| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সুলাইমান হোসেন
আমার কাছে সবচেয়ে প্রিয় আমল হলো নামাজ।নামাজেই চক্ষু শীতল হয়।যে ব্যাক্তি ইচ্ছা করে এক ওয়াক্ত নামাজও ছেড়ে দিলো সে পুলসিরাতের উপর নাকানিচুবানি খাবে এবং পরে যাবে।মানুষের জীবনটাই পুলসিরাত।বিপদ আপদ এবং কষ্টে ধৈর্যধারনের দ্বারা দ্রুত পুলসিরাত অতিক্রম করা যায়।যদি তোমার জীবনের উপর কোনো বিপদ আসে অথবা দুশ্চিন্তাঙ আসে তাহলে সুন্দর ধৈর্যের পরিচয় দাও।তোমাকে আল্লাহ যতটা চিনেন তুমি নিজেও তোমাকে ততটা চিনোনা।আর আল্লাহকে অক্ষম মনে কোরোনা,যাবতীয় বিপর্যয় তিনি এক সেকেন্ডেরও কম সময়ে ঠিক করে দিতে পারেন

আমরা প্রানীকূলের বিস্ময় অধ্যয়ে স্থলভাগের(বায়ুমন্ডলের)প্রানী নিয়ে লিখছিলাম।আজকে আলোচনা করব অতি পরিচিত একটি প্রানী ব্যাঙ নিয়ে।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম
নাহমাদুহু ওয়া নুসল্লি আলা সায়্যিদিনা রসূলিহিল কারীম
প্রাথমিক বর্ণনা:
ব্যাঙ হলো উভচর শ্রেনির প্রানী।যাদেরকে পানি এবং স্থলভাগ দুই জায়গাতেই পাওয়া যায়।ব্যাঙ পানিতে আবার কিছু জাতের ব্যাঙ গাছের পাতায় ডিম পারে।ব্যাঙের মধ্যেও লিঙ্গভেদ আছে,কিছু ব্যাঙ নারী,এবং এবং কিছু পুরুষ।কিছু ব্যাঙের ডাক বহুদূর থেকেও শোনা যায়,বিশেষ করে বর্ষাকালে নতুন পানিতে কিছু বড় বড় ব্যাঙ দেখা যায় যারা স্ত্রী ব্যাঙকে প্রজননের জন্য আকর্ষন করে তাদের ডাকের মাধ্যমে।ব্যাঙ সাধারনত কিটপতঙ্গ পোকা-মাকড় ইত্যাদি খায়।আবার সাপকে তারা খুবই ভয় পায়,কারন সাপের খাবারের তালিকায় ব্যাঙও রয়েছে।
ব্যাঙের চারটি পা রয়েছে।পেছনের পা দুটি সামনের পায়ের থেকে অধিক শক্তিশালী।তারা লাফ দিয়ে বহুদূর যেতে পারে।কিছু ব্যাঙ আবার গাছেও বসবাস করে। এরা লাফ দিয়ে এক গাছ থেকে অন্য গাছে যায়।
ব্যাঙের রং :
ব্যঙের রং সাধারনত সবুজ,ধুসর,মাটি কালারের হয়ে থাকে।তবে আরো অনেক রঙের ব্যাঙ প্রকৃতিতে পাওয়া যায়।
ব্যাঙের শ্বাস গ্রহন পদ্ধতি :
ব্যঙের শ্বাস গ্রগন পদ্ধতি বিস্ময়কর।এরা যখন পানিতে ব্যাঙাচি আকারে থাকে তখন ফুলকার মাধ্যমে শ্বাস গ্রহন করে।আবার বড় হওয়ার পর ফুলকা পরে গিয়ে ফুসফুস জন্মায়।তখন তারা ফুসফুসের মাধ্যমে শ্বাস নেয়।
শের :আল্লাহর বিস্ময়কর কারীগরি লক্ষ করো,কত জটিল এবং কঠিন,
পানিতে যাকে দিলেন ফুলকা,ডাঙায় পরিবর্তন করলেন তার রুটিন।
সত্যই ব্যাঙের জীবন অনেক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যায়।ব্যাঙাচি পোনা দেখলে ভাবতেও কষ্ট হবে এই ব্যাঙাচি একসময় বড় একটি ব্যাঙ হবে।পরিবর্তিত একটি ব্যাঙ হবে।ব্যাঙাচির মধ্যে পা থাকেনা কিন্তু বড় হলে তার পা গজায়,তারপর ব্যাঙাচিতে লেজ থাকে,কিন্তু বড় হলে তার লেজ পরে যায়।ব্যাঙের ফুসফুস থাকলেও ব্যাঙ ফুসফুসের উপর নির্ভরশীল নয়।ব্যাঙ তার শরীর দিয়ে অক্সিজেন নিতে পারে,এবং বেঁচে থাকতে পারে।দেখুন কি বিস্ময়কর কারীগরী।মানুষ এইসকল প্রানীদের নিকট কত দুর্বল এবং অসহায়।ব্যাঙ পানিতে ডুব দিয়ে অনেক্ষন থাকতে পারে,কিন্তু মানুষ বেশিক্ষন থাকতে পারেনা।
২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৮:৫৫
সুলাইমান হোসেন বলেছেন: আমার ব্লগে আপনার আগমনে আমি আনন্দিত।মন্তব্যটা সাময়িক ছিলো।প্রয়োজনের জন্য সংরক্ষন করেছিলাম
©somewhere in net ltd.
১|
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৫৩
কাজী আবু ইউসুফ (রিফাত) বলেছেন: এখানে এই মন্তব্য টি তো রিলেটে না।