নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

বারবার পরাজিত হয়েও বিজয়ের আশা এবং নেশা ছেড়ে না দেওয়াই প্রকৃত সৈনিকের আলামত

সুলাইমান হোসেন

আমার কাছে সবচেয়ে প্রিয় আমল হলো নামাজ।নামাজেই চক্ষু শীতল হয়।যে ব্যাক্তি ইচ্ছা করে এক ওয়াক্ত নামাজও ছেড়ে দিলো সে পুলসিরাতের উপর নাকানিচুবানি খাবে এবং পরে যাবে।মানুষের জীবনটাই পুলসিরাত।বিপদ আপদ এবং কষ্টে ধৈর্যধারনের দ্বারা দ্রুত পুলসিরাত অতিক্রম করা যায়।যদি তোমার জীবনের উপর কোনো বিপদ আসে অথবা দুশ্চিন্তাঙ আসে তাহলে সুন্দর ধৈর্যের পরিচয় দাও।তোমাকে আল্লাহ যতটা চিনেন তুমি নিজেও তোমাকে ততটা চিনোনা।আর আল্লাহকে অক্ষম মনে কোরোনা,যাবতীয় বিপর্যয় তিনি এক সেকেন্ডেরও কম সময়ে ঠিক করে দিতে পারেন

সুলাইমান হোসেন › বিস্তারিত পোস্টঃ

হাকিক্বতুল মায়ারিফ:পর্ব—১০[প্রানীকূলের বিস্ময়]

০২ রা অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:৪৬





বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম

নাহমাদুহু ওয়ানুসল্লি আলা রসূলিহিল কারীম

পাখী প্রকৃতির এক অপার বিস্ময়।সারি বেধে ডানা দুটো মেলে ঝাঁকে ঝাঁকে পাখীরা যখন নীল আকাশে উড়ে বেরায়,এই দৃশ্য দর্শকের নিকট পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দরতম দৃশ্যগুলোর একটি।আমরা তো এমন সুন্দর সুন্দর দৃশ্য দেখি,কিন্তু আমরা কজনে ভাবি এর মধ্যে লুকিয়ে আছে সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর অপার শক্তি, ক্ষমতা,কুদরত এবং বিস্ময়কর মহিমা।

দেখো,কিভাবে পাখীরা আকাশে উড়ে বেরায়,কে দিল তাদেরকে দুটো পাখনা।যার উপর ভর করে তারা উড়ার আনন্দ উপভোগ করে।শুধু তাই নয় তাদের খানাপিনা করার জন্য দয়াময় আল্লাহ তায়ালা ঠোঁট সৃষ্টি করেছেন,মুখ গহ্বর দিয়েছেন।আবার মুখের আকৃতি গঠনও কেমন আকর্ষনীয় করেছেন,,টিস্যু, স্নায়ু,মাংসপেশিগুলো কেমন সুশৃঙ্খলভাবে উপযোগী করে সৃষ্টি করেছেন।আবার দেখো,খাদা খাবে কিন্তু ভিতরে খাদ্য থাকবে কোথায়?এজন্য পাকস্থলি সৃষ্টি করেছেন,শুধু এপর্যন্ত ই নয়।খাবার হজম করার জন্য প্রয়োজনীয় তাপমাত্রা এনজাইম এবং লালা রস সৃষ্টি করেছেন।তারপর খাদ্য থেকে প্রোটিন এবং দেহ গঠনের প্রয়োজনীয় উপাদানগুলোকে আলাদা করেছেন,বাকি অবশিষ্ট বর্জ পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা করে দিয়েছেন পেছেনের পায়ুপথ দিয়ে।একটা প্রানীর মধ্যে কোটি কোটি বিলিয়ন বিলিয়ন কাজ প্রতি মুহুর্তে সম্পন্ন হচ্ছে।দেখোতো কোনো সৃষ্টিকর্তা ব্যাতিত এই কাজগুলো সম্পন্ন হতে পারে কিনা?

তারপর দেখো পাখীরা কত সুন্দর করে বাসা বানায়।এক্ষেত্রে বাবুই পাখী অগ্রগামী।নিচের ছবিতে দেখুন বাবুই পাখী কত সুন্দর করে বাসা বানায়



ছোটবেলায় "আমার বাংলা বই" নামক পাঠ্যবইতে বাবুই পাখী নিয়ে একটি কবিতাও পড়েছিলাম,



কবিতাটা পুরোপুরি মনে নেই,যতটুকু মনে আছে,

"বাবুই পাখীকে ডাকিয়া বলিছে চড়াই,
কুড়ে ঘরে থেকে করো শিল্পের বড়াই।
আমি থাকি মহা সুখে অট্টালিকা পরে,
তুমি কত কষ্ট পাও,রোদ-বৃষ্টি-ঝড়ে।






তারপর দেখো,হাজার হাজার প্রজাতির পাখী রয়েছে,একেকপ্রজাতির পাখীর ভিন্ন ভিন্ন বৈশিষ্ঠ রয়েছে।কে এই ভিন্ন ভিন্ন বৈশিষ্ঠ সৃষ্টি করে দিলো।আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো শক্তি আছে কি এগুলো সৃষ্টি করবে।

তারপর দেখো!একেক প্রজাতির পাখী একেকরকম খাবার খায়,বাসা বানায়,আবার কোনো কোনো প্রজাতির মধ্যে মিলও রয়েছে।তারপর কিছু স্তন্যপায়ী পাখী বাদুড়, চামচিকা ব্যাতিত সব পাখীই ডিম পারে।ছোট বড় বিভিন্ন রঙ-বেরঙের ডিম পাড়ে।ডিম ফুটে কত সুন্দর গঠন আকৃতি বিশিষ্ট পাখীর ছানা সৃষ্টি হয়।

মন্তব্য ২ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (২) মন্তব্য লিখুন

১| ০৩ রা অক্টোবর, ২০২৬ ভোর ৬:৩৯

নজসু বলেছেন:



আস সালামু আলাইকুম প্রিয় ভাই।
আল্লাহু আকবর।
আল্লাহতায়ালার অপার রহমত না থাকলে এই সৃষ্টিকূল ধ্বংস হয়ে যেতো।
অনেক ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর এই পোষ্টটির জন্য।
ভালো থাকবেন। দোয়া রইলো। দোয়া করবেন।

০৩ রা অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৭:০৬

সুলাইমান হোসেন বলেছেন: আমার প্রিয় নজসু ভাই।সুন্দর মনত্যবের জন্য অন্তর থেকে ধন্যবাদ

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.