| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
হোরাস্
"..... The universe is governed by scientific laws. These laws must hold without exceptions, or they wouldn't be laws. That doesn't leave room for miracles or God." --- Stephen Hawkin
বিবর্তনবাদ বর্তমান পৃথিবীর সবচাইতে প্রশ্নবিদ্ধ এবং আলোচিত একটি বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব। এখনও বেশির ভাগ মানুষই বিবর্তনবাদের ধারনা এককথায় নাকচ করে দেন এই বলে যে এটি শুধুই একটি ত্ত্ত্ব বা থিউরী, এর বেশি কিছু না। আর এই কথাটা বলার মাধ্যমে তারা সুচিন্তিতভাবে অথবা অনিচ্ছাকৃতভাবে বৈজ্ঞানিক তত্ত্বের সাথে প্রতারণা করেন। কেউ যখন বলে যে বিবর্তনবাদ শুধুমাত্র একটি তত্ত্ব তখন তিনি তত্ত্ব শব্দটির ভুল ব্যবহার করেন। তিনি তখন তত্ত্ব শব্দটি খুবই সাধারণ এবং অবৈজ্ঞানিক অর্থে ব্যবহার করছেন যার মানে করলে হয়ত দাড়ায় বিবর্তনবাদ হচ্ছে বিজ্ঞানীদের একটি অনুমান বা ধারণা।
আবার অনেকেই বিবর্তনবাদকে নাস্তিকতার সাথে মিলিয়ে ফেলেন। কিন্তু, নাস্তিকতার সাথে বিবর্তনবাদের কোনো সম্পর্ক নেই। বিবর্তনবাদ হচ্ছে পরীক্ষা-নিরীক্ষা লব্ধ আবিস্কৃত একটি বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়া বা পদ্ধতি। ঈশ্বরের অস্তিত্ব আছে কি নেই সেটা বিবর্তনবাদের সংজ্ঞার মধ্যে অন্তর্ভূক্ত না। মিশিগান স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়ের সৃষ্টিকর্তায় বিশ্বাসী দার্শনিক এবং বিবর্তনবাদ বিজ্ঞানী রবার্ট টি. পেনক বলেন, "আমাদের জন্য ধর্ম এবং দর্শনের ধারনা (Concept) বিজ্ঞান থেকে আলাদা রাখা খুবই জরুরী।" তবে কেন বেশিরভাগ লোকই বিবর্তনবাদের কথা শুনলে আহত বোধ করেন? কারণটা হলো, বিবর্তনবাদ আমারা কে, এবং কোথা থেকে এসেছি এই প্রশ্নের উত্তর দেয়ার চেস্টা করে এবং তারা যে উত্তরটা শুনতে চান বিবর্তন বাদ ঠিক তার উল্টোটা বলে। মানুষ আহত বোধ করে কারণ এটা তাদের কাছে অনেকটা বাবা অথবা মাকে নিয়ে গালি দেয়ার মত অফেন্সিভ মনে হয়।
বিজ্ঞানে তত্ত্ব মানে হলো ব্যাখ্যা। তত্ত্ব বা থিউরী হলো বিশাল বড় একটা সিস্টেম যেটা কিনা অত্যন্ত কঠিন কঠিন অসংখ্য পরীক্ষা-নিরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে তারপর একটা সিস্টেম হিসাবে স্বীকৃতি পেয়েছে। এই পরীক্ষা-নিরীক্ষা গুলো করাই হয়েছে এই তত্ত্বটিকে ভুল প্রমানিত করার জন্য। বিজ্ঞান সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে প্রচুর গবেষনা করে তারপর কোনো বিষয় সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেয়। শুধুমাত্র কোনোকিছু শুনতে চমকপ্রদ লাগছে এই কারণে বিজ্ঞান কোনো তত্ত্বকে গ্রহণ করে না। বিজ্ঞানীদের কাছে তখনই একটা ধারণা গুরুত্ত্ব পায় যখন সেটা নিয়ে বাস্তবে অনেক পরীক্ষা-নিরিক্ষা চালানো সম্ভব বা চালানো হয় ।
