নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

বারবার পরাজিত হয়েও বিজয়ের আশা এবং নেশা ছেড়ে না দেওয়াই প্রকৃত সৈনিকের আলামত

সুলাইমান হোসেন

আমার কাছে সবচেয়ে প্রিয় আমল হলো নামাজ।নামাজেই চক্ষু শীতল হয়।যে ব্যাক্তি ইচ্ছা করে এক ওয়াক্ত নামাজও ছেড়ে দিলো সে পুলসিরাতের উপর নাকানিচুবানি খাবে এবং পরে যাবে।মানুষের জীবনটাই পুলসিরাত।বিপদ আপদ এবং কষ্টে ধৈর্যধারনের দ্বারা দ্রুত পুলসিরাত অতিক্রম করা যায়।যদি তোমার জীবনের উপর কোনো বিপদ আসে অথবা দুশ্চিন্তাঙ আসে তাহলে সুন্দর ধৈর্যের পরিচয় দাও।তোমাকে আল্লাহ যতটা চিনেন তুমি নিজেও তোমাকে ততটা চিনোনা।আর আল্লাহকে অক্ষম মনে কোরোনা,যাবতীয় বিপর্যয় তিনি এক সেকেন্ডেরও কম সময়ে ঠিক করে দিতে পারেন

সুলাইমান হোসেন › বিস্তারিত পোস্টঃ

হাকিক্বতুল মায়ারিফ :পর্ব—০২(পূর্বের পর্বের পর থেকে)

১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ২:৫৮




পাঠ:১.২
মাছ

সতর্কতা:ইহা সম্পূর্ণ আমার নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি।আমি কোনো লেখকের লেখা নকল করিনি।এবং বৈজ্ঞানিক কোনো ধ্যান ধারনাও আমার নেই।আমি তথ্য উপাত্তের থেকে সৃষ্টিকর্তার নিদর্শন প্রত্যাক্ষ করার প্রতি বেশি আগ্রহি।তাছাড়া ইহা সকলের পাঠযোগ্য কন্টেন্ট নয়)

(পূর্বের পর্বের পর থেকে)
মাছ:
মাছ পানিতে বসবাসকারী একটি অতি পরিচিত প্রানী।মানুষ সহ আরো অনেক প্রানীর প্রিয় খাবারও মাছ।
প্রজাতি
(
চ্যাট জিপিটি থেকে প্রাপ্ত কিছু তথ্য নিচে দেওয়া হলো—

