবস্থান"



**
আলীকে জানানো হয়েছে আজকাল তাকে বাড়ি পাঠিয়ে দেয়া হবে, তাই অযথা খিস্তি না করতে। বসদের মর্জি বুঝা দায়। কে জানে খিস্তি শুনে যদি মুক্তি বাধা গ্রস্ত হয়। অবশ্য আলী'র খিস্তি'র কথা গেষ্টাপো বসদের অজানা নয়। আলীকে গ্যাস চেম্বারে রেখে স্লো পয়জন আর ইলেকট্রিক শক দেবার প্রধান উদ্দেশ্য ছিল মানসিক ভারসাম্য নষ্ট করে দেয়া। নিজের হাতে জন্ম দেয়া উন্মাদের গালাগালে মিজাজ চড়ে যাবার কিছু নেই; বরং প্রমোদ হবার কথা। আলী'র আচারণে গেষ্টাপো অফিসাররা মিশন সফল বলেই ধরে নিয়েছে।


**
প্রচণ্ড মন খারাপ নিয়ে রঙ্গন আজ ঘর গুছাতে বসেছে। বিছানার চাদর পালটে সাদা ফুলের একটা চাদর পাতা হয়েছে। শিমুল তুলো'র বালিশ বদলে পাখির পালকের কুসোন দিয়েছে বিছানায়। মিটসেফ থেকে পুরাতন আলতা বের করে রেখেছে। মেয়ে মনার কথা মত আজ যদি মনার বাবা চলে আসে..

৫ বছর আগে ১৬ ডিসেম্বর বার্লিনের এক চার্চে বিয়ে করেছিল দুজন। সেদিনের মত করে আজ আলীকে বলবে পায়ে আলতা লাগিয়ে দিতে। সে আলী যত ক্লান্তই হোক!

রান্নাঘরে চুলাতে চারটা আলু সিদ্ধ হচ্ছে। ঘন করে ডাল চচ্চরির মত করেছে। উঠোনে বেড়ে ওঠা দুটো গাছ থেকে লেবু আর কাচা মরিচ তুলা হয়েছে। মেয়ে মনা তার নিজ হাতে লাগানো লতানো পুইয়ের গাছ হতে কিছু টাটকা শাক তুলে মা কে দিয়েছে বাবার জন্য রান্না করে রাখতে।

আজ সুদীর্ঘ স্নান করতে মনস্থ করেছে রঙ্গন। সুগন্ধি সাবান প্যকেট থেকে খুলা হয়েছে। বিয়ের পর স্বামীর কিনে দেয়া গার্লস রেজরটা আজ আবার বের হয়েছে, গত ৬ মাসের জঞ্জাল জলাঞ্জলি দিয়ে আলীর সামনে উপস্থিত হবে সে।



**
প্রবল অন্ধকারে আলীর কক্ষে প্রবেশ করেছে সেই নারী মেজর। একজন লস্করকে হুকুম দেয়া হয় চোখ দুটো আবার বেঁধে দিতে। চোখ বাধার সাথে সাথে আলী'র শেষ আশাও যেন কোথাও হারিয়ে যাবার পথ ধরে।

আলীর যৌনাঙ্গে লাথি মারা অফিসারটি আঙ্গুল ছোঁয়াই আলীর ঠোঁটে। মধ্যমার আঙ্গুল ঢুকিয়ে দেয় আলীর মুখে গলার ভেতর। গলার নলীতে গিয়ে গুতা লাগে আঙ্গুলের। ভেতরের সব বমি হয়ে বেড়িয়ে আসার উপক্রম। কয়েক বার ওয়াক করে ওঠে আলী। মুখের লালায় ভেজা আঙ্গুলটি আলী'র চিবুক স্পর্শ করে। এই ভয়ার্ত পরিবেশে কর্কশ নারীর চিবুক ছোঁয়া এবার কেন জানি বড্ড মেয়েলি ঠেকে আলী'র কাছে। বিভ্রান্ত আলী কিছু বুঝে ওঠার আগেই সজোরে দুহাতে টেনে ছিড়ে ফেলা হয় জামা। পটপট করে বুতাম ছিড়ার শব্দ টের পায় আলী…


আলীর সুঠাম দেহের ভাঁজে হাত রাখে মেজর। খোঁচা খোঁচা দাড়ি ওঠা গালে নিজের গাল ঠেকিয়ে যেন আশ্বস্ত করতে চাই তারে আর কোন ভয় নেই। মন্থন মন্থনে পাগল প্রায় করে ফেলে আলীকে, ভয়ডর যেন কোন কালে ছিলই না তার, কোথাও যেন বন্দী নয় সে। আলী যেন প্যারিসের প্লে-বয় মেনসনের ডান্স ফ্লোরে সবচে কাংখিত পুরুষ।


আলী'র দু বাহু দৃঢ় হাতে ধরে নারী মেজর বলে ওঠে আমি কুলাঙ্গার বীর্যে মা হতে চাই-না। বীরের মা হতে চাই, বীর বীর্যে জন্ম নিক আমার সন্তান। ঈশা মাসির মত ফেরাউনের আস্তাকুরের মাঝে নীরবে বেড়ে উঠুক আমার বীর সন্তান, মানুষের সন্তান। কোন দিন পিতৃত্বের দাবী তোমারে বিব্রত করবে না; সেই ব্যবস্থা আমি নিচ্ছি। অতপর আলিঙ্গনের সাগরে ভেসে যায় দুজন, সাগর সংগমে সাঁতরে শীর্ষ অনুভূতির পর শূন্যতা বোধ…