নীচের বৈজ্ঞানিক তত্ত্বের উধাহরণগুলোর দিকে যদি আমরা তাকাই তাহলে দেখা যাবে এর কোনটি সম্পর্কেই আমাদের বিন্দুমাত্র কোনো সন্দেহ নেই। আবার কোনোটিই ১০০ ভাগ প্রমানিত কোনো তত্ত্বও না।
১) মহাকর্ষ বলের তত্ত্ব
২) কোষ তত্ত
৩) জীবাণু তত্ত্ব
৪) পরমাণু তত্ত্ব
৫) তড়িৎ-চৌম্বকীয় বলের তত্ত্ব
৬) প্লেট টেকটনিক্স তত্ত্ব
তাই যখন বিবর্তনবাদকে একটি তত্ত্ব হিসাবে উল্লেখ করা হয় তারমানে এটা তখন আর সাধারণ কোন বিষয় না থাকে না, অত্যন্ত শক্তিশালী বৈজ্ঞানিক একটি বিষয় বলে পরিগণিত হয়।কোনোকিছুকে বৈজ্ঞানিকরা যখন তত্ত্ব হিসাবে আখ্যায়িত করেন তার মানে হচ্ছে তারা ইতিমধ্যেই বছরের পর বছর বা কখনও দশক ধরে এর উপর পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালিয়েছেন। শুধু তাইনা, তাদের এই সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার ফলাফল পুরো বৈজ্ঞানিক সমাজের মূল্যায়নের জন্যও ব্যবস্হা নেয়া হয়েছে।
একজন সাধারন মানুষ এবং একজন বিজ্ঞানীর কাছে তত্ত্বের মানে সম্পূর্ণ বিপরীতধর্মী। কারণ তত্ত্ব বিজ্ঞানের জগতে অত্যন্ত শক্তিশালী একটি ধারণা। একটি তত্ত্ব নিয়ে বিজ্ঞানীরা বছরের পর বছর গবেষণার পর কিছু বাদ দেন আবার কিছু যোগ করেন। এই প্রক্রিয়াটা ক্রমাগত চলতে থাকে। বিবর্তন বাদের তত্ত্বটা আজকে যেমন আছে আজ থেকে ১০০ বছর আগে সেরকম ছিলো না।
বিবর্তনবাদ নিয়ে প্রতিনিয়তই পরিক্ষাগারে বা বাইরের পরিবেশে পরীক্ষা করা হচ্ছে। এটি সবচাইতে বিতর্কিত একটি তত্ত্ব। আর যখন কোনো তত্ত্ব বিতর্কিত হয় তখন সেটা নিয়ে আরো বেশি বেশি গবেষনা করা হয়। আর বিবর্তনবাদ নিয়ে গত ১৫০ বছর ধরে ক্রমাগতভাবে পরীক্ষিত হয়ে আসছে। আর এই ১৫০ বছরে একটি পর্যবেক্ষণ বা পরীক্ষার ফলাফলও বিবর্তনবাদের বিপক্ষে যায়নি। যে কোনো তত্ত্ব যখন ১৫০ বছর ধরে ক্রমাগত পরীক্ষা-নিরীক্ষার বিরুদ্ধে টিকে থাকতে পারে সেটাকে একটি অতি বিশেষ তত্ত্ব হিসাবে গুরুত্ত্ব দিতেই হবে।
বিজ্ঞানীরা প্রতিদিনই বিবর্তন তত্ত্ব ব্যবহার করে ওষুধ বানাচ্ছেন, প্রতিষেধক বানাচ্ছেন।এই তত্ত্ব ব্যবহার করে অভয়ারণ্য নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। বিজ্ঞানীরা বিবর্তন তত্ত্ব ব্যবহার করে আমাদের জিনোমের তথ্য উদঘাটন করছেন। বর্তমান সময়ে গবেষনাকারীরা এক নতুন ধরনের জীনতত্ত্ব বা ইভো ডেভো টেকনিক ব্যবহার করে বিভিন্ন ধরনের অর্গানিজমের মধ্যে বিবর্তন প্রক্রিয়া ট্রেস করতে পারেন। এই প্রত্যেকটি ব্যবহারিক দিকই হলো বিবর্তনের জন্য এক একটি পরীক্ষা। কারণ, যদি ব্যবহারিক দিকগুলো অপর্যাপ্ত প্রমাণিত হয় তবে বিবর্তনবাদই প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়বে।কিন্তু বিবর্তনবাদ একটি শক্তিশালী এবং কার্যকরী তত্ত্ব হিসাবে সময়ের পরীক্ষায় পাশ করে কালোত্তীর্ণ হতে পেরেছে।