১. মাছের জগৎ কত বিশাল?
২০২৬ সালের ১৩ আগস্ট পর্যন্ত Eschmeyer's Catalog of Fishes-এ ৩৭,৭৩০টি বৈধ মাছের প্রজাতি নথিভুক্ত আছে। এর মধ্যে ১৯,৩৪৩টি মিঠাপানির মাছ। আর ২০২৬ সালেই তখন পর্যন্ত ২১৭টি নতুন প্রজাতি বৈজ্ঞানিকভাবে বর্ণিত হয়েছে; ২০২৫ সালে হয়েছিল ৪০৯টি।
Cal Academy Research Archive +1
অর্থাৎ, মাছের জগৎ সম্পর্কে আমাদের জ্ঞান এখনো ক্রমাগত বাড়ছে।
২. গভীর সমুদ্রের মাছ
সমুদ্রের গভীরে এমন মাছ আছে যেখানে সূর্যের আলো প্রায় পৌঁছায় না। সেখানে কিছু মাছের শরীর এমনভাবে অভিযোজিত হয়েছে যে তারা নিজেরাই আলো উৎপন্ন করতে পারে—এ ঘটনাকে বলা হয় bioluminescence।
এই আলো শিকার আকর্ষণ, যোগাযোগ কিংবা শিকারি থেকে আত্মরক্ষার মতো কাজে ব্যবহৃত হতে পারে।
৩. নিজের শরীরে আলো তৈরি করা মাছ
Anglerfish-এর মতো কিছু গভীর সমুদ্রের মাছে শরীরের সামনে আলো উৎপাদনকারী বিশেষ অঙ্গ থাকে। অন্ধকার পরিবেশে সেই আলো শিকারকে কাছে টানতে সাহায্য করে।
এখানে লেখার একটি সুন্দর প্রশ্ন হতে পারে:
যে জগতে সূর্যের আলো নেই, সেখানে একটি ক্ষুদ্র প্রাণীর জন্য আলোর ব্যবস্থাও কী আশ্চর্যভাবে নির্ধারিত!
তবে লেখায় বৈজ্ঞানিক তথ্য আর আধ্যাত্মিক ব্যাখ্যাকে আলাদা রাখবেন—তাহলে আপনার বক্তব্য আরও শক্তিশালী হবে।
৪. বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী মাছ
Electric eel-এর মতো কিছু মাছ বৈদ্যুতিক অঙ্গের সাহায্যে শক্তিশালী বৈদ্যুতিক নির্গমন করতে পারে। এটি শিকার ধরা, আত্মরক্ষা এবং পরিবেশ সম্পর্কে তথ্য পাওয়ার কাজে ব্যবহৃত হয়।
আরও বিস্ময়কর হলো—সব বৈদ্যুতিক মাছ একই ধরনের নয়। কিছু মাছ খুব দুর্বল বৈদ্যুতিক ক্ষেত্র তৈরি করে এবং সেটিকে যেন একটি জৈবিক সেন্সর হিসেবে ব্যবহার করে।
৫. পানির বাইরে উড়ে চলা মাছ
Flying fish আসলে পাখির মতো উড়ে না; তারা পানির ওপর থেকে লাফিয়ে উঠে তাদের বড় বুকের পাখনা ব্যবহার করে বাতাসে glide করে অনেক দূর অতিক্রম করতে পারে।
অর্থাৎ একই প্রাণীকে বুঝতে হলে শুধু তার পানির ভেতরের জীবন দেখলে হবে না—পানির ওপরের আচরণও দেখতে হবে।
৬. হাঙরও মাছ
অনেকে মাছ বলতে শুধু রুই-কাতলা-ইলিশের মতো প্রাণীকে বোঝেন। কিন্তু হাঙর ও রে-ও মাছ। FishBase-এর ২০২৬ সালের জুনের হিসাব অনুযায়ী হাঙর ও রে-জাতীয় মাছের প্রায় ১,২৯৯টি প্রজাতি নথিভুক্ত ছিল।
FishBase
তবে হাঙরের কঙ্কাল অধিকাংশ অস্থিময় মাছের মতো হাড়ের নয়; প্রধানত তরুণাস্থি (cartilage) দিয়ে গঠিত।
৭. সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপলব্ধি
আপনার হাকিক্বতুল মায়ারিফ-এর মূল ভাবনার সঙ্গে আমার মনে হয় এই প্রশ্নটি খুব সুন্দরভাবে যায়:
৩৭ হাজারের বেশি প্রজাতির মাছ—প্রত্যেকটির দেহের গঠন, খাদ্যাভ্যাস, বাসস্থান, চলাফেরা ও জীবনধারণের কৌশল এক নয়।
কেউ অন্ধকার গভীর সমুদ্রে থাকে, কেউ নদীর স্বচ্ছ পানিতে; কেউ বৈদ্যুতিক সংকেত ব্যবহার করে, কেউ আলো তৈরি করে; কেউ পানির ওপর দিয়ে glide করে।
আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ—আমরা যে সংখ্যাটি জানি, সেটিও চূড়ান্ত নয়। কারণ নতুন প্রজাতি এখনো বৈজ্ঞানিকভাবে বর্ণিত হচ্ছে।
Cal Academy Research Archive)