**
রঙ্গনের উঠানে জোড়া চড়ুইপাখী এসে জুটেছে। কিচিরমিচির করে কি যেন জানাতে চাচ্ছে চড়ুই জোড়া। স্নান শেষে নীল পার শাদা শাড়ি জড়িয়ে ভেজা চুলে উঠনে উপস্থিত সে। গামছা দিয়ে তার লম্বা চুলে ঝাপ্টা দিয়ে শুকাতে চেষ্টা করছে। মনা বলে ওঠে মা বাবা থাকলে এখন কিন্তু তোমার পেছনে এসে দাঁড়াত। চড়ুইপাখী দুটো ফুড়ুত করে উড়ে চলে যায়; যেমন এসেছিল।


**
আলীরে ক্লিন সেভ করানো হয়েছে। এতদিনের ফিদেল ক্যাষ্ট্রো এক লহমায় আর্নেষ্টা চে'র রুপ ধারণ করেছে। আজ তার মুক্তি, গাড়ি ষ্টার্ট দেওয়া হয়েছে। এত এত সিপাহি, লস্করের ভেতরেও মেজর আলীর বাহু আঁক়্ড়ে আছে। শহর চক্কর শেষ আলী কে বলা হল এবার তোমার মুক্তি। হাতকড়া খুলে গামছা বাধা চোখের আলীকে রাস্তায় দাঁড় করিয়ে দেয়া হয়েছে। অফিসার মেয়েটা বলেছে, ঠিক ২ মিনিট পর যেন চোখের বাঁধন খুলে ফেলে আলী। শেষ মূহুর্তে আলী'র কানে কানে ফিসফিস করে বলে তোমার বীর সন্তানের জন্ম আমার গর্ভে হবে। তোমাকে হত্যার বদলা সে অবশ্যই নেবে। মা হয়ে আমি সেই শিক্ষায় দেব তারে….আলী বুঝে পাই না, মুক্তির সময় মৃত্যু বদলা কোথা দিয়ে আসছে, এ কেমন মস্করা!

দু মিনিটের কাউন্ট ডাউন শুরু করে মাইক্রোবাস পিকআপ তুলে ধুলো ঝড় উড়িয়ে চলে যাচ্ছে...। দূর থেকে চিৎকার দিয়ে ডাকতে ডাকতে দৌড়ে আসছে রঙ্গন আর মনা..। অন্যদিকে টার্গেট পানে এগিয়ে আসছে ঘাতক ট্রাক। দু মিনিট পার হয় নি, বিধায় চোখের বাঁধা কাপড় খুলতে পারছে না আলী। হাকিম নড়বে তবুও হুকুম নড়বে না।

মন্তব্য ৯ টি রেটিং +৪/-০

মন্তব্য (৯) মন্তব্য লিখুন

১| ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ রাত ১০:৪৭

রাজীব নুর বলেছেন: বিদেশী গল্প নাকি??

২| ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ রাত ২:৩৮

শের শায়রী বলেছেন: কি বলব বুজতে পারছি না, টুইষ্ট গুলো অসাধারন। কিছু বানান বিভ্রাট চোখে পড়ছে। বাকীটুকু অসাধারন।।

৩| ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ রাত ৩:৫৩

হিজ মাস্টার ভয়েস বলেছেন: রাজীব নুর ভ্রাতা এটা আমাদের কাছাকাছি কারো জীবনের গল্পের গল্

৪| ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ভোর ৪:১৩

হিজ মাস্টার ভয়েস বলেছেন: বলেছেন: প্রিয় গুরু শের শায়রী, বানানের বদ অভ্যাস মুক্ত হতে চেষ্টা করছি। আপনার পদার্পণ দেখে কেন জানি শুষ্ক হৃদয় আদ্র হয়ে উঠেছে। I wish if I could have a tight Hug from you.

৫| ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ দুপুর ২:০১

অজ্ঞ বালক বলেছেন: জহির রায়হানের কাছে গোপন কিছু তথ্য ছিল যা সরকারকে বিব্রত করতে পারে এমন একটা গুজব কেন জানি খুবই প্রচলিত। আপনার গল্পের লুকিয়ে থাকা অর্থ বুঝতে পেরেছি। আপনার লেখনি দারুন। শুভকামনা রইল।

৬| ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৫:৫৪

হিজ মাস্টার ভয়েস বলেছেন: কৃতজ্ঞতা ভ্রাতা।

৭| ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৫:৫৭

হিজ মাস্টার ভয়েস বলেছেন: কৃতজ্ঞতা ভ্রাতা।

৮| ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সকাল ১০:৫৩

আহসানের ব্লগ বলেছেন: অনেক দিন পরে ব্লগে পড়া শুরু করলাম। ভালো লাগলো৷

৯| ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ রাত ১১:৪৬

হিজ মাস্টার ভয়েস বলেছেন: কৃতজ্ঞতা ভ্রাতা

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.