বর্তমান সময়ে বিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখা দ্ব্যর্থহীণ ভাবে বিবর্তনবাদকে সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে। এর মধ্যে প্যালিওন্টোলজি, জিওলজি, মাইক্রো-বায়োলজি, জেনেটিকস, মলিকিউলার বায়োলজি, ইকোলজি,এবং অতি সাম্প্রতিককালের ইভ্যুলুশনারী ডেভেলপমেন্ট বায়োলজী (ইভো ডেভো) অন্তর্ভূক্ত। জীন তত্ত্ববিদ থিওডেসিয়াস ডবঝনস্কি বলেন " জীব বিজ্ঞানকে বিবর্তন বাদের আলোকে না দেখলে কোনো কিছুই আর কোনো অর্থ বহন করে না।
জীববিজ্ঞানের সবগুলি শাখার জন্য বিবর্তনবাদ হচ্ছে একটি মেলবন্ধন। বিবর্তনবাদ জেনেটিকস থেকে শুরু করে পরিবেশবিদ্যা পর্যন্ত সবকিছুর মধ্যে একটা সংযোগ সৃষ্টি করে। বিবর্তনবাদের বিভিন্ন কার্যসাধন পদ্ধতি সম্পর্কে মত পার্থক্য থাকতে পারে, এবং আছে, কিন্তু সেটাই একটা গুরুত্ত্বপূর্ণ এবং সফল তত্ত্বের জন্য অন্যতম একটা প্রমাণ। কিন্তু মত পার্থক্য থাকার মানে এই না যে তত্ত্বটাকেই বাতিলের খাতায় ফেলে দিতে হবে।পরিশেষে, প্যালিওন্টোলজিস্ট নাইলস এলড্রেজের কথা দিয়ে শেষ করতে চাই। তিনি বলেছেন, " ডারউইনের যখন প্রথম বিবর্তনের কথা বলেছিলেন তখন থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত গত ১৫০ বছরে আমরা যা কিছু জ্ঞান অর্জন করেছি তার কিছুই প্রাকৃতিক নির্বাচনের যে মূল কথা তার বিপক্ষে যায়নি।"
১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৪৮
হোরাস্ বলেছেন: ভালো লেগেছে জেনে ভালো লাগলো। ধন্যবাদ +'র জন্য।
২|
১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:১৭
প্রায়াপাস বলেছেন: খুবই সময়োপযোগী পোস্ট।
বক্তব্যের সাথে সম্পূর্ণ একমত।
অসাধারণ, চমৎকার একটি লেখা।
বিবর্তনবাদের বিরূদ্ধে আজকাল মেলা উদ্ভট সব যুক্তি শুনি। এই লেখাটি সেইসব উদ্ভট যুক্তিদাতাদের কনফিউশনগুলো আশাকরি দূর করবে।
১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৪৯
হোরাস্ বলেছেন: আমি আপনার মত আশাবাদি হতে পারলে ভালো হতো। চমৎকার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
৩|
১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:২১
ওমর হাসান আল জাহিদ বলেছেন: ভাল লাগল। আশা করি আরেকটি পোস্ট পাব যেখানে বিবর্তনবাদটিকে সহজ কথায় তুলে ধরা হবে।
ধন্যবাদ।
১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৫১