এতক্ষন আমরা চ্যাট জিপিটি থেকে মাছের কিছু বিস্ময়কর তথ্য জানলাম।

এখন মাছ নিয়ে আমার সাধারন আলোচনা—

মানুষের খাবার
মানুষের জন্য মাছকে হালাল করা হয়েছে।মাছ থেকে মানুষ শরীর গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় প্রোটিন সংগ্রহ করতে পারে।
মাছের মধ্যেও কি চিন্তার খোরাক আছে,এবং সৃষ্টিকর্তার নিদর্শন রয়েছে—?
=অবশ্যই আছে।আমাদের সংকীর্ণ দৃষ্টিতে যতটুকু ধরা পরে আমরা ততটুকুই আলোচনা করব।
মাছের মুখ
বেঁচে থাকার জন্য এবং যেন বেকার না থাকতে হয় সেজন্য মাছকেও খাবারের স্বাদ গ্রহন করার ব্যাবস্থা করে দেওয়া হয়েছে।এটা সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর কুদরত এবং নিদর্শনের অন্তর্ভুক্ত।
কেন তিনি খাবারের জন্য মাছকে মুখ এবং প্রয়োজনীয় সবকিছু দান করলেন।তিনি তো খাবার ছাড়াই মাছকে বাঁচিয়ে রাখতে পারতেন?
হ্যা!তিনি খাবার ছাড়াও মানুষসহ যাবতী প্রানীকে বাঁচিয়ে রাখতে পারেন।কিন্তু পৃথিবীতে নিয়ম এবং সৌন্দর্য সৃষ্টি করেছেন।এর ভিতরে অবশ্যই কোনো কারন রয়েছে,যা আল্লাহ ব্যাতিত কেউ জানেনা।আমাদের ক্ষুদ্র জ্ঞানে যতটুকু ধরে তা হলো—
খাবার-দাবারের ব্যাবস্থাপনা এবং সৃষ্টির কারন—
১।খাবার শুধু ক্ষুধাই মিটায়না,বরং খাবার একটি মজাদার বস্তু।হয়ত মাখলুক মজা এবং স্বাদ গ্রহন করবে,এবং আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করবে,এজন্য খাবার সৃষ্টি করা হয়ে থাকতে পারে।
২।পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্যও খাবার-দাবারের প্রয়োজন রয়েছে।
৩।খাবার প্রানীদের জন্য ধার্যকৃত রিযিকের একটি শাখা।সবকিছুই পূর্ব পরিকল্পনা এবং নিখুঁত পরিকল্পনায় সুসম্পন্ন হচ্ছে।

মাছের মুখোমন্ডর নিয়ে আলোচনা করছিলাম।এখন দেখো আল্লাহ তায়ালা কতসুন্দর ভাবে প্রতিটা মাছের জন্যই মুখোমন্ডল সৃষ্টি করেছেন।

ফুলকা
মাছের সবচেয়ে আশ্চর্যজনক এবং বিস্ময়র বস্তু হলো ফুলকা বা গিলস।মাছকে পানির জন্যই সৃষ্টি করা হয়েছে এজন্য মাছের শ্বাস-প্রশ্বাস গ্রহনের নিয়মও ভিন্ন।
মাছের শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যাবস্তা আমার জানা নেই। সুতরাং এখানে চ্যাট জিপিটির সাহায্য প্রয়োজন।
(চ্যাট জিপিটি থেকে প্রাপ্ত তথ্য নিচে দেওয়া হলো—