হোরাস্ বলেছেন: উৎসাহ দেয়ার জন্য আপনাকেও ধন্যবাদ।
৪|
১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৩০
টানিম বলেছেন: ভাল লেখা, ++
১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৫২
হোরাস্ বলেছেন: ধন্যবাদ
৫|
১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৩২
হুমায়ুন কবির হাকিম বলেছেন: আমার ত্যাঁড়া মস্তিস্কে প্রতিনিয়তঃ প্রশ্ন জাগে, মানুষ থেকে যদি বানর আসে তাহলে বানর আসলো কোত্থেকে ????? আবার বিবর্তন তো চলমান প্রক্রিয়া, এটা যদি থেমে না থাকে তাহলে বানরের কোন্ বংশধর মানুষে রুপান্তরিত হতে চলেছে অথবা কবে নাগাদ মানুষ হবে!!!!!!! আর পশ্চাৎমুখী বিবর্তনও তো আমরা আশা করতে পারি কি বলেন ???? আবার দেখুন, মানুষের সাথে বানরের সাদৃশ্যের চেয়ে বাঘের সাথে বিড়ালের অথবা শিয়ালের সাথে কুকুরের সাদৃশ্য বেশি...... তাহলে বাঘ থেকে বিড়াল অথবা তার উলটো টা হল না কেন???? অথবা শিয়াল থেকে কুকুর বা কুকুর থেকে শিয়াল????
Click This Link
১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৫৮
হোরাস্ বলেছেন: আপনার লিঙ্কের টাইটেল হচ্ছে " আমি নাস্তিক তথা জ্ঞানী হতে চাই" । বিবর্তন তত্ত্ব বিশ্বাস করতে হলে আপনাকে নাস্তিক হতে এমন কোনো কথা নেই। আর আপনি যদি সত্যি সত্যি বিবর্তন বাদ সম্পর্কে ভালো করে জানতে চান তবে আমি বলব আপনি বিবর্তনবাদের উপর ভালো কোন বই পড়ুন। কার্ল জিমারের লেখা পড়তে পারেন।
৬|
১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৪৬
আরিফুর রহমান বলেছেন: @হাকিম,
আপনার মস্তিষ্ক ত্যাঁড়া মস্তিষ্কে যে প্রশ্ন জাগে তা সত্যিকার তথ্যের ওপর দাড়িয়ে নেই। মানুষ, বানর ইত্যকার প্রাণী একই পূর্বপুরুষ হতে উদ্ভুত। মানুষ বানর হতে আসে নাই। সত্যকে একটু বেঁকেচুরে প্রকাশ করলে তাতে ক্রিয়েশনিজম বা আইডি.র প্রবক্তাদের সুবিধা হয়তো হয়, তবে তার সাথে সত্যের কোন সম্পর্ক নেই। বিবর্তন পশ্চাৎমূখী কেন হবে? আপনার চিন্তার কারনটাও আমাদের সাথে শেয়ার করেন!
বাঘ > বেড়াল অথবা কুকুর থেকে শেয়াল কেন হলো না, তার উত্তর জে. এইচ. রাশ দিয়ে গেছেন এভাবে...
"In the complex course of its evolution, life exhibits a remarkable contrast to the tendency expressed in the Second Law of Thermodynamics. Where the Second Law expresses an irreversible progression towards increased entropy and disorder, life evolves continually higher levels of order.
The still more remarkable fact is that the evolutionary drive to greater and greater order also is irreversible. Evolution does not go backward."
(J.H. Rush. The Dawn of Life (New York: Signet, 1962), p. 35 - ref: Scientific[sic] Creationism, p. 40)
১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:০০
হোরাস্ বলেছেন: ধন্যবাদ আপনার তথ্য সম্বলিত জবাবের জন্য। আশা করি হাকিম সাহেব এ ব্যাপরে আরোও খোঁজ খবর নেবেন।
৭|
১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:০০
হুমায়ুন কবির হাকিম বলেছেন: @আরিফুর রহমান , আমি জেনেছি যে আপনি হচ্ছেন ঘনাদা এবং এও জানি যে আপনি একজন হিন্দু যিনি নাস্তিকের ভাব ধরেছেন, সেই সাথে ইসলামের বিরুদ্ধে ব্যাপক অপপ্রচার/গালাগালি করেছেন.......যেহেতু ঘনাদা'র সাথে কোন কথা বলবো না বলে প্রমিস করেছি তাই ঘনাদা'র আরেক নিক আরিফুর রহমানের কোন কথার জবাব দিচ্ছি না......আপনি যে প্রশ্ন করেছেন এই একই প্রশ্ন অন্য কেউ করলে অবশ্যই জবাব দিতাম......ভাল থাকবেন......
১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:৫০
হোরাস্ বলেছেন: আরিফুর রহমানকে না দিন কিন্তু যেহেতু এটা আমার ব্লগ আমাকে এটলিস্ট আপনার চিন্তা ভাবনা গুলো বলে যান। প্রশ্নের উত্তরটা আমারও জানতে ইচ্ছা করছে।
৮|
১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:১৬
বিবর্তনবাদী বলেছেন: সুন্দর পোস্ট, ভাল লিখেছেন।
অনেক আগে এই নিয়ে একটা পোস্ট দিয়েছিলাম। আসলে এই ব্যাপারে আনবিক জীববিজ্ঞানের সাথে সম্পর্কিত ব্যক্তি ছাড়া অন্যদের সাথে আলোচনা অর্থহীন। অনেকেই এটা বুঝতে পারেন না যে, তিনি আসলেই বুঝবার মত অবস্থায় নেই। তবুও অহেতুক তর্ক করেন। অনেককেই দেখেছি বিবর্তনবাদের আনবিক ভিত্তি বুঝেন না, কিন্তু পক্ষে বিপক্ষে ঝগড়া করে যান। আমার পুরোনো পোস্টের লিংক দিয়ে গেলাম।
Click This Link
১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৫৮
হোরাস্ বলেছেন: আপনার লেখাটা পড়লাম। আপনিও খুব ভালো লিখেছেন। আপনার লেখার মন্তব্য গুলো পড়ে আরেকবার বুঝলাম বেশির ভাগ মানুষই এখনও বিবর্তনবাদ ও নাস্তিকতাকে এক করে দেখে। কিন্তু একটা জিনিস ভেবে অবাক হই, তারা সবাইকে কোরাণ অথবা বাইবেল পড়ার উপদেশ দেন কিন্তু নিজেরা কখনও ভালো কোনো জীববিজ্ঞানের বা বিবর্তনের উপর লেখা বই পড়ে দেখতে ইচ্ছুক না।
৯|
১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:১৭
বৃত্তবন্দী বলেছেন: হুমায়ুন কবির সাহেব যে জিনিসটা আপনি শিওর না সেটা নিয়ে কথা বলা উচিত না।
আমি ব্যক্তিগত ভাবে আরিফুর কে চিনি। এবং জানি তিনি আরিফুরই।
১০|
১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:২৪
হুমায়ুন কবির হাকিম বলেছেন: বৃত্তবন্দী, তাহলে আপনার কাছে জিজ্ঞেস করলে আরিফুর রহমান সম্পর্কে জানা যাবে!!!!!
উনার সম্পর্কে জানার ব্যাপক ইচ্ছা আমার, প্লিজ এড মি [email protected]
১১|
১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৩০
আরিফুর রহমান বলেছেন: @হাকিম, 'আমার নাম নিতাই ভট্টাচার্য' (!!) এই আজগুবি তথ্য আপনাকে কে দিলো?