মাছ কীভাবে শ্বাস-প্রশ্বাস গ্রহণ করে?
মাছ সাধারণত পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেন গ্রহণ করে। তারা মানুষের মতো বাতাস থেকে সরাসরি অক্সিজেন নেয় না।
প্রক্রিয়াটি মোটামুটি এমন—
১. মাছ মুখ দিয়ে পানি নেয়।
মাছ মুখ খুললে পানি মুখগহ্বরে প্রবেশ করে।
২. পানি ফুলকার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়।
মুখ দিয়ে ঢোকা পানি ফুলকার সূক্ষ্ম পাতার মতো অংশগুলোর ওপর দিয়ে যায়।
৩. ফুলকা পানি থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করে।
পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেন ফুলকার সূক্ষ্ম রক্তনালীর দেয়াল অতিক্রম করে মাছের রক্তে প্রবেশ করে।
৪. রক্ত অক্সিজেন শরীরের বিভিন্ন অংশে নিয়ে যায়।
৫. কার্বন ডাই-অক্সাইড রক্ত থেকে ফুলকার দিকে আসে।
এরপর মাছের শরীরের উৎপন্ন কার্বন ডাই-অক্সাইড পানিতে চলে যায় এবং পানি মাছের দেহ থেকে বেরিয়ে যায়।
সহজ করে বললে:
পানি → ফুলকা → অক্সিজেন রক্তে → শরীরের কোষে
এবং
শরীরের কার্বন ডাই-অক্সাইড → রক্ত → ফুলকা → পানি।
কিন্তু এখানে আপনার লেখার জন্য আরও বিস্ময়কর বিষয় আছে
ফুলকা শুধু একটা সাধারণ “অঙ্গ” নয়। এর ভেতরে অসংখ্য সূক্ষ্ম গিল ফিলামেন্ট ও গিল ল্যামেলা থাকে। এগুলো ফুলকার কার্যকর পৃষ্ঠের ক্ষেত্রফল অনেক বাড়িয়ে দেয়। ফলে পানির সঙ্গে রক্তের মধ্যে গ্যাসের আদান-প্রদান কার্যকরভাবে হতে পারে।
আরও চমৎকার বিষয় হলো countercurrent exchange বা বিপরীতমুখী প্রবাহের ব্যবস্থা। ফুলকার ভেতরে রক্ত যে দিকে প্রবাহিত হয়, পানি তার বিপরীত দিকে প্রবাহিত হয়। এর ফলে পানি থেকে অক্সিজেন গ্রহণের দক্ষতা অনেক বেশি হয়।)


চ্যাট জিপিটি কি বিস্ময়কর তথ্য দিলো দেখুন।ফুলকাও কোনো সাধারন অঙ্গ নয়।এর মধ্যেও বিস্ময়কর সব বস্তু নিখুঁভাবে কাজ করছে,যা প্রাকৃতিকভাবে এমনি এমনি হয়ে যেতে পারেনা।

(পরবর্তী পর্বে আলোচনা করব পানীর স্তন্যপায়ী প্রানীদেরকে নিয়ে,পাঠের আমন্ত্রন রইলো)

মন্তব্য ২ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (২) মন্তব্য লিখুন

১| ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১০:৪২

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



এসব বিষয় বই থেকে পড়ে পাঠকৃত বই এর রেফারেন্স সহ দিলে ভাল । ভাষা একটু বদলিয়ে সাথে বই এর
রেফারেন্স দিলে লেখার মৌলিকত্য নষ্ট হয়না । যাহোক চ্যাট জিপিটিকে বলায় সে ছবিসহ বিষয়টি বুঝিয়ে
বলেছে যাতে যে কেও ভাল করে বুঝতে পারে মাছের স্বাস প্রস্বাস নেয়ার বিষয়টি ।



ছবিটির মূল কথাটি খুব সহজভাবে হলো: মাছ মুখ দিয়ে পানি নেয় → পানি ফুলকার ল্যামেলার ওপর দিয়ে যায় → পানি থেকে O₂ রক্তে ঢোকে → রক্ত O₂ শরীরের কোষে পৌঁছে দেয়; একই সময়ে কোষের CO₂ রক্তে এসে ফুলকার মাধ্যমে পানিতে বেরিয়ে যায়।
১. আগে মাছের ফুলকাটা কল্পনা করুন
পানি প্রবেশ
↓
┌────────────────┐
মুখ → │ মাছ │ → অপারকুলাম দিয়ে
│ ফুলকা │ পানি বের হয়
└────────────────┘
║║║║║
ফুলকার
ল্যামেলা
মাছ মুখ খুললে পানি মুখ দিয়ে ঢোকে। পরে মুখ বন্ধ ও অপারকুলাম খোলার ব্যবস্থায় সেই পানি ফুলকার সূক্ষ্ম অংশ—ল্যামেলা—এর ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বাইরে চলে যায়।
২. আসল গুরুত্বপূর্ণ অংশ: ল্যামেলা
একটি ফুলকার ল্যামেলাকে অনেকটা পাতলা, রক্তনালীসমৃদ্ধ পাতার মতো ভাবতে পারেন।
পানি → → → → → → →