কয়েকজনে এটার প্রতিধ্বনি করছেন বটে, কিন্তু এর উৎস বিডি আইডল বলে উর্বরমস্তিষ্কের এক বান্দা।
ভিত্তিহীন প্রচারনায় অংশ নিয়ে নিজেকে হেয় করবেন না।
আর আপনার ত্যাঁড়া মস্তিষ্কের প্রশ্নের উত্তর পেয়েছেন কি না জানাবেন। আমার কাছে তথ্যের অভাব নেই।
১২|
২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩৮
প্রণব আচার্য্য বলেছেন: +++
২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:৪৩
হোরাস্ বলেছেন: ধন্যবাদ।
১৩|
২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৪৫
শুভ রহমান বলেছেন: চমৎকার লিখেছেন - মানুষের কনফিউশনের জায়াগাটা ধরে এনেছেন। আসলে বিবর্তন নিয়ে পড়ার আগে আরো কিছু সাধারণ বিজ্ঞান পড়াশুনা (আব্দুল্লাহ আল-মুতী, দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়) থাকলে
হজম করতে সুবিধা হয়।
২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:১৩
হোরাস্ বলেছেন: দুঃখের কথা কি বলব, আমার এক ডাক্তার বন্ধু আছে সে বিবর্তনে বিশ্বাস করে না। তাই বিজ্ঞান পড়া থাকলেই যে অন্ধ বিশ্বাস ত্যাগ করবে এমনটা ভাবার কোন কারণ নেই।
কমেন্টের জন্য ধন্যবাদ।
১৪|
২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৩৫
মনির হাসান বলেছেন: এই পোস্টটা মিস হল কিভাবে বুঝলাম না ?
২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:০৯
হোরাস্ বলেছেন: এতদিন পরেও যে সময় করে পড়েছেন সে জন্য খুশী হলাম।
১৫|
২১ শে মার্চ, ২০১০ রাত ১:২৬
শয়তান বলেছেন: আম্মো মিস্কর্সিলাম
২২ শে মার্চ, ২০১০ রাত ১১:০৫
হোরাস্ বলেছেন: এইডা আর নতুন কি?
১৬|
২৪ শে জুন, ২০১০ সকাল ১০:১৮
ভাবসাধক বলেছেন: লেখক বলেছেন: দুঃখের কথা কি বলব, আমার এক ডাক্তার বন্ধু আছে সে বিবর্তনে বিশ্বাস করে না। তাই বিজ্ঞান পড়া থাকলেই যে অন্ধ বিশ্বাস ত্যাগ করবে এমনটা ভাবার কোন কারণ নেই।
২৪ শে জুন, ২০১০ রাত ৮:১৬
হোরাস্ বলেছেন: আমারও এক ডাক্তার বন্ধু আছে। তাই আপনার কথার প্রতিধ্বনি করা ছাড়া আর কোন উপায় নাই।
১৭|
২৪ শে জুন, ২০১০ রাত ৮:২৭
হেমায়াত উল্লাহ বলেছেন: ] বিবর্তনবাদ - বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব হিসাবে প্রতিষ্ঠিত, কিন্তু তবুও বিতর্কের শেষ নেই!
বিবর্তনবাদ নিয়ে কতগুলো বই রয়েছে। বই গুলি [link|www.harunyahya.com|হারুনইয়াহিয়া (তুরস্ক) লিখেছেন । তার বই গুলি পড়লে বিষয়টি প্রতিয়মান হবেযে টমান ডারউইন কত বড় সন্ত্রাসী ছিলেন ।
ভাই আপনি কি জানেন যে ডারাউইন বিশ্বযুদ্ধের সাথে জরিত। এমনকি পৃথিবীর ১ নাম্বার খুনি হিটলারের সাথেও সে কাজ করেছে?????
আমি বৈজ্ঞানিক ও যুক্তিগত ভাবে স্বীকৃত তথ্যগুলোই শুধু বিশ্বাস করি। তাছাড়া সৃষ্টিকর্তা নেমে এলেও না। আর বিজ্ঞান বলে যে সবকিছুরই একজন সৃষ্টিকর্তা রয়েছে। আমার দেয়া লিংক থেকে বই ডাউনলোড করে পড়ারার জন্য অনুরুধ রইল ভাই।
২৪ শে জুন, ২০১০ রাত ৯:২৬
হোরাস্ বলেছেন: হা হা হা হা ..... আপনার কমেন্ট পড়ে আমি চেয়ার থেকে পরে গেলাম। উফফ ব্যাথা পাইছি। ডারউইন আর হিটালারে কথা জানতে পাইরা আমার জীবন সার্থক হইলো। আপনার সাথে বিজ্ঞান নিয়ে কথা বলে আমি আমার একটা সেকেন্ডও নস্ট করতে রাজী না।
শুধু এইটুকু বলি, যে ছাগল (হারুন ইয়াহিয়া) মাছ ধরার বর্শি আর আসল মাছির মধ্যে পার্থক্য জানে না তার বইয়ের লিঙ্ক আপনি আর কাউরে দিয়েন না। আপনার দোহাই লাগে।
১৮|
১৫ ই জুলাই, ২০১০ সকাল ১০:২৪
হেমায়াত উল্লাহ বলেছেন: আমার মন্তব্যে আপনার জবাব পড়ে বোঝতে পারলাম আপনি বিবর্তনবাদতত্ত্বের অন্ধ সমর্থক। একটি নিশ্চয় আমার সাথে একমত হবেন যে, কোন বিষয়ে না জেনে বা না বুঝে কথা বলা উচিত না। আপনি আবেগের বসে আমার দেয়া তথ্য গুলো মিথ্যা প্রমানের চেষ্টা করলেন কিন্তু আমি যে তথ্য গুলো দিয়েছি তা আপনার যাচাই করার দরকার ছিল। বিবর্তনবাদকে সমর্থন জানিয়ে আপনার লেখা এই পোষ্টের জবাবে আমি পরবর্তিতে কিছু লিখব আশা করেছি সেই পোষ্টে আপনার শুভাগমন একান্ত কাম্য, ভাল থাকবেন ভাইজান।
১৫ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৮:১০
হোরাস্ বলেছেন: ভাই হেমায়াত উল্লাহ, বুঝতে পারলাম আপনি অনেক জ্ঞানী। আপনার সাথে আলোচনার কথা ভেবে আমি এখনই চিন্তিত হয়ে পরলাম। তবে তার আগে আপনি কি দয়া করে আপনার এই কথাটা একটু ব্যাখ্যা করবেন.... তার পরে না হয় আলোচনা করা যাবে।
"ভাই আপনি কি জানেন যে ডারাউইন বিশ্বযুদ্ধের সাথে জরিত। এমনকি পৃথিবীর ১ নাম্বার খুনি হিটলারের সাথেও সে কাজ করেছে?????"
আরেকটু বিস্তারিত লেখেন। আমি নাদান এ থেকে কিছুই বুঝি নাই।
১৯|
২৮ শে জুলাই, ২০১০ ভোর ৫:৪৮
রেড ওয়াইন বলেছেন: ডারউইন চাচায় মারা গেল ১৮৮২ সালে, এই হেমায়াত উল্লাহ কি কয়?
২৮ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১১:১৫
হোরাস্ বলেছেন: হেমায়েত উল্লাহর হেমায়েতপুরে যাওয়ার সময় হইছে।
২০|
১৫ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ৯:১৫
পৃথিবীর আমি বলেছেন: হেমায়াত উল্লাহয় ব্যাপুক বিনোদন।।।
২১|
১৫ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ১০:০১
ক্লান্ত দুচোখ বলেছেন: ছিবির ছাগু গুলা কিরাম বোদাই হইতারে "হেমায়াত উল্লাহ" হালায় উৎকৃষ্ট উদাহরন!
Adolf Hitler (20 April 1889 – 30 April 1945)
Charles Robert Darwin(12 February 1809 – 19 April 1882)
বোকচোদ টা জানেওনা, ডারউন মারা যাওয়ার ৭ বছর পরে হিটলার জন্মাইছে!!
©somewhere in net ltd.
১|
১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:১১
শূন্য আরণ্যক বলেছেন: ভালো পোষ্ট +