O₂ ↓ ↓ ↓
┌─────────────────┐
│ ফুলকার ল্যামেলা │
└─────────────────┘
↑ ↑ ↑
CO₂ CO₂

← ← ← ← ← ← ←
রক্তের প্রবাহ
এখানে পানি ও রক্ত বিপরীত দিকে প্রবাহিত হয়—এটাই countercurrent exchange বা বিপরীতমুখী প্রবাহের বিনিময় ব্যবস্থা।
৩. এতে অক্সিজেন এত ভালোভাবে রক্তে ঢোকে কেন?
ধরুন,
পানি → → → → → → →
রক্ত ← ← ← ← ← ← ←
পানি যখন রক্তের সঙ্গে পাশাপাশি এগোয়, তখন প্রতিটি জায়গায় পানিতে থাকা অক্সিজেনের ঘনত্ব রক্তের তুলনায় কিছুটা বেশি থাকে। ফলে O₂ পানির দিক থেকে রক্তের দিকে ছড়িয়ে যেতে থাকে।
পানি
O₂ O₂ O₂
↓ ↓ ↓
───────────
ফুলকা
───────────
↑ ↑ ↑
রক্তে O₂
এই বিপরীতমুখী প্রবাহের কারণে ল্যামেলার প্রায় পুরো দৈর্ঘ্যজুড়েই অক্সিজেন রক্তে ঢোকার জন্য অনুকূল পার্থক্য বজায় থাকে। তাই মাছ পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেন খুব দক্ষতার সঙ্গে সংগ্রহ করতে পারে।
৪. একই সঙ্গে CO₂ বের হয়
শরীরের কোষে বিপাকের ফলে তৈরি CO₂ → রক্তে আসে → রক্ত ফুলকায় আসে → CO₂ রক্ত থেকে পানিতে যায় → পানি তা বাইরে নিয়ে যায়।
সুতরাং পুরো ব্যাপারটি এক লাইনে:
পানি → ফুলকা → O₂ → রক্ত → শরীরের কোষ
এবং বিপরীত দিকে:
শরীরের কোষ → CO₂ → রক্ত → ফুলকা → পানি → বাইরে
মনে রাখার সবচেয়ে সহজ ছবি:
পানি একদিকে →→→
রক্ত অন্যদিকে ←←←
O₂ পানির দিক থেকে রক্তে ↓
CO₂ রক্ত থেকে পানিতে ↑
এই বিপরীতমুখী প্রবাহই মাছের ফুলকার শ্বাসক্রিয়ার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কৌশল।
মানুষ যত জানবে ততই সৃস্টি কর্তার দিকে মানুষের বিশ্বাস প্রগাড় হবে ।

ধারাবাহিক আলোচনা চালিয়ে যান ।

শুভেচ্ছা রইল

১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৬

সুলাইমান হোসেন বলেছেন: উপকৃত হলাম।"হাকিক্বতুল মায়ারিফ"সিরিজগুলো একসময় বই আকারে প্রকাশ করারও নিয়ত আছে।সুতরাং আপনার মূল্যবান পরামর্শ আমার জন্য খুবই দরকারী।আমার ইচ্ছা আমি দুইটা বই লিখব।একটা হাকিক্বতুল মায়ারিফ, আরেকটা "অনন্ত প্রেম"।উভয়টাই সামুতে আগে প্রকাশিত হবে ইনশাআল্লাহ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.